আজঃ বুধবার ০৪ আগস্ট ২০২১
শিরোনাম

আজ পালিত হচ্ছে পবিত্র হজ

প্রকাশিত:সোমবার ১৯ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ১৯ জুলাই ২০২১ | ১৪২জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

লাব্বাইক, আল্লাহুম্মা লাব্বাইক। লাব্বাইক, লা শারিকা লাকা লাব্বাইক। ইন্নাল হামদা, ওয়াননিমাতা, লাকা ওয়ালমুলক, লা শারিকা লাক। এই ধ্বনিতে মুখরিত হবে পবিত্র আরাফাত ময়দান। সেখানে আজ পালিত হচ্ছে পবিত্র হজ। বিশ্বের ১৫০টি দেশের ৬০ হাজার (অভিবাসী) ধর্মপ্রাণ মুসলমান এবার হজে অংশ নিয়েছেন।

করোনা মহামারির মধ্যে দ্বিতীয়বারের মতো আজ সীমিত পরিসরে অনুষ্ঠিত হচ্ছে পবিত্র হজ। গত বছরও হজ পালনের ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধতা ছিল। এবারও লোকজনকে পরিপূর্ণ স্বাস্থ্যবিধি মেনে মাস্ক পরে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখেই হজ পালন করতে হচ্ছে।

আজ সোমবার ফজরের সালাতের পরেই মিনা থেকে দলে দলে হাজিগণ উপস্থিত হবেন আরাফার ময়দানে। সফেদ-শুভ্র দুই খণ্ড কাপড়ের এহরাম পরিহিত হাজিরা সেখানে সূর্যাস্ত পর্যন্ত থাকবেন। আরাফাত ময়দানের মসজিদে নামিরায় জোহরের নামাজের আগে খুতবা পাঠ করবেন মসজিদুল হারামের খতিব শায়খ ড. বান্দার বিন আবদুল আজিজ বালিলা। খুতবা পাঠ শেষে জোহর ও আসরের ওয়াক্তের মাঝামাঝি সময়ে হাজিরা জামাতের সঙ্গে কছর নামাজ আদায় করবেন। সূর্যাস্ত পর্যন্ত তারা আরাফাতের ময়দানে অবস্থান করে আল্লাহ তাআলার জিকির-আসকার ও ইবাদতে মশগুল থাকবেন।

এরপর মুজদালিফার উদ্দেশে আরাফার ময়দান ত্যাগ করবেন এবং মুজদালিফায় গিয়ে মাগরিব ও এশার নামাজ এশার ওয়াক্তে একত্রে পড়বেন এবং সমস্ত রাত অবস্থান করবেন। মিনায় জামরাতে নিক্ষেপ করার জন্য ৭০টি কংকর এখান থেকে সংগ্রহ করবেন। মুজদালিফায় ফজরের নামাজ পড়ে মিনার উদ্দেশে রওনা হবেন। ১০ জিলহজ মিনায় পৌঁছার পর হাজিদের পর্যায়ক্রমে চারটি কাজ সম্পন্ন করতে হয়।

আগামীকাল মঙ্গলবার ঈদুল আজহার দিন মিনায় হাজির হয়ে তিনটি জামারায় শয়তানকে প্রতীকী পাথর নিক্ষেপকালে ভিড় এড়াতে নির্ধারিত দূরত্বে জায়গা চিহ্নিত করা হয়েছে, যেখানে দাঁড়িয়ে হাজিরা পাথর নিক্ষেপ করবেন।

করোনা ভাইরাস সংক্রমণের কারণে এ বছরও সৌদি আরবের বাইরে থেকে কোনো হজযাত্রীকে অংশ নিতে দেওয়া হচ্ছে না। সৌদি আরবে বাস করা দেশটির নাগরিক ও বিদেশি বাসিন্দাদের মধ্য থেকে ৬০ হাজার ব্যক্তি হজ করার অনুমতি পেয়েছেন। শুধু ১৫ থেকে ৬৫ বছর বয়সি সৌদি নাগরিক এবং দেশটিতে বাস করা ১৫০ দেশের নাগরিক হজ করার সুযোগ পেয়েছেন। সবাই দুই ডোজ ভ্যাকসিন নিয়েছেন। গতবারও বিধিনিষেধের মধ্যে ১ হাজার মুসলিমকে হজ পালনের সুযোগ দেওয়া হয়েছিল।


