আজঃ শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪
শিরোনাম

আজ হাগ ডে : আলিঙ্গনের যত গুণ!

প্রকাশিত:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জীবন ধারা ডেস্ক

Image

ফ্রেব্রুয়ারি মাস এলেই যেন বাড়তি হাওয়া লাগে প্রেমের পালে। এ মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহের শেষ দিন অর্থাৎ বুধবার বিশ্ব মাতবে প্রেমে। ভালোবাসা দিবস ছাড়াও এই মাসে প্রেমিক-প্রেমিকাদের জন্য রয়েছে আরও কিছু দিবস। আর ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তো উদযাপিত হচ্ছে ভ্যালেন্টাইন উইক বা ভালোবাসার সপ্তাহ।

ভালোবাসার সপ্তাহের প্রতিটি দিনেই প্রেমিক যুগলের জন্য রয়েছে কোনো না কোনো দিবস। তারই ধারাবাহিকতায় আজ অর্থাৎ ১২ ফেব্রুয়ারি পালিত হচ্ছে হাগ ডে অর্থাৎ আলিঙ্গন দিবস।

পরস্পরের মধ্যে ভালোবাসার আদান-প্রদানের অন্যতম মাধ্যম আলিঙ্গন। তবে, আলিঙ্গন যে শুধু ভালোবাসার মানুষকেই করতে হবে তেমনটা নয়; পরিবারের সদস্য, বন্ধুবান্ধব সবার সঙ্গেই আলিঙ্গন করা উচিত। কারণ, আলিঙ্গেনের কিছু স্বাস্থ্যগত উপকারও রয়েছে।

বিভিন্ন মনস্তাত্ত্বিক গবেষণায় দেখা গেছে, স্নেহপূর্ণ আলিঙ্গনসহ অন্যান্য সহানুভূতিশীল অযৌন শারীরিক স্পর্শ আমাদের মানসিক উত্তেজনা, উদ্বেগ, ভীতি, অবসন্নতা ইত্যাদি কমাতে সাহায্য করে।  যখন কারও মন খারাপ থাকে বা কেউ কোনো মানসিক পীড়ার মধ্যে থাকে, তখন তার একটু বেশি সহানুভূতি ও ভালোবাসার প্রয়োজন হয়।

সহানুভূতি প্রকাশের ক্ষেত্রে আমরা অনেকেই অন্যকে আলিঙ্গন করে থাকি। এটি একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। তবে অনেক সময় খুব সাধারণ একটি আলিঙ্গন বহু দিনের পুরনো কষ্ট এবং হতাশা দূর করে দেয়।

মনস্তত্ত্ববিদদের মতে, আলিঙ্গনের এমন প্রভাব রয়েছে যা একজন ব্যক্তির মানসিক অবস্থায় পরিবর্তন নিয়ে আসতে পারে। হতাশা এবং কষ্ট ভুলিয়ে মনকে শান্ত করে দিতে পারে।

আলিঙ্গন একজন মানসিকভাবে বিচলিত মানুষের নার্ভাস সিস্টেমকে ধীরে ধীরে শান্ত হতে সহায়তা করে। আলিঙ্গন এক ধরনের সাইকোথেরাপির মত কাজ করে যা আমাদের পূর্ণতা এবং সন্তুষ্টির অনুভূতি দেয়। আলিঙ্গন একজন মানুষকে যেকোনো ধরনের মানসিক ও শারীরিক পীড়ার ক্ষেত্রে যত্নশীলতার অনুভূতি দেয়। ছোট থেকে বড় সব বয়সী মানুষের মনের ওপর এই প্রতিক্রিয়া দেখতে পাওয়া যায়।

