আজঃ শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪
শিরোনাম

বাংলাদেশ ব্যাংকে সাংবাদিকরা কেন ঢুকবে, প্রশ্ন ওবায়দুল কাদেরের

প্রকাশিত:শনিবার ১৮ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৮ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

পৃথিবীর কোন দেশের সেন্ট্রাল ব্যাংকে অবাধে সাংবাদিকরা ঢুকতে পারে? এমন প্রশ্ন রেখে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, সব তথ্য ওয়েবসাইটে আছে। আপনার জানবার বিষয় জানবেন, আপনি ভেতরে ঢুকবেন কেন?

শনিবার (১৮ মে) দুপুরে আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

দেশের রিজার্ভ ৪৮ বিলিয়ন ডলার থেকে এখন ১৩ বিলিয়ন ডলারে নেমে আসায় সরকার উদ্বিগ্ন কি না, জানতে চাইলে ওবায়দুল কাদের বলেন, কে বলল আপনাকে ১৩ বিলিয়ন ডলার? নিউজে বলা হয়েছে, সাংবাদিকদের এমন উত্তরে তিনি বলেন, কোন নিউজে বলছে আপনাকে? আমাদের কাছে হিসাব আছে। তখন সাংবাদিকরা বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরই বলেছেন ব্যবহার করার মতো ১৩ বিলিয়ন ডলার আছে। তখন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, তাহলে গভর্নরকে জিজ্ঞেস করুন, কী কারণে এইটা এই পর্যায়ে এল তাও জিজ্ঞেস করুন? আমরা তো এটা জানি না, আমরা জানি ১৯ থেকে ২০ বিলিয়ন ডলার... এর মধ্যেই ঘুরপাক খাচ্ছে।

সাংবাদিকদের তো বাংলাদেশ ব্যাংকে ঢুকতে দেয় না, তাহলে গভর্নরকে জিজ্ঞেস করবে কীভাবে? এমন প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, পৃথিবীর কোন দেশে সেন্ট্রাল ব্যাংকে ঢুকতে পারছে অবাধে? কোন দেশে? ভারতের ফেডারেল ব্যাংকে কি অবাধে ঢুকতে পারছে কেউ? কেন ঢুকবে? সব তথ্য ওয়েবসাইটে আছে। আপনার জানবার বিষয় জানবেন, আপনি ভেতরে ঢুকবেন কেন?

রিজার্ভ কমে ১৩ বিলিয়নে নেমে আসায় অর্থনীতিবিদরা অনেকে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন- এ বিষয়ে জানতে চাইলে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, কয় বিলিয়ন ডলার নিয়ে আমরা স্বাধীনতার পর যাত্রা শুরু করেছি? ডলার ছিল আমাদের? বিএনপি কয় বিলিয়ন ডলার রেখে গেছে আমাদের জন্য? তিন বিলিয়ন প্লাস। তাহলে এখন ১৯-২০ বিলিয়ন ডলার আছে এটা কি কম নাকি? এখন আমাদের রপ্তানি আয় বাড়ছে, রেমিট্যান্সও বাড়ছে, এই মুহূর্তের যে প্রবণতা... এইগুলা বাড়লে রিজার্ভও বাড়বে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম, সুজিত রায় নন্দী, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মো. আবদুস সবুর, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মৃণাল কান্তি দাস, উপ-দপ্তর সম্পাদক সায়েম খান প্রমুখ।


আরও খবর



বিমান বিধ্বস্তে মালাউইয়ের ভাইস প্রেসিডেন্টসহ নিহত ১০

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১১ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

বিমান বিধ্বস্ত হয়ে পূর্ব আফ্রিকার দেশ মালাউইয়ের ভাইস প্রেসিডেন্ট সাওলোস চিলিমা নিহত হয়েছেন। এছাড়াও প্রাণ হারিয়েছেন বিমানটিতে থাকা আরও ৯ জন। মঙ্গলবার (১১ জুন) দেশটির সরকার এক বিবৃতিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে বলে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম টাইমস নাউ। এর আগে চিলিমাকে বহনকারী বিমানটি নিখোঁজ হওয়ার খবর পাওয়া যায়।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, প্রেসিডেন্টের কার্যালয় ও মন্ত্রিসভা থেকে সাধারণ জনগণকে জানাতে চাই, সোমবার (১০ জুন) নিখোঁজ হওয়া মালাউই ডিফেন্স ফোর্সের বিমানটির উদ্ধার অভিযান শেষ হয়েছে। বিমানটিতে থাকা ভাইস প্রেসিডেন্ট সাওলোস ক্লাউস চিলিমাসহ ১০ জনকে আজ সকালে চিকানগাওয়ায় পাওয়া গেছে।’

