আজঃ মঙ্গলবার ২৩ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম

বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে কঠোর নজরদারি রয়েছে : সেনাপ্রধান

প্রকাশিত:শনিবার ১৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৫ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জেলা প্রতিনিধি

Image

সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কঠোর নজরদারি রয়েছে। পরিস্থিতি এখনো নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। যেকোনো পরিস্থিতিতে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সেনাবাহিনী, বিমান বাহিনী ও নৌবাহিনী প্রস্তুত রয়েছে।

শনিবার (১৫ জুন) দুপুরে শরীয়তপুরের শেখ রাসেল সেনানিবাসে নবগঠিত ১২৯ ব্রিগেড সিগন্যাল কোম্পানির পতাকা উত্তোলন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

সেনাপ্রধান বলেন, আমাদের কথা একেবারে পরিষ্কার। দেশে যদি ভবিষ্যতে আক্রমণ হয়, সেক্ষেত্রে প্রতিহত করতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী যে প্রস্তুত সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই। বর্ডার ভায়োলেশন, যেমন রোহিঙ্গাদের অনুপ্রবেশ ঠেকাতে ওইখানে কোস্ট গার্ড ও বিজিবি রয়েছে। তারা বিষয়টি সম্পূর্ণ তদারকি করছে। সরকারের নিদের্শনা অনুযায়ী ব্যবস্থাও নিচ্ছে। আমরা প্রস্তুত আছি, যদি লেভেল ক্লোজ করে তাহলে সমুচিত ব্যবস্থা আমরা নেব।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী জাতিসংঘ মিশনে সফলভাবে দায়িত্ব পালন করে আসছে। বর্তমানে কুয়েত ও কাতারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্যরা সফলতার সঙ্গে কাজ করছে। ভবিষ্যতে এসব দেশে সেনাসদস্য সংখ্যা আরও বাড়ানো হবে। পদ্মা সেতুর নিরাপত্তায় সার্বক্ষণিক কাজ করছে শেখ রাসেল সেনানিবাস।

বিদায়ী সেনাপ্রধান বলেন, আমার দায়িত্বকালীন সময়ে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে সেবার মানসিকতা নিয়ে প্রদত্ত দায়িত্বসমূহ যথাযথভাবে পালন করতে পারায় আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করছি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। বিশ্বব্যাপী বাংলাদেশের মর্যাদা সমুন্নত ও স্বাধীন ভূখণ্ড নিরাপদ রাখতে অর্পিত সকল দায়িত্ব পালন করতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী অঙ্গীকারবদ্ধ। দেশের সংকটময় মুহূর্তসহ যেকোনো পরিস্থিতিতে অকুতোভয় দায়িত্ব পালনে সেনাবাহিনী সদা প্রস্তুত।

অনুষ্ঠান শুরুর আগে দুপুর ১২টা ১০ মিনিটে আকাশপথে বরিশাল থেকে শরীয়তপুরের শেখ রাসেল সেনানিবাসে আসেন সেনাপ্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ। আগামী ২৩ জুন অবসরে যাবেন তিনি। দীর্ঘ ৪৩ বছর সফলতার সঙ্গে একটি বাহিনীতে কাজ করে প্রধান হিসেবে দায়িত্ব শেষ করা ভাগ্যের ব্যাপার বলে উল্লেখ করেন তিনি।

পতাকা উত্তোলন ও কেক কাটা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নতুন সেনাপ্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, সেনা সদরের জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তাগণসহ ঊর্ধ্বতন সেনা কর্মকর্তাগণ। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন শরীয়তপুর-২ (নড়িয়া-সখিপুর) আসনের সংসদ সদস্য একেএম এনামুল হক শামীম, জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ নিজাম উদ্দিন আহম্মেদ ও পুলিশ সুপার মো. মাহবুবুল আলম।


আরও খবর



কেমন ছিল আম্বানির পুত্রবধু রাধিকার বিয়ের সাজ?

প্রকাশিত:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিনোদন ডেস্ক

Image

এই মুহুর্তে গোটা মুম্বাই ব্যস্ত ধনকুবের মুকেশ আম্বানির ছোট ছেলে অনন্ত আম্বানির বিয়েকে ঘিরে। শুক্রবার (১২ জুলাই) বিয়ের পিঁড়িতে বসেছেন অনন্ত আম্বানি ও রাধিকা মার্চেন্ট।

বলিউড থেকে হলিউড, ভারতীয় ক্রিকেট দলের তারকা থেকে শুরু করে বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরা হাজির হয়েছেন বিয়েতে। আর ভারতের সবচেয়ে ব্যয়বহুল এই বিয়েতে সবার চোখ বিয়ের কনে রাধিকা মার্চেন্টের দিকে।

গতকাল বিয়ের লুক প্রকাশিত হতেই ইন্টারনেটে ভাইরাল হয়ে যান এই নববধু। নববধুর প্রশংসায় মুখ ফসকে যেন বেরিয়ে যায়- এ যে কলিযুগের রাজকন্যা!

