আজঃ শনিবার ২২ জুন ২০২৪
শিরোনাম

বাফুফেকে পদত্যাগের চিঠি ছোটনের

প্রকাশিত:সোমবার ২৯ মে ২০২৩ | হালনাগাদ:সোমবার ২৯ মে ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

Image

বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনে আর কাজ করতে চান না নারী দলের প্রধান কোচ গোলাম রব্বানী ছোটন। গত শুক্রবার গণমাধ্যমে এই ঘোষণা দেয়ার পর সোমবার বাফুফেকে আনুষ্ঠানিক চিঠি দিয়েছেন তিনি।

সোমবার বাফুফেতে আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগপত্র দেয়ার কথা বলেছিলেন ছোটন। তবে এর একদিন আগে গতকাল রাতেই বাফুফেতে পদত্যাগপত্র প্রেরণ করেছেন সাবিনাদের কোচ।

গতকাল বাংলাদেশ ক্রীড়া লেখক সমিতির বর্ষসেরা কোচ হিসেবে পুরস্কৃত হওয়ার পর বাসায় ফিরে ইমেইলে পদত্যাগপত্র প্রেরণ করেন ছোটন। জানা গেছে, পদত্যাগপত্রে কাজ না করার কারণ হিসেবে শারীরিক ও মানসিক ক্লান্তির পাশাপাশি পারিবারিক কারণ উল্লেখ করেছেন তিনি।

বাফুফে ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ইমরান হোসেন তুষার ও নারী উইংয়ের চেয়ারম্যান মাহফুজা আক্তার কিরণের বরাবর পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছেন ছোটন। গত তিন মাসের মধ্যে বাফুফেতে এ নিয়ে চারটি পদত্যাগের ঘটনা ঘটলো।  আরিফ হোসেন মুন নির্বাহী সদস্য থেকে পদত্যাগ করেন। এরপর তদন্ত কমিটি থেকে পদত্যাগ করেন দুই সহ-সভাপতি আতাউর রহমান ভুইয়া মানিক ও মহিউদ্দিন আহমেদ মহী। এবার নারী দলের প্রধান কোচ পদত্যাগ করলেন। ছোটনের আগে বিগত তিন পদত্যাগের মধ্যে আতাউর রহমান ভুইয়া মানিক ইমেইলে চিঠি দিয়েছিলেন। বাকি দুই জন ফেডারেশনে চিঠি পাঠিয়েছিলেন।

গত শুক্রবার ছোটন বাফুফেতে কাজ করতে চান না এমন ঘোষণা দেন। এর প্রেক্ষিতে বাফুফে সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন ও নারী উইংয়ের চেয়ারম্যান মাহফুজা আক্তার কিরণ বলেছিলেন আনুষ্ঠানিকভাবে ছোটন কিছু জানাননি। ছোটন আনুষ্ঠানিকভাবে জানানোর পর এখন বাফুফে কি পদক্ষেপ নেয় সেটাই দেখার বিষয়।


আরও খবর



অতিরিক্ত ভাড়ায় ঝুঁকি নিয়ে ট্রাক পিকআপে ছুটছে মানুষ

প্রকাশিত:শনিবার ১৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৫ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জেলা প্রতিনিধি

Image

প্রিয়জনের সাথে ঈদ আনন্দ ভাগ করে নিতে গাজীপুরের ঢাকা-টাঙ্গাইল ও ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে অতিরিক্ত ভাড়ায় ঝুঁকি নিয়ে খোলা ট্রাক, পিকআপে বাড়ি ফিরছে মানুষ।

শনিবার (১৫ জুন) সকাল থেকে গাজীপুরের চন্দ্রা, পল্লী বিদ্যুৎ, কোনাবাড়ি, চান্দনা চৌরাস্তা, ভবানীপুর, পল্লী বিদ্যুৎ মোড় ও মাওনা চৌরাস্তা এলাকা থেকে যাত্রীদের ট্রাক, পিকআপে যেতে দেখা যায়।

