আজঃ মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

আজ বিশ্ব আনফ্রেন্ড দিবস

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৭ নভেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৭ নভেম্বর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

সোশ্যাল মিডিয়ায় যাদের চাইলেও এতদিন আনফ্রেন্ড করতে পারছিলেন না, আজ করে দিন। কেননা এসব বিরক্তিকর এবং অপছন্দের মানুষকে ছাঁটাই করার দিন আজ। আজ যে (শুক্রবার, ১৭ নভেম্বর) আনফ্রেন্ড দিবস।

বর্তমান সময়ে এসে সব বয়সী মানুষই সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করেন। আর এই প্ল্যাটফর্মগুলোতে পরিচিতদের পাশাপাশি অপরিচিতদের সঙ্গেও বন্ধুত্ব করা যায় সহজেই। আর এখানে আপনার যাকে ভালো লাগে না, কিংবা কেউ আপনাকে বিরক্ত করেন, এমন ব্যক্তিকে চাইলেই সরিয়ে দিতে পারেন নিজের প্রোফাইল থেকে।

আনফ্রেন্ড শব্দটির সঙ্গে আমরা পরিচিত হয়েছি সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্মের মাধ্যমে। তবে ফ্রেন্ড বা বন্ধু শব্দটি অনেক আগে থেকেই আমাদের খুব পরিচিত। জানেন কি? ভাইরাল বা ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট শব্দগুলোর মতো আনফ্রেন্ড শব্দটির প্রচলন শুরু হয় এই সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম থেকেই।

অক্সফোর্ড ডিকশনারির ২০০৯ সালের সেরা শব্দ ছিল আনফ্রেন্ড। যার সংজ্ঞা হলো: ফেসবুকের মতো সোশ্যাল মিডিয়া সাইটে কাউকে বন্ধু তালিকা থেকে বাদ দেয়া।

আনফ্রেন্ড দিবস বিশ্বের অনেক দেশেই পালন করা হয় বেশ আনন্দের সঙ্গে। বিশেষ করে সোশ্যাল মিডিয়ায় এ দিবসটি নিয়ে নানান স্ট্যাটাস এবং লেখালেখি চোখে পড়ে।

২০১৪ সালে কৌতুক অভিনেতা জিমি কিমেল আনফ্রেন্ড ডে বা বন্ধু ছাঁটাই করার দিন প্রতিষ্ঠা করেন। দিনটি প্রচলনের উদ্দেশ্য ছিল: সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপরিচিত ও বিরক্তিকর ব্যক্তিকে বন্ধু তালিকা থেকে বাদ দেয়া। যাদের সারা বছর সহ্য করেছেন বা আজ কাল করে করে বন্ধু তালিকা থেকে বাদ দিতে পারছেন না, আজ করে দিন।

আনফ্রেন্ড দিবস উদযাপন করতে নিজের ফেসবুক প্রোফাইলের বন্ধু তালিকা স্ক্রল করুন। দেখবেন অনেকেই আছেন যাদের সঙ্গে কখনো কথা কিংবা যোগাযোগ হয়নি। আর ওই মানুষটির সঙ্গে কোনও কথা হবেও না - এসব অপ্রয়োজনীয় প্রোফাইলকে আপনার প্রোফাইল থেকে আনফ্রেন্ড করতে পারেন।

আবার অনেকেই আছেন বন্ধু তালিকায় তবে ওই ব্যক্তির প্রোফাইল দেখে তখন ভালো মনে হলেও দিন দিন তাকে বিরক্ত লাগছে। তার পোস্টগুলোও ভালো লাগছে না। অথবা আপনাকে টেক্সট দিয়ে বিরক্ত করছে, তাদের সবাইকে আনফ্রেন্ড করে দিন।

নিউজ ট্যাগ: আনফ্রেন্ড দিবস

আরও খবর



এবার সফলভাবে তিনটি স্যাটেলাইট কক্ষপথে পাঠাল ইরান

প্রকাশিত:রবিবার ২৮ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৮ জানুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ডেস্ক

Image

একসাথে সফলভাবে আরও তিনটি স্যাটেলাইট কক্ষপথে পাঠাল ইরান। দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি এসব স্যাটেলাইট পৃথিবী পৃষ্ঠ থেকে সর্বনিম্ন ৪৫০ কিলোমিটার এবং সর্বোচ্চ ১,১০০ কিলোমিটার উচ্চতায় স্থাপন করার দাবি করেছে দেশটি।

স্যাটেলাইটগুলোর নাম মাহদা, কেহান-২ এবং হাতেফ-১। রবিবার ইরানের সেমনান প্রদেশের ইমাম খোমেনি স্পেস লঞ্চ টার্মিনাল থেকে দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্মিত সিমোরগ (ফিনিক্স) স্যাটেলাইট যান দ্বারা এগুলো উৎক্ষেপণ করা হয়।

