আজঃ মঙ্গলবার ২৫ জানুয়ারী ২০২২
শিরোনাম

বেতন-ভাতা না দিয়েই উধাও হয়ে গেছে বিতর্কিত প্রিয়া সাহার এনজিও শারি

প্রকাশিত:বুধবার ২৯ ডিসেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ২৯ ডিসেম্বর ২০২১ | ১৬১৯৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

দীর্ঘ ৯ মাসেরও অধিক সময় ধরে বেতন ভাতা বন্ধ রেখে সেই বিতর্কিত প্রিয়া সাহার এনজিও শারি রাতের আঁধারে অফিস গুটিয়ে চলে গেছে। কোথায় গেছে তাও কেউ বলতে পারছে না। অফিসের অনেক কর্তাব্যক্তিরা মোবাইলও রিসিভ করছেন না। তবে প্রতিষ্ঠানটির ফিনান্স সমন্বয়কারী প্রদীপ দাস বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন অফিস গুটিয়ে নেওয়া হয়নি।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ২০২১ সালের এপ্রিল মাস থেকে উক্ত শারি এনজিও ঢাকা, মুন্সিগঞ্জ এবং খুলনা অফিসের আওতায় প্রায় ৮০জন কর্মকর্তা, কর্মচারিদের কোন প্রকার বেতনাদি দিচ্ছেনা। উপরন্তু আত্মসাতের উদ্দেশ্যে ওই সকল কর্মীদের পূর্বের পাওনা তথাকথিত স্টাফ ওয়েলফেয়ারের নামে কর্তনকৃত বেতনের ৫% হারে যে টাকা জমা হয়েছে, তাও দিচ্ছে না। টাকা চাইলেই অফিসের বর্তমান ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী পরিচালক ও সাবেক ডেসটিনি কর্মকর্তা শক্তিময়ী হীরা বলেন, আমেরিকায় প্রিয়া সাহার সাথে কথা বলতে। অনেকে আবার প্রিয়া সাহার সাথে কথা বললে তিনি ধমকের সুরে তাদেরকে থামিয়ে দেন বলে ভূক্তভোগীরা অভিযোগ করেছেন।

এদিকে খোঁজ নিয়ে আরও জানা গেছে, অফিসে কর্মরত কর্মীদের বেতন ভাতা না দেওয়ার উদ্দেশ্যেই হঠাৎ করে অফিস গুটিয়ে চলে গেছে এই সংস্থাটি। কোথায় গেছে তাও কেউ বলতে পারছে না। যদিও অফিসের সাথে সম্পর্কিত কেউ ফোনই ধরছে না। শারি সংস্থার সেই বিতর্কিত নির্বাহী পরিচালক প্রিয়া সাহার স্বামী মলয় সাহা অফিসের জেনারেল ফান্ডে থাকা সকল টাকা নিয়ে গেছেন বলে সংস্থার হিসাব শাখা থেকে জানা গেছে। যে কারণে কর্মীদের প্রাপ্য বেতন ভাতাদিও দিতে পারছে না এই সংস্থাটি। উল্লেখ্য যে, জার্মান ভিত্তিক দাতা সংস্থা ব্রেড ফর দ্যা ওয়ার্ল্ড এবং মিজেরিয়র’ বাংলাদেশের তথাকথিত বেসরকারী সংস্থা শারিকে প্রতি বছর অন্ততঃ আড়াই কোটি টাকা অনুদান দিত।

সর্বশেষ ২০২০ সালের শেষের দিকে করোনা চলাকালীন সময় ত্রাণের জন্য উক্ত দুটি দাতা সংস্থা থেকে ৪৫ লাখ টাকা অতিরিক্ত অনুদান দিলেও কোন ত্রাণ না দিয়ে পুরোটাই আত্মসাত করে আমেরিকায় প্রিয়া সাহার কাছে পাঠানো হয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে দাতা সংস্থা ব্রেড ফর দ্যা ওয়ার্ল্ড তাদের নিজস্ব অডিট টিম পাঠিয়ে অডিট করালে ত্রাণের পাশাপাশি আরও বেশ কিছু আত্মসাতের বিষয় ধরা পড়ে। ফলে ওই দাতা সংস্থা শারিকে অনুদান বন্ধ করে দেয়।

