আজঃ শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪
শিরোনাম

বেইলি রোডে আগুন : কারণ অনুসন্ধানে ফায়ারের ৫ সদস্যের কমিটি

প্রকাশিত:শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

Image

রাজধানীর বেইলি রোডে অবস্থিত কাচ্চি ভাই রেস্টুরেন্ট ভবনে লাগা আগুনে এখন পর্যন্ত ৪৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। ফায়ার সার্ভিসের ১৩টি ইউনিটের চেষ্টায় দুই ঘণ্টা পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসলেও এখনও উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করছে ফায়ার সার্ভিস।

ভয়াবহ এই আগুনের ঘটনার নেপথ্যের কারণ, ভবনের অগ্নি নিরাপত্তা ও ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণসহ হতাহত বেশি হওয়ার কারণ অনুসন্ধানে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর।

ফায়ার সার্ভিসের নিয়ন্ত্রণ কক্ষের ডিউটি অফিসার এরশাদ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটির সভাপতি : পরিচালক(অপারেশন ও মেইনটেন্যান্স) লে. কর্নেল মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম চৌধুরী, কমিটির সদস্য সচিব ঢাকা বিভাগের উপ-পরিচালক মো. ছালেহ উদ্দিন, সদস্য করা হয়েছে সংশ্লিষ্ট জোনের ডিএডি, সিনিয়র স্টেশন অফিসার এবং ওয়ারহাউজ ইন্সপেক্টরকে। কমিটিকে সরেজমিন তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত সময়ের মধ্যে রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে।


আরও খবর



রাখাইনে সংঘাত : বাংলাদেশে ফের রোহিঙ্গা ঢলের আশঙ্কা

প্রকাশিত:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

মিয়ানমারের পশ্চিমাঞ্চলীয় রাজ্য রাখাইনে গত নভেম্বর থেকে জান্তা বাহিনীর সঙ্গে সশস্ত্র রাজনৈতিক গোষ্ঠী আরকান আর্মির (এএ) যে সংঘাত শুরু হয়েছে, তা সেই রাজ্যে বসবাসকারী রোহিঙ্গাদের মধ্যে ফের বাংলাদেশে আসার প্রবণতা উসকে দিতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বাংলাদেশের কর্মকর্তারা।

ইতোমধ্যে বেশ কয়েকজন রোহিঙ্গা বিভিন্ন উপায়ে সীমান্ত পাড়ি দিয়ে টেকনাফে রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরে আশ্রয় নিয়েছেন বলেও জানা গেছে।

বাংলাদেশের শরণার্থী, ত্রাণ ও পুনর্বাসন কমিশনের শীর্ষ নির্বাহী এবং বাংলাদেশ সরকারের অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ মিজানুর রহমানও বিষয়টি স্বীকার করেছেন। এক সাক্ষাৎকারে বার্তাসংস্থা রয়টার্সকে তিনি বলেন, কয়েকজন রোহিঙ্গা ইতোমধ্যে বিভিন্ন ভাবে সীমান্ত পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে এবং শিবিরের রোহিঙ্গাদের কাছে আশ্রয় নিয়েছে বলে আমরা তথ্য পেয়েছি। আমি নিশ্চিত এ খবর সত্য।

২০১৭ সালের আগস্টে রাখাইনের কয়েকটি সেনা ছাউনি এবং পুলিশ স্টেশনে একযোগে বোমা হামলা ঘটায় রোহিঙ্গাভিত্তিক সশস্ত্র গোষ্ঠী রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি (আরসা)। এই হামলার জবাবে রাখাইনের রোহিঙ্গা অধ্যুষিত গ্রামগুলোতে অভিযান শুরু করে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী।

ভয়াবহ সেই অভিযানে সেনা সদস্যদের হাতে হত্যা, ধর্ষণ, লুটপাট ও বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগের শিকার হয়ে প্রাণ বাঁচাতে সীমান্ত পাড়ি দিয়ে দলে দলে বাংলাদেশে আসতে থাকেন রোহিঙ্গারা। সেবার ১০ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা পালিয়ে এসেছিলেন বাংলাদেশে।

বর্তমানে এই রোহিঙ্গাদের টেকনাফের কুতুপালং ইউনিয়নের শরণার্থী শিবিরে রাখা হয়েছে। ঢাকার পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে আর কোনো রোহিঙ্গা শরণার্থকে আশ্রয় দিতে পারবে না বাংলাদেশ। চীনের মধ্যস্থতায় আশ্রিত এই রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে।

