আজঃ সোমবার ০৮ মার্চ ২০২১
শিরোনাম

আজ সরস্বতী পূজা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | ৯৯জন দেখেছেন
Share
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
প্রতিবছর মাঘ মাসের শুক্লপক্ষের পঞ্চমী তিথিতে শ্বেতশুভ্রা কল্যাণময়ী বিদ্যাদেবী সরস্বতীর আরাধনা করা হয়। শ্বেতশুভ্র বসনা সরস্বতী দেবীর এক হাতে বেদ, অন্য হাতে বীণা থাকে

আজ হিন্দু সম্প্রদায়ের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব শ্রী শ্রী সরস্বতী পূজা। সনাতন ধর্মমতে, জ্ঞান ও বিদ্যার অধিষ্ঠাত্রী দেবী সরস্বতী ভক্তদের মানবীয় চেতনায় উদ্দীপ্ত করতে প্রতিবছর ধরাধামে আবির্ভূত হন।

বিদ্যা ও ললিতকলার অধিষ্ঠাত্রী দেবী সরস্বতীর আরাধনা করবে মর্ত্যের ভক্তকুল। ঢাক-ঢোল-কাঁসর-শঙ্খ ও উলুধ্বনিতে মুখরিত হয়ে উঠবে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন পূজামণ্ডপ। স্বাস্থ্যবিধি মেনে পূজায় অংশ নিতে সার্বজনীন পূজা কমিটি অনুরোধ জানিয়েছে।

শাস্ত্র মতে, প্রতিবছর মাঘ মাসের শুক্লপক্ষের পঞ্চমী তিথিতে শ্বেতশুভ্রা কল্যাণময়ী বিদ্যাদেবী সরস্বতীর আরাধনা করা হয়। শ্বেতশুভ্র বসনা সরস্বতী দেবীর এক হাতে বেদ, অন্য হাতে বীণা থাকে। এ জন্য তাকে বীণাপাণিও বলা হয়। তাকে ঐশ্বর্যদায়িনী, বুদ্ধিদায়িনী, জ্ঞানদায়িনী, সিদ্ধিদায়িনী, মোক্ষদায়িনী এবং শক্তির আঁধার হিসাবে সনাতন ধর্মাবলম্বীরা আরাধনা করেন।

সরস্বতী পূজা উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন। বাণীতে তারা সরস্বতী পূজা উপলক্ষে দেশের হিন্দু ধর্মাবলম্বী সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান।

বিভিন্ন স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় এবং ঘরে ঘরে সরস্বতী পূজা অনুষ্ঠিত হবে। ঢাকায় বিভিন্ন এলাকা ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পূজার আয়োজন হলেও সরস্বতী পূজার প্রধান কেন্দ্র হয়ে ওঠে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হল মাঠ। কিন্তু এবার করোনার কারণে বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকায় সেই উৎসবমুখর পরিবেশে আর হচ্ছে না।

যদিও পূজা উপলক্ষে বরাবরের মতো নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে শ্রী শ্রী ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির। ভক্ত ও দর্শনার্থীদের স্বাস্থ্যবিধি মেনে পূজায় অংশ নিতে অনুরোধ করেছেন মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটির সভাপতি শৈলেন্দ্রনাথ মজুমদার ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট কিশোররঞ্জন মণ্ডল।

Share

আরও খবর
ভালোবাসা সম্পর্কে ইসলামের আইন

বুধবার ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২১




স্থানীয়দের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষে অন্তত ৪০ শিক্ষার্থী আহত

প্রকাশিত:শনিবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০21 | হালনাগাদ:শনিবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০21 | ৮৩জন দেখেছেন
Share
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) সংলগ্ন গেরুয়া এলাকায় স্থানীয়দের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের দফায় দফায় সংঘর্ষে অন্তত ৪০ জাবি শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। মসজিদে মাইকিং করে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালানোর অভিযোগ উঠেছে স্থানীয়দের বিরুদ্ধে।

শুক্রবার সন্ধ্যার পর থেকে শুরু করে দিনগত রাত ৩টা পর্যন্ত দফায় দফায় হামলা সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় নয়বার গুলির শব্দ শোনা গেছে। দুপক্ষ থেকে ইট পাটকেল ছোড়া হয়। শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসের ভেতরের অংশে এবং গ্রামবাসী বাইরে মুখোমুখি অবস্থান নেয়।

