আজঃ বুধবার ০৪ আগস্ট ২০২১
শিরোনাম

বাংলাদেশের বন্ধু ব্রিটিশ সাংবাদিক সাইমন ড্রিং আর নেই

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২০ জুলাই ২০21 | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২০ জুলাই ২০21 | ১১৩জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বাংলাদেশের অকৃত্রিম বন্ধু ব্রিটিশ সাংবাদিক সাইমন ড্রিং আর নেই। রোমানিয়ার একটি হাসপাতালে অস্ত্রোপচারের সময় গত শুক্রবার তাঁর মৃত্যু হয়। তিনি রোমানিয়ার একটি নিভৃতপল্লিতে বাস করতেন। তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৬ বছর। সাইমন ড্রিং স্ত্রী ও দুই সন্তান রেখে গেছেন। সাইমন ড্রিং-এর আত্মীয় ক্রিস বার্লাস গণমাধ্যমকে মৃত্যুর তথ্য জানান।

এ ছাড়া সাইমন ড্রিংয়ের মৃত্যুর খবর আজ মঙ্গলবার জানিয়েছেন বিশিষ্ট সাংবাদিক ও লেখক তুষার আব্দুল্লাহ। সাইমনের বাংলাদেশি বন্ধু সাংবাদিকতুষার আব্দুল্লাহ একুশে টিভিতে তাঁর সহকর্মী হিসেবে কাজ করেছেন। আজ দুপুরে তুষার আব্দুল্লাহ বলেন, কলম আর ক্যামেরা হাতে নিজের জীবন বাজি রেখে মুক্তিযুদ্ধে নিরীহ বাংলাদেশিদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছিলেন সাংবাদিক সাইমন ড্রিং। সাইমন ড্রিং একমাত্র সাংবাদিক, যিনি ১৯৭১ সালে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে পাকিস্তানের ভয়াবহতা এবং নৃশংসতার শুরু থেকেই প্রতিবেদন করছিলেন। বাংলাদেশ থেকে তাঁকে সম্মানসূচক নাগরিকত্ব দেওয়া হয়েছিল। ভারতে মার্ক টালি যেমন, সাইমন ড্রিং বাংলাদেশের মানুষের কাছে সেরকমই একজন।

সাইমন ড্রিং ছিলেন অকুতোভয় ও মেধাবী সাংবাদিক। তিনি বিবিসি, রয়টার্স, টেলিগ্রাফ ও ওয়াশিংটন পোস্টের মতো শীর্ষ সংবাদমাধ্যমে কাজ করেছেন। পেয়েছেন বহু আন্তর্জাতিক পুরস্কার। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ইন্টারন্যাশনাল রিপোর্টার অব দ্য ইয়ার-১৯৭১।

সাইমন ড্রিং ২০০০ সালে বাংলাদেশে এসেছিলেন এ দেশের প্রথম বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল একুশে টিভি গড়ে তোলার প্রধান কারিগর হিসেবে। ২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার ক্ষমতায় আসার পর একুশে টিভির সম্প্রচার বন্ধ করে দেয়। পরে ২০০২ সালের অক্টোবরে সরকার সাইমন ড্রিংয়ের ভিসা ও ওয়ার্ক পারমিট বাতিল করে তাঁকে অবিলম্বে বাংলাদেশ ত্যাগের আদেশ দেয়। পরে তিনি বাংলাদেশ থেকে চলে যান।

১৯৪৫ সালে ইংল্যান্ডে জন্মগ্রহণ করেন সায়মন ড্রিং। ১৮ বছর বয়সে ব্যাংকক ওয়ার্ল্ড নিউজপেপার থেকে তিনি সংবাদপত্র ও টেলিভিশনের সাংবাদিক হিসেবে কাজ শুরু করেন। তিনি নিজ চোখে দেখেছেন ২২টি যুদ্ধ, অভ্যুত্থান ও বিপ্লব।

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ মধ্যরাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী গণহত্যা শুরু করার আগে ঢাকায় অবস্থানরত প্রায় ২০০ বিদেশি সাংবাদিককে আটকে ফেলে তখনকার হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে। তাঁদের হোটেল থেকে সরাসরি ফ্লাইটে তুলে ঢাকা ছাড়তে বাধ্য করা হয়, যাতে গণহত্যার কোনো খবর সংগ্রহ করতে না পারে বিশ্ব গণমাধ্যম।

তাঁদের মধ্যে ছিলেন ব্রিটিশ সাংবাদিক সাইমন ড্রিং। পাকিস্তানি সামরিক আইন না মেনে, তিনি হোটেলে লুকিয়ে পড়েন। শ্বাসরুদ্ধকর ৩২ ঘণ্টা সময় কাটে হোটেলের লবি, ছাদ, বার, কিচেনের মতও জায়গায়।

