আজঃ শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪
শিরোনাম

আজ থেকে জমি রেজিস্ট্রেশনে নতুন মৌজা রেট কার্যকর

প্রকাশিত:রবিবার ০১ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:রবিবার ০১ জানুয়ারী ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

জমি রেজিস্ট্রশনে আজ থেকে সারা দেশে নতুন মৌজা রেট কার্যকর হচ্ছে। আগামী দুই বছরের জন্য সংশোধিত মৌজা রেট অনুমোদন করে বৃহস্পতিবার নিবন্ধন অধিদপ্তর থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

সূত্রমতে, সংশোধিত নতুন মৌজা রেটে সরকারি হিসাবে প্রতি অযুতাংশ জমির শ্রেণিভিত্তিক মূল্য সর্বনিম্ন ১০ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। আবার কোথাও বাড়ির চেয়ে ভিটি শ্রেণির দাম বেশি ধরা হয়েছে। খুবই কমসংখ্যক মৌজায় পূর্বের মূল্য অপরিবর্তিত রয়েছে। এরমধ্যে কিছু মৌজার বেশিরভাগ জমি সরকার আগেই অধিগ্রহণ করেছে।

নিবন্ধক অধিদপ্তরের বিদায়ি মহাপরিদর্শক শহীদুল আলম ঝিনুক স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত আদেশে বলা হয়, সম্পত্তির সর্বনিম্ন বাজারমূল্য নির্ধারণ বিধিমালা-২০১০ (সংশোধিত ২০১২ ও ২০১৫) অনুযায়ী ২০২৩ ও ২০২৪ সালের জন্য প্রস্তুতকৃত বাজারমূল্য তালিকা ১ জানুয়ারি থেকে পরবর্তী দুই বছরের জন্য কার্যকর হবে।

প্রস্তুতকৃত বাজারমূল্য সম্পর্কে কোনো আপত্তি থাকলে সংশ্লিষ্ট জেলার বাজারমূল্য নির্ধারণ কমিটির সসস্য সচিব/নিবন্ধন অধিদপ্তরের মহাপরিদর্শক বরাবর পুনর্বিবেচনার জন্য আবেদন করা যাবে।

এদিকে উদাহরণস্বরূপ কয়েকটি মৌজায় জমির মূল্য সংশোধনের তুলনামূলক চিত্র তুলে ধরা হলো।

রাজধানী ঢাকার বাড্ডা সাবরেজিস্ট্রারের এলাকাধীন জোয়ার সাহারা মৌজায় পূর্বে বাড়ি শ্রেণির জমির অযুতাংশ প্রতি মূল্য ছিল ২৬,১৪৯ টাকা, সংশোধিত মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২৮,৪৮০ টাকা। খিলক্ষেত্র থানায় ডুমনী মৌজায় আগে ছিল ৫,০৯৯ টাকা, এখন ৬,১২০ টাকা, পাতিরা পূর্বে ৪,৩৮০ টাকা, সংশোধিত মূল্য ৪,৮৩৭ টাকা, বরুয়া পূর্বে ৯,০৬৭ টাকা, সংশোধিত ৯,৭৯৯ টাকা এবং মস্তুলে পূর্বের মূল্য ১০,৩৪৩ টাকা এবং বর্তমানে করা হয়েছে ৩৩,৮৪৮ টাকা।

আবার জোয়ার সাহারা মৌজায় বাড়ি শ্রেণির জমির চেয়ে ভিটি শ্রেণির জমির মূল্য বেশি নির্ধারণ করা হয়েছে। বাড়ির শ্রেণির প্রতি অযুতাংশ ২৮,৪৮০ টাকা হলেও ভিটি শ্রেণির মূল্য ধরা হয়েছে ৫৩,৪৩৮ টাকা। একইভাবে মস্তুল মৌজায় বাড়ি শ্রেণির জমির প্রতি অযুতাংশের মূল্য ৩৩,৮৪৮ টাকা নির্ধারণ করা হলেও ভিটি শ্রেণির জমির দাম ধরা হয়েছে প্রতি অযুতাংশ ৪৭,৮৫৯ টাকা।

