আজঃ বৃহস্পতিবার ০৯ ডিসেম্বর ২০২১
শিরোনাম

বাংলাদেশকে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণের সুপারিশ জাতিসংঘের

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৫ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৫ নভেম্বর ২০২১ | ৩৪৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে বাংলাদেশের উত্তোরণের সুপারিশ গৃহীত হয়েছে। একমাত্র দেশ হিসেবে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণের ৩টি মানদণ্ডই পূরণ করেছে বাংলাদেশ। 

বাংলাদেশ সময় বুধবার (২৪ নভেম্বর) রাতে এক টুইটা বার্তায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাবাব ফাতিমা। রেজুলেশনটি গ্রহণের মাধ্যমে বাংলাদেশ এলডিসি ক্যাটাগরি থেকে পরবর্তী ধাপে উত্তরণের সকল প্রক্রিয়া সম্পন্ন করলো।

এটি বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় একটি যুগান্তকারী অর্জন যা এমন এক সময়ে অর্জিত হলো যখন বাংলাদেশ মহান স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন করছে।

টুইট বার্তায় এ বিষয়ে রাবাব ফাতিমা লিখেন, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে বাংলাদেশকে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণের ঐতিহাসিন সুপারিশ গৃহীত হয়েছে। বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী (৫০ বছর) ও বঙ্গবন্ধুর জন্মশত বার্ষিকী উদযাপনের ক্ষেত্রে এর চেয়ে দারুণ উপলক্ষ আর কি হতে পারে! জাতির বহুদিনের আশা-আকাঙ্খা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রূপকল্প-২০২১ অবশেষে পূর্ণতা পেলো। জয় বাংলা।

এর আগে চলতি বছরে ২২-২৬ ফেব্রুয়ারি নিউইয়র্কে জাতিসংঘের কমিটি ফর ডেভেলপমেন্ট পলিসির (সিডিপি) বৈঠকে বাংলাদেশকে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের জন্য চূড়ান্ত সুপারিশ করা হয়েছিল। এর ৯ মাসের মাথায় সেটি জাতিসংঘে গৃহীত হলো। সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৬ সালে বাংলাদেশ আর স্বল্পোন্নত দেশের তালিকায় থাকবে না। উন্নয়নশীল দেশের তালিকাভূক্ত হবে।

যদিও এটি ২০২৪ সালে লাভ করার কথা ছিল। কিন্তু মহামারি করোনাভাইরাসের প্রভাব মোকাবিলায় বাংলাদেশ দুই বছর সময় চেয়ে নিয়েছিল।

একমাত্র দেশ হিসেবে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণের যে ৩টি মানদণ্ডই বাংলাদেশ পূরণ করেছে সেগুলো হলোমাথাপিছু আয়, মানবসম্পদ এবং অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত ভঙ্গুরতা। মূলত এ তিনটি সূচকের ভিত্তিতেই জাতিসংঘ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণের বিষয়টি পর্যালোচনা করে থাকে।

জাতিসংঘের পর্যালোচনা অনুযায়ী ২০১৯ সালে মাথাপিছু আয়ের মানদণ্ড নির্ধারিত ছিল ১ হাজার ২২২ মার্কিন ডলার। কিন্তু সে সময় বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় ছিল ১ হাজার ৮২৭ ডলার। আর বর্তমানে (নভেম্বর-২০২১) সেটা ২ হাজার ৫৫৪ ডলার।

মানবসম্পদ সূচকে জাতিসংঘের নির্ধারিত মানদণ্ড ছিল সর্বনিম্ন ৬৬। আর তখন বাংলাদেশের ছিল ৭৫.৪। অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত ভঙ্গুরতা সূচকের মানদণ্ড নির্ধারিত ছিল ৩২ কিংবা তার কম। সে সময় বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ২৭ এ।

উল্লেখ্য, ১৯৭৫ সাল থেকে স্বল্পোন্নত দেশের কাতারে থাকা বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণে ২০১৮ সালে জাতিসংঘের কমিটি ফর ডেভেলপমেন্ট পলিসির (সিডিপি) সবগুলো শর্ত পূরণ করে।

নিউজ ট্যাগ: জাতিসংঘ

আরও খবর



জাতিসংঘে প্রথমবারের মতো সর্বসম্মতিক্রমে রোহিঙ্গাবিষয়ক প্রস্তাব পাস

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৮ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৮ নভেম্বর ২০২১ | ৫০৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

