আজঃ সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

আমদানিতেও ভোক্তার জন্য সুসংবাদ নেই আলু-পেঁয়াজে

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৯ নভেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৯ নভেম্বর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

প্রতিকেজি আলু এখনো ৫০-৬০ টাকা দরে কিনতে হচ্ছে ভোক্তাকে। পাশাপাশি পেঁয়াজের দাম গুনতে হচ্ছে সর্বোচ্চ ১৫০ টাকা। যদিও ৫৫ দিন আগে (১৪ সেপ্টেম্বর) সরকার কেজিপ্রতি আলু ও পেঁয়াজের দাম বেঁধে দিয়েছিল সর্বোচ্চ ৩৫-৩৬ ও ৬৪-৬৫ টাকা। সরকারের সিদ্ধান্ত কাগজে-কলমেই থেকে গেছে। বাড়তি দরে এসব নিত্যপণ্য কিনতে হচ্ছে এখনো ক্রেতাকে। এরই মধ্যে আলু আমদানি শুরু হয়েছে।

ধারণা করা হচ্ছিল, হয়তো এরপর বাজার সহনীয় হবে। কিন্তু কোনো কাজ হচ্ছে না। অন্যদিকে আগ থেকেই পেঁয়াজ আমদানি হলেও তারও কোনো প্রভাব নেই বাজারে। তবে রাজধানীর খুচরা বাজারে শীতের সবজির সরবরাহ কিছুটা বাড়ায় দাম কমতে শুরু করেছে। রাজধানীর একাধিক খুচরা বাজার ঘুরে এবং ক্রেতা ও বিক্রেতার সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে।

চলতি বছরের জুন থেকেই আলুর বাজারে অস্থিরতা শুরু হয়। আগস্টের শেষে প্রতিকেজি আলু ৪০ টাকা বিক্রি হলেও সেপ্টেম্বরে ৪৫ টাকায় ঠেকে। আলুর দাম ৩৫-৩৬ টাকা বেঁধে দেওয়ার প্রভাব বাজারে পড়েনি আজও। অক্টোবর মাসের শেষদিকে আলুর কেজি ৬০-৬৫ টাকায় ওঠে। কোথাও আবার ৭০ টাকাও ক্রেতাকে কিনতে হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে ৩০ অক্টোবর আলু আমদানির সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। ৪ দিন ধরে দেশের বাজারে আমদানি করা আলু বিক্রি হচ্ছে। এতে দাম যৎসামান্য কমলেও সরকার নির্ধারিত দামে আলু পাওয়া যাচ্ছে না।

বৃহস্পতিবার খুচরা বাজারে কেজিপ্রতি ৫০-৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সেক্ষেত্রে সরকারের নির্ধারিত দরের চেয়ে বাজারে ক্রেতার ১৫-২৪ টাকা বেশি খরচ করতে হচ্ছে। অন্যদিকে চলতি বছরের মার্চে পেঁয়াজের কেজি ছিল ৩০ টাকা। মে মাসে বেড়ে দাঁড়ায় ৫৫ টাকা।

পরিস্থিতি এমন যে, এই পেঁয়াজই ব্যবসায়ীরা কারসাজি করে ১০০-১১০ টাকা দরে বিক্রি করে। মূল্য কারসাজি রোধে ১৪ সেপ্টেম্বর কিছুটা মূল্য কমিয়ে প্রতিকেজি দেশি পেঁয়াজের দাম ৬৪-৬৫ টাকা নির্ধারণ করার পরও সে সময় বাজারে প্রতিকেজি পেঁয়াজ ১০০ টাকায় বিক্রি হয়। পরে দেশের বাজারে পেঁয়াজের সরবরাহ ও দাম সহনীয় রাখতে রপ্তানিতে প্রতি টন ৮০০ ডলার মূল্য বেঁধে দেয় ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার। তবে আমদানি মূল্য ঘোষণার পরপরই ফের দেশে কারসাজি করে বাড়ানো হয় দাম।

বৃহস্পতিবার খুচরা বাজারে কেজিপ্রতি দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হয় ১৪০-১৫০ টাকায়। আর আমদানি করা ভারতীয় পেঁয়াজ বিক্রি হয় ১২০ টাকায়। ফলে সরকারের নির্ধারিত দামের তুলনায় ক্রেতাকে প্রতিকেজি পেঁয়াজ কিনতে সর্বোচ্চ ৮৫ টাকা বেশি গচ্চা দিতে হচ্ছে।