পরে সাইমন ড্রিং ঘুরে ঘুরে প্রত্যক্ষ করেন গণহত্যার বাস্তব চিত্র। ১৯৭১ সালে ২৭ মার্চ কারফিউ উঠে গেলে সাইমন ড্রিং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইকবাল হল, রাজারবাগ পুলিশ লাইনস, পুরান ঢাকার বিভিন্ন এলাকাসহ ধানমণ্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর বাড়ি ঘুরে দেখেন।

নানা চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের প্রথম খবর প্রকাশ করেন ১৯৭১ সালের ৩০ মার্চ ডেইলি টেলিগ্রাফে।



আরও খবর
ভারতে আবারও বেড়েছে মৃত্যু

বুধবার ০৪ আগস্ট ২০২১




আগামী ১ ও ৪ আগস্ট ব্যাংক বন্ধ

প্রকাশিত:বুধবার ২৮ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ২৮ জুলাই ২০২১ | ৮০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

আগামী রবিবার ও বুধবার ব্যাংক বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর আবু ফারাহ মো. নাছের  বুধবার (২৮ জুলাই) এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, বর্তমানে করোনা পরিস্থিতিতে সরকারের ঘোষিত কঠোর বিধিনিষেধে সীমিত পরিসরে ব্যাংকিং সেবা চালু আছে। এর পরও ব্যাংকের মাধ্যমে করোনার প্রাদুর্ভাব যাতে নিয়ন্ত্রণে আনা যায়, সেজন্য বাংলাদেশ ব্যাংক এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের এই ডেপুটি গভর্নর বলেন, ৫ আগরস্টর  আগ পর্যন্ত আমরা দুই দিন বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তবে এর বাইরে যে দিনগুলোতে ব্যাংক খোলা থাকবে, সেই দিনগুলোতে বেলা আড়াইটা পর্যন্ত গ্রাহকরা লেনদেন করতে পারবেন। বর্তমানে দেড়টা পর্যন্ত লেনদেন করার সুযোগ আছে।

এদিকে বুধবার ( ২৮ জুলাই ) এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। সার্কুলারে বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, করোনাভাইরাস জনিত রোগ সংক্রমণের বিদ্যমান পরিস্থিতি বিবেচনায় ১ জুলাই রবিবার ও ৪ জুলাই বুধবার ব্যাংক বন্ধ থাকবে। এছাড়া ২, ৩ ও ৫ জুলাই ব্যাংকে লেনদেন হবে বেলা আড়াইটা পর্যন্ত। এই তিন দিন ব্যাংক খোলা রাখা যাবে বিকাল ৪টা পর্যন্ত।


আরও খবর
আজ ব্যাংক বন্ধ

বুধবার ০৪ আগস্ট ২০২১




চলতি সপ্তাহেই বন্যার শঙ্কা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৬ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৬ জুলাই ২০২১ | ১২৭জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে উজানে ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে নদ-নদীর পানি বাড়ায় দেশের উত্তর ও মধ্যাঞ্চলের ১৩টি জেলা বন্যা কবলিত হতে পারে। স্বল্পমেয়াদী এই বন্যা দুই সপ্তাহ স্থায়ী হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।

বন্যার ঝুঁকিতে থাকা জেলাগুলো হলো- কুড়িগ্রাম, নীলফামারী, গাইবান্ধা, জামালপুর, রংপুর, লালমনিরহাট, বগুড়া, সিরাজগঞ্জ ও টাঙ্গাইল। জেলাগুলোর নদী অববাহিকার বহু এলাকা আস্তে আস্তে প্লাবিত হচ্ছে। আগামী সপ্তাহের মধ্যে দেশের মধ্যাঞ্চলের রাজবাড়ী, ফরিদপুর, শরীয়তপুর ও চাঁদপুর বন্যার আশঙ্কা রয়েছে। আগামী ৭২ ঘণ্টায় দেশের উত্তরাঞ্চলের তিস্তা, ধরলা, দুধকুমার নদীর পানি দ্রুত বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

বন্যা মোকাবিলায় প্রস্তুতি নিতে সোমবার (৫ জুলাই) ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকেরা অংশ নেন। মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় জেলা প্রশাসকেরা জানান, প্রতিটি জেলার উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে বন্যার প্রস্তুতিমূলক সভা হয়েছে। প্রতিটি ইউনিয়নের সরকারি প্রতিষ্ঠানের কার্যালয়গুলো বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে প্রস্তুত করতে সেখানকার প্রধান ফটক ও কক্ষগুলোর চাবি নেওয়া হয়েছে। আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে খাবারের ব্যবস্থা নিশ্চিতে প্রয়োজনীয় খাদ্য বরাদ্দ করতে বলা হয়েছে।

