আজঃ সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

আটকের পর আদম তমিজী হককে নেওয়া হচ্ছে ডিবি কার্যালয়ে

প্রকাশিত:শনিবার ০৯ ডিসেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:শনিবার ০৯ ডিসেম্বর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

হক গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আলোচিত ব্যবসায়ী আদম তমিজী হককে আটক করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এরপর তমিজী হককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হচ্ছে। শনিবার রাত ৮টার দিকে গুলশানের বাসা থেকে তাকে নিয়ে মিন্টো রোডের ডিবি কার্যালয়ের উদ্দেশে রওনা হয় গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল।

ডিবির এক উর্ধ্বতন কর্মকর্তা এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

আদম তমিজী হক ২০২০ সালে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। তিনি ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সদস্য ছিলেন।

গত সেপ্টেম্বরে ফেসবুক লাইভে নিজের বাংলাদেশি পাসপোর্ট পুড়িয়ে এবং নিজ দল আওয়ামী লীগের এক নেতার বিরুদ্ধে বক্তব্য দিয়ে ব্যাপক আলোচনায় আসেন। পরে তাকে ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সদস্য পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়। আদম তমিজী হকের ব্রিটিশ নাগরিকত্ব রয়েছে।

নিউজ ট্যাগ: আদম তমিজী হক

আরও খবর



জয়পুরহাটে বিপুল পরিমাণ স্বর্ণসহ তিন পাচারকারী আটক

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
সুজন কুমার মন্ডল, জয়পুরহাট

Image

জয়পুরহাট জেলার পাঁচবিবি উপজেলার সীমান্ত দিয়ে স্বর্ণ পাচারের চেষ্টা করার সময় জয়পুরহাট ২০ বিজিবি সদস্যরা এক অভিযান চালিয়ে ১ কেজি ১৬৬ দশমিক ৪০ গ্রাম ওজনের ১০টি স্বর্ণের বারসহ তিন চোরাকারবারীকে আটক করেছে। আটককৃত স্বর্ণের মূল্য ১ কোটি ১২ লাখ ৬ হাজার ৪১৯ টাকা।

বুধবার সন্ধ্যার আগে জয়পুরহাট ২০ বিজিবি'র অধিন হাটখোলা বিওপি'র টহল কমান্ডার নায়েব সুবেদার এনামুল হক খানের নেতৃত্বে একদল বিজিবি সদস্য সীমান্ত পিলার ২৮১/৪৭ থেকে ২৫০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে পূর্ব উচনা এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় রহিদুল ইসলাম (৪০), মঞ্জুর রহমান (৪২) ও ফরিদুল ইসলাম (৪৫) নামে তিন চোরাকারবারীকে ১০টি স্বর্ণের বারসহ আটক করা হয়।

আটককৃতদের কাছে থেকে ১০টি স্বর্ণের বারসহ একটি মোটর সাইকেল, তিনটি মোবাইল সেট, পাঁচটি সিম কার্ড এবং বাংলাদেশি ৪৯ হাজার ৩০ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া স্বর্ণের মূল্য ১ কোটি ১২ লাখ ৬ হাজার ৪১৯ টাকা। স্বর্ণগুলো ভারতে পাচারের উদ্দ্যেশে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল বলে জানায় বিজিবি। আটক তিনজনই জয়পুরহাট জেলার পাঁচবিবি উপজেলার পূর্ব উচনা গ্রামের বাসিন্দা।


আরও খবর
ঝিনাইদহ জেলা কারাগারে কয়েদির মৃত্যু

সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




বঙ্গবন্ধু টানেলে ২৩ গাড়ির টোল মওকুফ চায় পুলিশ

প্রকাশিত:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
রাহুল সরকার, চট্টগ্রাম ব্যুরো