জানা গেছে, মাহদা একটি গবেষণা স্যাটেলাইট। এর ডিজাইন, উৎপাদন, সন্নিবেশিত এবং পরীক্ষা- সবই করা হয় ইরানের মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্রে। মাত্র ৩২ কিলোগ্রাম ওজনের এই স্যাটেলাইট উন্নত স্যাটেলাইট সাবসিস্টেম পরীক্ষা করার জন্য তৈরি করা হয়েছে।

মাহদার প্রধান কাজ হল- কম উচ্চতায় স্পেস কার্গোর একাধিক ইনজেকশনে সিমোরগ লঞ্চারের কর্মক্ষমতা মূল্যায়ন করা, সেই সঙ্গে নতুন ডিজাইন এবং মহাকাশে দেশীয় প্রযুক্তির নির্ভরযোগ্যতা মূল্যায়ন করা।

কেহান-২ এবং হাতেফ-১ হল কিউবিক ন্যানো স্যাটেলাইট। এগুলোর ওজন ১০ কিলোগ্রামেরও কম। স্যাটেলাইট দুটি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন সহযোগী সংস্থা ইরান ইলেকট্রনিক্স ইন্ডাস্ট্রিজ দ্বারা উৎক্ষেপণের জন্য ডিজাইন ও উৎপাদন করা হয়।

ইরান গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়, কেহান-২ স্থান-ভিত্তিক অবস্থানের জন্য তৈরি করা হয়েছে। পৃথিবীর দিকে স্থিরভাবে এবং সুনির্দিষ্টভাবে লক্ষ্য করার জন্য এটির স্থিতি নির্ধারণ এবং নিয়ন্ত্রণ সাবসিস্টেম রয়েছে। আর হাতেফ-১ হল ইন্টারনেট অব থিংসে (আইওটি) ন্যারোব্যান্ড কমিউনিকেশন প্রযুক্তির ব্যবহার পরীক্ষা করবে।

পশ্চিমা দেশগুলোকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে আরোপিত নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও সম্প্রতি ইরান বেসামরিক মহাকাশ কর্মসূচিতে বিশাল সাফল্য অর্জনে সক্ষম হয়েছে। ইরান বর্তমানে স্যাটেলাইট তৈরি ও উৎক্ষেপণে সক্ষম বিশ্বের শীর্ষ ১০টি দেশের মধ্যে একটিতে পরিণত হয়েছে।

গত সপ্তাহে ইরানের ইসলামিক রেভ্যুলিউশন গার্ডস কর্পস (আইআরজিসি) অ্যারোস্পেস ফোর্স কায়েম ১০০ স্যাটেলাইট ক্যারিয়ার ব্যবহার করে কক্ষপথে সোরাইয়া নামের একটি স্যাটেলাইট কক্ষপথে সফলভাবে স্থাপন করে।


আরও খবর



সংরক্ষিত আসনে আওয়ামী লীগের ৪৮ প্রার্থীর মনোনয়ন জমা

প্রকাশিত:রবিবার ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

Image

দ্বাদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে আওয়ামী লীগের ৪৮ প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। নির্ধারিত দিন রোববার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৩টায় আগারগাঁওয় নির্বাচন ভবনে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে এসব মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া হয়।

এসময় আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের উপস্থিত ছিলেন।

পরে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক জানান, আওয়ামী লীগ মনোনীত ৪৮ জনের মনোনয়ন জমা দেওয়া হয়েছে, এতে স্বতন্ত্র ও ১৪ দলেরও সদস্য রয়েছেন। মনোনয়নপত্র জমার সময় মনোনীত ৪৮ জন প্রার্থীর পাশাপাশি তাদের প্রস্তাবক ও সমর্থকরাও ছিলেন।

তিনি বলেন, রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছি আমরা।

এসময় সংসদের হুইপ আবু সাইদ আল মাহমুদ স্বপন, আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, উপ-দপ্তর সম্পাদক সায়েম খানসহ প্রতিনিধিদলের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



বাউফলে চিতাবাঘ সদৃশ প্রাণি, আতঙ্কে এলাকাবাসী

প্রকাশিত:রবিবার ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
দূর্জয় দাস, বাউফল (পটুয়াখালী)

Image

পটুয়াখালীর বাউফল পৌরসভার দরবেশ আলী সড়কের পাশের একটি পুরোনো পরিত্যক্ত দেয়াল ঘেরা ঝোপে চিতাবাঘ সাদৃশ একটি প্রাণি দেখা গিয়েছে।

শনিবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় প্রাণিটিকে ঝোপের ভেতরে একটা ফাঁকা জায়গায় বসা অবস্থায় দেখতে পায় এলাকাবাসী। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাউফল উপজেলা বন বিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা বদিউজ্জামান খান।

