আজঃ মঙ্গলবার ২৩ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম

আওয়ামী লীগ নেতা মিন্টু সদুত্তর দিতে না পারলে গ্রেফতার: হারুন

প্রকাশিত:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনার হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডিবি কার্যালয়ে আনা হয়েছে ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাইদুল করিম মিন্টুকে।

ডিবির তদন্তকারী কর্মকর্তার কাছে হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত রয়েছে। সে তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে মিন্টু যদি কোনো সদুত্তর দিতে না পারেন তাহলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা (গ্রেফতার) নেবেন তদন্তকারী কর্মকর্তা।

বুধবার (১২ জুন) বিকেলে মিন্টো রোডে নিজ কার্যালয়ে গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ এসব কথা বলেন। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।

মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ বলেন, ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক কাজী কামাল আহমেদ বাবু ওরফে গ্যাস বাবুর কাছে পাওয়া তথ্য-উপাত্ত বিচার বিশ্লেষণের পরেই জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাইদুল করিম মিন্টুকে ডাকা হয়েছে। মিন্টুর কাছে তথ্যগুলো জানতে চাওয়া হবে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার কাছে যদি মিন্টু সদুত্তর দিতে পারেন তবে তাকে ছেড়ে দেওয়া হবে। আর যদি কোনো প্রশ্নের সদুত্তর দিতে না পারেন তবে তদন্তের ধারাবাহিকতায় যা করার তাই করা হবে।

মিন্টুকে গ্রেফতার না দেখিয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে কেন? এমন প্রশ্নের জবাবে ডিবিপ্রধান বলেন, আমাদের তদন্তকারী কর্মকর্তার কাছে হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত রয়েছে। সে তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে মিন্টু যদি কোনো সদুত্তর দিতে না পারেন, তদন্তকারী কর্মকর্তা তখনই আইনগত ব্যবস্থা নেবেন।

তিনি বলেন, বিভিন্ন তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক কাজী কামাল আহমেদ বাবু ওরফে গ্যাস বাবুকে নিয়ে আসি। আমরা যখন কাউকে নিয়ে আসি অবশ্যই কিছু তথ্য-উপাত্ত থাকে। প্রমাণের ভিত্তিতেই তাকে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করি। জিজ্ঞাসাবাদে গ্যাস বাবু অকপটে স্বীকার করেন যে, ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেওয়া ঘাতক শিমুল ভূঁইয়ার সঙ্গে তিনি বৈঠক করেছিলেন। শিমুল ভূঁইয়া গ্যাস বাবুকে এমপি আনার হত্যার পর ছবি দেখিয়েছেন।

১৬ তারিখেই (১৬ মে) যদি হত্যাকাণ্ডের তথ্য ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাইদুল করিম মিন্টু ও গ্যাস বাবু জেনে থাকেন তাহলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে তারা কেন জানালেন না? এটিও অপরাধ। এমন প্রশ্নের জবাবে হারুন অর রশীদ বলেন, হ্যাঁ এটি সঠিক। কেন তারা হত্যাকাণ্ডের বিষয় গোপন করলেন এটিই জানতে চাওয়া হবে।

এমপি আনার হত্যাকাণ্ডে এখন পর্যন্ত দুজনের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা পেয়েছেন। এমন আরও কতজন রাজনৈতিক ব্যক্তির সম্পৃক্ততা রয়েছে হত্যাকাণ্ডের পেছনে? এই প্রশ্নের উত্তরে ডিবিপ্রধান বলেন, জেলা আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক গ্যাস বাবু রিমান্ডে রয়েছেন এবং জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মিন্টুকে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। এছাড়াও অনেকের সম্পর্কে তথ্য-প্রমাণ রয়েছে। সবকিছু ধীরে-সুস্থে এগোচ্ছি। এমপি আনার হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে যারা জড়িত, যারা নির্দেশ দিয়েছেন এবং এর সঙ্গে যে বা যারাই জড়িত তাদের কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। এটাও বলে রাখতে চাই, কারও প্ররোচনায় কোনো নিরপরাধ ব্যক্তিতে কোনো হয়রানি করা হবে না।