বাজার পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছে কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব)। সংগঠনের সভাপতি গোলাম রহমান বলেন, দেশে আমদানি করা আলু আসতে শুরু করেছে। তবে এখনো সরকার নির্ধারিত দামে বিক্রি হচ্ছে না। পাশাপাশি পেঁয়াজের দাম বাড়তি। তবে ভারত যেদিন প্রতিটন পেঁয়াজের আমদানি মূল্য ৮০০ ডলার নির্ধারণ করে, সেদিনই দেশে কীভাবে হুহু করে দাম বেড়ে যায়? এ বিষয়ে তদারকি সংস্থার জোরালো ভূমিকা পালন করা দরকার ছিল। সেটা না করায় ক্রেতারা পণ্য কিনে ঠকছেন।

রাজধানীর মালিবাগ কাঁচাবাজারে নিত্যপণ্য কিনতে আসা মো. ইকরামুল হক আক্ষেপ নিয়ে বলেন, বাজারে এক প্রকার নৈরাজ্য চলছে। বিক্রেতারা পণ্যের সরবরাহ কমার অজুহাতে যে যার মতো পণ্যের দাম বাড়াচ্ছে। আবার সরবরাহ বেড়েছে বলে দাম কমাচ্ছে। কিন্তু দেখা যাচ্ছে বাজারে সরবরাহ সব সময় পর্যাপ্ত থাকে। বিক্রেতারা আমদানিকারক বা উৎপাদনে জড়িতদের কারসাজি করে দাম বাড়ায়। একটি নির্ধারিত সময় দাম বাড়িয়ে ক্রেতার পকেট থেকে হাজারো কোটি টাকা অবৈধভাবে নিয়ে নেয়।

এদিকে রাজধানীর খুচরা বাজারে শীতের সবজির সরবরাহ বাড়ায় দাম কেজিতে ১০-২০ টাকা কমেছে। এতে ক্রেতাসাধারণের কিছুটা হলেও স্বস্তি ফিরলেও রাজধানীর একেক বাজারে একেক দামে বিক্রি হচ্ছে। রাজধানীর কাওরান বাজারের খুচরা পর্যায়ে প্রতিপিস ফুলকপি ও কাঁধাকপি ৪০-৫০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে। তবে রাজধানীর নয়াবাজার ও রায়সাহেব কাঁচাবাজারে বিক্রি হয়েছে ৫০-৬০ টাকা। যা ৭ দিন আগে ৬০-৭০ টাকা ছিল। তবে রামপুরা খুচরা বাজারে প্রতিপিস ফুলকপি ও বাঁধাকপি আকারভেদে ৬০-৬৫ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে।

রাজধানীর কাওরান বাজারে প্রতিকেজি বেগুন ৭০-৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। যা সাত দিন আগে বিক্রি হয়েছে ১০০ টাকায়। তবে রামপুরা বাজার, মালিবাগ কাঁচাবাজারে ৮০-১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পাশাপাশি নয়াবাজারে প্রতিকেজি শিম বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকায়। যা ৭ দিন অগেও ১২০ টাকা ছিল। তবে মালিবাগ ও রামপুরা বাজারে এই শিম বিক্রি হচ্ছে ১০০-১১০ টাকা।

রাজধানীর খুচরা বাজার ঘুরে বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, প্রতিকেজি করলা বিক্রি হচ্ছে ৬০-৭০ টাকায়। পাশাপাশি ধুন্দুল, ঝিঙে ও কচুমুখির কেজি একই টাকায় বিক্রি হচ্ছে। যা সাত দিন আগে ৮০-৯০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। এছাড়া প্রতিকেজি মুলা ৫০ টাকা ও পেঁপের কেজি ৩০-৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া প্রতিকেজি কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে ১৫০-২০০ টাকা, যা সাত দিন আগেও ২০০-২৫০ টাকা ছিল। খুচরা বাজারে প্রতিকেজি টমেটো, গাজর ও বরবটি বিক্রি হচ্ছে ৯০-১০০ টাকা।

নিউজ ট্যাগ: আলু-পেঁয়াজ

আরও খবর
২৪ দিনে প্রবাসী আয় ১৮ হাজার কোটি টাকা

রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




নিষিদ্ধ পলিথিন ব্যবহার, আড়াই হাজার মামলা

প্রকাশিত:বুধবার ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক মন্ত্রী সাবের হোসেন চৌধুরী বলেছেন, নিষিদ্ধ ঘোষিত পলিথিন উৎপাদন ও ব্যবহারের অপরাধে চার বছরে আড়াই হাজার মামলা হয়েছে। আজ (মঙ্গলবার) জাতীয় সংসদে এমপি নূর উদ্দিন চৌধুরী নয়নের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।

