আজঃ বৃহস্পতিবার ১৯ মে ২০২২
শিরোনাম

বেঁচে গেলেন প্রোটিয়া কোচ বাউচার

প্রকাশিত:বুধবার ১১ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ১১ মে ২০২২ | ৩১৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

সতীর্থের আনা অভিযোগের পর দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক অধিনায়ক ও বর্তমান হেড কোচ মার্ক বাউচারের বিরুদ্ধে গত ফেব্রুয়ারিতে বর্ণবৈষম্যের তদন্ত শুরু হয়। প্রায় তিন মাস পর সেই অভিযোগ থেকে মুক্তি মিললো তার। বর্ণবৈষম্যের অভিযোগ তোলা দুজন প্রত্যক্ষদর্শী শুনানিতে সাক্ষ্য দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় বাউচারের রেহাই মিলেছে। ক্রিকেট দক্ষিণ আফ্রিকা তার বিরুদ্ধে তোলা ডিসিপ্লিনারি চার্জ তুলে নিয়েছে।

গত বছর বাউচারের বিরুদ্ধে বর্ণবৈষম্যের অভিযোগ আনেন দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক ক্রিকেটার পল অ্যাডামস। ১৯৯৫ থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত প্রোটিয়াদের দলে খেলেন তিনি। দলের উইকেটরক্ষক ছিলেন বাউচার। সেই সময় বাউচার তাকে বর্ণবিদ্বেষী মন্তব্য করেছিলেন বলে অভিযোগ তোলেন অ্যাডামস। তার কথায় সমর্থন দেন সহকারী কোচ এনোচ এনকই। বাউচার দোষ স্বীকার করে নিয়ে ক্ষমা চাইলেও তার বিরুদ্ধে তদন্ত কমিশন গঠন করে দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেট। বাউচারের আইনজীবীদের দল সেখানে আবেদন করে শুনানি পিছিয়ে দেওয়ার জন্য।

প্রথমে দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেট জানিয়েছিল ৭ থেকে ১১ মার্চের মধ্যে শুনানি হবে। কিন্তু আইনজীবীরা আবেদনে জানান, ১৭ ফেব্রুয়ারি থেকে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে সিরিজ রয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার। পরে ১৮ মার্চ থেকে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে সিরিজ শুরু হবে। এই সময়ের মধ্যে শুনানি না করার আবেদন করেন তারা।

সেই আবেদন মেনে নেন তদন্তকারী দলের প্রধান টেরি মোটাউ। তিনি একটি বিবৃতিতে জানান, বাউচারের আইনজীবীরা যে আবেদন করেছেন তা মেনে নেওয়া হয়েছে। দলের ক্ষতি হোক এমন কোনও পদক্ষেপ করা হবে না। মে মাসে এই মামলার শুনানি হতে পারে।

সেই অনুযায়ী চলতি মে মাসে শুনানির কথা ছিল। কিন্তু শুনানির আগেই নিজেদের অভিযোগ তুলে নিয়েছেন দুই প্রত্যক্ষদর্শী। ফলে নির্দোষ প্রমাণিত হয়েছেন বাউচার। হাঁফ ছেড়ে বাঁচা প্রোটিয়া হেড কোচ বলেন, গত কয়েক মাস আমার ও পরিবারের জন্য সত্যিই খুব কঠিন সময় ছিল। শেষ পর্যন্ত এটা শেষ হয়েছে ভেবে ভালো লাগছে। আমার বিরুদ্ধে তোলা অভিযোগ যে ধোপে টেকার নয়, মেনে নিয়েছে ক্রিকেট দক্ষিণ আফ্রিকা আমি এখন আমার কাজে পূর্ণ মনোযোগ দিতে পারব।

নিউজ ট্যাগ: মার্ক বাউচার

আরও খবর



মানবিক কাজে উদাহরণ সৃষ্টি করলেন আনসার সরোয়ার

প্রকাশিত:সোমবার ২৫ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ২৫ এপ্রিল ২০২২ | ৫৮৫জন দেখেছেন