তদন্তকারী কর্মকর্তারা স্বাধীনভাবে সব মামলার ঘটনা তদন্ত করেন জানিয়ে তিনি বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ আমাদের ওপর কোনো চাপ প্রয়োগ করে না। কারণ তারা জানে ডিবির সব চৌকস টিম মামলার তদন্ত করে প্রকৃত অপরাধী দেশে কিংবা বিদেশে থাকলেও তাদেরকে খুঁজে বের করে আনে। কোনো নিরীহ লোককে হয়রানি করার প্রশ্নই আসে না।

হারুন অর রশীদ আরও বলেন, খুনিরা ঠান্ডা মাথায় এমপি আনারকে খুন করার পর মরদেহ গুম করেন। আমরা বাংলাদেশ থেকে তিনজনকে গ্রেফতার করি। এরমধ্যে মূলঘাতক আমানুল্লাহ ওরফে শিমুল ভূঁইয়া জিজ্ঞাসাবাদে সবকিছু স্বীকার করেছেন। আনার হত্যার ঘটনা ঘটেছে কলকাতায়। আমরা কলকাতায় গিয়েছিলাম এবং সেখানে গ্রেফতার আসামির সঙ্গে কথা বলেছি।


আরও খবর
মেট্রোরেল চলাচল পুরোপুরি বন্ধ

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




প্রশ্নপত্র ফাঁস: ১০ আসামি কারাগারে

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৯ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৯ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আদালত প্রতিবেদক

Image

বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের (বিসিএস) পরীক্ষাসহ গত ১২ বছরে ৩০টি নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের অভিযোগে গ্রেফতার ১৭ আসামির মধ্যে ১০ জনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার (৯ জুলাই) বিকালে শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট তাহমিনা হকের আদালত তাদের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

কারাগারে যাওয়া আসামিরা হলেন- সরকারি কর্মকমিশনের (পিএসসি) সাবেক চেয়ারম্যানের গাড়িচালক সৈয়দ আবেদ আলীর ছেলে সৈয়দ সোহানুর রহমান সিয়াম, পিএসসির উপ-পরিচালক মো. আবু জাফর ও মো. জাহাঙ্গীর আলম, সহকারী পরিচালক মো. আলমগীর কবির, সাবেক সেনা সদস্য নোমান সিদ্দিকী, অডিটর প্রিয়নাথ রায়, ব্যবসায়ী মো. জাহিদুল ইসলাম, নারায়ণগঞ্জ পাসপোর্ট অফিসের নিরাপত্তা প্রহরী শাহাদাত হোসেন, ঢাকার ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অফিসে কর্মরত মো. মামুনুর রশীদ ও শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের মেডিক্যাল টেকনিশিয়ান মো. নিয়ামুন হাসান।

এর আগে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির অতিরিক্ত বিশেষ পুলিশ সুপার জুয়েল চাকমা ১৭ আসামিকে আদালতে হাজির করেন। এর মধ্যে পিএসসির চেয়ারম্যানের সাবেক গাড়িচালক সৈয়দ আবেদ আলী জীবন, অফিস সহায়ক খলিলুর রহমান, অফিস সহায়ক (ডিসপাস) সাজেদুল ইসলাম, ব্যবসায়ী আবু সোলায়মান মো. সোহেল, ব্যবসায়ী সহোদর সাখাওয়াত হোসেন ও সাইম হোসেন এবং লিটন সরকারকে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ড করার আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা। বাকি ১০ আসামিকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করা হয়।

এদিকে ১০ আসামির পক্ষে ফারুক আহাম্মদ, কাওসার আহমেদসহ কয়েকজন আইনজীবী জামিন চেয়ে শুনানি করেন। রাষ্ট্রপক্ষ এই জামিনের বিরোধিতা করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত তাদের জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

উল্লেখ, সাত আসামি ঢাকার পৃথক চার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিচ্ছেন।

প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় গত ৮ জুলাই রাতে সিআইডির পক্ষ থেকে রাজধানীর পল্টন থানায় মামলা করা হয়। মামলায় ৩১ আসামির নাম উল্লেখ করে অর্ধশতাধিক অজ্ঞাত নামে আসামি করা হয়েছে।


