আজঃ বুধবার ০৪ আগস্ট ২০২১
শিরোনাম

‘আ.লীগ হীরার টুকরা, যতবার কেটেছে নতুন করে জ্যোতি ছড়িয়েছে’

প্রকাশিত:বুধবার ২৩ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ২৩ জুন ২০২১ | ১৬৪জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
দেশের রাজনৈতিক দল হিসেবে একমাত্র গণমানুষের দল আওয়ামী লীগ। একইসঙ্গে তিনি বলেন, সুশৃঙ্খল-শক্তিশালী দল রয়েছে বলেই তাঁর সরকার দেশের উন্নয়ন করতে পারছে

আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আওয়ামী লীগ তো হীরার টুকরা। যতবার কেটেছে ততবার আরও নতুন করে জ্যোতি ছড়িয়েছে। কাজেই এ সংগঠনকে ধ্বংস করার যে যতই চেষ্টা করুক, সেটা পারেনি, পারবে না।

আজ বুধবার বিকেলে রাজধানীর ২৩ বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলের ৭২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হয়ে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, দেশের রাজনৈতিক দল হিসেবে একমাত্র গণমানুষের দল আওয়ামী লীগ। একইসঙ্গে তিনি বলেন, সুশৃঙ্খল-শক্তিশালী দল রয়েছে বলেই তাঁর সরকার দেশের উন্নয়ন করতে পারছে। অগ্রাধিকার তালিকায় যারা দুই ডোজ করোনার টিকা নিয়েছেন তারাই এখন সমালোচনা করছেন।

আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের এ আলোচনা সভায় গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে শেখ হাসিনা জানান, দেশের সব সংগ্রাম আর উন্নয়ন-অগ্রগতিতে দলটির অবদানের কথা। বিশেষ করে বঙ্গবন্ধুর হাতে আওয়ামী লীগ কিভাবে সুসংগঠিত হয়ে ধীরে ধীরে দেশের স্বাধীনতার দিকে এগিয়ে যায় তা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, বরাবরই দেশের মানুষের জন্য কাজ করেছে তাঁর দল।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে স্বপরিবারে হত্যার পর আওয়ামী লীগকে ঢেলে সাজানোর কথা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগের নেতারা তখন অনেকে জেলে, আবার বেইমানি করে অনেকে যোগ দেয় মোস্তাকের সাথে। কার সাথে যোগাযোগ করব? জেল থেকে বের হওয়ার পর অনেকে যোগাযোগ করে। তখন আমাদের প্রতিজ্ঞা ছিল, এ বাংলাদেশকে আমার বাবা যে স্বপ্ন নিয়ে স্বাধীন করে দিয়ে গিয়েছিলেন, তাঁর যে স্বপ্ন, তাঁর যে চিন্তা, তাঁর যে আদর্শ, এটা কখনো ব্যর্থ হতে পারে না। কিন্তু এটাকে ব্যর্থ করার চেষ্টা করা হয়েছে। আওয়ামী লীগের নাম মুছতে চেষ্টা করা হয়েছে। আওয়ামী লীগ যখন সৃষ্টি হয়েছে, মুসলিম লীগ তখন ধ্বংস করার চেষ্টা করেছে। আইয়ুব খান ক্ষমতায় এসেছে, সেও আওয়ামী লীগকে ধ্বংস করার চেষ্টা করেছে। ইয়াহিয়া খান ক্ষমতায় এসেছে, সেও আওয়ামী লীগকে ধ্বংস করার চেষ্টা করেছে।

জাতির পিতার কন্যা শেখ হাসিনা বলেন, যখন ৭১ সালে গণহত্যা চালায়, তখনো লক্ষ্য ছিল আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী।  জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় এসে সেও আওয়ামী লীগকে ধ্বংস করার চেষ্টা করেছে। জেনারেল এরশাদ এসেও একই পথ অনুসরণ করেছে। আর খালেদা জিয়া এসে তো আরও এক ধাপ ওপরে।

আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা বলেন, ৯১ থেকে ৯৬ আর ২০০১ থেকে ২০০৬, কত মানুষকে তারা হত্যা করেছে! তাদের লক্ষ্য একটাই, আওয়ামী লীগকে শেষ করা। আবার যখন ইমার্জেন্সি দেওয়া হলো তখন আমাকেই অ্যারেস্ট করা হলো, কিন্তু কেন?