আরও খবর



ঈদের জামাত নিয়ে যে নির্দেশনা দিলো ধর্ম মন্ত্রণালয়

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৩ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৩ জুলাই ২০২১ | ১৫৪জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

কোরবানির ঈদ সামনে রেখে চলমান লকডাউন শিথিল করেছে সরকার। তবে ঈদুল আজহার নামাজ স্বাস্থবিধি মেনে শর্তসাপেক্ষে ঈদগাহ, খোলা জায়গা ও মসজিদে আদায় করা যাবে।

মঙ্গলবার ধর্ম মন্ত্রণালয়ের এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।

ধর্ম মন্ত্রণালয়ের বিশেষ নির্দেশনায় বলা হয়েছে, করোনাভাইরাসজনিত রোগ (কোভিড-১৯) সংক্রমণের পরিস্থিতি বিবেচনায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ গত ৩০ জুন ও ৫ জুলাই কতিপয় বিধি-নিষেধ আরোপ করে নির্দেশনা জারি করেছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে দেশের বর্তমান কোভিড-১৯ সংক্রমণ পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ কর্তৃক জারিকৃত স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণপূর্বক নিম্নবর্ণিত শর্তসাপেক্ষে ১৪৪২ হিজরি/২০২১ সালের পবিত্র ঈদুল আজহার নামাজের জামায়াত আদায়ের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হলো।

নির্দেশনাগুলো হলো-

১. করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) এর স্থানীয় পরিস্থিতি ও মুসল্লিদের জীবন-ঝুঁকি বিবেচনা করে স্থানীয় প্রশাসন কর্তৃক জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সঙ্গে আলোচনা ও সমন্বয় করে যথোপযুক্ত বিবেচিত হলে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের জারি করা স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণপূর্বক ঈদুল আজহার জামায়াত মসজিদ, ঈদগাহ বা খোলা জায়গায় আয়োজনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।

২. মসজিদে ঈদের নামাজ আয়োজনের ক্ষেত্রে কার্পেট বিছানো যাবে না। নামাজের আগে সম্পূর্ণ মসজিদ জীবাণুনাশক দ্বারা জীবাণুমুক্ত করতে হবে। মুসল্লিরা প্রত্যেকে নিজ নিজ দায়িত্বে জায়নামাজ নিয়ে আসবেন।

৩. প্রত্যেককে নিজ নিজ বাসা থেকে ওজু করে মসজিদ/ঈদগাহে আসতে হবে। ওজু করার সময় কমপক্ষে ২০ সেকেন্ড সাবান-পানি দিয়ে হাত ধুতে হবে।

৪. করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে মসজিদ/ঈদগাহে ওজুর স্থানে সাবান, পানি ও হ্যান্ড স্যানিটাইজার রাখতে হবে।

৫. মসজিদ/ঈদগাহের প্রবেশদ্বারে হ্যান্ড স্যানিটাইজার/হাত ধোয়ার ব্যবস্থাসহ সাবান ও পানি রাখতে হবে।

৬. ঈদের নামাজের জামায়াতে আগত মুসল্লিকে অবশ্যই মাস্ক পরতে হবে। মসজিদে সংরক্ষিত জায়নামাজ ও টুপি ব্যবহার করা যাবে না।

৭. ঈদের নামাজ আদায়ের সময় কাতারে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি অবশ্যই অনুসরণ করতে হবে। এক কাতার অন্তর অন্তর দাঁড়াতে হবে।

৮. শিশু, বয়োবৃদ্ধ, অসুস্থ ব্যক্তি এবং অসুস্থদের সেবায় নিয়োজিত ব্যক্তিদের ঈদের নামাজের জামায়াতে অংশগ্রহণ নিরুৎসাহিত করা হলো।

৯. সর্বসাধারণের সুরক্ষা নিশ্চিতকল্পে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ, স্থানীয় প্রশাসন এবং আইন শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণকারী বাহিনীর নির্দেশনা অবশ্যই অনুসরণ করতে হবে।

