আজঃ মঙ্গলবার ২৫ জুন ২০২৪
শিরোনাম

বায়ুদূষণের তালিকায় ঢাকা সাত নম্বরে

প্রকাশিত:বুধবার ১৩ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৩ মার্চ ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

বায়ুদূষণের তালিকায় শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে পাকিস্তানের লাহোর। অন্যদিকে, রাজধানী ঢাকা রয়েছে সাত নম্বরে। বুধবার (১৩ মার্চ নভেম্বর) সকাল ৮টা ৩৩ মিনিটে বায়ুর মান পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্সের (আইকিউএয়ার) সূচক থেকে জানা গেছে এ তথ্য।

তালিকার শীর্ষে থাকা লাহোরের স্কোর ২৯৪ অর্থাৎ সেখানকার বাতাস খুবই অস্বাস্থ্যকর। এরপর রয়েছে ভারতের দিল্লি। শহরটির স্কোর ১৯৮ অর্থাৎ সেখানকার বায়ুর মান অস্বাস্থ্যকর।

তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে ইরাকের বাগদাদ। এই শহরটির স্কোর ১৭১ অর্থাৎ সেখানকার বায়ুর মানও অস্বাস্থ্যকর পর্যায়ে রয়েছে। চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে ভিয়েতনামের হ্যানয়। পঞ্চমে ইরানের তেহরান এবং ষষ্ঠ অবস্থানে রয়েছে মিয়ানমারের ইয়াঙ্গুন। সপ্তম অবস্থানে রয়েছে রাজধানী ঢাকা এবং এই শহরটির স্কোর ১৬০ অর্থাৎ এখানকার বায়ুর মান অস্বাস্থ্যকর পর্যায়ে রয়েছে।

স্কোর শূন্য থেকে ৫০ এর মধ্যে থাকলে বায়ুর মান ভালো বলে বিবেচিত হয়। ৫১ থেকে ১০০ হলে মাঝারি বা সহনীয় ধরা হয় বায়ুর মান। সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর হিসেবে বিবেচিত হয় ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর। ১৫১ থেকে ২০০ পর্যন্ত অস্বাস্থ্যকর হিসেবে বিবেচিত হয়। স্কোর ২০১ থেকে ৩০০ হলে খুবই অস্বাস্থ্যকর বলে বিবেচনা করা হয়। এছাড়া ৩০১-এর বেশি হলে তা দুর্যোগপূর্ণ বলে বিবেচিত হয়।


আরও খবর



সরকারি চাকরিতে ৩ লাখ ৭০ হাজার পদ খালি: জনপ্রশাসনমন্ত্রী

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৮ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৮ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

সরকারি চাকরিতে অনুমোদিত পদ ১৯ লাখ ১৫১টি। তার মধ্যে শূন্য পদ রয়েছে তিন লাখ ৭০ হাজার ৪৪৭টি বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসনমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন।

মঙ্গলবার (২৮ মে) দুপুরে সচিবালয়ে গণমাধ্যম কেন্দ্রে বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরাম (বিএসআরএফ) আয়োজিত বিএসআরএফ সংলাপে অংশ নিয়ে জনপ্রশাসনমন্ত্রী এ তথ্য জানান।

এসময় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, গত ১০ বছরে প্রথম থেকে নবম গ্রেডের ৩৫১ জন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আসে। এর মধ্যে গুরুদণ্ড পেয়েছেন ৪১ জন, লঘুদণ্ড পেয়েছেন ১৪০ জন। সব মিলিয়ে শাস্তি পেয়েছেন ১৮১ জন। আর ১৭০ জনকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।


আরও খবর



সেপটিক ট্যাংকে নেমে দুই পরিচ্ছন্নতাকর্মীর মৃত্যু

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
শরীয়তপুর প্রতিনিধি

Image

শরীয়তপুরের ডামুড্যা উপজেলায় সেপটিক ট্যাংক পরিষ্কার করতে নেমে ভেতরের বিষাক্ত গ্যাসে দম বন্ধ হয়ে দুই পরিচ্ছন্নতাকর্মীর মৃত্যু হয়েছে।

