আজঃ মঙ্গলবার ২৩ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম

আওয়ামী লীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে কর্মসূচি ঘোষণা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24 | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24 | পত্রিকায় প্রকাশিত
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

আওয়ামী লীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী (প্লাটিনাম জুবিলি) উপলক্ষে কর্মসূচি ঘোষণা করেছে দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। বৃহস্পতিবার (২০ জুন) রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে দলের যৌথ সভায় এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন তিনি।

ওবায়দুল কাদের বলেন, দিনটি উপলক্ষে ‌র‍্যালি করবে আওয়ামী লীগ। দেশব্যাপী তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত উদযাপন করা হবে বিশেষ এ প্লাটিনাম জুবিলি। শুক্রবার (২১ জুন) দুপুর ৩টায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন থেকে প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর র‍্যালি শুরু হবে, যা ৩২ নম্বরে গিয়ে শেষ হবে। ২২ জুন রবীন্দ্র সরোবরে হবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। রোববার (২৩ জুন) সকাল ৭টায় ধানমন্ডির ৩২ নম্বর সড়কে জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানাবেন দলীয় সভাপতি শেখ হাসিনা। এরপর আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতাকর্মীরা।

তিনি বলেন, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে দলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর সমাবেশ হবে দুপুর আড়াই টায়। এদিনটি উপলক্ষে সারা দেশে গাছ লাগানোর জন্য সবুজ ধরিত্রী অভিযান পরিচালনা করা হবে দলীয়ভাবে। সোমবার ২৪ জুন সন্ধ্যায় হাতিরঝিলে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করা হবে। এছাড়াও আয়োজন আছে রোজ গার্ডেনেও। আবার প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে ২৮ জুন হবে সাইকেল র‍্যালি।

এ সময় ওবায়দুল কাদের বলেন, দেশের যা কিছু মহৎ অর্জন, তা কেবল আওয়ামী লীগের মাধ্যমেই অর্জিত হয়েছে। গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস পেরিয়ে এসেছে এ দল৷ সব বাধা-বিঘ্ন উপেক্ষা করেই প্রতিষ্ঠা করেছে গণ মানুষের অধিকার। দেশের যা কিছু মহৎ অর্জন, তা কেবল আওয়ামী লীগের মাধ্যমেই অর্জিত হয়েছে।

সিলেটের বন্যা পরিস্থিতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিয়মিত খোঁজখবর নিচ্ছেন বলেও জানিয়েছেন ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, সিলেটে ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতি। এই অবস্থায় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের ত্রাণ কার্যক্রম এবং উদ্ধার কার্যক্রমে অংশ নিতে হবে। সিলেট অঞ্চলের জনপ্রতিনিধিদের পানিবন্দি মানুষকে সাধ্যমতো সহযোগিতার আহ্বান জানান তিনি।

কাদের বলেন, পৃথিবীর কোথাও কখনো শান্তিপূর্ণভাবে ছিটমহল সমস্যার সমাধান হয়নি। কিন্তু আমাদের দেশে তা শান্তিপূর্ণভাবে হয়েছে, কারণ আমরা সুন্দর সম্পর্ক বজায় রাখতে চাই। সম্পর্ক বন্ধুত্বপূর্ণ থাকলে আলোচনার মাধ্যমে যেকোনো সমস্যার সমাধান করা যায়। অথচ জিয়াউর রহমান, খালেদা জিয়া ভারতের সঙ্গে বৈরিতাপূর্ণ সম্পর্ক তৈরি করেছিলেন। খালেদা জিয়া তো ভারতে গিয়ে গঙ্গার পানিচুক্তির কথা বলতেই ভুলে গিয়েছিলেন।


