আজঃ রবিবার ০৩ ডিসেম্বর ২০২৩
শিরোনাম

বগুড়ায় মহাসড়কে বাসের ধাক্কায় ইজিবাইক যাত্রী নিহত

প্রকাশিত:শনিবার ২৯ এপ্রিল ২০২৩ | হালনাগাদ:শনিবার ২৯ এপ্রিল ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
Image

শেরপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি:

বগুড়ার শেরপুরে মহাসড়কে দূরপাল্লার বাসের ধাক্কায় একজন ব্যাটারী চালিত ইজিবাইকের যাত্রী নিহত হয়েছেন। এ সময় ইজিবাইকের চালক ও আরেক যাত্রী আহত হয়েছেন।

আজ শনিবার বেলা পৌনে দুইটার দিকে ঢাকাবগুড়া মহাসড়কের উপজেলার মির্জাপুর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

এদিকে ইজিবাইককে চাপা দেওয়া বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মহাসড়কের পাশের একটি খাদে পড়ে যায়। তবে এ ঘটনায় বাসের কোনো যাত্রী গুরুতর আহত হননি।

জানা যায়, দুর্ঘটনায় ইজিবাইক গাড়ির যাত্রী উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের বীরগ্রামের বাসিন্দা আবদুল হাই (৫৫) নিহত হয়।

ব্যাটারি চালিত ইজিবাইক চালক দুদু মিয়া শেরপুর হাসপাতালে নিয়ে আসলে তার অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে উন্নতি চিকিৎসার জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। তবে আহত যাত্রী সাদ্দাম হোসেন শেরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসাধীন আহত যাত্রী সাদ্দাম হোসেন বলেন, ইজিবাইক গাড়ি যোগে তাঁরা মহাসড়কের উপর দিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। তাদের গাড়িটির যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কা লাগে। এতে তিনিসহ ইজিবাইক গাড়ি চালক দুদু মিয়া আহত হয়েছেন। আবদুল হাই নামে আরেকজন যাত্রী নিহত হয়েছে।

স্থানীয়রা বলেন, ঢাকাগামী নাবিল পরিবহন বাসটি যাওয়ার সময় মহাসড়কে চলাচলে নিষিদ্ধ যান বেপরোয়া ভাবে যার কারণে বাসটির সাথে ধাক্কা লাগে। এতে বাসটি ঘটনাস্থলে একটি মহাসড়কের পাশের ডেনে পড়ে উল্টে যায় এবং ইজিবাইক গাড়িটির এই হাতাহাতের ঘটনা ঘটে। ইজিবাইক গাড়িটি রক্ষা করতে গিয়ে বাসটি মহাসড়কের পাশে গর্তে উল্টে যায়। সম্প্রতি সময়ে শেরপুরের মহাসড়কের উপর দিয়ে বেপরোয়া ভাবে চলাচলের নিষিদ্ধ থাকলেও অবাধে থ্রি হুইলার, অবৈধ ভুটভুটি, ব্যাটারি চালিত ইজিবাইক, সিএনজি, গাড়ি অবাধে চলাচল করছে। আজ দুর্ঘটনা কবলিত ওই ইজিবাইক গাড়িটি মহাসড়কের উপর দিয়ে রানিরহাট সড়কের দিকে যাচ্ছিল।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে শেরপুর হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক জয়নাল আবেদীন সরকার বলেন, এই দুর্ঘটনা কোন ইজিবাইক গাড়ির সাথে ঘটেছে কিনা তা তারা জানেন না। এই দুর্ঘটনায় কেউ নিহত ও আহত হয়েছে কিনা তাও তাঁদের জানা নাই।

তবে নাবিল পরিবহন বাসের চেকার শাহিন আলম বলেন, মহাসড়কের ওই স্থানে ইজিবাই গাড়িটি রক্ষা করতে গিয়ে তাদের বাসটি মহাসড়কের পাশে নির্মাণাধীন কাজের গর্তের মধ্যে উল্টে যায়। এতে তাদের বাসের কোনো যাত্রী গুরুতর আহত হয়নি।