তবে বিভিন্ন কারণে এই প্রক্রিয়ায় বর্তমানে স্থবির অবস্থা চলছে; আর এর মধ্যেই রাখাইনে তীব্র সংঘাত শুরু হয়েছে আরাকান আর্মি এবং জান্তা বাহিনীর মধ্যে। সেই সংঘাতে সুবিধাজনক অবস্থানে থাকা আরাকান আর্মি রাখাইনের একের পর এক শহর-গ্রামের দখল নিচ্ছে। গত সপ্তাহে রাখাইনের দুই সীমান্তবর্তী শহর বুথিডং এবং মংডুর নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে আরাকান আর্মি।

এই দুই শহরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গা থাকেন। জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআরের তথ্য অনুযায়ী, দুই পক্ষের যুদ্ধের জেরে মংডু ও বুথিডংয়ে আটকা পড়েছেন ৭০ হাজারেরও বেশি রোহিঙ্গা।

রয়টার্সকে মিজানুর রহমান বলেন, কয়েক দিন আগে ইউএনএইচসিআর আমাদের একটি চিঠি দিয়েছে। সেখানে ইউএনএইচসিআর বলেছেরাখাইনের পরিস্থিতি উত্তরোত্তর অবনতি ঘটছে। সেখানে আরও রোহিঙ্গা বাস্তুচ্যুতির পরিবেশ সৃষ্টি হচ্ছে এবং তারা অসহায়। তাদের সুরক্ষা প্রয়োজন।

এই কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ইউএনএইচসিআরের চিঠির কেনো জবাব এখনও দেয়নি শরণার্থী, ত্রাণ ও পুনর্বাসন কমিশন।

এ ইস্যুতে বাংলাদেশের সরকারের অবস্থান জানতে দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে টেলিফোনে যোগাযোগ করেছিল রয়টার্স, কেউই ফোন রিসিভ করেননি।

পরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা রয়টার্সকে বলেন, নতুন কোনো রোহিঙ্গাকে আর আশ্রয় দেওয়া হবে না বলে যে নীতি নিয়েছিল বাংলাদেশ, তাতে কোনো পরিবর্তন আসেনি।


আরও খবর



জাহাজভাঙ্গা শ্রমিকদের ঈদুল আজহার বোনাস ও রেশনিং ব্যবস্থার দাবিতে মানববন্ধন

প্রকাশিত:শুক্রবার ৩১ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ৩১ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

Image

জাহাজভাঙা শ্রমিকদের আগামী ১০ জুনের মধ্যে আসন্ন ঈদুল আজহার বোনাস এবং বাজেটে শ্রমিকদের জন্য রেশনিং ব্যবস্থা চালুর জন্য পর্যাপ্ত বরাদ্দের দাবিতে মানববন্ধন।

শুক্রবার বিকাল সাড়ে ৩টায় চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব চত্বরে জাহাজভাঙা শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন ফোরামের এক মানববন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। ফোরামের আহ্বায়ক শ্রমিকনেতা তপন দত্তের সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব ফজলুল কবির মিন্টুর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত উক্ত সভায় বক্তব্য রাখেন ফোরামের যুগ্ম আহ্বায়ক এ এম নাজিম উদ্দিন, জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক শ ম জামাল, জাহাজভাঙা শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন ফোরামের সদস্য এবং জাতীয় শ্রমিক লীগ সীতাকুন্ড আঞ্চলিক কমিটির সভাপতি মাহাবুবুল আলম, বাংলাদেশ মুক্ত শ্রমিক ফেডারেশন চট্টগ্রাম জেলার সাধারণ সম্পাদক নুরুল আবসার,  জাহাজভাঙা শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন ফোরামের কোষাধ্যক্ষ রিজওয়ানুর রহমান খান, বাংলাদেশ লেবার ফেডারেশনের সাংগঠনিক সম্পাদক রবিউল হক শিমুল, বাংলাদেশ মেটাল ওয়ার্কার্স ফেডারেশনের যুগ্ম সম্পাদক মোঃ আলী, বাংলাদেশ ফ্রি ট্রেড ইউনিয়ন কংগ্রেস এর সাধারণ সম্পাদক কে এম শহিদুল্লাহ, বাংলাদেশ লেবার ফেডারেশনের চট্টগ্রাম মহানগর সাধারণ সম্পাদক আবু আহমেদ, বাংলাদেশ মুক্ত শ্রমিক ফেডারেশনের যুগ্ম সম্পাদক মোঃ ইদ্রিছ, জাহাজভাঙা শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের আহ্বায়ক মোঃ মানিক মণ্ডল, জাহাজভাঙা শ্রমিকনেতা মোঃ হাসান প্রমুখ।