এ ঘটনায় অন্তত ৪০ শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন জাবি চিকিৎসাকেন্দ্রের কর্তব্যরত মেডিকেল অফিসার ডা. মাহফুজ। আহতদের বেশির ভাগের ইটের আঘাতে মাথা, মুখ, শরীরের বিভিন্ন স্থান ক্ষতবিক্ষত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে অনেককে স্থানীয় এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এদিকে রাতে নিরাপত্তাহীনতায় গেরুয়া এলাকায় না যেতে পেরে বিপাকে পড়েন শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীরা রাতে হল খুলে দেওয়ার দাবি তোলেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে তা নাকচ করে দিয়ে হোটেল ভাড়া করে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। নভেল করোনাভাইরাসের সংক্রমণের কারণে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মতো জাবি ক্যাম্পাস ও হল বন্ধ রয়েছে।

হল খোলার দাবিতে জাবি শিক্ষার্থীরা আজ শনিবার সকাল ১০টায় ক্যাম্পাসের শহীদ মিনার পাদদেশে বিক্ষোভ সমাবেশ করবেন বলে ঘোষণা দিয়েছেন।

রাতের ঘটনার সূত্রপাত সম্পর্কে প্রত্যক্ষদর্শী কয়েকজন জানান, কয়েকদিন আগে একটি ক্রিকেট টুর্নামেন্টকে কেন্দ্র করে স্থানীয় কয়েকজন যুবকের সঙ্গে জাবি শিক্ষার্থীদের ঝামেলা হয়। সমস্যা সমাধানে শুক্রবার বিকেলে স্থানীয় যুবকদের সঙ্গে আলোচনা করতে যান বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষার্থী।

আলোচনা চলাকালে আবার কথা কাটাকাটি হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের গেরুয়া বাজারের একটি ভবনে আটকে রাখা হয়। পরে স্থানীয়রা তাঁদের মারধর করেন। এতে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক অভিষেক মণ্ডল, কার্যনির্বাহী সদস্য অ্যালেক্সসহ তিনজন আহত হন। এ সময় শিক্ষার্থীদের পাঁচটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে স্থানীয়রা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর আ স ম ফিরোজ উল হাসান রাতে বলেন, আমরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করছি। ঘটনাস্থলে পর্যাপ্ত পুলিশ না থাকায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হচ্ছে না। পুলিশ আনার জন্য আমরা সর্বাত্মক চেষ্টা করছি।

Share

আরও খবর



একুশে ফেব্রুয়ারি উপলক্ষে ডিএমপির ট্রাফিক নির্দেশনা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | ৯৭জন দেখেছেন
Share
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ২০২০ যথাযথ ও সুশৃঙ্খলভাবে উদযাপন করার জন্য ২০ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা ৬টা থেকে ২১ ফেব্রুয়ারি বেলা ২টা পর্যন্ত ঢাকায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকায় জনসাধারণের চলাচল ও সব ধরনের যানবাহন নিয়ন্ত্রণের জন্য বিশেষ ট্রাফিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে প্রবেশ

কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে প্রবেশের জন্য পলাশী ক্রসিং, এসএম হল এবং জগন্নাথ হলের সামনের রাস্তা ব্যবহার করা যাবে। অন্য কোনো রাস্তা ব্যবহার করে শহীদ মিনার এলাকায় ঢোকা যাবে না।

কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে বের হওয়া

শহীদ মিনার থেকে বের হওয়ার ক্ষেত্রে দোয়েল চত্বরের দিকের রাস্তা অথবা ঢাকা মেডিকেল কলেজের সামনের রাস্তা ব্যবহার করতে হবে। ঢোকার রাস্তা দিয়ে বের হওয়া যাবে না।

যেসব রাস্তা বন্ধ থাকবে

১। বকশিবাজার-জগন্নাথহল ক্রসিং সড়ক

২। চাঁনখারপুল-রোমানা চত্বর ক্রসিং সড়ক

৩। টিএসসি-শিববাড়ী মোড় ক্রসিং

৪। উপচার্য ভবন-ভাস্কর্য ক্রসিং (ফুলার রোড)

