আজঃ মঙ্গলবার ২৩ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম

আমরা ক্ষমতাকে জনগণের সেবা করার সুযোগ হিসেবে দেখি : প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৩ মার্চ 20২৩ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৩ মার্চ 20২৩ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, তার সরকার ক্ষমতাকে জনগণের সেবা করার সুযোগ হিসেবে দেখে। তিনি ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত, সমৃদ্ধ ও স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে তার অটল অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

তিনি বলেন, ‘আমরা ক্ষমতাকে জনগণের সেবা করার সুযোগ হিসেবে দেখি। অনেক বাধা-বিপত্তি মোকাবিলা করে ২০০৮ সালের সাধারণ নির্বাচনে জয়লাভ করে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর থেকে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকায় দেশের উন্নয়ন করা সম্ভব হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বৃহস্পতিবার ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জাতীয় পর্যায়ে নিজ নিজ ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ নয় বিশিষ্ট ব্যক্তি ও একটি প্রতিষ্ঠানকে সর্বোচ্চ জাতীয় বেসামরিক পুরস্কার স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৩ তুলে দেন।

তিনি বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির জনক ও তার পরিবারের অধিকাংশ সদস্যকে হত্যার পর গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় বারবার বাধাগ্রস্ত হয় এবং স্থিতিশীলতার অভাবের কারণে বাংলাদেশ এর আগে খুব একটা অগ্রগতি দেখতে পায়নি।

দেশের সার্বিক উন্নয়নে তার সরকারের সময়োপযোগী ও সুপরিকল্পিত পদক্ষেপের সংক্ষিপ্ত বর্ণনা দিয়ে সরকার প্রধান বলেন, বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা অর্জন করেছে কারণ, আমরা কখনো এডহক ভিত্তিতে কোন পরিকল্পনা নেই নি।

তিনি বলেন, আমরা উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা অক্ষুন্ন রেখে এগিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা নিয়েছি। সুনির্দিষ্ট ও দূরদর্শী পরিকল্পনা নিয়ে আমরা সবকিছু করেছি। আমরা কোন এডহক ভিত্তিতে কিছুই করিনি। পরিকল্পনার ক্ষেত্রে আমরা সবসময় দেশের জনগণের কল্যাণকে প্রাধান্য দিই। 

স্বাধীনতা পুরস্কারপ্রাপ্তরা হলেন, মুক্তিযুদ্ধ ক্যাটাগরিতে বীর মুক্তিযোদ্ধা কর্নেল (অব.) শামসুল আলম, প্রয়াত লেফটেন্যান্ট এজি মোহাম্মদ খুরশীদ (মরণোত্তর), শহীদ খাজা নিজামউদ্দিন ভূঁইয়া (মরণোত্তর) এবং মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী (মায়া) বীর বিক্রম।

সাহিত্য ক্যাটাগরিতে প্রয়াত ড. মোহাম্মদ মাইনুদ্দিন আহমেদ (সেলিম আল দীন) (মরণোত্তর) এবং সাংস্কৃতিক এবং ক্রীড়া ক্যাটাগরিতে যথাক্রমে পুরস্কার পেয়েছেন পবিত্র মোহন দে এবং এএসএম রকিবুল হাসান।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর সমাজ সেবা/জনসেবা বিভাগে এবং গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ক্যাটাগরিতে বেগম নাদিরা জাহান (সুরমা জাহিদ) এবং ড. ফেরদৌসী কাদরী পুরস্কার পেয়েছেন। এর আগে ৯ মার্চ স্বাধীনতা পুরস্কারপ্রাপ্তদের নাম ঘোষণা করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

প্রত্যেক পুরস্কার প্রাপ্তরা প্রত্যেকে একটি করে স্বর্ণপদক, একটি সার্টিফিকেট এবং সম্মানী চেক পেয়েছেন।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. মাহবুব হোসেন অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন এবং পুরস্কার প্রাপ্তদের সংক্ষিপ্ত জীবনবৃত্তান্ত তুলে ধরেন। পুরস্কার প্রাপ্তদের মধ্যে ড. ফেরদৌসী কাদরী অনুষ্ঠানে তার নিজস্ব অনুভূতি ব্যক্ত করেন।


আরও খবর
মেট্রোরেল চলাচল পুরোপুরি বন্ধ

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




জার্মানিতে কবুতরে বিরক্ত মানুষ, মেরে ফেলতে গণভোট

প্রকাশিত:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

জার্মানিতে কবুতর মেরে ফেলতে গণভোট হয়েছে। সেই ভোটে কবুতর মেরে ফেলার পক্ষে ভোট দিয়েছেন শহরের বাসিন্দারা। অন্যদিকে এ ধরনের সিদ্ধান্তের সমালোচনা করছেন প্রাণী অধিকার কর্মীরা। এ নিয়ে স্থানীয়দের সঙ্গে প্রাণী অধিকার কর্মীদের মধ্যে দ্বন্দ্ব সৃষ্টি হয়েছে।