আরও খবর
ছাত্রলীগের ওয়েবসাইট হ্যাক

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




কোটা আন্দোলন নিয়ে সমন্বয়কদের নতুন দিকনির্দেশনা

প্রকাশিত:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে অনড় আন্দোলনকারীরা। সারাদেশে চলছে তাদের কর্মসূচি। এর মধ্যেই আন্দোলনকে আরও বেগবান করতে এলো নতুন ১০ নির্দেশনা। বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক প্যানেলের পক্ষ থেকে এই নির্দেশনাগুলো দেওয়া হয়েছে।

আন্দোলনের সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম ফেসবুকে একটি খোলা বার্তার মাধ্যমে বিষয়টি সবাইকে জানিয়েছেন।

ওই বার্তায় তিনি উল্লেখ করেন-

১. বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ, জেলা ও মহানগরে যারা আন্দোলন সমন্বয় করছেন সবাই সংগঠিত হওয়ার জন্য আলাদা করে সমন্বয়ক কমিটি তৈরি করুন। দল, মত নির্বিশেষে সকলের অংশগ্রহণের সুযোগ রাখুন৷ সকলের কাছে গ্রহণযোগ্য নেতৃত্ব তৈরি করুন এবং সবার সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করুন। তবে আন্দোলনের স্বার্থে বিতর্কিত বা রাজনৈতিকভাবে প্রশ্ন উঠতে পারে এরকম কাউকে নেতৃত্ব পর্যায়ে রাখবেন না।

২. আন্দোলনকে কোনো একক বা মূল নেতৃত্বের উপর নির্ভরশীল করবেন না। সবসময় বিকল্প নেতৃত্ব প্রস্তুত রাখুন। প্রথম দিকের নেতৃত্বে ওপর ঝামেলা হলেও তাহলে আন্দোলন স্তিমিত হবে না। নেতৃত্বে নতুন চেহারা আনার চেষ্টা করুন।

৩. ইন্টার্নালি সংগঠিত থাকুন কিন্তু আন্দোলনকে কোনো সাংগঠনিক রুপ দিবেন না। কমিটিটা শুধু শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য। আন্দোলনের স্বতঃস্ফূর্ত চরিত্র যাতে বজায় থাকে৷ তবে কোনো পক্ষ অনুপ্রবেশ করে যাতে স্যাবোটেজ করতে না পারে এ বিষয়ে সতর্ক থাকবেন৷ আন্দোলন সব সময় শান্তিপূর্ণ ও অহিংস হবে।

৪. যে স্থানে কর্মসূচি করবেন সেখানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যোগাযোগ করতে চাইলে তাদের সঙ্গে কোঅপারেট করুন। কিন্তু সকল সিদ্ধান্ত আপনারাই নেবেন। কোনো ধরনের আপস করা যাবে না।

৫. সম্মিলিতভাবে আন্দোলন করার চেষ্টা করুন। জেলা বা মহানগরের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা নিজেদের মধ্যে সমন্বয় তৈরি করুন এবং একসঙ্গে বড় জমায়েত করার চেষ্টা করুন।

৬. কারও ওপর কোনো আঘাত বা হুমকি আসলে সম্মিলিতভাবে প্রতিরোধ করুন। ভয় পাবেন না। পিছিয়ে যাবেন না। সামনে এসে কথা বলুন। এখানে গোপনীয়তার কিছু নাই। আমাদের দাবি ও বক্তব্য সুস্পষ্ট ও যৌক্তিক।

৭. বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজের সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনকে যুক্ত করুন। কর্মসূচিতে সাংস্কৃতিক আয়োজন রাখুন। জেলা ও মহানগরের নাগরিক সংগঠনগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ করুন। কর্মসূচির আগে মাইকিং ও লিফলেটের মাধ্যমে ব্যাপক গণসংযোগ করুন। হলের রুমে রুমে, লাইব্রেরিতে প্রচার করুন।