Image

তাছনিম আদনান

ছোট বেলায় যখন কোন মানসিক ভারসাম্যহীন মানুষকে ক্ষুধার জ্বালায় বা খাবারের জন্য কাঁদতে দেখতাম তখন তাদের জন্য কিছু করার নিজের ভেতর থেকে তাগিদ অনুভব করতাম। আজ সৃষ্টিকর্তা আমাকে যতটুকু তৌফিক দিয়েছেন তা দিয়েই সাধ্যমত চেষ্টা করে যাচ্ছি। এই প্রতিবেদকের সাথে এভাবেই কথাগুলো জানালেন নগর গণপূর্ত বিভাগ এ কর্মরত আনসার সদস্য সরোয়ার উদ্দিন।

সরোয়ার উদ্দিন জানান, অনেক আগ থেকেই স্বল্প পরিসরে ভারসাম্যহীন, সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কাজ করেতেন। ২০২১ সালে আনসার সদস্য পদে যোগদান করেন। এরপর আসে বৃহৎ পরিসরে কাজ করার সুযোগ। মাসের বেতনের একটি অংশ চলে যায় গ্রামের বাড়িতে থাকা স্বজনরে কাছে। আর একটি অংশ দিয়ে এই মানবিক কর্মকাণ্ড। সপ্তাহে ২ বার নিজ হাতে রান্না করে নিয়ে আসে সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের মাঝে।

সরোয়ার উদ্দিন আনসার বাহিনীর চাকরির পাশাপাশি আদর্শ ছাত্র ও যুব সমাজ নামের একটি বৃহৎতম সামাজিক সংগঠন ও বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন গ্রুপের সঙ্গে যুক্ত থেকে মানুষের সেবায় নিয়োজিত রয়েছেন। শুধুমাত্র খাদ্য বিতরণের মঝেই নিজের কার্যক্রম সীমাবদ্ধ করে রাখে নি সরোয়ার। রক্তের অভাবে মৃতপ্রায় মানুষটির পাশে দাড়িয়ে দান করে যাচ্ছেন রক্ত। পাশাপাশি অন্যকে উৎসাহিত করে যাচ্ছেন রক্ত দানে। 

সরোয়ার উদ্দিন বলেন, আমি চাই আমার মত অনেক আনসার সদস্য যেন এমন মানবসেবায় কাজ করেন। অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আলাদা একটা অনুভূতি রয়েছে। যা বলে বুঝানো যায় না। মানুষের পাশে দাঁড়াতে বেশি টাকার প্রয়োজন হয় না। শুধু ইচ্ছে থাকলেই হয়। আমি চাই আমাদের বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর শ্রদ্ধেয় অফিসারগণ ও সমাজের বৃত্তবান মানুষগুলো আমাকে এই কাজগুলোতে সার্বিক সহযোগিতা করবেন।

যারা সরোয়ার উদ্দিন এই মানবিক কাজের সাথে যুক্ত হতে চান তারা ০১৮৮১৪০২০২৮ নম্বরে যোগাযোগ করতে পারেন।


আরও খবর



দৌলতদিয়ায় ঢাকামুখী যান ও যাত্রীর চাপ বেড়েছে

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৬ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৬ মে ২০২২ | ৩৬৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদযাপন শেষে রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ঘাট ব্যবহার করে রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্নস্থানে ফিরছেন কর্মস্থলমুখী মানুষ। ফলে দৌলতদিয়া ঘাটে ঢাকামুখী মানুষের চাপ বেড়েছে। শুক্রবার (৬ মে) সকাল থেকে ফেরিঘাটে যাত্রীবাহী বাসের চাপ তেমন না থাকলেও ছোট গাড়ি ও মোটরসাইকেলের চাপ ছিল চোখে পড়ার মতো। এসময় মোটরসাইকেলে শিশু, নারীসহ দুই থেকে তিন জনকে যেতে দেখা যায়।

এছাড়া লঞ্চেও পদ্মা পাড়ি দিচ্ছেন কর্মস্থলমুখীরা। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে যাত্রী ও যানবাহনের চাপ বাড়ছে। বর্তমানে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে ছোট-বড় ১৯টি ফেরি ও ২১টি লঞ্চ দিয়ে যাত্রী ও যানবাহন পারাপার করছে কর্তৃপক্ষ।

এদিকে, ঘাট এলাকায় ফেরির জন্য অপেক্ষা করতে দেখা যায় পায়ে হাঁটা যাত্রী, ছোট গাড়ি, মোটরসাইকেল ও অল্প কিছু যাত্রীবাহী বাসকে। ঘাটে ৩০ মিনিট থেকে প্রায় দেড় ঘণ্টা যাত্রীদের অপেক্ষায় থাকতে হচ্ছে। দৌলতদিয়া প্রান্ত থেকে ছেড়ে যাওয়া প্রতিটি ফেরিতেই বাসের সঙ্গে ছোট গাড়ি ও মোটরসাইকেল পার হচ্ছে।