সভায় ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা প্রতিমন্ত্রী এনামুর রহমান, মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মহসীনসহ কর্মকর্তারা সরাসরি অংশ নেন। আর নয় জেলার প্রশাসকেরা ভার্চ্যুয়ালি যোগ দেন বলে মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে।

বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানায়, আগামী দু-তিন দিনের মধ্যে তিস্তা, ধরলা, দুধকুমার নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে। উজানে ভারতীয় অংশে এবং দেশের ভেতরেও বৃষ্টি বাড়ায় দেশের ১০১টি নদনদীর মধ্যে ৬০টিতে পানি বাড়ছে, বাকিগুলোতে কমছে। উত্তরাঞ্চলের বন্যা ২০ থেকে ২৫ দিন স্থায়ী হওয়ার আশঙ্কা আছে।

বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের নির্বাহী প্রকৌশলী আরিফুজ্জামান ভুইয়া জানান, মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে এবং উজানে ভারী বৃষ্টির কারণে বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলে বন্যার শঙ্কা দেখা দিয়েছে। আমরা আশঙ্কা করছি, আগামী দুই-চারদিনের মধ্যে দেশের উত্তরাঞ্চলের কুড়িগ্রাম, জামালপুর, গাইবান্ধা, নীলফামারী, লালমনিরহাট জেলায় বন্যার ঝুঁকি আছে। পরে এই বন্যা দেশের উত্তর-মধ্যাঞ্চল সিরাজগঞ্জ ও বগুড়া হয়ে মধ্যাঞ্চলের দিকে অগ্রসর হতে পারে। সেক্ষেত্রে আগামী সপ্তাহের মধ্যে দেশের মধ্যাঞ্চলের রাজবাড়ী, ফরিদপুর, শরীয়তপুর ও চাঁদপুর বন্যার আশঙ্কা রয়েছে।



আরও খবর



গত ২৪ ঘণ্টায় বরিশালে আরও ১৮ জনের মৃত্যু

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৩ আগস্ট ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৩ আগস্ট ২০২১ | ৪২জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বরিশাল বিভাগে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে ও উপসর্গ নিয়ে ১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতদের মধ্যে করোনায় সাতজন ও উপসর্গ নিয়ে ১১ জন মারা গেছেন। এ ছাড়া করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন ৭৪০ জন।

মঙ্গলবার সকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিভাগীয় পরিচালক ডা. বাসুদেব কুমার দাস।

তিনি জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালের করোনার আইসোলেশন ওয়ার্ডে উপসর্গ নিয়ে ১১ জন এবং করোনা ওয়ার্ডে করোনায় আক্রান্ত তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া বিভাগের বিভিন্ন জেলা-উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে করোনায় আক্রান্ত হয়ে আরও চারজনের মৃত্যু হয়েছে।

করোনায় আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া সাতজনের মধ্যে বরিশালে তিনজন,পটুয়াখালীতে দুজন ও বরগুনায় দুজন রয়েছেন। সব মিলিয়ে বরিশাল বিভাগে করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৯৪ জনে।

একই সময় করোনায়আক্রান্ত হয়েছেন ৭৪০ জন। এ নিয়ে বিভাগে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৫ হাজার ৩৬৭ জনে। তাদের মধ্যে এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৯ হাজার ৭১১ জন।

আক্রান্তদের মধ্যে বরিশাল জেলায় নতুন ২৪৫ জন নিয়ে মোট ১৪ হাজার ৬৬০ জন, পটুয়াখালীতে নতুন ১৭৯ জন নিয়ে মোট ৪ হাজার ৭২৫ জন, ভোলায় নতুন ১৬৫ জনসহ মোট চার হাজার ২২৯ জন, পিরোজপুরে নতুন ৬৩ জনসহ মোট চার হাজার ৫১৭ জন, বরগুনায় নতুন ৪৬ জন নিয়ে মোট তিন হাজার ৭২ জন ও ঝালকাঠিতে নতুন ৪২ জন নিয়ে মোট চার হাজার ১৬৪ জন রয়েছেন।


আরও খবর



রাজশাহীতে করোনায় আরও ১৫ জনের মৃত্যু

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৬ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৬ জুলাই ২০২১ | ৯৭জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের করোনা ইউনিটের বিভিন্ন ওয়ার্ডে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে করোনা সংক্রমণে পাঁচজন ও উপসর্গে দশজনের মৃত্যু হয়েছে।

শুক্রবার (১৬ জুলাই) সকালে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামীম ইয়াজদানী।

