আজঃ বৃহস্পতিবার ১৯ মে ২০২২
শিরোনাম
জুম ভূমিতে অগ্নিসংযোগ

বান্দরবানে ভয়াবহ খাদ্য সংকটে তিন পাড়ার মানুষ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১০ মে ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১০ মে ২০২২ | ৪০৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বান্দরবানে জমি ইজারা নেয়া হয়েছে এমন দাবিতে ৪০০ একর পাহাড়ি ভূমি পুড়িয়ে দিয়েছে লামা রাবার কোম্পানি নামে একটি প্রতিষ্ঠান। যেখানে জুম চাষ করে জীবন ধারণ করত তিনটি পাড়ার শতাধিক মানুষ। জুমের জমির সঙ্গে আগুনে পুড়েছে স্থানীয় অধিবাসীদের ফলদ বাগান, বনজ গাছ, বাঁশবাগান। শুকিয়ে গেছে লাংকমপাড়ার ঝিরির পানি। ফলে ভয়াবহ খাদ্য ও পানীয় সংকটে পড়েছে স্থানীয়রা। অন্যদিকে রাবার কোম্পানির হুমকির কারণে পাড়া থেকে বেরিয়ে কাজের সন্ধানে যেতে পারছে না পুরুষরা। এ অবস্থায় কোনোমতে অর্ধাহারে-অনাহারে দিন কাটাচ্ছে ডলুছড়ি মৌজার লাংকমপাড়া, রেংয়ানপাড়া ও জয়চন্দ্র ত্রিপুরা পাড়ার মানুষ। কোনো ত্রাণসহায়তা পায়নি বলেও জানিয়েছে তারা।

বান্দরবানের লামা উপজেলার সরই ইউনিয়নের ডলুছড়ি মৌজার জমিতে মূলত ম্রো ও ত্রিপুরা জনগোষ্ঠীর সদস্যরা জুম চাষ করে। জানা গিয়েছে, ২০১৬ সালে ডলুছড়ি মৌজার প্রায় ৪০০ একর জমি ইজারা নেয়া হয়েছে বলে দাবি জানায় লামা রাবার কোম্পানি। সে সময় কোম্পানির প্রকল্প পরিচালক (পিডি) পরিচয় দেয়া কামাল উদ্দিন ও তার লোকজন স্থানীয়দের নানা ভয়ভীতি দেখায় ও মিথ্যা মামলা দেয়। সর্বশেষ গত ২৬ এপ্রিল বেলা ১১টার দিকে ১৫-২০ জন লোক লামা রাবার কোম্পানির পরিচয়ে প্রায় ৪০০ একর ভূমি আগুনে পুড়িয়ে দেয়। আগুন ধরাতে কোরোসিন, রাবার ও চপ্পল ব্যবহার করা হয়। আগুনে তিন পাড়াবাসীর কবরস্থানসহ জুম ভূমিতে চাষ করা ফলের বাগান, বিভিন্ন গাছ, বাঁশবাগান পুরোপুরি পুড়ে গেছে। এছাড়া বুনো মুরগি, সাপ, কাঁকড়া, নানা প্রজাতির পাখির ছানা, মুরগি ও পাখির ডিম, ছোট-বড় নানা প্রজাতির অগণিত বন্যপ্রাণীরও মৃত্যু হয়েছে। অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে সেদিন দুপুরেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন উপজেলা সহকারী কমিশনারসহ (ভূমি) আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। জুম ভূমিকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় একটি মামলাও হয়েছে। লাংকমপাড়ার কারবারি লাংকম ম্রো বাদী হয়ে আটজনের নাম উল্লেখ করে এ মামলা করেন।

সরেজমিনে দেখা যায়, তিনটি পাড়াঘেঁষে বিশাল এলাকাজুড়ে পাহাড়ি ভূমি ছাইয়ে ঢাকা। প্রাণপ্রকৃতির কোনো চিহ্ন সেখানে নেই। ইজারার দাবিতে এসব পাহাড় পুড়িয়ে দেয়া হলেও লিজের শর্তানুযায়ী জমির সীমানা চিহ্ন হিসেবে পাহাড়ি ভূমির কোথাও চার ফুট উঁচু মাটির ঢিবি ও ঢিবির ওপর ছয় ফুট উঁচু কংক্রিটের খুঁটি দেখা যায়নি। আবার ইজারা নেয়া জমি আগুনে পুড়িয়ে দেয়া যাবে এমন কোনো শর্তও চুক্তিতে নেই।