মোটরসাইকেল চালক আলমগীর হোসেন, নান্নু মিয়াসহ কয়েকজন বলেন, মোটরসাইকেলে যাওয়া ঝুঁকি হলেও তারা সুবিধা মনে করেন। কারণ সিরিয়ালে অপেক্ষায় থাকতে হয় না। সময় কম লাগে।

প্রাইভেটকারচালক নুরুউদ্দিন বিশ্বাস বলেন, ঘাটে বেশি সময় অপেক্ষায় থাকতে হচ্ছে না। ফেরি আসলেই উঠতে পারছেন। আর ঘাটে ফেরি না থাকলে একটু সময় বেশি লাগছে। ঘাটে বাসের চেয়ে ছোট গাড়ির চাপ বেশি।

বিআইডব্লিউটিসি দৌলতদিয়া ঘাট ব্যবস্থাপক শিহাব উদ্দিন বলেন, বর্তমানে এ রুটে ছোট-বড় ১৯টি ফেরি চলাচল করছে। ঢাকামুখী যাত্রী ও যানবাহনের চাপ বেড়েছে।


আরও খবর



হারিয়ে গেছে ৫ টাকার পরোটা

প্রকাশিত:সোমবার ০৯ মে ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ০৯ মে ২০২২ | ৩৪৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

আকার, আকৃতি, পরিমাণ সবই আগের মতো, তবে এখন দাম হয়েছে দ্বিগুণ। প্রতি পিস পরোটা এখন বিক্রি হচ্ছে ১০ টাকায়। অথচ কিছুদিন আগেও প্রায় সব হোটেল-রেস্টুরেন্টে পরোটা বিক্রি হতো ৫ টাকায়। বলতে গেলে ৫ টাকায় আর পরোটা পাওয়া যায় না। হোটেলে আসা কাস্টমাররা বলছেন, হঠাৎ করেই ঢাকা শহরে হোটেলেগুলোতে পরোটা ৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১০ টাকা করা হয়েছে। রাজধানীর কোথাও আর ৫ টাকার পরোটা পাওয়া যায় না। কিছুদিনের ব্যবধানে পরোটার দাম দ্বিগুণ হয়ে গেল।

রাজধানীর ফার্মগেট, মিরপুর, মোহাম্মদপুর, শাহবাগ, আজিমপুর, পুরান ঢাকা, মতিঝিল, খিলগাঁও, মালিবাগ, রামপুরা, বাড্ডা, মগবাজার, শান্তিনগরসহ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে রেস্টুরেন্টগুলোতে ৫ টাকা পিস পরোটা বিক্রি হতে দেখা যায়নি। পরোটা ঠিকই আগের মতো আছে, তবে দাম হয়েছে ১০ টাকা।

সেইসঙ্গে শিঙাড়া, সমুচাসহ অন্যান্য জিনিসের আকৃতি ছোট করে আগের দামে বিক্রি করা হচ্ছে। এর কারণ হিসেবে হোটেল-রেস্টুরেন্ট মালিকরা বলছেন, ময়দা, তেল, গ্যাসসহ সব ধরনের উপকরণ বা কাঁচামালের দাম বৃদ্ধির জন্য বাধ্য হয়ে পরোটার দাম বাড়ানো হয়েছে।

বেসরকারি চাকরিজীবী মাহাতাব আলী পরোটার দাম বৃদ্ধির বিষয়ে বলেন, কিছুদিন আগেও পরোটার প্রতি পিস ৫ টাকায় খেতাম, কিন্তু এখন এর দাম একবারে দ্বিগুণ। এমন কোনো স্থানীয় দোকান নেই যেখানে পরোটা ১০ টাকা পিস করা হয়নি। সব সাধারণ হোটেল রেস্টুরেন্টেই এর দাম ১০ টাকা।  আগে হোটেলে এসে নাস্তা করার সময় সাধারণত তিনটি পরোটা খেতাম, দাম দ্বিগুণ হওয়ার পর থেকে দুইটা করে পরোটা দিয়ে নাস্তা করি। আমাদের জীবন চলার পথে এমন কোনো পণ্য নেই যার দাম বাড়েনি। সব ক্ষেত্রেই আমরা সাধারণ জনগণ কোণঠাসা।

