আজঃ বৃহস্পতিবার ১৯ মে ২০২২
শিরোনাম

বাস-ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে আহত ২০

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৩ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৩ মে ২০২২ | ৩১৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার গৌরীপুর-মতলব সড়কে যাত্রীবাহী বাস ও মালবাহী ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। দুর্ঘটনায় অন্তত ২০ জন যাত্রী আহত হয়েছেন। আজ শুক্রবার দুপুর দেড়টায় উপজেলার বিটেশ্বর ইউনিয়নের মাদলা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

আহতদের উদ্ধার করে দাউদকান্দি (গৌরীপুর) উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে দুজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

দাউদকান্দি মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রফিকুল ইসলাম দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, দুর্ঘটনায় কোনো প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি। তাৎক্ষণিকভাবে আহতদের নাম জানা যায়নি। আহতদের গৌরীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়েছে।


আরও খবর



অর্থপাচার: এনু-রূপনের ৭ বছর কারাদণ্ড

প্রকাশিত:সোমবার ২৫ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ২৫ এপ্রিল ২০২২ | ২৯০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ঢাকার গেণ্ডারিয়া থানা আওয়ামী লীগের বহিষ্কৃত নেতা এনামুল হক এনু ও তার ভাই রুপন ভূঁইয়াসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে অর্থ পাচার মামলার রায় ঘোষণা করা হয়েছে। রায়ে আসামিদের ৭ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

একইসঙ্গে আসামিদের চার কোটি টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। সোমবার (২৫ এপ্রিল) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫-এর বিচারক ইকবাল হোসেন এ রায় দেন।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন- মেরাজুল হক ভূঁইয়া শিপলু, রশিদুল হক ভূঁইয়া, সহিদুল হক ভূঁইয়া, জয় গোপাল সরকার, পাভেল রহমান, তুহিন মুন্সি, আবুল কালাম, নবীর হোসেন শিকদার ও সাইফুল ইসলাম।

আসামিদের মধ্যে শিপলু, রশিদুল, সহিদুল ও পাভেল মামলার শুরু থেকেই পলাতক। জামিনে আছেন তুহিন। এনু-রুপনসহ বাকি ৬ আসামি কারাগারে আছেন।

রাজধানীর ওয়ারী থানায় করা অর্থপাচার মামলাটির রায় ঘোষণার জন্য গত ৬ এপ্রিল তারিখ ধার্য ছিল। কিন্তু বিচারক ছুটিতে থাকায় তা পিছিয়ে ২৫ এপ্রিল দিন নির্ধারণ করা হয়।


আরও খবর



বিমানবন্দরের ময়লার পলিথিনে মিলল ৮ কেজি সোনা

প্রকাশিত:শনিবার ৩০ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ৩০ এপ্রিল ২০২২ | ৩৯০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে ময়লার পলিথিনের মধ্যে থাকা ৮ কেজি ১২০ গ্রাম ওজনের সোনার বার উদ্ধার করেছে ঢাকা কাস্টম হাউস। শনিবার (৩০ এপ্রিল) শারজাহ থেকে আসা বিএস ৩৪৬ ফ্লাইট থেকে এসব সোনা উদ্ধার করা হয়।

চোরাচালান রোধে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা (এনএসআই) সংস্থার তথ্যের ভিত্তিতে ঢাকা কাস্টম হাউসের প্রিভেনটিভ বিমানবন্দরে নজরদারি বাড়ায়। ঢাকা কাস্টম হাউসের উপ-কমিশনার (প্রিভেন্টিভ) মো. সানোয়ারুল কবীর বলেন, সকালে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে একটি ফ্লাইট ঢাকায় আসে।

সেখানে ময়লা ফেলার পলিথিন থেকে সোনার বার উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় সন্দেহভাজন দুজনকে  আটক করা হয়েছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।


আরও খবর



ইউক্রেনের বিরুদ্ধে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের অস্ত্র ব্যবহার করছে রাশিয়া

প্রকাশিত:শুক্রবার ২২ এপ্রিল 20২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২২ এপ্রিল 20২২ | ৪১৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

যত দিন গড়াচ্ছে ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের বিষয়ে তত নতুন তথ্য উঠে আসছে। অভিযোগ, এই যুদ্ধে রুশ বাহিনী অত্যাধুনিক অস্ত্রের সঙ্গে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় ব্যবহৃত প্রাণঘাতী অস্ত্রও প্রয়োগ করেছে ইউক্রেনের বিরুদ্ধে। অস্ত্র হিসাবে ক্ষেপণাস্ত্রের মধ্যে রেখে ছোট ডার্টকে ব্যবহার করা হচ্ছে । ইউক্রেনের শহর বুচাতে এই ডার্ট ব্যবহারের উদাহরণ পাওয়া গিয়েছে।

ডার্টগুলি দেখতে এক ইঞ্চি পেরেকের মতো। যেগুলির এক প্রান্তে তীরের মতো পাখনা থাকে। বাতাসের মধ্যে গিয়ে এইগুলি গতিশীল হয়ে ওঠে।বুচার বাসিন্দারা তাঁদের বাগানে এবং রাস্তা থেকে এই রকম প্রচুর ডার্ট উদ্ধার করেছেন। ডার্টগুলি বাগানে গাছের গায়ে, বাড়ির দেওয়ালে এবং গাড়ির গায়ে আটকে ছিল।

