আজঃ বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

বাংলাদেশ-ভারত জ্বালানির পাইপলাইন উদ্বোধন কাল

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৭ মার্চ ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৭ মার্চ ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

দেশের উত্তরাঞ্চলে জ্বালানি সরবরাহে উদ্বোধন হচ্ছে দেশের প্রথম আন্তঃদেশীয় পাইপলাইন। ভার্চুয়ালি উদ্বোধন করবেন দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও নরেন্দ্র মোদি।

শনিবার (১৮ মার্চ) বিকেলে ঢাকা ও দিল্লি থেকে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যোগ দেবেন।

উত্তরাঞ্চলে জ্বালানি সরবরাহে সাশ্রয়ী, দ্রুতগতি ও নিরবচ্ছিন্ন করতে বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইন জ্বালানি নিরাপত্তায় কার্যকর অবদান রাখবে। এ যাবত জ্বালানি তেল আমদানির পর চট্টগ্রাম থেকে নৌপথে খুলনা, সেখানে থেকে রেল ওয়াগনে দিনাজপুরের পার্বতীপুরে পরিবহনে উত্তরবঙ্গে জ্বালানি তেল সরবরাহ করা হয়। এ সরবরাহ করতে গিয়ে নানা জটিলতা, দীর্ঘসূত্রতা, অপচয়ের ঝুঁকি আর চ্যালেঞ্জ থাকে।

এ অবস্থা থেকে অর্থ সাশ্রয় এবং ঝুঁকিমুক্ত করবে বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইন। এ পাইপলাইনটি পূর্ণ সক্ষমতায় ব্যবহার করতে পারলে ডিজেল পরিবহনে সাশ্রয় হবে বছরে প্রায় শত কোটি টাকা। এমনটাই জানায় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

তারা জানায়, উত্তরাঞ্চলের ১৬টি জেলায় নিরবচ্ছিন্ন ও সাশ্রয়ীভাবে জ্বালানি সরবরাহের জন্য ২০১৮ সালে ইন্ডিয়া-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ পাইপ লাইন নির্মাণ শুরু করে। ৩ হাজার ৬২৩ কোটি টাকা ব্যয়ে ১৩১.৫০ কিলোমিটার পাইপ লাইন নির্মাণ করা হয়। ভারতের নুমালীগড় থেকে বাংলাদেশের পার্বতীপুর ডিপো পর্যন্ত বিস্তৃত এই পাইপলাইনে দৈনিক অতিরিক্ত ২৯ হাজার টন জ্বালানি মজুত সক্ষমতা বৃদ্ধি করবে।

পাইপলাইনের পুরোটাই নির্মাণ হয়েছে ভারতের অর্থায়ন ও কারিগরি সহায়তায়। যা দুই দেশের সম্পর্কের নতুন মাত্রা হিসেবে দেখছে জ্বালানি বিভাগ।

পাইপলাইনে প্রাথমিক অবস্থায় বছরে ২ লাখ টন তেল পাওয়া যাবে। যা পরবর্তীতে উন্নীত হয়ে ১০ লাখ টনে পৌঁছাবে।


আরও খবর



রেলের শূন্যপদ দ্রুত পূরণ করা হবে : রেলমন্ত্রী

প্রকাশিত:শনিবার ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জেলা প্রতিনিধি

Image

নীলফামারীর সৈয়দপুরের কারখানা পরিদর্শন করেছেন রেলমন্ত্রী মো. জিল্লুল হাকিম। শনিবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে কারখানাটি পরিদর্শনে যান তিনি।

এ সময় রেলমন্ত্রী বলেন, স্মার্ট বাংলাদেশের জন্য রেলওয়েতেও স্মার্ট ও দক্ষ জনশক্তির প্রয়োজন। শিগগিরই শূন্যপদ পূরণ করে তাদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে।

তিনি বলেন, রেলের অনেক জমি বেহাত হয়ে গেছে। এসব জমি দখলমুক্ত করে রেলওয়ে কারখানার আধুনিকায়নে সরকার পদক্ষেপ নিচ্ছে।

মন্ত্রী বলেন, সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানায় জনবল দিনদিন কমে আসছে। দুই হাজার ৮৫৯ জনবলের বিপরীতে বর্তমানে ৮৬০ জন কর্মরত রয়েছেন। বিশ্বে রেলওয়ে অনেক এগিয়েছে। আমাদেরও সেই তালে তাল রেখে এগিয়ে যেতে হবে। নতুন নতুন রেলপথ স্থাপন ও সেবার মান বৃদ্ধি করে রেলওয়ে যাত্রীবান্ধব করতে হবে।