১০. করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে ঈদের জামায়াত শেষে কোলাকুলি এবং পরস্পর হাত মেলানো পরিহার করতে হবে।

১১. করোনা মহামারির এ বৈশ্বিক মহাবিপদ হতে রক্ষা পেতে বেশি বেশি তওবা, আস্তাগফিরুল্লাহ ও কুরআন তিলাওয়াত করতে হবে এবং আমাদের কৃত অন্যায়-অপরাধের জন্য ঈদের নামাজ শেষে মহান রাব্বুল আলামিনের দরবারে ক্ষমা প্রার্থনা করতে হবে।

১২. খতিব, ইমাম, মসজিদ/ঈদগাহ পরিচালনা কমিটি ও স্থানীয় প্রশাসন কর্তৃক নির্দেশনাগুলোর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে।

উল্লিখিত নির্দেশনা লংঘিত হলে স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীলদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেবে। প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে স্থানীয় প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণকারী বাহিনী, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সংশ্লিষ্ট মসজিদের পরিচালনা কমিটিকে উল্লিখিত নির্দেশনা বাস্তবায়ন করার জন্য অনুরোধ জানানো হলো।

গত বছর করোনা সংক্রমণের কারণে খোলা জায়গার পরিবর্তে মসজিদে ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার নামাজ আদায় করা হয়।


আরও খবর



নওগাঁয় ওভার লোডের বালুবাহী ডাম্পার ট্রাকে নষ্ট হচ্ছে সড়ক

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৩ আগস্ট ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৩ আগস্ট ২০২১ | ৮৬জন দেখেছেন
Image

নওগাঁ প্রতিনিধি:

নওগাঁর বিভিন্ন উপজেলাতে আইন অমান্য করে ওভার লোড নিয়ে বেপরোয়া গতিতে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে প্রায় ৪০০টি বালুবাহী ট্রাক্টর, ট্রাক এবং ১০ চাকার ডাম্পার। এসব যানের চাকার আঘাতে ক্ষতবিক্ষত হয়ে পড়েছে উপজেলার বিভিন্ন সড়ক-মহাসড়ক। কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত সড়ক এখন ভেঙেচুরে একাকার। ফলে প্রতিদিন এলাকাবাসীসহ ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন পরিবহন চালক, যাত্রী ও পথচারীরা। কেবল সড়কের ক্ষতি নয়, অহরহ ঘটছে দুর্ঘটনা। গত দুই বছরে বালুবাহী ট্রাকের চাকায় অন্তত ২০ জন প্রাণ দিয়েছে। দণ্ডবিধিতে কোন সরকারি সম্পদের ক্ষতি করলে এর শাস্তির বিধান নিশ্চিত করা আছে। ৪৩১ ধারা মোতাবেক সরকারি রাস্তার ক্ষতি সাধন দণ্ডনীয় অপরাধ। এ অপরাধের জন্য দায়ী ব্যক্তি পাঁচ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম জেলসহ অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে। অথচ রহস্যজনক কারণে প্রশাসন ও পুলিশ নীরব।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, জেলার মহাদেবপুর উপজেলার আত্রাই নদীর মহিষবাথান থেকে পাঠাকাটা ঘাট পর্যন্ত প্রায় ১৫কিলোমিটার এলাকা থেকে অবৈধ খননযন্ত্র (ড্রেজার) বসিয়ে অবাধে বালু তোলা হচ্ছে। এ দুটি বালুমহাল থেকে প্রতিদিন প্রায় ৫০০-৬০০ গাড়ি বালু নওগাঁ, জয়পুরহাট, রাজশাহী ও বগুড়া জেলার বিভিন্ন গন্তব্যে যাচ্ছে। মহিষবাথান, বুড়া শিবতলা, শিবগঞ্জসহ বিভিন্ন এলাকার বাঁধের ওপর দিয়ে ভারি ডাম্পার, অবৈধ টাক্টর ও ট্রাক নামছে নদীর তীরে। প্রতিটি ১০ চাকার ট্রাক বা ডাম্পার বহন করছে অন্তত ৪৫-৫০ মেট্রিক টন বালু। ছয় চাকার ডাম্পার বহন করছে ২৫-৩০ টন। পাঁচ টন বহন ক্ষমতার ট্রাকে বালু যাচ্ছে ১১-১৪ টন। আর অনভিজ্ঞ চালকরা ট্রাক্টরগুলো বেখেয়ালভাবেই চালাচ্ছে। আত্রাই নদীর বালুমহাল নিয়ন্ত্রণ করছে মেসার্স হ্যাপি ট্রেডার্স এর স্বত্বাধিকারী মোয়াজ্জেম হোসেন।