রেংয়ানপাড়ার কারবারি (পাড়াপ্রধান) রেংয়ান ম্রো বলেন, লামা রাবার কোম্পানি জুম ভূমি পুড়িয়ে দেয়ার পর থেকে ১১টি পরিবার দিনে একবেলা খেয়ে কোনোভাবে দিন কাটাচ্ছে। বিশেষ করে শিশুদের নিয়ে পরিবারগুলো বিপাকে পড়েছে। পাড়ার সবাই সম্মিলিতভাবে খুঁজে যে জংলি আলু পাচ্ছে, তা-ই ভাগ করে খাওয়া হচ্ছে। কোনো রকমে শাকপাতা সেদ্ধ করে খেয়ে দিন কাটছে। এ কষ্টকে সীমাহীন উল্লেখ করে তিনি বলেন, এমন কষ্টে আগে কখনো পড়তে হয়নি।

পাড়াগুলো ঘুরে দেখার সময় বেশির ভাগ বাড়ি থেকে শিশুদের কান্নার শব্দ ভেসে আসতে শোনা যায়। কারণ জানতে চাইলে লাংকমপাড়ার রেংচ্যং ম্রো জানালেন, শিশুরা ক্ষুধায় কাতর। কোনো কোনো বাড়িতে শিশু অসুস্থ হলেও অর্থাভাবে চিকিৎসা করানো যাচ্ছে না। ইংচং ম্রো বলেন, অগ্নিকাণ্ডের পর লামা রাবার কোম্পানির লোকজন নানা হুমকি দিচ্ছে। এমনকি হত্যার হুমকিও দেয়া হচ্ছে। পাড়া থেকে ক্যজু বাজার সড়কের জনশূন্য এলাকায় লামা রাবার কোম্পানির লোকজন দলবদ্ধ হয়ে পাহারা দিচ্ছে। এজন্য প্রাণভয়ে কেউ পাড়ার বাইরে বের হয়ে কাজ করতে যাওয়ার সাহস করছেন।

পাড়াগুলোর কারবারি ও অধিবাসীদের অভিযোগ, লামা রাবার কোম্পানির লোকজন লাঠি, দাসহ নানা ধরনের দেশী অস্ত্র নিয়ে দলবদ্ধ হয়ে এলাকার বিভিন্ন স্থানে ঘুরে বেড়ায়। এজন্য পাড়াবাসী পাড়ার বাইরে যেতে সাহস পাচ্ছে না। লামা রাবার কোম্পানির নানা হুমকির ভয়ে গত দুই বছরের নানা সময়ে রেংয়ানপাড়ার লাঙান ম্রো, প্রচ্যং ম্রো, রেংয়ুং ম্রো, রেংনত ম্রো, সিংচং ম্রো, লাংকমপাড়ার পারিং ম্রো, মেনরুম ম্রো ও জয়চন্দ্র পাড়ার যোগেশ ত্রিপুরা, দুনিজন ত্রিপুরা, যোগেন ত্রিপুরা, পিতর ত্রিপুরা পরিবার নিয়ে পাড়া ছেড়ে অন্যত্র চলে গেছেন।

ডলুছড়ি মৌজার হেডম্যান যোহন ত্রিপুরা বলেন, অনেক বছর ধরে তিন পাড়াবাসী জুমচাষসহ নানা আবাদ করে জীবিকা নির্বাহ করছে। ১৯৮৮-৮৯ সালে রাবার বাগান সৃজনের জন্য ডলুছড়ি মৌজায় ২৫ একর করে ৬২ জনের নামে মোট ১ হাজার ২০০ একর জমি ইজারা দিয়েছিল জেলা প্রশাসন। কিন্তু লামা রাবার কোম্পানির নামে সরকারি তৌজিতে কোনো নথিপত্র নেই।

তবে আগুনে পোড়ানোসহ এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন লামা রাবার কোম্পানির পিডি কামাল উদ্দিন। ইজারার দাবির পক্ষে তিনি বলেন, এত বড় জায়গায় চার ফুট উঁচু মাটির ঢিবি ও ঢিবির ওপর ছয় ফুট উঁচু কংক্রিটের খুঁটি দেয়া অনেক টাকার ব্যাপার। সে কারণেই দেয়া হয়নি।

তিন পাড়ার খাদ্য সংকট বিষয়ে পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিংয়ের সঙ্গে কথা হয়েছে বলে জানান জেলা প্রশাসক ইয়াছমিন পারভীন তীবরীজি। তিনি বলেন, জেলা প্রশাসন মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠিয়েছে। অনুমোদন হয়ে এলে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হবে। এছাড়া ওই জমি লামা রাবার কোম্পানির নামে ইজারা দেয়া আছে কিনা তা খতিয়ে দেখে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

