আজঃ বুধবার ০৪ আগস্ট ২০২১
শিরোনাম

আজকের মধ্যেই পশু কোরবানির কাজ শেষ করতে হবে: তাপস

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২২ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২২ জুলাই ২০২১ | ৯৬জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র ফজলে নুর তাপস আজকের মধ্যে কোরবানির পশু জবাই দেয়ার কাজ শেষ করার জন্য রাজধানীবাসীকে অনুরোধ জানিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (২২ জুলাই) নগরভবনে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ অনুরোধ জানান। মেয়র ফজলে নুর তাপস বলেন, ডিএসসিসির বিভিন্ন ওয়ার্ডের বেশিরভাগ পশুর বর্জ্য অপসারণ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, ডিএসসিসির কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা গত তিনদিন ধরে পশুর বর্জ্য অপসারণসহ বিভিন্ন ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কারে অক্লান্ত পরিশ্রম করে চলেছেন। তাদেরও পরিবার-পরিজন ও ঈদ রয়েছে। তাদেরও একদিন ছুটি প্রয়োজন। এ কারণে ঈদের তৃতীয় দিনও পশু জবাই না করে আজকের মধ্যেই কোরবানির পশু জবাই শেষ করুন।

আজ ঈদের দ্বিতীয় দিন ৩০ শতাংশ পশু জবাই করা হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, অনেকেই বলে থাকেন তিনদিন পর্যন্ত পশু কোরবানি করা যায়। তাই আগামীকালও অনেকে জবাইয়ের চিন্তায় রয়েছেন। যারা এমনটি চিন্তা করছেন তাদের আজকের মধ্যেই পশু কোরবানির কাজ শেষ করতে অনুরোধ জানাই।

এদিকে বৃহস্পতিবার সকালে পুরান ঢাকার লালবাগ এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, অধিকাংশ এলাকার পশুর বর্জ্য অপসারণ করা হয়েছে। তবে কোথাও কোথাও বর্জ্য ও ময়লা-আবর্জনা পড়ে থাকতে দেখা গেছে।

আজিমপুর চায়না বিল্ডিং এলাকায় দেখা গেছে, বিভিন্ন বাসা ও ফ্ল্যাটবাড়ির সামনে বর্জ্য ও ময়লা-আবর্জনা পড়ে আছে। আজিমপুর বাসস্ট্যান্ডের অদূরে প্রধান সড়কেও কিছু বর্জ্য পড়ে থাকতে দেখা যায়।

তবে সার্বিকভাবে ডিএসসিসির কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের নিরন্ত প্রচেষ্টায় অধিকাংশ বর্জ্যই অপসারণ হয়েছে। আজও পশু কোরবানি হচ্ছে। তাই নতুন করে বিভিন্ন এলাকায় বর্জ্য জমা হচ্ছে। ডিএসসিসির পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা সকাল থেকে গতকাল ও সেই সাথে আজকের বর্জ্য অপসারণের কাজে নেমেছেন।


আরও খবর



মৃত্যু ও সংক্রমণে এগিয়ে ঢাকা: স্বাস্থ্য অধিদফতর

প্রকাশিত:রবিবার ২৫ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ জুলাই ২০২১ | ৮৭জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ও সংক্রমণজনিত মৃত্যুর ক্ষেত্রে জেলাভিত্তিক হিসাবে ঢাকা এগিয়ে আছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতর।

রবিবার (২৫ জুলাই) কোভিড-১৯ পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদফতর আয়োজিত ভার্চুয়াল বুলেটিনে অধিদফতরের মুখপাত্র অধ্যাপক ডা. নাজমুল ইসলাম এ তথ্য জানান।

জেলাভিত্তিক শনাক্তের হিসাবে ঢাকা শীর্ষে অবস্থান করছে, ইতোমধ্যে ঢাকায় শনাক্ত রোগীর সংখ্যা চার লাখ ছাড়িয়ে গেছে জানিয়ে তিনি বলেন, এরপরে আছে যথাক্রমে চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, সিলেট, বগুড়া, নারায়ণগঞ্জ, খুলনা, ফরিদপুর এবং সবচেয়ে কম  রোগী রাজশাহীতে।

জেলাভিত্তিক বিশ্লেষণ ছাড়াও বিভাগভিত্তিক মৃত্যুর হারেও ঢাকা বিভাগগে সর্বোচ্চ। এরপরের অবস্থান খুলনা বিভাগের।