বিয়ের দিন রাধিকা একটি বেইজ লেহেঙ্গা পরেছিলেন। সঙ্গে মাথায় ছিল ম্যাচিং ওড়না। হাতে লম্বা লাল রঙের ভরাট জারদৌসি কাজের ওড়না নিয়েছিলেন একটি।

গলায় জোড়োয়ার চোকার এবং হীরে পান্নার মিশেলে তৈরি পাঁচ লহরি হার পরেছিলেন তিনি। সঙ্গে ম্যাচিং টিকলি, কানের ঝুমকো, রতনচুর পরেছিলেন। বাদ যায়নি সাদা লাল এবং হীরের চুরি।

রাধিকার হাতেও পান্না এবং হীরে দিয়ে তৈরি বাজু পরতে দেখা যায় এদিন। সঙ্গে কনুই পর্যন্ত মেহেন্দি তো ছিলই। সঙ্গে ছোট্ট লাল টিপ এবং উজ্জ্বল মেকাপে সাজ সম্পন্ন করেছিলেন তিনি।

বিভিন্ন পোজে এদিন পোজ দিয়ে ছবি তুলতে দেখা যায় রাধিকাকে। তার কনে সাজের ছবি প্রকাশ্যে আসতেই নিমেশেই সেগুলো ভাইরাল হয়ে গেছে।

শুক্রবার, ১২ জুলাই মুম্বাইয়ে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হলেন অনন্ত আম্বানি এবং রাধিকা মার্চেন্ট।

রোশনাইয়ে ঝলমল বিয়ের আসরে হাজির গোটা বিশ্বের হেভিওয়েট ব্যক্তিত্বরা। উপচে পড়েছে গোটা বলিউড। তিন দিনব্যাপী এই বিবাহ উৎসবের প্রথম দিন বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। ১৩ জুলাই অনুষ্ঠিত হবে শুভ আশীর্বাদ, ১৪ জুলাই মঙ্গল উৎসব বা বিয়ের রিসেপশন।


আরও খবর



সন্ধ্যার পর ঢাবি প্রশাসন যে নির্দেশনা দেবে তাই করব : র‍্যাব

প্রকাশিত:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
ঢাবি প্রতিনিধি

Image

সাধারণ শিক্ষার্থীদের চলমান কোটা সংস্কার আন্দোলন নিয়ে শিক্ষার্থীদের হল ছাড়ার নির্দেশনা নিয়ে সন্ধ্যার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন যা নির্দেশনা দেবে, তাই করা হবে বলে জানিয়েছেন র‍্যাবের মুখপাত্র লে. কর্নেল মুনীম ফেরদৌস।

তিনি বলেছেন, শিক্ষার্থীদের হল ছাড়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে যদি তারা ক্যাম্পাস না ছাড়ে, তাহলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আমাদের যেই নির্দেশনা দেবে, আমরা সে অনুযায়ী কাজ করব। বুধবার (১৭ জুলাই) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি চত্বরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন তিনি।

মুখপাত্র বলেন, ক্যাম্পাসের শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় কাজ করছে র‍্যাব। শিক্ষার্থীদের আবেগ-অনুভূতির প্রতি আমরা সহানুভূতিশীল। তবে তাদের অনুভূতিকে যদি তৃতীয় পক্ষ কাজে লাগিয়ে স্বার্থ হাসিল করতে চায়, তাহলে আমরা তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেব।

এদিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আদেশ ১৯৭৩-এর আর্টিকেল ২৪(এল) ধারার ক্ষমতাবলে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা এবং একাডেমিক পরিবেশ বজায় রাখার স্বার্থে বিশ্ববিদ্যালয় অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। একইসঙ্গে বুধবার সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে শিক্ষার্থীদের হল ছাড়তে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বুধবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেটের জরুরি সভায় এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের পরিচালক মাহমুদ আলম স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়।


আরও খবর
আরও ৩ দিনের এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




আলু-পেঁয়াজের দামে নাভিশ্বাস, চড়া চালের বাজার

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৮ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
অর্থ ও বাণিজ্য ডেস্ক