এতে আরও বলা হয়, দুর্ভাগ্যবশত বিমানটিতে থাকা সবাই নিহত হয়েছেন। বিমানটি রাডারের বাইরে চলে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই মালাউইয়ের প্রতিরক্ষা বাহিনী, পুলিশ সার্ভিস, বেসামরিক বিমান চলাচল বিভাগসহ বিভিন্ন সংস্থা অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান শুরু করে।’

প্রতিবেদন মতে, বিমান দুর্ঘটনার খবর দেশটির প্রেসিডেন্ট ড. লাজারাস ম্যাককার্থি চাকভেরাকে জানানো হয়েছে। তিনি দুর্ঘটনায় নিহত ভাইস প্রেসিডেন্টের পরিবারসহ অন্যান্যদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেছেন।

এদিকে ভাইস প্রেসিডেন্ট ও তার সহযোগীদের মৃত্যুতে দেশজুড়ে শোক ঘোষণা করা হয়েছে। আজ (মঙ্গলবার) থেকে শেষকৃত্যের দিন পর্যন্ত পতাকা অর্ধনিমিত রাখার নির্দেশ দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ম্যাককার্থি।

উল্লেখ্য, সোমবার ভাইস প্রেসিডেন্ট সাওলোস চিলিমাকে বহনকারী বিমানটি রাজধানী লিলংওয়ে থেকে মুজুজু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্দেশ্যে যাচ্ছিল। গন্তব্যস্থলে পৌঁছানোর আগেই বিমানটি হঠাৎ রাডারের বাইরে চলে গেলে, বিমান কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এ সময় বিমানটিতে ভাইস প্রেসিডেন্ট ছাড়া আরও ৯ জন আরোহী ছিলেন।


আরও খবর



ছুটির দিনগুলোকে যেভাবে উপভোগ্য করে তুলবেন

প্রকাশিত:রবিবার ১৬ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৬ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জীবন ধারা ডেস্ক

Image

শুরু হয়েছে ঈদের ছুটি। ঈদের ছুটির সঙ্গে আরও ২-৩ দিন ক্যাজুয়াল লিভ নিয়ে কিছুদিন বেশ আনন্দে কাটাতে পারেন। পরিবারের সঙ্গে সময় যাপন করতে পারেন। আবার নিজেকে সময় দিতে পারেন নিজের মতো করে। ইচ্ছেমতো আলসেমিও করতে পারেন। কাজের ব্যস্ততায় যারা ঠিকঠাক ঘুমাতে পারেন না, ছুটিতে মর্জিমতো ঘুমিয়েও নিতে পারেন। যাই করেন না কেন, দিনগুলোকে আনন্দময় করে তুলুন।

পারিবারিক পরিবেশে আড্ডা: ঈদের ছুটিতে পরিবারকে সময় দিন। বাবা-মা, ভাই-বোন, স্ত্রী-সন্তান, আত্মীয়-স্বজন সবাইকে নিয়ে ব্যস্ত থাকুন। আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে যান। তাদের দাওয়াত দিন। শহুরে জীবন যাপনে একক পরিবারের সংখ্যাই বেশি। আর একক পরিবারে বাস করতে করতে একাকীত্বতা ভর করে। ছুটিতে গ্রামে যান কিংবা শহরে থাকুন, দিনগুলো পরিবার ও আত্মীয়দের সঙ্গে কাটান। গল্প-গুজব, অতীত স্মৃতি রোমন্থন, হাসি-ঠাট্টা ছাড়াও বিভিন্ন ধরনের খেলা খেলতে পারেন। লুডু, দাবা, বালিশ খেলা, ক্যারাম ইত্যাদির মাধ্যমে দিনগুলোকে রঙিন করতে পারেন। সন্তানকেও তার বন্ধু, চাচাতো ভাই বোনদের সঙ্গে খেলতে দিন।

