আজঃ বৃহস্পতিবার ২৪ জুন ২০২১
শিরোনাম
করোনার ডেল্টা প্লাসে প্রথম মৃত্যু মহাকাশে ভেসে খাবার খাচ্ছেন চীনা নভোচারীরা কলম্বিয়াকে ২-১ গোলে হারাল ব্রাজিল স্পেনের কারাগারে ম্যাকাফি অ্যান্টিভাইরাস আবিষ্কারকের ‘আত্মহত্যা’ আগস্টে মুক্তি পাচ্ছে চলচ্চিত্র ‘চিরঞ্জীব মুজিব’ গত ২৪ ঘণ্টায় রাজশাহীতে আরও ১৮ জনের মৃত্যু ‘আ.লীগ হীরার টুকরা, যতবার কেটেছে নতুন করে জ্যোতি ছড়িয়েছে’ উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার নামে মিথ্যাচারের প্রতিবাদে মানববন্ধন স্বাক্ষর জালিয়াতি ও তথ্য গোপন করায় ছাত্র ইউনিয়নের দুই শীর্ষ নেতা বহিষ্কার ইতিহাসে আওয়ামী লীগ, বঙ্গবন্ধু, বাংলাদেশ ও শেখ হাসিনা সমার্থক হয়ে থাকবে: : মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

বেসরকারি ১৬ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিতে ইউজিসির সতর্কতা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৮ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৮ জুন ২০২১ | ৯৮জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ভর্তির মৌসুম সামনে রেখে সম্প্রতি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের হালনাগাদ একটি তালিকা প্রকাশ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। সেখানে অননুমোদিত ভবন কিংবা ক্যাম্পাসে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা ও মামলা-মোকদ্দমাসহ বিভিন্ন ধরনের সমস্যাযুক্ত ১৬টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম উঠে এসেছে। জনস্বার্থে ইউজিসির ওয়েবসাইটে এসব বিশ্ববিদ্যালয়ের নামের পাশে লাল তারকা চিহ্ন প্রদান করা হয়েছে।

ইউজিসি সূত্রে জানা গেছে, উচ্চশিক্ষায় ভর্তির এই সময়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সতর্ক করতেই সম্প্রতি ওয়েবসাইটের তালিকাটি হালনাগাদ করা হয়েছে। সেখানে যেসব বিশ্ববিদ্যালয়ের নামের পাশে লাল তারকা চিহ্ন প্রদান করা হয়েছে, সেগুলোর বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ রয়েছে। তাই শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে খোঁজখবর নিয়ে ভর্তি হতে হবে। পরে কোনো সমস্যায় পড়লে দায়ভার নেবে না ইউজিসি। দেশে বর্তমানে ১০৭টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদন আছে।

এ ব্যাপারে ইউজিসির (বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়) সদস্য অধ্যাপক ড. বিশ্বজিৎ চন্দ বলেন, সম্প্রতি সংসদে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি আটটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় অবৈধ ভবনে কার্যক্রম পরিচালনা করা এবং দুটিতে অবৈধ ক্যাম্পাস থাকার কথা বলেছেন। তবে যেসব বিশ্ববিদ্যালয়ে সমস্যা রয়েছে তা সম্প্রতি আপডেট করে ইউজিসির ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে। সেসব বিশ্ববিদ্যালয়ের নামের পাশে লাল তারকা চিহ্ন প্রদান করা হয়েছে। এসব বিশ্ববিদ্যালয়ে অননুমোদিত ক্যাম্পাস ও প্রোগ্রামসহ বিভিন্ন ধরনের সমস্যা রয়েছে।

ইউজিসির দেওয়া তালিকা অনুযায়ী, অবৈধ ভবনে থাকা বিশ্ববিদ্যালয়গুলো হলো- ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, ইউনিভার্সিটি অব সাউথ এশিয়া, স্ট্যামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ, ভিক্টোরিয়া ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ, উত্তরা ইউনিভার্সিটি, ইউনিভার্সিটি অব ডেভেলপমেন্ট অল্টারনেটিভ, সাউথ ইস্ট ইউনিভার্সিটি এবং নর্দান ইউনিভার্সিটি।

নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় একটি প্রোগ্রামের অনুমোদন নিয়ে সেই প্রোগ্রামের আড়ালে আরও ১০টি প্রোগ্রাম পরিচালনা করছে, যা সম্পূর্ণ অবৈধ বলে জানিয়েছে ইউজিসি।


আরও খবর



বঙ্গবন্ধু সেতু থেকে সর্বমোট ৬৪৩৪ কোটি টাকা টোল আদায়

প্রকাশিত:রবিবার ০৬ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ০৬ জুন ২০২১ | ৯০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বঙ্গবন্ধু সেতু থেকে এখন পর্যন্ত ৬ হাজার ৪৩৪ কোটি ৩ লাখ টাকা টোল আদায় করা হয়েছে। এই সেতুর জন্য নেওয়া উন্নয়ন সহযোগীদের ঋণ ২০৩৪ সালে পরিশোধ করা হবে।

রবিবার জাতীয় সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এ তথ্য জানান। স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে বৈঠকের শুরুতে প্রশ্নোত্তর টেবিলে উপস্থাপন করা হয়।

বগুড়া-৫ আসনের সাংসদ হাবিবর রহমানের প্রশ্নের জবাবে সেতুমন্ত্রী বলেন, ১৯৯৮ সালে বঙ্গবন্ধু সেতু চালু হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত ৬ হাজার ৪৩৪ কোটি ৩ লাখ টাকা টোল আদায় হয়েছে। এ সময়ে সেতুর পরিচালন, রক্ষণাবেক্ষণ ও ডিএসএল পরিশোধ বাবদ ব্যয় হয়েছে ৪ হাজার ১০৪ কোটি ২১ লাখ টাকা।

সেতুমন্ত্রীর দেওয়া তথ্যানুযায়ী, ১৯৯৭-৯৮ অর্থবছরে ৯৯ লাখ টাকা, ১৯৯৮-৯৯ অর্থবছরে ৬১ কোটি ২৭ লাখ টাকা, ১৯৯৯-২০০০ অর্থবছরে ৬৬ কোটি ৯৪ লাখ টাকা, ২০০০-০১ অর্থবছরে ৮২ কোটি ৮৪ লাখ টাকা, ২০০১-০২ অর্থবছরে ৯৩ কোটি ৫৮ লাখ টাকা, ২০০২-০৩ অর্থবছরে ১০৮ কোটি ৭২ লাখ টাকা, ২০০৩-০৪ অর্থবছরে ১৩১ কোটি ৮ লাখ টাকা, ২০০৪-০৫ অর্থবছরে ১৫২ কোটি, ২০০৫-০৬ অর্থবছরে ১৫৭ কোটি ৯৭ লাখ টাকা, ২০০৬-০৭ অর্থবছরে ১৭৩ কোটি ৭৬ লাখ টাকা, ২০০৭-০৮ অর্থবছরে ২০১ কোটি ৯৬ লাখ টাকা, ২০০৮-০৯ অর্থবছরে ২১৪ কোটি ৪২ লাখ টাকা, ২০০৯-১০ অর্থবছরে ২৪২ কোটি ৯৯ লাখ টাকা, ২০১০-১১ অর্থবছরে ২৬৯ কোটি ১০ লাখ টাকা, ২০১১-১২ অর্থবছরে ৩০৬ কোটি ২৩ লাখ টাকা, ২০১২-১৩ অর্থবছরে ৩২৭ কোটি ৯৮ লাখ টাকা, ২০১৩-১৪ অর্থবছরে ৩২৫ কোটি ৩৮ লাখ টাকা, ২০১৪-১৫ অর্থবছরে ৩৫১ কোটি ১৪ লাখ টাকা, ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ৪০৪ কোটি ৮৮ লাখ টাকা, ২০১৬-১৭ অর্থবছরে ৪৮৬ কোটি ৫২ লাখ টাকা, ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ৫৪৩ কোটি ৮০ লাখ টাকা, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ৫৭৫ কোটি ৩৪ লাখ টাকা, ২০১৯-২০ অর্থবছরে ৫৬০ কোটি ২৮ লাখ টাকা এবং ২০২০-২১ অর্থবছরে (মে/ ২০২১ পর্যন্ত) ৫৯৪ কোটি ৮৬ লাখ টাকা টোল আদায় করা হয়েছে।

জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য শামীম হায়দার পাটোয়ারীর এক প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের জানান, বঙ্গবন্ধু সেতুর নির্মাণ ব্যয় ৩ হাজার ৭৪৫ কোটি ৬০ লাখ টাকা। আদায় করা অর্থ থেকে সেতুর রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয়সহ সেতু নির্মাণে উন্নয়ন সহযোগী সংস্থাগুলোর ঋণ পরিশোধ করা হয়। তবে বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার দ্বিগুণেরও বেশি বেড়ে যাওয়ায় অ্যামরটাইজেশন শিডিউল অনুযায়ী উন্নয়ন সহযোগী সংস্থাগুলো থেকে নেওয়া ঋণ সেতু থেকে আদায় করা টোলের মাধ্যমে ২০৩৪ সাল নাগাদ পরিশোধ করা হবে।


আরও খবর



কোপা আমেরিকা আয়োজনের বিপক্ষে ব্রাজিল

প্রকাশিত:শনিবার ০৫ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ০৫ জুন ২০২১ | ১১৭জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

দক্ষিণ আমেরিকার দেশগুলোর মধ্যে ব্রাজিলের করোনা পরিস্থিতি সবচেয়ে ভয়াবহ। তারপরও আর্জেন্টিনা ও কলম্বিয়াকে বাদ দিয়ে সেই ব্রাজিলেই বসছে কোপা আমেরিকার আসর।

এই সিদ্ধান্তে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন দেশটির সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে জাতীয় দলের ফুটবলাররাও। ব্রাজিলের কোচ তিতেও তার শিষ্যদের সমর্থনে দাঁড়িয়ে গেছেন। এমনকি তারা পাশে পাচ্ছেন আর্জেন্টিনা ও উরুগুয়ের ফুটবলারদেরও।

কোপা আমেরিকার এবারের আসর যৌথভাবে আয়োজন করার কথা ছিল আর্জেন্টিনা ও কলম্বিয়ার। কিন্তু প্রথমে রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে আয়োজকদের তালিকা থেকে বাদ যায় কলম্বিয়ার নাম। পরে করোনা মহামারিতে বিপর্যস্ত আর্জেন্টিনার নামও কাটা যায়। ফলে তড়িঘড়ি করে ব্রাজিলের কাঁধে তুলে দেওয়া হয় দায়িত্ব। কিন্তু এটা নিয়েই দেখা দিয়েছে বড় জটিলতা।

আয়োজক দেশ হিসেবে ব্রাজিলের নাম ঘোষণার পরই ক্ষোভে ফেটে পড়ে দেশটির সাধারণ মানুষ। কারণ দেশটির করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে আগেই। এরইমধ্যে দেশটির প্রায় ৫ লাখ মানুষ করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। পরিস্থিতি এমনই যে, সেখানে এই মুহূর্তে কোপা আমেরিকা আয়োজনের বিপক্ষে দাঁড়িয়ে গেছে পুরো ব্রাজিল দল। আসর মাঠে গড়ালেও তারা বয়কটের চিন্তাভাবনা শুরু করে দিয়েছে।

ইকুয়েডরের বিপক্ষে বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের ম্যাচে মাঠে নামার আগে দলীয় সংবাদ সম্মেলনে হাজির হননি ব্রাজিলের অধিনায়ক কাসেমিরো। তার বদলে হাজির হওয়া কোচ তিতে নিজেই জানিয়ে দেন, তার দলের খেলোয়াড়রা কোপা আমেরিকা বয়কট করতে যাচ্ছে।  


