আজঃ বৃহস্পতিবার ১৩ মে ২০২১
শিরোনাম

বাবা-মা ও দুই বোনের লাশ সঙ্গে নিয়ে দাদার লাশ দেখতে যাচ্ছে মিম

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৪ মে ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৪ মে ২০২১ | ১৩৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

মাদারীপুর থেকে দেলোয়ার হোসাইন

খুলনায় দাদার মৃত্যুর খবরে বাবা-মা ও দুই বোনের সঙ্গে ঢাকা থেকে বাড়ির উদ্দেশে রওনা হয়েছিল শিশু মিম। তবে দাদার লাশ দেখার আগেই পরিবারের সব সদস্যকে হারাতে হলো তাকে। সে বাদে তার সঙ্গে থাকা সবাই দুর্ঘটনায় মারা গেছে। এবার তাই বাবা-মা ও দুই বোনকে নিয়ে বরং তাদের লাশ সঙ্গে নিয়ে দাদার লাশ দেখতে যেতে হচ্ছে তাকে।

সোমবার (৩ মে) মাদারীপুরের শিবচর উপজেলায় পদ্মা নদীতে একটি বাল্কহেডের সঙ্গে স্পিডবোটের সংঘর্ষ হয়। এতে স্পিডবোটটি ডুবে যায়। এ ঘটনায় এ পর্যন্ত ২৬ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। যাদের মধ্যে আছে মিমের বাবা-মা ও দুই বোনের লাশও।

শিবচরের পাঁচ্চর রয়েল হাসপাতালে ভর্তি শিশু মিমকে জিজ্ঞাসা করলে বাবা মা ও দুই বোনের বর্ণনা দিতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পরে সে। শিবচর ইউএনও অফিসের এক কর্মচারী ও বাংলাবাজার স্পিডবোট ঘাটের নৈশ প্রহরী দেলোয়ার ফকিরের তত্বাবধানে শিশুটি হাসপাতালের একটি কক্ষে দুপুরের খাবার খাচ্ছিল তখন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, শিশু মিমের বাবা মনির হোসেন, মা হেনা বেগম, ছোট দুই বোন সুমি (৫) ও রুমি (৩) স্পিডবোট দুর্ঘটনায় মারা গেছে। তাদের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। লাশ রাখা হয়েছে স্থানীয় একটি স্কুল মাঠে। খুলনার তেরখাদায় এ পরিবারের বাড়ি। সেখানেই যাচ্ছিলেন তারা।

মিমকে উদ্ধারকারী নৌ পুলিশের কনস্টেবল মেহেদী বলেন, 'শিশুটিকে নদীতে ব্যাগ ধরে ভাসতে দেখি। হাত ও চোখের কাছে আঘাতের চিহ্ন ছিল সামান্য। দ্রুত তাকে পাঁচ্চর রয়েল হাসপাতালে পাঠানো হয়। শিশুটির পরিবারের সকল সদস্যরাই মারা গেছে।

শিশু মিম শুধু জানে তার মা, বাবা, বোনেরা কেউ বেঁচে নেই। মাঝে মাঝেই মা মা বলে কেঁদে উঠছে সে। কান্নারত অবস্থায় মিম বলে, আমরা দাদু বাড়ি যাচ্ছিলাম। দাদা মারা গেছে। তাকে দেখতে। আমার আর কেউ নাই।


আরও খবর



পালিয়ে যাওয়া সেই ১০ করোনারোগীকে ধরে ফের হাসপাতালে ভর্তি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৭ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৭ এপ্রিল ২০২১ | ১৩৩জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

যশোর থেকে আনোয়ার হোসেন

যশোরের একটি হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যাওয়া ১০ করোনা রোগীকে ধরে আবারও হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে সাতজন ভারতফেরত করোনা পজিটিভ রোগী রয়েছেন। আজ সোমবার বিকেলে পালিয়ে যাওয়া রোগীদের হেফাজতে নেওয়া হয়।

জানা যায়, যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল থেকে ১০ জন করোনা রোগী কর্তৃপক্ষকে না জানিয়েই বাড়ি চলে গিয়েছিল। পরে আজ সোমবার বিকেল ৫টার দিকে পুলিশ ওই ১০ জন রোগীকে নিজেদের হেফাজতে নেয়। এর মধ্যে একজনকে ইতিমধ্যে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকি রোগীরা পুলিশ হেফাজতে হাসপাতালের পথে রয়েছেন বলে জানান যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) তৌহিদুল ইসলাম।