কেন ৫ টাকার পরোটা হঠাৎ করেই ১০ টাকা হলো-  এমন প্রশ্নের জবাবে মোহাম্মদপুর এলাকার মা হোটেলের মালিক নাজিম উদ্দিন বলেন, হোটেল পরিচালনায় প্রয়োজনীয় সব কাঁচামালের দাম বেড়েছে। আগে ময়দা কিনতাম ৪৪ টাকা কেজি এখন সেটা প্রায় ৬০ কেজি। আর পাইকারি দরে আগে যে ময়দার বস্তা ১ হাজার ৮০০ টাকা ছিল সেটা কিছুদিন আগে বেড়ে ২ হাজার ২০০ টাকা হয়েছিল। আর এখন একই ৫০ কেজির ময়দার বস্তা ২ হাজার ৮০০ টাকা করে কিনতে হচ্ছে। তেল ২২০ টাকা কেজি কিনতে হয়। গ্যাসের ১২ কেজি সিলিন্ডার এখনও ১ হাজার ৫০০ টাকা করে কিনছি। তাহলে তো এক পিস পরোটার দাম আরও বাড়ানো উচিত। নইলে আমাদের লস। হোটেলই চালতে পারব না। দাম বাড়ার কারণে কাস্টমারও অনেক কমে গেছে, আগের তুলনায় বিক্রিও কম হচ্ছে।

মহাখালীর ওয়্যারলেস এলাকায় হোটেলে সকালের নাস্তা খাওয়ার পর কথা হয় স্থানীয় এক বাসিন্দা মিজানুর রহমানের সঙ্গে তিনি বলেন, পরোটার যে দাম দ্বিগুণ হয়েছে শুধু তাই নয়, আগে শিঙাড়া-সমুচার যে সাইজ ছিল, সেই তুলনায় এখন আকার অনেক ছোট হয়ে গেছে। পরোটার দামও দ্বিগুণ হয়েছে। হোটেল মালিকদের এ বিষয়ে অভিযোগ জানালে তারা বলেন, কী করব ভাই বলেন, সব জিনিসের কেনা দাম বেশি, তাই বাধ্য হয়ে পরোটা ১০ টাকা পিস বিক্রি করতে হচ্ছে।

রাজধানীর খিলক্ষেত এলাকার দেলোয়ার হোসেন নামে এক হোটেল মালিক বলেন, বাজার চড়া হওয়ার কারণে আমাদের খাবার আইটেমের দাম বাড়াতে হয়েছে। সে অনুযায়ীই ৫ টাকার পরোটা ১০ টাকা করেছে সব হোটেলই। আসলে দাম বাড়ানোর জন্য আমাদের ব্যবসা খুব ভালো হচ্ছে- তা নয়, বরং ব্যবসা আগের চেয়ে খারাপ। পরোটা থেকে শুরু করে সব কিছুই আগের চেয়ে কম বিক্রি হয়। আগে যদি পরোটা ১০০ পিস বিক্রি করতাম এখন দাম বাড়ানোর পর তা ৬৫ থেকে ৭০ পিস বিক্রি হয়। আমরাও সমস্যার মধ্য আছি।

হোটেল মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ইমরান হোসেন বলেন, শুধু পরোটা নয়, সবকিছুরই দাম বেড়েছে। কেননা কাঁচামালের দাম বেড়েছে। এতে করে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েছেন দোকান মালিকরা। দাম বাড়লে বিক্রি কমে যায়। আগে যে কাস্টমাররা হোটেলে এসে অনেক কিছু খেতেন, এখন তারা খাওয়ার পরিমাণ কমিয়ে দিয়েছেন। ফলে আমাদের বিক্রিও কমেছে।  দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির বিষয়ে বাংলাদেশ সাধারণ নাগরিক সমাজের আহ্বায়ক মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে সাধারণ মানুষ খুব কষ্টে আছে। সব কিছুর দামই বাড়তি। এমনকি হোটেলে খেতে যেয়েও একজন মানুষকে ৫ টাকার পরোটা ১০ টাকায় কিনে খেতে হচ্ছে। তেল, ময়দা এসবের দাম বৃদ্ধির কারণে ভার এসে পড়েছে সাধারণ মানুষের কাঁধে। এর একটা প্রমাণ হলো রাজধানীতে ৫ টাকার পরোটা এখন হারিয়ে গেছে, দাম বাড়িয়ে সেটি এখন বিক্রি হচ্ছে প্রতি পিস ১০ টাকায়।

