আজঃ বৃহস্পতিবার ১৯ মে ২০২২
শিরোনাম

বেড়েছে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা, রোগীতে ঠাসা পঙ্গু হাসপাতাল

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১০ মে ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১০ মে ২০২২ | ৪৭৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

সড়ক দুর্ঘটনার কবলে পড়ে গত ৬ দিনে রাজধানীর জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠানে (পঙ্গু হাসপাতাল) এক হাজার ২৫০ জনেরও বেশি রোগী ভর্তি হয়েছেন। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই সময়ে হাসপাতালে আসাদের মধ্যে ৩০ শতাংশই মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার শিকার। তাদের অনেকেরই হাত-পা কেটে ফেলতে হয়েছে।

সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, এক হাজার শয্যার হাসপাতালে কোনো শয্যা খালি নেই। পুরো হাসপাতালই রোগীতে ঠাসা। শয্যা না পেয়ে বাধ্য হয়ে হাসপাতালের মেঝেতে থেকে চিকিৎসা সেবা নিতে হচ্ছে রোগীদের। জানা গেছে, মোটরসাইকেল ছাড়াও সিএনজিচালিত অটোরিকশায় দুর্ঘটনা বেশি ঘটেছে। সে তুলনায় বাস ও ট্রাকের দুর্ঘটনা কম। আহতদের অধিকাংশেরই আঘাত গুরুতর।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, গত ২ মে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়ে ১৯৭ জন পঙ্গু হাসপাতালে আসেন। তাদের মধ্যে সংকটাপন্ন অবস্থায় ৬৫ জনের অস্ত্রোপচার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বাকি ১৩২ জনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বাসায় পাঠানো হয়। এরপর ৩ মে (ঈদের দিন) ১৭৯ জন হাসপাতালে আসেন, তাদের মধ্যে ৮২ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়। ৪ মে দুর্ঘটনায় আহত হয়ে ২৫২ জন হাসপাতালে আসেন। তাদের মধ্যে গুরুতর আহত ৮৫ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ছেড়ে দেওয়া হয় ১৬৭ জনকে।

এরপর গত ৫ মে ২৩৬ জন হাসপাতালে আসেন, তাদের মধ্যে ১০৮ জনকে অস্ত্রোপচার শেষে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বাকি ১২৮ জনকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ছেড়ে দেওয়া হয়। ৬ মে সড়ক দুর্ঘটনার শিকার আরও ১৮৩ জন হাসপাতালে আসেন। তাদের মধ্যে ৬৪ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। গতকাল শনিবার (৭ মে) নতুন করে আরও ২০৩ জন হাসপাতালে আসেন। তাদের মধ্যে ৮৯ জনকে অস্ত্রোপচার শেষে ভর্তি করা হয়। বাকি ১১৪ জনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বাসায় পাঠানো হয়।

দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে দুর্ঘটনার শিকার মানুষেরা চিকিৎসা নিতে পঙ্গু হাসপাতালে আসেন। কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া এলাকা থেকে আসা হৃদয় হাসান (২৬) নামে একজন জানান, ঈদের পরদিন ১৮ জন বন্ধু মিলে মোটরসাইকেলে করে সিলেটের উদ্দেশ্যে ঘুরতে বের হন। সবার সামনে থাকা মোটরসাইকেলের যাত্রী ছিলেন তিনি। দুর্ঘটনায় পড়ে তার একটি পা কেটে ফেলতে হয়েছে। বন্ধুর অবস্থাও আশঙ্কাজনক।

হাসপাতালে ভর্তি মো. ইব্রাহিম নামের (৩০) আরেক রোগী জানান, মোটরসাইকেলে তিনি কটিয়াদি থেকে পুলেরঘাট বাজারে আসছিলেন, তখন বিপরীত দিক থেকে একটি বাস ও আরেকটি অটোরিকশা একসঙ্গে আসছিল। সামনে দুই গাড়ি দেখে বাধ্য হয়েই তিনি পাকা সড়ক থেকে মাটির অংশে নেমে আসেন। কিন্তু নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে অটোরিকশাটি সেখানেই এসে তার মোটরসাইকেলকে ধাক্কা দেয়।