আরও খবর
কোটা নিয়ে আপিল বিভাগে শুনানি রোববার

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




কোটা বিরোধী আন্দোলনে উত্তাল দক্ষিণের জনপদ

প্রকাশিত:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
মোঃ মোছাদ্দেক হাওলাদার, বরিশাল প্রতিনিধি

Image

সারাদেশে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর ন্যক্কারজনক হামলার প্রতিবাদে ও কোটা সংস্কারের দাবিতে এখন উত্তাল হয়ে উঠছে দক্ষিণের জনপদ বরিশাল। কর্মসূচির অংশ হিসেবে দিন-রাত সমান তালে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছে শিক্ষার্থীরা। প্রতিদিন আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের সর্বাত্মক প্রতিরোধের মুখে অচল হয়ে আছে বরিশাল-ঢাকা ও কুয়াকাটা-বরিশাল মহাসড়ক। শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে দক্ষিণাঞ্চলের জনগুরুত্বপূর্ন সড়কগুলোতে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়সহ বরিশালের সিংহ ভাগ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা।

বরিশালে কোটা নিয়ে প্রথম আন্দোলনে নামেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। তারা বরিশাল-কুয়াকাটা মহাসড়ক অবরোধ করে অধ্যাবদি আন্দোলন চালিয়ে আসছেন। এতে প্রতিদিন শহরে দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়। এরপর অবরোধ কর্মসূচিতে একাত্মতা প্রকাশ করে বরিশাল কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এলাকায় ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কসহ নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক অবরোধ করে আন্দোলনে যোগ দেয় সরকারি ব্রজমোহন (বিএম) কলেজ, শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ, সরকারি সৈয়দ হাতেম আলী কলেজ, বেসরকারি অমৃত লাল দে মহাবিদ্যালয়, সরকারি মহিলা কলেজ, সরকারি পলিটেকনিক কলেজ, ইনফ্রা পলিটেকনিকসহ অধিকাংশ সরকারি-বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। এদিকে বরিশালের বাইরে বিভাগের বাকি জেলাগুলোতে বিচ্ছিন্ন কয়েকটি আন্দোলনের খবর পাওয়া গেছে। তবে লাগাতার কর্মসূচি পালন করতে দেখাযায়নি জেলাপর্যায়ের শিক্ষার্থীদের।

বরিশালে গতকাল বুধবার (১৭ জুলাই) শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধের দিনেও রাজপথে আন্দোলনে সবর ছিলেন শিক্ষার্থীরা। সরেজমিনে দেখা গেছে, বেলা সকাল ১১ টায় সাধারণ শিক্ষার্থী ব্যানারে বরিশাল নগরের নতুল্লাবাদ কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এলাকায় অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু হয়। এছাড়াও রুপাতলি বাস টার্মিনাল এলাকা ও বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে সড়কে বিক্ষোভ করছে শিক্ষার্থীরা। এছাড়াও জেলার বাইরে উজিরপুর উপজেলায় ঢাকা-বরিশাল মহাসড়ক অবরোধ করে রাখেন সাধারন শিক্ষার্থীরা। সড়ক অবরোধ করে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ করলে সড়কের দুইপাশে যানবাহনের দীর্ঘ লাইন পড়ে। ভোগান্তিতে পরেন যাত্রী সহ সাধারণ মানুষ। অনেকে পায়ে হেঁটে গন্তব্যে রওনা হন। শিক্ষার্থীদের আন্দোলনকে কেন্দ্র করে জনসাধারণের জান মালের নিরাপত্তায় কাজ করছেন পুলিশ সদস্যরা ।

এদিকে বুধবার বরিশাাল বিশ্ববিদ্যালয় (ববি) অনির্দিষ্টকালের জন্য শিক্ষা কার্যক্রম ও আবাসিক হল সমূহ বন্ধ ঘোষণা করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। সেইসাথে বেলা ৩টার মধ্যে শিক্ষার্থীদের হল ত্যাগ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিষ্ট্রার মো. মনিরুল ইসলাম সাক্ষরিত এক নোটিশের মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