নিউজ ট্যাগ: পরোটা

আরও খবর



দেশের সব মাদ্রাসায় নামফলক ঝোলানোর নির্দেশ

প্রকাশিত:বুধবার ১৮ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ১৮ মে ২০২২ | ২৩০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

দেশের সব মাদ্রাসায় নামফলক ঝোলানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।মঙ্গলবার মাদ্রাসা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কে এম রুহুল আমীন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।

দেশের অনেক মাদ্রাসা ভবনে নাম-ঠিকানা সম্বলিত কোনো নামফলক না থাকায় এসব প্রতিষ্ঠানের অবস্থান জানতে বা পরিদর্শনে সমস্যা হয়। যে কারণে এমন নির্দেশনা এলো।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দিক-নির্দেশক বা সাইনবোর্ড দৃশ্যমান স্থানে থাকলেও অধিকাংশ মাদ্রাসায় তা দেখা যায় না। নামফলক না থাকা এসব মাদ্রাসায়পরিদর্শন অথবা দাপ্তরিক প্রয়োজনে সঠিক অবস্থান নির্ণয় করা কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে। এছাড়াও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নাম-ঠিকানা সম্বলিত সাইনবোর্ড স্থাপনের বিষয়ে সরকারি নির্দেশনাও রয়েছে।

একারণে দেশের সব কামিল/ফাজিল/আলিম/দাখিল/এবতেদায়ী মাদরাসার মূলভবন ও প্রবেশপথে নাম-ঠিকানা সম্বলিত সাইনবোর্ড ঝোলাতে বলা হয়েছে। একইসঙ্গে বড় রাস্তার পাশে কিংবা দৃশ্যমান স্থানে দিক-নির্দেশক চিহ্নসহ মাদরাসার নাম-ঠিকানা সম্বলিত সাইনবোর্ড স্থাপনের জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।


আরও খবর



খুলনায় দুই লাখ ৩৬ হাজার লিটার তেল জব্দ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১২ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১২ মে ২০২২ | ৩২৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

খুলনার তিনটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়ে দুই লাখ ৩৬ হাজার ৬৪০ লিটার ভোজ্যতেল মজুত রাখার অভিযোগে জরিমানা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১২ মে) খুলনার বড় বাজারে র‍্যাব ও জেলা প্রশাসন অভিযান চালিয়ে তাদের জরিমানা করে। অভিযানের নেতৃত্ব দেন খুলনা জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দেবাশীষ বসাক।

তিনি জানান, জব্দকৃত তেলের মধ্যে সয়াবিন ৭৩ হাজার ৩২ লিটার এবং এক লাখ ৬৩ হাজার ৬০৮ লিটার পাম তেল। তিন ব্যবসায়ীকে মোট এক লাখ ৬০ হাজার টাকা জ‌রিমানা করা হয়েছে। সকাল সোয়া ১০টা থে‌কে অ‌ভিযান চলে দুপুর সোয়া ১২টা পর্যন্ত চলে।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, গোপন খবরের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার বড় বাজারের তিনটি প্রতিষ্ঠানের ৬টি গোডাউনে অভিযান চালানো হয়। এ সময় সোনালী এন্টারপ্রাইজের ৩টি গোডাউনে ১৪৪ ব্যারেল সয়াবিন ও ১৭১ ব্যারেল সুপার পামওয়েল, সাহা ট্রেডার্সে ১৬৭ ব্যারেল সয়াবিন ও ৩৩৯ ব্যারেল সুপার পামওয়েল এবং রণজিৎ অ্যান্ড সন্স নামক প্রতিষ্ঠানে ৩০৪ ব্যারেল তেল পাওয়া যায়। এ অভিযোগে সোনালী এন্টারপ্রাইজের মালিক প্রদীপ সাহাকে ৩০ হাজার টাকা, সাহা ট্রেডার্সের মালিক দিলীপ কুমার সাহাকে ৯০ হাজার টাকা এবং রণজিৎ অ্যান্ড সন্স নামক প্রতিষ্ঠানকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।


আরও খবর