পুরোনো দেয়ালের ওপরে প্রাণির নখের আচরের চিহ্ন দেখা গিয়েছে। ওই প্রাণির শারীরিক গঠন দেখে স্থানীয়রা মনে করছে এটি চিতা বাঘ। ঝোপের খুব কাছেই বাউফল আদর্শ বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়। তাই পথ দিয়ে বিদ্যালয়ে যাওয়া আসা করে বহু শিক্ষার্থী। এতে ওই এলাকার সাধারণ মানুষ তাদের গৃহপালিত পশু ও নিজেদের জান মাল নিয়ে বেশ আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন।

সন্ধ্যায় যখন স্থানীয়রা প্রাণিটি দেখতে পান তখন অনেকে মোবাইলে ভিডিও ধারণ করে। যা ইতিমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। বন বিভাগের কাছে চিতা বাঘ সাদৃশ্য প্রাণিটি উদ্ধার করার দাবি স্থানীদের।

বাউফলের বন বিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা বদিউজ্জামান খান বলেন, রেস্কিউ টিমকে জানানো হয়েছে। এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানান তিনি।


আরও খবর
ঝিনাইদহ জেলা কারাগারে কয়েদির মৃত্যু

সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




ইসরাইলি হামলায় গাজায় নিহত বেড়ে প্রায় ২৯ হাজার

প্রকাশিত:রবিবার ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি বাহিনীর তাণ্ডব যেন থামছেই না। এখন পর্যন্ত সেখানে প্রায় ২৯ হাজার ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে ইসরায়েল। ওয়াফা নিউজ এজেন্সির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মধ্য গাজার দেইর আল-বালাহ এবং রাফাহ প্রান্তে ইসরায়েলি বাহিনী হামলা চালানোয় এক রাতেই ১০ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে।

এর আগে জাতিসংঘ জানিয়েছে, রাফায় ইসরায়েলি স্থল আগ্রাসনের ভয়ে ফিলিস্তিনিরা দেইর আল-বালাহ শরণার্থী শিবিরসহ মধ্য গাজার বিভিন্ন স্থানে পালিয়ে বেড়াচ্ছে।

এদিকে গাজার হামাস-নিয়ন্ত্রিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইসরায়েলি বাহিনী খান ইউনিসের নাসের হাসপাতালের বেশ কয়েকজন কর্মীকে গ্রেফতার করে নিয়ে গেছে।

অপরদিকে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু হামাসের যুদ্ধবিরতি এবং বন্দীদের মুক্তির দাবিকে বিভ্রান্তিকর বলে অভিহিত করেছেন। গাজায় যুদ্ধবিরতির বিষয়ে এখনও আলোচনা চলছে।

হামাস-নিয়ন্ত্রিত গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গত ৭ অক্টোবর ইসরায়েল এবং হামাসের মধ্যে সংঘাত শুরুর পর এখন পর্যন্ত ২৮ হাজার ৮৫৮ জন ফিলিস্তিনি প্রাণ হারিয়েছে। এছাড়া আহত হয়েছে আরও ৬৮ হাজার ৬৬৭ জন।

এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেছিলেন, তিনি ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুকে বলেছেন যে, জিম্মিদের মুক্ত করতে অস্থায়ী যুদ্ধবিরতির প্রয়োজনীয়তা বিষয়টি তিনি গভীরভাবে অনুভব করছেন। গত ৭ অক্টোবর ইসরায়েলের সীমান্তে প্রবেশ করে আকস্মিক হামলা চালায় ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস। এরপর থেকেই ইসরায়েলকে সব ধরনের সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র।

এদিকে গাজার রাফা শহরের পরিস্থিতি দিন দিন আরও ভয়াবহ হয়ে উঠছে। সেখানকার মানুষ প্রচণ্ড ক্ষুধার্থ। তারা খাবারের জন্য মরিয়া হয়ে ‍উঠেছে। জাতিসংঘের মানবিক সংস্থা (ওসিএইচএ) তাদের সর্বশেষ দৈনিক আপডেটে জানিয়েছে, রাফা শহরের লোকজন খাবারের জন্য এমন করুণ পরিস্থিতিতে রয়েছে যে, তারা খাবারের জন্য আর অপেক্ষা করতে পারছে না। তারা ত্রাণবাহী ট্রাক দেখলে সেগুলো থামাচ্ছে যেন সঙ্গে সঙ্গেই সেখান থেকে খাবার নিয়ে খেতে পারে।

ওসিএইচএ বলছে, দক্ষিণ গাজার ওই জনবহুল শহরে মানবিক সংকট নিয়ে আতঙ্কিত অবস্থার মধ্যেই খাদ্য সংকটের কারণে লোকজন মরিয়া হয়ে উঠেছে এবং তাদের মধ্যে তীব্র হতাশা তৈরি হয়েছে।

