আজঃ মঙ্গলবার ২০ এপ্রিল ২০21
শিরোনাম

আগামীকাল থেকে চলবে গণপরিবহণ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৬ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৬ এপ্রিল ২০২১ | ১৭৮জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ঢাকাসহ দেশের সব সিটি করপোরেশন এলাকায় আগামীকাল বুধবার থেকে গণপরিবহণ চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত এই গণপরিবহণ চলবে। তবে মহানগরের বাইরের কোনো পরিবহণ শহরে প্রবেশ করতে পারবে না এবং বেরও হতে পারবে না।

আজ মঙ্গলবার বিকেলে নিজের সরকারি বাসভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, লকডাউন পরিস্থিতিতে সরকারি-বেসরকারিসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ও জনসাধারণের যাতায়াতে দুর্ভোগের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার সরকার গণপরিবহণে চলাচলের বিষয়টি শর্ত প্রতিপালন সাপেক্ষে পুনরায় বিবেচনা করে অনুমোদন দিয়েছেন।

মন্ত্রী জানান, ঢাকা, চট্টগ্রাম, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা, রাজশাহী, খুলনা, সিলেট, বরিশাল, রংপুর ও ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশন এলাকাধীন সড়কে সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত অর্ধেক আসন খালি রেখে গণপরিবহণ চলাচল করবে। প্রতি ট্রিপের শুরু ও শেষে জীবাণুনাশক দিয়ে গাড়ি জীবাণুমুক্ত এবং পরিবহণ সংশ্লিষ্ট ও যাত্রীদের বাধ্যতামূলক মাস্ক পরিধান, হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। কোনোভাবেই সমন্বয়কৃত ভাড়ার অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা যাবে না। পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত দূরপাল্লায় গণপরিবহণ চলাচল যথারীতি বন্ধ থাকবে বলেও জানান তিনি।

ওবায়দুল কাদের বলেন, আগামীকাল ৭ এপ্রিল বুধবার থেকে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এ সিদ্ধান্ত বলবৎ থাকবে।

সড়ক পরিবহণ মন্ত্রী করোনা সংক্রমণ বিস্তাররোধে সরকারের নির্দেশনাগুলো যথাযথভাবে প্রতিপালনে পরিবহণ মালিক-শ্রমিক ও যাত্রীসাধারণের সহযোগিতা কামনা করেন।


আরও খবর



করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৪ কোটি ১৩ লাখ

প্রকাশিত:রবিবার ১৮ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১৮ এপ্রিল ২০২১ | ৭৭জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
করোনায় এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ ও মৃত্যু হয়েছে বিশ্বের ক্ষমতাধর দেশ যুক্তরাষ্ট্রে। তালিকায় শীর্ষে থাকা দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনা সংক্রমিত হয়েছেন ৩ কোটি ২৩ লাখ ৭২ হাজার ১১৯ জন

বিশ্বে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ও প্রাণহানির সংখ্যা কোনোভাবেই কমছে না। সবশেষ করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৪ কোটি ১৩ লাখ ৫৩৮ জন। আর এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে বিশ্বে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩০ লাখ ২৩ হাজার ৮১৩ জনে। এর মধ্যে সুস্থ হয়েছে ১১ কোটি ৯৯ লাখ ১৪ হাজার ৭৮৭ জন।

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ও প্রাণহানির পরিসংখ্যান রাখা ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডওমিটার থেকে এই তথ্য জানা যায়।

ওয়ার্ল্ডওমিটারের সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, করোনায় এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ ও মৃত্যু হয়েছে বিশ্বের ক্ষমতাধর দেশ যুক্তরাষ্ট্রে। তালিকায় শীর্ষে থাকা দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনা সংক্রমিত হয়েছেন ৩ কোটি ২৩ লাখ ৭২ হাজার ১১৯ জন। এবং ৫ লাখ ৮০ হাজার ৭৫৬ জন মারা গেছেন।