আরও খবর
কলম্বিয়াকে ২-১ গোলে হারাল ব্রাজিল

বৃহস্পতিবার ২৪ জুন ২০২১




অপরিকল্পিত আহরণের জন্য হুমকির মুখে দেশী প্রজাতির মাছের অস্তিত্ব

প্রকাশিত:সোমবার ২১ জুন 20২১ | হালনাগাদ:সোমবার ২১ জুন 20২১ | ৬৪জন দেখেছেন
Image

দিলীপ কুমার দেব, সাতক্ষীরা থেকে:

মাছে ভাতে বাঙালী। বাঙালীর প্রধানতম খাদ্য মাছ ভাত। নদী মাতৃক বাংলাদেশের সাগর, নদ-নদী, খাল-বিল-নালা, হাওড়-বাওড়, ধান ক্ষেত, জলাবদ্ধ বিলগুলো হচ্ছে দেশীয় প্রজাতির মাছের প্রধানতম উৎস। শ্রেণিভাগে বাংলাদেশের মাছকে মূলত দুই ভাগে ভাগ করা হয়, মিষ্টি বা সাদুপানির মাছ ও লবন পানির মাছ। এই সাদুপানির মাছ হচ্ছে মাগুর, শিং, কৈ, টাকী, শৈল, গজাল, পাবদা, টেংরা, পুঁটি, সরপুঁটি, খলিসা, মলা, বাইন, বোয়াল, গলদা চিংড়ি মাছ এবং লবন পানির দেশীয় প্রজাতির মাছের মধ্যে ভেটকি, ভাঙ্গান, পারশে, খোরকুল্যা, খয়রা, টেংরা, তপশ্যি, সেলোট, আমাদী, ঢেলা, বাগদা চিংড়ি, চাকা চিংড়ি, হরিণা চিংড়ি প্রভৃতি। বাংলাদেশের সাগরবেষ্টিত লবনাক্ত উপকুলীয় কয়েকটি জেলা বা অঞ্চল লবন পানির দেশীয় প্রজাতির মাছ এবং এই লবনাক্ত উপকুলীয় অঞ্চল ছাড়া দেশের অধিকাংশ জেলা বা অঞ্চলসমূহে সাদুপানির দেশীয় প্রজাতির মাছের প্রধানতম প্রজনন ক্ষেত্র রয়েছে। 

এসব সাদুপানির মাছের সাধারণত: জৈষ্ঠ মাসের মধ্য থেকে শ্রাবণ মাসের মধ্য পর্যন্ত সকল প্রকার দেশীয় প্রজাতির মাছের প্রজনন মৌসুম। জৈষ্ঠ মাসের মধ্যকালে প্রথম বৃষ্টির পর থেকেই এসকল সাদুপানির মাছ ডিম ছাড়া শুরু করে। যা চলে শ্রাবণ মাসের মধ্য পর্যন্ত। বৃষ্টির পরপরই যখন  বিভিন্ন জলাশয়গুলো পানিতে ভরে যায়, তখন নদ-নদী, খাল-বিল-নালা, হাওড়-বাওড়, ধান ক্ষেতসহ জলাবদ্ধ বিলগুলো জলাজমির সাথে মিশে যায় এবং তখন মুক্ত জলায়শয়ে থেকে ছড়িয়ে যায় মাগুর, শিং, কৈ, টাকী, শৈল, গজাল, পাবদা, টেংরা, পুঁটি, সরপুঁটি, খলিসা, মলা, বাইন, বোয়াল, গলদা চিংড়ি মাছ। আর তখনই স্থানীয় জনগণ অনুমোদিত ঝাকি জাল, চর পাটা জাল, বেবদি জাল, কারেন্ট জাল, চাইঁ, বরশি, টোটা, কোচ, বর্সাসহ বিভিন্ন রকম হাতে বানানো ফাঁদ পেতে মাগুর, শিং, কৈ, টাকী, শৈল, গজাল, পাবদা, টৈংরা, পুঁটি, সরপুঁটি, খলিসা, মলা, বাইন, বোয়াল, গলদা চিংড়ি এসকল প্রজাতির মাছ নিধন করতে থাকে। যার মধ্যে অধিকাংশ থাকে ডিম ছাড়ার পর্যায়ের মা মাছ