তিন পার্বত্য জেলা ছাড়া ৬১ জেলায় নতুন এ মৌজা রেট আজ থেকে কার্যকর হবে। গতকাল শনিবার সাপ্তাহিক ছুটির দিনে প্রতিটি জেলা রেজিস্ট্রার কার্যালয় থেকে নতুন রেট শিডিউল বহি সাবরেজিস্ট্রারদের কাছে সরবরাহ করা হয়।

সরকারি হিসাবে মৌজাভিত্তিক জমির সর্বনিম্ন গড় বাজারমূল্য ধরে সংশোধিত মৌজা রেট নির্ধারণ করা হয়েছে। অর্থাৎ এই মূল্যের নিচে জমি রেজিস্ট্রি করা যাবে না।


আরও খবর
৯ ছাত্রীর চুল কাটার ঘটনায় শিক্ষিকা বরখাস্ত

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




জাতীয় পার্টি গৃহপালিত দল হয়ে গেছে: জিএম কাদের

প্রকাশিত:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

জাতীয় পার্টি গৃহপালিত রাজনৈতিক দল হয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন দলটির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের। তিনি বলেন, আমরা পরজীবী হতে চাই, গৃহপালিত রাজনৈতিক দল নয়। ধারাবাহিকভাবে পরজীবী থেকে স্বনির্ভরতার দিকে যাব। শনিবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে এক অনুষ্ঠানে এ মন্তব্য করেন তিনি।

জিএম কাদের বলেন, পরজীবী হয়ে আমরা অনেক কিছু করেছি। আমাদের একটা বড় দেনদরবার করার শক্তি ছিল। ২০১৪ সালের পর থেকে আমরা সেই শক্তি হারিয়েছি। আমরা এখন হয়ে গেছি গৃহপালিত রাজনৈতিক দল।

তিনি বলেন, এবারের নির্বাচনকে একটি বড় পরীক্ষা বলে মনে করছেন জিএম কাদের। এখন অনেকেই নানা কথা বলছেন নানাভাবে মূল্যায়ন করছেন। কিন্তু মূল্যায়নের জন্য এখনো সঠিক সময় আসেনি। অচিরেই মানুষ বুঝতে পারবে কেন এই নির্বাচনে অংশগ্রহণ।

তিনি আরও বলেন, এবারের নির্বাচনে দেখেছি রাজনীতি কতটা নোংরা হতে পারে। বৈষম্যকে দূর করতেই হয়েছিল ভাষা আন্দোলন কিন্তু বৈষম্য দিনকে দিন বেড়েই চলছে। বৈষম্যের অন্যায় এখনো হচ্ছে। বর্তমান সরকার বৈষম্য তৈরি করেছে আরও বেশি। একুশের চেতনা নিয়ে বৈষম্যমুক্ত সমাজ গড়ার প্রত্যয়ে এগিয়ে যেতে হবে। আমরা মুক্তিযুদ্ধে নয় স্বাধীনতাযুদ্ধে জয়লাভ করেছি।

জিএম কাদের বলেন, আমরা যখনই স্বাধীনভাবে রাজনীতি করতে যাই তখন আমাদের মধ্যে ভাঙন তৈরি হয়। সরকারই এমন করে। এর জন্য দায়ী আমাদের লোভ-লালসা। সমস্ত দলের নেতাদের জাতীয় পার্টির রাজনীতি করতে হবে, সরকারি দলের নয়। যারা জাতীয় পার্টিতে থেকে অন্য দলের রাজনীতি করে তাদের বের করে দিতে হবে।


আরও খবর



ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত অর্ধশতাধিক

প্রকাশিত:বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
মোঃ রাসেল আহমেদ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া

Image

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে পূর্ব বিরোধের জের ধরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত অর্ধশতাধিক লোক আহত হয়েছেন।

বুধবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে উপজেলার হরষপুর ইউনিয়নের বুল্লা গ্রামে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষ চলাকালে বেশ কিছু বাড়িঘরে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। আহতদের উদ্ধার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালসহ স্থানীয় বিভিন্ন ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, ইউপি নির্বাচন পরবর্তী বিরোধ নিয়ে স্থানীয় নোয়াব আলী গোষ্ঠীর সঙ্গে কাউসার মেম্বার গোষ্ঠী, হাজী গোষ্ঠী, মাইঝ গাঁও গোষ্ঠীসহ অন্তত ৭ টি গোষ্ঠীর বিরোধ চলে আসছিল। গত ৬ মাস আগে কাউসার মেম্বারের মেয়ে নোয়াব আলী গোষ্ঠীর আব্দুল আহাদের ছেলে মহসীনের সঙ্গে পালিয়ে যায়। এ নিয়ে তাদের মধ্যে আবারও বিরোধ দেখা দেয়। এরই জের ধরে বুধবার উভয় গোষ্ঠীর লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়ায়। এ সময় কাউসার মেম্বার গোষ্ঠীর পক্ষে হাজী গোষ্ঠী, মাইঝ গাঁও গোষ্ঠীসহ অন্তত ৭টি গোষ্ঠী সংঘর্ষে জড়িয়ে যায়। এ ঘটনায় উভয় পক্ষের অন্তত অর্ধশতাধিক লোক আহত হয়। আহতদের জেলা সদর হাসপাতালসহ বিভিন্ন প্রাইভেট ক্লিনিকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

বিজয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আরশাদুল ইসলাম বলেন, মেয়ে সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে উভয় পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। এ নিয়ে তাদের সংঘর্ষে বাধে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরবর্তী সংঘর্ষ এড়াতে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।


আরও খবর
৯ ছাত্রীর চুল কাটার ঘটনায় শিক্ষিকা বরখাস্ত

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




বিলুপ্তির পথে বাউফলের কুটির শিল্প

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
দূর্জয় দাস, বাউফল (পটুয়াখালী)

Image

আধুনিকতার ছোঁয়ায় গ্রামীণ জনপদ থেকে শত শত বছরের ঐতিহ্যবাহী বাঁশ ও বেত শিল্পগুলো বিলুপ্তির দ্বারপ্রান্তে এসে পৌঁছেছে। পরিবেশের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর পরিবারের জন্য নিত্যপ্রয়োজনীয় প্লাষ্টিক পণ্য বাজার দখল করায় বাঁশ ও বেতের তৈরি পণ্যের কদর কমে গেছে। ফলে ঐতিহ্য হারাতে বসেছে গ্রামীণ এই কুটির শিল্পটি। প্রয়োজনীয় পুঁজি, বাজারজাতকরণ ও পরিকল্পিত উদ্যোগের অভাবে পটুয়াখালীর বাউফলে কুটির শিল্প প্রায় বিলুপ্তির পথে।

উপজেলার গুটি কয়েক পরিবারের কিছু মানুষ আঁকড়ে রেখেছে এই শিল্পকে। কিন্তু দিন দিন বাঁশ আর বেতের তৈরি বিভিন্ন পন্যের চাহিদা কমে যাওয়ায় ভালো নেই এই শিল্পের সঙ্গে জড়িত কারিগররা। উৎপাদিত পণ্য সামগ্রী ন্যায্যমূল্য না থাকায় এ শিল্পের সঙ্গে যারা জড়িত তারা আজ পেশা পাল্টাতে শুরু করেছেন।

জানা যায়, বাঁশ-বেত দিয়ে তৈরি হতো গৃহস্থালী ও সৌখিন পণ্যসামগ্রী। বাড়ির পাশের ঝাঁর থেকে তরতাজা বাঁশ-বেত কেটে তৈরি করতেন হরেক রকমের পণ্য। এসব নিজেদের ব্যবহারের পাশাপাশি, বাজারে বিক্রি করে চলতো তাদের জীবন-যাপন।

আধুনিক প্রযুক্তির দাপটে আর প্লাস্টিকের তৈরী বিভিন্ন রং  বেরঙের  এর আর্কষনীয় ডিজাইনের  দ্রব্য সামগ্রী বের হাওয়ায়  এখন আর কেউ বাঁশের তৈরি সামগ্রী ব্যবহার করেনা। এক দিকে যেমন ব্যবহারকারীর অভাব, অন্যদিকে বাঁশের স্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির কারণ বাঁশ শিল্পীরা তাদের পৈত্রিক   পেশা  ছড়ে দিয়ে অন্য পেশায় চলে যাছেন। হাতেগোনা কয়েকজন শিল্পী অনেকটা নিরুপায় হয়ে এ পেশায় টিকে থাকার জন্য প্রাণপণ চেষ্টা চালিয় যাছেন। এককালে কুলা, খাঁচা, চালনি, চাটাই, ডোল, ঝুড়ি,  ডালা, ওর,  প্রভৃতি  বাঁশজাত পণ্যর বাউফল উপজেলা ছাড়াও পার্শ্ববর্তী এলাকায় ব্যাপক চাহিদা ছিল।  বিগত কয়েক বছর ধরে এ শিল্প বিরাজ করছে চরম মন্দা। ফলে এ শিল্পের ওপর নির্ভরশীল লোকজন বেকার হয়ে মানবতর জীবনযাপন করছে।