লাতিন আমেরিকার দেশ ব্রাজিল করোনায় আক্রান্তের দিক থেকে তৃতীয় ও মৃত্যুর সংখ্যায় তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। দেশটিতে মোট শনাক্ত রোগী এক কোটি ৩৯ লাখ ১৩৪ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ৩ লাখ ৭১ হাজার ৮৮৯ জনের।

করোনায় আক্রান্তের তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে প্রতিবেশি দেশ ভারত। তবে ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃতের তালিকায় দেশটির অবস্থান চতুর্থ। দেশটিতে মোট আক্রান্ত এক কোটি ৪৭ লাখ ৮২ হাজার ৪৬১ জন এবং মারা গেছেন ১ লাখ ৭৭ হাজার ১৬৮ জন।

প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীন থেকে সংক্রমণ শুরু হওয়ার পর বিশ্বব্যাপী ছড়িয়েছে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস। গত বছরের ১১ মার্চ করোনাভাইরাস সংকটকে মহামারি ঘোষণা করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।


আরও খবর



সংগঠনের প্রধান নিরীক্ষকের তথ্য

হেফাজতের কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন বাবুনগরী

প্রকাশিত:রবিবার ০৪ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ০৪ এপ্রিল ২০২১ | ১৫৯জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
ঢাকা ঘেরাও এবং এর অংশ হিসেবে শাপলা চত্বরে অবস্থান কর্মসূচি যখন তুমুল সাড়া জাগায়, তখন আন্দোলন সফল করতে বিভিন্ন উৎস থেকে অর্থ সহায়তা আসছিল। সে সময় ঢাকার সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন

রাজধানীর মতিঝিল শাপলা চত্বরে ২০১৩ সালের ৫ মে হেফাজতে ইসলামের অবস্থান কর্মসূচি 'সফল' করতে নানা উৎস থেকে টাকা নিয়েছিল সংগঠনটি। বিএনপির সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও ঢাকার সাবেক মেয়র প্রয়াত সাদেক হোসেন খোকাও সে সময় অন্তত ৫০ লাখ টাকা দিয়েছিলেন। সেই অর্থের অন্তত এক কোটি টাকার হিসাব দিতে পারেননি হেফাজতের বর্তমান আমির জুনায়েদ বাবুনগরী। পুরো টাকাই তিনি আত্মসাৎ করেছেন বলে জনপ্রিয় একটি জাতীয় দৈনিক সংবাদপত্রকে জানিয়েছেন সংগঠনটির প্রধান নিরীক্ষক (অডিটর) মাওলানা সলিমউল্লাহ।

সংগঠনের আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ নিয়ে কথা বলতে জুনায়েদ বাবুনগরীর সঙ্গে দফায় দফায় চেষ্টা করে তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। তবে তার সঙ্গে থাকা খাদেম (একান্ত সচিব) মাওলানা ইন'আমুল হাসান ফারুকীর মাধ্যমে চেষ্টা করা হলে তিনি জুনায়েদ বাবুনগরীর সঙ্গে কথা বলিয়ে দেবেন বলে জানান। পরে তাকেও পাওয়া যায়নি।

শুক্রবার রাত ও শনিবার বিকেলে মাওলানা সলিমউল্লাহর সঙ্গে দুই দফায় কথা হয় ওই সংসাদপত্রটির। এ সময় তিনি বলেন, ঢাকা ঘেরাও এবং এর অংশ হিসেবে শাপলা চত্বরে অবস্থান কর্মসূচি যখন তুমুল সাড়া জাগায়, তখন আন্দোলন সফল করতে বিভিন্ন উৎস থেকে অর্থ সহায়তা আসছিল। সে সময় ঢাকার সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকাও নগদ ৫০ লাখ টাকা দিয়েছিলেন সংগঠনের তখনকার মহাসচিব জুনায়েদ বাবুনগরীকে। কিন্তু সেই টাকা নিজের কাছে রেখে দেন তিনি।

