আজঃ মঙ্গলবার ২৩ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম

আসছে সাড়ে ৭ লাখ কোটি টাকার নির্বাচনমুখী বাজেট

প্রকাশিত:বুধবার ২১ ডিসেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ২১ ডিসেম্বর ২০২২ | অনলাইন সংস্করণ
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বৈশ্বিক সংকট, অর্থনীতিতে নানামুখী চ্যালেঞ্জ ও জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে আগামী অর্থবছরের (২০২৩-২৪) জন্য ৭ লাখ ৫০ হাজার ১৯৪ কোটি টাকার বাজেট নির্ধারণ করেছে অর্থ বিভাগ। এটি চলতি অর্থবছরের চেয়ে ৭২ হাজার ১৩০ কোটি টাকা বেশি। মঙ্গলবার বাজেট মনিটরিং ও সম্পদ কমিটির বৈঠকে এটি নির্ধারণ করা হয়। নির্বাচন সামনে রেখে নতুন বাজেটে উন্নয়ন প্রকল্পে বরাদ্দ থাকছে ২ লাখ ৬৫ হাজার কোটি টাকা। অর্থনৈতিক নানা চ্যালেঞ্জের মুখে রাজস্ব খাত থেকে আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয় ৪ লাখ ৮৬ হাজার কোটি টাকা। এছাড়া বাজেটের ঘাটতি হবে ২ লাখ ৬৪ হাজার ১৯৪ কোটি টাকা।

অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের সভাপতিত্বে ভার্চুয়ালিভাবে আর্থিক, মুদ্রা ও মুদ্রা বিনিময় হারসংক্রান্ত কো-অর্ডিনেশন কাউন্সিল এবং বাজেট মনিটরিং ও সম্পদ কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ওই বৈঠকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ, বাংলাদেশ ব্যাংক, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। দুপুর আড়াইটায় বৈঠক শুরু হয়। কঠোর গোপনীয়তার মধ্যে বৈঠক শেষ হয় বিকাল সাড়ে ৩টায়।

সূত্রমতে, বাজেট মনিটরিং ও সম্পদ কমিটির বৈঠকে বিশ্লেষণ করে দেখা হয়, নানা কারণে আগামী অর্থবছরে সবচেয়ে বেশি ব্যয় হবে ভর্তুকি খাতে। এজন্য এ খাতে ১ লাখ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখার প্রস্তাব করা হয়। যদিও চলতি অর্থবছরে ভর্তুকি ব্যয় ধরা আছে ৮৬ হাজার কোটি টাকা। অর্থ বিভাগের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা যুগান্তরকে বলেন, এই মহূর্তে মূল্যস্ফীতির ঊর্ধ্বমুখী অবস্থা, রেমিট্যান্স কমে যাওয়া, রাজস্ব আয় নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। যদি আগামী দিনগুলোয় এসব সূচক ঠিক না হয়, তাহলে অর্থনীতিতে আরও চাপ সৃষ্টি হবে। বিশেষ করে পরিস্থিতি সামাল দিতে ভর্তুকি আরও বেড়ে যাবে। এজন্য ওই বৈঠকে রাজস্ব আয় বাড়ানো, রেমিট্যান্স বাড়াতে সব ধরনের পদক্ষেপসহ মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তিনি আরও বলেন, এ বছর জ্বালানি তেল, গ্যাস, বিদ্যুতের মূল্য বাড়িয়ে কিছুটা সমন্বয় করা হয়েছে। ভর্তুকির চাপ কমাতে আগামী দিনগুলোয় গ্যাস, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি তেলের মূল্য একটি নির্দিষ্ট সময় অন্তর বিশ্ববাজারের সঙ্গে মিলিয়ে সমন্বয় করা হবে।