শিশুদের ক্ষেত্রে দেখা যায়, অভিভাবকেরা সন্তাদের যেকোনো কথা বোঝানো বা শারীরিক ও মানসিক কষ্ট ভোলানোর জন্য আলিঙ্গন করেন। আবার বয়স্ক ব্যক্তিদের ক্ষেত্রেও ভালবাসা পূর্ণ আলিঙ্গন তাদের ভরসা যোগায়, হতাশা দূর করে। অনেক মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা রোগীদের চিকিৎসা ভীতি ও হতাশা দূর করতে এবং দ্রুত আরোগ্য লাভের জন্য তাদের আত্মীয় স্বজন এবং কাছের লোকদের এ ধরনের সহানুভূতিশীল স্পর্শের পরামর্শ দেন।

তবে এ ধরনের আলিঙ্গনের জন্য মনস্তত্ত্ববিদরা কিছু নির্দেশনা দিয়ে থাকেন। তাদের মতে, একটি আলিঙ্গন তখনই একজন মানুষের চিত্তকে শান্ত করতে পারে এবং মানসিকভাবে সব চাপ মুক্ত করতে পারে যখন সেটি সম্পূর্ণভাবে স্নেহশীল এবং সহানুভূতিশীল হয়। আলিঙ্গন প্রদানকারী ব্যক্তির সম্পূর্ণ মনোযোগ আলিঙ্গনকৃত ব্যক্তির মানসিক অবস্থার দিকে থাকতে হবে। এটি সম্পূর্ণভাবে একটি আত্মিক যোগাযোগ যা দুজন মানুষের মধ্যে মানসিক ভাবের আদান প্রদানের কাজ করবে। তাকে বোঝাতে হবে যে তার মানসিক সুস্থতা সব থেকে বেশি জরুরি।

আলিঙ্গন একটি শারীরিক প্রক্রিয়া হলেও এর প্রভাব সম্পূর্ণ মনস্তাত্ত্বিক। এটি একজন ব্যক্তির মাঝে পুনরায় আস্থা, বিশ্বাস এবং নির্ভরতা ফিরিয়ে আনতে পারে। অনেক ক্ষেত্রেই একটি আলিঙ্গন ব্যক্তির একাকীত্ব দূর করতেও সক্ষম। তার চিন্তাশক্তি এবং আচার আচরণও এর দ্বারা প্রভাবিত হতে পারে।

আমাদের মস্তিষ্ক সব সময় বাস্তবের প্রতিই সাড়া দেয় এমন নয়; বরং যখন একজন মানুষ কল্পনা করে যে তিনি মোটেও একা নন এবং তার মাঝে সব কিছু পেছনে ফেলে ঘুরে দাঁড়াবার শক্তি আছে, তখন তার মস্তিষ্ক সেটিকে বাস্তব হিসেবে পরিগণিত করে শরীরে সেভাবে প্রতিক্রিয়া পাঠায়। এতে মানসিকভাবে ভেঙে পড়া ব্যক্তি পুনরায় মানসিক শক্তি ফিরে পায় এবং তার আচার আচরণে পরিবর্তন আসে।

একজন মানুষের সব থেকে বেশি প্রয়োজন তার কাছের মানুষদের সাহচর্য, ভালবাসা এবং সহানুভূতি। যেকোনো সমস্যায় একজন মানুষ যদি তার মনের জোর ধরে রাখতে পারে তাহলে তার পক্ষে সমস্যা মোকাবিলা করা সহজ হয়ে যায়। আর আলিঙ্গন মানুষের মনস্তত্ত্বে ঠিক এই ইতিবাচক পরিবর্তনটিই নিয়ে আসে।


আরও খবর
২৯ ফেব্রুয়ারি: ইতিহাসের এই দিনে

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

আজকের রাশিফল: বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৪

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




নিজ দেশের নাগরিকদের রাখাইন ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে ভারত

প্রকাশিত:বুধবার ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোর সঙ্গে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর সংঘর্ষ দিন দিন বড় আকার ধারণ করছে মিয়ানমারে। জান্তা সেনাদের সঙ্গে বিরোধ, সংঘর্ষে কার্যত ভেঙে পড়েছে দেশটির নিরাপত্তা ব্যবস্থা। এমনকি বাংলাদেশ ও ভারতে বাড়ছে অনুপ্রবেশ। প্রাণে বাঁচতে সীমান্তে ভিড় জমাচ্ছেন মিয়ানমারের নাগরিকরা।