জানা গেছে, দেশের দলিত সম্প্রদায়কে নিয়ে কাজ করার, তাদের জীবনমান উন্নয়নে কথা বলে আনা টাকার নামমাত্র কিছু টাকা খরচ করে কিছু ট্রেনিং প্রোগ্রামসহ কিছু সচেতনতামূলক সভা, সেমিনার করে অনুদানের বাকী টাকা আত্মসাৎ করতো শারি।

এ সকল বিষয় জানার জন্য শারি’র ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী পরিচালক শক্তিময়ী হীরা এর মোবাইল নম্বর ০১৬৭৬২৮৬০১৫ এ ফোন করা হলে তিনি তা রিসিভ করেন নি। অন্যদিকে সংস্থার ফিনান্স সমন্বয়কারী প্রদীপ দাস এর সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, অফিস গুটিয়ে নেওয়ার কথা সঠিক নয়। তবে ফান্ড না থাকায় বিভিন্ন প্রকল্পের কাজ আপাতত বন্ধ রয়েছে। ফান্ড না পাওয়ায় ষ্টাফদের বেতনভাতাও একটু বকেয়া পড়েছে।

উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এর কাছে বাংলাদেশের হিন্দুদের নির্যাতন করা হয় এবং হিন্দুরা দেশ থেকে পালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ করায় দেশব্যাপী সমালোচনার মুখে পড়ে বিতর্কিত হন পিরোজপুরের নাজিরপুরের মেয়ে এবং শারি’র নির্বাহী পরিচালক প্রিয়া সাহা।

২০১৯ সালের ১৭ জুলাই হোয়াইট হাউজে মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের আয়োজনে সেকেন্ড মিনিস্টারিয়াল টু এ্যাডভান্স রিলিজিয়াস ফ্রিডম’ নামের একটি ইভেন্টে যোগ দিতে গিয়ে প্রিয়া সাহা তৎকালীন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এর কাচে অভিযোগ করেন, বাংলাদেশে থেকে (তার ভাষায়) ৩৭ মিলিয়ন হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রীস্টান নিখোঁজ হয়েছে’, তার নিজের বাড়িঘরও আক্রান্ত হয়েছে কিন্তু এর কোন বিচার হয় নি। মি ট্রাম্পকে অনুরোধ করেন তিনি যেন বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের সাহায্য করেন- যাতে তারা দেশে থাকতে পারে।

প্রিয়া সাহা সেদিন ট্রাম্পকে বলেন, স্যার, আমি বাংলাদেশ থেকে এসেছি। এখানে ৩৭ মিলিয়ন (তিন কোটি ৭০ লাখ) হিন্দু বৌদ্ধ এবং খ্রিস্টান নিখোঁজ হয়ে গেছে। দয়া করে আমাদের, বাংলাদেশী মানুষদের, সাহায্য করুন। আমরা আমাদের দেশে থাকতে চাই। সে দেশে এখনো ১৮ মিলিয়ন (১ কোটি ৮০ লাখ) সংখ্যালঘু আছেন। আমার অনুরোধ হচ্ছে, আমাদের সাহায্য করুন। আমরা আমাদের দেশ ছেড়ে যেতে চাই না। শুধু আমাদের দেশে থাকতে সাহায্য করুন।’

প্রিয়া সাহা আরো বলেন, আমি আমার বাড়ি হারিয়েছি। তারা আমাদের বাড়ি পুড়িয়ে দিয়েছে। তারা আমাদের জমি নিয়ে নিয়েছে। কিন্তু এর কোন জাজমেন্ট (বিচার) হয় নি।’

এ সময় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তাকে প্রশ্ন করেন বাড়ি ও জমি কে নিয়েছে ?