শুক্রবার রাত দেড়টার দিকে উপজেলার দারুল আমান ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর ডামুড্যা এলাকার কবির সরদারের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

মারা যাওয়া দুই পরিচ্ছন্নতাকর্মী হলেন- বগুড়া জেলার সোনাতলা থানার পশ্চিম টেকানী এলাকার দুলু শেখের ছেলে মালেক শেখ (৪৫) ও পূর্ব টেকানী এলাকার আফসার বেপারীর ছেলে লিটন বেপারী (৩৫)।

স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা যায়, কবির সরদারের বাড়ির সেপটিক ট্যাংক পরিষ্কার করার জন্য ১০ হাজার টাকা চুক্তি করেন মালেক ও লিটন। তারা ট্যাংকের ভেতরে পাইপ বসিয়ে ময়লা অপসারণ করছিলেন। এ সময় লিটন ট্যাংকের ভেতরে নামলে হঠাৎ করেই নিচে পড়ে যায়। পরে তাকে উদ্ধার করতে মালেক শেখ নামলে তিনিও আর উপরে উঠে আসতে পারেননি। তাদের কোনো সাড়া না পেয়ে ফায়ার সার্ভিসে খবর দেন বাড়ির লোকজন। ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা এসে দুজনকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ নিয়ে গেলে চিকিৎসক দুজনকে মৃত ঘোষণা করেন।

ডামুড্যা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এমারত হোসেন বলেন, মরদেহ দুটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আরও খবর



মিয়ানমার আগ্রাসন: উৎকণ্ঠা ও খাদ্য সংকটে সেন্টমার্টিনবাসী

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
মোহাম্মদ ফারুক, কক্সবাজার

Image

মিয়ানমার আগ্রাসনে টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌপথে ট্রলার চলাচল বন্ধ থাকায় দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিন বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। টেকনাফ থেকে কোনো নৌযান সেন্টমার্টিনে যেতে পারছে না। সেখান থেকে আসতেও পারছে না। নৌযান দেখলেই মিয়ানমার থেকে ছুটে আসে গুলি। সাত দিন ধরে চলছে এই পরিস্থিতি। পরপর তিন দফা গুলির ঘটনার পর এমন অবস্থায় সেন্টমার্টিনের ১০ হাজারের মতো অধিবাসী খাদ্য ও নিত্যপণ্য নিয়ে সংকটে পড়েছেন। তাদের মধ্যে চরম উৎকণ্ঠাও বিরাজ করছে।

আর কয়েকদিন পরেই ঈদুল আজহা। এদিকে, টেকনাফে আটকা পড়েছেন প্রায় চার শতাধিক বাসিন্দা। এটি দ্রুত সমাধান না হলে বড় ধরনের অভাব দেখা দিতে পারে দ্বীপে। শুধু তাই নয়, যদি কোনো রোগব্যাধি হয়, তাহলে বিনা চিকিৎসায় দ্বীপেই মৃত্যুবরণ করতে হবে বাসিন্দাদের।

এদিকে, যোগাযোগ বিচ্ছিন্নের ফলে সেন্টমার্টিনে দেখা দিচ্ছে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্য সংকট। দ্বীপে বসবাসরত ১০ হাজার বাসিন্দার মধ্যে যারা দিনে এনে দিনে খায় বেশি সমস্যায় পড়েছেন তারাই। খাদ্য ও পণ্যবাহী বোট চলাচল করতে না পারায় সেন্টমার্টিনের দোকানগুলোতে যেমন মজুত করা খাদ্যপণ্য শেষ হতে চলেছে, তেমনি সেই সুযোগে কিছু ব্যবসায়ী পণ্যের দাম দ্বিগুণ নিচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। দ্রুত সমাধান না হলে দ্বীপবাসী খাদ্য, চিকিৎসাসহ অন্যান্য সমস্যায় বাড়তে পারেন বলে ধারণা স্থানীয়দের।