ভবানীপুর এলাকার একটি প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী মাহমুদুল হাসান। বাসে অতিরিক্ত ভাড়া এড়াতে তিনি পিকআপে করে স্বজনদের সঙ্গে ঈদ করতে রওনা দিয়েছেন। তিনি বলেন, দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে থেকেও বাস পাইনি। বাস পেলেও তিনগুণ চারগুণ ভাড়া দাবি করছে। যা বোনাস পেয়েছি তা বাস ভাড়াতেই খরচ হয়ে যাবে। তাই যাতায়াত খরচ কমাতে পিকআপে উঠেছি।

চান্দনা চৌরাস্তা থেকে ময়মনসিংহের ভাড়া ১০০ থেকে ১২০ টাকা। কিন্তু ঈদ যাত্রায় ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা দাবি করছে জানিয়ে আরেক যাত্রী নাইমুল ইসলাম বলেন, ঢাকা থেকে যেসব বাস চলাচল করছে তার অধিকাংশই ফেরার পথে গাড়িভর্তি যাত্রী নিয়ে আসছে। কোনো বাস পাওয়া গেলেও দেখা যাচ্ছে সিট ছাড়াই ৪০০/৫০০ টাকা দাবি করছে। লোকাল বাসের চিত্রও একই। তাই পরিবার নিয়ে পিকআপেই রওনা দিয়েছি।

সালনা হাইওয়ে থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সালেহ আহমেদ বলেন, ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের কোথাও কোনো সমস্যা নেই। গাড়িগুলো সুন্দরভাবে চলাচল করছে। তবে মহাসড়কের গড়গড়িয়া মাস্টারবাড়ি, বাঘেরবাজার এলাকায় গাড়ির কিছুটা চাপ রয়েছে। যেসব ট্রাক, পিকআপ যাত্রী পরিবহন করছে আমাদের সামনে পড়া মাত্রই আমরা আইনগত ব্যবস্থা নিচ্ছি।

নিউজ ট্যাগ: গাজীপুর

আরও খবর



সিগন্যালে ত্রুটি, বন্ধ মেট্রোরেল চলাচল

প্রকাশিত:শনিবার ২৫ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৫ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

এমআরটি লাইন-৬ এর সিগন্যালিং সিস্টেম ফেল করায় হঠাৎ করে মেট্রোরেল চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। একটি ট্রেন সচিবালয় স্টেশনে আটকা পড়েছে। এছাড়া বেশ কয়েকটি ট্রেন কাছাকাছি স্টেশনে আটকে আছে। এতে বহু যাত্রী ভোগান্তিতে পড়েছেন।

শনিবার (২৫ মে) সন্ধ্যায় মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

দায়িত্বশীল সূত্রগুলো জানিয়েছে, এই মুহূর্তে লাইনে ১০টি ট্রেন আটকে আছে। মূলত মেট্রোরেল সিগন্যালিং সিস্টেম ফেল করার কারণে ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে। সন্ধ্যা ৭টার দিকে এই ঘটনা ঘটেছে। সিগন্যালিং সিস্টেম ছাড়া ট্রেনগুলো আনা যাবে, তবে সেটা খুবই ঝুঁকিপূর্ণ।

কত সময় লাগতে পারে জানতে চাইলে সূত্রগুলো জানায়, সিগন্যালিং সিস্টেমের সঙ্গে টেলিকম সিস্টেমেরও ঝামেলা দেখা দিয়েছে। ইঞ্জিনিয়ার এই মুহূর্তে লাইনে আছে। সমাধান হওয়া মাত্রই চালু হবে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যাত্রীদের দেওয়া ভিডিওতে দেখা গেছে, বিভিন্ন স্টেশনে হ্যান্ড মাইকে ঘোষণা করা হয়েছে, যাদের তাড়া রয়েছে তারা নিচে নেমে বিকল্প ব্যবস্থায় যেতে পারেন। আর যারা টিকিট সংগ্রহ করেছেন, তারা কাউন্টারে ফেরত দিয়ে টাকা নিতে পারবেন।