তখন প্রিয়া সাহা একটু কথা গুলিয়ে ফেললেও পর মুহূর্তেই বলেন, মুসলিম মৌলবাদী গোষ্ঠী। তারা সবসময়ই রাজনৈতিক আশ্রয় পাচ্ছে। সব সময়।’

এদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্টের কাছে প্রিয়া সাহার এমন অভিযোগের বিষয়ে সে সময়ে বাংলাদেশ সরকার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানায় এবং উক্ত অভিযোগ ভয়ংকর মিথ্যা, সাজানো গল্প বলে অভিহিত করে।

এ ঘটনার পরে তিনি আর বাংলাদেশে ফিরে আসেন নি। তিনি বর্তমানে মুক্তরাষ্ট্রেই বসবাস করছেন। সেখানে তার দুই মেয়েও রয়েছে।

নিউজ ট্যাগ: প্রিয়া সাহা

আরও খবর



গোসল না করেও দুর্গন্ধমুক্ত থাকবেন যেভাবে

প্রকাশিত:বুধবার ০৫ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ০৫ জানুয়ারী ২০২২ | ৪৪৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ঠান্ডা পানির ভয়ে প্রতিদিন গোসল না করাদের তালিকা শীতে বড় হতে থাকে। এই শীতেও যারা প্রতিদিন গোসল করছেন, তাদের কথা ভিন্ন। কিন্তু যারা গোসল করছেন না, তাদের গায়ের দুর্গন্ধ দূর হবে কী দিয়ে?

শরীরের দুর্গন্ধ দূর করতে বেশিরভাগই নির্ভর করেন ডিওডোরেন্ট কিংবা পারফিউমের ওপর। কিন্তু তাতে সাময়িক মুক্তি মিললেও পুরোপুরি দূর হয় না। তাই এসব কেমিক্যালযুক্ত জিনিসপত্রের ওপর নির্ভর না করে কাজে লাগাতে পারেন ঘরোয়া পদ্ধতি। এতে প্রতিদিন গোসল না করেও থাকতে পারবেন দুর্গন্ধমুক্ত। চলুন তবে জেনে নেওয়া যাক-

মৌরি ভেজানো পানি পান:

যারা গায়ে দুর্গন্ধের কারণে অস্বস্তিতে ভোগেন, তারা এখন থেকে মৌরি ভেজানো পানি পান করা শুরু করুন। এতে ঘাম এবং দুর্গন্ধ দুটোই কম হবে। মৌরিতে থাকা নানা উপকারী উপাদান এক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা রাখে। মৌরির পানি তৈরি করার জন্য এক কাপ পানিতে এক চা চামচ মৌড়ি গুঁড়া মিশিয়ে সেই পানিটুকু দুই মিনিটের মতো ফুটিয়ে নেবেন। এরপর তাতে এক চা চামচ মধু মিশিয়ে পান করবেন।

নারিকেল তেল মেখে গোসল:

শীতে প্রতিদিন গোসল না করলেও মাঝে মাঝে তো করা হয়, তাই না? তখন একটি কাজ করতে হবে। সারা গায়ে নারিকেল তেল মেখে এরপর গোসলে যেতে হবে। এই তেল আপনার গায়ে দুর্গন্ধ তৈরি হতে দেবে না। কীভাবে? আমাদের শরীরে  ব্যাকটেরিয়ার মাত্রা বাড়তে শুরু করলে দুর্গন্ধের সৃষ্টি হয়। নারিকেল তেল সেই ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়াগুলো মেরে ফেলে। এতে শরীরে দুর্গন্ধ সৃষ্টি হতে পারে না।

ইপসম সল্ট দিয়ে গোসল:

যখন গোসল করবেন তখন পানিতে ইপসম সল্ট মিশিয়ে নিন। এতে শরীরে জমে থাকা ঘামের দুর্গন্ধ দূর হবে। এই লবণে এমন কিছু উপাদান আছে যেগুলো ঘামের মাত্রা কমানোর পাশাপাশি ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়াদের মেরে ফেলে। এতে সহজেই ঘামের দুর্গন্ধ দূর হয়। এক বালতি পানিতে আধা কাপ ইপসম সল্ট মিশিয়ে ব্যবহার করতে হবে। এতে উপকার পাবেন।