সভায় বাংলাদেশ শ্রম বিধিমালার বিধি ১১১(৫) অনুসারে জাহাজ ভাঙ্গা শ্রমিকদের আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে মূল বেতনের সমপরিমান উৎসব বোনাস, মে মাসের পূর্ন বেতন এবং জুন মাসের আংশিক ১০ বেতন জুনের মধ্যে প্রদান করার জন্য মালিকদের প্রতি আহ্বান জানানো হয় এবং এই ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়।

সভায় নেতৃবৃন্দরা বলেন, জাহাজভাঙা শ্রমিকেরা যে মজুরি পায় তা দিয়ে তাদের জীবন জীবিকা নির্বাহ করাই কষ্টকর হয়ে পড়ে। উপরন্তু জাহাজভাঙা সেক্টরে ২০১৮ সালে ঘোষিত নিম্নতম মজুরি এখনো বাস্তবায়িত হয়নি। ইতিমধ্যে নিম্নতম মজুরি ঘোষণার ৫ বছর পূর্ণ হওয়ায় শ্রম আইন অনুসারে নতুন মজুরি বোর্ড ঘোষণার সময় হয়ে গেছে। তাই অবিলম্বে নতুন মজুরি বোর্ড গঠন করে জাহাজভাঙা শ্রমিকদের নিম্নতম মাসিক মজুরি ২০ হাজার টাকা ঘোষণা করতে হবে।

নেতৃবৃন্দ হতদরিদ্র শ্রমিকদের ন্যুনতম জীবনমান বজায় রাখার স্বার্থে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতি জরুরিভাবে রোধ করার আহ্বান জানান। পাশাপাশি দ্রব্যমূল্য রোধের স্থায়ী এবং দীর্ঘ মেয়াদে সমাধানকল্পে দেশের সকল দরিদ্র জনগোষ্ঠী ও জাহাজভাঙা শ্রমিকসহ সকল খাতের শ্রমিকদের জন্য ন্যায্যমূল্যে রেশনিং ব্যবস্থা প্রনয়ন এবং সারাদেশে শ্রমিক অধ্যুষিত এলাকায় টিসিবির অধীনে ন্যায্যমূল্যের দোকান চালু করার জন্য আসন্ন বাজেটে পর্যাপ্ত বরাদ্দের দাবি জানানো হয়।

সমাবেশে জাহাজভাঙা শ্রমিকদের পেশাগত স্বাস্থ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকল্পে বিশেষজ্ঞ হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা এবং জাহাজভাঙা শিল্পাঞ্চলে সার্বক্ষনিক প্রয়োজনীয় সংখ্যক এ্যাম্বুলেন্স রাখার জোর দাবি জানানো হয়।


আরও খবর



পর্যটন ও সামাজিক অনুষ্ঠানে ভাড়া দেওয়া হবে শতবর্ষী জাহাজ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ৩০ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ৩০ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

Image

বাংলাদেশে ব্রিটিশ আমলের তৈরি শত বছরেরও বেশি পুরোনো যাত্রীবাহী জাহাজগুলো পর্যটনে ব্যবহার ও সামাজিক অনুষ্ঠানের জন্য ভাড়া দেওয়ার চিন্তা-ভাবনা করছে সরকার।

বৃহস্পতিবার (৩০ মে) সচিবালয়ে বাংলাদেশ সফররত ইন্টারন্যাশনাল মেরিটাইম অর্গানাইজেশনের (আইএমও) মহাসচিব আর্সেনিও এন্টোনিও ডোমিনগেজ ভেলাসকোর সঙ্গে বৈঠকের পর নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

ব্রিটিশ আমলের তৈরি জাহাজের মধ্যে রয়েছে- পিএস মাহসুদ, পিএস লেপচা, পিএস অস্ট্রিচ ও পিএস টার্ন। এসব নৌযান দীর্ঘদিন ব্যবহার না করায় যন্ত্রপাতি নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। সদরঘাটের বাদামতলী ঘাটে স্টিমারগুলো অলস পড়ে আছে। বয়স বিবেচনায় জাহাজগুলোর দেশীয় ঐতিহ্য হিসেবেও বিবেচনা করা হয়।