তবে এসব নির্দেশ উপেক্ষা করে আন্দোলনে সবর রয়েছে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। তারা বুধবার সকাল থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে বরিশাল-কুয়াকাটা মহাসড়ক অবরোধ করে আন্দোলন করে শিক্ষার্থীরা। হল বন্ধ থাকায় দুপুরে শুকনো খাবার খেয়ে আন্দোলনে সবর আছেন তারা।

এরআগে গত মঙ্গলবার রাতে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনকারী ববি শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার শঙ্কার খবর ছড়িয়ে পরে। যে কারনে উপাচার্য, প্রক্টর, প্রভোস্টসহ বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মকর্তারা শিক্ষার্থীদের সাথে হলগুলোতে রাত কাটিয়েছেন।

অপরদিকে এর আগে গত মঙ্গলবার সরকারি ব্রজমোহন (বিএম) কলেজ ক্যাম্পাসে কোটা সংস্কারের দাবি আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা চালিয়েছে ছাত্রলীগ। আন্দোলনকারীরাও তাদের ধাওয়া দিয়ে ক্যাম্পাস দখলে নিয়েছে। এতে দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত হয়েছেন অন্তত ১০ জন।


আরও খবর



ছাগলকাণ্ডের মতিউরের জমির হিসাব চেয়ে দুদকের চিঠি

প্রকাশিত:রবিবার ৩০ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ৩০ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

ছাগলকাণ্ডে আলোচিত জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সাবেক কর্মকর্তা মতিউর রহমানের বিষয়ে এবার নড়েচড়ে বসেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

রোববার (৩০ জুন) মতিউর দম্পতির জমিজমার হিসাব চেয়ে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলার সাব রেজিস্ট্রি অফিসে চিঠি দিয়েছে দুদক।

জানা গেছে, এই কর্মকর্তা ও তার পরিবারের সদস্যদের জ্ঞাত আয় বহির্ভূত ক্রয়কৃত কোনো জমি আছে কিনা, সেটি জানতেই এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন।

তবে এরআগে, চারবার মতিউরের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ পায় দুদক। কিন্তু প্রতিবারই নানা কৌশলে নানা প্রভাব খাটিয়ে দুর্নীতির অভিযোগে ক্লিন চিট পেয়েছিলেন ছাগলকাণ্ডের মতিউর রহমান।

মতিউর রহমানের বিরুদ্ধে সর্বপ্রথম দুদকে অভিযোগ আসে ২০০৪ সালে। সে সময় তার বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল হুন্ডির মাধ্যমে টাকা পাচারের। অভিযোগ আছে, হুন্ডির মাধ্যমে পাচার করা টাকা প্রবাসী কোনো এক আত্মীয়র মাধ্যমে দেশে ফিরিয়ে এনে তা রেমিট্যান্স বাবদ দেখিয়ে দিয়েছিলেন ট্যাক্স ফাইলে।

২০০৮ সালে আবারও দুদকে অভিযোগ জমা পড়ে তার বিরুদ্ধে। এবার অভিযোগ বিলাসবহুল পণ্যের শুল্ক মাফ করিয়ে দেয়ার মাধ্যমে অবৈধভাবে অর্থ উপার্জন। কিন্তু তদন্ত শুরু হতে না হতেই প্রভাবশালীদের চাপে তা চাপা পড়ে যায়, ক্লিন চিট পান মতিউর। এরপর ২০১৩ ও ২০২১ সালে আরও দুবার দুদকে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ দেয়া হয়। অভিযোগ ছিল অবৈধ সম্পদ ও সম্পত্তির। কিন্তু কৌশলী মতিউর অবৈধ সম্পদকে পারিবারিক ব্যবসা ও ঋণ দেখিয়ে প্রস্তুত করেন ট্যাক্স ফাইল। ফলে আবারও ক্লিনচিট।

তবে পঞ্চমবারের মতো তদন্তে নেমে দুদক আগের চারবারের প্রতিটি বিষয়ে পর্যালোচনা করার আশ্বাস দিয়েছে। একইসঙ্গে আশ্বাস দিয়েছে, যে বা যাদের মাধ্যমে বারবার দায়মুক্তি পেয়েছে মতিউর, তা-ও খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের।