এদিকে, গত সাত দিনের সংক্রমণ পরিস্থিতিতে নমুনা সংগ্রহ কম হয়েছে এবং সে অনুযায়ী পরীক্ষাও কম হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, যার কারণে মোট রোগীর সংখ্যা কমেছে। কিন্তু তাতে সংক্রমণের হার কমেনি বলেন অধ্যাপক নাজমুল ইসলাম।

তিনি বলেন, শতকরা হিসাবে সংক্রমণের হার ৩০ শতাংশের নিচে নামেনি। বরং ২৪ জুলাই ৩২ দশমিক ৫৫ শতাংশ রোগী শনাক্ত হয়েছে।

অধ্যাপক নাজমুল ইসলাম জানান, ২৯তম এপিডেমিক সপ্তাহে ২৪ জুলাই পর্যন্ত দুই লাখ দুই হাজার ১১৩টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে, যা কিনা  আগের সপ্তাহের তুলনায় পরীক্ষার হার ২৮ দশমিক ৯৪ শতাংশ কমেছে।

ঈদের বন্ধের কারণে এই সংখ্যা কমতে পারে জানিয়ে তিনি বলেন, তবে সুস্থতার হার ১৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ বেড়েছে।


আরও খবর
করোনায় আরও ২৩৫ জনের মৃত্যু

মঙ্গলবার ০৩ আগস্ট ২০২১




২৪ ঘণ্টায় আরও ১৪৩ ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৭ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৭ জুলাই ২০২১ | ৬৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

রাজধানীতে ডেঙ্গুর প্রকোপ প্রতিদিনই বাড়ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১৪৩ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে ১৪২ জন রাজধানীর হাসপাতালে ও একজন ঢাকার বাইরের হাসপাতালে ভর্তি হন।

এ নিয়ে বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মোট রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল ৫০৯ জনে। মোট রোগীর মধ্যে ৫০০ জনই রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। বাকি ৯ জন ঢাকার বাইরে হাসপাতালে ভর্তি ও চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

মঙ্গলবার (২৭ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদফতরের স্বাস্থ্য তথ্য ইউনিটের (এমআইএস) সহকারী পরিচালক ও হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন অ্যান্ড কন্ট্রোল রুমের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ডা. কামরুল কিবরিয়া স্বাক্ষরিত ডেঙ্গু সংক্রান্ত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।

পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে আজ মঙ্গলবার (২০ জুলাই) পর্যন্ত রাজধানীসহ সারাদেশে সর্বমোট এক হাজার ৯৪৫ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী হাসপাতালে ভর্তি হন। তাদের মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন এক হাজার ৪৩৩ জন রোগী।

চলতি বছর জানুয়ারিতে ৩২ জন, ফেব্রুয়ারিতে নয়জন, মার্চে ১৩ জন, এপ্রিলে তিনজন, মেতে ৪৩ জন, জুনে ২৭২ জন এবং ২০ জুলাই পর্যন্ত এক হাজার ৫৭৩ জন রোগী ভর্তি হন।


আরও খবর
করোনায় আরও ২৩৫ জনের মৃত্যু

মঙ্গলবার ০৩ আগস্ট ২০২১




খুলনা বিভাগে ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আরও ৪৬ জনের মৃত্যু

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৭ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৭ জুলাই ২০২১ | ৮৬জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

করোনায় আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় খুলনা বিভাগে আরও ৪৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময় করোনা শনাক্ত হয়েছে ১ হাজার ৪৩৫ জনের। মঙ্গলবার (২৭ জুলাই) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক (রোগ নিয়ন্ত্রণ) ডাক্তার ফেরদৌসী আক্তার।

এ নিয়ে খুলনা বিভাগে করোনায় মোট ২ হাজার ২৬৩ জন মারা গেছেন। করোনা শনাক্ত হয়েছে ৮৯ হাজার ৬৮৩ জনের।

বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, মৃত্যু ও আক্রান্তের মধ্যে শীর্ষে রয়েছে কুষ্টিয়া জেলা এবং দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে খুলনা জেলা। ২৪ ঘণ্টায় কুষ্টিয়ায় মারা গেছেন সর্বোচ্চ ১৮ জন, করোনা শনাক্ত হয়েছে ২৫৩ জনের। এ সময় খুলনা জেলায় মারা গেছেন ৯ জন, আক্রান্ত হয়েছেন ৪৬৯ জন। এছাড়া বাগেরহাটে মারা গেছেন ২ জন, আক্রান্ত ১০১, সাতক্ষীরায় মারা গেছেন ১ জন, আক্রান্ত ৭৯ জন, যশোরে মৃত্যু ২, আক্রান্ত ২২৬ জন, নড়াইলে মারা গেছেন ২ জন, আক্রান্ত ৫৪ জন, মাগুরায় মারা গেছেন ২ জন, আক্রান্ত ৪১ জন, ঝিনাইদহে মারা গেছেন ২ জন, আক্রান্ত ৭৩ জন, চুয়াডাঙ্গায় মারা গেছেন ৪ জন, আক্রান্ত ৮৫ জন এবং মেহেরপুরে মারা গেছেন ৪ জন ও আক্রান্ত হয়েছেন ৫৪ জন। 