সরেজমিনে উপজেলা সদরের বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, প্রশাসন-পুলিশ সদস্যদের সামনে দিয়ে অবাধে চলাচল করছে বালুবাহী ডাম্পার, অবৈধ ট্রাক্টর ও ট্রাক। কিন্তু এসব যানবাহনের বিরুদ্ধে কোন আইন প্রয়োগ না করে শুধু মোটরসাইকেল ধরপাকড় করছে সংশ্লিষ্টরা। এলাকাবাসী জানায়, বালু বহনকারী বেপরোয়া যান চলাচলে ধুলো-বালি উড়ে রাস্তার দুপাশের ঘর-বাড়ির পরিবেশ নষ্ট হয়ে পড়েছে। হুমকির মুখে পড়ছে জনস্বাস্থ্য।

ওভার লোড বহন ও অবৈধ যানবাহন পরিচালনার বিষয়ে বক্তব্য গ্রহনের জন্য বালুমহালের ইজারাদার মোয়াজ্জেম হোসেন এর সাথে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

সড়কের ক্ষতির বিষয়ে জানতে চাইলে সড়ক ও জনপথ বিভাগ নওগাঁর নির্বাহী প্রকৌশলী সাজেদুর রহমান ও মহাদেবপুর উপজেলা প্রকৌশলী সুমন মাহমুদ জানান, সড়ক নষ্টের অন্যতম কারণ ওভার লোড বহন। বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে তারা একাধিকবার জানিয়েছেন।

বিআরটিএ নওগাঁ সার্কেলের সহকারী পরিচালক এটিএম ময়নুল হাসান জানান, ওভার লোড বহন ও অবৈধ যানবাহনের বিরুদ্ধে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

নিউজ ট্যাগ: নওগাঁ অর্থদণ্ড

আরও খবর



১৫ জুলাই থেকে ফের অভ্যন্তরীণ রুটে ফ্লাইট চলাচল শুরু

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৩ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৩ জুলাই ২০২১ | ১৪৮জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
আগামী ২৩ জুলাই ভোর ৬টা থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত অভ্যন্তরীণ রুটের সকল ধরনের ফ্লাইট চলাচল বন্ধ থাকবে

করোনাভাইরাস সংক্রমণ ও মৃত্যুর ঊর্ধ্বগতি পরিস্থিতিতে ১৪ দিন স্থগিত থাকার পর আগামী বৃহস্পতিবার (১৫ জুলাই) থেকে সব ধরনের অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট চলাচল শুরু হচ্ছে। ওই দিন থেকে পরবর্তী নয় দিন অর্থাৎ ২৩ জুলাই ভোর ৬টা পর্যন্ত ফ্লাইট চলাচল করবে।

মঙ্গলবার (১৩ জুলাই) বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) ফ্লাইট স্ট্যান্ডার্ড অ্যান্ড রেগুলেশন্স মেম্বার গ্রুপ ক্যাপ্টেন চৌধুরী এম জিয়া উল কবির স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে আরও বলা হয়, আগামী ২৩ জুলাই ভোর ৬টা থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত অভ্যন্তরীণ রুটের সকল ধরনের ফ্লাইট চলাচল বন্ধ থাকবে।

ইতোপূর্বে করোনা প্রাদুর্ভাবের কারণে বেবিচক দুই দফায় ১ জুলাই থেকে ৭ জুলাই এবং ৮ জুলাই থেকে ১৪ জুলাই পর্যন্ত অভ্যন্তরীণ সকল রুটে ফ্লাইট চলাচল বন্ধের নির্দেশনা জারি করে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।