এ বিষয়ে ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) কোম্পানি সচিব মোহাম্মদ আবদুর রউফ বলেন, আমাদের অপারেশন কন্ট্রোল সেন্টারে যে ট্রান্সফরমার থেকে বিদ্যুৎ যায়, সেটির লাইন অফ হয়ে গিয়েছিল। সেখান থেকে কোনো সিগন্যাল পাঠানো যাচ্ছিল না আমাদের স্টেশনগুলোতে। এখন যাত্রীদের সেফটির জন্য সেটা রি-ইন্সটল করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, যতদূর জানি কিছুক্ষণের মধ্যে ঠিক হয়ে যাবে। যদি সিগন্যালের কারণে কন্ট্রোল করা না যায় তাহলে কোনো এক্সিডেন্ট হয়ে যেতে পারে। তাই নিরাপত্তার জন্য মেট্রোরেল বন্ধ রাখা হয়েছে।


আরও খবর



স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য সিঙ্গাপুর গেলেন ওবায়দুল কাদের

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১১ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য সিঙ্গাপুরের উদ্দেশ্যে ঢাকা ছেড়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। আজ মঙ্গলবার (১১ জুন) সকাল সাড়ে ৮টায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে তিনি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করেন।

সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য অফিসার শেখ ওয়ালিদ ফয়েজ স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে- সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার অংশ হিসেবে আজ সকালে সিঙ্গাপুরের উদ্দেশ্যে ঢাকা ছেড়েছেন। সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে শিগগিরই তিনি ঢাকায় ফিরবেন।’


আরও খবর



‘স্মার্ট বাংলাদেশে’ মাথাপিছু আয় হবে সাড়ে ১২ হাজার ডলার

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৬ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

Image

স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণের ভিশন ২০৪১ সাল। সেই স্মার্ট বাংলাদেশে মাথাপিছু আয় হবে কমপক্ষে ১২ হাজার ৫০০ মার্কিন ডলার বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী।

বৃহস্পতিবার (৬ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জন্য ৭ লাখ ৯৭ হাজার কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাব করেন অর্থমন্ত্রী। সেখানে তিনি এ কথা বলেন।

বাজেট পেশের সময় মাথাপিছু আয়ের ক্ষেত্রে বিশাল প্রত্যাশা দেখিয়েছেন মন্ত্রী। তার আশা অনুযায়ী, ২০৪১ সাল থেকে একজন বাংলাদেশি বছরে ১৪ লাখ ৬৬ হাজার ২৫০ টাকা আয় করবেন। যদিও বর্তমানে মাথাপিছু আয় ২ হাজার ৭৮৪ ডলার, গত অর্থবছর যা ছিল ২ হাজার ৭৪৯ ডলার। ফলে বছরের ব্যবধানে ৩৫ ডলার বেড়েছে। বর্তমানে টাকার হিসাবে মাথাপিছু আয় ৩ লাখ ৬ হাজার ১৪৪ টাকা, যা গত অর্থবছর ছিল ২ লাখ ৭৩ হাজার ৩৬০ টাকা।

বিবিএস জানায়, ২০২০-২১ অর্থবছরে ২ হাজার ৫৯১ ও ২০২১-২২ অর্থবছরে মাথাপিছু আয় ছিল ২ হাজার ৭৯৩ ডলার।

অর্থমন্ত্রী বলেন, স্মার্ট বাংলাদেশে দারিদ্র্যসীমার নিচে থাকবে ৩ শতাংশের কম। চরম দারিদ্র্য নেমে আসবে শূন্যের কোঠায়। মূল্যস্ফীতি সীমিত থাকবে ৪ থেকে ৫ শতাংশের মধ্যে। বাজেট ঘাটতি থাকবে জিডিপির ৫ শতাংশের নিচে, রাজস্ব-জিডিপি অনুপাত হবে ২০ শতাংশের ওপর। বিনিয়োগ উন্নীত হবে জিডিপির ৪০ শতাংশে।


আরও খবর



বাজারে বাড়তি দামেই বিক্রি হচ্ছে মুরগি ও মাছ

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৪ মে 20২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৪ মে 20২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