তিনি বলেন, হাসপাতালের করোনা ইউনিটের বিভিন্ন ওয়ার্ডে পুরুষ ১১ জন ও চারজন নারী মারা গেছেন। এর মধ্যে ২১-৩০ বছর বয়সী একজন যুবক মারা গেছেন, বাকি মৃতদের বয়স ৪১-৬৫ বছরের ওপরে ছিল। মৃতের মধ্যে রাজশাহীর দশজন, নাটোরের দুইজন, নওগাঁর একজন, পাবনার একজন ও মেহেরপুরের একজন ছিলেন।

রামেক পরিচালক বলেন, করোনা আক্রান্ত হয়ে রাজশাহীর দুইজন, নাটোরের একজন, নওগাঁর একজন ও মেহেরপুরের একজন মারা গেছেন। অন্যদিকে উপসর্গে রাজশাহীর আটজন, নাটোর একজন ও পাবনার পাঁচজন মারা গেছেন। মৃতদের পরিবারকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে দাফন করার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামীম ইয়াজদানী বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় রামেকে নতুন ভর্তি হয়েছেন ৬১ জন। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৬২ জন। রামেকে করোনা আক্রান্ত হয়ে ২৪২ জন ও উপসর্গ নিয়ে ২৫৬ জন ভর্তি রয়েছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় রামেকে ৪৫৪টি শয্যার বিপরীতে রোগী ভর্তি ছিলেন ৪৯৮ জন।


আরও খবর



মহামারিতে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান রাষ্ট্রপতির

প্রকাশিত:বুধবার ২১ জুলাই 20২১ | হালনাগাদ:বুধবার ২১ জুলাই 20২১ | ৯৮জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বঙ্গভবনে ঈদুল আজহার নামাজ আদায় করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। বুধবার (২১ জুলাই) সকাল সাড়ে ৮টায় বঙ্গভবনের হলওয়েতে নামাজ আদায় করেন তিনি।

সীমিত পরিসরে স্বাস্থ্যবিধি মেনে রাষ্ট্রপতির পরিবারের সদস্য ও বঙ্গভবনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ঈদুল আজহার জামাতে অংশ নেন। নামাজ শেষে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনায় মোনাজাত করা হয়। রাষ্ট্রপতি নামাজ শেষে দেশবাসীর উদ্দেশে ঈদের শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন।

শুভেচ্ছা বক্তব্যে রাষ্ট্রপতি বলেন, আশা করি, সকলেই সরকার নির্ধারিত স্থানে কোরবানি সম্পন্ন করবেন এবং যথাসময়ে কোরবানির বর্জ্য অপসারণে সচেষ্ট থাকবেন।

তিনি বলেন, পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে আমি দেশবাসীসহ বিশ্বের সকল মুসলিম ভাইবোনদের জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ। মহান আল্লাহর প্রতি গভীর আনুগত্য ও সর্বোচ্চ ত্যাগের মহিমায় ভাস্বর পবিত্র ঈদুল আজহা।

তিনি বলেন, ঈদুল আজহা উৎসবের সঙ্গে মিশে আছে চরম ত্যাগ ও প্রভুপ্রেমের পরাকাষ্ঠা। কোরবানি আমাদের মাঝে আত্মদান ও আত্মত্যাগের মানসিকতা সঞ্চারিত করে, আত্মীয়স্বজন ও পাড়া-প্রতিবেশীর সাথে আনন্দ-বেদনা ভাগাভাগি করে নেওয়ার মনোভাব ও সহিষ্ণুতার শিক্ষা দেয়।

রাষ্ট্রপতি বলেন, এবার মুসলিম বিশ্ব এমন একটা সময়ে ঈদুল আজহা উদযাপন করছে যখন করোনার ভয়াল থাবায় গোটা বিশ্ব বিপর্যস্ত। বাংলাদেশেও করোনার নেতিবাচক প্রভাব ক্রমান্বয়ে প্রকট হচ্ছে। করোনার কারণে দেশের জনগণের জীবন ও জীবিকা আজ কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। জীবন বাঁচানো প্রথম অগ্রাধিকার হলেও জীবন বাঁচিয়ে রাখতে জীবিকার গুরুত্বও অনস্বীকার্য।

তিনি বলেন, সরকার করোনা মোকাবিলা ও অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে বিভিন্ন প্যাকেজ প্রণোদনা প্রদানসহ বহুমুখী কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। অসচ্ছল ও নিম্ন আয়ের মানুষের দুর্ভোগ লাঘবেও বিভিন্ন সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত আছে। কৃষি ও শিল্পসহ উৎপাদনশীল প্রতিটি খাতের কার্যক্রম অব্যাহত রাখতেও সরকার সর্বাত্মক সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে।



আরও খবর