সম্প্রতি ঈদুল আজহার আগে মতিউর রহমানের ছেলে মুশফিকুর রহমান ইফাতের ১৫ লাখ টাকায় ছাগল কেনার একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়। এর প্রেক্ষিতেই এনবিআরের এই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে।


আরও খবর
মেট্রোরেল চলাচল পুরোপুরি বন্ধ

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




ভারতের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর কোনো চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়নি: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশিত:শনিবার ২৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৯ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক ভারত সফরে দেশটির সঙ্গে বাংলাদেশের কোনো চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়নি বলে জানালেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ।

আজ শনিবার দুপুরে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের বঙ্গবন্ধু হলে দলের প্লাটিনাম জয়ন্তী উপলক্ষে চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত আওয়ামী লীগ ও বঙ্গবন্ধু শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী ভারত সফরে গেছেন। ভারতের সঙ্গে কিছু সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে, কিছু সমঝোতা স্মারক নবায়ন করা হয়েছে। কোনো চুক্তি কিন্তু স্বাক্ষরিত হয়নি। বিএনপি নেতারা হরহামেশা বলে যাচ্ছেন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। বিএনপি নেতারা তো শিক্ষিত। শিক্ষিত মানুষ কেন অশিক্ষিতের মতো কথা বলে যাচ্ছেন সেটা আমার বোধগম্য নয়।

হাছান মাহমুদ বলেন, ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাহেব নাকি ঢাকা কলেজে পড়াতেন, মঈন খানও শিক্ষিত। আরও বেশ কয়েকজন শিক্ষিত মানুষ কেন অশিক্ষিতের মতো কথা বলছে সেটা আমার বোধগম্য নয়। চুক্তি আর সমঝোতা স্মারকের মধ্যে তারা পার্থক্য বুঝতে পারছেন না সেটা আমার বোধগম্য নয়। সমস্ত সমঝোতা স্মারক দেশের স্বার্থে করা হয়েছে।

তিনি বলেন, আমরা কানেকটিভিটি বাড়াতে চাচ্ছি। কানেকটিভিটি বাড়ানোর জন্য ঢাকা-কলকাতা ট্রেন চালু হয়েছে। ইতোমধ্যে খুলনা কলকাতা ট্রেন চালু হয়েছে। দিনাজপুর-শিলিগুড়ি ট্রেন চালু হয়েছে। আখাউড়া দিয়ে ট্রেন চালু হওয়ার সমস্ত প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। আমরা ভারতের ভূমির ওপর দিয়ে নেপাল থেকে জলবিদ্যুৎ আমদানির চুক্তি স্বাক্ষর করেছি। ভুটানের সঙ্গেও আলাপ আলোচনা চলছে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, কানেকটিভিটি আমরা আরও বাড়াতে চাই। সেই কানেকটিভিটির সঙ্গে আমরা নেপাল এবং ভুটানকেও যুক্ত করতে চাই। এই অঞ্চলের মানুষের উন্নয়নের স্বার্থে ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির স্বার্থে এটি আমরা করতে চাই।

চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এম এ সালাম সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমানের সঞ্চালনায় সেমিনারে অন্যদের মধ্যে আরও বক্তব্য দেন উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি এবং চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এ টি এম পেয়ারুল ইসলাম, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল কালাম আজাদসহ জেলা আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, যুব মহিলা লীগ ও ছাত্রলীগের নেতারা।


আরও খবর
মেট্রোরেল চলাচল পুরোপুরি বন্ধ

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




যাদের জরায়ু নেই তাদের জ্ঞান দেওয়ারও প্রয়োজন নেই: রিচা চড্ডা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৭ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৭ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিনোদন ডেস্ক