আরও খবর



নিম্নচাপ কেন্দ্রের এলাকায় সাগর উত্তাল

প্রকাশিত:শুক্রবার ০১ ডিসেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ ডিসেম্বর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

দক্ষিণপূর্ব বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন দক্ষিণপশ্চিম বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থানরত নিম্নচাপটি আরও পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়েছে। এছাড়া নিম্নচাপ কেন্দ্রের এলাকায় সাগর উত্তাল রয়েছে।

শুক্রবার (১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় আবহাওয়াবিদ মো. তরিফুল নেওয়াজ কবির স্বাক্ষরিত আবহাওয়ার বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে (তিন) এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, দক্ষিণপূর্ব বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন দক্ষিণপশ্চিম বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থানরত নিম্নচাপটি আরও পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে বর্তমানে দক্ষিণপশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন দক্ষিণপূর্ব বঙ্গোপসাগর এলাকায় (১০.২০ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৫.৩০ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ) অবস্থান করছে।

এটি সন্ধ্যা ৬টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ১৫১৫ কি.মি. দক্ষিণপশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ১৪৫০ কি.মি. দক্ষিণপশ্চিমে, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ১৪৪০ কি.মি. দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ১৪২০ কি.মি. দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে অবস্থান করছিল। এটি আরও পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর ও ঘনীভূত হতে পারে।

নিম্নচাপ কেন্দ্রের ৪৪ কি.মি. এর মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৪০ কি.মি., যা দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়ার আকারে ৫০ কি.মি. পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। নিম্নচাপ কেন্দ্রের নিকটবর্তী এলাকায় সাগর উত্তাল রয়েছে। চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে এক নম্বর নম্বর দূরবর্তী সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।

চলতি বছর এখন পর্যন্ত তিনটি ঘূর্ণিঝড় হয়েছে বাংলাদেশে। গত ১৪ মে আঘাত হানে ঘূর্ণিঝড় মোখা। এই ঘূর্ণিঝড় ওই দিন সন্ধ্যা ৬টায় টেকনাফ হয়ে বাংলাদেশ উপকূল অতিক্রম করে। গত ২৪ অক্টোবর রাতে ঘূর্ণিঝড় হামুন চট্টগ্রাম-কক্সবাজার উপকূলে আঘাত হানে। এরপর ১৭ নভেম্বর আঘাত হানে ঘূর্ণিঝড় মিধিলি। এখন নিম্নচাপটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিলে এর নাম হবে মিগজাউম। এটি মিয়ানমারের দেওয়া নাম।


আরও খবর



ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘মিধিলি’, বন্দরে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৭ নভেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৭ নভেম্বর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

Image
পায়রা ও মোংলা সমুদ্রবন্দরকে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরকে ৬ নম্বর বিপদ সংকেত ৬ দেখাতে বলা হয়েছে।

বঙ্গোপসাগরে গভীর নিম্নচাপ থেকে রূপ নেওয়া ঘূর্ণিঝড় মিধিলি শুক্রবার সন্ধ্যা নাগাদ খেপুপাড়ার কাছ দিয়ে মোংলা-পায়রা উপকূল অতিক্রম করতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। আর ঘূর্ণিঝড়টির অগ্রভাগ আজ দুপুর নাগাদ উপকূল অতিক্রম শুরু করতে পারে।

আজ শুক্রবার (১৭ নভেম্বর) ঘূর্ণিঝড় সংক্রান্ত আবহাওয়ার ৯ নম্বর বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, পায়রা ও মোংলা সমুদ্রবন্দরকে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরকে ৬ নম্বর বিপদ সংকেত ৬ দেখাতে বলা হয়েছে।

ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে উপকূলীয় জেলা লক্ষ্মীপুর, ফেনী, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, বাগেরহাট, খুলনা, সাতক্ষীরা এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহের নিম্নাঞ্চল স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ৩-৫ ফুট অধিক উচ্চতার বায়ুতাড়িত জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হতে পারে।