এ সময় কারখানার বিভাগীয় তত্ত্বাবধায়ক (ডিএস) সাদেকুর রহমান, নীলফামারী-৪ আসনের সংসদ সদস্য সিদ্দিকুল আলম সিদ্দিক, রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মো. হুমায়ুন কবীর, মহাপরিচালক (ডিজি) কামরুল হাসান, পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের মহাব্যবস্থাপক অসীম কুমার তালুকদার, প্রধান যন্ত্র প্রকৌশলী (সিএমই, পশ্চিম) মুহম্মদ কুদরত-ই খুদা, জেলা প্রশাসক পঙ্কজ ঘোষ, পুলিশ সুপার গোলাম সবুর প্রমুখ।


আরও খবর
সিলেট নগরী থেকে গৃহবধূর গলিত লাশ উদ্ধার

বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




নলছিটিতে ছেলের বিরুদ্ধে বাবাকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ

প্রকাশিত:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
ঝালকাঠি প্রতিনিধি

Image

ঝালকাঠির নলছিটিতে খলিলুর রহমান হাওলাদার (৫৫) নামক একজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনার পর থেকে তার ছেলে রমজান হাওলাদার পলাতক রয়েছে। রবিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুরাদ আলী। নিহত খলিলুর রহমান হাওলাদার নলছিটি উপজেলার রানাপাশা ইউনিয়নের দক্ষিণ রানাপাশা গ্রামের হামিজ উদ্দিন হাওলাদারের ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয়সূত্রে জানা গেছে, শনিবার দিবাগত রাতে খলিলুর রহমান হাওলাদারকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করে তার ছেলে রমজান। পরে খলিলের ভাই মাওলানা আব্দুল কাদের বিষয়টি জানতে পেরে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়া যায়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রবিবার দুপুরে তার মৃত্যু হয়।

রানাপাশা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান হাওলাদার বলেন, মাথার পিছনে আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে। কি কারণে তাকে পিটিয়ে হত্যা করেছে সেটা জানতে পারিনি।

ওসি মো. মুরাদ আলী বলেন, খবর শুনে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ ও নিহতের বাড়িতে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। নিহত খলিল হাওলাদারের ছেলে পলাতক রয়েছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আরও খবর
সিলেট নগরী থেকে গৃহবধূর গলিত লাশ উদ্ধার

বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




মনে হচ্ছে ভারতের সুপ্রিম কোর্টেই বসে আছি : ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়

প্রকাশিত:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আদালত প্রতিবেদক

Image

এজলাসে বসে বাংলাদেশের বিচারকাজ পর্যবেক্ষণ করলেন ভারতের সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ধনঞ্জয় যশবন্ত চন্দ্রচূড়। রোববার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টা ২০ মিনিটে ভারতের সুপ্রিম কোর্টের অন্য দুই বিচারপতিসহ বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি এজলাসে উঠেন। এ সময় অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন ও সুপ্রিম কোর্ট বারের সভাপতি মমতাজ উদ্দিন ফকির ভারতের প্রধান বিচারপতিকে ধন্যবাদ জানান। পরে একে একে বিচারকাজ চলতে থাকে।

একেবারে শেষ পর্যায়ে এজলাস ছাড়ার আগে ভারতের প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড় বলেন, আমার জন্য এটা সম্মানের যে আপনাদের বিচারকাজ পর্যবেক্ষণ করতে পারলাম। তিনি বলেন, আমার অন্য দুই কলিগকে নিয়ে বসে আছি, মনেই হয়নি বাংলাদেশে আছি। কারণ, এমন আদেশ আমাকেও দিতে হয় ভারতের সুপ্রিম কোর্টে। এ সময় এজলাসে সবাই হেসে ওঠেন।

পরে বাংলাদেশের আইনজীবী ও বিচারপতিদের ভারতের বিচারকাজ পরিদর্শনে দেশটির সুপ্রিম কোর্টে আমন্ত্রণ জানিয়ে ডি ওয়াই চন্দ্রচূড় বলেন, আপনারা আসুন, আমাদের বিচারকাজও পরিদর্শন করুন। ভারত ও বাংলাদেশের বিচারের সংস্কৃতি একই রকম।

ভারতের প্রধান বিচারপতি আরও বলেন, আপনাদের বার সভাপতি আইনজীবীদের ট্রেনিংয়ের যে কথা বলেছেন, তা আমি ফরোয়ার্ড করে দেবো। তবে এক্ষেত্রে তরুণ আইনজীবীদের প্রাধান্য দিতে বলবো। পরে সর্বোচ্চ আদালতে নিয়ে আসায় প্রধান বিচারপতিকে ধন্যবাদ জানিয়ে উঠে যান তিনি।