এদিকে জিডিপির ৬ শতাংশ ঘাটতি ধরে আগামী বাজেট ঠিক করা হয়েছে। এটি টাকার অঙ্কে ২ লাখ ৬৪ হাজার ১৯৪ কোটি টাকা। চলতি বাজেট ঘাটতির অঙ্ক ২ লাখ ৪৫ হাজার ৬৪ কোটি টাকা। বৈশ্বিক সংকট ও অভ্যন্তরীণ ব্যবসাবাণিজ্য পরিস্থিতিতে রাজস্ব আদায় নিয়ে একধরনের শঙ্কায় আছে সরকার। এ নিয়ে ওই বৈঠকে আলোচনা হয়। সার্বিক দিক বিশ্লেষণ করে আগামী অর্থবছরের জন্য এনবিআর রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৪ লাখ ৪২ হাজার কোটি টাকা। এটি চলতি অর্থবছরের তুলনায় ৭২ হাজার কোটি টাকা বেশি। ওই বৈঠকে আগামী দিনগুলোয় অর্থনীতি খাতের কিছু সম্ভাবনা তুলে ধরে বলা হয়, নতুন বাজেটের আকার বাড়ছে, দেশের খাদ্যশস্য উৎপাদন পরিস্থিতি ভালো হবে। এছাড়া বাড়বে রেমিট্যান্স, রপ্তানি ও রাজস্ব খাতের আয়ও। সরকারি ব্যয়ের পরিমাণও বাড়বে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে ২০২৩-২৪ অর্থবছরের জন্য মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি ৭ দশমিক ৫ শতাংশ লক্ষ্যমাত্রা স্থির করা হয়। অর্থ বিভাগের মতে, উল্লিখিত সূচক জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জনে নিয়ামক হিসাবে কাজ করবে। যদিও চলতি অর্থবছরে জিডিপির প্রবৃদ্ধির হার ৭ দশমিক ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৬ দশমিক ৫ শতাংশ নির্ধারণের প্রক্রিয়া শুরু করেছে অর্থ বিভাগ।

এদিকে কো-অর্ডিনেশন কাউন্সিল বৈঠকে দেশের অর্থনীতি খাতের অগ্রগতি, বিশ্ব ও জাতীয় অর্থনীতির বিদ্যমান অবস্থা পর্যালোচনা করা হয়। এছাড়া সেখানে আগামী ২০২৩-২৪ থেকে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সামষ্টিক অর্থনীতির অবস্থা আলোচনায় উঠে আসে। সেখানে অর্থনীতিতে এই মুহূর্তে চারটি সংকট শনাক্ত করা হয়। এগুলো হচ্ছে মূল্যস্ফীতি, রেমিট্যান্স ঘাটতি, ভর্তুকির চাপ ও রাজস্ব আয়। এই সংকট মোকাবিলায় রাজস্ব আয় বাড়ানো, রেমিট্যান্স বাড়াতে সব ধরনের পদক্ষেপ এবং মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পাশাপাশি জ্বালানি ও বিদ্যুতের মূল্য সমন্বয় করা হবে।

সূত্র আরও জানায়, কো-অর্ডিনেশন কাউন্সিল বৈঠকে আগামী বছরে অর্থনীতিতে বড় চ্যালেঞ্জ হিসাবে দেখা হচ্ছে ডলারের মূল্যবৃদ্ধি, রাশিয়ার ঋণে কিস্তিু পরিশোধ ও ভর্তুকির টাকা জোগান দেওয়াকে। সেখানে বলা হয়, রাশিয়ার ঋণে দেশে বড় প্রকল্প বাস্তবায়ন হচ্ছে। আগামী অর্থবছরে এই ঋণের কিস্তি শুরু হবে। এছাড়া ডলারের মূল্যবৃদ্ধির কারণে বিদেশি ঋণের কিস্তি ও সুদ পরিশোধ ব্যয় অনেক বেড়ে গেছে, যা উদ্বেগ তৈরি করেছে। ডলারের এই সংকট কাটাতে রপ্তানি ও রেমিট্যান্স আয় বাড়াতে জোর দেওয়া হয়। কারণ ডলারের একটি বড় জোগান আসে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স থেকে। কিন্তু রেমিট্যান্স থেকে আয় কমছে। এজন্য রেমিট্যান্স বাড়াতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মতো একটি অ্যাপ খোলার সিদ্ধান্ত হয়। এ অ্যাপ ব্যবহারের জন্য প্রবাসীদের একটি কার্ড দেওয়া হবে। ওই কার্ড ব্যবহার করে তাৎক্ষণিক অ্যাপের মাধ্যমে একজন প্রবাসী তার পরিবারের কাছে রেমিট্যান্সের অর্থ পাঠাতে পারেন। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এতে আগামী দিনগুলোয় রেমিট্যান্স আরও বাড়বে।