নিউজ ট্যাগ: বান্দরবান

আরও খবর



ইতিকাফের গুরুত্ব ও ফজিলত

প্রকাশিত:বুধবার ২০ এপ্রিল ২০22 | হালনাগাদ:বুধবার ২০ এপ্রিল ২০22 | ৬২৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

রমজানের অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত ইতিকাফ। ইতিকাফ মানে জাগতিক ঝামেলা থেকে মুক্ত হয়ে মসজিদে অবস্থান করা, সমর্পিত হৃদয়ে নিজের ক্ষমা ও মাগফিরাতের চেষ্টায় খোদা প্রেমে মশগুল হওয়া। ইতিকাফের মাধ্যমে মুসলমানরা আল্লাহর জিকির ও ইবাদতের মাধ্যমে শবে কদর তালাশ করে। সর্বোপরি আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের মাধ্যমে আল্লাহর রহমত, মাগফিরাত ও নাজাত কামনা করে। ২০ রমজান সন্ধ্যা থেকে শুরু হবে রোজাদারদের এই বিশেষ আমল।

শব্দগত দিক দিয়ে ইতিকাফ অর্থ অবস্থান করা, স্থির থাকা, কোনো স্থানে আবদ্ধ হয়ে থাকা। ইসলামের পরিভাষায় রমজান মাসের শেষ দশকে জাগতিক কাজকর্ম ও পরিবার-পরিজন থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে ইবাদতের নিয়তে মসজিদে (পুরুষ) কিংবা ঘরে (মহিলা) অবস্থান করা ও স্থির থাকাকে ইতিকাফ বলে। এর উদ্দেশ্য আল্লাহর আনুগত্য, সৃষ্টিকর্তার অনুগ্রহ লাভের আকাঙ্ক্ষা, সওয়াব অর্জনের প্রত্যাশা এবং লাইলাতুল কদর লাভের আশা।

নবীজি (সা.) রমজানের শেষ দশ দিনের ইতিকাফ খুব গুরুত্বের সঙ্গে পালন করতেন। আবু হুরাইরা (রা.) বর্ণনা করেন, নবী করিম (সা.) প্রতি রমজানে দশ দিন ইতিকাফ করতেন। কিন্তু ইন্তেকালের বছর তিনি ২০ দিন ইতিকাফ পালন করেন। (বুখারি: ১৯৩৯)

অন্য হাদিসে আয়েশা (রা.) বর্ণনা করেন, নবী করিম (সা.) রমজানের শেষ দশকে ইতিকাফ করতেন। ইন্তেকালের পর তাঁর স্ত্রীরাও ইতিকাফ করতেন। (মুসলিম: ১১৭২)

রমজানের শেষ দশ দিন ইতিকাফ করা সুন্নতে মুয়াক্কাদায় কেফায়া। অর্থাৎ মসজিদের অধিবাসীদের মধ্যে কেউ একজন পালন করলে, অন্যরা সওয়াব না পেলেও গুনাহ থেকে বেঁচে যাবে। তবে সুন্নত আদায়ের সওয়াব কেবল তারাই পাবেন, যারা ইতিকাফে বসবেন। সুন্নত ইতিকাফের সময় শুরু রমজানের ২০ তারিখ সূর্য অস্ত যাওয়ার কিছুক্ষণ পূর্ব থেকে। আর ঈদুল ফিতরের চাঁদ উঠলে সময় শেষ হয়।

ইতিকাফকারী পুরুষ ২০ রমজান আসরের নামাজের পর সূর্যাস্তের আগে মসজিদে পৌঁছাবেন এবং কোণে একটি ঘরের মতো পর্দা দিয়ে ঘেরাও করে অবস্থান নেবেন; এমনভাবে যেন প্রয়োজনে জামাতের সময় পর্দা খুলে মুসল্লিদের জন্য নামাজের ব্যবস্থা করা যায়। এ স্থানে পানাহার ও শয়ন করবেন এবং বিনা প্রয়োজনে এখান থেকে বের হবেন না। তবে প্রাকৃতিক প্রয়োজনে বা ফরজ গোসল প্রভৃতি কাজে অথবা শরিয়তের প্রয়োজনে, যেমন জুমার নামাজ প্রভৃতির জন্য বের হওয়া জায়েজ।