গত ১১ জুন টেকনাফ থেকে সেন্টমার্টিন যাওয়ার পথে সাগরের ঘোলচর এলাকায় একটি স্পিডবোটকে নৌযান নিয়ে ধাওয়া করে গুলি করা হয়। মিয়ানমারের সৈন্যরাই গুলি চালিয়েছে বলে স্থানীয়দের ধারণা। তবে এ ঘটনায় কেউ হতাহত হননি। এ বিষয়ে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মিয়ানমার উইংয়ের মহাপরিচালক মিয়া মো. মাইনুল কবির বলেছেন, প্রথম যেদিন এই ঘটনা ঘটে, সেদিনই আমরা প্রতিবাদ জানিয়েছি। ১১ জুনের ঘটনার পর কূটনৈতিক চ্যানেলে আবারও প্রতিবাদ জানাবো। তবে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে যে এখন স্বাভাবিক পরিস্থিতি বিরাজ করছে না, সেটা তো আমরা বুঝতেই পারছি। ওই এলাকা এখন কাদের নিয়ন্ত্রণে সেটিও পরিষ্কার নয়। তবে আমাদের কূটনৈতিক তৎপরতা অব্যাহত আছে।’

সেন্টমার্টিন স্পিড বোট মালিক সমিতির সভাপতি খোরশেদ আলম বলেন, আগের গুলির ঘটনার পর আমরা নদীতে যাইনি। প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনার পর মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে চট্টগ্রাম থেকে চিকিৎসা নিয়ে ফেরত আসা অসুস্থ এক রোগীকে নিয়ে সেন্টমার্টিন যাচ্ছিল আমাদের একটি স্পিডবোট।সাগরের ঘোলচর এলাকায় পৌঁছালে মিয়ানমার সীমান্তের একটি ট্রলার থেকে ওই স্পিডবোট লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলিবর্ষণ করা হয়। পরে স্পিডবোটটি কোনোরকমে সেন্টমার্টিন পৌঁছে যেতে সক্ষম হয়। এ ঘটনায় কেউ হতাহত হননি। আগে আমরা নিশ্চিত ছিলাম না, কারা এটি করছে। কিন্তু আজকে যখন ছোট ছোট নৌযান নিয়ে আমাদের স্পিডবোটে গুলি করা হয় তখন সেখানে মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর জাহাজ ছিল। ফলে আমরা ধারণা করছি, জান্তার সৈন্যরাই এটা করছে।’

তিনি বলেন, ‌টেকনাফ থেকে সেন্টমার্টিন যাওয়ার পথে নাফ নদীর মোহনার শেষে নাইক্ষ্যংডিয়া এলাকা অতিক্রম করার সময় মিয়ানমারের প্রান্ত থেকে বোটগুলো লক্ষ্য করে গুলি ছোঁড়া হচ্ছে। আমরা এখন সেন্টমার্টিনে চরম আতঙ্কের মধ্যে দিন পার করছি। কারণ, ওই এলাকায় আমাদের বিজিবি বা কোস্টগার্ডের কোনো টহল নেই। তারা উপকূলে চলে এসেছে। ফলে জান্তা সৈন্যরা চাইলে যেকোনো সময় আমাদের সেন্টমার্টিনেও চলে আসতে পারে বলে আমরা আশঙ্কা করছি। আমরা এখন খুবই নিরাপত্তাহীনতায় আছি। মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে দীর্ঘদিন ধরে সংঘাত চলছে। এই পরিস্থিতিতে সে দেশের সীমান্ত এলাকা থেকে বাংলাদেশের দিকে গুলি ছোঁড়া হচ্ছে। এ কারণে সাত দিন ধরে দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিনে নৌযান চলাচল বন্ধ রয়েছে। এতে দ্বীপের প্রায় ১০ হাজার বাসিন্দা খাদ্য ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সংকটে পড়েছেন।’