এর আগে গত ২২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতির আমন্ত্রণে প্রথমবারের মতো ঢাকায় আসেন ভারতের সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ধনঞ্জয় যশবন্ত চন্দ্রচূড়। তিনি দেশটির ৫০তম প্রধান বিচারপতি। ২০২২ সালের ৯ নভেম্বর শপথ নেয়া বিচারপতি চন্দ্রচূড়ের প্রধান বিচারপতি হিসেবে মেয়াদ ২০২৪ সালের ১০ নভেম্বর পর্যন্ত।

ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়ের বাবা ওয়াই ভি চন্দ্রচূড়ও সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ছিলেন। ১৯৭৮ থেকে ১৯৮৫ সাল পর্যন্ত টানা সাত বছর তিনি প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব পালন করেছিলেন। বাবা-ছেলের দেশের প্রধান বিচারপতি হওয়ার এমন নজির ভারতে আর নেই। বাবার দেয়া দুটি রায়ও ডি ওয়াই চন্দ্রচূড় খণ্ডন করেছিলেন। বলেছিলেন, বাবার দেয়া রায়ে গুরুতর ত্রুটি ছিল। ভারতীয় সুপ্রিম কোর্টের ইতিহাসে এটাও নজিরবিহীন ঘটনা।

রামের জন্মভূমি-বাবরি মসজিদ মামলায় সুপ্রিম কোর্টের ঐতিহাসিক রায়ের অংশীদার ছিলেন ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়। প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈয়ের নেতৃত্বাধীন পাঁচ বিচারপতির সাংবিধানিক বেঞ্চের অন্যতম সদস্যও ছিলেন তিনি। ২০১৯ সালের ৯ নভেম্বর সর্বসম্মতিক্রমে সুপ্রিম কোর্ট ওই মামলার রায় দিয়েছিলেন। আধার মামলার রায় দেয়া বেঞ্চের সদস্যও ছিলেন তিনি। সেই মামলার রায়ে চন্দ্রচূড় বলেছিলেন, সব তথ্যভান্ডারের সঙ্গে আধারকে বাধ্যতামূলকভাবে যুক্ত করা হলে, তাতে ব্যক্তি অধিকার খর্ব হতে পারে।


আরও খবর
ডিআইজি মিজানের ১৪ বছরের সাজা বহাল

বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




বৈদেশিক মুদ্রার সংকট কাটিয়ে উঠছে দেশ, ফিরে এসেছে ট্র্যাকে : অর্থমন্ত্রী

প্রকাশিত:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

দেশে বর্তমানে বৈদেশিক মুদ্রার সংকট থাকলেও তা কাটিয়ে উঠছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী। একই সঙ্গে বাংলাদেশ যে সম্ভাবনার দেশ, সেই ট্র্যাকেই ফিরে এসেছে। আজ সোমবার সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে আন্তর্জাতিক কৃষি উন্নয়ন তহবিলের (আইএফএডি) আবাসিক প্রতিনিধির আর্নদ হেমিলিয়ারসের সঙ্গে বৈঠকের শেষে সাংবাদিকদের অর্থমন্ত্রী এ কথা বলেন। 

অর্থমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে সংকট আছে, কিন্তু আমরা ওভারকাম করছি। আস্তে আস্তে আমরা উন্নতি করছি। একই সঙ্গে বাংলাদেশ এখন ঊর্ধ্বমুখী। বাংলাদেশ যে সম্ভাবনার দেশ, সেই ট্র্যাকেই ফিরে এসেছি। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ নাকি দেউলিয়া হয়ে গেল? না বাংলাদেশ কোথায় দেউলিয়া? এত বড় একটা দেশ দেউলিয়া হতে পারে না। আমাদের রিজার্ভ উন্নতি করছে।

দেশের সংকট কেটে যাচ্ছে কি নাজানতে চাইলে অর্থমন্ত্রী বলেন, হ্যাঁ, সংকট অনগোয়িং। সংকট আছে। কিন্তু আমরা ওভারকাম করছি। আস্তে আস্তে আমরা উন্নতি করছি। যদি ধারণা করেননতুন মন্ত্রিসভা হলো, কালই সব ঠিক হয়ে যাবে, এমনটা হবে না। কিন্তু অন দ্য ওয়ে, আস্তে আস্তে করতে হবে।

আরও পড়ুন>> বাড়তে পারে মন্ত্রিসভার পরিধি: ওবায়দুল কাদের

অর্থমন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক কৃষি উন্নয়ন তহবিলের (আইএফএডি) প্রজেক্ট চালু আছে। সেখানে তাঁরা নতুন নতুন আইডিয়া নিয়ে আসছেন। সেগুলো নিয়ে আলোচনা হয়েছে। সুনির্দিষ্ট কোনো বিষয়ে জোর দেওয়ার কথা বলা হয়েছে কি না এ প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, সেরকম কিছু না। তবে তারা আস্তে আস্তে উন্নয়ন করে। প্রতিবছরই উন্নয়নের বিষয়ে আলোচনা হয়। এ বছর উদ্ভাবনী বিষয়ে বাংলাদেশসহ অন্যান্য সবার সঙ্গে আলোচনা হয়েছে।