মাওলানা সলিমউল্লাহ বলেন, শাপলা চত্বরে আন্দোলন চলাকালে হুজুরকেও (হেফাজতের প্রতিষ্ঠাতা আমির শাহ্‌ আহমদ শফী) অনেকে টাকা-পয়সা দিয়েছিলেন। কিন্তু কোনো টাকা তিনি নিজের কাছে তেমন একটা রাখতেন না। একদিন হুজুর নিজ হাতে তখনকার মহাসচিব জুনায়েদ বাবুনগরীকে ২৫ লাখ টাকা দিয়েছিলেন। সেই টাকাও তিনি হজম করে ফেলেছেন।

শাপলা চত্বরে আন্দোলন চলাকালে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন জুনায়েদ বাবুনগরী। তাকে রিমান্ডেও নেওয়া হয়েছিল। কারাভোগের পর তিনি জামিনে বেরিয়ে ঢাকার বারডেম হাসপাতালে ভর্তি হন। মাওলানা সলিমউল্লাহ এ প্রসঙ্গ টেনে বলেন, জুনায়েদ বাবুনগরী হাসপাতালে ভর্তি থাকাকালে একদিন তার মেয়ের এক ভাসুরকে পাঠান এবং তার মাধ্যমে চিকিৎসার কথা বলে সংগঠন থেকে ২০ লাখ টাকা নেন। সেই টাকা ফেরত দেওয়া দূরে থাক, কোনো হিসাবই দেননি তিনি। চিকিৎসার জন্য কত টাকা খরচ হয়েছে; সেটাও কারও জানা নেই। তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন সময় সংগঠন থেকে মোটা অঙ্কের অর্থ নিয়েছেন জুনায়েদ বাবুনগরী। সংগঠনের তৎকালীন মহাসচিব হিসেবেও অনেকে তার কাছে টাকা দিয়েছেন। কিন্তু এসব টাকার কোনো হিসাব নেই।

২০১৬ থেকে ১৮ সাল পর্যন্ত হেফাজতের প্রধান নিরীক্ষক ছিলেন মাওলানা সলিমউল্লাহ। তবে জুনায়েদ বাবুনগরীর কাছ থেকে অর্থের হিসাব চাওয়া এবং এ বিষয়ে নিরীক্ষা প্রতিবেদন প্রস্তুত করায় তাকে শেষ পর্যন্ত প্রধান নিরীক্ষকের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। বর্তমানে হেফাজতের যে অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা কমিটি রয়েছে, সে কমিটির অন্যতম সদস্য তিনি। অবশ্য কাগজ-কলমে নাম থাকলেও কয়েক মাস ধরে হেফাজতের সঙ্গে তেমন একটা সম্পৃক্ত নন ফটিকছড়ির নাজিরহাট আল জামিয়াতুল ফারুকীয়া মাদ্রাসার মুহতামিম (মহাপরিচালক) মাওলানা সলিমউল্লাহ।

আর্থিক অনিয়মের প্রেক্ষাপট বর্ণনা করে মাওলানা সলিমউল্লাহ বলেন, ২০১৬ সালে হেফাজতের প্রতিষ্ঠাতা আমির শাহ্‌ আহমদ শফী আমাকে হেফাজতের প্রধান নিরীক্ষক করে একটি অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা কমিটি গঠন করেন। দায়িত্ব পাওয়ার পর সংগঠনের আর্থিক খাতে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার চেষ্টা করতে গিয়ে দফায় দফায় বাধার মুখে পড়তে হয়। মূলত শাপলা চত্বরে আন্দোলনের সময় বিভিন্নভাবে নেওয়া টাকার হিসাব চাইতে গিয়ে এ সমস্যা তৈরি হয়। আমি বিষয়টি নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি করি- সেটা মাওলানা জুনায়েদ বাবুনগরী চাইতেন না। তাই যখনই আর্থিক অনিয়মের বিষয়টি তুলে ধরে নিরীক্ষা প্রতিবেদন তৈরি করি, তখন পদাধিকারবলে আমার নেতৃত্বাধীন কমিটি ভেঙে দেন তিনি। যখন যাকে পছন্দ তাকে প্রধান নিরীক্ষকের দায়িত্ব দেন। অবশ্য কমিটির সদস্যদের মধ্য থেকে প্রধান নিরীক্ষকের পদ দেওয়া হতো। এভাবে তিনবার কমিটি পরিবর্তন করা হয়েছে। বর্তমানে প্রধান নিরীক্ষকের দায়িত্ব পালন করছেন চট্টগ্রামের চাক্তাই মোজাহেরুল উলুম মাদ্রাসার মুহতামিম মাওলানা লোকমান হাকিম।