এমন অবস্থায় ক্রমাবনতিশীল পরিস্থিতির কারণে ভারতীয়দের মিয়ানমারের রাখাইন প্রদেশে না যেতে সতর্কতা জারি করেছে দেশটির সরকার। এমনকি নাগরিকদের যারা সেখানে আছেন তাদের এখনই রাখাইন ছাড়তেও নির্দেশ দিয়েছে।

ভারতীয় বার্তাসংস্থা পিটিআইয়ের বরাত দিয়ে মঙ্গলবার (০৬ ফেব্রুয়ারি) রাতে এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় ভারতীয় নাগরিকদের মিয়ানমারের রাখাইন প্রদেশে ভ্রমণ না করতে পরামর্শ দিয়েছে ভারত। দেশটির সামরিক বাহিনী ও বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ার পর ভারত এই প্রথম এই ধরনের সতর্কতা জারি করল।

এনডিটিভি বলছে, মিয়ানমারে সহিংসতা বৃদ্ধির পর দেওয়া প্রথম নির্দেশনায় টেলিযোগাযোগ নেটওয়ার্কে ব্যাঘাত এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ঘাটতিসহ বিদ্যমান পরিস্থিতির কারণে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ভারতীয়দের রাখাইন প্রদেশে ভ্রমণ না করতে বলেছে।

এতে বলা হয়েছে, নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতি, ল্যান্ডলাইনসহ টেলিযোগাযোগের মাধ্যম ব্যাহত হওয়া এবং প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের তীব্র ঘাটতির পরিপ্রেক্ষিতে সকল ভারতীয় নাগরিককে মিয়ানমারের রাখাইন প্রদেশে ভ্রমণ না করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরও বলেছে, যে সকল ভারতীয় নাগরিক ইতোমধ্যেই রাখাইন প্রদেশে রয়েছেন তাদের অবিলম্বে প্রদেশটি ছেড়ে চলে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

২০২১ সালের ১ ফেব্রুয়ারি সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতা দখলে নেয় মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী। এরপর থেকে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের দাবিতে ব্যাপকভাবে সহিংস বিক্ষোভের সাক্ষী হয়ে আসছে মিয়ানমার।

আর রাখাইন প্রদেশসহ দেশটির অন্যান্য অনেক অঞ্চলে গত বছরের অক্টোবর থেকে সশস্ত্র জাতিগোষ্ঠী এবং মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর মধ্যে তীব্র লড়াই দেখা গেছে। দুই পক্ষের মধ্যে সংঘাত গত বছরের নভেম্বর মাস থেকে ভারতের সীমান্তবর্তী মিয়ানমারের বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ শহর ও অঞ্চলে দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে করে মণিপুর এবং মিজোরামের নিরাপত্তা নিয়ে নয়াদিল্লির উদ্বেগও বেশ বেড়েছে।

মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী তার বিরোধীদের লক্ষ্য করে এবং সরকারের বিরুদ্ধে সশস্ত্র সংগ্রাম পরিচালনাকারী গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধেও বিমান হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।


আরও খবর



যুক্তরাষ্ট্র-যুক্তরাজ্যের হামলায় ১৭ ইয়েমেনি যোদ্ধা নিহত

প্রকাশিত:রবিবার ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

ফিলিস্তিন ইসরায়েল যুদ্ধের পর থেকে অস্থিতিশীল লোহিত সাগর। গাজায় ইসরায়েলি হামলার জবাবে এ নৌপথে হামলা চালিয়ে আসছে ইয়েমেনের বিদ্রোহী গোষ্ঠী হুতিরা। গোষ্ঠীটিকে মোকাবিলায় একের পর এক হুঁশিয়ারি দিয়ে আসছে যুক্তরাষ্ট্র-যুক্তরাজ্য।

হুতিরা জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র-যুক্তরাজ্যের যৌথ হামলায় তাদের ১৭ যোদ্ধা নিহত হয়েছেন। নিহত এসব যোদ্ধার রাজধানী সানায় জানাজা সম্পন্ন হয়েছে। শনিবার (১০ ফেব্রুয়ারি) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