ইব্রাহিম বলেন, গতকাল (৭ মে) হাসপাতালে ভর্তি হয়েছি। এখন পর্যন্ত কোনো সিট না পেয়ে মেঝেতে শুয়েই চিকিৎসা নিতে হচ্ছে। চিকিৎসক জানিয়েছেন অন্তত আরও ২০ দিনের মতো থেকে চিকিৎসা নিতে হবে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক হাসপাতালের জরুরি বিভাগে কর্মরত এক নার্স জানান, ঈদ-পরবর্তী সময়ে রোগীর চাপ সামলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে তাদের। হাসপাতালে আসা একের পর এক রোগীকে সেবা দিতে গিয়ে খাওয়া ও বিশ্রামেরও সুযোগ থাকে না তাদের। মাত্র ছয় জন নার্স কাজ করছি। এটা রীতিমতো আমাদের ওপর অত্যাচারের মতো।

হাসপাতালের জরুরি বিভাগের ইনচার্জ ও সিনিয়র স্টাফ নার্স রহিমা আক্তার বলেন, স্বাভাবিক সময়ে হাসপাতালটিতে দৈনিক দেড়শ জনের মতো রোগী আসলেও ঈদের সময় রোগীর সংখ্যা পৌঁছে যায় ২০০ থেকে ২৫০ জনে। ঈদে বেশিরভাগ স্বাস্থ্যকর্মীর ছুটির কারণে বাকিদেরকেই এই চাপ সামলাতে হয়। রোগী যতই আসুক, কষ্ট সত্ত্বেও আমাদেরকে তো ম্যানেজ করতেই হবে। কারণ দুর্ঘটনায় হাত-পা ভাঙা এসব রোগীদের তো আর আমরা ফেরত দিতে পারব না। আমাদের স্বাস্থ্যকর্মীরা তাদের নির্ধারিত সময়ের বাইরেও সেবা দিচ্ছেন। নিয়মিত সিনিয়র চিকিৎসকরাও খোঁজ-খবর নিচ্ছেন। এর বাইরে বিশেষ সমস্যা হলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে জানাই। তখন অতিরিক্ত চিকিৎসক এসে কাজ করেন।

জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠানের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম জানান, ঈদ ও ঈদ পরবর্তী সময়ে আমাদের হাসপাতালে রেকর্ড সংখ্যক রোগী এসেছে। তাদের মধ্যে প্রায় অর্ধেক রোগীকেই ছোট-বড় অস্ত্রোপচার করতে হয়েছে। এখন পর্যন্ত হাসপাতালে আসা রোগীদের মোটরসাইকেল দুর্ঘটনাই বেশি। জরুরি ওয়ার্ডে জায়গা না হওয়ায় অনেককে চিকিৎসা দিতে হচ্ছে বারান্দায়।

জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠানের পরিচালক অধ্যাপক ডা. আবদুল গণি মোল্লা বলেন, প্রতি ঈদেই আমাদেরকে একটা ভয়ংকর অবস্থার মুখোমুখি হতে হয়। অন্যান্য বারের তুলনায় এবার দুর্ঘটনায় আহত হয়ে আসা রোগীর সংখ্যা বেশি। ঈদ একটি খুশির সময়। এই সময়ে মানুষ এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যাবে এটাই স্বাভাবিক। তাছাড়া আমাদের পরিবহনগুলো যে একেবারে খারাপ, তা তো নয়। কিন্তু এবার ঈদে যে পরিমাণ মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা ঘটেছে তা আমার মনে হয় গত কয়েক বছরে হয়নি।

হাসপাতালের পরিচালক আরও বলেন, কিছু চিকিৎসক ঈদের ছুটিতে গেলেও অন্য ধর্মের চিকিৎসকরা এই সময়ে নিরলসভাবে চিকিৎসা সেবা দিয়েছেন। এছাড়া বেশ কয়েকজন সিনিয়র চিকিৎসক সার্বক্ষণিক হাসপাতালে সময় দিয়েছেন। আমি নিজে ঈদের দিনেও সারাদিন হাসপাতালে ছিলাম। যে কারণে চিকিৎসাসেবায় খুব বেশি সমস্যা হয়নি।

নিউজ ট্যাগ: পঙ্গু হাসপাতাল

আরও খবর



৩ ঘরোয়া টোটকা: গরমেও ঠোঁট থাকবে কোমল

প্রকাশিত:সোমবার ২৫ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ২৫ এপ্রিল ২০২২ | ৩৭০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