৮. মিডিয়া ও সংবাদকর্মীদের সঙ্গে সুসম্পর্ক রাখুন। মিডিয়ার সামনে বুঝেশুনে কথা বলুন যাতে মূল বক্তব্যের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ থাকে। প্রোগ্রামে ও মিডিয়ায় আন্দোলনের সঙ্গে সম্পর্ক নেই এ রকম বক্তব্য বা স্লোগান দিবেন না।

৯. ঢাকার সঙ্গে সমন্বয় করে কর্মসূচি রাখার চেষ্টা করুন। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ব্যানার যারা ব্যবহার করবেন, তারা অবশ্যই ঢাকার সঙ্গে আলোচনা করে নেবেন।

১০. অর্থ সংগ্রহের জন্য সরাসরি ক্রাউড ফান্ডিং করুন। কোনো অনলাইন মাধ্যম ব্যবহার করবেন না। অর্থের নিয়মিত হিসাব রাখুন এবং সমন্বয়ক টিমের কাছে হিসাব ক্লিয়ার রাখুন। কোনো প্রতিষ্ঠান থেকে অর্থ নেবেন না। কারও কাছ থেকে বেশি অঙ্কের টাকা নেবেন না। রাজনৈতিক স্বার্থ আছে এ রকম কারও কাছ থেকে কোনো আর্থিক সহযোগিতা নেবেন না।

উল্লেখ্য, ২০১৮ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশে সরকারি চাকরিতে ৫৬ শতাংশ কোটা প্রচলিত ছিল। এর মধ্যে ৩০ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা কোটা, ১০ শতাংশ নারী কোটা, অনগ্রসর জেলার বাসিন্দাদের জন্য ১০ শতাংশ কোটা, ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর মানুষদের জন্য ৫ শতাংশ এবং প্রতিবন্ধীদের জন্য ১ শতাংশ আসন সংরক্ষিত ছিল।

ওই বছর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কোটা সংস্কারের দাবিতে বড় বিক্ষোভ হয়। কোটাব্যবস্থার সংস্কার করে ৫৬ শতাংশ কোটা থেকে ১০ শতাংশে নামিয়ে আনার দাবি জানিয়েছিলেন আন্দোলনকারীরা। পরে ওই বছরের ৪ অক্টোবর কোটাপদ্ধতি বাতিলবিষয়ক পরিপত্র জারি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

এর মাধ্যমে ৪৬ বছর ধরে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির সরকারি চাকরিতে যে কোটাব্যবস্থা ছিল, তা বাতিল হয়ে যায়। পরে ২০২১ সালে সেই পরিপত্রের মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিলের অংশটিকে চ্যালেঞ্জ করে কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান উচ্চ আদালতে রিট করেন। সেই রিটের রায়ে চলতি বছরের ৫ জুন পরিপত্রের ওই অংশ অবৈধ ঘোষণা করা হয়। এরপর চাকরিপ্রত্যাশী সাধারণ শিক্ষার্থীরা মাঠে নামেন।

টানা কয়েক দিন আন্দোলনের পর গত ৯ জুলাই কোটা পুনর্বহাল নিয়ে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থী। পরদিন হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের ওপর এক মাসের স্থিতাবস্থা জারি করেন আপিল বিভাগ। এ আদেশের ফলে মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিল করে ২০১৮ সালে সরকারের জারি করা পরিপত্র বহাল থাকছে। তবে শিক্ষার্থীরা আপিল বিভাগের এই আদেশ প্রত্যাখ্যান করে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন। যা এখনও চলমান।


আরও খবর
মেট্রোরেল চলাচল পুরোপুরি বন্ধ

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




কোটা বিরোধী আন্দোলনের সঙ্গে একমত বিএনপি

প্রকাশিত:শনিবার ০৬ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ০৬ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

চলমান কোটা সংস্কার আন্দোলনের সঙ্গে একমত পোষণ করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

শনিবার (৬ জুলাই) দুপুরে গুলশানে দলটির চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সমম্মেলনে তিনি এ কথা জানান।