বুচার স্থানীয় এক বাসিন্দা স্বিতলানা চুমতের কথায়, আপনি যদি আমার বাড়ির দিকে তাকান তবে এ রকম জিনিস অনেক পাবেন। যুদ্ধ চলাকালীন তিনি এক দিন সকালে দেখেন তাঁর বাডি়র দেওয়ালে এবং ঘরের ভিতর এই ধরনের ডার্ট আটকে রয়েছে। এই ডার্টগুলি ছুড়ে দেওয়ার সময় শঙ্কু আকৃতির এক ধরনের ফ্লোচেট সেল ব্যবহার করছে রাশিয়া। যার মুখের ছিদ্র দিয়ে নাগাড়ে বেরোতে থাকে ডার্টগুলি। সেগুলি ৩০০ গজ দূর পর্যন্ত যেতে পারে।

যুদ্ধে এই ধরনের অস্ত্র ব্যবহারের দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে। প্রথম বিশ্বযুদ্ধে মানুষ মারার জন্য ডার্ট ব্যবহার করার উদাহরণ রয়েছে। এ ছাড়া ভিয়েতনাম যুদ্ধের সময় আমেরিকা একে অ্যান্টি-পারসনেল প্রজেক্টাইল হিসাবে উল্লেখ করে এর ব্যবহার করা হত। ২০১৪ সালে গাজায় ফ্লোচেট ব্যবহারের অভিযোগ ওঠে। একটি মানবাধিকার সংস্থার অভিযোগ অনুযায়ী ১৭ জুলাই খান ইউনিসের পূর্বে খুজা গ্রামের উদ্দেশে ৬টি ফ্লোচেট ছোড়ে ইজরায়েল।

প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় ডার্টের মুখগুলি কিছুটা ইউ আকৃতি করা হত। কতকটা মাছের বড়শির মতো। এর ফলে শরীরে মারাত্মক ক্ষত তৈরি হত। এই ক্ষত থেকে মৃত্যুও হত। যুদ্ধে এই ধরনের অস্ত্র ব্যবহারে নিষিদ্ধ করার দাবি ওঠে কারণ এই ধরনের অস্ত্র লক্ষ্যের বাইরে অন্য কাউকে আঘাত করত। কতকটা ছররা গুলির মতো।

ইজরায়েলে ক্যামেরাকে অস্ত্র ভেবে ২০১০ সালে সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের এক সাংবাদিককে ফ্লোচেট ছুড়ে আঘাত করা হয়। কিন্তু এই হামলায় সাংবাদিক ছাড়াও আরও আট জন অসমারিক ব্যক্তি আহত হন। এই ঘটনার পর ইজরায়েল ফ্লোচেট ব্যবহার বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু তার পরেও তাদের বিরুদ্ধে ২০১৪ সালে এই অস্ত্র ব্যবহারের অভিযোগ ওঠে।

মানবাধিকার সংগঠনগুলিও যুদ্ধে এই ধরনের অস্ত্র ব্যবহারের বিরুদ্ধে সরব হয়েছে। যদিও এই অস্ত্র ব্যবহারকে এখনও নিষিদ্ধ করেনি কোনও আন্তর্জাতিক সংগঠন। মানবাধিকার সংগঠনগুলি এর নির্বিচার ব্যবহার নিষিদ্ধ ঘোষণা করার দাবি করে আসছে। বুচা শহরটিকে দখলদার মুক্ত করার পর রাশিয়ান বাহিনীর দ্বারা পরিচালিত নৃশংসতা উন্মোচিত হয়েছিল। এর নিন্দায় সরব হয়েছিলেন আন্তর্জাতিক মহল।

বুচার রাস্তাগুলি গত কয়েক সপ্তাহ ধরে ধ্বংসস্তুপে পরিণত হয়েছিল। অবিশ্বাস্য দ্রুততায় স্থানীয় বাসিন্দারা তা পরিষ্কার করেছেন। স্বেচ্ছাসেবকরা শহরের আশেপাশে এলাকাগুলি পরিষ্কারের জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম করছেন। সপ্তাহ খানেক আগে শহরের যে ছবি দেখেছিল বিশ্ব তার অনেকটাই বদল এনেছেন বাসিন্দারা।


আরও খবর



উখিয়ায় সাঁড়াশি অভিযানে ২০৩ রোহিঙ্গা আটক

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৫ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৫ মে ২০২২ | ৩৯০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ঈদুল ফিতর কেন্দ্র করে টেকনাফের উখিয়ায় ক্যাম্পে বসবাসকারী রোহিঙ্গাদের অবাধ বিচরণ বন্ধে সাঁড়াশি অভিযান চালায় দায়িত্বরত ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)।