গ্রিন টি:

নিয়মিত গ্রিন টি খেলে তা আপনার শরীরে দুর্গন্ধ জমতে দেবে না। তবে শুধু পান করলেই হবে না, সেইসঙ্গে করতে হবে আরও একটি কাজ। প্রথমে চিনি ছাড়া এক কাপ গ্রিন টি তৈরি করে নেবেন। এরপর তা একটি তুলোর সাহায্যে শরীরের যেসব স্থানে ঘাম বেশি হয়, সেখানে লাগাবেন। গ্রিন টিতে থাকা ট্যানিক অ্যাসিড ঘামের মাত্রা কমায় এবং ব্যাকটেরিয়াদের মেরে ফেলতে সাহায্য করে। এতে সহজেই গায়ের দুর্গন্ধ দূর হয়।

নিউজ ট্যাগ: শরীরের দুর্গন্ধ

আরও খবর
আজ আপনার জন্মদিন হলে

সোমবার ২৪ জানুয়ারী ২০২২

আজ আপনার জন্মদিন হলে

রবিবার ২৩ জানুয়ারী ২০২২




বসুন্ধরা গ্রুপের সহায়তায় হবিগঞ্জ ও ময়মনসিংহে শুভসংঘের শীতবস্ত্র বিতরণ

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৪ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৪ জানুয়ারী ২০২২ | ৩৬৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

আমার স্বামীও নাই। সন্তানরা থেকেও নাই। শীতের কষ্টে একখান কম্বল কিনার টাকা না থাকায় বাবা কষ্টকইরা রাত কাটাই। আপনাদের কম্বলটা পাওয়ায় এখন রাতের বেলা একটু আরামের ঘুম হইব।কথাগুলো বলছিলেন হবিগঞ্জ সদর উপজেলার বহুলা গ্রামের মৃত আলাই মিয়ার স্ত্রী মালিক চান (৬৮)।

শুক্রবার বিকেলে বহুলা ঈদগাহমাঠে দেশের শীর্ষ শিল্প প্রতিষ্ঠান বসুন্ধরা গ্রুপের সহায়তায় দেশের বৃহত্তম সামাজিত সংগঠন শুভসংঘের শীতবস্ত্র বিতরণকালে মালিক চান কম্বল হাতে পেয়ে এই অনুভূতি প্রকাশ করেন। তার সঙ্গে আসা আরেক বৃদ্ধ জবেদা খাতুনের চোখে মুখেও ছিল তৃপ্তির ছাপ। শীতবস্ত্র নিতে আসা শাহানা আক্তার বলেন, তার পরিবারে সদস্য সংখ্যা ৬ জন। পর্যাপ্ত শীতবস্ত্র না থাকায় তারা শীতে কষ্ট করতেন। বসুন্ধরা গ্রুপের শীতবস্ত্র পেয়ে সেই কষ্ট অনেকটাই কমে যাবে।

শুক্রবার হালকা বৃষ্টি আর কনকনে শীতের মাঝে এমনই এক আনন্দের আবহ তৈরি করে এই শীত বস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠান। শুভসংঘের পরিচালক জাকারিয়া জামানের সভাপতিত্বে শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পলিটিক্যাল স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. জহিরুল হক শাকিল। তিনি বলেন, শীত মৌসুম চলছে, শুরুও হয়েছে শৈত্য প্রবাহও, সঙ্গে করোনা মহামারী। সব মিলিয়ে জাতির ক্রান্তিকালে স্বল্প আয়ের মানুষদের পাশে দাঁড়ানো বড় প্রয়োজন। এ সময়ে দেশজুড়ে মানুষের হাতে শীতবস্ত্র তুলে দেওয়া বৃহৎ শিল্পগোষ্ঠী বসুন্ধরা গ্রুপের এক অনন্য উদ্যোগ। এটি দৃষ্টান্ত ও অনুকরণীয় হয়ে থাকবে সমাজে।