Image

বঙ্গবন্ধু টানেল যাত্রা শুরুর পর থেকে সম্প্রতি কার রেসিং, প্রাইভেটকারের পেছনে দ্রুত গতির বাসের ধাক্কা দেওয়া, টানেলের ভেতর সেলফি তোলা এবং নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে টোল প্লাজার ব্যারিয়ারে ধাক্কা দেওয়ার কয়েকটি ঘটনা ঘটেছে।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেলে দুর্ঘটনায় উদ্ধার তৎপরতাসহ বিভিন্ন কার্যক্রম চালাতে ২৩টি গাড়ির টোলমুক্ত সুবিধা চেয়েছে চট্টগ্রাম নগর পুলিশ। একই সাথে কোনো ঘটনার ক্ষেত্রে দ্রুততার সাথে যেকোন ঘটনার সাড়া পেলে চারটি গাড়ি বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে।

যেসব কর্মকর্তার গাড়ি ব্যক্তিগত কাজে যাবে সেগুলো টোলের আওতায় থাকবে; কিন্তু দুর্ঘটনাসহ টানেলের বিভিন্ন কাজে যাওয়া ২৩টি গাড়ির টোলমুক্ত সুবিধা চাওয়া হয়েছে।

সড়ক ও সেতু বিভাগে সম্প্রতি এ ব্যাপারে চিঠি পাঠানোর কথা জানিয়েছেন চট্টগ্রাম নগর পুলিশের উপ-কমিশনার (এস্টেট অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট) এসএম মোস্তাইন হোসাইন।

গত বছরের ২৮ অক্টোবর টানেল উদ্বোধনের পরদিন থেকে জনসাধারণের চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। টানেলের সার্বিক নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছে নৌবাহিনী। কিন্তু টানেলের অভ্যন্তরে দুর্ঘটনাসহ নানা বিষয়ে আইনগত কাজ করে পুলিশ।

উপ-কমিশনার এসএম মোস্তাইন হোসাইন বলেন, টানেলের অভ্যন্তরে বিভিন্ন সময়ে দুর্ঘটনার জন্য পুলিশকে ডাকা হয়। পতেঙ্গা ও কর্ণফুলী থানার ওসির গাড়ি ছাড়া পুলিশের যেসব গাড়ি টানেলে প্রবেশ করে সেগুলোকে টোল পরিশোধ করতে হয়। অপারেশনাল কার্যক্রম পরিচালনার জন্য সিএমপির ট্রাফিক ও ক্রাইম বিভাগের বন্দর জোনের ২৩টি গাড়ির টোলমুক্ত রাখার জন্য সড়ক ও সেতু বিভাগে চিঠি দেওয়া হয়েছে। জানুয়ারিতে চিঠি পাঠানো হলেও এখনো কোনো জবাব পাওয়া যায়নি।

তিনি বলেন, কোন কর্মকর্তার গাড়ি ব্যক্তিগত কাজে টানেলে যাবে, সেগুলো টোলের আওতায় থাকবে। শুধুমাত্র গাড়ি অপারেশনাল কাজে থাকবে সেসব ধরনের ২৩টি গাড়িতে টোলমুক্ত সুবিধা দিতে বলা হয়েছে।

টোলমুক্ত সুবিধা চাওয়া গাড়িগুলো হলো- ট্রাফিক ও ক্রাইম বিভাগের বন্দর জোনের দায়িত্বরত কর্মকর্তা, টহল গাড়ি, অ্যাম্বুলেন্স, রেকার ও ফোর্স আনা-নেওয়ার কাজে ব্যবহৃত গাড়ি।

তিনি বলেন, বিভিন্ন সেতুতেও পারাপারের জন্য টোল দিতে হয়। কিন্তু সেতুতে দুর্ঘটনা ও টানেলের অভ্যন্তরে দুর্ঘটনার ক্ষেত্রে ভিন্নতা আছে। টানেলে কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে তাড়াতাড়ি গিয়ে উদ্ধার করতে হয়। আমাদের গাড়ির সংকট আছে। টানেলের অভ্যন্তরে কোনো ঘটনা ঘটলে থানা থেকে ফোর্স আসতে সময় লাগে, সেজন্য দুই প্রান্তে আমরা দুটি করে চারটি গাড়ি স্ট্যান্ডবাই রাখার জন্য বলেছি। যাতে যে কোনো ঘটনা-দুর্ঘটনার জন্য পুলিশ দ্রুত মুভ করতে পারে। তাই টানেলের অপারেশনাল কাজে ব্যবহারের জন্য ডাবল কেবিনের চারটি গাড়ি চাওয়া হয়েছে। টানেলে কোনো গাড়ি দুর্ঘটনায় পড়লে সেটি উদ্ধারে গেলে পুলিশকেও টোল দিতে হয়।