আরও খবর



‘ব্রেস্ট ক্যানসার নিয়ে দেরিতে এলে কিছুই করার থাকে না’

প্রকাশিত:বুধবার ২৬ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২৬ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

ব্রেস্ট ক্যানসার নিয়ে গ্রামের মায়েরা অনেক দেরিতে আসেন। খুব বেশি দেরি হলে অপেক্ষা করা ছাড়া কিছুই করার থাকে না। ব্রেস্ট ক্যানসার শুরুর দিকে শনাক্ত করা গেলে যথাযথ চিকিৎসা করা যায়।

বুধবার (২৬ জুন) সকালে হাজারীবাগে শহীদ শামসুননেছা আরজু মনি মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র ১০ শয্যা থেকে ৫০ শয্যায় উন্নীতকরণ উপলক্ষে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, একটা ব্যাপার আমাদের দেশে কমন যা সাধারণ মায়েরা অবহেলা করে। সেটা হচ্ছে ব্রেস্ট ক্যানসার। আপনাদের কাছে যখন রোগী আসবে তখন আপনারা খেয়াল করবেন ব্রেস্টে কোনো লাম্প আছে কি না। আপনারা যদি সে রকম কোনো রোগী পান তাহলে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে পাঠাবেন। সেখানে অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতিসহ ব্রেস্ট স্ক্রিনিংয়ের সেরা ফ্যাসিলিটি আছে। আপনারা যদি এই রকম দশজন, পনেরজন করে রোগী পাঠান আমরা বিনামূল্যে সবরকমের পরীক্ষা করে তাদের চিকিৎসা করব।

শহীদ শামসুননেছা আরজু মনি মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রকে আরও উন্নতমানের স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করে মন্ত্রী আরও বলেন, শেখ পরিবারের সঙ্গে আমার আত্মিক সম্পর্ক। মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, লেখক, সাংবাদিক ও যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান শহীদ শেখ ফজলুল হক মণির সহধর্মিণী একজন মহীয়সী নারীর নামে প্রতিষ্ঠিত এই কল্যাণ কেন্দ্রের উন্নয়নে যা যা করা দরকার সবই আমি করব। দেশের স্বাস্থ্যসেবাকে আরও উন্নত পর্যায়ে নিয়ে যেতে মা ও শিশু স্বাস্থ্যের উন্নতির কোনো বিকল্প নেই।

স্বাস্থ্য শিক্ষা সচিব মো. আজিজুর রহমানের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ডা. রোকেয়া সুলতানা এবং ঢাকা- ১০ আসনের সংসদ সদস্য ফেরদৌস আহমেদ।


আরও খবর
বাড়ছে ডেঙ্গু, শতাধিক নতুন রোগী শনাক্ত

বৃহস্পতিবার ১১ জুলাই ২০২৪




দেশে ফিরেছেন ৪০ হাজার ১১৫ হাজি, মৃত্যু বেড়ে ৫৭

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০২ জুলাই 2০২4 | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০২ জুলাই 2০২4 | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

চলতি বছর পবিত্র হজ পালন করতে গিয়ে আরও একজন বাংলাদেশি হাজির মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫৭ জনে। হজ পালন শেষে এখন পর্যন্ত ৪০ হাজার ১১৫ জন হাজি দেশে ফিরেছেন।

আজ মঙ্গলবার ভোর রাতে হজ পোর্টালের সবশেষ বুলেটিনে এসব তথ্য জানানো হয়।

বুলেটিনে বলা হয়, পবিত্র হজ পালন করতে গিয়ে এখন পর্যন্ত ৫৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে পুরুষ ৪৪ এবং নারী ১৩ জন। তাদের মধ্যে মক্কায় ৪৬ জন, মদিনায় ৪ জন, মিনায় ৬ জন ও জেদ্দায় একজন মারা গেছেন। সৌদি আরবের আইন অনুযায়ী মারা যাওয়া ব্যক্তিদের সে দেশে দাফন করা হচ্ছে।