অনুষ্ঠানে নানা শ্রেণি-পেশার ৫ শ নারী-পুরুষ ও শিশুদের হাতে একটি করে কম্বল তুলে দেওয়া হয়। এ সময় অতিথিবৃন্দ ও এলাকাবাসী বসুন্ধরা গ্রুপের প্রসংশা করেন এবং বৃহৎ এই শিল্প প্রতিষ্ঠানটির উত্তরোত্তর সফলতা কামনা করেন। পরে শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার পৌর এলাকার জহুর চান বিবি মহিলা কলেজে ২শ দরিদ্র শীতার্থদের মাঝে কম্বল বিতরণ করা হয়। জহুর চান বিবি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুল্লা আল মামুনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পলিটিক্যাল স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. জহিরুল হক শাকিল। বিশেষ অতিথি ছিলেন শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিনহাজুল ইসলাম, কালের কণ্ঠের হবিগঞ্জ প্রতিনিধি শাহ ফখরুজ্জামান, শুভ সংঘের পরিচালক জাকারিয়া জামান ও শায়েস্তাগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারন সম্পাদক মঈনুল ইসলাম রতন।

কালেরকণ্ঠের জেলা প্রতিনিধি শাহ ফখরুজ্জামান জানান, হবিগঞ্জ জেলার সদর ও শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলায় ৭০০ জন অস্বচ্ছল মানুষকে বসুন্ধরা গ্রুপের কম্বল দেওয়া হয়েছে। পরবর্তীতে চুনারুঘাট নবীগঞ্জ ও বানিয়াচং উপজেলায় আরও ৭০০ জনকে একইভাবে শীতবস্ত্র দেওয়া হবে।

দেশের স্বনামধন্য বসুন্ধরা গ্রুপের পক্ষ থেকে কম্বল উপহার পেলেন ময়মনসিংহের হোটেল কর্মচারিরা। শুক্রবার দুপুরে ময়মনসিংহ প্রেসক্লাব মিলনায়তনের এসব কম্বল তাদের হাতে তুলে দেয়া হয়।

প্রাথমিক ভাবে ৫০ জনের হাতে এ কম্বল তুলে দেয়া হয়। কম্বল বিতরণে সহায়তা করেন কালের কণ্ঠ শুভসংঘের ময়মনসিংহের বন্ধুরা। কম্বল পেয়ে হোটেল কর্মচারিরা আপ্লুত হয়ে পড়েন।

কর্মচারিদের পক্ষ থেকে শামছুর ইসলাম বলেন, আমরা এই কম্বল পাইয়া খুব খুশি হইছি। আল্লাহ বসুন্ধরার ভালো করুন।

নিউজ ট্যাগ: বসুন্ধরা গ্রুপ

আরও খবর



আজ ডিসি সম্মেলন শুরু

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৮ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৮ জানুয়ারী ২০২২ | ২৫৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

দুই বছর পর সরকারের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের উদ্দেশে ডিসি সম্মেলন শুরু হচ্ছে আজ মঙ্গলবার (১৮ জানুয়ারি)। এদিন সকাল ১০টায় রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হবে তিনদিনের এই সম্মেলন। ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এ সম্মেলনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ জানিয়েছে, করোনা মহামারির কারণে দীর্ঘ আড়াই বছর পর জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) সম্মেলন হচ্ছে। বছরের শুরুতেই  ১১, ১২ ও ১৩ জানুয়ারি ডিসি সম্মেলনের তারিখ নির্ধারিত হলেও পরে তা পেছানো হয়েছে।  নির্দিষ্ট করা হয়েছে ১৮, ১৯ ও ২০ জানুয়ারি (মঙ্গল, বুধ ও বৃহস্পতিবার) ডিসি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।