আরও খবর



দেশে সর্বোচ্চ আক্রান্তের রেকর্ড, মৃত্যু ১৬৩

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৬ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৬ জুলাই ২০২১ | ১১১জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ১৬৩ জন এবং শনাক্ত হয়েছেন ১১ হাজার ৫২৫ জন। এটি এ যাবৎকালের সর্বোচ্চ শনাক্ত। গতকাল সোমবার সর্বোচ্চ শনাক্ত ছিল ৯ হাজার ৯৬৪ জন। সোমবার সর্বোচ্চ ১৬৪ জনের মৃত্যু হয়, অর্থাৎ আজ করোনায় দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সংক্ষক মানুষের মৃত্যু হলো।

মঙ্গলবার (৬ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, এখন পর্যন্ত দেশে মোট করোনা শনাক্ত হয়েছেন ৯ লাখ ৬৬ হাজার ৪০৬ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ১৫ হাজার ৩৯২ জনের। ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৫ হাজার ৪৩৩ জন এবং এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ৮ লাখ ৪৪ হাজার ৫১৫ জন।

স্বাস্থ্য অধিদফতর জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে ৩৮ হাজার ৩৯টি, অ্যান্টিজেন টেস্টসহ নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৩৬ হাজার ৬৩১টি। এখন পর্যন্ত ৬৭ লাখ ৯৪ হাজার ১৯৩টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্তের হার ৩১ দশমিক ৪৬ শতাংশ এবং এখন পর্যন্ত ১৪ দশমিক ২২ শতাংশ শনাক্ত হয়েছেন। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৮৭ দশমিক ৩৯ শতাংশ এবং মৃত্যু হার ১ দশমিক ৫৯ শতাংশ।

গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যুবরণকারীদের মধ্যে ৯৮ জন পুরুষ এবং নারী ৬৫ জন। এখন পর্যন্ত পুরুষ ১০ হাজার ৮৮৩ জন এবং নারী মৃত্যুবরণ করেছেন ৪ হাজার ৫০৯ জন।

২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়াদের বয়স বিশ্লেষণে দেখা যায়, ৬০ ঊর্ধ্ব ৯১ জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ২৯ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে ২৭ জন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে ১১ জন এবং ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে ৫ জন রয়ছেন।

বিভাগ বিশ্লেষণে দেখা যায়, মৃত্যুবরণকারীদের মধ্যে ঢাকা বিভাগে মারা গেছেন ৪৫ জন, চট্টগ্রামে ২৪ জন, রাজশাহীতে ২৪ জন, খুলনায় ৪৬ জন, বরিশালে ৬ জন, সিলেটে ২ জন, রংপুরে ১১ জন এবং ময়মনসিংহে ৫ জন রয়েছেন।

২৪ ঘণ্টায় সরকারি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেছেন ১২৬ জন। বেসরকারি হাসপাতালে ২৯ জন এবং বাসায় মারা গেছেন ৫ জন। হাসপাতালে মৃত অবস্থায় আনা হয়েছে ৩ জনকে।

 


আরও খবর



রাজশাহী মেডিকেলে করোনায় ২০ জনের মৃত্যু

প্রকাশিত:বুধবার ০৭ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ০৭ জুলাই ২০২১ | ৯৯জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের করোনা ইউনিটে ২৪ ঘণ্টায় আরও ২০ জনের মৃত্যু হয়েছে।

মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে বুধবার সকাল ৮টার মধ্যে তারা মারা যান।

হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামীম ইয়াজদানী জানান, নতুন করে আরও ২০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর আগে জুন মাসে করোনা ইউনিটে মারা গেছেন ৩৫৪ জন।

মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত এ হাসপাতালের করোনা ইউনিটে ভর্তি ছিলেন ৪৮৯ জন। হাসপাতালে মোট করোনা ডেডিকেটেড শয্যার সংখ্যা এখন ৪০৫টি।


আরও খবর