দেশের বিভিন্ন সমস্যার কথা তুলে ধরে অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী বলেন, মার্কেটিং একটা সমস্যা। কৃষকের কাছ থেকে পণ্য ঢাকায় আসতে আসতে মধ্যস্বত্বভোগীদের হাতে চলে যায়। এটা একটা বড় সমস্যা। আমরা চিন্তাভাবনা করছি কীভাবে এটাকে পরিবর্তন করা যায়।

অর্থমন্ত্রী বলেন, আইএফএডি এখানে সব সময় আমাদের সাহায্য করে। শুধু তাঁরা একা নয়, আমাদের অনেক পার্টনার আছে যেমন, জাপান, এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক। এ ছাড়া আমাদের আরও ডেভেলপমেন্ট পার্টনার আছে তারা বিভিন্ন আইডিয়া নিয়ে আসে। তারপর মিলেমিশে আমরা একটা রাস্তা বের করে যেতে শুরু করি।

আবুল হাসান মাহমুদ আলী বলেন, আমরা কোনো নির্দিষ্ট দেশের ওপর নির্ভরশীল না। কিন্তু আমরা সবার সঙ্গে পরামর্শ করে কাজ করি, আইডিয়া গ্রহণ করি, সেটাকে বড় করি। আর্থিকভাবে বিভিন্ন পার্টনার সহায়তা করে। এভাবেই চলে।

এর আগে, সকালে এডিবি ও ফ্রান্সের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক করেছেন সেখানে কী আলোচনা হয়েছেতা জানতে চাইলে অর্থমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ তো এখন ভালো করছে। তবে আমরা সমস্যা থেকে একেবারে বের হয়ে গেছি তা কিন্তু নয়।

এডিবি নতুন কোনো প্রতিশ্রুতি দিয়েছে কি নাএমন প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, নিশ্চয়ই করেছে। তারা বাংলাদেশকে সাহায্য করছে। এটা চলমান থাকবে। একটা কথা অনেকেই বলে, বাংলাদেশ কি দেউলিয়া হয়ে গেল? না, বাংলাদেশ কোথায় দেউলিয়া? এত বড় একটা দেশে দেউলিয়া হতে পারে না। আমাদের রিজার্ভ উন্নতি করছে।


আরও খবর



রমজান ও ফেব্রুয়ারির টিসিবির পণ্য বিক্রি শুরু বৃহস্পতিবার

প্রকাশিত:বুধবার ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

পবিত্র রমজান ও ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য টিসিবির পণ্য বিক্রি কার্যক্রম শুরু হচ্ছে বৃহস্পতিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি)। রমজানের প্রথম পর্বে সারাদেশে এক কোটি ফ্যামেলি কার্ডধারী নিম্নআয়ের পরিবারের মাঝে ভর্তুকি মূল্যে চালসহ টিসিবির পণ্য বিক্রি করা হবে।

এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম (টিটু)। বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামে এ উদ্বোধন অনুষ্ঠান হবে। টিসিবি সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

টিসিবি এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, নিম্নআয়ের এক কোটি উপকারভোগী কার্ডধারী পরিবারের মাঝে চালসহ টিসিবির পণ্যাদি (ভোজ্য তেল ও ডাল) সাশ্রয়ী দামে বিক্রির কার্যক্রম চলমান রয়েছে। পবিত্র রমজান উপলক্ষে প্রথম পর্বের বিক্রয় কার্যক্রম ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে সারাদেশে শুরু হবে।

সেখানে আরও বলা হয়, এ বিক্রয় কার্যক্রম ডিলারদের দোকান/নির্ধারিত স্থায়ী স্থাপনা থেকে সিটি করপোরেশন, জেলা-উপজেলা প্রশাসনের সার্বিক সহযোগিতায় ও তাদের নির্ধারিত তারিখ ও সময় পরিকল্পনা অনুযায়ী পরিচালনা করা হবে।

কার্ডধারী ভোক্তা সাধারণ নির্ধারিত ডিলারদের কাছ থেকে প্রতি লিটার ভোজ্যতেল ১০০ টাকা, মসুর ডাল ৬০ টাকা ও চাল ৩০ টাকা কেজি দরে কিনতে পারবেন। এছাড়া রমজান উপলক্ষে ছোলা বিক্রি কার্যক্রমও শুরু হবে। প্রতি কেজি ছোলা ৫৫ টাকা কেজি দরে দেবে টিসিবি।


আরও খবর
কোম্পানির রিটার্ন জমার সময় বাড়ল দুই মাস

বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