সূত্র জানিয়েছে, এবারের ডিসি সম্মেলনে জেলা প্রশাসকদের প্রতি সর্বত্র সুশাসন প্রতিষ্ঠায় কঠোর মনোভাব প্রদর্শনের নির্দেশনাও থাকছে। একইসঙ্গে চলমান চতুর্থ শিল্প বিপ্লব মোকাবিলায় সক্ষমতা অর্জনে ডিসিদের প্রতি দিক নির্দেশনা থাকবে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্র জানিয়েছে, ১৮ জানুয়ারি সকাল ১০টায় ডিসি সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হবে। এবারের সম্মেলনে দেশের ৬৪ জেলার ডিসি ও ৮ বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার অংশ নেওয়ার প্রস্তুতি নিলেও ৫ জেলার ডিসি ও ২ বিভাগের বিভাগীয় বিভাগীয় কমিশনার এবারের এই সম্মেলনে অংশ নিতে পারছেন না। তারা কোভিড আক্রান্ত।

সোমবার (১৭ জানুয়ারি) সচিবালয়ে জেলা প্রশাসক সম্মেলন-২০২২ বিষয়ে সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম জানান এবার ডিসি সম্মেলন শেষ হবে ২০ জানুয়ারি। ডিসি সম্মেলনে এবার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শুধু ১৫ জন মন্ত্রী ও ১৫ জন সচিবকে আমন্ত্রণ দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, এবার সম্মেলনে মোট ২৫টি অধিবেশন হবে। এরমধ্যে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সঙ্গে কার্য অধিবেশন ২১টি। এছাড়া একটি উদ্বোধন অনুষ্ঠান, রাষ্ট্রপতির দিকনির্দেশনা গ্রহণ নিয়ে একটি, স্পিকারের শুভেচ্ছা বক্তব্য নিয়ে একটি ও প্রধান বিচারপতির শুভেচ্ছা বক্তব্য নিয়ে একটি অধিবেশন হবে।

খন্দকার আনোয়ারুল বলেন, সম্মেলনে মোট ৫৫টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগ অংশগ্রহণ করবে। কার্য অধিবেশনগুলোতে মন্ত্রণালয় ও বিভাগের প্রতিনিধি হিসেবে মন্ত্রী, উপদেষ্টা, প্রতিমন্ত্রী, উপমন্ত্রী, সিনিয়র সচিব ও সচিবরা উপস্থিত থাকবেন।

এবার জেলা প্রশাসক সম্মেলন উপলক্ষে জেলা প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনারদের কাছ থেকে ২৬৩টি প্রস্তাব পাওয়া গেছে। সবচেয়ে বেশি সংখ্যক প্রস্তাব পাওয়া গেছে ভূমি মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত। এ মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত প্রস্তাব ১৮টি। এরপর সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় (১৬টি প্রস্তাব) ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত (১৫টি) প্রস্তাব বেশি পাওয়া গেছে।

উল্লেখ্য, সর্বশেষ ২০১৯ সালের ১৪ থেকে ১৮ জুলাই পর্যন্ত মোট ৫দিন জেলা প্রশাসক সম্মেলন হয়েছে। এরপর করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) মহামারির কারণে গত দুই বছর (২০২০ ও ২০২১) জেলা প্রশাসক সম্মেলন হয়নি। সরকারের নীতিনির্ধারক ও জেলা প্রশাসকদের মধ্যে সামনা-সামনি মতবিনিময় এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়ার জন্য সাধারণত প্রতিবছর জুলাই মাসে ডিসি সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

নিউজ ট্যাগ: ডিসি সম্মেলন

আরও খবর



কোটি টাকার জাল নোটসহ আটক-৩

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৪ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৪ জানুয়ারী ২০২২ | ৪৪৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

রাজধানীর পল্লবী থানা এলাকা থেকে এক কোটি ২০ লাখ টাকার জাল নোটসহ চক্রের অন্যতম হোতা ছগির হোসেন (৪৭) এবং তাঁর দুই সহযোগীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র‌্যাব। গতকাল সোমবার রাতে জাল নোট তৈরির সরঞ্জামও উদ্ধার করেছে র‍্যাব।