নারীরা ঘরের নির্দিষ্ট স্থানে, যেখানে তিনি নামাজ আদায় করেন, সেখানেই ইতিকাফ করবেন। বাড়ির নির্দিষ্ট স্থান না থাকলে যে কোনো পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন স্থানে ইতিকাফ করবেন এবং ঈদের চাঁদ উদয় না হওয়া পর্যন্ত ইতিকাফের স্থান ত্যাগ করবেন না।

ইতিকাফের অন্যতম উদ্দেশ্য লাইলাতুল কদর অন্বেষণ করা। কারণ নবীজি (সা.) রমজানের শেষ দশকে কদর রাত খোঁজার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন। কোনো কোনো হাদিসে শেষ দশকের বেজোড় রাতের কথা বলা হয়েছে। যাবতীয় নফল ইবাদত থেকে এটি ব্যতিক্রম। কারণ নবীজি (সা.) দুটি নফল ইবাদত কাজা করেছেন। একটি তাহাজ্জুদের নামাজ, আরেকটি রমজানের শেষ দশকের ইতিকাফ। যে রাতে তিনি তাহাজ্জুদ পড়তে সক্ষম হতেন না, পরবর্তী দিবসে তিনি তা কাজা করে নিতেন। সাধারণত পড়তেন ৮ রাকাত; কাজা করার সময় পড়তেন ১২ রাকাত।

দ্বিতীয়ত, ইতিকাফ। রোজা ফরজ হওয়ার পর কোনো রমজানেই নবীজি (সা.) ইতিকাফ ছেড়ে দেননি। ইন্তেকালের আগের বছর ওজরবশত ইতিকাফ করতে পারেননি; ইন্তেকালের বছর রমজানে তিনি কাজাসহ মোট ২০ দিন ইতিকাফ করেন। এ কারণেই যুগে যুগে বুজুর্গ ব্যক্তিরা তাহাজ্জুদ এবং ইতিকাফ, এই দুই নফল আমল পারতপক্ষে পরিত্যাগ করেন না।

নবী করিম (সা.) বলেন, ইতিকাফকারী ব্যক্তি যাবতীয় পাপ থেকে মুক্ত থাকে আর ইতিকাফে লিপ্ত থাকার জন্য কোনো ব্যক্তি বাইরের কোনো নেক কাজ করার সুযোগ থেকে বঞ্চিত থাকলেও ওই নেক কাজগুলোর পূর্ণ নেকি সে লাভ করবে।(ইবনে মাজা)

তিনি আরও বলেন, ইতিকাফকারী মূলত গুনাহ থেকে দূরে থাকে এবং তাকে ইতিকাফের বিনিময়ে এত বেশি নেকি দেওয়া হবে, যেন সে সব নেকি অর্জনকারী। (ইবনে মাজা)। যে ব্যক্তি রমজানের শেষ দশক ইতিকাফ করবে, তার জন্য দুই হজ ও দুই ওমরার সওয়াব রয়েছে।(বায়হাকি)

ইতিকাফে খেয়াল রাখতে হবে১. ইতিকাফকালে স্ত্রী সহবাস বা স্ত্রী সহবাসে উত্তেজনা সৃষ্টিকারী কিছু করলে ইতিকাফ বাতিল হয়ে যাবে। ২. মানবীয় কাজ যেমনপায়খানা-প্রস্রাব অথবা শরয়তি প্রয়োজন ছাড়া, যেমনজুমার নামাজে শরিক হওয়া ছাড়া মসজিদ থেকে বের হলে ইতিকাফ বাতিল হয়ে যাবে। ৩. এসব অনুমোদিত জরুরতে বের হয়েও প্রয়োজনের বেশি অবস্থান করলে ইতিকাফ থাকবে না। ৪. কেউ ইতিকাফ শুরু করে কোনো কারণে ছেড়ে দিলে পরে তা কাজা করতে হবে এবং রোজার সঙ্গেই কাজা করতে হবে। ৫. খাদ্য বা অজুর পানি এনে দেওয়ার মতো কোনো লোক না থাকলে তার জন্য মসজিদের বাইরে যাওয়া জায়েজ; তবে খুব তাড়াতাড়ি ফিরে আসতে হবে। (কুদুরি, ফাতাওয়া শামি, হাশিয়ায়ে তাহতাবি)

নিউজ ট্যাগ: ইতিকাফ

আরও খবর



নতুন গান নিয়ে আসছেন লায়লা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৭ মে ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৭ মে ২০২২ | ২২০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