ঘূর্ণিঝড়টির প্রভাবে ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগে ভারি থেকে অতিভারি বর্ষণ হতে পারে। উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলা হলো।

৯ নম্বর বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, উত্তরপশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড় মিধিলি উত্তর-উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর হয়ে একই এলাকায় (২০.৩০ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৮.৬০ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ) অবস্থান করছে।

এটি শুক্রবার সকাল ৯টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৪১৫ কিমি পশ্চিম-দক্ষিণপশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ৩৯৫ কিমি পশ্চিম-দক্ষিণপশ্চিমে, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ২৬৫ কিমি দক্ষিণ-পশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ২৭০ কিমি দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছিল। এটি আরও উত্তর-উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর হয়ে আজ সন্ধ্যা নাগাদ খেপুপাড়ার কাছ দিয়ে মোংলা-পায়রা উপকূল অতিক্রম করতে পারে।

ঘূর্ণিঝড়টির অগ্রবর্তী অংশের প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা এবং এর অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরের ওপর দিয়ে দমকা/ঝোড়ো হাওয়াসহ ভারী থেকে অতিভারী বর্ষণ অব্যাহত রয়েছে।

ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৫৪ কিমি এর মধ্যে বাতাসের ঘণ্টায় সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২ কিমি, যা দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ৮৮ কিমি পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের নিকটবর্তী এলাকায় সাগর খুবই উত্তাল রয়েছে।

নিউজ ট্যাগ: ঘূর্ণিঝড় মিধিলি

আরও খবর



অন্তর্জালে ধ্রুব গানওয়ালা’র ‘সাদা মেঘের ভাঁজে’

প্রকাশিত:রবিবার ০৫ নভেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:রবিবার ০৫ নভেম্বর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
বিনোদন ডেস্ক

Image

তরুণ প্রজন্মের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী ধ্রুব গানওয়ালা। সম্প্রতি সাদা মেঘের ভাঁজে শিরোনামের একটি গানে কণ্ঠ দিয়েছেন এই শিল্পী। গানটির চমৎকার কথা ও সুর করেছেন শিল্পী নিজেই। গানটির সংগীতায়োজন করেছেন সংগীত পরিচালক রাজন সাহা।

সাদা মেঘের ভাঁজে গানটির মিউজিক ভিডিও পরিচালনা ও সম্পাদনা করেছেন অনিক খান। গানের ভিডিওতে অভিনয় করেছেন শাকিন অপু ও তৃণা।

গতানুগতিক ধারার পেছনে ছুটে না বেড়িয়ে ধ্রুব তার পেশাগত কাজের বাইরে গান নিয়েই দিনের বেশির ভাগ সময় পার করেন। নিজেই গান লিখেন, সুর করেন আর যত্ন করে কণ্ঠে তুলে নেন নতুন নতুন সব মৌলিক গান। গানই তার প্রথম প্রায়োরিটি, গানই তার ধ্যান জ্ঞান।

গানটি সম্পর্কে ধ্রুব গানওয়ালা বলেন, ছোটবেলা থেকেই গানের প্রতি তার অসম্ভব টান ছিল। বাবা পেশাদার শিল্পী না হলেও ভালো গান গাইতে পারতেন। বাবার আদর্শ ও অনুপ্রেরণায় গান শিখেছেন মফস্বলের কয়েকজন গুণী শিক্ষকের কাছে। পড়াশোনার উদ্দেশ্যে ঢাকায় আসার পরে গণসংগীত শিল্পী আহমেদ ইলিয়াসের কাছে একটানা চার বছর প্রাতিষ্ঠানিকভাবে সংগীতে দীক্ষা নিয়েছেন। এছাড়া ছায়ানট বিদ্যায়তনে নজরুল সংগীত ও চর্চা করেছেন । বর্তমানে নিয়মিত ক্ল্যাসিক্যাল সংগীতে তালিম নিচ্ছেন দেশের প্রখ্যাত একজন গুরুর কাছে। গানকে সঙ্গী করেই রচনা করতে চান সুরের স্বর্গরাজ্য । সকলের শুভকামনা ও ভালোবাসা নিয়ে সংগীতের হাত ধরে শিল্পী আগামীর পথটুকু চলতে চান।