শীত বিদায় নিয়েছে বেশ কিছু দিন। বঙ্গে এখন গ্রীষ্মের দাপট। তবু শীতকালীন কিছু কিছু সমস্যা দেখা দিচ্ছে গরমেও। তার মধ্যে অন্যতম ঠোঁট ফাটা। আবহাওয়ার পরিবর্তনের কারণে শুধু শীতকাল নয়, গ্রীষ্মেও ত্বক ও ঠোঁট রুক্ষ হয়ে যাওয়ার মতো সমস্যায় ভুগছেন অনেকে। গরমে শরীরে জলের পরিমাণ কম থাকে। ফলে ঠোঁটের জলীয় ভাব ক্রমশ হ্রাস পায়। ঠোঁটের চামড়া খুব পাতলা হয়। ফলে তা অল্পেতেই রুক্ষ ও শুষ্ক হয়ে পড়ে। গরমে ঠোঁট ফাটার সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে বাড়িতেই বানিয়ে নিতে পারেন ঘরোয়া স্ক্রাবার।

১) ব্রাউন সুগার স্ক্রাবার : ত্বকের মৃত কোষ দূর করার অন্যতম একটি উপাদান হল ব্রাউন সুগার। শুষ্ক ত্বক কোমল ও মসৃণ করতে ব্রাউন সুগার ব্যবহার করতে পারেন। এক চামচ ব্রাউন সুগার, দু চামচ মধু ও কয়েক ফোঁটা এসেনশিয়াল অয়েল একসঙ্গে মিশিয়ে একটি মিশ্রণ তৈরি করে নিন। আঙুল দিয়ে এই মিশ্রণটি আলতো করে ঠোঁটে ঘষে নিন। কিছু ক্ষণ রেখে দিয়ে জলে ভেজানো নরম কাপড় দিয়ে ঠোঁটে বুলিয়ে নিন।

২) স্ট্রবেরি স্ক্রাবার: স্ট্রবেরিতে রয়েছে ভিটামিন সি। ঠোঁটের রক্ষতা দূর করতে দারুণ কাজ করে এই ভিটামিন। গরমেও ঠোঁটের গোলাপি ভাব বজায় রাখতে ব্যবহার করতে পারেন স্ট্রবেরি। একটি পাত্রে এক চামচ অলিভ অয়েল, স্ট্রবেরির কুচি, মধু মিশিয়ে নিন। এ বার মিশ্রণটি ভাল করে ঠোঁটে বুলিয়ে কিছু ক্ষণ রেখে দিন। শুকিয়ে এলে ঠান্ডা জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ঠোঁট থাকবে কোমল ও মসৃণ।

৩) কফি স্ক্রাবার: ধোঁয়া ওঠা কফির চাইতে এই গরমে ক্রিম দেওয়া ঠান্ডা কফিতেই গলা ভেজাতে ভালবাসেন অনেকে। গলা ভেজানোর পাশাপাশি ঠোঁটের যত্নেও কাজে লাগাতে পারেন কফি। এক চামচ কফির গুঁড়ো ও দু'চামচ মধু একসঙ্গে মিশিয়ে ঠোঁটে মেখে নিন। চাইলে এই মিশ্রণটি বানিয়েও রেখে দিতে পারেন। সপ্তাহে তিন-চার দিন মাখতে পারেন। উপকার পাবেন।

 

নিউজ ট্যাগ: কোমল ঠোঁট

আরও খবর
‘আম’ চিনুন তারপর কিনুন

বৃহস্পতিবার ১৯ মে ২০২২




ম্যাথুজের লড়াইয়ে ৩৯৭ রানে থামল শ্রীলঙ্কা

প্রকাশিত:সোমবার ১৬ মে ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ১৬ মে ২০২২ | ২৭৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

টেস্টের প্রথম দিনই দাপুটে সেঞ্চুরিতে শ্রীলঙ্কাকে এগিয়ে রেখেছিলেন অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুজ। আজ দ্বিতীয় দিনের প্রায় আড়াই সেশনও সাগরিকায় চলল তাঁর দাপট। সতীর্থদের নিয়ে লড়াই করে শেষ পর্যন্ত প্রথম ইনিংসে শ্রীলঙ্কাকে শক্ত পুঁজি এনে দিলেন ম্যাথুজ।