ডাইভারশন

(ক) ১৯ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা ৬টা থেকে ২০ ফেব্রুয়ারি সকাল ১০টা পর্যন্ত রাস্তায় আলপনা আঁকানোর জন্য কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের রাস্তা বন্ধ থাকবে। ওই সময় শিববাড়ী, জগন্নাথ হল ও রোমানা চত্বর ক্রসিংগুলোতে গাড়ি ডাইভারশন করে দেওয়া হবে।

(খ) ২০ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা ৬টা থেকে ২১ ফেব্রুয়ারি দুপুর ২টা পর্যন্ত নীলক্ষেত, পলাশী মোড়, ফুলার রোড, বকশীবাজার, চাঁনখারপুর, শহিদুল্লাহ হল, দোয়েল চত্বর, জিমনেশিয়াম, রোমানা চত্বর, হাইকোর্ট, টিএসসি, শাহবাগ ইন্টারসেকশনগুলোতে গাড়ি ডাইভারশন করে দেওয়া হবে।

(গ) ২১ ফেব্রুয়ারি ভোর ৫টা থেকে সাইন্সল্যাব হতে নিউমার্কেট ক্রসিং, কাঁটাবন ক্রসিং হতে নীলক্ষেত ক্রসিং এবং ফুলবাড়িয়া ক্রসিং হতে চাঁনখারপুল ক্রসিং পর্যন্ত প্রভাতফেরি উপলক্ষে সকল প্রকার যাত্রীবাহী গাড়ি প্রবেশ নিষিদ্ধ থাকবে।

গাড়ি পার্কিং

(ক) একুশের প্রথম প্রহরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় জিমনেশিয়াম মাঠে ভিআইপি গাড়ি পার্কিংয়ের ব্যবস্থা থাকবে।

(খ) নীলক্ষেত-পলাশী, পলাশী-ঢাকেশ্বরী সড়কে গাড়ি পার্ক করা যাবে।

সাধারণ নির্দেশনা

(ক) কবরস্থান এবং শহীদ মিনারে যারা শ্রদ্ধার্ঘ অর্পণ করতে যাবেন তাদের অসুবিধার কথা বিবেচনায় রাস্তায় বসা বা দাঁড়িয়ে থাকা থেকে বিরত থাকতে হবে।

(খ) সর্বসাধারণের চলাচলের সুবিধার জন্য উপরে বর্ণিত রাস্তায় কোনো প্রকার প্যান্ডেল তৈরি করা যাবে না।

(গ) শহীদ মিনারে প্রবেশের ক্ষেত্রে আর্চওয়ের মাধ্যমে নিরাপত্তা তল্লাশী শেষ করে সবাইকে প্রবেশ করতে হবে।

(ঘ) শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ হতে প্রচারকৃত নির্দেশনা মেনে চলতে হবে।

(ঙ) কোন ধরনের ব্যাগ বহন করা যাবে না।

(চ) যে কোন পুলিশি প্রয়োজনে শহীদ মিনার এলাকায় স্থাপিত অস্থায়ী পুলিশ কন্ট্রোল রুমে যোগাযোগ করা যাবে।

Share

আরও খবর



প্রায় ২৫ লাখ ভ্যাকসিন দেওয়া শেষ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | ৯২জন দেখেছেন
Share
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
মঙ্গলবার টিকা নিয়েছেন এক লাখ ৮২ হাজার ৮৯৬ জন। দেশে গত ৭ ফেব্রুয়ারি জাতীয়ভাবে করোনার টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়। প্রতিদিন সকাল সাড়ে ৮টা থেকে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত এই কার্যক্রম চলে

দেশে করোনাভাইরাসের টিকাদান কর্মসূচি শুরুর পর থেকে আজ মঙ্গলবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) পর্যন্ত ভ্যাকসিন নিয়েছেন ২৪ লাখ ৯১ হাজার ৫৩ জন। এরমধ্যে পুরুষ ১৬ লাখ ৩৪ হাজার ৩৩ জন, নারী ৮ লাখ ৫৭ হাজার ২০ জন। তাদের মধ্যে ৬৩০ জনের মাথা ব্যথা, গলা ব্যথা, হালকা জ্বরের মতো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা গেছে, যা মোট গ্রহীতার শতকরা শূন্য দশমিক ০২৫ শতাংশ।