কুটির শিল্পের সাথে জড়িতরা জানান, আমরা কুটির শিল্পের কাজ করতে একটা বাঁশ কিনতে হয় একশ টাকা দিয়া। বাজারে গেলে সেই দাম পাইনা। আগের মত হাজি ঢালা চলেনা, আমাগো সংসার চলেনা কষ্ট হয়। তারপরেও আমরা কুটির শিল্প টিকিয়ে রাখছি।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. বশির গাজী বলেন, উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন কুটির শিল্পের যে সম্ভাবনাময় ক্ষেত্র রয়েছে সেগুলো নিয়ে আমরা কাজ করছি। কুটির শিল্পে অনেকই কাজ করে তাদের অনেকের লোনের সমস্যা, ক্যাশের সমস্যা আমরা উপজেলা প্রশাসনে একটি প্রকল্প নিয়েছি তাদের প্রশিক্ষন দিবো এবং তাদের লোনের ব্যবস্থা করব ।    

সচেতন মহলের দাবী, কুটির শিল্পকে ধংসের হাত থেকে রক্ষা করা দরকার। এ শিল্প বাঙালি সংস্কৃতির একটা বড় অংশ। তাই এ পেশার সঙ্গে যারা এখনো জড়িত রয়েছেন তাদের পরিবারে ভিত্তিকে ব্যাংক ঋণের ব্যবস্থা গ্রহণ ও তাদের পেশার উন্নয়নে সরকারের সহায়তা করা উচিত।

নিউজ ট্যাগ: কুটির শিল্প

আরও খবর
৯ ছাত্রীর চুল কাটার ঘটনায় শিক্ষিকা বরখাস্ত

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




পিঁয়াজ রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিল ভারত

প্রকাশিত:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
অর্থ ও বাণিজ্য ডেস্ক

Image

পিঁয়াজ রপ্তানি থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার। দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর নেতৃত্বে মন্ত্রীদের কমিটি রবিবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) পিঁয়াজ রপ্তানির উপর আরোপিত এই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। সরকারের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে মহারাষ্ট্রের কৃষকরা। তাদের আশা এর ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে দাম পাওয়া যাবে।

এই বৈঠকে মন্ত্রীদের কমিটি ৩ লাখ মেট্রিক টন পিঁয়াজ রপ্তানির অনুমোদন দিয়েছে। এর পাশাপাশি বাংলাদেশের জন্য ৫০ হাজার টন পিঁয়াজ রপ্তানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

এ ব্যাপারে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী এবং বিজেপির দিন্ডোরির (নাসিক গ্রামীণ) কেন্দ্রের সাংসদ ভারতী পাওয়ার জানান, রবিবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় সরকারের মন্ত্রীদের (জিওএম) একটি বৈঠক হয়, সেখানে পিঁয়াজ রপ্তানির নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার সম্পর্কিত বিভিন্ন শর্তাবলীর বিষয়ে আগামী দুই-এক দিনের মধ্যে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে বিস্তারিত জানানো হবে।

পাওয়ার আরও জানান, রপ্তানি ফের নতুন করে শুরু হলো। সরকারের এই সিদ্ধান্ত পিঁয়াজ চাষিদের কাছে একটি বিশাল স্বস্তি দেবে এবং পাইকারি পিঁয়াজের দামের ক্ষেত্রেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। এতে কৃষকদের উৎপাদিত পণ্যের দাম পাওয়া যাবে।

বিশেষজ্ঞদের অভিমত, রপ্তানির উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার অন্যতম কারণ হলো গুজরাট এবং মহারাষ্ট্রে পিঁয়াজের বিশাল মজুদ জমে যাওয়া।

মহারাষ্ট্র স্টেট অনিয়ন প্রডিউসারস ফার্মার্স অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ভারত দিঘোল বলেন, একবার রপ্তানি শুরু হলে আমরা আশা করি আন্তর্জাতিক বাজারে ভালো দাম পাওয়া যাবে।