এ বিষয়ে হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাক্তার দিলীপ কুমার রায় জানান, গত শনিবার সকাল থেকে গতকাল রোববার দুপুরের মধ্যে অনুমতি ছাড়াই তারা হাসপাতাল ত্যাগ করেছেন। আজ সোমবার পালিয়ে যাওয়া রোগীদের নাম-ঠিকানা চিহ্নিত করে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার ও সিভিল সার্জনকে অবহিত করা হয়। পুলিশ জানিয়েছেন, তারা ১০ জনকেই হেফাজতে নিয়েছেন।

এর আগে গত শনিবার ও গতকাল রবিবার যশোর জেনারেল হাসপাতালের তৃতীয় তলায় করোনা ওয়ার্ডে ১০ জন করোনা পজিটিভ রোগীকে ভর্তি করা হয়। তারা হলেন মালা দত্ত, ফাতেমা বেগম, রোমা, মমিন, নাসিমা বেগম, শহিদুল ইসলাম, তার স্ত্রী শেফালি রানি, আমিরুল সানা ও সোহেল। এরা সবাই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়াই চলে গিয়েছিলেন।


আরও খবর



পদ্মায় বালুবাহী বাল্কহেড-স্পিডবোট সংঘর্ষ, ২৫ লাশ উদ্ধার

প্রকাশিত:সোমবার ০৩ মে ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ০৩ মে ২০২১ | ১১৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

মাদারীপুরের শিবচর উপজেলায় বাংলাবাজার ফেরিঘাটে বালুবাহী বাল্কহেডের সঙ্গে স্পিডবোটের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় ২৫ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হলেও এখনও নিখোঁজ আছেন বেশ কয়েকজন।

সোমবার সকাল ৭টার দিকে বাংলাবাজার ফেরিঘাটের পুরনো কাঁঠালবাড়ীঘাটে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় পাঁচজনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। হতাহতদের নাম-পরিচয় এখনও জানা যায়নি।

বাংলাবাজার ফেরিঘাটের ট্রাফিক পুলিশের পরিদর্শক আশিকুর রহমান বলেন, মুন্সীগঞ্জের শিমুলিয়া থেকে ৩০ যাত্রী নিয়ে একটি স্পিডবোট বাংলাবাজার ফেরিঘাটের দিকে যাচ্ছিল। স্পিডবোটটি বাংলাবাজার ফেরিঘাটের পুরনো কাঁঠালবাড়ীঘাটের কাছাকাছি আসার পর বালুবোঝাই বাল্কহেডের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ২৫ জনের লাশ এ পর্যন্ত উদ্ধার করা হয়েছে।

কাঁঠালবাড়ী নৌপুলিশের ওসি আব্দুর রাজ্জাক জানান, এখন পর্যন্ত ২৫ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ছাড়া তিন শিশু ও এক নারীকে আহতাবস্থায় উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

দুর্ঘটনাকবলিত স্পিডবোটে কতজন যাত্রী ছিলেন তা জানা যায়নি। তবে স্পিডবোটটি মাঝারি ধরনের। উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।


আরও খবর



খালেদা জিয়া করোনামুক্ত

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৬ মে ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ মে ২০২১ | ৬৮জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া করোনামুক্ত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৬ মে) সকালে তার করোনা পরীক্ষার ফলাফল নেগেটিভ আসে বলে জানা গেছে।

খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণ করছেন তার চিকিৎসার জন্য গঠিত মেডিকেল বোর্ড। বিএনপি চেয়ারপারসন সংশ্লিষ্ট সূত্র থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে। এদিকে বোর্ডের সঙ্গে কথা বলতে এভারকেয়ার হাসপাতালে গেছেন মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

গত ১১ এপ্রিল খালেদা জিয়ার শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। তার বাসভবন ফিরোজার আরও ৮ জন ব্যক্তিগত স্টাফও আক্রান্ত হন। এরপর ২৪ এপ্রিল (শনিবার) তার দ্বিতীয় করোনা টেস্টের রিপোর্ট পজিটিভ আসার কথা জানান তার চিকিৎসক ডা. এফ এম সিদ্দিকী।

২৭ এপ্রিল আবার সিটি স্ক্যানসহ প্রয়োজনীয় কিছু পরীক্ষার জন্য খালেদা জিয়াকে এভারকেয়ার হাসপাতালে নেয়া হয়। সেই রাতেই তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