জার্মান সংবাদমাধ্যম ডয়চে ভেলে জানিয়েছে, চলতি মাসের শুরুতে লিমবুর্গ অ্যান ডার লাহন শহরে গণভোটটি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এমন অদ্ভূত বিষয়ে গণভোট হওয়ার পেছনে কারণ হচ্ছে, কবুতরের বিষ্ঠা। কবুতরের মলমূত্রে অতিষ্ঠ হয়ে শহরের বাসিন্দারা নানা সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা বাজপাখি দিয়ে কবুতর মেরে ফেলার দাবি জানান। কেউ কেউ কবুতরের বিষ্ঠায় অতিষ্ঠ হয়ে আইনের আশ্রয়ও নিয়েছেন। এ নিয়ে প্রাণী অধিকারকর্মীদের সঙ্গে চলছে আইনি লড়াই। এরই মধ্যে লিমবুর্গের নিউমার্কেট কেন্দ্রীয় স্কোয়ারের আশপাশের বাসিন্দা, রেস্তোরাঁ এবং বাজারের বিক্রেতারা আন্দোলনেও নেমেছেন।

গত ২০ জুন লিমবুর্গের কর্মকর্তারা বলেছিলেন, তারা গণভোটের ফলাফল নিয়ে এগিয়ে যাবে কি না, তা বিবেচনা করছেন।

শহরের মুখপাত্র জোহানেস লাউবাচক বলেন, গণভোটের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্য কোনো নির্দিষ্ট সময় নেই। রেজোলিউশনে বলা হয়েছে, সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের আগে আরও অধিকতর পর্যালোচনা করা হবে।

এলাকাবাসী ও ব্যবসায়ীদের দাবি, বছরের পর বছর ধরে শহরের কবুতরের কারণে তারা হতাশ। গত বছর নভেম্বরে শহরের কাউন্সিল সিদ্ধান্ত নেয়, লিমবুর্গের কবুতরের সংখ্যা কমানোর জন্য শহরে বাজপাখি ছেড়ে দেওয়া উচিত।

জার্মানভিত্তিক গণমাধ্যম ডয়েচে ভেলের সামাজিক মাধ্যম এক্সের (সাবেক টুইটারে) একটি পোস্টে বলা হয়, গত সপ্তাহে পশ্চিম জার্মান রাজ্য হেসের লিমবুর্গ আন ডার লাহন শহরের বাসিন্দারা ৭০০ কবুতরকে মেরে ফেলার জন্য ভোট দিয়েছেন।

মেয়র মারিয়াস হ্যান বলেছেন, লিমবুর্গের বাসিন্দারা তাদের অধিকার প্রয়োগ করেছে। তারা সিদ্ধান্ত নিয়েছে আগামী দুই বছরের মধ্যে একটি বাজপাখির মাধ্যমে কবুতরের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করা উচিত।

এদিকে এ ধরনের কার্যক্রমে পশু অধিকার কর্মীরা আতঙ্কিত। সমালোচকেরা বলছেন, এ ধরনের কার্যক্রম সত্যিই অগ্রহণযোগ্য।

এদিকে ফ্রাঙ্কফুর্টসহ জার্মানির অন্যান্য শহরগুলোতে কবুতরের বংশবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য জন্মনিয়ন্ত্রণের একটি পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। অন্যদিকে হেগেন শহরে পাখিগুলোকে সাময়িকভাবে বন্ধ্যা করে তোলার জন্য একটি ওষুধের পরীক্ষা চলছে।

নিউজ ট্যাগ: কবুতর

আরও খবর
আজ নেলসন ম্যান্ডেলার জন্মদিন!

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




জামিন পেলেন পরীমনি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৫ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিনোদন ডেস্ক

Image

ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদকে হত্যাচেষ্টা, মারধর, ভাঙচুর ও ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগে করা মামলায় নায়িকা পরীমণির জামিন মঞ্জুর করেছেন আদালত।

মঙ্গলবার (২৫ জুন) ঢাকার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সাইফুল ইসলামের আদালতে তিনি আত্মসমর্পণ করে আইনজীবীর মাধ্যমে জামিনের আবেদন করেন।

শুনানি শেষে এক হাজার চাকা মুচলেকায় বিচারক তার জামিন মঞ্জুর করেন। পরীমণির আইনজীবী নীলাঞ্জনা রিফাত (সুরভী) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

২০২২ সালের ৬ জুলাই একই আদালতে সাভার বোট ক্লাবের সভাপতি ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদ বাদী হয়ে পরীমণিসহ তিনজনের বিরুদ্ধে এ মামলা করেন। মামলার অন্য দুই আসামি হলেন- পরীমণির সহযোগী ফাতেমা তুজ জান্নাত বনি ও জুনায়েদ বোগদাদী জিমি ওরফে জিম।