নৌপ্রতিমন্ত্রী বলেন, আমাদের পুরোনো প্যাডেলচালিত যে জাহাজগুলো আছে, আমরা চিন্তা করছি সেগুলো পর্যটন ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যায় কি না। কারণ এগুলো শত বছরের পুরোনো। মানুষ এখন স্পিডি হয়ে গেছে, এত স্লো জলযানে উঠতে চায় না।

তিনি বলেন, আমরা চিন্তা করছি, এগুলো পর্যটন ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যায় কিংবা ক্রুজ সার্ভিস করা যায়। আমাদের সামাজিক প্রোগ্রামগুলো রয়েছে, কর্পোরেট হাউজের প্রোগ্রামগুলো রয়েছে। সেগুলো অনবোর্ডে করা যেতে পারে। সেটার ব্যাপারে আমরা চিন্তা-ভাবনা করছি।

আগামী ঈদুল আজহার সময় বিআইডব্লিউটিসির জাহাজগুলো যাত্রী পরিবহনে নিয়োজিত হবে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা আরও দুটি নতুন জাহাজ (এমভি বঙ্গমাতা ও এমভি বঙ্গতরী) পেতে যাচ্ছি। এই জাহাজ দুটিকে আমরা ভোলা রুটে চালানোর চিন্তা-ভাবনা করছি।


আরও খবর



ঈদুল আজহায় চলবে ২০টি বিশেষ ট্রেন

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৪ মে 20২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৪ মে 20২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

আসন্ন ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে এবারও ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি করবে বাংলাদেশ রেলওয়ে। ঘরমুখো যাত্রীদের ভ্রমণের সুবিধার্থে আগামী ২ জুন থেকে ঈদ যাত্রায় ১০ দিন আগের আন্তঃনগর ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। শতভাগ টিকিট বিক্রি হবে অনলাইনে। তবে আগামী রবিবার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হতে পারে।

গতকাল বৃহস্পতিবার রেলপথ মন্ত্রণালয়ে ঈদুল আজহা-২০২৪ উপলক্ষে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে ঈদ যাত্রার ব্যবস্থাপনা সুষ্ঠু করতে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই সভাতেই অগ্রিম টিকিট বিক্রির দিন নির্ধারণ নিয়ে আলোচনা হয়। গত ঈদুল ফিতরের আগে একই রকম বৈঠক হয়েছিল। কিন্তু গণমাধ্যমে টিকিট বিক্রির আগাম তারিখ রেলওয়ের সংবাদ সম্মেলনের আগেই প্রকাশ হওয়ায় দিনক্ষণ পরিবর্তন করা হয়।

রেলের কর্ম পরিকল্পনা অনুযায়ী, পশ্চিমাঞ্চলে চলাচলরত আন্তঃনগর ট্রেনের টিকিট সকাল ৮টায় এবং পূর্বাঞ্চলে চলাচলা করা সব আন্তঃনগর ট্রেনের টিকিট দুপুর ২টা থেকে বিক্রি করা হবে। আগামী ২ জুন বিক্রি হতে পারে ১২ জুনের অগ্রিম টিকিট। একই ভাবে ৩ জুন দেওয়া হবে ১৩ জুনের, ৪ জুন দেওয়া হতে পারে ১৪ জুনের, ৫ জুন দেওয়া হতে পারে ১৫ জুনের এবং ৬ জুন দেওয়া হতে পারে ১৬ জুনের অগ্রিম টিকিট। বাড়তি যাত্রীর চাপ সামাল দিতে পূর্বাঞ্চল ও পশ্চিমাঞ্চল মিলে মোট ২০টি বিশেষ ট্রেন চালানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। ছুটির কথা বিবেচনা করে আগাম টিকিট বিক্রির দিনক্ষণ চূড়ান্ত করবে রেলপথ মন্ত্রণালয়।

রেলওয়ের মহাপরিচালক সরদার শাহাদাত আলী আমাদের সময়কে বলেন, বৈঠকে যাত্রী নিরাপত্তা ও ঈদ যাত্রায় রেলের প্রস্তুতি নিয়ে কথা হয়েছে।

জানা গেছে, ঈদে ঘরমুখো যাত্রীদের সুবিধার্থে আন্তঃনগর ট্রেনের সব আসন বিক্রয় শেষে মোট আসনের ২৫ শতাংশ দাঁড়িয়ে যাওয়ার (স্ট্যান্ডিং) টিকিট বিক্রি করা হবে। যাত্রার দিন ট্রেন ছাড়ার দুই ঘণ্টা আগে স্টেশনের কাউন্টার থেকে এসব টিকিট পাওয়া যাবে।