শেখ হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগ স্বাধীনতা এনেছে,  আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে এ দেশে গরিব-দুঃখী মানুষ তারা পেটে ভাত পায়, তারা মাথা গোজার ঠাঁই পায়, ঘর পায়, লেখাপড়ার সুযোগ পায়, এটা মনে হয় কিছু শ্রেণির মানুষের পছন্দ হয় না। সে জন্য আওয়ামী লীগকে ধ্বংস করার চেষ্টা চালায়। কিন্তু আমি আগেই বলেছি এ সংগঠন মাটি ও মানুষের থেকে উঠে এসেছে। এটা কোনো ক্ষমতা দখলকারীর সংগঠন না। মুসলিম লীগ সরকারের অন্যায়ের প্রতিবাদ করে এ সংগঠন উঠে এসেছে মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য নিয়ে। যে সংগঠন মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা করার লক্ষ্য নিয়ে গড়ে ওঠে, সেই সংগঠনকে এতো সহজে শেষ করে দেওয়া যায় না। হয়তো সাময়িক আঘাত আসে। আওয়ামী লীগের ওপর অনেক আঘাত আসছে। বহুবার আওয়ামী লীগ ভেঙে গেছে। আওয়ামী লীগের ভেতরের লোকেরাই তো আওয়ামী লীগকে ক্ষতি করার চেষ্টা করেছে। মওলানা ভাসানী প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, তিনি সবার আগে আওয়ামী লীগ ভেঙে চলে গেলেন ন্যাশনাল আওয়ামী লীগ পার্টি করতে। ঠিক এভাবে কত বার  আওয়ামী লীগ ভেঙেছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ৮১ সালে আমার অবর্তমানে সভাপতি নির্বাচিত করা হলো আওয়ামী লীগকে ঐক্যবদ্ধ রাখার জন্য। আমি প্রবাসে থাকতে যাকে বেশি সহযোগিতা করেছি তিনি আমাকে ছেড়ে সবার আগে চলে গেলেন, আমাদের আবদুর রাজ্জাক সাহেব। বারবার বললাম, আপনার যাওয়ার দরকার নাই, আপনি থাকেন। পার্টির সেক্রেটারি আপনি, থাকেন। না, সে পার্টি ভেঙে বাকশাল করল। এরপর ড. কামাল হোসেন যাকে আমরা রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচন করালাম, তাঁর নাম-ডাক হলো, আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বলে তাঁকে প্রচার করলাম। তখন তিনি বঙ্গবন্ধুর কেবিনেটের একজন মন্ত্রীর ছিলেন মাত্র, আমরা প্রচারের মাধ্যমেই তুলে ধরলাম তাঁকে, যিনি ভালো করে বাংলায় কথাও বলতে পারতেন না, তিনি ৯১ সালে পার্টি ভেঙে চলে গেলেন, আরেকটা পার্টি বানানোর চেষ্টা করলেন। প্রথমে আওয়ামী লীগেরই একটা করার চেষ্টা করলেন, পরে গণফোরাম করে চলে গেলেন। এভাবে বার বার আওয়ামী লীগের ওপর আঘাত এসেছে। তবে আমি বলব, আওয়ামী লীগ তো হীরার টুকরা। যতবার কেটেছে, ততবার আরও নতুন করে জ্যোতি ছড়িয়েছে। কাজেই এ সংগঠনকে ধ্বংস করার যে যতই চেষ্টা করুক, সেটা পারেনি, পারবে না। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আছে বলেই আজ বাংলাদেশ অর্থনৈতিকভাবে এগিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশ সামাজিক-সাংস্কৃতিক সব ভাবে বিশ্বে একটা মর্যাদা পেয়েছে।