Image

রাজধানীর বাজারে আলু, পেঁয়াজ ও ডিমের মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বেশ চড়া। এছাড়াও প্রায় প্রতিটি পণ্যের দামই ক্রেতাদের নাগালের বাইরে। সপ্তাহের ব্যবধানে পাইকারি ও খুচরা বাজারে সব ধরনের চালের দামও বেড়েছে। বাজার খরচ বেড়ে যাওয়ায় নিম্ন ও মধ্যম-আয়ের মানুষের জীবনে নাভিশ্বাস উঠেছে। বাজারে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছে সাধারণ মানুষ।

আজ শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটির দিন ঢাকার বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

খুচরা পর্যায়ে ক্রেতাকে ডিমের ডজনে গুনতে হচ্ছে ১৫০ টাকা। পাইকারিতে ডিমের পিস প্রতি বিক্রি হচ্ছে ১১ টাকা ৫০ পয়সা। পাড়া-মহল্লায় ডজন বিক্রি হচ্ছে ১৬৫ টাকা।

রামপুরা, মালিবাগ ও মগবাজার এলাকার বাজার ঘুরে দেখা গেছে গত সপ্তাহে প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৯০ টাকায়। যা এক সপ্তাহ ব্যবধানে ৫-১০ টাকা বেড়েছে। খুচরা দোকানে বাছায় করা পেঁয়াজ এখন ১০০ টাকা কেজি দরেও বিক্রি হচ্ছে। এগুলো আকারে একটু বড়। সাধারণ মানের পেঁয়াজ ৯৫ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে।

এছাড়া আলুর দাম উঠেছে ৬৫ টাকা প্রতিকেজি, যা গত সপ্তাহের চেয়ে ৫ টাকা বেশি। কমেনি কাঁচা মরিচের দামও, বিক্রি হচ্ছে ২৬০ থেকে ৩০০ টাকা কেজি দরে।

পেঁয়াজ ব্যবসায়ীরা জানান, দেশি পেঁয়াজের মৌসুম যত শেষের দিকে যাচ্ছে, দাম তত বাড়ছে। আগামীতে এ দাম কোথায় গিয়ে ঠেকবে সেটা বলা যাচ্ছে না।

বাজারের বেশিরভাগ সবজি চড়া দামে আটকে রয়েছে। প্রতিকেজি ৬০ টাকার নিচে মিলছে না কিছু। ওই দামের মধ্যে আছে পটল, ঢ্যাঁড়স, কাঁচা পেঁপে। তবে কচুর লতি, বরবটি, কাঁকরোল বিক্রি হচ্ছে আরও ২০ টাকা বেশি দরে, অর্থাৎ ৮০ টাকার আশপাশে প্রতি কেজি। এছাড়া করলা ও বড় তালবেগুনের দাম ১০০ টাকা বা তার চেয়েও বেশি চাচ্ছেন বিক্রেতারা।

এদিকে বোরো ধানের বাম্পার ফলন হলেও পাইকারি ও খুচরা বাজারে সব ধরনের চালের দাম বেড়েছে।

ভিন্ন অজুহাতে চালের দাম বস্তায় ৫০ টাকা থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত বাড়ানোর কথা জানিয়েছেন বিক্রেতারা। বাজার স্থিতিশীল রাখতে মিলমালিকদের ওপর নজরদারি বাড়ানোর পরামর্শ তাদের।

রাজধানীর কয়েকটি খুচরা ও পাইকারি বাজারে খোঁজ নিয়ে দাম বেড়ে যাওয়ার তথ্য মিলেছে।

জানা গেছে, খুচরা বাজারে জাত ও মানভেদে প্রতি কেজি দেশি বাসমতি ৮৫ থেকে ৯০ টাকা, মিনিকেট ৬২ থেকে ৬৮ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

নাজিরশাইল ৬৫ থেকে ৭৮ টাকা, মাঝারি মানের বিআর ২৮ ও ২৯ চাল ৫৪ থেকে ৫৬ টাকা এবং মোটা স্বর্ণা ৫৪ টাকা এবং মোটা হাইব্রিড ৪৮ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ঈদুল আজহার আগে এসব চালের দাম কেজিতে মানভেদে এক থেকে দুই টাকা পর্যন্ত কম ছিল।