বুলেটিনে আরও বলা হয়। পবিত্র হজ পালন শেষে এখন পর্যন্ত ৪০ হাজার ১১৫ জন হাজি দেশে ফিরেছেন। সৌদি থেকে ১০২টি ফ্লাইটে এসব হাজি বাংলাদেশে এসেছেন। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ৩৬টি, সৌদি এয়ারলাইন্স ৪০টি এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইন্স ২৬টি ফ্লাইট পরিচালনা করে।

হজ শেষে গত ২০ জুন থেকে দেশে ফেরার ফ্লাইট শুরু হয়। ওইদিন বাংলাদেশ বিমানের প্রথম ফিরতি ফ্লাইট ৪১৭ হাজি নিয়ে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। আগামী ২২ জুলাই পর্যন্ত হাজিদের ফিরতি ফ্লাইট অব্যাহত থাকবে।

প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ থেকে মোট ৮৫ হাজার ২২৫ জন (ব্যবস্থাপনা সদস্যসহ) হজযাত্রী সৌদি আরবে গেছেন। আগামী বছর (২০২৫) বাংলাদেশের জন্য এক লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জনের কোটা দিয়েছে সৌদি আরব।

এদিকে, চলতি বছর প্রখর তাপপ্রবাহ ও অসহনীয় গরমের জেরে হজ করতে গিয়ে সৌদি আরবে রেকর্ড মৃত্যু হয়েছে। হজ পালন করতে গিয়ে এখন পর্যন্ত ৫৭ বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে ধর্ম মন্ত্রণালয়।‌ এর মধ্যে হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরুর আগে ১৭ জন, বাকি ৪০ জন হজের আনুষ্ঠানিকতার শুরুর পর মারা গেছেন। মারা যাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে ৫৪ জনের পরিচয় প্রকাশ করেছে হজ পোর্টাল। সর্বশেষ ২৯ জুন ফরিদপুর নগরকান্দার সৈয়দ লিয়াকত আলী (৬৭) নামে একজন হাজি মারা গেছেন।

সৌদি আরবের আইন অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি হজ করতে গিয়ে যদি মারা যান, তাহলে তার মরদেহ সৌদি আরবে দাফন করা হয়। নিজ দেশে আনতে দেওয়া হয় না। এমনকি পরিবার-পরিজনের কোনো আপত্তি গ্রাহ্য করা হয় না। মক্কায় হজ যাত্রী মারা গেলে মসজিদুল হারামে নামাজে জানাজা হয়।

নিউজ ট্যাগ: পবিত্র হজ পালন

আরও খবর
মেট্রোরেল চলাচল পুরোপুরি বন্ধ

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




যুক্তরাষ্ট্রে দুটি পুরস্কার পেলেন চঞ্চল চৌধুরী

প্রকাশিত:বুধবার ১০ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১০ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিনোদন ডেস্ক

Image

চঞ্চল চৌধুরী মঞ্চ, টেলিভিশন, বড় পর্দা কিংবা ওটিটি প্ল্যাটফর্ম সব মাধ্যমেই দিয়েছেন নিজের অভিনয় দক্ষতার প্রমাণ। এছাড়াও, তিনি নিজ কণ্ঠে গান তুলেও মুগ্ধ করেছেন শ্রোতাদের। সম্প্রতি এই অভিনেতা যুক্তরাষ্ট্রে দুটি পুরস্কার পেয়েছেন। তার একটি হলো ঢালিউড অ্যাওয়ার্ড-২০২৪ এবং আরেকটি শিকাগোতে অনুষ্ঠিত এনএবিসি-২০২৪ এ সেরা অভিনেতা হিসেবে পুরস্কার।

আজ বুধবার (১০ জুলাই) চঞ্চল চৌধুরী বিষয়টি নিজেই জানিয়েছেন।

পুরস্কার প্রাপ্তির দুটি ছবি যুক্ত করে আজ এক ফেসবুক স্ট্যাটাসের মাধ্যমে তার আনন্দ প্রকাশ করলেন। তিনি লিখেছেন, এবারের আমেরিকা সফর। প্রথম ছবিটি নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত ঢালিউড অ্যাওয়ার্ড-২০২৪ এবং দ্বিতীয় ছবিটি শিকাগোতে অনুষ্ঠিত এনএবিসি-২০২৪ এ সেরা অভিনেতা হিসেবে পুরস্কার প্রাপ্তির।