আরও খবর



গণপরিবহনের ড্রাইভার ও হেলপারদের জন্য নতুন নির্দেশনা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৩ আগস্ট ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৩ আগস্ট ২০২১ | ১০৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
আগামী ১১ আগস্ট সীমিত আকারে গণপরিবহন চলবে। বাসের ড্রাইভার ও হেলপারদের নিজ নিজ ওয়ার্ড থেকে টিকা নেওয়ার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে

দেশে করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে চলমান কঠোর লকডাউনের মেয়াদ আরেক দফা বাড়ানো হয়েছে। আগামী ১০ আগস্ট পর্যন্ত বাড়ছে লকডাউন। মঙ্গলবার (৩ আগস্ট) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে করোনাভাইরাস পরিস্থিতি পর্যালোচনা সংক্রান্ত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা শেষে এ সিদ্ধান্তের কথা জানান মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক।

আগামী ১১ আগস্ট সীমিত আকারে গণপরিবহন চলবে। বাসের ড্রাইভার ও হেলপারদের নিজ নিজ ওয়ার্ড থেকে টিকা নেওয়ার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।

করোনার সংক্রমণ কমাতে সব ধরনের অফিস বন্ধ রেখে গত ১ থেকে ১৪ জুলাই পর্যন্ত কঠোর বিধিনিষেধ কার্যকর করে সরকার। এরপর কোরবানির ঈদের আগে গত ১৫ জুলাই থেকে আট দিনের জন্য সব বিধিনিষেধ তুলে নেওয়া হয়। গত ২৩ জুলাই থেকে ফের ১৪ দিনের কঠোর বিধিনিষেধ চলছে। শেষ ধাপের বিধিনিষেধের মধ্যে সব ধরনের শিল্প-কলকারখানা বন্ধ রাখা হলেও রবিবার থেকে রপ্তানিমুখী শিল্প-কারখানাগুলো খুলে দেওয়া হয়েছে।


আরও খবর



খুলনা বিভাগে করোনায় আরো ৩১ জনের মৃত্যু

প্রকাশিত:বুধবার ২৮ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ২৮ জুলাই ২০২১ | ৮৯জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

খুলনা বিভাগে করোনায় আক্রান্ত হয়ে কমেছে মৃত্যু ও শনাক্তের সংখ্যা। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত হয়ে বিভাগে আরও ৩১ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে শনাক্ত হয়েছে ৮৬৬ জনের। এ নিয়ে বিভাগে করোনা শনাক্তে সংখ্যা ৯০ হাজার ছাড়িয়েছে।

বুধবার (২৮ জুলাই) দুপুরে বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদফতর সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। এর আগে গতকাল মঙ্গলবার খুলনা বিভাগে ৪৬ জনের মৃত্যু এবং ১ হাজার ৪৩৫ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছিল।

স্বাস্থ্য পরিচালকের দফতর সূত্র জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় বিভাগের মধ্যে খুলনায় জেলায় সর্বোচ্চ ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া যশোরে ৬ জন, কুষ্টিয়ায় ৫জন, ঝিনাইদহে ৪ জন, মাগুরায় ৩ জন, চুয়াডাঙ্গায় ২জন, বাগেরহাট ও মেহেরপুরে একজন করে মারা গেছেন।

খুলনা বিভাগের মধ্যে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয় চুয়াডাঙ্গায় গত বছরের ১৯ মার্চ। করোনা সংক্রমণের শুরু থেকে বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত বিভাগের ১০ জেলায় মোট শনাক্ত হয়েছে ৯০ হাজার ৫৪৯ জন। আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ২ হাজার ২৯৪ জন। এছাড়া সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৬৫ হাজার ৪৬১ জন।


আরও খবর



কুষ্টিয়ায় ট্রাকের ধাক্কায় কলেজশিক্ষকসহ নিহত ২

প্রকাশিত:বুধবার ১৪ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ১৪ জুলাই ২০২১ | ৮৯জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

কুষ্টিয়ার মধুপুরে রডবোঝাই ট্রাকের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের সহযোগী অধ্যাপক শফিউল আজম ও তার মামাতো ভাই এনামুল ইসলাম নিহত হয়েছেন।