২০১২ সালের ক্লোজআপ ওয়ান প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলেন সুলতানা ইয়াসমিন লায়লা। পরবর্তীতে তার গাওয়া সখী গো আমার মন ভালা না গানটি দারুণ জনপ্রিয়তা পায়। স্টেজ মাতানোর পাশাপাশি নিয়মিত নতুন গানও প্রকাশ করে থাকেন এই গায়িকা। এবার লায়লা নিয়ে আসছেন নতুন মৌলিক গান কেমন কেমন করে বন্ধু। গানটির কথা লিখেছেন দেওয়ান মান্নান। সুর ও সংগীতায়োজনে এএইচ তুর্য।

গানটি নিয়ে লায়লা বলেন, আমার খুব ভালোলাগা থেকে গানটি করেছি। আগামী ১৯ মে আমার ইউটিউব চ্যানেলে লায়লা অফিসিয়াল-এ এটি উন্মুক্ত করবো। আশা করি সবার পছন্দ হবে।

উল্লেখ্য, পারিবারিকভাবেই গানের চর্চাটা পেয়েছেন লায়লা। তার বাবা মো. শফিকুল মৃধা একজন দোতারাবাদক। তার হাত ধরেই লায়লার গানে হাতেখড়ি। তার গ্রামের বাড়ি নাটোরের বনপাড়ার মহিষভাঙ্গায়। সেই গ্রাম থেকেই ২০১২ সালে ক্লোজআপ ওয়ান প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছিলেন। ২০১৬ সালে প্রকাশ পায় লায়লার প্রথম একক অ্যালবাম আমার কুঞ্জে। তাতে পুরনো লোকগানের পাশাপাশি কয়েকটি মৌলিক গানও ছিল। তবে আপাতত সিঙ্গেল গান আর স্টেজ শো নিয়েই ব্যস্ত এই গায়িকা।


আরও খবর



আড়াই বছরেই দেউলিয়া হয়েছে শ্রীলংকা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১২ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১২ মে ২০২২ | ৩৪০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

শ্রীলংকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচন সামনে রেখে অকল্পনীয় সব প্রতিশ্রুতি দেন গোতাবায়া রাজাপাকসে। ভোটার টানতে বড় আকারে ট্যাক্স মওকুফের ঘোষণা দেন। মূল্য সংযোজন কর ১৫ থেকে কমিয়ে ৮ শতাংশে নামিয়ে আনাসহ অন্যান্য করে বড় ছাড় দেয়ার কথা জানান।  প্রচারাভিযানে দেয়া তার এসব প্রতিশ্রুতিকে স্টান্টবাজি হিসেবে অ্যাখা দিয়েছিলেন অনেকে। তত্কালীন অর্থমন্ত্রী মঙ্গলা সামারাবিরা গোতাবায়ার এমন ঘোষণাকে বিপজ্জনক হিসেবে মন্তব্য করেন। সতর্ক করে বলেন, এমন অপরিণামদর্শী সিদ্ধান্ত শ্রীলংকাকে কেবল দেউলিয়াই করবে না, ভেনিজুয়েলা ও গ্রিসের মতো পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে। তার ওই ভবিষ্যদ্বাণী বাস্তবে রূপ নিতে সময় লেগেছে মাত্র আড়াই বছর। রাজাপাকসে পরিবারের ক্ষমতার মসনদে ভাঙন ধরেছে। ধারাবাহিক বিক্ষোভে পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী মাহিন্দা রাজাপাকসে। টালমাটাল রাজাপাকসে পরিবারের শাসন।

নির্বাচনে জয়ী হওয়ার জন্য রাজাপাকসে পরিবার জনগণের ওপর করের চাপ কমানোর যে প্রলোভন দেখিয়েছে, সেটি আজ দেশের জন্যই হিতে বিপরীত হয়ে দেখা দিয়েছে। ঋণে জর্জরিত দেশটির রাজস্ব কমে যাওয়ার অর্থ ছিল তাদের নগদ অর্থের জন্য আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) কাছে ধরনা দেয়ার পথ তৈরি হওয়া। এমন ভবিষ্যৎ পরিস্থিতি সে সময়কার নীতিনির্ধারকরা বুঝলেও রাজাপাকসে পরিবারের কাছে ক্ষমতায় আসাটাই ছিল মুখ্য।

নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর দ্বীপরাষ্ট্রটির রাজনৈতিক ক্ষমতার অপ্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে ওঠে রাজাপাকসে পরিবার। পরের বছর প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত হন মাহিন্দা রাজাপাকসে। ভাই প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপাকসের অধীনে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নেন তিনি। ২০২১ সালে তাদের আরেক ভাই বাসিল রাজাপাকসেকেও সরকারে আনা হয়। দায়িত্ব দেয়া হয় অর্থমন্ত্রীর। সরকারে আনা হয় পরিবারের অন্য সদস্যদেরও। এভাবে শ্রীলংকার রাজনীতি, সরকার ও ক্ষমতার মসনদে রাজাপাকসে পরিবারের অবস্থান শক্ত হয়ে ওঠে। এশিয়ার মধ্যে সবচেয়ে প্রভাবশালী পরিবার হয়ে ওঠে তারা। তবে এক বছরেরও কম সময়ের মধ্যে রাজাপাকসে পরিবারের ক্ষমতাশীল হয়ে ওঠার সেই দৌড় থমকে যায়। যার শুরুটাও রাজাপাকসে পরিবারের হাত ধরেই।

প্রতিশ্রুতি মতো নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকেই ট্যাক্স কমিয়ে দেন গোতাবায়া রাজাপাকসে। ফিরিয়ে আনেন প্রেসিডেন্সিয়াল ক্ষমতা। কর্তৃত্ববাদী শাসনক্ষমতায় পাকাপোক্ত হওয়ার বাসনা আরো জেঁকে বসে রাজাপাকসে ভাইদের মাঝে। ঋণ নিয়ে আগ্রাসীভাবে বড় বড় প্রকল্প বাস্তবায়ন করার উদ্যোগ নেন তারা। তবে অব্যবস্থাপনা আর অবাধ দুর্নীতি দেশটিকে খাদের কিনারে টেনে আনে। লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়তে থাকে মুদ্রাস্ফীতি। প্রকট হতে থাকে জ্বালানির সংকট। বিদ্যুৎ ছাড়াই থাকতে হয় নাগরিকদের বেশির ভাগ সময়। অনিশ্চয়তার মুখে পড়ে খাদ্যনিরাপত্তা। ফুরিয়ে আসে আমদানি সক্ষমতাও। বিপরীতে ঋণে জর্জরিত দেশ। নাগরিকদের খাদ্য, জ্বালানি ও ওষুধের মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় সুবিধা নিশ্চিত করতে জরুরি ভিত্তিতে অনুদানের জন্য দাতা সংস্থা ও অন্য দেশের কাছে হাত পাততে হয় তাদের। মুদ্রাবাজার থেকে উচ্চসুদে বিপুল পরিমাণ ঋণ নেয় শ্রীলংকা। এ ঋণ ও তার সুদ পরিশোধ করতে না পেরে নিজেদের দেউলিয়া ঘোষণা করে সরকার।

শুধু এবারের নির্বাচনই নয়, শ্রীলংকার রাজনীতিতে দীর্ঘদিন ধরেই রাজাপাকসে ভাইদের মধ্যেই ক্ষমতার হাতবদল হয়েছে। সেই অর্থে অর্থনৈতিক দুর্বলতার মধ্যেই ক্ষমতায় আসে রাজাপাকসে পরিবার। ক্ষমতায় আসার পর চীন থেকে বড় আকারে ঋণ নেয় সরকার। গভীর সমুদ্রবন্দরসহ বড় বড় প্রকল্প হাতে নেয়া হয়। এশিয়ার মধ্যে নিজেদের আরেক সিঙ্গাপুর বানানোর উচ্চাভিলাষ জেগে বসে রাজাপাকসে ভাইদের মাঝে। যদিও বেশির ভাগ প্রকল্পই শ্বেতহস্তীতে পরিণত হয়। কয়েক বছরের ব্যবধানে দ্বিগুণ হয় ঋণের পরিমাণ। ২০১৯ সালের ইস্টার সানডেতে সন্ত্রাসী হামলা অর্থনীতির ওপর আরো চাপ তৈরি করে। পর্যটননির্ভর অর্থনীতির ধকল কাটিয়ে ওঠার আগেই টালমাটাল পরিস্থিতিতে ফেলে দেয় করোনা অতিমারী।