ঈদের আগের পাঁচ দিনে ১০ লাখ মানুষ ট্রেনে ভ্রমণ করবে। ট্রেনে ঈদ যাত্রা এবং ঈদের অগ্রিম টিকিটসহ সার্বিক প্রস্তুতির বিষয়ে আগামী সোমবার সংবাদ সম্মেলন করা হতে পারে।

ফেরিতে ৭ দিন বন্ধ থাকবে পণ্য পরিবহন: ঈদুল আজহা উপলক্ষে নৌরুটের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আগামী ১৩ থেকে ২৩ জুন মোট ১১ দিন সব নৌরুটে বাল্কহেড চলাচল বন্ধ থাকবে। আগের মতোই কাজীরহাট, পাটুরিয়াঘাটে ফেরির সংখ্যা বাড়ানো হবে। কিছু রুটে বাড়ানো হবে লঞ্চের সংখ্যাও। ঈদের আগে ৩ দিন ও পরের ৩ দিনসহ মোট ৭ দিন পশুবাহী ও পচনশীল পণ্যবাহী ট্রাক ব্যতীত সাধারণ ট্রাক ও কাভার্ড ভ্যান ফেরিতে পারাপার বন্ধ থাকবে।

গতকাল বৃহস্পতিবার নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত পবিত্র ঈদুল আজহা-২০২৪ উপলক্ষে নৌপথে ফেরি, স্টিমার, লঞ্চসহ জলযান সুষ্ঠুভাবে চলাচল এবং যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কর্মপন্থা গ্রহণ সংক্রান্ত বৈঠকে এসব সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী সভায় সভাপতিত্ব করেন। তিনি বলেন, গতবার (ঈদুল ফিতর) ঈদযাত্রা নিরাপদ হয়েছে। এবারও যাতে ঈদ আনন্দময় ও নিরাপদ হয়, সে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। যাত্রীসহ নৌপথে কোরবানির পশু পরিবহন নিরাপদ করার জন্য সবাই একযোগে কাজ করছে। আবহাওয়া অফিস থেকে জানিয়েছে, এবারের ঈদ মৌসুমে আবহাওয়া ঝুঁকিপূর্ণ থাকবে। যারা যাত্রী পারাপার ও পণ্য পারাপার করবেন, তারা আবহাওয়া বার্তাগুলো সঠিকভাবে পালন করবেন।


আরও খবর



ইবিতে র‍্যাগিংয়ের দায়ে তিন শিক্ষার্থী বহিষ্কার

প্রকাশিত:রবিবার ০২ জুন 2০২4 | হালনাগাদ:রবিবার ০২ জুন 2০২4 | অনলাইন সংস্করণ
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

Image

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) লালন শাহ্ হলের ১৩৬ নম্বর গণরুমে রাতভর বিবস্ত্র করে র‍্যাগিংয়ের সত্যতা প্রমাণিত হয়েছে। র‌্যাগিংয়ের দায়ে তিনজনকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাময়িক বহিষ্কার এবং দুজনকে সতর্ক করা হয়েছে।

রোববার (২ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার এইচএম আলী হাসান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, লালন শাহ হলের ১৩৬ নম্বর কক্ষে আল-ফিকহ অ্যান্ড লিগাল স্টাডিজ বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীকে র‍্যাগিং করায় তিনজনকে এক বছরের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে।

বহিষ্কৃতরা হলেন- ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের শিক্ষার্থী মো. সাগর প্রামানিক, একই বিভাগের মো. উজ্জ্বল এবং শারিরীক শিক্ষা ও ক্রীড়া বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী মুদাসসির খান কাফি।

এছাড়াও ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা থাকায় অর্থনীতি বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী নাসিম আহমেদ মাসুম ও আইসিটি বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মিসনো আল আসনাওয়ীকে সতর্কীকরণ করা হয়েছে। তবে ভবিষ্যতে এমন কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকলে তাদের স্থায়ী বহিষ্কার করা হবে বলেও হুশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ৭ জানুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ের লালন শাহ্ হলের ১৩৬ নম্বর গণরুমে প্রথম বর্ষের এক শিক্ষার্থীকে রাতভর বিবস্ত্র করে র‍্যাগিংয়ের ঘটনা ঘটে। এতে সিনিয়র তিন শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠে এবং আরো দুইজনের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে বলে জানা যায়। পরবর্তীতে তদন্ত কমিটি গঠন করা হলে অভিযোগের সত্যতা পায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এরই প্রেক্ষিতে ছাত্র শৃঙ্খলা কমিটির ১৩তম সভায় এ বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।


আরও খবর