উল্লেখ্য, গানটি গত ৩ নভেম্বর ধ্রুব গানওয়ালা নামের একটি ইউটিউব চ্যানেলে মুক্তি পেয়েছে।


আরও খবর



খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে ১১ মামলার অভিযোগ গঠনের শুনানি ১৪ জানুয়ারি

প্রকাশিত:সোমবার ১৩ নভেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:সোমবার ১৩ নভেম্বর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
আদালত প্রতিবেদক

Image

বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহসহ ১১ মামলার পরবর্তীতে শুনানির জন্য আগামী ১৪ জানুয়ারি দিন ধার্য করেছেন আদালত। আজ সোমবার (১৩ নভেম্বর) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মো. আছাদুজ্জামান এই দিন ধার্য করেন। আদালতের সরকারি কৌঁসুলি তাপস কুমার পাল এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

আইনজীবী তাপস কুমার পাল বলেন, আজ অভিযোগ গঠনের শুনানির দিন ধার্য ছিল। কিন্তু অভিযোগ গঠনের জন্য সময়ের আবেদন করেন আসামিপক্ষ। শুনানি শেষে বিচারক সময়ের আবেদন মঞ্জুর করেছেন। এ ছাড়া ১১ মামলার মধ্যে অনেক মামলার কার্যক্রম হাইকোর্টে স্থগিত রয়েছে।

বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে মিরপুরের দারুস সালাম থানায় নাশকতার আটটি, রাষ্ট্রদ্রোহের একটি ও যাত্রাবাড়ী থানায় বিস্ফোরক ও হত্যা আইনে দুটি মামলা রয়েছে। রাষ্ট্রদ্রোহের মামলার নথি থেকে জানা গেছে, ২০১৬ সালের ২৫ জানুয়ারি ঢাকা মহানগর হাকিম রাশেদ তালুকদারের আদালতে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সমিতির সাবেক সম্পাদক ড. মোমতাজ উদ্দিন আহমদ মেহেদী বাদী হয়ে এ মামলা করেন। পরে বেগম খালেদা জিয়া আদালতে হাজির হয়ে জামিন নেন। 

আরও পড়ুন>> আজ খুলনায় যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

মামলার আরজিতে বলা হয়, ২০১৫ সালের ২১ ডিসেম্বর বাংলাদেশ ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল আয়োজিত এক আলোচনা সভায় বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া বলেন আজকে বলা হয়, এত লক্ষ শহীদ হয়েছে। এটা নিয়েও অনেক বিতর্ক আছে। ওই দিন খালেদা জিয়া আরও বলেন, তিনি (বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান) বাংলাদেশের স্বাধীনতা চাননি। তিনি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হতে চেয়েছিলেন। জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা না দিলে মুক্তিযুদ্ধ হতো না।

যাত্রাবাড়ী থানার মামলার নথি থেকে জানা যায়, ২০১৫ সালের ২৩ জানুয়ারি রাতে যাত্রাবাড়ীর কাঠেরপুল এলাকায় গ্লোরী পরিবহণের যাত্রীবাহী একটি বাসে পেট্রলবোমা হামলা হয়। এতে বাসের ২৯ যাত্রী দগ্ধ হন। পরে তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হলে ১ ফেব্রুয়ারি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান নূর আলম (৬০) নামের এক যাত্রী। এ ঘটনায় ২০১৫ সালের ২৪ জানুয়ারি বেগম খালেদা জিয়াকে হুকুমের আসামি করে যাত্রাবাড়ী থানায় মামলা করেন থানার উপপরিদর্শক (এসআই) কে এম নুরুজ্জামান। 