শনিবার হুতিদের সরকারি সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র-যুক্তরাজ্যের বোমা হামলায় নিহত সেনা ও নিরাপত্তা বাহিনীর যোদ্ধাদের মরদেহ রাজধানী আজ সানায় নেওয়া হয়েছে। সেখানে জাঁকজমকপূর্ণভাবে তাদের জানাজা সম্পন্ন হয়েছে। সংবাদমাধ্যমটি নিহতদের তালিকাও প্রকাশ করেছে।

এর আগে বৃহস্পতিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্র জানায়, তাদের সামরিক বাহিনী হুতিদের লক্ষ্য করে বেশ কয়েকটি হামলা চালিয়েছে। লোহিত সাগরে মার্কিন রণতরীসহ বাণিজ্যিক জাহাজে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার প্রস্তুতিকালে এ হামলা চালানো হয় বলে দাবি মার্কিনিদের।

উল্লেখ্য, জানুয়ারির মাঝামাঝি সময় থেকে যুক্তরাষ্ট্র-যুক্তরাজ্য হুতিদের লক্ষ্য করে হামলা শুরু করেছে। লোহিত সাগরে জাহাজে হামলার জবাবে এ জোট গোষ্ঠীটির ওপর হামলা চালিয়ে আসছে।

হুতিদের দাবি, তারা লোহিত সাগরে ইসরায়েলের সাথে সম্পর্কিত জাহাজে হামলা চালিয়ে আসছে। গাজায় ইসরায়েলি হামলার প্রতিবাদে তারা ফিলিস্তিনের প্রতি সমর্থন জানিয়ে আসছে। দেশটিতে ইসরায়েলি হামলা বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত তারাও হামলা চালিয়ে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়ে আসছে।


আরও খবর



বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্বে ৬ মুসল্লির মৃত্যু

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
গাজীপুর প্রতিনিধি

Image

গাজীপুরের টঙ্গীর তুরাগ তীরে বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্ব শুরু হয়েছে। তিন দিনব্যাপী এই ইজতেমা শুরুর আগে ও পরে ছয় মুসল্লির মৃত্যু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্বের মিডিয়া সমন্বয়কারী মোহাম্মদ সায়েম এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, মৃতদের মধ্যে পাঁচজন বার্ধক্যজনিত কারণে মারা গেছেন। অপরজন ইজতেমা ময়দানে পৌঁছার সময় বাসের ধাক্কায় নিহত হন। তাদের মধ্যে চারজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। বিশ্ব ইজতেমার ময়দানেই তাদের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। যাদের তথ্য ও ঠিকানা পাওয়া গেছে তাদের স্বজনদের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হয়েছে।

মাওলানা জুবায়েরের অনুসারীরা ২, ৩ ও ৪ ফেব্রুয়ারি ইজতেমায় অংশগ্রহণ করেন। চার দিন বিরতির পর মাওলানা সাদ কান্ধলভীর অনুসারীরা ৯ ফেব্রুয়ারি থেকে ইজতেমার কার্যক্রম শুরু করেছেন। রোববার (১১ ফেব্রুয়ারি) আখেরি মোনাজাতের মাধ্যমে শেষ হবে এবারের বিশ্ব ইজতেমা।


আরও খবর



চিলিতে দাবানলে ৫১ জনের মৃত্যু

প্রকাশিত:রবিবার ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

দক্ষিণ আমেরিকার দেশ চিলিতে বনে ছড়িয়ে পড়া দাবানলে অন্তত ৫১ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট। দেশটির সরকারি সূত্র জানিয়েছে, সারা দেশে ৪৩ হাজার হেক্টরেরও বেশি এলাকা দাবানলে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দাবানলে মৃত্যুর সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। প্রেসিডেন্ট গ্যাব্রিয়েল বোরিক বলেছেন, পরিস্থিতি খুবই গুরুতর।