বাংলাদেশের দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের জেলা বা অঞ্চলসমূহের মধ্যে বলিশাল, পিরোজপুর, ঝালকাঠী, গোপালগঞ্জ, মাদারীপুর, ফরিদপুর, মাগুরা, রাজবাড়ী, ঝিনাইদহ, কুষ্টিয়া, নড়াইল, মেহেরপুর, খুলনা, বাগেরহাট, যশোর, সাতক্ষীরা প্রভৃতি জেলা বা অঞ্চলসমূহের মিষ্টি পানি বেষ্টিত নদ-নদী, খাল-বিল-নালা, পুকুর-ডোবা, ধান ক্ষেত, জলাবদ্ধ বিলগুলো এই বর্ষা মৌসুমে দেশীয় প্রজাতির মাছের বংশ বিস্তার শুরু হয়। এছাড়া দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের জেলা বা অঞ্চলসমূহের নদ-নদী, হাওড়-বাওড়, খাল-বিল-নালা, ধান ক্ষেত, জলাবদ্ধ বিলগুলো সাদুপানির দেশীয় প্রজাতির মাছের প্রজনন ক্ষেত্র রয়েছে। সেসব অঞ্চলেও এই বর্ষা মৌসুমে ব্যাপকতা ঘটে দেশীয় মাছের বংশ বিস্তার।

অপর দিকে বাংলাদেশের সাতক্ষীরা, বাগরহাট, বরগুনা, বরিশাল, পিরোজপুর, ভোলা, পটুয়াখালী, লক্ষীপুর, নোয়াখালী, চট্রগ্রাম, কক্সবাজার, রাঙ্গামাটি, জেলা বা অঞ্চলসমূহের সাগরবেষ্টিত লবনাক্ত উপকুলীয় কিছু কিছু  জেলা ও উপজেলা বা অঞ্চলসমূহ লবন পানির দেশীয় প্রজাতির মাছের প্রজনন ক্ষেত্র রয়েছে। লবন পানির দেশীয় প্রজাতির মাছের মধ্যে ভেটকি, ভাঙ্গান, পারশে, খোরকুল্যা, খয়রা, টেংরা, তপশ্যি, সেলোট, আমাদী, ঢেলা, বাগদা চিংড়ি, চাকা চিংড়ি, হরিণা চিংড়ি প্রভৃতি। লবন পানির দেশীয় প্রজাতির মাছ এসব অঞ্চলের লবন পানি বেষ্টিত নদীতে বংশ বিস্তার লাভ করে। কিন্তু এক শ্রেণির অসাধু জেলেরা নদীতে বেবদি জাল, পাটা জাল, কারেন্ট জাল, বাগদা চিংড়ি রেণু পোনা ধরার টানা জাল, বেড় জালসহ প্রভৃতি জাল দিয়ে ওই সব লবন পানির দেশীয় প্রজাতির মাছের ডিম ও রেণু পোনা ধ্বংস করছে। যার ফলে বংশ বিস্তার লাভ ব্যাহত হচ্ছে। বৃষ্টির মৌসুম শুরুর পর থেকেই স্থানীয় মানুষ কোনো কিছু চিন্তা ভাবনা না করেই নিজের খেয়াল খুশিমত দেশীয় প্রজাতির মাছ নিধনে নেমে পড়েছে।

এই অপরিকল্পিত মৎস্য আহরণের জন্য হুমকির মুখে পড়েছে দেশীয় প্রজাতির মাছের অস্তিত্ব। এই অপরিকল্পিত মৎস্য নিধনের হাত থেকে এলাকার দেশীয় প্রজাতির মাছ রক্ষা এবং তার বংশ বিস্তারের জন্য স্থানীয় সুশীল ও সচেতন সমাজ যথাযথ কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করে।


আরও খবর



নিহত চিকিৎসকের পিঠে-গলায় ধারালো অস্ত্রের আঘাত

প্রকাশিত:সোমবার ৩১ মে ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ৩১ মে ২০২১ | ১৪৬জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

রাজধানীর কলাবাগান এলাকা থেকে কাজী সাবিরা রহমান লিপি (৪৭) নামে গ্রিন লাইফ হাসপাতালের এক নারী চিকিৎসকের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মরদেহের পিঠে দুটি ও গলায় একটি ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