আরও পড়ুন>> আব্দুল্লাহপুরে বাসে আগুন দেওয়ার সময় একজনকে আটক

মামলার উল্লেখযোগ্য অন্য আসামিরা হলেনবিএনপির স্থায়ী কমিটির প্রয়াত সদস্য এম কে আনোয়ার, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, যুগ্ম মহাসচিব হাবিব-উন-নবী খান সোহেল, ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু, খন্দকার মাহবুব হোসেন ও শওকত মাহমুদ, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমানউল্লাহ আমান, চেয়ারপারসনের প্রেস সচিব মারুফ কামাল খান সোহেল, চেয়ারপারসনের বিশেষ সহকারী শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস।

অন্যদিকে, ২০১৫ সালে দারুস সালাম থানা এলাকায় নাশকতার অভিযোগে আটটি মামলা করা হয়। এই আট মামলায় বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে আসামি করা হয়।


আরও খবর
তফসিল স্থগিত চাওয়া রিটের শুনানি আজ

রবিবার ০৩ ডিসেম্বর ২০২৩

হাইকোর্টে জিতলেন ড. ইউনূস

বৃহস্পতিবার ৩০ নভেম্বর ২০২৩




আজ নরসিংদী যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:রবিবার ১২ নভেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:রবিবার ১২ নভেম্বর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

১৯ বছর পর নরসিংদী যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রোববার (১২ নভেম্বর) বিকেলে জেলার মোসলেহ উদ্দিন স্টেডিয়ামে জনসভায় যোগ দেবেন তিনি। এসময় তিনি প্রায় ১৬ হাজার কোটি টাকার ১১টি উন্নয়ন প্রকল্প উদ্বোধন করবেন।

এদিকে প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে ফেলা হয়েছে গোটা নরসিংদী। এসএসএফ, র‌্যাব ও পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রায় ১০ হাজার সদস্য ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রীকে নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য নরসিংদীতে অবস্থান করছেন। স্টেডিয়াম ও আশপাশের এলাকা, পলাশের ঘোড়াশাল ও পলাশ ইউরিয়া সার খারখানা এলাকায় নিরাপত্তার জন্য সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হয়েছে। প্রবেশ পথগুলোতে সন্দেহভাজন যানবাহন ও ব্যক্তিদের তল্লাশি করা হচ্ছে।

জেলা আওয়ামী লীগ সূত্র জানায়, জনসভাকে কেন্দ্র করে উৎসবের আমেজ পুরো জেলায়। প্রধানমন্ত্রী বেলা সাড়ে ১১টায় পলাশের ইউরিয়া সার কারখানা উদ্বোধন করবেন। পরে এক সুধী সমাবেশে বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে তার। দুপর আড়াইটায় নরসিংদী সার্কিট হাউজে মধ্যাহ্ন ভোজে অংশ নিবেন। বিকেলে নরসিংদী মোসলেহ উদ্দিন স্টেডিয়ামে বসে অনলাইনে ৪৭ কোটি ১৪ লাখ ৬৯ হাজার ১২৬ টাকা ব্যয়ে নির্মিত বাকি ১০টি উন্নয়ন প্রকল্প উদ্বোধন করবেন।

নরসিংদীর জেলা প্রশাসক ড. বদিউল আলম জানান, নরসিংদীতে প্রধানমন্ত্রীর আগমনের চিঠি পাওয়ার পরই সরকারের সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। ইতোমধ্যে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। মঞ্চ ও হ্যালিপেড তৈরি, রাস্তাঘাটের সংস্কার কাজসহ পূর্ণ প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।

জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি জিএম তালেব হোসেন জানান, প্রধানমন্ত্রীকে বরণ করতে সব আয়োজন সম্পন্ন হয়েছে। সকল মতভেদ ও মান-অভিমান ভুলে দলীয় নেতাকর্মীদের পাশাপাশি নরসিংদীর সর্বস্তরের মানুষ অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে প্রধানমন্ত্রীকে বরণ করতে।


আরও খবর
ফার্মগেটে ককটেল বিস্ফোরণ, আহত ২

শনিবার ০২ ডিসেম্বর 2০২3