তিনি আরও লিখেছেন, এর আগে বহুবার ঢালিউড অ্যাওয়ার্ড পেয়েছি, সেজন্য কৃতজ্ঞতা আলমগীর খান আলমের প্রতি। কিন্তু এবার এনএবিসি-২০২৪ এর সেরা অভিনেতার পুরস্কার প্রাপ্তিতে আমি বিশেষ ভাবে সম্মানিত এবং আনন্দিত। তার কারণ, এই পুরস্কারটি পশ্চিমবঙ্গের জনপ্রিয় অভিনেতা পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়ের মা, শ্রদ্ধেয়া সুনেত্রা ঘটক মেমোরিয়াল অ্যাওয়ার্ড। এই বছরেই এনএবিসি এই গুণী ব্যক্তিত্বের নামে এই অ্যাওয়ার্ডটি প্রচলন করলো এবং সেই পুরস্কারটি প্রথমবারের মত আমাকে প্রদান করা হলো। আমার বন্ধু অভিনেতা পরমব্রতর হাত থেকেই আমি এই পুরস্কারটি গ্রহণ করেছি। এটা ছিলো আমার জন্য বিশেষ আনন্দের।

পোস্টে চঞ্চল চৌধুরী সুনেত্রা ঘটকের পরিচয় করিয়ে দিয়ে লিখেছেন, শ্রদ্ধেয়া সুনেত্রা ঘটক ছিলেন উপমহাদেশের প্রখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা ঋত্বিক কুমার ঘটকের ভ্রাতুষ্পুত্রী। সর্বশেষে কৃতজ্ঞতা জানিয়ে এই গুণী অভিনেতা লিখেছেন, আমাকে এই বিশেষ পুরস্কার প্রদানের জন্য এনএবিসি কর্তৃপক্ষকে জানাই অশেষ কৃতজ্ঞতা। বাংলা চলচ্চিত্রের জয় হোক।


আরও খবর



সরকারি হাসপাতালে সব সেবা হবে বিনামূল্যে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

প্রকাশিত:শনিবার ২৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৯ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন বলেছেন, সব সরকারি হাসপাতালের উদ্দেশ্য হচ্ছে সেবা দেওয়া। আর সরকারি হাসপাতালে সবকিছু বিনামূল্যেই হবে।

শনিবার (২৯ জুন) দুপুরে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইউনিট কর্তৃক আয়োজিত স্বাস্থ্য সুরক্ষা কর্মসূচি (এসএসকে) সেবা উদ্বোধনী কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আমার মনে হয় স্বাস্থ্য সুরক্ষা কর্মসূচিতে সমন্বয়ের দরকার। আমরা যদি একই লক্ষ্য নিয়ে বিভিন্নজন বিভিন্ন দিক থেকে কাজ করি তাহলে ফলাফল ভালো হয় না।

তিনি বলেন, আমরা যদি একই লক্ষ্য নিয়ে বিভিন্নজন বিভিন্ন দিক থেকে কাজ করি তাহলে ফলাফল ভালো হয় না। আপনারা প্রান্তিক পর্যায়ে জনগোষ্ঠীকে সেবা দেন। এ ক্ষেত্রে আপনারা যদি জেলা উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতালের সঙ্গে সমন্বয় করে কার কী লাগবে এটার ভিত্তিতে কাজ করেন। সেটা অধিকতর ফলপ্রসূ হবে।

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, এসএসকের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত সরকারি হাসপাতালে যেসব সুযোগ সুবিধা নেই সেগুলো পূরণ করা। এক্ষেত্রে আগামী অর্থ বছর থেকে আলাপ আলোচনা করে আয়ুষ্মান ভারতের আদলে এ কর্মসূচিকে এগিয়ে নেওয়া হবে।