রোহিঙ্গা সমস্যা নিয়ে গত জুলাইতে প্রথমবারের মতো জেনেভাতে সর্বসম্মতিক্রমে রেজুলেশন গৃহীত হয়েছিল। একই ধারাবাহিকতায় নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দফতরে আরেকটি রোহিঙ্গা রেজুলেশন সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়েছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বুধবার (১৭ নভেম্বর) জাতিসংঘে মিয়ানমারের রোহিঙ্গা মুসলিমসহ অন্যান্য সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানবাধিকার পরিস্থিতি শীর্ষক রেজুলেশনটি গৃহীত হয়েছে। রেজুলেশনটি যৌথভাবে উত্থাপন করে ওআইসি এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন।

এবারের রেজুলেশনটিতে ১০৭টি দেশ সহ-পৃষ্ঠপোষকতা প্রদান করেছে। যা ২০১৭ সাল থেকে এ পর্যন্ত সর্বোচ্চ। ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ওআইসি ছাড়াও রেজুলেশনটিতে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, মেক্সিকো, আর্জেন্টিনা, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, সুইজারল্যান্ড, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়াসহ বিভিন্ন ভৌগলিক অঞ্চলের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক দেশ সমর্থন এবং সহ-পৃষ্ঠপোষকতা প্রদান করে।

জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত রাবাব ফাতিমা রেজুলেশনটি গ্রহণকালে প্রদত্ত বক্তব্যে বলেন, জাতিসংঘে প্রথমবারের মতো সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হলো রোহিঙ্গা রেজুলেশন, যা এই সংকটের সমাধানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃঢ় প্রতিশ্রুতিরই প্রতিফলন।

বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের আশ্রয় ও মানবিক সহায়তা প্রদান এবং জাতীয় কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন কর্মসূচিতে তাদেরকে অন্তর্ভুক্ত করার মাধ্যমে বাংলাদেশ যে উদারতা ও মানবিকতা প্রদর্শন করেছে, রেজুলেশনটিতে তার প্রশংসা করা হয়।

কক্সবাজারের অত্যন্ত জনাকীর্ণ আশ্রয় ক্যাম্প থেকে রোহিঙ্গাদের একটি অংশকে ভাসানচরে স্থানান্তর এবং এ লক্ষ্যে এখানে অবকাঠামোসহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা তৈরি করার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সরকার যে প্রচেষ্টা ও বিনিয়োগ করেছে তারও স্বীকৃতি দেওয়া হয় রেজুলেশনটিতে। এ বিষয়ে বাংলাদেশ ও জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশনের মধ্যকার সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষরকে স্বাগত জানানো হয়।

রেজুলেশনটিতে প্রাথমিকভাবে দৃষ্টি দেওয়া হয়েছে, মিয়ানমারের রোহিঙ্গা মুসলিম ও অন্যান্য সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানবাধিকার পরিস্থিতি এবং পহেলা ফেব্রুয়ারি ২০২১-এ জরুরি অবস্থা জারির প্রেক্ষাপটের মতো বিষয়গুলোর প্রতি।

রোহিঙ্গা সমস্যার মূল কারণ খুঁজে বের করা, বাংলাদেশের সঙ্গে স্বাক্ষরিত দ্বি-পাক্ষিক চুক্তির বাধ্যবাধকতাগুলো পূরণ করা, এবং মিয়ানমারে নিযুক্ত জাতিসংঘ মহাসচিবের বিশেষ দূতসহ জাতিসংঘের সকল মানবাধিকার ব্যবস্থাপনাকে পূর্ণ সহযোগিতা প্রদান করতে এবারের রেজুলেশনে মিয়ানমারের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।  চলমান বিচার ও দায়বদ্ধতা নিরূপণ প্রক্রিয়ার উপর রেজুলেশনটিতে সজাগ দৃষ্টি বজায় রাখার কথা বলা হয়েছে।

এতে মিয়ানমারে নবনিযুক্ত জাতিসংঘ মহাসচিবের বিশেষ দূতকে স্বাগত জানানো হয়েছে এবং মিয়ানমারকে সম্পৃক্ত করে তার জন্য একটি কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণের কথাও বলা হয়েছে।

রাখাইন রাজ্যে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের উপযোগী পরিবেশ সৃষ্টি করার ক্ষেত্রে মিয়ানমার, ইউএনএইচসিআর এবং ইউএনডিপি এর মধ্যে স্বাক্ষরিত ত্রি-পাক্ষিক সমঝোতা স্মারকটি নবায়ন ও এর কার্যকর বাস্তবায়ন করার কথা উল্লেখ করা হয়েছে রেজুলেশনটিতে।