বুধবার সকাল ৭টার সময় কুষ্টিয়া-ঝিনাইদহ মহাসড়কের মধুপুর কলার হাটের সন্নিকটে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

শফিউল আজম কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার আমলা ইউনিয়নের খয়েরপুর বাজারপাড়া এলাকার মৃত ফজলুল হকের ছেলে এবং এনামুল ইসলাম একই ইউনিয়নের চরপাড়া এলাকার আব্দুল গনি মণ্ডলের ছেলে।

কুষ্টিয়া হাইওয়ে পুলিশের এসআই আব্দুল খালেক জানান, সকাল ৭টার দিকে দুজন মোটরসাইকেলে ঝিনাইদহ থেকে কুষ্টিয়ায় যাচ্ছিলেন।

পথিমধ্যে মধুপুর কলার হাটের কাছে পৌঁছলে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি রডবোঝাই লং ট্রাকের সঙ্গে ধাক্কা লাগে। এতে ঘটনাস্থলেই মোটরসাইকেলচালক এনামুল ইসলামের মৃত্যু হয়। এ সময় স্থানীয়রা গুরুতর আহতাবস্থায় শফিউল আজমকে দ্রুত উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে পরে তিনিও মারা যান।


আরও খবর



আফগান সেনা অভিযানে ১৩১ তালেবান নিহত

প্রকাশিত:রবিবার ০১ আগস্ট ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ০১ আগস্ট ২০২১ | ৬৪জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

আফগানিস্তানে গত ২৪ ঘণ্টায় বিভিন্ন প্রদেশে অভিযান চালিয়েছে সেনাবাহিনী। অভিযানে বিদেশি জঙ্গিসহ ১৩১ তালেবান সদস্য নিহত হয়েছে। বিষয়টি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সূত্রে কাবুল থেকে নিশ্চিত করেছে আইআরআইবি।

মন্ত্রণালয় বলেছে, আফগানিস্তানের আটটি প্রদেশে বিশেষ করে কান্দাহার, হেরাত ও গজনিতে ২৪ ঘণ্টার অভিযানে এসব তালেবান সদস্য ও অপর ৬২ জন আহত হয়েছে। সেনাবাহিনীর অভিযানে তালেবানের কয়েকটি মাইন ফিল্ড শনাক্ত ও ধ্বংস করা হয়েছে। আফগানিস্তানের বাদাখান প্রদেশে তালেবানের পক্ষে লড়াই করা দুই চেচেন নাগরিককেও হত্যা করা হয়েছে বলে দাবি করেছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।

আফগান বার্তা সংস্থা আওয়ার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শনিবার বাদাকশান প্রদেশের ইয়াওয়ান জেলায় এক বিমান হামলায় অন্তত ২১ তালেবান সদস্যের প্রাণহানি হয়েছে। এদের মধ্যে তিনজন কমান্ডার ও দুজন চেচেন নাগরিক।

এদিকে দেশটির উত্তরাঞ্চলীয় তাখার প্রদেশের নিরাপত্তা সূত্রগুলো জানিয়েছে, প্রদেশটির ২০টি গ্রাম থেকে সেনাবাহিনীরা তালেবানদের হটিয়েছে। তাখার প্রদেশের তালিকান শহরে গত কয়েকদিন ধরেই তালেবান-আফগান সেনাবাহিনীর মধ্যকার লড়াই হয়েছে।



আরও খবর
ভারতে আবারও বেড়েছে মৃত্যু

বুধবার ০৪ আগস্ট ২০২১




আগামী ৮ দিনের জন্য যেসব নির্দেশনা মানতে হবে

প্রকাশিত:বুধবার ১৪ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ১৪ জুলাই ২০২১ | ১২৪জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
মাঠ পর্যায়ে কার্যকর টহল নিশ্চিত করার জন্য সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ প্রয়োজনীয় সংখ্যক সেনা মোতায়েন করবে। জেলা ম্যাজিস্ট্রেট স্থানীয় সেনা কমান্ডারের সঙ্গে যোগাযোগ করে