গত এপ্রিলে সরকারের অদূরদর্শী আরেক সিদ্ধান্ত শ্রীলংকার আর্থিক বিপর্যয়কে ত্বরান্বিত করে। সরকার হঠাৎ করে এ সময়ে রাসায়নিক সার ব্যবহার নিষিদ্ধ করে। মূলত ডলার সাশ্রয় করার জন্যই ওই উদ্যোগ নেয়। উদেশ্য ছিল সার আমদানি বন্ধ করে অর্গানিক কৃষিতে ঝোঁকা। তবে সেটি বুমেরাং হয়ে ওঠে। অভ্যন্তরীণ উৎপাদনে ধস নামে। রফতানি আয়ের অন্যতম উৎস চায়ের উৎপাদনেও ধস দেখা দেয়। এ খাত থেকে রফতানি আয় উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কমে আসে। বিপরীতে খাদ্যশস্যের উৎপাদনে ধস দেখা দেয়ায় বাধ্য হয়ে চালসহ খাদ্য আমদানি করতে হয় সরকারকে। অভ্যন্তরীণ বাজারে খাদ্যপণ্যের ব্যয় বাড়তে থাকে। নিত্য পরিষেবা থেকে বঞ্চিত হতে থাকে নাগরিকরা। সবকিছু মিলিয়ে নাগরিকদের মাঝে ক্ষোভ তীব্র আকার ধারণ করে। যার বহিঃপ্রকাশ দেখা গেছে সাম্প্রতিক সময়ে। দেয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়ায় নাগরিকরা ফুঁসে ওঠে। বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে ওঠে দেশ। পদে টিকে থাকার শেষ চেষ্টা করেও পারলেন না মাহিন্দা রাজাপাকসে। পদত্যাগ করতে বাধ্য হন তিনি।

স্থানীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রিত্ব থেকে মাহিন্দা রাজাপাকসের পদত্যাগের মধ্যেই সহিংসতায় এক এমপিসহ অন্তত সাত শ্রীলংকান নিহত হয়েছে। এ অবস্থায় সহিংস এ উসকানির জন্য মাহিন্দা রাজাপাকসেকে গ্রেফতারের দাবি তুলেছেন দেশটির আইনজীবী, রাজনীতিবিদ, তারকা ক্রিকেটারসহ বিভিন্ন স্তরের নাগরিক। পাশাপাশি গোতাবায়ার পদত্যাগের দাবিও জোরালো হচ্ছে।

আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, রাজাপাকসে পরিবারের দীর্ঘদিনের ক্ষমতা এবার খর্ব হতে চলেছে। গত দুই দশকের মধ্যে ১২ বছরই দ্বীপরাষ্ট্রটির শাসন করতে থাকা পরিবারের ডিক্টেটরশিপ এখন ধ্বংসের মুখে। যেকোনো সময় গোতাবায়াকেও ক্ষমতা ছেড়ে দিতে হতে পারে। আর সেটি হলো দেশ ও দেশের বাইরে বিরূপ পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে তাদের। মানবাধিকার লঙ্ঘন, যুদ্ধাপরাধ ও দুর্নীতির দায়ে বিচারের আওতায় আসতে হতে পারে। শেষ পর্যন্ত ক্ষমতা আঁকড়ে ধরে থাকার চেষ্টা করে যাবেন গোতাবায়া। যে কারণে অনেকটা কৌশলেই ভাই মাহিন্দাকে প্রধানমন্ত্রিত্ব ছাড়তে অনুরোধ করেন তিনি। উদ্দেশ্য চলমান পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা।

সংবিধানের সর্বশেষ সংশোধনী অনুযায়ী অসীম ক্ষমতা উপভোগ করছেন শ্রীলংকার প্রেসিডেন্ট। মন্ত্রিপরিষদ নিয়োগ থেকে শুরু করে তাদের বহিষ্কার ও অপসারণের ক্ষমতা রাখেন তিনি। একই সঙ্গে তিনি বিচারক নিয়োগ দিয়ে থাকেন এবং নিজে যেকোনো জবাবদিহিতার বাইরে থাকতে পারেন। নির্বাহী প্রেসিডেন্টের এমন অসীম ক্ষমতার মধ্যে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারে আগ্রহ দেখাচ্ছে না বিরোধী দলগুলো। তারাও গোতাবায়ার পদত্যাগ দাবি করছে। চলতি সপ্তাহে গোতাবায়ার বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব উত্থাপন ইস্যুতে বিরোধী নেতাদের সঙ্গে এক বৈঠকও ডেকেছেন সংসদের স্পিকার। ফলে শেষ পর্যন্ত রাজাপাকসে পরিবারের ক্ষমতায় টিকে থাকা এখন অনেকটাই অনিশ্চিত হয়ে উঠেছে।

নিউজ ট্যাগ: শ্রীলংকা

আরও খবর



ডেনমার্ক রাজকুমারী ঢাকায়

প্রকাশিত:সোমবার ২৫ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ২৫ এপ্রিল ২০২২ | ৪৩৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