চট্টগ্রাম টেস্টের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করে স্কোরবোর্ডে ৩৯৭ রান তুলেছে শ্রীলঙ্কা। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ রান করা ম্যাথুজ খেলেছেন ১৯৯ রানের ইনিংস। ৩৯৭ বলে তাঁর ইনিংসটি সাজানো ছিল ১৯টি বাউন্ডারি ও একটি ছক্কা দিয়ে।

আজ সোমবার ৪ উইকেটে ২৫৮ রান নিয়ে দ্বিতীয় দিন শুরু করে শ্রীলঙ্কা। গতকাল দিন শেষে উইকেটে থাকা দুই ব্যাটার ম্যাথুজ ও দিনেশ চান্দিমাল মিলে আজ লঙ্কানদের দারুণ শুরু এনে দেন। এই জুটি মিলে বাংলাদেশকে ভোগান লম্বা সময়। শেষ পর্যন্ত প্রথম সেশনের শেষ দিকে এই জুটি ভাঙেন নাঈম হাসান।

চান্দিমালকে নিজের তৃতীয় শিকার বানিয়ে শক্ত জুটি ভাঙেন নাঈম। ৬৬ রানে চান্দিমালকে এলবির ফাঁদে ফেলেন এই স্পিনার। একই ওভারেই উইকেটে আসা নিরোসান ডিকভেলাকেও নিজের শিকার বানান নাঈম। প্রথম সেশনে এই দুটি উইকেটই নিতে পারে বাংলাদেশ।

দ্বিতীয় সেশনের শুরুতেই জোড়া আঘাত হানেন সাকিব। এক ওভারে তুলে নেন দুই উইকেট। প্রথমে বোল্ড করে ফেরান রমেশ মেন্ডিসকে। এরপর লাসিথ এম্বুলদেনিয়াকে এলবিডব্লিউ করে ফেরালেন বাঁহাতি এই স্পিনার।

কিন্তু জোড়া উইকেট নিয়ে চাপ তৈরি করতে পারলেও উইকেটে জমে যাওয়া ম্যাথুজের প্রতিরোধ ভাঙতে পারেনি বাংলাদেশ। টেলএন্ডারদের নিয়েও লম্বা সময় লড়াই করেন তিনি। গতকাল সেঞ্চুরি করা ম্যাথুজ আজ দ্বিতীয় সেশনেই ২৯৩ বলে পেয়ে যান দেড়শ রানের দেখা। এর আগে সেঞ্চুরি করেছিলেন ১৮৩ বলে। যেটা  তাঁর ক্যারিয়ারের ১২তম সেঞ্চুরি।

টেলএন্ডার দিয়ে নিয়ে শেষ পর্যন্ত ৩৯৭ রানের পুঁজি এনে দেন ম্যাথুজ। তবে শেষ পর্যন্ত আক্ষেপ নিয়ে উইকেট ছাড়েন তিনি। আর এক রানের জন্য ডাবল সেঞ্চুরি হলো না তাঁর। ঠিক ১৯৯ রানের ঘরে তাঁর প্রতিরোধ ভাঙেন নাঈম হাসান।

বাংলাদেশের হয়ে বল হাতে ১০৫ রান দিয়ে সর্বোচ্চ ছয়টি উইকেট নিয়েছেন নাঈম হাসান। ৬০ রানের বিনিময়ে তিনটি নিয়েছেন সাকিব আল হাসান। তাইজুল নিয়েছেন এক উইকেট।

চট্টগ্রাম টেস্টের প্রথম দিন শেষে এগিয়ে ছিল শ্রীলঙ্কা। অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুজের সেঞ্চুরিতে প্রথম দিনই স্কোরবোর্ডে আড়াইশর বেশি রান তুলেছে তারা। আজ সোমবার দ্বিতীয় দিন সেটা আরো বাড়ানোর আগে যেভাবেই হোক দ্রুত থামাতে হতো সফরকারীদের। কিন্তু নিজেদের লক্ষ্যে সফল হতে পারল না বাংলাদেশ।

গতকাল রোববার টেস্টের প্রথম দিন শেষে চার উইকেটে ২৫৮ রান নিয়ে দিন শেষ করে শ্রীলঙ্কা। আজ আড়াই সেশন মিলে ব্যাট করে তুলেছে মোট ৩৯৭ রান।