আজই (বুধবার) শেষ হতে যাচ্ছে চলমান বিধিনিষেধ। আগামী ৮ দিনের জন্য (১৫-২৩ জুলাই) শিথিল হওয়া এ বিধিনিষেধে পরিপালনে নতুন করে কিছু নির্দেশনা দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

বুধবার (১৪ জুলাই) সরকারি এক তথ্য বিবরণীতে বলা হয়, আজ মধ্যরাত থেকে ২৩ জুলাই সকাল ৬টা পর্যন্ত আগের দেওয়া বিধিনিষেধ শিথিল করা থাকলেও করোনা সংক্রমণ বিস্তার রোধকল্পে এ সময়ে সর্বাবস্থায় মাস্ক পরিধানসহ স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে অনুসরণ করে সব কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে। এসময়ে পর্যটন কেন্দ্র, রিসোর্ট, কমিউনিটি সেন্টার ও বিনোদন কেন্দ্রে গমন ও জনসমাবেশ হয় এ ধরনের সামাজিক অনুষ্ঠান যেমন: বিবাহোত্তর অনুষ্ঠান, জন্মদিন, পিকনিক, পার্টি ইত্যাদি এবং রাজনৈতিক ও ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পরিহার করতে হবে।

এর আগে মঙ্গলবার (১৩ জুলাই) দুপুরে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, আগামী ১৪ জুলাই (বুধবার) মধ্যরাত থেকে ২৩ জুলাই (শুক্রবার) সকাল ৬টা পর্যন্ত সব বিধিনিষেধ শিথিল করেছে সরকার। তবে ঈদুল আজহার পর আগামী ২৩ জুলাই সকাল ৬টা থেকে ৫ আগস্ট (বৃহস্পতিবার) দিবাগত রাত ১২টা পর্যন্ত কঠোর বিধিনিষেধ থাকবে।

২৩ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট মানতে হবে যেসব বিধিনিষেধ

১. সব সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিস বন্ধ থাকবে।

২. সড়ক, রেল ও নৌপথে গণপরিবহন (অভ্যন্তরীণ বিমানসহ) ও সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকবে।

৩. শপিংমল/মার্কেটসহ সব দোকানপাট বন্ধ থাকবে।

৪. সব পর্যটন কেন্দ্র, রিসোর্ট, কমিউনিটি সেন্টার ও বিনোদন কেন্দ্র বন্ধ থাকবে।

৫. সব ধরনের শিল্প-কলকারখানা বন্ধ থাকবে।

৬. জনসমাবেশ হয় এ ধরনের সামাজিক [বিবাহোত্তর অনুষ্ঠান (ওয়ালিমা), জন্মদিন, পিকনিক, পার্টি ইত্যাদি], রাজনৈতিক ও ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান বন্ধ থাকবে।

৭. বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট আদালতের বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জারি করবে।

৮. ব্যাংকিং/বিমা/আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক/আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জারি করবে।

৯. সরকারি কর্মচারীরা নিজ নিজ কর্মস্থলে অবস্থান করবেন এবং দাপ্তরিক কাজ ভার্চুয়ালি (ই-নথি, ই-মেইল, এসএমএস, হোয়াটসঅ্যাপসহ অন্যান্য মাধ্যম) সম্পন্ন করবেন।

১০. আইনশৃঙ্খলা এবং জরুরি পরিষেবা, যেমন-কৃষি পণ্য ও উপকরণ (সার, বীজ, কীটনাশক, কৃষি যন্ত্রপাতি ইত্যাদি), খাদ্যশস্য ও খাদ্যদ্রব্য পরিবহন/বিক্রয়, ত্রাণ বিতরণ, স্বাস্থ্য সেবা, কোভিড-১৯ টিকা প্রদান, জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) প্রদান কার্যক্রম, রাজস্ব আদায় সম্পর্কিত কার্যাবলী, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস/জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, টেলিফোন ও ইন্টারনেট (সরকারি-বেসরকারি), গণমাধ্যম (প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া), বেসরকারি নিরাপত্তা ব্যবস্থা, ডাক সেবা, ব্যাংক, ভিসা সংক্রান্ত কার্যক্রম, সিটি করপোরেশন/পৌরসভা (পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, সড়কের বাতি ব্যবস্থাপনা ইত্যাদি কার্যক্রম), সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি, ফার্মেসি ও ফার্সাসিউটিক্যালসসহ অন্যান্য জরুরি/অত্যাবশ্যকীয় পণ্য ও সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অফিসসমূহের কর্মচারী ও যানবাহন প্রাতিষ্ঠানিক পরিচয়পত্র প্রদর্শন সাপেক্ষে যাতায়াত করতে পারবে।