তিন দিনের সফরে ডেনমার্কের রাজকুমারী ম্যারি এলিজাবেথ ডোনাল্ডসন বাংলাদেশে এসেছেন। সোমবার (২৫ এপ্রিল) সকালে রাজধানীর শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছালে তাকে স্বাগত জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন।

ঢাকা সফরের প্রথম কর্মসূচি হিসেবে গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে বৈঠক করবেন ডেনমার্কের রাজকুমারী ম্যারি এলিজাবেথ। দুপুরে ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূতের আয়োজনে এক মধ্যাহ্ন ভোজ অংশ নেবেন তিনি। বিকেলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেনের সঙ্গে বৈঠক শেষে কক্সবাজারের উদ্দেশ্যে রওনা হবেন।

মঙ্গলবার সকালে তিনি ডেনিশ রিফিউজি কাউন্সিলের (ডিআরসি) ব্রিফিংয়ে যোগ দেবেন। তিনি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে গিয়ে ক্যাম্প ৫-এ বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে মাটি ক্ষয় নিয়ন্ত্রণ ও ডিআরসির পরিবেশ পুনরুদ্ধার কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করবেন। এসময় কয়েকজন সুবিধাভোগী রোহিঙ্গার সঙ্গে মতবিনিময় করবেন রাজকুমারী।

কক্সবাজার থেকে ঢাকায় এসে তিনি সাতক্ষীরা যাবেন। সেখানে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করবেন এবং সুন্দরবনেও ভ্রমণ করবেন।


আরও খবর



তোমার রূপ অসাধারণ কিছু নয়: আনুশকাকে পরিচালক

প্রকাশিত:শনিবার ০৭ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০৭ মে ২০২২ | ৩৭০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

রাব নে বানা দি জোড়ি ছবির মধ্য দিয়ে বলিউডে ক্যারিয়ার শুরু আনুশকা শর্মার। প্রথম ছবিতেই শাহরুখ খানের নায়িকা হিসেবে ক্যামেরার সামনে এসে নজর কেড়েছিলেন। এরপর আমির খানের বিপরীতে পিকে ছবিতে অভিনয় করে রাতারাতি বাজিমাত। এক লাফে ওঠে আসেন বি-টাউনের শীর্ষ নায়িকাদের সারিতে।

তবে আনুশকার শুরুটা এতো মধুর ছিলো না। রাব নে বানা দি জোড়ি ছবিতে তানি চরিত্রে ধরা দিয়েছিলেন নায়িকা। এ ছবিতে চুক্তিবদ্ধ হওয়ার সময়ই নিজের চেহারা নিয়ে তাকে শুনতে হয়েছিল তিক্ত কথা।

ছবির পরিচালক আদিত্য চোপড়া মুখের ওপর আনুশকাকে বলে দিয়েছিলেন, তানির চরিত্রে তোমাকেই নিচ্ছি। কিন্তু তোমাকে মনে রাখতে হবে তোমার রূপ অসাধারণ কিছু নয়। তাই সে ঘাটতি পূরণের জন্য তোমায় খাটতে হবে।

২০০৮ সালে রাব নে বানা দি জোড়ি ছবি দিয়ে ক্যারিয়ার শুরু করা আনুশকা বলিউডে নিজের জায়গাটা পোক্ত করেন ব্যান্ড বাজা বারাত চলচ্চিত্র দিয়ে। সেই ছবিতে আনুশকার নায়ক হিসেবে বলিউডে অভিষেক হয়েছিল রণবীর সিংয়ের।

১৯৮৮ সালের ১ মে অযোধ্যায় জন্ম আনুশকার। বাবা ছিলেন ভারতীয় সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা। পরিবারের কোনো সদস্যই বলিউড বা অভিনয়ের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। ফলে অনেকটা নিজের পরিশ্রমকে সম্বল করেই চৌকাঠের বাইরে পা বাড়াতে হয়েছিল আনুশকাকে। এরপর একটি শ্যাম্পুর বিজ্ঞাপনে একসঙ্গে কাজের সূত্র ধরে বিরাট কোহলির সঙ্গে পরিচয়। পরিচয় থেকেই প্রেম ও পরিণয়। এ তারকা দম্পতির ঘরে এক কন্যা সন্তান রয়েছে। অভিনয় জগতে আসার আগে মডেলিং করতেন আনুশকা। ২০১৮ সালে শাহরুখ খানের বিপরীতে জিরো ছবিতে শেষবার দেখা যায় তাকে।

নিউজ ট্যাগ: আনুশকা শর্মা

আরও খবর