রাষ্ট্রদূত ফাতিমা বলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মানবিক বিবেচনায় ২০১৭ সালে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের জন্য বাংলাদেশের সীমান্ত খুলে দেন। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় রোহিঙ্গাদের স্বপ্রণোদিত, নিরাপদ ও টেকসই প্রত্যাবর্তনের উপযোগী পরিবেশ সৃষ্টি করতে মিয়ানমার ব্যর্থ হওয়ায় বাংলাদেশে দীর্ঘমেয়াদী সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে।

প্রত্যাবাসনের কোনও অগ্রগতি না হওয়ায় রোহিঙ্গাদের হতাশা ক্রমশ তীব্র হচ্ছে যা এ অঞ্চলে নানা ধরণের নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগ ও অস্থিতিশীল পরিস্থিতির সৃষ্টি করছে মর্মে উল্লেখ করেন বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি।

রাষ্ট্রদূত ফাতিমা আরও বলেন, আশা করা যায় এবারের রেজুলেশনটি নিজভূমি মিয়ানমারে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া নিশ্চিত করতে বাস্তবভিত্তিক পদক্ষেপ গ্রহণের প্রেরণা হিসেবে কাজ করবে। যা দীর্ঘস্থায়ী এই সমস্যার টেকসই সমাধানে তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত এবারের রোহিঙ্গা রেজুলেশনের বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে রাষ্ট্রদূত ফাতিমা বলেন, একটি শক্তিশালী ম্যান্ডেট নিয়ে এবারের রেজুলেশন গৃহীত হলো, যা রোহিঙ্গাদের মনে নতুন আশার সঞ্চার করবে- যে জন্য তারা পথ চেয়ে বসে আছে।


আরও খবর



সিটিং-গেইট লক সার্ভিস থাকবে না : পরিবহন মালিক সমিতি

প্রকাশিত:বুধবার ১০ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ১০ নভেম্বর ২০২১ | ৫৭৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় সিটিং সার্ভিস এবং গেইট লক সার্ভিস থাকবে না বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির মহাসচিব এনায়েত উল্যাহ। রাজধানীতে আর ওয়েবিলে বাস চলবে না বলেও জানিয়েছেন তিনি।

বুধবার দুপুরে রাজধানীর কাজী নজরুল ইসলাম অ্যাভিনিউয়ে সংগঠনটির কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এই কথা জানান মালিক সমিতির মহাসচিব।

তিনি বলেন, কোনো ধরনের সিটিং সার্ভিস ও ওয়েবিলের মাধ্যমে কোনো বাস চলবে না। আমরা তিন দিন সময় দেব, এরপর কোনো গেইটলক ও সিটিং সার্ভিসের বাস চললে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।

বাসভাড়া পুননির্ধারণ ও বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতি ও বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন।

এনায়েত উল্যাহ বলেন, গত কয়েকদিন ধরে বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেলে বাস-মিনিবাসের ভাড়া পুননির্ধারণ নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা চলছে। বলা হচ্ছে, ঢাকা এবং দূরপাল্লার বাস-মিনিবাসের ৮০-৯০ শতাংশ সিএনজিচালিত। এসব বাসে বেশি ভাড়া নেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করা হয়। কিন্তু আমরা ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় ১২০টি কোম্পানির মধ্যে মাত্র ১৩ কোম্পানির ১৯৬টি বাস সিএনজিচালিত পেয়েছি। এটি মোট গণপরিবহনের মাত্র ৩ দশমিক ২৬ শতাংশ।

গত কয়েক বছর ধরে রাজধানীতে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের কৌশল হিসেবে ওয়েবিল নামের এক ব্যবস্থা চালু করেছে বাস মালিক সমিতি।

ওয়েবিল এমন একটা ব্যবস্থা, যেখানে কোনো যাত্রী যদি মিরপুর থেকে শাহবাগ যেতে চান, তাহলে তাকে গুলিস্তান পর্যন্ত রাস্তার ভাড়া দিতে হয়।


আরও খবর



১০০ কোটি রুপিতে বিক্রি হচ্ছে ক্যাটরিনার বিয়ের ছবি-ভিডিও

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৭ ডিসেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৭ ডিসেম্বর ২০২১ | ৩১০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বলিউডের আলোচিত জুটি ভিকি কুশল আর ক্যাটরিনা কাইফের বিয়ে নিয়ে ভক্তদের আগ্রহের অন্ত নেই। তবে বহুল আলোচিত এই বিয়েতে গোপনীয়তা বজায় রেখেছেন ভিক্যাট। অতিথিদের জন্য জারি করা হয়েছে একগুচ্ছ বিধিনিষেধ। এমনকি বিয়ের অনুষ্ঠানে ছবি তোলা যাবে না বলে অতিথিদের সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।