১১. বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তার কার্যালয় খোলা রাখার বিষয়ে অর্থ বিভাগ প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করবে।

১২. জরুরি পণ্য পরিবহনে নিয়োজিত ট্রাক/লরি/কাভার্ড ভ্যান/নৌযান/পণ্যবাহী রেল/ফেরি এ নিষেধাজ্ঞার আওতাবহির্ভূত থাকবে।

১৩. বন্দরগুলো (বিমান, সমুদ্র, নৌ ও স্থল) এবং তৎসংশ্লিষ্ট অফিস এ নিষেধাজ্ঞার আওতাবহির্ভূত থাকবে।

১৪. কাঁচাবাজার এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত স্বাস্থ্যবিধি মেনে ক্রয়-বিক্রয় করা যাবে। সংশ্লিষ্ট বাণিজ্য সংগঠন/বাজার কর্তৃপক্ষ/স্থানীয় প্রশাসন বিষয়টি নিশ্চিত করবে।

১৫. অতি জরুরি প্রয়োজন ব্যতীত (ওষুধ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি ক্রয়, চিকিৎসা সেবা, মৃতদেহ দাফন/সৎকার ইত্যাদি) কোনোভাবেই বাড়ির বাইরে বের হওয়া যাবে না। নির্দেশনা অমান্যকারীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

১৬. টিকা কার্ড প্রদর্শন সাপেক্ষে টিকা গ্রহণের জন্য যাতায়াত করা যাবে।

১৭. খাবারের দোকান, হোটেল-রেস্তোরাঁ সকাল ৮টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খাবার বিক্রয় (অনলাইন/টেকওয়ে) করতে পারবে।

১৮. আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালু থাকবে এবং বিদেশগামী যাত্রীরা তাদের আন্তর্জাতিক ভ্রমণের টিকিট/প্রমাণ প্রদর্শন করে গাড়ি ব্যবহারপূর্বক যাতায়াত করতে পারবেন।

১৯. স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে মসজিদে নামাজের বিষয়ে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় নির্দেশনা দেবে।

২০. আর্মি ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার বিধানের আওতায় মাঠ পর্যায়ে কার্যকর টহল নিশ্চিত করার জন্য সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ প্রয়োজনীয় সংখ্যক সেনা মোতায়েন করবে। জেলা ম্যাজিস্ট্রেট স্থানীয় সেনা কমান্ডারের সঙ্গে যোগাযোগ করে বিষয়টি নিশ্চিত করবেন।

২১. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জেলা পর্যায়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিয়ে সমন্বয় সভা করে সেনাবাহিনী, বিজিবি/কোস্টগার্ড, পুলিশ, র‌্যাব ও আনসার নিয়োগ ও টহলের অধিক্ষেত্র, পদ্ধতি ও সময় নির্ধারণ করবেন। সে সঙ্গে স্থানীয়ভাবে বিশেষ কোনও কার্যক্রমের প্রয়োজন হলে সে বিষয়ে পদক্ষেপ নেবেন। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়/বিভাগ এ বিষয়ে মাঠ পর্যায়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করবে।

২২. জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় মাঠ পর্যায়ে প্রয়োজনীয় সংখ্যক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের বিষয়টি নিশ্চিত করবে।

২৩. সংক্রামক রোগ (প্রতিরোধ, নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূল) আইন, ২০১৮-এর আওতায় স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক ব্যবস্থা নিতে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ বাহিনীকে আইনানুগ কার্যক্রম গ্রহণের প্রয়োজনীয় ক্ষমতা প্রদান করবেন।


আরও খবর