পতেঙ্গা প্রান্ত দিয়ে টানেলে প্রবেশ করলে বের হতে হয় অপর প্রান্তে। ফলে পতেঙ্গা থানার যেসব গাড়ি টানেলে প্রবেশ করে সেগুলোকে ফিরে আসতে হয় অপর প্রান্ত হয়ে। যার কারণে টানেলে প্রবেশ ও বাহির উভয়ক্ষেত্রে টোল দিতে হয়। আমরা সরকারি কাজে যাই, টোল দেওয়ার কোনো টাকা বরাদ্দ থাকে না। কিন্তু পতেঙ্গা ও কর্ণফুলী থানার ওসির গাড়ি ছাড়া অন্যসব গাড়িকে টানেলে প্রবেশ ও বের হতে উভয় দিকের টোল দিতে হয়।

উল্লেখ্য, কর্ণফুলী নদীর দুইপাড়ে চীনের সাংহাইয়ের আদলে ওয়ান সিটি টু টাউন গড়ে তুলতে এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে বাংলাদেশ সরকার। বাংলাদেশ ও চীনের যৌথ অর্থায়নে টানেল প্রকল্পের শুরুর দিকে ব্যয় ধরা হয়েছিল ৯ হাজার ৮৮০ কোটি টাকা। অনুমোদনের দুই বছর পরে ২০১৭ সালের ডিসেম্বরে প্রকল্পের কাজ শুরু হলে ব্যয় বাড়িয়ে ১০ হাজার ৩৭৪ কোটি টাকা করা হয়। এশিয়ান হাইওয়ের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন এবং ঢাকা-চট্টগ্রাম-কক্সবাজারের মধ্যে একটি নতুন সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে বানানো হয়েছে এ টানেল। নির্মাণ কাজ করেছে চীনা কোম্পানি চায়না কমিউনিকেশন কনস্ট্রাকশন লিমিটেড- সিসিসি

এ টানেলের নিরাপত্তার দায়িত্বে আছে নৌবাহিনী। টানেলের দুই প্রান্তে দুটি থানা নির্মাণের প্রস্তাব চট্টগ্রাম নগর পুলিশের পক্ষ থেকে ইতোমধ্যে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠানো হয়েছে।

গত বছরের ২৮ অক্টেবার টানেলের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পরদিন সেটি জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হয়।


আরও খবর



ইসরায়েলি বর্বরতায় সন্তানসহ প্রাণ হারালেন সাংবাদিক

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

অবরুদ্ধ গাজায় উপত্যকায় ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় প্যালেস্টাইন টিভির সাংবাদিক নাফেজ আবদেল জাওয়াদ ও তার ছেলে নিহত হয়েছে।

গাজার দেইর আল বালাহর এলাকার কাছাকাছি অবস্থিত আস সালামের একটি আবাসিক ভবনে চালানো ইসরায়েলি হামলায় প্রাণ হারান তারা। এই হামলায় জাওয়াদ ও তার একমাত্র ছেলে ছাড়াও আরও অনেকে হতাহত হয়েছেন।

সংঘাত শুরুর পর থেকে গাজায় এখন পর্যন্ত ১২২ জনের বেশি সাংবাদিক ও গণমাধ্যম কর্মী প্রাণ হারিয়েছেন।