নিউজ ট্যাগ: খালেদা জিয়া

আরও খবর



ভারতের পেট্রাপোল বন্দরে আটকা কয়েকশ বাংলাদেশি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৭ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৭ এপ্রিল ২০২১ | ১১৪জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সব ধরনের সীমান্ত যোগাযোগ ১৪ দিনের জন্য বন্ধ করে দেওয়ায় বেনাপোল স্থলবন্দরের ওপারে ভারতের পেট্রাপোলে আটকা পড়েছেন প্রায় তিন শতাধিক বাংলাদেশি। এর মধ্যে বেশিরভাগই চিকিৎসা নিতে ভারত গিয়েছিলেন। আর কয়েকজন রয়েছেন শিক্ষার্থীও।

সোমবার (২৬ এপ্রিল) রাতে ঢাকার ভারতীয় হাইকমিশন সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

হাইকমিশন সূত্রে জানা যায়, যারা আটকা পড়েছেন তারা সোমবার সকাল থেকে স্থলবন্দর দিয়ে দেশে আসার জন্য সেখানে অবস্থান করেন। তবে এখনও তারা পেট্রোপোলে অবস্থান করছেন কিনা এ বিষয়ে কোনো তথ্য জানা যায়নি।

ভারতের হাইকমিশন থেকে পাঠানো কয়েকটি ভিডিওতে দেখা যায়, আটকেপড়া এক বাংলাদেশি বলেন, আমরা সরকারের কাছে অনুরোধ করছি যেন আমাদের বাংলাদেশে ফিরিয়ে নেয়। কারণ আমরা এখানে শুধু চিকিৎসার জন্য এসেছিলাম। এখন আমাদের হাতে টাকা-পয়সা নেই। আমরা এখানে কি করে থাকব!

কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, আটকাপড়া তিন শতাধিক বাংলাদেশি দেশে ফেরার জন্য আবেদন করেছে। পর্যায়ক্রমে এসে বাংলাদেশিসহ যাদের ভিসার মেয়াদ ১৫ দিন বা তার চেয়ে কম তাদের দেশে ফেরত আনা হবে।

বেনাপোল ইমিগ্রেশন স্বাস্থ্য বিভাগের মেডিকেল অফিসার ডা. হাবিবুর রহমান জানান, গতকাল সর্বশেষ ভারত থেকে ৫৭০ জন বাংলাদেশি ফিরেছেন। এসব যাত্রীর মধ্যে ৩ জন করোনা পজিটিভ ছিল। এরা ভারতে গিয়েই করোনা আক্রান্ত হন। আক্রান্তদের যশোর সদর হাসপাতালের করোনা ইউনিটে আর করোনা নেগেটিভ সনদবিহীন ১১ জনকে বেনাপোল রজনীগন্ধা প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে।

নিউজ ট্যাগ: ভারত বেনাপোল

আরও খবর



প্রমত্তা করতোয়া নদী এখন দখল-দূষণে প্রায় মৃত

প্রকাশিত:বুধবার ২৮ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ২৮ এপ্রিল ২০২১ | ১১৯জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

শেরপুর(বগুড়া) থেকে আবু বকর সিদ্দিক

উজান থেকে পানি প্রবাহ কমে যাওয়া, দখল-দূষণ এবং গতিপথে মানুষের হস্তক্ষেপে বিপন্ন হচ্ছে উত্তরাঞ্চলের অন্যতম প্রধান নদী প্রমত্তা করতোয়া। বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক প্রধান তিনটি নদী পদ্মা মেঘনা যমুনা ছাড়াও সরকারি তথ্য মতে ছোট বড় মিলে ৪০৫টি নদীর হিসেব পাওয়া যায়। করতোয়া নদীর সবচেয়ে খারাপ অবস্থা বগুড়া জেলার শেরপুর অংশে। শহরের ভেতর দিয়ে বয়ে চলা প্রমত্তা করতোয়া নদী এখন মৃত প্রায়। উজান থেকে পানির প্রবাহ নেই। তাই দখল আর আবর্জনার দূষণে এ নদী জর্জরিত। এক কালের প্রমত্তা করতোয়া নদী আজ দখল, শহরের হাট-বাজার, বাসা-বাড়ির বর্জ্য, খনন বা সংস্কার না হওয়া ও দূষণে পচা নর্দমার ড্রেন বা ক্যানেলে পরিণত হয়েছে।