বাবুবাজারের পাইকারি চাল বিক্রেতা মেসার্স রশিদ রাইস এজেন্সির স্বত্বাধিকারী আবদুর রশিদ জানান, চালের বাজার গত এক দেড় মাস ধরে স্থিতিশীল ছিল। কারণ এ বছর ফলন ভালো হয়েছে। বাজারে সরবরাহও ভালো ছিল। ঈদের পর হঠাৎ চালের দাম বস্তায় ৫০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত বাড়িয়েছেন কিছু মিলমালিক। এতে বাজারে চালের সরবরাহ কিছুটা স্থবির।


আরও খবর



তারেক মাসুদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণের আপিল শুনানি ৯ জুলাই

প্রকাশিত:বুধবার ০৩ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ০৩ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আদালত প্রতিবেদক

Image

সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত চলচ্চিত্র নির্মাতা তারেক মাসুদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দিতে হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের বিরুদ্ধে বাস মালিকদের করা আপিলের শুনানির জন্য মঙ্গলবার (৯ জুলাই) দিন ধার্য করা হয়েছে।

বুধবার (৩ জুলাই) প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বে চার বিচারপতির আপিল বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতে আজ তারেক মাসুদের পরিবারের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার সারা হোসেন।

গত বছরের ১১ অক্টোবর তারেক মাসুদের মৃত্যুতে ক্ষতিপূরণ দিতে হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের বিরুদ্ধে বাস মালিকদের করা আপিলের শুনানি ৭ বছর পর শুরু হয়।

২০১৭ সালের ৩ ডিসেম্বর বিচারপতি জিনাত আরা ও বিচারপতি কাজী মো. ইজারুল হক আকন্দের বেঞ্চ ওই মামলায় রায় দেন। এতে তারেক মাসুদের পরিবারকে ৪ কোটি ৬১ লাখ ৭৫ হাজার ৪৫২ টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে বলা হয়েছিল। পরে বাস মালিকপক্ষ ক্ষতিপূরণ রায়ে স্থগিত চেয়ে একটি লিভ টু আপিল করলে আপিল করার অনুমতি দেওয়া হয়।

২০১১ সালের ১৩ আগস্ট মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার জোকা এলাকায় ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যান চলচ্চিত্র নির্মাতা তারেক মাসুদ ও এটিএন নিউজের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মিশুক মনির। তাদের বহনকারী মাইক্রোবাসটির সঙ্গে চুয়াডাঙ্গাগামী একটি বাসের সংঘর্ষ হলে তারেক মাসুদ ও মিশুক মনিরসহ মাইক্রোবাসের পাঁচ আরোহী নিহত হয়। এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে একটি মামলা করেন।


আরও খবর
কোটা নিয়ে আপিল বিভাগে শুনানি রোববার

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




বাড়ছে ডেঙ্গু, শতাধিক নতুন রোগী শনাক্ত

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১১ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১১ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় কারো মৃত্যু হয়নি। ফলে চলতি বছর এখনও পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মোট মৃত্যু হলো ৪৭ জনের। এদিন ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১০৩ জন। যার মধ্যে ঢাকার ৬০ জন, চট্টগ্রামের ২৩ জন, ১০ জন বরিশালের, আটজন খুলনার ও দুইজন ময়মনসিংহের।

বুধবার ৭৯ রোগী শনাক্তের সংবাদ দিয়েছিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। বৃহস্পতিবার ডেঙ্গু বিষয়ক প্রতিবেদনে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, এদিন ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়াদের মধ্যে ৫৮ জন পুরুষ ও ৪৫ জন নারী।

চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ১১ জুলাই পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন চার হাজার ৩১১ জন। তাদের মধ্যে ঢাকার বাসিন্দা দুই হাজার ১২৮ জন। ঢাকার বাইরের হাসপাতালগুলোতে ভর্তি হয়েছেন দুই হাজার ১৮৩ জন।

দেশের ইতিহাসে ২০২৩ সালে সবচেয়ে বেশি মানুষ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন ও মৃত্যুবরণ করেছেন। বছরের বিভিন্ন সময়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত হন তিন লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন। এর মধ্যে এক হাজার ৭০৫ জনের মৃত্যু হয়।

২০২২ সালে ডেঙ্গুতে দেশে ২৮১ জন মারা যান। ওই বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন ৬২ হাজার ৩৮২ জন।

২০২০ সালে করোনা মহামারিকালে ডেঙ্গু সংক্রমণ তেমন একটা দেখা না গেলেও ২০২১ সালে সারাদেশে এডিস মশাবাহী এই রোগে আক্রান্ত হন ২৮ হাজার ৪২৯ জন। সে বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ১০৫ জনের মৃত্যু হয়েছিলো।


আরও খবর