এই দাবানল এখন শহরাঞ্চলের দিকে ছড়িয়ে পড়ছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে অগ্নিনির্বাপক কর্মীরা চেষ্টা করছেন। এতে ব্যবহার করা হচ্ছে হেলিকপ্টার ও ট্রাক।

দাবানলে পর্যটক নগরী ভিনা দেল মার ও আশেপাশের এলাকা বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সেখানে ক্ষতিগ্রস্ত কয়েকটি এলাকায় জরুরি উদ্ধারকর্মীরা পৌঁছতে পারছে না। এ বিষয়ে উপকূলীয় পর্যটন শহর ভিনা ডেল মার মেয়র জানিয়েছেন, দুই শতাধিক বাসিন্দা নিখোঁজ হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

চিলির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ক্যারোলিনা তোহা বলেন, আমরা যে তথ্য পেয়েছি তাতে নিহতের সংখ্যা অনেক বাড়তে পারে। শুক্রবার থেকে শনিবারের মধ্যে আগুন ৩০ হাজার হেক্টর থেকে ৪৩ হাজার হেক্টরে ছড়িয়ে পড়েছে। উদ্বেগের বিষয় হচ্ছে- কোথাও কোথাও আগুন শহরের খুব কাছে ছড়িয়ে পড়ছে।

প্রসঙ্গত, চিলিতে গ্রীষ্মকালে উচ্চ তাপমাত্রার সময় প্রায় দাবানলের ঘটনা ঘটে।


আরও খবর



ইরানের নতুন পারমাণবিক চুল্লির নির্মাণকাজ শুরুর ঘোষণা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

পশ্চিম এশিয়ার দেশ ইরান নতুন একটি পারমাণবিক চুল্লির নির্মাণকাজ শুরুর ঘোষণা দিয়েছে। দেশটির ইসফাহান নগরীতে এটি নির্মাণ করা হচ্ছে। সোমবার (০৫ ফেব্রুয়ারি) এ ঘোষণা দেওয়া হয়।

এর কয়েক দিন আগেই দক্ষিণাঞ্চলে একটি পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের নির্মাণকাজ চলছে বলে জানিয়েছিল দেশটি। ইরানের আণবিক শক্তি সংগঠনের প্রধান মোহাম্মদ এসলামি বলেছেন, ইসফাহানের স্থাপনায় এই চুল্লির ভিত্তি নির্মাণে সোমবার কংক্রিট ঢালার কাজ শুরু হয়েছে।

রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়, মধ্য ইরানের ইসফাহান পারমাণবিক গবেষণা কেন্দ্রে আগে থেকেই তিনটি চুল্লি আছে। নিউট্রনের একটি শক্তিশালী উৎস তৈরি করতে নতুন ১০ মেগাওয়াট গবেষণা চুল্লি তৈরি করা হচ্ছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, এই চুল্লিতে জ্বালানি ও পারমাণবিক উপাদান পরীক্ষা এবং শিল্পে ব্যবহারের জন্য রেডিওআইসোটোপ ও রেডিওফার্মাসিউটিক্যালস উৎপাদনসহ বিভিন্ন ধরনের সুবিধা থাকবে।

তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আমেরিকাকে যুগান্তকারী পারমাণবিক চুক্তি থেকে প্রত্যাহার করে নেয়। এরপর ২০১৮ সাল থেকে মার্কিন নিষেধাজ্ঞার মধ্যে রয়েছে তেহরান। ইরানকে পারমাণবিক বোমা তৈরি থেকে বিরত রাখতে পারমাণবিক কর্মসূচি কমানোর বিনিময়ে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার কথা ছিল ওই চুক্তিতে।

পারমাণবিক বোমা তৈরির সক্ষমতা অর্জনের যেকোনও ধরনের উচ্চাকাঙ্ক্ষা পোষণের বিষয়টি বরাবরই অস্বীকার করে আসছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ ইরান। দেশটি জোর দিয়ে বলে আসছে, তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি পুরোপুরিই শান্তিপূর্ণ।


আরও খবর