সংক্ষিপ্ত স্কোর

শ্রীলঙ্কা প্রথম ইনিংস : ১৫৩ ওভারে ৩৯৭/১০ (ফার্নান্দো ৩৬, করুনারত্নে ৯, মেন্ডিস ৫৪, সিলভা ৬, ম্যাথুজ ১৯৯ , চান্দিমাল ৬৬, ডিকভেলা ৩, মেন্ডিস ১, এম্বুলদেনিয়া ০, বিশ্ব ১৭, ;সাকিব ৩৯-১২-৬০-৩,নাঈম ৩০-৪-১০৫-৬,তাইজুল ৪৮-১২-১০৭-১ ,শরিফুল ২০-৩-৫৫-০,খালেদ ১৬-১-৬৬-০)।


আরও খবর



২-১ গোলের কষ্টার্জিত জয় পেয়েছে বার্সেলোনা

প্রকাশিত:সোমবার ০২ মে 2০২2 | হালনাগাদ:সোমবার ০২ মে 2০২2 | ৪১০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

লা লিগায় রোববার রাতে টেবিলের ১৭তম স্থানে থাকা মায়োর্কার বিপক্ষে ২-১ গোলের কষ্টার্জিত জয় পেয়েছে বার্সেলোনা। এই জয়ে দ্বিতীয় স্থান আরও মজবুত করল কাতালান ক্লাবটি। যদি বাকি থাকা চার ম্যাচে কোনো অঘটন না ঘটে তবে দ্বিতীয় স্থানে থেকেই এ মৌসুম শেষ করবে কাতালান ক্লাবটি। চলতি মৌসুমে এই দুই দলের প্রথম দেখায় ১-০ গোলে জয় পেয়েছিল বার্সেলোনা।

ম্যাচের ২৫তম মিনিটে জর্দি আলবার বাড়ানো বল থেকে গোল করেন মেমফিস ডিপাই। এগিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় বার্সেলোনা। এর পর দ্বিতীয়ার্ধের নবম মিনিটে বুস্কেটসের গোলে ব্যবধান দ্বিগুণ করে স্বাগতিকরা। বার্সেলোনার জার্সিতে এটি তার ১৮তম গোল।

ম্যাচের ৭৯ মিনিটে ব্যবধান কমায় সফরকারীরা। সালভা সেভিয়ার দারুণ ফ্রি-কিকে ডি বক্সে ভলিতে গোলটি করেন রাইয়ো। বাকি সময়ে আরেকটি সুযোগ পেলেও সমতায় ফিরতে পারেনি তারা।

লিগে ৩৪ ম্যাচে ১৯ জয় ও ৯ ড্রয়ে বার্সেলোনার পয়েন্ট হলো ৬৬। সমান ম্যাচে ৬৪ পয়েন্ট নিয়ে তিনে আছে সেভিয়া। ৬১ পয়েন্ট নিয়ে চার নম্বরে গতবারের চ্যাম্পিয়ন অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ। ৩৪ ম্যাচে ৩২ পয়েন্ট নিয়ে ১৬ নম্বরে আছে মায়োর্কা।

নিউজ ট্যাগ: বার্সেলোনা

আরও খবর



ব্যবসায়ী-শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষের ঘটনায় আরও একজনের মৃত্যু

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২১ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২১ এপ্রিল ২০২২ | ৪১০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

রাজধানীর নিউমার্কেট এলাকায় ব্যবসায়ী ও ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষের ঘটনায় আহত আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতের নাম মোরসালিন (২৬) তিনি দোকান কর্মচারী ছিলেন। এ নিয়ে নিউমার্কেটে সংঘর্ষের ঘটনায় দুইজনের মৃত্যু হলো।

এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেন ঢাকা মেডিক্যাল হাসপাতালে পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ ইন্সপেক্টর বাচ্চু মিয়া।

নিহত মোরসালিনের বাড়ি কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার কালাইনগর গ্রামে। তার বাবার নাম মো. মানিক মিয়া। কামরাঙ্গীরচরের পশ্চিম রসুলপুরে স্ত্রী অনি আখতার মিতু এবং দুই মেয়ে সুমাইয়া ইসলাম লামহা (৭) ও আমির হামজাকে (৪) নিয়ে ভাড়া বাসায় থাকতেন।