সোমবার (৩১ মে) দুপুরে সাবিরার মরদেহ উদ্ধারের ঘটনাটি তদন্ত করতে যায় মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের একটি দল। 

এ সময় ডিবি পুলিশের রমনা বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) আজিমুল হক বলেন, ডা. সাবিরা কলাবাগান প্রথম লেন ৫০/১ নম্বর বাড়ির একটি ফ্ল্যাটে ভাড়া থাকতেন। তিনি ফ্ল্যাটের দুটি রুম অন্য একজনকে সাবলেট দিয়েছেন। সকালে সাবলেটে থাকা তরুণী কানিজ ফাতেমা হাঁটতে বের হয়েছিলেন। পরে ঘরে ফিরে দেখেন চিকিৎসক সাবিরার রুম বন্ধ। রুমের ভেতর থেকে ধোয়া বের হচ্ছে। এ সময় তিনি দারোয়ানকে ডেকে তারা চাবি এনে তালা খুলে দেখতে পান চিকিৎসক নিচে পড়ে আছেন। সবাই ভেবেছিল চিকিৎসক আগুনে পুড়েছেন। পরে ডিবি এসে তার গলায় একটি ও পিঠে দুটি আঘাতের চিহ্ন পায়। তদন্ত করছি। আশা করছি দ্রুত রহস্য উদঘাটন করবো। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে এটি হত্যাকাণ্ড।

তিনি আরও বলেন, চিকিৎসক নিহতের ঘটনায় এখন পর্যন্ত জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিনজনকে হেফাজতে নিয়েছে মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। বিস্তারিত তদন্তের পরই বলা যাবে।


আরও খবর



৩৫ কোটি টাকা দিয়ে নতুন বাড়ি কিনলেন বিগ বচ্চন

প্রকাশিত:শনিবার ২৯ মে ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ২৯ মে ২০২১ | ১৩৭জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বর্ষীয়ান অভিনেতা ও বলিউডের মেগাস্টার অমিতাভ বচ্চন মুম্বাইয়ের আন্ধেরিতে ৩১ কোটি রুপি দিয়ে ৫৭০৪ স্কোয়ার ফিটের একটি নতুন ডুপ্লেক্স অ্যাপার্টমেন্ট কিনেছেন, বাংলাদেশের মুদ্রায় যা ৩৫ কোটি টাকার বেশি।

হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, অমিতাভ বচ্চন ওই অ্যাপার্টমেন্ট কিনেছেন ২০২০ সালের ডিসেম্বরে এবং ২০২১ সালের ১২ এপ্রিল নথিভুক্ত করেছেন। আর এই বাড়ি কেনার জন্য শুল্ক বাবদ ৬২ লাখ রুপি দিয়েছেন তিনি। যদিও এ ব্যাপারে অমিতাভের কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

পত্রপত্রিকার খবর, বিগ বি-র কেনা ওই বাড়ির প্রতি বর্গফুটের দাম ৬০ হাজার রুপি। একটি আবাসনের ২৭ ও ২৮ তলা জুড়ে অমিতাভের নতুন বাসস্থান। এ ছাড়াও থাকবে ছয়টি গাড়ি রাখার জায়গা।

অমিতাভের প্রতিবেশী হতে চলেছেন অভিনেত্রী সানি লিওনি ও পরিচালক আনন্দ এল রাই। আন্ধেরির ওই আটলান্টিস ভবনে নতুন বাড়ি কিনেছেন তাঁরা। সানির কেনা সম্পত্তির দাম ১৬ কোটি রুপি। আনন্দের সম্পত্তির মূল্য ২৫ কোটি রুপি।

অমিতাভ বচ্চনকে সবশেষ সুজিত ঘোষের গুলাবো সিতাবো সিনেমায় দেখা গিয়েছিল। গত বছর অ্যামাজন প্রাইমে মুক্তি পেয়েছিল এই সিনেমা।


নিউজ ট্যাগ: অমিতাভ বচ্চন

আরও খবর