আজ বৃহস্পতিবার সকাল থেকে দুপুর তিনটা পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে ক্যাম্পের চেকপোস্ট থেকে ২০৩ রোহিঙ্গাকে আটক করা হয়। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ৮ এপিবিএন-এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গণমাধ্যম) মোঃ কামরান হোসেন।

তিনি জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার সকাল থেকে চলমান সাঁড়াশি অভিযানে ৮ এপিবিএন-এর ক্যাম্পসমূহের চেকপোস্ট সংলগ্ন বাইরের এলাকা এবং ক্যাম্প এলাকার বাইরে থেকে চেকপোস্ট দিয়ে ভেতরে অবাধে আসা-যাওয়া করার সময় ২০৩ রোহিঙ্গা সদস্যকে আটক করা হয়েছে। আটককৃতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট ক্যাম্প-ইন-চার্জদের (সিআইসি) মাধ্যমে মোবাইলকোর্ট পরিচালনা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

ঈদুল ফিতর উপলক্ষে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারকরণ এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে রোহিঙ্গা সদস্যদের ক্যাম্প এলাকার বাইরে যাতায়াত রোধে এ সাড়াশি অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ ধরনের অভিযান নিয়মিত পরিচালনা করা হলেও ঈদ উপলক্ষে তা জোরদার করা হয় যা চলমান থাকবে বলে তিনি জানান।

এর আগে ঈদ উপলক্ষে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত ও আশপাশের এলাকায় ঘুরতে গিয়ে পুলিশের হাতে আটক হয় ৪৪৩ রোহিঙ্গা। বুধবার দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত সাঁড়াশি অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। এদিন আটককৃতদের কক্সবাজার সদর থানা পুলিশের হেফাজতে রাখা হয়। পরে তাদের ক্যাম্প ভিত্তিক তালিকা তৈরি করে শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনারের কাছে হস্তান্তর করার কথা রয়েছে বলে জানিয়েছেন কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রফিকুল ইসলাম।


আরও খবর



পাথরঘাটায় এগিয়ে চলছে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর নির্মাণ কাজ

প্রকাশিত:শনিবার ২৩ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২৩ এপ্রিল ২০২২ | ৪৭০জন দেখেছেন

Image

পাথরঘাটা (বরগুনা) প্রতিনিধি:

বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলায় মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার আশ্রয়ণ প্রকল্প-২ এর আওতায় তৃতীয় পর্যায়ে সেমিপাকা ঘরের নির্মাণ কাজ দ্রুত এগিয়ে চলেছে।

বঙ্গবন্ধুর জন্মশত বার্ষিকী উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ণ প্রকল্প-২ এর আওতায় ভূমিহীন পরিবারকে বিনামূল্যে জমি ও রঙিন টিন দিয়ে আধাপাকা ঘর করে দিচ্ছে সরকার। উপহারের ঘর গুলোতে থাকছে ২টি থাকার কক্ষ, ১টি রান্না ঘর, ১টি উন্নত টয়লেট ও ১টি বারান্দা। দেয়া হবে ঘরের জমি, বিদ্যুৎ। প্রতিটি ঘর ঘরের নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে ২ লাখ ৫৯ হাজার টাকা। উপহারের এ ঘর গুলো নির্মাণকাজ চলমান রয়েছে। কিছুদিনের মধ্যেই সেগুলো সুবিধাভোগীদের মধ্যে হস্তান্তর করা হবে।

সরেজমিনে দেখাযায়, পাথরঘাটা পৌর শহরের স্বাস্থ্য কম্পেলেক্সের পিছনে দুই সারিতে ৫১টি ঘরের নির্মাণ কাজ চলছে। ঘর গুলোর প্রায় ৯০ভাগ কাজ শেষ হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করার জন্য উপজেলা প্রশাসনের তদারকিতে ব্যস্ততা নির্মাণ কর্মীদের।

পাথরঘাটা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ের তথ্যানুযায়ী উপজেলায় প্রথম পর্যায়ে ২১টি ঘর বরাদ্দ করা হয়েছে। প্রতিটি ঘরের নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছিল ১ লাখ ৭১ হাজার টাকা, ২য় পর্যায়ে ৭৬টি ঘর বরাদ্ধ করা হয়েছে। এর মধ্য ৩১টি বাস্তবায়ন করা হয়েছে, ৪৫টি ঘরের কাজ প্রক্রিয়াধীন। ঘর গুলোর নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে ১লাখ ৯০ হাজার টাকা। তৃতীয় পর্যায়ে বরাদ্ধের ২১৫টি নির্মাণাধীন ঘরের প্রতিটি ঘরের ব্যয় ধরা হয়েছে ২ লাখ ৫৯ হাজার টাকা।

পাথরঘাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হোসাইন মুহাম্মদ আল-মুজাহিদ বলেন, তৃতীয় পর্যায়ের ঘরের নির্মাণ কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে। মুজিববর্ষে প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ণ প্রকল্প সঠিকভাবে বাস্তবায়নের জন্য সর্বদা সচেষ্ট। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষে প্রকৃত গৃহহীনদের মাঝে ঘর বুঝিয়ে দেওয়া হবে।


আরও খবর