সংস্থাটি জানিয়েছে, গাজায় অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে জনাকীর্ণ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে এবং সেখানকার লোকজনের জরুরি ভিত্তিতে খাবার প্রয়োজন। তারা ক্ষুধার্ত এবং আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে। ওসিএইচএ জানিয়েছে, গাজায় আরও ত্রাণবাহী ট্রাকে খাবার সরবরাহ করা জরুরি হয়ে পড়েছে। সেখানকার লোকজনের পুষ্টির প্রয়োজনীয়তা নিশ্চিত করতে হবে।

শুধুমাত্র রাফাহ এবং কেরেম শালোম (কারেম আবু সালেম) ক্রসিং দিয়ে ত্রাণ সহায়তা গাজা উপত্যকায় প্রবেশ করতে পারছে। ফলে মধ্য এবং উত্তর গাজায় খাদ্য সরবরাহ করতে হলে প্রথমে রাফাহ দিয়েই প্রবেশ করতে হয়। এদিকে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ আশদোদ বন্দর দিয়ে গাজা উপত্যকার জন্য পাঠানো আটার একটি বড় চালান আটকে দিয়েছে।


আরও খবর
বিশ্ববাজারে আবারো কমেছে জ্বালানি তেলের দাম

মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




খৎনা করতে গিয়ে শিশু আহনাফের মৃত্যু: জেএস ডায়াগনস্টিক সিলগালা

প্রকাশিত:বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

সুন্নতে খতনা করাতে এসে মালিবাগের জেএস ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড মেডিকেল চেকআপ সেন্টারে মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থীর মৃত্যুর ঘটনায় অভিযান চালিয়ে সেটিতে তালা ঝুলিয়ে সিলগালা করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

অধিদপ্তর জানিয়েছে, অ্যানেস্থেসিয়া দেওয়ার জন্য হাসপাতালের অনুমোদন প্রয়োজন হয়, কিন্তু এই হাসপাতালের শুধুমাত্র ডায়াগনস্টিক সেন্টারের অনুমোদন আছে। যে কারণে তাদের অ্যানেস্থেসিয়া প্রয়োগের কোনো সুযোগ নেই। 

আরও পড়ুন>> শিশু আহনাফের মৃত্যুর ঘটনায় মামলা, গ্রেপ্তার দুই চিকিৎসক

বুধবার (২১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর মালিবাগ জেএস ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড মেডিকেল চেকআপ সেন্টারে এসে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক) ডা. আবু হোসেন মো. মইনুল আহসান। তিনি বলেন, আমরা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে শিশু আহনাফের মৃত্যুর ঘটনায় শোক ও দুঃখ প্রকাশ করছি। আমরা জেনেছি গতকাল সামান্য একটা মুসলমানির জন্য শিশুটিকে এই হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। ডা. ইশতিয়াক নামক একজন এই খতনার সার্জন ছিলেন, আর ডা. মাহবুব মুর্শেদ শিশুটির অ্যানেস্থেসিওলজিস্টস ছিলেন। অভিযোগ অনুসারে অ্যানেস্থেসিয়া দেওয়ার সময় শিশুটিকে অজ্ঞান করার পর আর তার জ্ঞান ফেরেনি। পরে আমরা মিডিয়ার মাধ্যমে ঘটনাটি জানতে পেরেছি। পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে কথা বলে প্রতিষ্ঠানটিতে তালা মারা হয়েছে।

শিশুটির পরিবারের সদস্যরা জানান, খতনা করাতে মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে আয়হামকে মালিবাগের ওই স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি করা হয়। অ্যানেসথেশিয়া দেওয়ার পর আর জ্ঞান ফেরেনি তার। তাদের অভিযোগ, লোকাল অ্যানেসথেশিয়া দেওয়ার কথা থাকলেও ফুল অ্যানেসথেশিয়া দেওয়া হয় আয়হামকে। ঘণ্টাখানেকের মধ্যে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়। ঘটনার পর যে চিকিৎসকের অধীনে ভর্তি করা হয়েছিল, তিনি সটকে পড়েন।

আয়হামের বাবা ফখরুল আলম বলেছেন, অ্যানেসথেশিয়া দিতে নিষেধ করার পরও সেটি শরীরে পুশ করেন ডা. মুক্তাদির। তাঁর অভিযোগ, এই মৃত্যুর দায় মুক্তাদিরসহ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সবার

রাজধানীর ইউনাইটেড মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে খতনা করাতে গিয়ে শিশু আয়ানের মৃত্যুর ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতে ফের আরেক শিশুর মৃত্যুর অভিযোগ উঠল। ৫ বছরের আয়ানেরও অ্যানেসথেশিয়া দেওয়ার পর জ্ঞান ফেরেনি। সাত দিন লাইফ সাপোর্টে থাকার পর গত ৭ জানুয়ারি তাকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা।


আরও খবর