মির্জা ফখরুল বলেন, গত কয়েক দিন যাবৎ ছাত্ররা সরকারি চাকরিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে কোটা পদ্ধতি বাতিলের জন্য হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে রাস্তায় আন্দোলন করছে। সাধারণ ছাত্রসমাজের এই কোটা সংস্কার আন্দোলনের ন্যায্য ও যৌক্তিক দাবিগুলোর সাথে আমরা একমত।

তিনি বলেন, মুক্তিযোদ্ধারা জাতীর শ্রেষ্ঠ সন্তান। তাদেরকে রাষ্ট্রীয়ভাবে সম্মাননা প্রদান করা হয়। রাষ্ট্রীয় আচার অনুষ্ঠান, জাতীয় দিবসগুলো এমনকি তাদের মৃত্যুর পর রাষ্ট্রীয় সম্মানের সহিত দাফন সম্পূর্ণ করা হয়। এগুলো তাদের প্রাপ্য। এছাড়াও মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতাসহ নানান সুবিধা আছে।

মির্জা ফখরুল বলেন, স্বাধীনতার ঘোষণা পত্রের ভিত্তিতে মুক্তিযুদ্ধের অর্থাৎ স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রধান অঙ্গীকার ছিল সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার নিশ্চিত করা। বৈষম্যহীন রাষ্ট্র ও সমাজ বিনির্মাণ করা। সাংবিধানিকভাবে ও আইনের দৃষ্টিতে সকল নাগরিক সমান। কিন্তু সংবিধানের ২৮ (৪) এবং ২৯ (৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নারী ও নাগরিকদের পিছিয়ে পড়া অংশ এবং প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা ও শারীরিক প্রতিবন্ধীর বাইরে ব্যতিক্রম হিসেবে কিছু সংরক্ষণ ব্যবস্থা রাখা যেতে পারে। ৫৬ শতাংশ কোটা ব্যবস্থা বহাল রেখে প্রযুক্তি ও মেধানির্ভর বিশ্বব্যবস্থায় জাতি হিসেবে টিকে থাকা প্রায় অসম্ভব।

তিনি বলেন, প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণিসহ কোনো শ্রেণিতেই কোটা পদ্ধতি মেধা বিকাশে সহায়ক হতে পারে না এবং মেধা ভিত্তিক বৈষম্যহীন জাতি ও সমাজ বিনির্মাণে মুক্তিযুদ্ধের অংগীকারের সঙ্গে এটা সাংঘর্ষিক। বর্তমান অবৈধ, অনির্বাচিত, কতৃত্ববাদী সরকার বিচার বিভাগকে ব্যবহার করে অর্থাৎ আদালতের ঘাড়ে বন্দুক রেখে জনগণের ন্যায্য দাবিগুলো দমিয়ে রাখার ঘৃণ্য পুরোনো কৌশলেই ছাত্রসমাজের ন্যায্য আন্দোলনকে দমানোর অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে।

মির্জা ফখরুল বলেন, একবিংশ শতাব্দীর এই সময়ে এসে প্রযুক্তি ও জ্ঞান ভিত্তিক বৈশ্বিক ব্যবস্থায় টিকে থাকতে হলে মেধাভিত্তিক রাষ্ট্র ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার কোনো বিকল্প নেই। আইন ও বিচার বিভাগের দোহাই দিয়ে ছাত্র সমাজের যৌক্তিক দাবিগুলোকে দমানোর সকল অপচেষ্টাই ব্যর্থ হবে বলে আমরা বিশ্বাস করি। কারণ, ইতিহাসের শিক্ষা হচ্ছে জনগণের ন্যায়সংগত আন্দোলন কখনোই দমানো যায় না। আমরা আশা করি সরকার সময় থাকতে ছাত্রসমাজের যৌক্তিক ও ন্যায্য দাবিগুলো মেনে নেবে। ছাত্রদের ন্যায়সংগত যৌক্তিক দাবী মেনে নিয়ে এই সমস্যা সমাধানের জন্য আহ্বান জানাচ্ছি।