পছন্দের রান্না: ইদ-উল-আজহা মানেই ভরপুর খাওয়া দাওয়ার আয়োজন। গরুর মাংসের বাহারি পদ এসময়ই মানানসই। ঈদের দিন সকালে নিজের পছন্দমতো কোনো পদ রান্না করতে পারেন। যেমন আমের পুডিং, সাবুদানার ডেজার্ট, নবাবী সেমাই, শাহী জর্দা সেমাই ইত্যাদি। দুপুর কিংবা রাতে গরুর মাংসের স্টেক, রেইনবো বিফ কারি, চুই ঝালে গরুর মাংস, আচারি মাংস, কালাভুনা ইত্যাদি কোনো একটি বা দুটি পদ রাঁধতে পারেন। এক্সপেরিমেন্টাল অন্যান্য পদও রান্না করতে পারেন। পরিবারের অন্যদের সাহায্য নিতে পারেন। প্রয়োজনে পরিবারের ছোটদের সাহায্য নিন। এতে তাদের সময়টাও বেশ আনন্দে কাটবে।

ঘুরাঘুরি চাই-ই চাই: ঈদের ছুটিতে ঘুরাঘুরি হবে না, তা কী করে হয়। যদি ছুটিতে ঢাকাতেই থাকেন তাহলে ডে লং ট্যুরে যেতে পারেন। জিন্দা পার্ক, পানাম সিটি, ড্রিম হলিডে পার্ক, বালিয়াটি জমিদার বাড়ি, মহেরা জমিদার বাড়ি, গোলাপগ্রাম, ফ্যান্টাসি কিংডম ইত্যাদি জায়গা থেকে ঘুরে আসতে পারেন। তবে যাওয়ার আগে দেখবেন ভ্রমণস্থানগুলো খোলা আছে কিনা। শিশুদের নিয়ে চিড়িয়াখানা কিংবা জাদুঘরেও চলে যেতে পারেন। পুবাইল-গাজীপুরের দিকে অনেক রিসোর্ট আছে। পরিবার ও আত্মীয়দের নিয়ে কোনো একটি রিসোর্টেও যেতে পারেন। যদি ঈদে গ্রামের বাড়িতে যান, তাহলে নিজ জেলার ঐতিহ্যবাহী স্থানগুলোতে বেড়ান।

প্রিয় সিনেমা, ওয়েব সিরিজ: ঈদের আনন্দকে বাড়াতে সিনেমা হল কিংবা সিনেপ্লেক্সে সিনেমা দেখতে যেতে পারেন। যদি একান্তই যেতে না পারেন, তাহলে বাসায়ই সবার সঙ্গে একত্রে প্রিয় সিনেমা দেখুন। দেখতে পারেন প্রিয় ওয়েব সিরিজও। এতে সুন্দর সময় কাটবে। হৈচৈ, নেটফ্লিক্স, চরকি, বায়োস্কোপ, বিঞ্জ, দীপ্ত প্লেসহ অনেক ওটিটি প্ল্যাটফর্মে চোখ রাখতে পারেন। দারুণ কিছু পেয়ে যাবেন।

বই পড়ুন: ব্যস্ততার কারণে যে বই পড়া হয়নি, যে বই অর্ধেক শেষ করে পুরোটার স্বাদ নেওয়া হয়নি, সেগুলো পড়ে ফেলতে পারেন। পড়া শেষ হলে অন্যকে বই পড়তে উৎসাহী করে তুলুন। বইয়ের সঙ্গে সময় বেশ ভালো কাটবে। 

নিজের যত্ন নিতে ভুলবেন না: ঈদের ভারি খাবার খেয়ে নিজের যত্ন নিতে ভুলবেন না। মজাদার খাবার খাওয়ার সাথে সাথে শরীরচর্চা করা, হাঁটার কথা ভুলবেন না। অনেক কাজ করে যদি হাতে-পায়ে ময়লা জমে যায়, তবে কুসুম গরম পানির সঙ্গে লেবু মিশিয়ে কিছুক্ষণ ভিজিয়ে রাখুন। ৮-১০ মিনিট পর তা আলতো করে ঘষে ধুয়ে নিন। রান্নাঘর ও রোদে যাওয়ার আগে সানস্ক্রিন ক্রিম লাগান। ত্বকের সৌন্দর্য বাড়াতে ঘরোয়া উপাদান দিয়ে রূপচর্চা করুন।