Image

কল্কির সাংবাদিক সম্মেলনে কালো বডিকন ড্রেসের সঙ্গে হাই হিলে নজর কেড়েছিলেন দীপিকা পাড়ুকোন। ভক্তরা দীপিকার লুকের কদর করলেও নিন্দুকেরা অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় হাই হিল পরাকে মোটেই সমর্থন করেননি। সমালোচকরা দীপিকার হাই হিল নিয়ে রীতিমতো যেন বিচারসভা বসিয়ে ফেলেছেন। এই রকম পরিস্থিতিতে দীপিকার পাশে দাঁড়ালেন আরেক অন্তঃসত্ত্বা রিচা চড্ডা।

বৃহস্পতিবার (২৭ জুন) বিগ স্ক্রিনে মুক্তি পাবে অশ্বিনী নাগ পরিচালিত বহু প্রতিক্ষীত সিনেমা কল্কি। প্রথমবার এই সিনেমার মাধ্যমে বড় পর্দায় জুটি বাঁধছেন দক্ষিণী সুপারস্টার প্রভাস ও বলিউডের গ্ল্যাম ডল দীপিকা পাড়ুকোন। এছাড়া, এই সিনেমায় রয়েছেন অমিতাভ বচ্চন, শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়সহ আরও অনেকেই।

শেষ মুহূর্তে সিনেমার প্রচারে সাংবাদিক সম্মেলনে হাজির ছিলেন প্রভাস, অমিতাভ ও দীপিকা। কালো বডিকন ড্রেসে স্পষ্ট ছিল দীপিকার বেবি বাম্প। বলা ভালো প্রেগন্যান্সির ছয় মাস পর প্রথমবার বেবি বাম্প প্রদর্শন করলেন তিনি। সেই সঙ্গে নজর কেড়েছিল দীপিকার পেন্সিল হিল। যা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় সমালোচকরা একেবারে বিচারসভা বসিয়ে দিয়েছিলেন। অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় এই রকম হিল পরা উচিত নয় বলেও দীপিকার সমালোচনা করেছেন অনেকে। দীপিকাকে নিয়ে নেটিজেনদের সমালোচনার জবাব কড়াভাবে দিয়েছেন রিচা চড্ডা।

দীপিকা বা রণবীর এই প্রসঙ্গে একটি কথাও বলেননি। কিন্তু, রিচা চড্ডা একেবারে চাঁচা-ছোলা ভাষায় জবাব দিয়েছেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি লিখেছেন, নো ইউট্রাস নো জ্ঞান। অর্থাৎ যাদের জরায়ু নেই তাদের জ্ঞান দেওয়ারও প্রয়োজন নেই

প্রসঙ্গত, দীপিকার হিল পরা নিয়ে একজন নেটিজেন একটি রিল শেয়ার করেন। সেখানে দীপিকাকে সমর্থন করে তিনি লেখেন, দীপিকা বাচ্চা মেয়ে নয় যে ড্রেসিং সেন্স নিয়ে ওর কারও মতামত লাগবে। দীপিকা নিজের ভালোটা বোঝেন কোন জিনিস তাকে আরাম দেবে। তাই তৃতীয় ব্যক্তির পরামর্শের প্রয়োজন নেই। ওই রিল ভিডিওর নীচেই রিচ চড্ডার মন্তব্য, নো ইউট্রাস নো জ্ঞান

গত ১৯ জুন সন্ধ্যায় কল্কির প্রচারে হাই হিলসহ কালো বডিকন ড্রেসে যেন প্রেগন্যান্সি গ্লো ফুটে উঠেছিল। তবে, ছয় মাসের গর্ভবতী এই ধরনের হাই হিল পরায় প্রচুর সমালোচিতও হয়েছেন দীপিকা। কেউ লিখেছেন, গর্ভাবস্থায় এমন হাই হিল সত্যিই বিপজ্জনক। কারও মতে, যতই সুন্দর দেখতে হোক না কেন, এই সময়ে এমন হাই হিল পরা একেবারে উচিত নয়। কেউ লিখেছেন, গর্ভাবস্থায় কে এমন হাই হিল পরে?

কিছুদিন আগেও অন্তঃসত্ত্বা দীপিকাকে নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছিল। সেই সময় গর্ভবতী স্ত্রীর পাশে দাঁড়িয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জবাব দিয়েছিলেন রণবীর সিং।


আরও খবর