আরও খবর
ছাত্রলীগের ওয়েবসাইট হ্যাক

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




হারিকেন বেরিলের আঘাতে বিধ্বস্ত পুরো এক দ্বীপ

প্রকাশিত:বুধবার ০৩ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ০৩ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

অতি বিপজ্জনক সামুদ্রিক ঝড় হারিকেন বেরিলের আঘাতে পুরোপুরি বিধ্বস্ত হয়ে গেছে ক্যারিবিয়ান অঞ্চলের দ্বীপ ইউনিয়ন আইল্যান্ড। সেন্ট ভিনসেন্ট এবং গ্রেনাডিনসের পাশে অবস্থিত এই দ্বীপটিতে এখন আর কোনো বাড়িই অক্ষত নেই।

দ্বীপটির বাসিন্দা ক্যাটরিনা কোই এক ভিডিও বার্তায় সংবাদমাধ্যম বিবিসিকে বলেছেন, বেরিল অতিক্রম হওয়ার পর ইউনিয়ন দ্বীপ খারাপ অবস্থায় রয়েছে। কার্যত পুরো দ্বীপের সব বাসিন্দা গৃহহীন হয়ে পড়েছেন। কোনো বাড়ি আর অক্ষত নেই। ঘরবাড়ি মাটির সঙ্গে মিশে গেছে। রাস্তা বন্ধ হয়ে গেছে। বিদ্যুতের খুঁটিগুলো মাটিতে পড়ে আছে। সবকিছু হারিয়ে গেছে। আমার এখন  থাকার মতো কোনো জায়গা নেই।

১৯৮৫ সাল থেকে এই দ্বীপটিতে বসবাস করছেন তিনি। ২০০৪ সালে হারিকেন ইভান নামের আরেকটি ভয়াবহ ঝড়ের মধ্যে পড়েছিলেন তিনি। কিন্তু হারিকেন বেরিলের মাত্রা আগের ঝড় থেকে অন্যরকম ছিল বলে জানিয়েছেন ঝড়ে বিধ্বস্ত এই ব্যক্তি।

তিনি বলেছেন, এখান দিয়ে যেন একটি টর্নেডো অতিক্রম করেছে। দ্বীপের ৯০ শতাংশ অংশ নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে। আমি আমার স্ত্রী এবং মেয়েকে নিয়ে আশ্রয় নিয়েছিলাম। সত্যি বলতে, আমি নিশ্চিত ছিলাম না এই রাতে বাঁচব।

ঝড়ের ভয়বহতা এবং এটির ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে ক্যাটরিনা কোই যে এখনো হতবিহ্বল হয়ে আছেন এটি তার কথায় স্পষ্ট।

তার চাচাত বোন আলজি, যিনি পরিবারের সঙ্গে একটি হোটেল চালান। তিনি জানিয়েছেন, হারিকেনটি আঘাত হানার সময় ঘরের দরজা ও জানালাগুলোর সামনে ফার্নিচার রাখতে বাধ্য হয়েছিলেন তিনি। যেন তীব্র ঝড়ো বাতাসে এগুলো উড়ে না যায়। চাপ অনেক শক্তিশালী ছিল যে এটি আমরা কানেও অনুভব করছিলাম। আমরা নিজ কানে শুনতে পারছিলাম এক বাড়ির ছাদ উড়ে এসে আরেক বাড়ির ছাদে পড়ছে, জানালা ভাঙছে, পানি ঢুকছে। কেউ বুঝতে পারেনি ঝড়টি এতটা খারাপ হবে। সবাই বেশ ভীত হয়ে পড়েছেন।