আমি যখন প্রধান নিরীক্ষক ছিলাম, তখন সে কমিটির সদস্য ছিলেন তিনি। তবে বর্তমানে তথাকথিত হেফাজতের কমিটির সঙ্গে আমার কোনো সম্পর্ক নেই।

শাহ্‌ আহমদ শফীর ঘনিষ্ঠভাজন ছিলেন মাওলানা সলিমউল্লাহ। কয়েক মাস আগেও ফটিকছড়ির আল জামেয়াতুল আরাবিয়া নছিরুল ইসলাম নাজিরহাট বড় মাদ্রাসার মুহতামিম ছিলেন তিনি। তবে আহমদ শফী ইন্তেকাল করার পর তাকে সে পদ থেকে সরিয়ে দেন জুনায়েদ বাবুনগরী ও তার সমর্থকরা। তবে এর নেপথ্যে আরও গভীর রহস্য রয়েছে বলে মনে করেন মাওলানা সলিমউল্লাহ। তিনি বলেন, ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ আবদুল্লাহ মারা যাওয়ার পর ফটিকছড়ি মাইজভাণ্ডার শরীফের পীর মুজিবুল হক মাইজভাণ্ডারী ধর্ম মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নিতে চেষ্টা করেছিলেন। এ জন্য কওমিদের সমর্থন প্রয়োজন বলে মনে করেছিলেন তিনি। একাধিকবার আমার মাধ্যমে শফী হুজুরকে দিয়ে সরকারের শীর্ষ পর্যায়ে ফোন করাতে চেয়েছিলেন। কিন্তু আমি সেটা করিনি। এমন প্রেক্ষাপটে তার সঙ্গে বাবুনগরীর সুসম্পর্ক হয়। শফী হুজুর ইন্তেকাল করার পর তারা ষড়যন্ত্র করে আমাকে মাদ্রাসা থেকে সরিয়ে দেন।

ফটিকছড়িতে ইসলামী আইন বাস্তবায়ন কমিটি নামে একটি সংগঠন রয়েছে। প্রায় ২২ বছর ধরে জুনায়েদ বাবুনগরী সভাপতি ও সলিমউল্লাহ সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করলেও মাদ্রাসার পাশাপাশি সেই কমিটি থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে সলিমউল্লাহকে।

রাজধানীর শাহবাগে গণজাগরণ মঞ্চের আন্দোলন চলাকালে কথিত নাস্তিক-ব্লগারদের শাস্তিসহ ১৩ দফা দাবি আদায়ে ২০১৩ সালের ৫ মে ঢাকার ছয়টি প্রবেশমুখে অবরোধ কর্মসূচি শেষে মতিঝিল শাপলা চত্বরে অবস্থান নেয় হেফাজতের বিপুলসংখ্যক কর্মী-সমর্থক। দিনভর বিভিন্ন স্থাপনা, যানবাহনে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে তারা। পরদিন ৬ মে চট্টগ্রামের হাটহাজারী, নারায়ণগঞ্জ, বাগেরহাটসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে হেফাজত কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়। এসব ঘটনায় রাজধানীসহ রদশের বিভিন্ন স্থানে হেফাজতের ২২ কর্মীসহ ৩৯ জন নিহত হয়। সূত্র : সমকাল


আরও খবর



শরীর ভালো রাখতে লেবু চা নাকি গ্রিন টি ?