তবে অতিথিদের ছবি তুলতে দেওয়ার ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা থাকলেও একটি ওটিটি প্ল্যাটফর্ম নাকি ১০০ কোটি রুপির বিনিময়ে ভিকি ও ক্যাটরিনার বিয়ের ছবির স্বত্ব কিনে নেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে বলে ভারতীয় গণমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া সোমবার এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে।

পরবর্তীতে ওটিটি প্ল্যাটফর্মে দেখা যাবে ভিক্যাটের বিয়ের ছবি এবং ভিডিও। সে কারণেই নাকি রাজস্থানের সিক্স সেন্সেস ফোর্ট বারওয়ারায় ভিক্যাটের বিয়ের আসরে আমন্ত্রিতদের ছবি তোলার ক্ষেত্রে জারি কড়া বিধিনিষেধ। কেউই সেখানে তুলতে পারবেন না ছবি। তোলা যাবে না ভিডিও। তৈরি করা যাবে না রিলস। ওয়েডিং প্ল্যানারের অনুমতি ছাড়া সেই ছবি এবং ভিডিও শেয়ার করা যাবে না।

তবে ভিকি-ক্যাটরিনা ওটিটি প্ল্যাটফর্মের প্রস্তাবে সায় দিয়েছেন কিনা, তা এখনও নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি। এর আগে দীপিকা এবং রণবীরকেও নাকি একই প্রস্তাব দিয়েছিল এই ওটিটি প্ল্যাটফর্ম। তবে তাতে সায় দেননি ওই জুটি।


আরও খবর
অদ্ভুত অনুভূতি রেখেই শেষ হলো ‘মানি হাইস্ট’

বৃহস্পতিবার ০৯ ডিসেম্বর ২০২১

সায়ন্তিকার গাড়িতে ট্রাকের ধাক্কা

বৃহস্পতিবার ০৯ ডিসেম্বর ২০২১




মিতু হত্যা মামলার নতুন তদন্ত কর্মকর্তা মহিউদ্দিন সেলিম

প্রকাশিত:সোমবার ২২ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ২২ নভেম্বর ২০২১ | ৪৫০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
মিতু হত্যার ঘটনায় দুটি মামলা এখন তদন্তাধীন। এর মধ্যে বাবুল আক্তারের করা মামলাটি অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। এখন অধিকতর তদন্ত করবেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা

সাবেক পুলিশ সুপার (এসপি) বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতু হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তার পরিবর্তন হয়েছে। এ মামলা তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) পরিদর্শক এ কে এম মহিউদ্দিন সেলিম।

সোমবার (২২ নভেম্বর) তাকে এ দায়িত্ব দেন পিবিআই চট্টগ্রাম মহানগর শাখার পুলিশ সুপার নাঈমা সুলতানা। আগের তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) পরিদর্শক সন্তোষ কুমার চাকমাকে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশে বদলি করা হয়েছে।

পুলিশ সুপার নাঈমা সুলতানা বলেন, আগের তদন্তকারী কর্মকর্তার বদলি হয়েছে। বর্তমানে এ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে পরিদর্শক মহিউদ্দিন সেলিমকে। তিনি তদন্ত এগিয়ে নিবেন। আশা করি দ্রুততম সময়ে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে পারব।

তিনি বলেন, মিতু হত্যার ঘটনায় দুটি মামলা এখন তদন্তাধীন। এর মধ্যে বাবুল আক্তারের করা মামলাটি অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। এখন অধিকতর তদন্ত করবেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা। অপর দিকে, মিতুর বাবা বাবুল আক্তারকে আসামি করে যে মামলাটি করেছেন, সেটিও তদন্ত করবেন তিনি।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, পিবিআই চট্টগ্রাম নগর শাখা থেকে বদলি হয়ে ১৮ নভেম্বর পরিদর্শক সন্তোষ কুমার চাকমা চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশে (সিএমপি) যোগ দেন। অন্যদিকে, এ কে এম মহিউদ্দিন সেলিম পিবিআইয়ের চট্টগ্রাম জেলা শাখায় কর্মরত ছিলেন। গত বৃহস্পতিবার তাকে নগর শাখায় বদলি করা হয়। 