নিউজ ট্যাগ: ঈদের ছুটি

আরও খবর



চট্টগ্রামে স্ত্রীকে হত্যায় স্বামীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
রাহুল সরকার, চট্টগ্রাম ব্যুরো

Image

চট্টগ্রামের জোরারগঞ্জ থানার একটি মামলায় স্ত্রী নাজমা আক্তার হত্যার দায়ে স্বামী মো. সাইফুল ইসলামকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। 

বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) চট্টগ্রামের দ্বিতীয় অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মাদ সরওয়ার আলমের আদালত এই রায় দেন।

চট্টগ্রাম জেলা পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী জানান, মামলার দীর্ঘ ১৫ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৪ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য-প্রমাণে স্ত্রী নাজমা হত্যার দায়ে আদালত আজ আসামী সাইফুলকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে ৬ মাস সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন। আদালতের রায় দেওয়ার পর  আসামীকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

মামলার নথি থেকে জানা যায়, নাজমা আক্তার ও মো. সাইফুল ইসলামের ২০০৯ সালে বিয়ে হয়। সাইফুল ইসলামের সাথে স্ত্রি নাজমার পারিরিবারিক বিরোধ ছিল। বিরোধের জেরে ২০১৩ সালের ১৮ জুন রাতের কোনো এক সময় মারধর ও ছুরিকাঘাতে নাজমা আক্তারকে হত্যা করা হয়। নাজমা আক্তার হত্যার ঘটনায় বোন বাদী হয়ে জোরারগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা করা হয়। মামলার তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্রে ১৫ জনকে সাক্ষী করা হয়।

রাষ্ট্র পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন জেলা পিপি অ্যাডভোকেট শেখ ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী, সহযোগিতা করেন অতিরিক্ত পিপি অ্যাডভোকেট ভূপাল চন্দ্র চৌধুরী।

নিউজ ট্যাগ: চট্টগ্রাম

আরও খবর



ছোট ও মাঝারি গরুতে আগ্রহ বেশি ক্রেতাদের

প্রকাশিত:শনিবার ১৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৫ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

Image

কোরবানির ঈদের অন্যতম আকর্ষণ পশু কেনা। পশু ক্রয়ে সবচেয়ে বেশি চ্যালেঞ্জে পড়তে হয় মধ্যবিত্ত ও নিম্ন মধ্যবিত্তদের। বাজেট ও সাধের সমন্বয় করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে তাদের। যে কারণে পরিকল্পনার শুরু থেকেই তাদের লক্ষ্য থাকে মাঝারি ও ছোট আকারেরে গরু কোরবানি দেওয়া। অনেকে আবার মাংসের স্বাদের বিবেচনায় দেশীয় গরু কিনতে চান।

সবকিছু মিলিয়ে তুলনামূলক মাঝারি কিংবা ছোট গরুর চাহিদা বেশি বাজারে। বিক্রিও বেশি হচ্ছে। গত কয়েকদিনের তুলনায় আজকে গরু বিক্রির পরিমাণ বেড়েছে।

আজ রাজধানীর তেজগাঁও টেকনিক্যাল মাঠের গরুর হাট ঘুরে এসব তথ্য জানা গেছে। দুপুরে হাটে গিয়ে দেখা যায়, তেজগাঁও শিল্পাঞ্চলজুড়ে এ হাট বসানো হয়েছে। হাটে ৬০ হাজার থেকে ৬ লাখ টাকার গরু উঠেছে। বেশিরভাগ ক্রেতাই বিক্রেতাদের সঙ্গে দামাদামি করছেন। মনের মতো দাম না পেলে গরু ছাড়ছেন না তারা। অনেক ক্রেতা শেষ মুহূর্তে দাম কমতে পারে সেই আশায় অপেক্ষা করছেন। যদিও আজ সকাল থেকে গরু বিক্রি বেড়েছে বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা।