এদিন স্বাস্থ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্য সুরক্ষা কর্মসূচি উদ্বোধনসহ সর্বমোট ৮টি উপজেলায় এসএসকে সেবা ভার্চুয়ালি উদ্বোধন করেন। স্বাস্থ্য সুরক্ষা কর্মসূচির আওতায় দরিদ্র পরিবার বিনামূল্যে ১১০টি রোগের চিকিৎসাসহ সামাজিক বিমার আওতায় আর্থিক সুবিধা পাবে।

কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ডা. রোকেয়া সুলতানা।


আরও খবর
বাড়ছে ডেঙ্গু, শতাধিক নতুন রোগী শনাক্ত

বৃহস্পতিবার ১১ জুলাই ২০২৪




৭ দফা দাবিতে শাহবাগে মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ

প্রকাশিত:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

কোটা বাতিল আন্দোলনের নামে বঙ্গবন্ধু, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযুদ্ধের বিরুদ্ধে কটূক্তিকারীদেরকে দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিসহ ৭ দফা দাবিতে শাহবাগে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করছে মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ।

শনিবার (১৩ জুলাই) বিকেল ৪টায় শাহবাগ জাতীয় জাদুঘরের সামনে অবস্থান নিয়ে সংগঠনটির নেতা-কর্মীরা তাদের দাবি তুলে ধরেন।

বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে দেয়া ৭ দফা দাবি হলো-

১। ২০১৮ সালের অসাংবিধানিক ও অবৈধ পরিপত্র বাতিল করে নতুন পরিপত্র জারি করে বঙ্গবন্ধুর উপহার ৩০ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা কোটা পুনর্বহাল, সংরক্ষণ ও পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন করতে হবে।

২। সাম্প্রতিক সময়ে কোটা বাতিল আন্দোলনের নামে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু, মুক্তিযুদ্ধ ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদেরকে নিয়ে কটূক্তিকারীদেরকে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে ছাত্রত্ব বাতিলসহ বিশেষ ট্রাইব্যুনালে দ্রুত বিচারের মাধ্যমে কঠোর শাস্তি নিশ্চিতের পাশাপাশি হলোকাস্ট ডিনায়াল অ্যাক্টের ন্যায় নতুন আইন প্রণয়ন করতে হবে।

 ৩। রাজাকারদের নামের তালিকা প্রকাশ করে দেশের প্রতিটি ইউনিয়ন পরিষদের নোটিশ বোর্ডে তালিকা প্রদর্শনপূর্বক নাগরিকত্ব বাতিলসহ এদের বংশধরদের চিহ্নিত করে চাকরিচ্যুত করার পাশাপাশি সব সম্পত্তি রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করতে হবে।

৪। কোটায় নিয়োগপ্রাপ্ত প্রার্থীরা সকলেই মেধাবী, কেউ অমেধাবী নয়। সাধারণ প্রার্থীদের সাথে একই প্রশ্নপত্রে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে প্রিলি, লিখিত ও ভাইভায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর কোটা প্রয়োগ হওয়ার কারণে বৈষম্যমূলক মেধা শব্দ পরিবর্তন করে সাধারণ শব্দ সংযোজনপূর্বক সাধারণ প্রার্থী নামকরণ করে সকল নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে হবে।

৫। সমগ্র দেশে বীর মুক্তিযোদ্ধা পরিবারদের ওপর হামলা, মামলা, হত্যা, নির্যাতন ও কটূক্তি স্থায়ীভাবে প্রতিরোধ করার জন্য বীর মুক্তিযোদ্ধা পরিবার সুরক্ষা আইন প্রণয়ন করতে হবে।

৬। ২০১৮ সালে কোটা বাতিল আন্দোলনের নামে পুলিশের ওপর নগ্ন সন্ত্রাসী হামলা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের বাসভবনে অগ্নিসংযোগ, ভাঙচুর ও হামলায় জড়িত সন্ত্রাসীদেরকে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।

৭। বীর মুক্তিযোদ্ধা পরিবারদের অধিকার আদায়ের প্লাটফর্ম বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদের নির্বাচনের তফশিল ঘোষণা করতে হবে।


আরও খবর
ছাত্রলীগের ওয়েবসাইট হ্যাক

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