সাবের হোসেন চৌধুরী বলেন, ২০১৯ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৩ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট দুই হাজার ৫১৬টি অভিযান পরিচালনা করে চার হাজার ২০৭টি মামলায় ছয় কোটি ১৭ লাখ ৮৭ হাজার ২৫০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। এ ঘটনায় ১৭০ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং দুই হাজার ৭১ দশমিক ৩৭ মেট্রিক টন পলিথিন, দানা ও কাঁচামাল জব্দ করা হয়েছে। এ ছাড়া ১৬টি নিয়মিত মামলা করা হয়েছে। জনসচেতনতা বাড়াতে নানাবিধ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সাবের হোসেন চৌধুরী বলেন, বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে পরিবেশের ওপর প্লাস্টিক পণ্যের বিরূপ প্রভাব নিয়ন্ত্রণে প্লাস্টিক পণ্যের পরিবর্তে পরিবেশবান্ধব পচনশীল প্লাস্টিকের ব্যবহার প্রচলনের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ইতোমধ্যে সরকার কর্তৃক কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিধিমালা-২০২১ প্রণয়ন করা হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিধিমালা-২০২১-এ মৌলনীতি হিসেবে ফাইভ-আর (রিফিউস, রিডিউস, রিইউস, রিসাইকেল, রিকোভারি) পলিসি নেওয়া হয়েছে। সিঙ্গেল ইউজ প্লাস্টিকের ব্যবহার বন্ধে হাইকোর্টের আদেশের প্রেক্ষিতে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় ২০২১ সালের বিগত ২১ জুন উপকূলীয় অঞ্চলের ১২ জেলার ৪০টি উপজেলাকে কোস্টাল এরিয়া হিসেবে চিহ্নিত করে ওই এলাকায় সিঙ্গেল ইউজ প্লাস্টিকের ব্যবহার বন্ধে তিন বছর মেয়াদি কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়েছে। পলিথিনের ক্ষতিকর দিক বিবেচনায় সরকার ইতোমধ্যে পরিবেশ বিনষ্টকারী পলিথিনের উৎপাদন ও বিপণন কার্যের এবং ব্যবহার বন্ধে বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন-১৯৯৫-এ বিধি নিষেধ আরোপ করেছে।


আরও খবর



ইতালি গেলেন বিমান বাহিনী প্রধান

প্রকাশিত:রবিবার ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
প্রেস বিজ্ঞপ্তি

Image

বাংলাদেশ বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চীফ মার্শাল শেখ আব্দুল হান্নান, বিবিপি, বিইউপি, এনএসডব্লিউসি, এফএডব্লিউসি, পিএসসি তিনজন সফরসঙ্গীসহ এক সরকারি সফরে ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, রবিবার ইতালির উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করেন।

বাংলাদেশ বিমান বাহিনী প্রধান ইতালির সামরিক সরঞ্জামাদি প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান লিওনার্দো এস.পি.এ এর আমন্ত্রণে ১৯-২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ তারিখ ইতালি সফর করবেন। সফরকালে তিনি রোমে অবস্থিত লিওনার্দো সদর দপ্তরসহ, ইলেকট্রনিক্স ডিভিশন, ইউএভি প্রোডাকশন ফ্যাসিলিটিজ এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা পরিদর্শন করবেন। এছাড়াও বিমান বাহিনী প্রধান লিওনার্দো এস.পি.এ এর উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাগণের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ এবং দ্বিপাক্ষিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে মতবিনিময় করবেন।

বিমান বাহিনী প্রধান উক্ত সরকারি সফর শেষে ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ তারিখে বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তন করবেন।


আরও খবর



গৃহবধূ হত্যা: স্বামী, শ্বশুর-শাশুড়ি ও দেবর গ্রেপ্তার

প্রকাশিত:শনিবার ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
Image

তালতলী(বরগুনা)প্রতিনিধি:

বরগুনার তালতলীতে নিখোঁজের দুইদিন পরে এক গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় ওই গৃহবধূর মা বাদী হয়ে অজ্ঞাত আসামি করে থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। এই মামলায় স্বামী, শ্বশুর-শাশুড়ি ও দেবরকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শনিবার(৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুর আড়াইটার দিকে আসামীদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। এর আগে গতকাল রাতে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাদের থানায় নেওয়া হয়। জিজ্ঞাসাবাদে হত্যার সাথে সম্পৃক্ত থাকায় পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার দেখায়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেনস্বামী হাসান (২১), শশুর সাইফুল সরদার (৪৫), শাশুড়ি ময়না বেগম(৪০) ও স্বামীর ফুফাত ভাই আবদুল(৩০)।