মঙ্গলবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদফতর টিকাদান বিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, মঙ্গলবার টিকা নিয়েছেন এক লাখ ৮২ হাজার ৮৯৬ জন। দেশে গত ৭ ফেব্রুয়ারি জাতীয়ভাবে করোনার টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়। প্রতিদিন সকাল সাড়ে ৮টা থেকে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত এই কার্যক্রম চলে।

স্বাস্থ্য অধিদফতর জানিয়েছে, ঢাকা বিভাগে টিকা নিয়েছেন ৬২ হাজার ২৩৯ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ৮ হাজার ১৮৮ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৩৭ হাজার ৭০৮ জন, রাজশাহী বিভাগে ১৮ হাজার ৬৫১ জন, রংপুর বিভাগে ১৫ হাজার ৭৬৫ জন, খুলনা বিভাগে ২২ হাজার ৮১৬ জন, বরিশাল বিভাগে ৮ হাজার ৪৪৩ জন আর সিলেট বিভাগে ৯ হাজার ৮৬ জন।

নিউজ ট্যাগ: করোনাভাইরাস
Share

আরও খবর



নতুন হল নির্মাণের জন্য ৫ শতাংশ সুদে ঋণ পাবেন হল মালিকরা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | ৮৬জন দেখেছেন
Share
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

সিনেমা হল মালিকদের স্বল্প সুদে দীর্ঘমেয়াদে ঋণ দেয়া হবে। সিনেমা হল সংস্কার, আধুনিকায়ন ও নতুন হল নির্মাণের জন্য এক হাজার কোটি টাকার বিশেষ পুনঃঅর্থায়ন স্কিম গঠন করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

রোববার পুনঃঅর্থায়ন তহবিলের সুদের হার নির্ধারণ করে নীতিমালা জারি করে বাংলাদেশ ব্যাংক। মেট্রোপলিটন এলাকার হল মালিকরা ৫ শতাংশ সুদে ঋণ পাবেন। আর মেট্রোপলিটন এলাকার বাইরের হল মালিকরা সাড়ে ৪ শতাংশ সুদে ঋণ পাবেন।

এর আগে গত ২৬ জানুয়ারি এই তহবিলের অনুমোদন দেয় বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ।

নীতিমালা অনুযায়ী, বাংলাদেশ ব্যাংক বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে ১ দশমিক ৫ শতাংশ সুদে এই ঋণ দেবে। ব্যাংকগুলো আবার গ্রাহক পর্যায়ে সর্বোচ্চ ৫ শতাংশ সুদে এই ঋণ বিতরণ করতে পারবে। একটি সিনেমা হলের বিপরীতে সর্বোচ্চ ৫ কোটি টাকা ঋণ বিতরণ করতে পারবে ব্যাংকগুলো।

প্রথম বছর এই ঋণের কোনো কিস্তি দিতে হবে না হল মালিকদের। ঋণ পরিশোধের জন্য সর্বোচ্চ সময় পাওয়া যাবে ৮ বছর।

যেসব হল মালিক এই ঋণ পাবেন

সিনেমা হল মালিকদের সুবিধার্থে বিভিন্ন মেয়াদে ঋণ বা বিনিয়োগ সুবিধা দেয়া হবে। বর্তমান সিনেমা হল সংস্কার, আধুনিকায়ন, যন্ত্রাংশ কেনা ও নতুন সিনেমা হল নির্মাণের জন্য তফসিলি ব্যাংকের অর্থায়নের বিপরীতে বাংলাদেশ ব্যাংক পুনঃঅর্থায়ন সুবিধা দেবে। বিভিন্ন শপিং কমপ্লেক্সে যেসব সিনেমা হল আছে, সেগুলো নতুনভাবে নির্মাণ করার ক্ষেত্রেও এ স্কিম সুবিধা প্রযোজ্য হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব তহবিল থেকে দেয়া হবে এ টাকা। প্রথম ধাপে ৫০০ কোটি টাকা বিতরণ করা হবে। টাকা ব্যয়ের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর দ্বিতীয় ধাপে আরো ৫০০ কোটি টাকা দেয়া হবে। প্রত্যেক গ্রাহককে প্রতিটি সিনেমা হলের জন্য ঋণ বা বিনিয়োগ সুবিধার নিশ্চয়তা অর্থায়নকারী ব্যাংক নির্ধারণ করবে। কিন্তু কোনো সিনেমা হলই ৫ কোটি টাকার বেশি পাবে না।