গত ১৮ মার্চ আসামি পরীমণি ও তার কস্টিউম ডিজাইনার জুনায়েদ বোগদাদী জিমি ওরফে জিমের বিরুদ্ধে বাদীকে মারধর ও ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে বলে উল্লেখ করে প্রতিবেদন দাখিল করেন তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই ঢাকা জেলার পরিদর্শক মো. মনির হোসেন। তবে আরেক আসামি ফাতেমা তুজ জান্নাত বনির বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি বলা হয়েছে।


আরও খবর



পিতৃত্বকালীন ছুটি চেয়ে ৬ মাস বয়সী শিশুর হাইকোর্টে রিট

প্রকাশিত:বুধবার ০৩ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ০৩ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আদালত প্রতিবেদক

Image

দেশের সব প্রতিষ্ঠানে চাকরিজীবীদের পিতৃত্বকালীন ছুটির নীতিমালা করার নির্দেশনা চেয়ে ছয় মাস বয়সী শিশু হাইকোর্টে রিট দায়ের করেছে। বুধবার (৩ জুলাই) ৬ মাসের শিশু নুবাইদ বিন সাদী ও তার মা সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইশরাত হাসান হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন।

রিটে কেবিনেট সচিব, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব ও আইন মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ মোট ১১ জনকে বিবাদী করা হয়েছে।

রিটে বলা হয়, নবজাতকের যত্নে কেবল মায়ের ভূমিকা মুখ্য এই ধারণার পরিবর্তন হয়েছে। বাবার ভূমিকাও দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশেষ করে ঢাকার মতো ব্যস্ত শহরে পরিবারের অন্য সদস্যদের সাহায্য নেওয়ার সুযোগ সীমিত। এছাড়া, সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে শিশু জন্মের হার আমাদের দেশে অনেক বেশি। সিজারের পর সুস্থ হতে মায়ের সময় লাগে। এই সময়ে নবজাতক ও মায়ের নিবিড় পরিচর্যার প্রয়োজন হয়।

রিটে আরও বলা হয়, পিতৃত্বকালীন ছুটির সুযোগ না থাকায় যারা নতুন বাবা হন, তাদের  স্ত্রী ও নবজাতকের দেখাশোনা করা অত্যন্ত কষ্টসাধ্য হয়। আমাদের প্রতিবেশী দেশ ভারত, ভুটান, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কাসহ বিশ্বের ৭৮টিরও বেশি দেশে পিতৃত্বকালীন ছুটির বিধান রয়েছে।

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইশরাত হাসান বলেন, পিতৃত্বকালীন ছুটি নীতিমালা সংবিধানের ৭, ২৭, ২৮, ২৯, ৩১ এবং ৩২ অনুচ্ছেদের সাথে সাংঘর্ষিক।


আরও খবর
কোটা নিয়ে আপিল বিভাগে শুনানি রোববার

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




কোটা আন্দোলনে অনুপ্রবেশকারী ঢুকে পড়েছে: ডিবির হারুন

প্রকাশিত:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

কোটা সংস্কার আন্দোলনকে ভিন্নদিকে প্রবাহিত করতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে অনুপ্রবেশকারী ঢুকে পড়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার হারুন অর রশীদ। শনিবার (১৩ জুলাই) দুপুরে সময় সংবাদকে এ কথা জানান তিনি।

হারুন অর রশীদ বলেন, কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের মধ্যে অনুপ্রবেশকারী ঢুকে পড়েছে। বিষয়টিকে ভিন্নদিকে প্রবাহিত করার অপচেষ্টা চলছে। তবে এ বিষয়ে সজাগ রয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

এদিকে রাজধানীতে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনে থাকা শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১২ জুলাই) রাতে রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সের পরিবহন বিভাগের গাড়িচালক খলিলুর রহমান বাদী হয়ে শাহবাগ থানায় এ মামলা করেন। মামলায় আসামি হিসেবে অনেক সংখ্যক শিক্ষার্থী উল্লেখ করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে পুলিশের যানবাহন ভাঙচুর, পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলা এবং মারধরের অভিযোগ আনা হয়েছে।

সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে চলতি মাসের শুরু থেকে সড়ক-মহাসড়ক, রেলপথ অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। বাংলা ব্লকেড নামে তারা সপ্তাহব্যাপী এ কর্মসূচি পালন করে আসছিলেন। এরপর হাইকোর্টের রায় স্থগিত করে অপিল বিভাগের রায়ের পর বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) থেকে কঠোর অবস্থানে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছিল সরকার। তারই অংশ হিসেবে ওইদিন বিকেলে শিক্ষার্থীরা রাস্তা অবরোধ করতে এলে ঢাকায় পুলিশের বাধার মুখে পড়েন তারা। এছাড়া কুমিল্লা ও চট্টগ্রামে পুলিশ তাদের ওপর হামলা করে বলে অভিযোগ। এতে বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হন।