জানা যায়, গত ৩১ জানুয়ারি সন্ধ্যার পরে উপজেলার ছোটবগী ইউনিয়নের চরপাড়া এলাকার শশুর বাড়ির কাজ শেষে গৃহবধূ সুখি (২০) নিজ কক্ষে চলে যায়। এরপর তার আর কোন সন্ধ্যান পাওয়া যায়নি। সকালে পরিবারের লোকজন আত্মীয় স্বজনদের কাছে খোঁজ করেও তার কোন সন্ধ্যান পায়নি। দুইদিন পরে গতকাল শুক্রবার (২ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১ টার দিকে নিহতের শশুর বাড়ির অদুরে ওয়াপদা রাস্তার পাশে মরদেহটি পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেয় স্থানীয়রা। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বেলা ১২ টার দিকে মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বরগুনা সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে। নিহতের শরীরে আঘাতের বেশ কয়েকটি চিহ্ন পাওয়া গেছে এবং নাক-মুখ দিয়ে রক্ত বের হয়েছে বলে জানান পুলিশ। পরে শুক্রবার রাতেই গৃহবধূর মা ফাতেমা বেগম বাদী হয়ে অজ্ঞাত আসামীদের বিরুদ্ধে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এর পরে স্বামী, শ্বশুর-শাশুড়ি ও দেবরকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে আসে পুলিশ। পরে তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদে প্রাথমিকভাবে এই হত্যার সঙ্গে সম্পৃক্ততা থাকায় শনিবার দুপুরে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়।

তালতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. শহিদুল ইসলাম খান বলেন, গৃহবধুর মা বাদী হয়ে থানায় একটি মামলা করেন। সেখানে কোন আসামিদের নাম উল্লেখ করেনি। পরে সন্দেহভাজন হিসেবে স্বামী শ্বশুর-শাশুড়ি ও দেবরকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য থানায় নিয়ে আসা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে এই হত্যাকাণ্ডের সাথে সম্পৃক্ততা থাকায় ঐ মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।


আরও খবর
ঝিনাইদহ জেলা কারাগারে কয়েদির মৃত্যু

সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




জাবিতে ধর্ষণের ঘটনায় ‘নিপীড়ন বিরোধী মঞ্চের’ বিক্ষোভ

প্রকাশিত:বুধবার ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

Image

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) দম্পতিকে ডেকে এনে স্বামীকে আটকে রেখে ধর্ষণের ঘটনায় টানা চতুর্থ দিনের মতো প্রতিবাদ অব্যাহত রেখে বিক্ষোভ মিছিল করেছে নিপীড়ন বিরোধী মঞ্চ

বুধবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর দুইটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মুরাদ চত্বর থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু করেন তারা। মিছিলটি রেজিস্ট্রার ভবনের সামনে গিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মধ্য দিয়ে শেষ হয়।

মিছিলে মোস্তাফিজ-জনি ভাই ভাই, ক্যাম্পাসে ওদের ঠাঁই নাই ধর্ষকদের ফাঁসি চাই, অছাত্রদের বহিষ্কার করো ধর্ষণের পৃষ্ঠপোষক, রাজনীতিকে প্রতিহত করো সহ বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে দেখা যায়।

এসময় তারা নিপীরণ মুক্ত ক্যাম্পাস নিশ্চিত ও দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে ৪ দফা দাবি তুলে ধরেন। তাদের দাবিগুলো হলো-ধর্ষণকাণ্ডে জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত, মেয়াদোত্তীর্ণ অঝছাত্রদের হল থেকে বের করে গণরুম বিলুপ্ত, যৌন নিপীড়ক শিক্ষক মাহমুদুর রহমান জনির বিচার নিষ্পত্তি ও ধর্ষণ ঘটনায় সহায়তাকারী প্রক্টর ও মীর মশাররফ হোসেন হলের প্রভোস্টের অপরাধ তদন্ত করে তাদের প্রশাসনিক পদ থেকে অব্যাহতি প্রদান।