এই নারী জানিয়েছেন, এখন দ্বীপের সব বাসিন্দাদের লক্ষ্য হলো থাকার একটা জায়গা তৈরি করা। এজন্য অনেকে ভাঙা কাঠ দিয়ে অস্থায়ী বাসস্থান তৈরি করছেন। এছাড়া খাবার ও সুপেয় পানি যোগার করাটাও তাদের জন্য একটি চ্যালেঞ্জ হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

হারিকেন বেরিলের আঘাতে এখন পর্যন্ত সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। এটি শক্তি ধরে রেখে এখন জ্যামাইকার দিকে এগিয়েছে। সেখানে পূর্ণ শক্তি নিয়ে বেরিল আঘাত হানবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।


আরও খবর
আজ নেলসন ম্যান্ডেলার জন্মদিন!

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




‘ফ্লাগ গার্ল’ প্রিয়তার সাফল্যের মুকুটে নতুন পালক

প্রকাশিত:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিনোদন ডেস্ক

Image

মিস কালচার ওয়ার্ল্ডওয়াইড জয়ী বাংলাদেশের ফ্ল্যাগ গার্ল প্রিয়তা ইফতেখার অস্ট্রেলিয়ার খ্যাতনামা ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি সিডনি (ইউটিএস) থেকে অনার্স-মাস্টার্স সম্পন্ন করেছেন। মাস্টার অব স্ট্র্যাটেজিক কমিউনিকেশনে (এক্সটেনশন) পড়েছেন তিনি। যোগাযোগের ক্ষেত্রে যারা ক্যারিয়ার এগিয়ে নিতে চান তাদের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে এটি। ডিজিটাল যুগে গবেষণা, মূল্যায়ন এবং নৈতিক তথ্য বিশ্লেষণের ওপর ভিত্তি করে উন্নত পাবলিক কমিউনিকেশন অনুশীলন করানো হয় এতে। এ প্রোগ্রামের অংশ হিসেবে অধ্যয়নের পাশাপাশি খণ্ডকালীন কাজ করার অনুমতি রয়েছে।

প্রিয়তা ইফতেখার বলেন, এ নিয়ে দ্বিতীয়বার মাস্টার্স করলাম। স্নাতকোত্তর একাডেমিক এক্সিলেন্স ইন্টারন্যাশনাল স্কলারশিপ পেয়ে ২০২২ সালের আগস্টে স্ট্র্যাটেজিক কমিউনিকেশনে মাস্টার্স শুরু করি। এক্ষেত্রে সম্পূর্ণ অর্থায়ন করেছে ইউটিএস কর্তৃপক্ষ। পরিবারে আমিই প্রথম কোনও বিদেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে স্নাতকোত্তর বিদেশি ডিগ্রি অর্জন করেছি।

প্রিয়তার পরিবার থাকেন অস্ট্রেলিয়ায়। ইউটিএস-এ অধ্যয়নের সুবাদে অস্ট্রেলিয়ায় আসতে ও পরিবারের কাছাকাছি থাকতে পেরেছেন তিনি। তার কথায়, আমার বাবা-মা উভয়েই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগ ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদে স্নাতক করেন। তবে তারা সমাবর্তন মিস করেছেন। তাই মা কোনও স্নাতকের ছবি দেখলেই ভাবতেন, আমাকে সমাবর্তনের গাউন পরা দেখে যেতে পারবেন কিনা।

প্রিয়তার মা জীবদ্দশায় মেয়ের সেই অর্জন দেখে যেতে পারেননি। তার বাবা-মা দুই জনই মারা গেছেন। তাদের স্মৃতি বহনের পরিকল্পনা থেকে ইউটিএস-এর সমাবর্তনে বিশেষ একটি শাড়ি পরে প্রিয়তা। ২০০৫ সালে তার মাকে তার বাবা এটি উপহার দিয়েছিলেন। তিনি বলেন, এই শাড়িতে কালো, সাদা, সবুজ ও লাল প্যাটার্ন রয়েছে, যা যুদ্ধ ও গণহত্যার বার্তা তুলে ধরে। এর রঙ বাংলাদেশ ও ফিলিস্তিন উভয় দেশের প্রতিনিধিত্ব করে। গণহত্যার প্রতিবাদ এবং শান্তির আহ্বানে বিশ্বব্যাপী আন্দোলনের সঙ্গে একাত্ম হতে এই শাড়ি পরেন তিনি। এতে একইসঙ্গে ১৯৭১ ও ২০২৪ দুটি ভিন্ন সময়ের গল্প ফুটে উঠেছে।

অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলস রাজ্যের সিডনি শহরে অবস্থিত ইউটিএস দেশটির সরকারের অর্থায়নে কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। অস্ট্রেলিয়ার ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি সিডনি মূলত ব্যবহারিক ও শিল্প-সংযুক্ত শিক্ষার ওপর কাজ করে। কিউএস ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র‍্যাংকিংস ২০২৪ অনুযায়ী, অস্ট্রেলিয়ায় নবম এবং বিশ্বে ৮৮তম স্থানে রয়েছে এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।

বাংলাদেশের নারী সাংবাদিকতার অগ্রদূত নূরজাহান বেগমের নাতনি প্রিয়তা ইফতেখার। তার নানা কচিকাঁচার মেলার প্রতিষ্ঠাতা রোকনুজ্জামান খান (দাদাভাই)। ২০০৮ সালে দ্য ফ্ল্যাগ গার্ল নামের একটি নেটওয়ার্ক গড়েন তিনি। এর মাধ্যমে ভ্রমণ বিষয়ে নারীদের বিভিন্ন পরামর্শ দেওয়া হয়। বাংলাদেশ ছাড়াও বিভিন্ন দেশের ভ্রমণপিপাসুরা এই নেটওয়ার্কের সদস্য।

শ্রীলঙ্কায় প্রথম বিদেশ ভ্রমণে গিয়েছিলেন প্রিয়তা। ইতোমধ্যে বিশ্বের ২০০রও বেশি শহরে বেড়ানো হয়েছে তার। বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে কাজ করেছেন তিনি। তার ঝুলিতে রয়েছে জিম্বাবুয়েতে অনুষ্ঠিত মিস কালচার ওয়ার্ল্ডওয়াইড প্রতিযোগিতায় মুকুট জয়, মালয়েশিয়ায় মিস ট্যুরিজম ওয়ার্ল্ড, মিস ল্যান্ডস্কেপস ইন্টারন্যাশনাল ও মিস মাল্টিন্যাশনাল প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করার অভিজ্ঞতা।


আরও খবর



বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে শাহবাগে আন্দোলনকারীরা

প্রকাশিত:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

সরকারি চাকরিতে কোটাব্যবস্থা বাতিল করে ২০১৮ সালের পরিপত্র পুনর্বহালের দাবিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইব্রেরির সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে শাহবাগে গেছেন শিক্ষার্থীরা। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত সেখানে তারা সমাবেশ করছেন।

আজ শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে লাইব্রেরির সামনে জড়ো হতে শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। পরে সোয়া ৫টার দিকে তারা সেখান থেকে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে টিএসসি সড়কদ্বীপ হয়ে শাহবাগের যায়।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আজকের কর্মসূচি অনুযায়ী, কোটা বাতিলের দাবিতে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করবেন শিক্ষার্থীরা। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক ঢাবি শিক্ষার্থী নাহিদ ইসলাম গতকাল রাতে এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন।

এর আগে গতকাল বিকেলে দেশব্যাপী অবরোধ কর্মসূচি পালন করে শিক্ষার্থীরা। কিন্তু ঢাকা, চট্টগ্রাম, কুমিল্লাসহ বিভিন্ন এলাকায় শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ মিছিলে পুলিশ বাধা দেয় ও হামলা চালায়।


আরও খবর