সেন্টমার্টিনের বাসিন্দা সাবেক মেম্বার হাবিবুর রহমান বলেন, সেন্টমার্টিনে অতিরিক্ত খাদ্য রাখার কোনো ব্যবস্থা নেই। প্রতিদিনই টেকনাফ থেকে ট্রলারে করে নানা ধরনের নিত্যপণ্য আসে। কিন্তু সাত দিন হলো কিছুই আসছে না। এখন সেন্টমার্টিনে কাঁচামাল কিছুই নেই। চাল-ডাল দিয়ে কোনোভাবে দিন চলছে। আবার যা আছে, তার দামও ব্যবসায়ীরা দ্বিগুণ-তিনগুণ পর্যন্ত বাড়িয়ে দিয়েছেন। ফলে আমরা অনেক কষ্টে আছি। এভাবে আর দুই-একদিন হয়ত চলা যাবে। এরপর আমাদের না খেয়ে থাকতে হবে। আমরা প্রশাসনকে বারবার ব্যবস্থা নিতে বলছি, কিন্তু এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো পদক্ষেপ আমরা দেখতে পাইনি। গত ৫ জুন টেকনাফ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শেষে ফেরার পথে নির্বাচন কর্মকর্তা ও ৮ জুন সেন্টমার্টিনে ইট-বালু ও খাদ্যসামগ্রী বহনের ট্রলার লক্ষ্য করে মিয়ানমার সীমান্ত থেকে গুলি বর্ষণ করা হয়েছিল। সর্বশেষ মঙ্গলবার আবারও গুলি চালানো হয়।’

সেন্টমার্টিন সার্ভিস ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি রশিদ আহমদ বলেন, আমাদের বিকল্প রুট ব্যবহারের কথা বলা হচ্ছে। কেউ কেউ ইনানী থেকে যাওয়ার কথাও বলছেন। কিন্তু এভাবে তো সেখানে পৌঁছানো কঠিন। সাগরের ঢেউ এবং পানি বেড়ে যাওয়ায় ওই রুটটি ঝুঁকিপূর্ণ। খবরচও অনেক বেশি হবে। আর আমরা তো মিয়ানমারে যাচ্ছি না। তাহলে আমাদের দেশের সীমান্তের মধ্যে ঢুকে তারা কেন গুলি করবে? সরকারের পক্ষ থেকে তো এ ব্যাপারে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। তা নাহলে সেন্টমার্টিনের বাসিন্দারা সংকটে পড়বেন।’

দ্বীপের মুদির দোকানি আমিনুল ইসলাম বলেন, ট্রলার চলাচল বন্ধ থাকার কারণে টেকনাফ থেকে কোনো ধরনের নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্য আনতে পারেনি। এর ফলে দোকানে থাকা সবকিছু শেষের পথে। শুধু চাল ছাড়া কোনো মালামাল নেই। এভাবে চলতে থাকলে দ্বীপের মানুষদের না খেয়ে থাকতে হবে।’

সেন্টমার্টিন দ্বীপ ইউপি চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান বলেন, বিষয়টি এখনও সুরাহা না হওয়ায় দ্বীপে খাদ্যপণ্যের অভাব দেখা দিয়েছে। এটি দ্রুত সমাধান না হলে বড় ধরনের অভাব দেখা দিতে পারে দ্বীপে। শুধু তাই নয়, আমাদের যদি কোনো রোগব্যাধি হয়, তাহলে বিনাচিকিৎসায় আমাদের এখানে মৃত্যুবরণ করতে হবে। এই পরিস্থিতি তো দিনের পর দিন চলতে পারে না। আমি নিজে প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলেছি, তারা ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন, কিন্তু এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো পদক্ষেপ আমরা দেখতে পাচ্ছি না। বিকালে হেলিকপ্টার যোগে বিজিবি মহাপরিচালক সেন্টমার্টিন দ্বীপে এসেছিলেন। কিন্ত এ ব্যাপারে কী ব্যাবস্থা নেওয়া হয়েছে তা জানতে পারিনি।’

টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ আদনান চৌধুরী বলেন, মিয়ানমার থেকে টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌপথে স্পিডবোট ও ট্রলারে গুলির ঘটনায় নৌযান চলাচল বন্ধ রয়েছে। তবে আপৎকালীন রুট হিসেবে শাহপরীর দ্বীপের পশ্চিমে জেটি ঘাট চালু করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। আমি নিজে নৌযান মালিকদের সঙ্গে বৈঠক করেছি। ৯ জুন কক্সবাজারের ডিসি অফিসেও বৈঠক হয়েছে। আমরা নৌযান মালিকদের ডেকে বলেছি, বিকল্প রুট দিয়ে আপাতত খাদ্য পৌঁছানোর ব্যবস্থা করতে।’


আরও খবর



বগুড়ায় স্ত্রী-সন্তানকে গলা কেটে হত্যা, স্বামী আটক

প্রকাশিত:রবিবার ০২ জুন 2০২4 | হালনাগাদ:রবিবার ০২ জুন 2০২4 | অনলাইন সংস্করণ
বগুড়া প্রতিনিধি

Image

বগুড়া শহরের বনানী এলাকায় একটি আবাসিক হোটেল থেকে আশামণি (২০) ও তার এক বছরের ছেলে আবদুল্লাহ আল রাফির মাথাবিহীন লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় ওই নারীর স্বামী আজিজুল হককে (২৩) আটক করেছে পুলিশ। তিনি চট্টগ্রাম সেনানিবাসে কর্মরত। তার বাড়ি বগুড়া জেলার ধুনট উপজেলার কালেরপাড়া।

আশা মনির লাশ হোটেলের বাথরুমের ভেতরে বিবস্ত্র অবস্থায় পড়েছিল। আর তার ১ বছর বয়সী ছেলে আব্দুল্লাহ আল রাফির মাথাবিহীন লাশ বস্তায় ভরে খাটের নিচে রাখাছিল।

রবিবার সকাল ১১টার দিকে পুলিশ দুটি লাশ উদ্ধার করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আজিজুল হক হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন বলে পুলিশ জানায়।

নিহত আশামনির ভাই সনি জানান, সেনা সদস্য আজিজুল হকের সঙ্গে প্রায় তিন বছর আগে তার বোনের বিয়ে হয়। দুই মাসের ছুটি নিয়ে সে কিছুদিন আগে বগুড়ায় আসে। এরপর তার ভগ্নিপতি আজিজুল গত বৃহস্পতিবার শহরের নারুলি এলাকায় শ্বশুর বাড়িতে বেড়াতে আসে তিনি। ১ জুন বেড়ানোর কথা বলে স্ত্রী ও সন্তানকে নিয়ে শ্বশুরবাড়ি থেকে বের হয়ে যান আজিজুল হক। ২ জুন খুন ও আটক হওয়ার খবর পান তারা।

শুভেচ্ছা হোটেলের ব্যবস্থাপক রবিউল ইসলাম জানান, শনিবার সন্ধ্যার পর আজিজুল হক তার স্ত্রী ও এক বছর বয়সী সন্তানকে নিয়ে দোতলার একটি কক্ষে ওঠেন। এরপর রাত ১১টার দিকে তিনি হোটেল থেকে বের হয়ে যান। তিনি বলেন, আজ (রবিবার) সকাল ১১টার দিকে আজিজুল হক হোটেলে কক্ষের ভাড়া পরিশোধ করতে আসেন। কিন্তু তখন তার সঙ্গে স্ত্রী ও সন্তান না থাকায় আমাদের সন্দেহ হয়। এরপর আমরা তাকে আটক করে পুলিশে খবর দিই। পরে পুলিশ এসে ওই কক্ষের ভেতরে আজিজুল হকের স্ত্রীর গলকাটা বিবস্ত্র লাশ এবং বাথরুমে বস্তাবন্দী মাথাবিহীন সন্তানের লাশ দেখতে পান।