নিউজ ট্যাগ: বেবিচক

আরও খবর



রাজশাহী মেডিকেলে করোনা ইউনিটে আরও ১৮ জনের মৃত্যু

প্রকাশিত:সোমবার ০৫ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ০৫ জুলাই ২০২১ | ১২৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের করোনা ইউনিটে ২৪ ঘণ্টায় আরও ১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে।

রবিবার সকাল ৮টা থেকে সোমবার সকাল ৮টার মধ্যে তারা মারা যান। এর আগে শনিবার ১২ জনের মৃত্যু হয়। গত সোমবার (২৮ জুন) সর্বোচ্চ ২৫ জন মারা যান। হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামীম ইয়াজদানী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ১৮ জনের মধ্যে পাঁচজন করোনায় এবং ১২ জন উপসর্গে মারা গেছেন। করোনামুক্ত হয়েও অন্যান্য শারীরিক জটিলতায় মারা গেছেন একজন।

এর আগে জুন মাসে করোনা ইউনিটে মারা গেছেন ৩৫৪ জন। হাসপাতাল পরিচালক শামীম ইয়াজদানী আরও জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৭৭ জন।

রবিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত এ হাসপাতালের করোনা ইউনিটে ভর্তি ছিলেন সর্বোচ্চ ৪৮৫ জন। হাসপাতালে মোট করোনা ডেডিকেটেড শয্যার সংখ্যা এখন ৪০৫টি।


আরও খবর



আর্থিক সংকটে সিলেটে চামড়া ব্যবসায়ীদের মাথায় হাত

প্রকাশিত:শনিবার ২৪ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ জুলাই ২০২১ | ৮১জন দেখেছেন
Image

সিলেট থেকে আবুল কাশেম রুমন

এ বছরও কোরবানীর পশুর চামড়া নিয়ে বিপাকে পড়েছেন চামড়া ব্যবসায়ীরা। লক্ষ লক্ষ টাকা নিয়ে লোকসানে আছেন। গত বছর একই অবস্থায় পড়ায় অনেক ব্যবসায়ীরা পুঁজি সংকটের কারণে এ বছর চামড়া ব্যবসা করেন নি। অনেকে আবার ব্যবসা ছেড়ে দিয়ে অন্য ব্যবসায়ী জড়িয়ে পড়েছেন।

সিলেট জেলা প্রাণিসম্পদ অফিস সূত্রে গেছে, এবছর ঈদে সিলেট জেলায় প্রায় দুই লাখ ও বিভাগে প্রায় ৪ লাখ পশু কোরবানি দেওয়া হয়েছে। তবে এ বছর সিলেটের ব্যবসায়ীরা ৭০ হাজার চামড়া সংগ্রহ করেছেন। অনেক ব্যবসায়ীর পুঁজি না থাকার কারণে চাহিদা মতো চামড়া সংগ্রহ করেন নি।

এ দিকে সংশ্লিষ্টরা জানান শুধু পুঁজি সংকট নয় দাম কমে যাওযা, লকডাউন, সরকারি পৃষ্ঠপোষকতার অভাব, পরিবহন সমস্যাসহ  নানা জটিলতার কারণে চামড়া ব্যবসায় এখন আর আগ্রহ নেই ব্যবসায়ীদের।

ট্যানারি মালিকদের কাছে সিলেটের চামড়া ব্যবসায়ীদের প্রায় ৫০ কোটি টাকা বকেয়া পড়ে আছে জানিয়ে ব্যবসায়ী নেতা বলেন, টাকা আটকে থাকায় ব্যবসায়ীদের কাছে লগ্নি করার মতো যথেষ্ট টাকা নেই। ফলে অর্ধেকের বেশি চামড়াই তারা সংগ্রহ করতে পারেননি। চামড়ার দরপতনের কারণেও ব্যবসায়ীরা এখন চামড়া সংগ্রহে আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছেন বলে জানান তিনি।


আরও খবর
আজ ব্যাংক বন্ধ

বুধবার ০৪ আগস্ট ২০২১