শেরপুর থেকে ২২টি গরু এনেছেন ব্যবসায়ী আরশাদ। তিনি বলেন, আমার কাছে মাঝারি ও ছোট গরুর সংখ্যা বেশি ছিল। গতকাল তেমন বিক্রি না হলেও আজ সকালেই ৮টি গরু বিক্রি করেছি। আমি আগামীকালের আশায় থাকতে চাচ্ছি না। মোটামুটি লাভ হলেও গরু ছেড়ে দেব।

মাঝারি সাইজের দুটি গরু কিনেছেন নিজামুল হক। তিনি বলেন, হাজীপাড়া থেকে এখানে এসেছি। প্রথমে ইচ্ছে ছিল বড় আকারের গরু কিনব। পরে আমার অংশীদারদের পরামর্শে ছোট আকারের দুটি গরু ১ লাখ ৬৮ হাজার টাকায় কিনেছি। দেশি গরু দেখতে ছোট হলেও মাংস ও স্বাদ বেশি। এ কারণে ছোট আকারের গরু কিনলাম। 

তেজগাঁও হাটের ইজারাদার হোসেন খান বলেন, প্রথম দিকে গরু-ছাগল বিক্রির পরিমাণ কম হলেও বর্তমানে পশু বিক্রির পরিমাণ বেড়েছে। দামও আগের তুলনায় কমেছে। মাঝারি সাইজের গরুর চাহিদা তুলনামূলক বেশি। চলছেও বেশি। আমরা ৫ শতাংশ হারে হাসিল আদায় করছি। 


আরও খবর



উপকূলের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহারের নির্দেশ

প্রকাশিত:রবিবার ২৬ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৬ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

Image

ঘূর্ণিঝড় রেমালের ক্ষতি থেকে উপকূলীয় এলাকার বাসিন্দাদের রক্ষায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করার নির্দেশ দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শ্রেণিকার্যক্রম বন্ধ রাখতে হলে স্থানীয়ভাবে সিদ্ধান্ত নিয়ে সেটিও করতে বলা হয়েছে। রোববার (২৬ মে) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঘূর্ণিঝড় রেমালের পরিস্থিতিতে জেলাগুলোর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি পরিস্থিতি বিবেচনা করে ওই সব এলাকায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো ব্যবহার এবং শ্রেণিকার্যক্রম পরিচালনার বিষয়ে ব্যবস্থা নেবে। দুর্যোগ বিষয়ক স্থায়ী আদেশ অনুযায়ী তারা এ ব্যবস্থা নেবেন।

এতে বলা হয়েছে, আবহাওয়া অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় রেমাল দেশের দক্ষিণ অঞ্চলের উপকূলীয় এলাকা অতিক্রম করার আশঙ্কা রয়েছে। এ অবস্থায় উল্লিখিত নির্দেশনা দেওয়া হলো।

অন্যদিকে, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপসচিব আক্তারুন্নাহার স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আবহাওয়া অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় রেমাল সন্ধ্যার পর দেশের দক্ষিণ অঞ্চলের উপকূলীয় এলাকা অতিক্রম করার আশঙ্কা রয়েছে।

এ অবস্থায় জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি পরিস্থিতি বিবেচনা করে ওই সব এলাকায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো ব্যবহার ও শ্রেণিকার্যক্রম পরিচালনার বিষয়ে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। এছাড়া ইতোপূর্বে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে ডিসেম্বর-২০২১ এ জারি করা স্ট্যান্ডিং অপারেটিং প্রসিডিওরের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রাথমিক শিক্ষা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা যথাযথ দায়িত্ব পালন করবেন।

এদিকে ঘূর্ণিঝড় রেমালের ক্ষয়ক্ষতি রোধে প্রস্তুতির অংশ হিসেবে আজ রোববার সচিবালয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভা শেষে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী মো. মহিববুর রহমান বলেন, সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভাসহ সারা দেশের সব মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে।

এছাড়া রেমাল আঘাত আনতে পারে এমন এলাকার সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে তৈরি করে রাখা হয়েছে। তাই এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো খোলা থাকবে, তবে ক্লাস হবে না।


আরও খবর