ঋণ নিতে যা করতে হবে

এ স্কিম থেকে যারা ঋণ নিতে চান, তাদের ২০২২ সালের ৩১ মার্চের মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে আবেদন করতে হবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের ডিপার্টমেন্ট অব অফ-সাইট সুপারভিশন এ স্কিম পরিচালনা করবে।

নিউজ ট্যাগ: বাংলাদেশ ব্যাংক
Share

আরও খবর



দীপন হত্যা: হাইকোর্টে পৌঁছেছে আট আসামির ডেথ রেফারেন্স

প্রকাশিত:বুধবার ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | ১০৯জন দেখেছেন
Share
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
২০১৫ সালের ৩১ অক্টোবর রাজধানীর শাহবাগের আজিজ সুপার মার্কেটে জাগৃতি প্রকাশনীর কার্যালয়ে ফয়সল আরেফিন দীপনকে কুপিয়ে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। একই দিন লালমাটিয়ায় শুদ্ধস্বর প্রকাশনীর

প্রকাশক ফয়সল আরেফিন দীপন হত্যা মামলায় আট আসামির ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে পৌঁছেছে। নিয়ম অনুযায়ী বিচারিক আদালতে মৃত্যুদণ্ড পাওয়া আসামিদের দণ্ড কার্যকর করতে হাইকোর্টের অনুমোদন লাগে। এটিই ডেথ রেফারেন্স হিসেবে পরিচিত।

ঢাকার সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মজিবুর রহমান গত ১০ ফেব্রুয়ারি আলোচিত এ মামলার রায় ঘোষণা করেন। রায়ে সেনাবাহিনীর চাকরিচ্যুত মেজর সৈয়দ জিয়াউল হকসহ মোট আট জঙ্গির সবাইকে সর্বোচ্চ শাস্তি হিসেবে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার পাশাপাশি ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়। তাদের মধ্যে জিয়াসহ দুজন পলাতক।

এ প্রসঙ্গে সুপ্রিম কোর্টের মুখপাত্র ও হাইকোর্ট বিভাগের বিশেষ কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাইফুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, সোমবার এ মামলার রায়সহ ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে আসে। এখন হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখা এসব নথি যাচাই-বাছাই করে পেপারবুক তৈরির জন্য প্রস্তুতি নেবে।

এ মামলার আসামিরা হলেন- বরখাস্তকৃত মেজর জিয়া, আকরাম হোসেন, মইনুল হাসান শামীম ওরফে সামির ওরফে ইমরান, আবদুস সবুর সামাদ ওরফে সুজন ওরফে রাজু ওরফে সাদ, খাইরুল ইসলাম ওরফে জামিল ওরফে জিসান, আবু সিদ্দিক সোহেল ওরফে সাকিব ওরফে সাজিদ ওরফে শাহাব, মোজাম্মেল হুসাইন ওরফে সায়মন ওরফে শাহরিয়ার এবং শেখ আবদুল্লাহ ওরফে জুবায়ের ওরফে জায়েদ ওরফে জাবেদ ওরফে আবু ওমায়ের। আসামিদের মধ্যে জিয়া ও আকরাম হোসেন পলাতক আছে।

২০১৫ সালের ৩১ অক্টোবর রাজধানীর শাহবাগের আজিজ সুপার মার্কেটে জাগৃতি প্রকাশনীর কার্যালয়ে ফয়সল আরেফিন দীপনকে কুপিয়ে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। একই দিন লালমাটিয়ায় শুদ্ধস্বর প্রকাশনীর কার্যালয়ে ঢুকে এর স্বত্বাধিকারী আহমেদুর রশীদ টুটুল, লেখক রণদীপম বসু ও প্রকৌশলী আবদুর রহমানকে হত্যার চেষ্টা করা হয়।

ফয়সল আরেফিন দীপন হত্যাকাণ্ডের দিনেই তার স্ত্রী রাজিয়া রহমান শাহবাগ থানায় মামলা করেন। ২০১৮ সালের ১৫ নভেম্বর তদন্ত কর্মকর্তা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সহকারী কমিশনার ফজলুর রহমান চার্জশিট দাখিল করেন। গত বছর ১৩ অক্টোবর আট আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত।

Share

আরও খবর