তার স্ত্রী অনি আখতার মিতু জানান, নিউমার্কেটে একটি শার্টের দোকানে মাসে নয় হাজার টাকা বেতনে চাকরি করতেন তার স্বামী। সেই টাকা দিয়ে তাদের সংসদ চলত। মঙ্গলবার সকালে নিউমার্কেটে কর্মস্থলের উদ্দেশে তিনি বাসা থেকে বেরিয়ে যান।

গত মঙ্গলবার (১৯ এপ্রিল) দুপুরের দিকে দ্বিতীয় দিনের সংঘর্ষের সময় নুরজাহান মার্কেটের সামনে ইটের আঘাতে আহত হয়েছিলেন মোরসালিন। পরে শাকিল ও অপর এক যুবক অচেতন অবস্থায় রিকশায় করে মোরসালিনকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেই দিন হাসপাতালে নিয়ে আসা শাকিল জানিয়েছিলেন, ব্যবসায়ী ও ঢাকা কলেজের ছাত্রদের সংঘর্ষের সময় নুরজাহান মার্কেটের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় ইটের আঘাতে মোরসালিন আহত হন। পরে রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়।

এর আগে একই  সংঘর্ষের ঘটনায় আহত হয়ে নিবিড় পরিচর্যা ইউনিটে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় নাহিদ হাসান (১৮) নামে এক যুবকের। 

গত মঙ্গলবার (১৯ এপ্রিল) ঢাকা মেডিক্যাল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে ওয়ানস্টপ ইমার্জেন্সি সেন্টারে আইসিইউতে রাত ৯টা ৪০ মিনিটে তিনি মারা যান।


আরও খবর



থানা যেমন জরুরি বাচ্চাদের খেলার মাঠও জরুরি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশিত:বুধবার ২৭ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ২৭ এপ্রিল ২০২২ | ৪৯৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

রাজধানীর কলাবাগানের তেঁতুলতলা মাঠে থানার ভবন নির্মাণের প্রতিবাদে সরব এলাকাবাসী ও সচেতন নাগরিকেরা। আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে এ বিষয়ের সমাধান করতে চান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। এ জন্য আজ বুধবার দুপুরে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বাংলাদেশ পরিবেশ আইনজীবী সমিতির (বেলা) প্রধান নির্বাহী সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানসহ পাঁচ সদস্যের একটি দলের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি।

বিকেল তিনটার দিকে বৈঠক শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, থানা যেমন জরুরি বাচ্চাদের খেলার মাঠও জরুরি। আশা করি আলোচনার মধ্য দিয়ে একটি সুন্দর সমাধান আসবে।

বুধবার (২৭ এপ্রিল) বিকেল তিনটার দিকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক বৈঠক শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী একথা বলেন। এর আগে, বেলা ২টায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বাংলাদেশ পরিবেশ আইনজীবী সমিতির (বেলা) প্রধান নির্বাহী সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানসহ পাঁচ সদস্যের একটি দল মন্ত্রণালয়ে যায়।

বৈঠক থেকে বেরিয়ে সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান সাংবাদিকদের বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আমাদের কথা শুনেছেন। তিনি নিজেও বাচ্চাদের খেলার মাঠের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেন। তাকে বলেছি- থানাভবন করতে হলে বিকল্প কোনো জমিতে করা যাবে। আমরা একটি জায়গা তাকে দেখিয়েও দিয়েছি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, জায়গাটি যেহেতু পুলিশ কিনে নিয়েছে। ফলে এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তিনি কথা বলবেন।

মানবাধিকারকর্মী খুশি কবির বলেন, আমরা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে স্পষ্ট বলেছি তেঁতুলতলা মাঠে যাতে দেয়াল নির্মাণ দ্রুততম সময়ে বন্ধ করা হয়। ঈদের জামাত ওখানেই হোক, যেটা সব সময় হয়। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, তিনি আলোচনা করবেন। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করে তিনি চেষ্টা করবেন... যেহেতু কিছু টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। বিকল্প জায়গা খোঁজা হবে। আমাদেরও বলেছেন সহায়তা করতে। সবাই মিলে একটা বিকল্প জায়গা খুঁজে বের করা দরকার।


আরও খবর