সংহিসতার ১২৫তম দিনেও গাজার বিভিন্ন অবস্থান জুড়ে হামলা অব্যাহত রেখেছে ইসরায়েলি বাহিনী। হামাসসহ অন্য প্রতিরোধ গোষ্ঠীগুলোও ইসরায়েলি সেনাদের বিরুদ্ধে তাদের লড়াই অব্যাহত রেখেছে। চলমান ইসরায়েলি আগ্রাসনে ২৮ হাজারের বেশি বেসামরিক ফিলিস্তিনি প্রাণ হারিয়েছে।


আরও খবর



বেনাপোল এক্সপ্রেসে আগুন: ৪০ দিন পর মরদেহ পেল ৪ পরিবার

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

গোপীবাগে ট্রেনে আগুনে দগ্ধ হয়ে প্রাণ হারানোর চারজনের মরদেহ ৪০ দিন পর হস্তান্তর করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার তাদের স্বজনদের কাছে মরদেহগুলো হস্তান্তর করা হয়।

ঢাকা রেলওয়ে থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সেতাফুর রহমান এ তথ্য জানিয়েছেন।

এদিকে মরদেহ হস্তান্তরের খবর শুনে সকাল থেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গের সামনে অপেক্ষা করেন স্বজনরা।

পুলিশের ওই কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ইতিপূর্বে চার পরিবার মরদেহ নেওয়ার জন্য আবেদন করেছিলেন, শনাক্তকরণ প্রক্রিয়ায় তাদেরই নাম এসেছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়।

যাদের মরদেহ হস্তান্তর করা হয় তারা হলেন- আবু তালহা (২৪), চন্দ্রিমা চৌধুরী সৌমি (২৮), নাতাশা জেসমিন নেকি (২৫), ও এলিনা ইয়াসমিনের (৪০)।


আরও খবর



সাতক্ষীরা সীমান্ত নদী ইছামতি থেকে বিএসএফ সদস্যের মৃতদেহ উদ্ধার

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
সাতক্ষীরা প্রতিনিধি

Image

সাতক্ষীরার সীমান্ত নদী ইছামতিতে ঘূর্ণিঝড়ে ট্রলার ডুবে ভারতীয় বিএসএফ সদস্য রিয়াজুল ইসলাম (৩০) নিহত হয়েছেন। দেবহাটা উপজেলার দক্ষিণ হাড়তদ্দাহ এলাকায় নদীর চরে তার মৃতদেহ পড়ে ছিল। পরে ভারতীয় বিএসএফ উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করে মৃতদেহটি নিয়ে যায়।

বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) রাত ১১টার দিকে ঘূর্ণিঝড়ের কবলে পড়ে ইছামতি নদীতে টহলকারী ট্রলার ডুবে এ দুর্ঘটনা ঘটে। শুক্রবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে তার মৃতদেহ খুঁজে পাওয়া যায়। নিহত বিএসএফ সদস্য সৈনিক পদে চাকরিরত ছিলেন।

১৭ বিজিবির শাখরা টাউন শ্রীপুর কোম্পানি কমান্ডার সুবেদার মুজিবর রহমান জানান, রাতে আকস্মিক ঘূর্ণিঝড় ও বৃষ্টিপাত হয়। ওই সময়ে নদীতে ভারতীয় বিএসএফের একটি টহলকারী ট্রলার অবস্থান করছিল। ঘূর্ণিঝড় কবলে পড়ে ট্রলারটি ডুবে যায়। রাতেই বিএসএফ অভিযান করে ট্রলারের মাঝিকে খুঁজে পায়। তবে একজন সৈনিক নিখোঁজ ছিলেন। নদীতে তখন জোয়ার ছিল। সকালে ভাটার সময় নিখোঁজ ট্রলার ও বিএসএফ সৈনিকের মৃতদেহ দক্ষিণ হাড়তদ্দাহ বালুরচরে পড়ে থাকতে দেখা যায়। তখন ভারতীয় বিএসএফ উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করে মৃতদেহটি নিয়ে যায়। বিএসএফের কাছে থাকা অস্ত্র উদ্ধার হলেও একটি ওয়ারলেস পাওয়া যায়নি।


আরও খবর
ঝিনাইদহ জেলা কারাগারে কয়েদির মৃত্যু

সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