মহারাষ্ট্রের উপ-মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিস জানান, পিঁয়াজ রপ্তানির উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার জন্য কেন্দ্রীয় সরকারকে আন্তরিক ধন্যবাদ। পিঁয়াজ উৎপাদকদের বিভিন্ন প্রশ্নের বিষয়ে আমরা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গোয়েলের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখেছিলাম।

গত বছর খরা ও বৈরী আবহাওয়ার কারণে পিঁয়াজের উৎপাদন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। বাজারে পিঁয়াজের ঘাটতির কারণে দাম প্রায় আকাশ ছোঁয়া ছিল। গত বছরের ডিসেম্বর মাসেই প্রায় ১০০ রুপিতে বিক্রি হয়েছিল পিঁয়াজ। এই দাম নিয়ন্ত্রণে আনতে গত বছরের ৮ ডিসেম্বর থেকে পিঁয়াজ রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল ভারত।


আরও খবর



মাদ্রাসা ভাঙাকে কেন্দ্র করে সহিংসতা, নিহত ৪

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

মাদ্রাসা ভাঙাকে কেন্দ্র করে উত্তরাখণ্ডের হলদোয়ানিতে সহিংসতা ও গুলিতে চারজন নিহত হয়েছে এবং আহত হয়েছে ২৫০ জন। এ ঘটনার জেরে হলদোয়ানিতে কার্ফিউ জারি করা হয়েছে এবং সহিংসতা হলেই গুলির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া বন্ধ রাখা হয়েছে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। শহরে এখনো যথেষ্ট উত্তেজনা আছে এবং ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, একটি বেআইনি মাদ্রাসা ভাঙা হচ্ছিল। মাদ্রাসা-সংলগ্ন একটি মসজিদও আছে। প্রশাসন জানিয়েছে, ওই মাদ্রাসা ও মসজিদ বেআইনি। বানভুলপুরা থানার কাছে ওই মাদ্রাসা আদালতের নির্দেশে ভাঙা হচ্ছিল বলে পুলিশ ও প্রশাসনের দাবি।

পুলিশের সঙ্গে সরকারি কর্মকর্তারা যখন মাদ্রাসা ভাঙতে যান, তখনই সহিংসতা শুরু হয়। পুলিশকে লক্ষ্য করে পাথর ছোড়া হয়। পরিস্থিতি রীতিমতো উত্তেজক হয়ে ওঠে। সংঘর্ষে প্রায় একশ পুলিশ কর্মী আহত হন। কয়েকজন সরকারি কর্মকর্তারও আঘাত লাগে। পুরসভার কর্মী ও সাংবাদিকরাও সহিংসতার মধ্যে পড়ে যান।

পুলিশ প্রথমে কাঁদানে গ্যাস ছোড়েন কিন্তু পরে থানার সামনে রাখা কয়েকটি গাড়ি, ২০টি মোটরসাইকেল ও একটি পুলিশের বাসে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়, এরপর গোলাগুলি শুরু হয়। মুখ্যমন্ত্রী পুস্কর সিং ধামি বলেছেন, আদালতের নির্দেশের পর বেআইনি কাঠামো ভাঙার জন্য টিম পাঠানো হয়। কিন্তু ওই এলাকায় কিছু অসামাজিক মানুষ পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আরও পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। পৌরসভা  কমিশনার পঙ্কজ উপাধ্যায় দাবি করছেন, পৌরসভা ওই বেআইনি কাঠামো সিল করে দিয়েছিল। তার আশপাশের তিন একর জমিও সিজ করা হয়েছে।

নৈনিতালের জেলাশাসক বন্দনা সিং জানিয়েছেন, হাইকোর্টের নির্দেশেই জবরদখল হওয়া জমি উদ্ধার করতে অভিযান চলছে। অনেকে হাইকোর্টে আবেদন জানিয়েছিলেন। কয়েকজনকে হাইকোর্ট বাড়তি সময় দিয়েছে, কয়েকজনকে দেয়নি। যেখানে বাড়তি সময় দেয়া হয়নি, সেখানে পুরসভা ও পিডাব্লিউডি বেআইনি নির্মাণ ভাঙছে। উত্তরাখণ্ডই হলো ভারতের প্রথম রাজ্য যেখানে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি চালু করা হচ্ছে।


আরও খবর