উপজেলার গাড়িদহ ইউনিয়নের ফুলবাড়ি ঘাট, পৌরসভা কার্যালয়ের পূর্বপাশ, বারোদুয়ারী হাট, রনবীরবালা ঘাটপার ও শহীদিয়া আলিয়া মাদ্রাসা সংলগ্নসহ বিভিন্ন এলাকায় করতোয়া নদীর তীরবর্তী ১৮টি স্পট দখল করে ভবন নির্মাণ, সীমানা প্রাচীর, ময়লার ভাগার ফেলে দখল করে রেখেছে দখলবাজরা। তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয় না বলে স্থানীয়দের অভিযোগ অহরহ। একদিকে দীর্ঘদিন খনন না হওয়া ও অন্যদিকে দখল চলতে থাকায় শেরপুরের মানচিত্র থেকে প্রমত্তা করতোয়া নদী তার ঐতিহ্য হারাতে বসেছে।

বচন রয়েছে, কর অর্থ হাত, আর তোয়া অর্থ ধোঁয়া জল, অর্থাৎ হাত ধোয়া জল, হিন্দু ধর্মীয় দেবতা হিমালয়ে ধ্যানমগ্ন শিবের হাত ধোঁয়া জল থেকেই করতোয়া নদীর উৎপত্তি। তাছাড়া বিশিষ্ঠ ইতিহাসবিদ প্রভাত চন্দ্র সেন বগুড়ার ইতিহাস গ্রন্থেও ভারতের হিমালয় পাদদেশ থেকে করতোয়া নদীর উৎপত্তির উল্লেখ রয়েছে। ভারতে শিলিগুড়ি, জলপাইগুড়ি হয়ে বাংলাদেশের পঞ্চগড়ে এ নদী প্রবেশ করে। সেখান থেকে করতোয়া বগুড়ার শহরের বুক চিরে সিরাজগঞ্জের বাঘাবাড়িতে হুরা নদীর সঙ্গে মিলিত হয়েছে। মোট ৫৯৭ কিলোমিটার বা ৩৭৩ মাইল দৈর্ঘ্যের করতোয়া নদীতে আশির দশকে প্রচুর পানি থাকায় প্রমত্তা ছিল। জনশ্রুতি আছে করতোয়া নদীতে সওদাগরী জাহাজ, লঞ্চ এবং বড় বড় নৌকা বজরা যেটা বলে সেটা যাতায়াত করতো। পণ্য পরিবহন হতো এবং ব্যবসা বাণিজ্যের কেন্দ্রবিন্দু ছিল পুর্ন্ড্রবর্ধন নগরী বগুড়া এবং করতোয়া নদীকে কেন্দ্র করে এ অঞ্চলে সভ্যতা গড়ে উঠেছে।

বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্র্ড ১৯৮৮ সালে উজানে গাইবান্ধা জেলার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার খুলশিতে বাধ ও স্যুইচ  গেইট নির্মাণ করে । সংশ্লিস্ট কর্তৃপক্ষের অপরিনাম দর্শিতার কারনে করতোয়ার পানি প্রবাহের গতিপথ সম্পূর্ণ বন্ধ ও ভরাট হয়ে গেছে।  সে থেকেই প্রভাবশালীরা ধীরে ধীরে দখল -দূষণ নানা প্রাকৃতিক কারনে বন্যা জনিত ক্ষয়-ক্ষতি ও নদী সংস্কারের অভাবে করতোয়া পূর্বের সকল বৈশিষ্ট্য সম্পূর্ণভাবে হারিয়ে ফেলেছে। অপরিকল্পিত ও অনিয়ন্ত্রিতভাবে দ্রুত নগরায়ন, জনসংখ্যা বৃদ্ধি মানুষের অপরিনামদর্শী কর্মকাণ্ড প্রভাব ফেলেছে করতোয়া নদীর উপর।

এ প্রসঙ্গে পরিবেশবিদরা জানান, করতোয়াকে বাঁচাতে হলে ব্যাপক পরিবেশগত সচেতনতা ও স্থানীয় উদ্যোগে নদীর দুইধার অবকাঠামো মুক্ত রাখতে হবে।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ময়নুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশ নদী মার্তৃক দেশ। নদী রক্ষায় সরকার বদ্ধ পরিকর। খুব দ্রুত নদীর খনন কাজ শুরু হবে। এছাড়াও যারা নদী দখল করে বিভিন্ন স্থাপনা গড়ে তুলেছে তা দ্রুত অপসারণ করে করতোয়া নদীকে আগের রুপে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা হবে।


আরও খবর
গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দগ্ধ ৪

শুক্রবার ১৬ এপ্রিল ২০২১