আদালত সূত্রে জানা গেছে, মিতু হত্যার ঘটনায় বাবুল আক্তার যে মামলাটি দায়ের করেছিলেন, সেটির তদন্ত শেষ করে আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দিয়েছিল পিবিআই। কিন্তু আদালত চূড়ান্ত প্রতিবেদন না নিয়ে মামলাটি অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দেন। মিতুর বাবার করা মামলাটিও তদন্ত করছে পিবিআই।

২০১৬ সালের ৫ জুন সকালে চট্টগ্রাম নগরের নিজাম রোডে ছেলেকে স্কুলবাসে তুলে দিতে যাওয়ার পথে দুর্বৃত্তদের গুলি ও ছুরিকাঘাতে খুন হন মাহমুদা খানম (মিতু)। ওই সময় এ ঘটনা দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচিত হয়। ঘটনার সময় মিতুর স্বামী পুলিশ সুপার বাবুল আক্তার অবস্থান করছিলেন ঢাকায়। ঘটনার পর চট্টগ্রামে ফিরে বাবুল আক্তার পাঁচলাইশ থানায় অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

জঙ্গিবিরোধী কার্যক্রমের জন্য স্ত্রীকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে বলে মামলায় অভিযোগ করেন তিনি। তবে দিন যত গড়িয়েছে মামলার গতিপথও পাল্টেছে। এক পর্যায়ে সন্দেহের কেন্দ্রবিন্দুতে আসে স্বামী বাবুল আক্তারের নাম। তদন্তে তার বিরুদ্ধেই হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার সংশ্লিষ্টতা পাওয়ার পর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য মঙ্গলবার (১১ মে) ডেকে তাকে হেফাজতে নেয় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

পরে ১২ মে বাবুল আক্তারসহ আটজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়। স্ত্রী মাহমুদা খানম (মিতু) হত্যা মামলার প্রধান আসামি বাবুল আক্তারকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে পিবিআই। রিমান্ড শেষে প্রথমে আদালতে জবানবন্দি দেওয়ার কথা থাকলেও পরে জবানবন্দি দেননি বাবুল। তারপর তাকে চট্টগ্রাম কারাগারে পাঠানো হয়।


আরও খবর
আবরার হত্যায় ২০ আসামির মৃত্যুদণ্ড

বুধবার ০৮ ডিসেম্বর ২০২১




বিয়ের ৬ মাস পর মা হলেন এভলিন

প্রকাশিত:শনিবার ২০ নভেম্বর ২০21 | হালনাগাদ:শনিবার ২০ নভেম্বর ২০21 | ৪৩০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বলিউড অভিনেত্রী এভলিন শর্মা ও তাঁর স্বামী তুশান ভিন্দি কন্যাসন্তানের মা-বাবা হয়েছেন। এটি তাঁদের প্রথম সন্তান। সামাজিক পাতায় ভক্তদের এ সুখবর ভাগাভাগি করেছেন ইয়ে জওয়ানি হ্যায় দিওয়ানি অভিনেত্রী নিজেই।

সেইসঙ্গে এভলিন তাঁর কন্যার নামও জানিয়েছেন, যুক্ত করেছেন মা-মেয়ের ছবি। গত ১২ নভেম্বর কন্যাসন্তান প্রসব করেন এভলিন। এ দম্পতি তাঁদের মেয়ের নাম রেখেছেন আভা রানিয়া ভিন্দি। ইনস্টাগ্রামে ছবি শেয়ার করে এভলিন ক্যাপশন জুড়েছেন, আভা ভিন্দির মা হওয়া আমার জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা।

এ বছরের জুলাইয়ে এভলিন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার খবর দিয়েছিলেন। বলেছিলেন, তিনি ও তাঁর স্বামী প্রথম সন্তানের আশা করছেন। বেবি বাম্প দেখিয়ে ছবিও পোস্ট করেছিলেন।

বলিউড বাবলের খবর, ২০২১ সালের ১৫ মে অস্ট্রেলিয়ায় দীর্ঘদিনের প্রেমিক তুশানকে ঘরোয়া আয়োজনে বিয়ে করেন এভলিন। অবশ্য বিয়ের দারুণ কিছু ছবি পোস্ট করে এ খবর জানান জুনে। এ যুগল আংটিবদল করেন ২০১৯ সালের অক্টোবরে।


আরও খবর
অদ্ভুত অনুভূতি রেখেই শেষ হলো ‘মানি হাইস্ট’

বৃহস্পতিবার ০৯ ডিসেম্বর ২০২১

সায়ন্তিকার গাড়িতে ট্রাকের ধাক্কা

বৃহস্পতিবার ০৯ ডিসেম্বর ২০২১