শাজাহানপুর থানার ওসি শহিদুল ইসলাম জানান, সেনা সদস্য আজিজুল হক হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করেছেন। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তার দাবি সে তার সন্তানের মাথা পাশের করতোয়া নদীকে ফেলে দিয়েছে। নিহত শিশুর মাথা খোঁজা হচ্ছে।

জেলা পুলিশ সুপার সুদীপকুমার চক্রবর্ত্তী জানান, পুলিশ সদস্যারা চেষ্টা করে শিশুর মাথা উদ্ধার করতে পানেনি। তবে রাজশাহী ফায়ার সার্ভিস থেকে ডুবুরি চাওয়া হয়েছে। তারা মাথা উদ্ধারে অভিযান চালাবে।


আরও খবর



টেলিপ্যাবের নতুন সভাপতি আরশাদ আদনান, সম্পাদক দোদুল

প্রকাশিত:শনিবার ০৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ০৮ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

টেলিভিশন প্রোগ্রাম প্রডিউসারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (টেলিপ্যাব) এর নতুন সভাপতি হয়েছেন আরশাদ আদনান ও সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন দোদুল।

শনিবার রাজধানীর বনানী ক্লাবে অনুষ্ঠিত দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনে আদনান-দোদুলকে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত করে নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। তারা ২০২৪-২৬ মেয়াদে দায়িত্ব পালন করবেন।

নতুন সভাপতি আরশাদ আদনান বলেন, বর্তমান ডিজিটাল যুগ। ডিজিটাল যুগে ইউটিউব কনটেন্ট নীতিমালা না মেনেই প্রচার করা হচ্ছে। দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম কাজ করব এটাকে নীতিমালায় আওতায় আনার। সবাইকে নিয়ে একসঙ্গে বসে সবকিছু নীতিমালার ভেতরে আনব।

প্রিয়তমা সিনেমার এই প্রযোজক বলেন, আপনারা অবগত আছেন যে, দীর্ঘ সময় ধরে বেশ কিছু প্রযোজকের টাকা বকেয়া রয়েছে একুশে টেলিভিশনের কাছে। তাদের চিঠি দেব। মোট কথা আমরা প্রযোজকদের স্বার্থরক্ষায় কাজ করব।

সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন দোদুল বলেন, গত মেয়াদে আমি নির্বাচন করেছিলাম তখনই কিছু ইশতেহার দিয়েছিলাম সেগুলো পূরণ করার সুযোগ পেয়েছি। এবার সেগুলো নিয়ে কাজ করব। আমরা ডায়নামিক একজন সভাপতি পেয়েছি। এখন আমাদের ইশতেহার পূরণ করা সহজ হবে। আরও কিছু বিষয় নিয়ে কাজ করব। গত দুই বছরে বেশ কিছু সমস্যা তৈরি হয়েছে সেগুলো পূরণ করব। আমরা সবাই মিলে প্রযোজকদের স্বার্থরক্ষায় কাজ করব।

নতুন কমিটিতে সহ-সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন রোকেয়া প্রাচী ও মীর ফকরুদ্দিন ছোটনসহ-সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল আলম বাবলু, সাংগঠনিক সম্পাদক অনন্য ইমন, অর্থ সম্পাদক সঞ্জিদ সরকার, দপ্তর সম্পাদক ফারুক মাহমুদ, প্রচার ও প্রকাশনা মাসুদ করীম সুজন ও আইন বিষয়ক সম্পাদক মোখলেসুর রহমান। নির্বাহী সদস্য হয়েছেন মনোয়ার পাঠান, সাজু মুনতাসির, রাজু আলীম, জাহাঙ্গীর হোসেন বাবর ও আইনুল ইসলাম চঞ্চল।

নিউজ ট্যাগ: টেলিপ্যাব

আরও খবর