আরও খবর



শ্বাসরুদ্ধকর ফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন ভারত

প্রকাশিত:রবিবার ৩০ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ৩০ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
ক্রীড়া প্রতিবেদক

Image

মাত্র এক বছরের ব্যবধানে বৈশ্বিক টুর্নামেন্টের তৃতীয় ফাইনালে উঠে ভারত। আগের দুই ফাইনালে খালি হাতে ফিরতে হয়েছিল রোহিত শর্মার দলকে। তবে তৃতীয়বার আর খালি হাতে ফিরতে হলো না ভারতকে। শ্বাসরুদ্ধকর ফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ৭ রানে হারিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দ্বিতীয় শিরোপা নিজেদের করে নিলো রোহিত-কোহলিরা।

এই নিয়ে ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ত সংস্করণের দ্বিতীয় শিরোপা নিজেদের করে নিলো ভারত। ২০০৭ সালে প্রথম আসরের শিরোপা জিতেছিল দেশটি। ১৭ বছর পর আবার শিরোপা নিজেদের দখলে নিলো ভারত।

শনিবার (২৯ জুন) বার্বাডোজের ব্রিজটাউনের কেনসিংটন ওভালে টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন ভারতের অধিনায়ক রোহিত শর্মা। ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই চাপে পড়ে ভারত।

মাত্র ৩৪ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে ধুঁকতে থাকে ভারত। তবে বিরাট কোহলি ও অক্ষর প্যাটেলের ব্যাটে লড়াইয়ে ফের ভারত। ফিফটি তুলে নেন কোহলি।

কোহলি ও অক্ষরের ব্যাটে ভর করে ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৭৬ রান সংগ্রহ করে ভারত। কোহলি ৫৯ বলে ৭৬ ও অক্ষর ৩১ বলে ৪৭ রান করেন। প্রোটিয়াদের পক্ষে কেশভ মহারাজ ও এনরিখ নরকিয়া নেন ২টি উইকেট।

১৭৭ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে দলীয় ১২ রানের মধ্যে জোড়া উইকেট হারায় দক্ষিণ আফ্রিকা। ৫ বলে ৪ রান করে আউট হন রেজা হেনড্রিকস ও এইডেন মার্করাম।

এরপর স্টাবসকে সঙ্গে নিয়ে শুরুর ধাক্কা সামাল দেন ডি কক। ৫৮ রানের জুটি গড়েন এই দুই ব্যাটার। তবে দলীয় ৭০ রানে ২১ বলে ২১ রান করে আউট হন স্টাবস।

এরপর ক্রিজে আসা হেনরিখ ক্লাসেনকে নিয়ে ব্যাট করতে থাকেন ডি কক। তবে দলীয় ১০৬ রানে ৩১ বলে ৩৯ রান করে আউট হন ডি কক। তার বিদায়ের পর ক্রিজে আসা ডেভিড মিলারকে সঙ্গে নিয়ে আগ্রাসী ব্যাটিং করতে থাকেন ক্লাসেন।

ভারতীয় বোলারদের ওপর চড়াও হন এই দুই ব্যাটার। মারমুখী ব্যাটিংয়ে ২৩ বলে ফিফটি তুলে নেন ক্লাসেন। তবে দলীয় ১৫১ রানে ২৭ বলে ৫২ রান করে ফিরে যান তিনি।

ক্লাসেনের বিদায়ের পর ক্রিজে এসে সুবিধা করতে পারেননি মার্কো জানসেন। ৪ বলে মাত্র ২ রান করে আউট হন তিনি। জানসেনকে আউট করে ভারতকে জয়ের স্বপ্ন দেখান পেসার জসপ্রীত বুমরাহ।

শেষ ওভারে জয়ের জন্য ১৬ রান প্রয়োজন হয় দক্ষিণ আফ্রিকার। প্রথম বলেই সপাটে ব্যাট হাঁকান মিলার। বাউন্ডারি লাইনে অসাধারণ এক ক্যাচে মিলারকে সাজঘরে ফেরান সূর্যকুমার। দলীয় ১৬১ রানে ১৭ বলে ২১ রান করে আউট হন মিলার।

এরপর কাগিসো বারাদাকে আউট করে ভারতের জয় নিশ্চিত করেন হার্দিক পান্ডিয়া। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৬৯ রান সংগ্রহ করতে সক্ষম হয় দক্ষিণ আফ্রিকা। ভারতের পক্ষে হার্দিক পান্ডিয়া নেন ৩টি উইকেট।


আরও খবর