প্রকাশিত:রবিবার ২১ মার্চ 20২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ মার্চ 20২১ | ৮১জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

সকালে ঘুম থেকে উঠে কিছুক্ষণ শরীরচর্চা করে কেউ পান করেন গ্রিন টি আর কেউ আবার পান করেন লেবু চা। এই লেবুজলে অনেকেরই গরমকালের মূল পানীয়। কাজের মাঝেও মনকে চাঙ্গা করতে এক কাপ লেবু চা যথেষ্ট। আবার খুব রোদে রোদে ঘুরে কাজ করলেও এই লেবু চা এনে দেয় আলাদা এনার্জি ও ফ্রেশনেস। কিন্তু শরীর ভালো রাখতে কোনটা বেশি কার্যকর লেবু চা পান নাকি গ্রিন টি?

লেবু চা: লেবু আমাদের শরীরের অভ্যন্তরীণ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে শক্তিশালী করে তোলে। আবার শরীরের যে টক্সিন, সেই বিষগুলিকে লেবুই শরীর থেকে বের করে দিতে পারে বলে লেবু বডি ডিটক্সের জন্য খুব জরুরি। লেবুর রস দিয়ে যেটাই খাবেন সেটাই একটি লো-ক্যালোরি ফুডে পরিণত হবে যা ওজন কমাতে সহায়তা করবে।

যারা ডায়াবেটিস রোগে ভুগছেন তাদের জন্যও লেবু চা খুব উপকারী, যা ইনসুলিনের উৎপাদন বাড়ায়। লেবু চা নিয়মিত পান করলে আমাদের কার্ডিও-ভাসকুলার রোগে ভোগার ঝুঁকি কমে যায় অনেকটা প্রাকৃতিকভাবেই। অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল সংক্রমণ এবং ভাইরাস সংক্রমণ থেকে মুক্তি পেতে পারেন নিয়মিত লেবু চা পানে।

গ্রিন টি: এই সবুজ চায়ে রয়েছে নানা পুষ্টি উপাদান যেমন ভিটামিন এ, ভিটামিন সি, ভিটামিন ই, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম ছাড়াও বিভিন্ন খনিজ উপাদান যা প্রতিটি মানুষের শরীরেই শক্তি বৃদ্ধি করতে ও সারাদিনের কাজ করতে প্রয়োজন। শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়ে এই চা পান করলে। আবার শরীরকে বিভিন্ন ধরনের ক্যান্সার থেকে রক্ষা করতে পারে এই পানীয়।

দুটো পানীয়ই স্বাস্থ্যের জন্যে ভালো কিন্তু যেহেতু লেবুতে এসিটিক এসিড রয়েছে তাই সকালবেলা তা পানে অ্যাসিডিটি এবং গ্যাসের সমস্যা হতে পারে অনেকের।


আরও খবর
যেভাবে বানাবেন শসার স্মুদি

সোমবার ১৯ এপ্রিল ২০২১




নড়াইলে বনি হত্যা মামলায় ২৬ জনের যাবজ্জীবন

প্রকাশিত:বুধবার ৩১ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ৩১ মার্চ ২০২১ | ৮৭জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
গ্রাম্য শত্রুতা ও মামলা মোকদ্দমার কারণে খুন করা হয় কালিয়া উপজেলার পারবিঞ্চুপুর গ্রামের মো. হাসিম মোল্লার ছেলে বনি মোল্লাকে। ২০১৯ সালের ১১ মে বনি বাড়ির পাশের

নড়াইলের কালিয়া উপজেলার বনি মোল্লা হত্যা মামলায় ২৬ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বুধবার (৩১ মার্চ) দুপুরে খুলনা দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. নজরুল ইসলাম হাওলাদার এ রায় ঘোষণা করেন। এ মামলায় ৪ জনকে খালাস দেয়া হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আহাদুজ্জামান।

যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন, আলম শেখ (৩৯), মফিজ বিশ্বাস (৪০), আ. সালাম শেখ (৪২), শরিফুল খাঁ (৪৪), মামুন খান (৩৯), সোহেল শিকদার (২৭), আশিক শিকদার (৩৩), সবুজ শেখ (২২), সবুজ মোল্যা (৩২), খালিদ মোল্যা (২৬), খোকন মোল্যা (৫৫), কিবরিয়া মোল্যা (৫০), সাদি শেখ (১৮), আহাদুল শেখ (২৩), ইমদাদ শেখ (২৭), শরিফুল মোল্যা (৫৩), বাপ্পি শেখ (পলাতক) (৩৪), সুফিয়ান খাঁ (৪৩), আশরাফুল খাঁ (৩৭), আনোয়ার মোল্যা (৪৫), রুনজু মোল্যা (৩৮), দুলাল খাঁ (৫০), শিপলু খান ওরফে পিকুল খাঁন (২৩), উজ্জ্বল তালুকদার (৩৭), আশিক মোল্যা (২৩) ও মো. আজাদ শেখ (৩৭)।

খালাসপ্রাপ্তরা হলেন, বাবু মোল্যা (২৭), রকিবুল মোল্যা (৩৫), মো. মিলন শেখ (৩৮) ও সেলিম মোল্যা (৫২)। এদের সকলের বাড়ি নড়াইলের কালিয়া উপজেলায়।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, গ্রাম্য শত্রুতা ও মামলা মোকদ্দমার কারণে খুন করা হয় কালিয়া উপজেলার পারবিঞ্চুপুর গ্রামের মো. হাসিম মোল্লার ছেলে বনি মোল্লাকে। ২০১৯ সালের ১১ মে বনি বাড়ির পাশের একটি ঘেরে অবস্থান করছিলেন। সকাল সাড়ে ৮টার দিকে সন্ত্রাসীরা দেশীয় ধারালো অস্ত্র নিয়ে তার ওপর হামলা চালায়। প্রাণ বাঁচাতে তিনি দৌড়ে প্রতিবেশী ছাকু কাজীর বাড়িতে আশ্রয় নেন।

সন্ত্রাসীরা ওই বাড়ি থেকে তাকে বের করে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে। ওই ঘটনার পর বনি মোল্লার বাড়ির লোকজন তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এই ঘটনার দুইদিন পর নিহতের বাবা বাদী হয়ে ৩২ জনের নাম উল্লেখ করে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্ত চলাকালে আরও দুজনের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

নিউজ ট্যাগ: নড়াইল

আরও খবর
নড়াইলে স্কুলছাত্রীকে দলবেঁধে ধর্ষণ, আটক ৫

শুক্রবার ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২১




বক্স অফিসে সুলতানের তোলপাড়

প্রকাশিত:সোমবার ০৫ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ০৫ এপ্রিল ২০২১ | ৮১জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

তামিল তারকা কার্থি ও রশ্মিকা মন্দানার সুলতান সিনেমা দর্শকের মন জয় করেছে। প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়া এ রুরাল ড্রামা একই নামে তেলেগু ভাষায় মুক্তি পেয়েছে। আর বক্স অফিসে সংগ্রহও বেশ ভালো।

ভারতের বিনোদনভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ফিল্মিবিট ডটকমের খবর, তিন দিনে এ সিনেমার নেট কালেকশন ১৩.৭৫ কোটি রুপি (তামিল ভার্সন)। প্রথম দিন সংগ্রহ করে ৫.০৫ কোটি, দ্বিতীয় দিন ৩.৯০ কোটি ও তৃতীয় দিন ৪.৮০ কোটি রুপি। অন্যদিকে, তেলেগু ভার্সন সংগ্রহ করেছে ৩.৬০ কোটি রুপি। তামিল ও তেলেগু মিলিয়ে মোট সংগ্রহ দাঁড়িয়েছে ১৭.৩৫ কোটি রুপি।

ড্রিম ওয়ারিয়র পিকচার্সের ব্যানারে বাক্কিরাজ কন্নানের রচনা ও পরিচালনায় সিনেমাটি প্রযোজনা করেছেন এস আর প্রকাশ বাবু ও এস আর প্রভু। এতে কার্থি-রশ্মিকা ছাড়াও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় দেখা গেছে নেপোলিয়ন, লাল, যোগী বাবু, হারিশ পেরারি, রামচন্দ্র রাজু ও নবাব শাহকে।

নিউজ ট্যাগ: সুলতান

আরও খবর