বাজারে ব্রয়লার মুরগি থেকে শুরু করে সব ধরনের মাংস ও মাছ আগের বাড়তি দামেই বিক্রি হচ্ছে। একবার দাম বাড়লে যেন কমার আর কোনো খবর নেই। তাই মাছ-মাংসের বাজার বাড়তি দামেই আটকে আছে। এদিকে, বাজারে সবকিছুর বাড়তি দামের বিষয়ে বরাবরের মতোই ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ক্রেতারা। বিপরীতে সেই পুরোনো অজুহাত হিসেবে সরবরাহ কম থাকার বিষয়টিকে দাম বাড়ার কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন বিক্রেতারা।

শুক্রবার (২৪ মে) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, আজকের বাজারে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ২১০ টাকা দরে। লেয়ার মুরগি প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩৭০ টাকায়। আর সোনালি মুরগি প্রতি কেজি ৩৬০ টাকা ও দেশি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৬৫০ থেকে ৭০০ টাকায়। গরুর মাংস আগের বাড়তি দামেই প্রতি কেজি ৭৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর প্রতি কেজি খাসির মাংস বিক্রি হচ্ছে ১১০০ টাকায়।

রাজধানীর মালিবাগ বাজারে সপ্তাহের ছুটির দিন কেনাকাটা করতে আসা বেসরকারি চাকরিজীবী সাব্বির আহমেদ হিরা বলেন, আজ বেশ কিছুদিন যাবৎ ব্রয়লার থেকে শুরু করে সব ধরনের মুরগির দাম অতিরিক্ত বেশি। কিন্তু বাজার মনিটরিংয়ের কোনও কার্যক্রম দেখছি না। আমাদের মতো সাধারণ ক্রেতাদের বাড়তি দামেই কিনতে হচ্ছে।

একই বাজারের মুরগি বিক্রেতা খোরশেদ আলম দাবি করে বলেন, কিছুদিন আগে তীব্র গরমের কারণে মুরগির উৎপাদন কমে গিয়েছিল। খামারির অনেক মুরগি মারা গেছে গরমে। মূলত সেই সময় ব্রয়লার থেকে শুরু করে সব ধরনের মুরগির দাম বেড়েছে। এখনও গরম চলমান আছে। সেই কারণে মূলত সব ধরনের মুরগির দাম বাড়তি। পাইকারি বাজার থেকে আমাদের বাড়তি দামে মুরগি কিনতে হচ্ছে। তাই মূলত খুচরা বাজারে মুরগির দাম বাড়তি যাচ্ছে।

এদিকে, বাজারে সব ধরনের মাছের দামই‌ বাড়তি যাচ্ছে। এর মধ্যে রুই মাছ প্রতি কেজি ৩২০ থেকে ৩৫০ টাকায়, বড় রুই ৪০০ টাকায়, পাঙাশ ২৩০ টাকা, চিংড়ি আকার ভেদে ৬০০ থেকে ৭৫০ টাকায়, পাবদা ৪০০ টাকায়, তেলাপিয়া ২২০ টাকায়, চাষের কই ২৮০ টাকায়, কাতল  ৩৫০ টাকায়, গলসা প্রতি কেজি ৫৫০ টাকায়, টেংরা ৫৫০ থেকে ৬০০ টাকায়, বড় শিং ৫৫০ টাকায়, ছোট শিং ৪০০ টাকায়, বড় বোয়াল ৭০০ থেকে ৮০০ টাকায় ও বড় আইড় মাছ ৮০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

মহাখালী বাজারের মাছ বিক্রেতা গফুর মিয়া বলেন, দীর্ঘদিন ধরেই মাছের দাম বাড়তি যাচ্ছে। প্রথমত ফিডের দাম বেড়ে যাওয়ার পরে সব ধরনের মাছের দাম বেড়েছিল। ‌সেভাবেই বাজার চলছিল। কিন্তু গত কিছুদিনের তীব্র গরমে মাছের সরবরাহ কমে গিয়েছিল। সেই সময় মাছের দাম আরেক দফা বেড়েছে। মাছের বাড়তি দামের বিষয়ে বিক্রেতাদের কোনও হাত নেই। আমরা পাইকারি বাজার থেকে যেমন দামে মাছ কিনে আনি, তেমন দামে খুচরা বাজারে বিক্রি করি। যখন আমাদের কেনা দাম কম পড়বে, তখন আমরাও ক্রেতা পর্যায়ে কম দামে মাছ বিক্রি করতে পারব।


আরও খবর