আজ মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর কারওয়ান বাজারের র‍্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান র‍্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন। তিনি বলেন, প্রতি এক লাখ জাল নোট চক্রটি ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকার বিনিময়ে বিক্রি করত।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, গতকাল সোমবার রাতে র‌্যাব-৪-এর একটি দল ঢাকার মিরপুরের পল্লবীতে অভিযান চালিয়ে সংঘবদ্ধ জাল নোট তৈরি চক্রের মূল হোতা ছগির হোসেন (৪৭), সেলিনা আক্তার পাখি (২০) ও রুহুল আমিনকে (৩৩) গ্রেপ্তার করেছে। তাঁদের কাছ থেকে এক কোটি ২০ লাখ টাকা মূল্যমানের জাল নোট, পাঁচটি মোবাইল ফোন এবং দুটি ল্যাপটপ উদ্ধার করা হয়। এ ছাড়া জাল নোট তৈরির বিপুল সরঞ্জামাদিও জব্দ করা হয়।

খন্দকার আল মঈন বলেন, গত ২৮ নভেম্বর র‌্যাব-৪ মিরপুর মডেল থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ২৮ লাখ ৫৩ হাজার টাকা মূল্যমানের জাল নোটসহ জাল নোট তৈরি ও বিক্রেতা চক্রের সক্রিয় চার সদস্যকে গ্রেপ্তার করে। পরবর্তীতে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে এই চক্রটির মূল হোতা ও অন্যান্য সহযোগীদের সম্পর্কে জানা যায়। পরে র‌্যাব গোয়েন্দা নজরদারি বাড়িয়ে গতকাল এ অভিযান চালায়।

গ্রেপ্তার করা ব্যক্তিদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, তাঁরা পরস্পর যোগসাজশে দীর্ঘদিন ধরে ঢাকা ও বরিশালসহ বিভিন্ন এলাকায় এই জাল নোট তৈরি করে বিভিন্ন লোকদের কাছে কম মূল্যে জাল নোট বিক্রি করে আসছিলেন। এ চক্রটির মূল হোতা ছগির হোসেন। চক্রটি বরিশাল ও ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় এ জাল নোটের ব্যবসা চালায়। চক্রে ১৫ থেকে ২০ জন জড়িত রয়েছে।

খন্দকার আল মঈন বলেন, গ্রেপ্তার করা ছগির হোসেন ১৯৮৭ সালে বরগুনা থেকে ঢাকায় এসে প্রথমে একটি হোটেল বয়ের কাজ নেয়। পরবর্তীকালে ভ্যানে ফেরি করে গার্মেন্টস পণ্য বিক্রি করত। পোশাক বিক্রির সময় ছগিরের সঙ্গে ইদ্রিস নামের একজনের পরিচয় হয়। পরিচয়ের সুবাদে তাদের মধ্যে সু-সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ইদ্রিসের মাধ্যমে ছগিরের জাল নোট তৈরির হাতেখড়ি হয়।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, প্রথমে ইদ্রিস জাল নোট বিক্রি ও পরবর্তীকালে জাল নোট তৈরি শেখে। ২০১৭ সালে জাল নোটসহ ইদ্রিস ও ছগির আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে গ্রেপ্তার হয়। এক বছর জেল খেটে পুনরায় ছগির ২০১৮ সাল থেকে জাল নোট তৈরি শুরু করে। এসব জাল নোটগুলো ছগির চক্রে থাকা অন্যান্য সহাযোগীদের মাধ্যমে বিক্রি করত।

খন্দকার আল মঈন বলেন, প্রতি এক লাখ জাল নোট ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকার বিনিময়ে বিক্রি করত চক্রটি। ছগিরের সহযোগীরা মাঠ পর্যায়ে সরবরাহ ও বিক্রি করত। টার্গেট বা চাহিদা অনুযায়ী ছগির প্রতি মাসে তার সহযোগীদের বোনাসও দিত।