ছাত্র ইউনিয়ন জাবি সংসদের আহ্বায়ক আলিফ মাহমুদ বলেন, চার দফা দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত নিপীড়ন বিরোধী মঞ্চের আন্দোলন চলমান থাকবে। প্রোভোস্ট এবং প্রক্টরকে অব্যাহতি দিতে হবে। জাবির শিক্ষার্থী এবং শিক্ষকদের দীর্ঘদিনের যে দাবি মাহমুদুর রহমান জনির বিচার তা কার্যকর হলে নিপীড়নের বিরুদ্ধে জাহাঙ্গীরনগরের যে ঐতিহাসিক অবস্থান তা দেশের কাছে পরিস্ফুটিত হবে। মাহমুদুর রহমান জনির এজেন্ডা উত্থাপন ব্যতিত আজকের মত আর কোনো সিন্ডিকেট সভা আমরা অনুষ্ঠিত হতে দিবো না।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক আনিসা পারভীন জলি বলেন, আজকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি সিন্ডিকেট সভা ছিল, কিন্তু আপনারা হয়তো জানেন না কেন সিন্ডিকেট সভা স্থগিত হয়েছে। আমি উপাচার্যের কাছে প্রশ্ন রাখতে চাই, আপনি যৌন নিপীড়ক শিক্ষক মাহমুদুর রহমান জনিকে কেন সাময়িক বহিষ্কার করেন নি। আপনি চাইলেই পারতেন তাকে সাময়িক বহিষ্কার করতে। কিন্তু আমরা ধরে নিচ্ছি আপনি তাকে ভয় পান, কারণ তিনি একটা ছাত্রসংগঠনের সভাপতি ছিলেন । এজন্য এখন পর্যন্ত তাকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয় নি। ধর্ষক মোস্তাফিজের পালিয়ে যেতে যারা সাহায্য করেছে, তার দায় প্রক্টর এড়াতে পারেন না। অথচ প্রক্টরের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি, আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।


আরও খবর
ঝিনাইদহ জেলা কারাগারে কয়েদির মৃত্যু

সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ বাতাস নিয়ে দূষণে দ্বিতীয় ঢাকা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

বিশ্বে দূষিত শহরের তালিকায় সম্প্রতি প্রায় প্রতিদিনই শীর্ষ তিনের মধ্যে থাকছে ঢাকার নাম। আজও দূষণের তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে ঢাকা। মঙ্গলবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৮টা ১০ মিনিটে বায়ুমানের সূচক (একিউআই) অনুযায়ী ঢাকায় বাতাসের মান ছিল ২৩২ স্কোর। বায়ুর মান বিচারে এ মাত্রাকে খুব অস্বাস্থ্যকর বলা হয়।

এ ছাড়া স্কোর ২৬৬ নিয়ে প্রথম স্থানে রয়েছে ভারতের দিল্লি। ২১১ স্কোর নিয়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছে ভারতের মুম্বাই। ২০২ স্কোর নিয়ে চতুর্থ স্থানে রয়েছে পাকিস্তানের লহোর এবং ১৭৮ স্কোর নিয়ে পঞ্চম স্থানে পাকিস্তানের আরেক শহর করাচি।

তথ্যমতে, একিউআই স্কোর ১০১ থেকে ২০০ এর মধ্যে থাকলে অস্বাস্থ্যকর, ২০১ থেকে ৩০০ এর মধ্যে থাকলে খুব অস্বাস্থ্যকর এবং স্কোর ৩০১ থেকে ৪০০ এর মধ্যে থাকলে ঝুঁকিপূর্ণ বলে বিবেচিত হয়।

ঢাকায় বায়ুদূষণের জন্য ইটভাটা, যানবাহনের ধোঁয়া ও নির্মাণ সাইটের ধুলোকে দায়ী করে আসছেন বিশেষজ্ঞরা। ভয়াবহ এই দূষণের ফলে গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। এটা সব বয়সী মানুষের জন্য ক্ষতিকর। বিশেষ করে শিশু, অসুস্থ ব্যক্তি, প্রবীণ ও অন্তঃসত্ত্বাদের জন্য বায়ুদূষণ খুবই ক্ষতিকর।

নগর পরিকল্পনাবিদ অধ্যাপক ড. আদিল মুহাম্মদ খান বলেন, ঢাকার বায়ু দূষণ ধারাবাহিকভাবেই উদ্বেগজনক। বায়ুদূষণের অনেক উৎসের মধ্যে ইদানীং নির্মাণযজ্ঞও উঠে এসেছে। ভবন বা অবকাঠামো নির্মাণে আদর্শ মান মানা হয় না। সরকারি ও বেসরকারি সব উন্নয়নকাজ উন্মুক্তভাবেই করা হচ্ছে।


আরও খবর
খাতনা করার আগে-পরে যেসব বিষয় জানা জরুরি

সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

নারীর জন্য প্রয়োজনীয় পাঁচ ভিটামিন

রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