করোনাকালীন সময়ে মাঝে মধ্যে ছগির নিজেও এ জাল নোট স্থানীয় বাজারে ব্যবহার করত। কয়েকবার সে সাধারণ জনগণের হাতে ধরাও পড়েছিল বলে জিজ্ঞাসাবাদে আমরা জানতে পেরেছি। চক্রটি সাধারণত কোনো মেলায়, ঈদে পশুর হাটে ও অধিক জনসমাগম অনুষ্ঠানে জাল নোট বিভিন্ন কৌশলে ব্যবহার করত। বর্তমানে বাণিজ্য মেলা ও শীতকালীন প্রত্যন্ত অঞ্চলের বিভিন্ন উৎসব ও মেলাকে কেন্দ্র করে বিপুল পরিমাণ জাল টাকা তৈরির পরিকল্পনা করছিল তারা।


আরও খবর



সিরাজগঞ্জে চালু হল ডিজিটাল ডাস্টবিন

প্রকাশিত:সোমবার ১৭ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ১৭ জানুয়ারী ২০২২ | ৩১৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

সিরাজগঞ্জ পৌর এলাকার আবর্জনা অপসারণে পরীক্ষামূলকভাবে ডিজিটাল ডাস্টবিন চালু করা হয়েছে। এতে ময়লা স্বয়ংক্রিয়ভাবে গাড়িতে উঠিয়ে অপসারণ করা হচ্ছে। কর্তৃপক্ষ বলছে, এর ফলে দুর্গন্ধময় পরিবেশ থেকে রক্ষা পাবে শহরবাসী।

সিরাজগঞ্জ শহরে খোলা ডাস্টবিন থেকে দূষিত হচ্ছে পরিবেশ। এ অবস্থা থেকে উত্তরণের স্থাপন করা হয়েছে ডিজিটাল ডাস্টবিন। পৌরবাসী বলছেন, পরিবেশ রক্ষায় এটি ইতিবাচক পদক্ষেপ।

পৌরবাসীরা জানান, এই ডাস্টবিনটা হওয়ার কারণে সিরাজগঞ্জ শহরের মেইন রোড অর্থাৎ মুজিব সড়কে যে নোংড়া অবস্থা ছিল এটা থেকে শহরবাসী পরিত্রাণ পাবে। এটা অন্যতম ভালো উদ্যোগ, বাংলাদেশের মধ্যে এটা ব্যতিক্রম। ডিজিটাল এই ডাস্টবিন পরিচ্ছন্ন কর্মীদের কাজ সহজতর হবে বলে মনে করছেন এর উদ্ভাবক।

উদ্ভাবক মোস্তফা কামাল তারা বলেন, পুরো এলাকাটা নষ্ট হয়ে থাকে এমনকি পাঁয়েও ভরে। তারপরে এটা যখন ট্রাকে উঠায় তখনও রাস্তা নষ্ট হয়। ময়লা-আবর্জনা থাকবে কিন্তু সেটা বোঝাই যাবে না। সেই ভাবনা থেকে এটা বানিয়েছি, যাতে হাতের কোন স্পর্শ না লাগে।

এমন কার্যক্রমের প্রশংসা করেছেন সচেতন মহল। সুফল পাওয়া গেলে শীঘ্রই এমন ডাস্টবিন স্থাপন করা হবে জানান মেয়র। পৌর মেয়র আব্দুর রউফ মুক্তা বলেন, দুই মাস এটার ট্রায়াল দেখবো। এটা সাকসেস হলে সিরাজগঞ্জের প্রত্যেক সড়কেই এটা চালু করা হবে।

সিরাজগঞ্জ অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোঃ মুনির হোসেন বলেন, যে স্টাফরা আছেন ওনারা জানতে পারবেন যে আমার কোন ডাস্টবিনটা ৯০ শতাংশ ভরে গিয়েছে। তখন অটোমেটিকভাবে ট্রাক আসবে, তখন অটোসিস্টেমে অর্থাৎ কারো হাতের স্পর্শছাড়া অটোমেটিকভাবে ময়লা ট্রাকে নিয়ে যেতে পারবেন।

শহরকে সুন্দর ও পরিচ্ছন্ন রাখতে পৌরবাসীকেও এগিয়ে আসতে হবে বলছেন বিশিষ্টজনরা।

 

 


আরও খবর