আজঃ শনিবার ২২ জুন ২০২৪
শিরোনাম

বিচার ব্যবস্থায় বিদেশি হস্তক্ষেপ, ৫০ সম্পাদকের প্রতিবাদ

প্রকাশিত:শনিবার ০২ সেপ্টেম্বর 2০২3 | হালনাগাদ:শনিবার ০২ সেপ্টেম্বর 2০২3 | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

নোবেল জয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে চলমান শ্রম আইন লঙ্ঘন মামলার বিষয়ে বিশ্বের ১৮৪ বিশিষ্ট ব্যক্তির খোলা চিঠির প্রতিক্রিয়ায় প্রতিবাদ ও উদ্বেগ জানিয়েছেন দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমের ৫০ জন সম্পাদক। শনিবার (২ সেপ্টেম্বর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তারা এ উদ্বেগ জানান।

বিবৃতিতে তারা বলেন, প্রধানমন্ত্রীকে লেখা এ ধরনের খোলা চিঠি সার্বভৌম দেশের স্বাধীন বিচার ব্যবস্থার ওপর অযাচিত হস্তক্ষেপ। আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ জানাই। বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৪(৪) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বাংলাদেশের বিচার বিভাগ সম্পূর্ণরূপে স্বাধীন। এ ধরনের চিঠি প্রদানের মাধ্যমে তারা অনৈতিক, বেআইনি ও অসাংবিধানিকভাবে বাংলাদেশের স্বাধীন বিচার ব্যবস্থার ওপর হস্তক্ষেপ করেছেন বলে আমরা মনে করি।

এ ধরনের বিবৃতি বা খোলা চিঠি আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও) এবং বাংলাদেশের আইনে শ্রমিকদের প্রদত্ত অধিকার সংক্রান্ত বিধানাবলীর সম্পূর্ণ পরিপন্থী বলেও দাবি করেন সম্পাদকরা।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, আন্তর্জাতিকভাবে সম্মানিত এবং নোবেল বিজয়ীদের এ ধরনের বিবৃতি এবং চিঠি অনাকাঙ্খিত এবং অনৈতিক। একজন অপরাধ করলে তার বিরুদ্ধে মামলা করা যাবে না এবং বিচার করা যাবে না এমন দাবি ন্যায়বিচার এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার পরিপন্থী। আমরা মনে করি তারা মামলা সম্পর্কে পুরোপুরি না জেনে এমন দাবি করেছেন। তাই আমরা তাদেরকে অথবা তাদের প্রতিনিধি এসে মামলায় ড. ইউনূসকে আদৌ হয়রানি করা হচ্ছে কি না, তা তারা পর্যবেক্ষণ করতে পারেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাদের এই আহ্বান জানিয়েছেন আমরা তা সমর্থন করি।

বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, খোলা চিঠিতে বাংলাদেশের গণতন্ত্র এবং নির্বাচন সংক্রান্ত বিষয়ে যে ধরনের মন্তব্য করা হয়েছে, তা স্বাধীন-সার্বভৌম একটি রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে সরাসরি হস্তক্ষেপের শামিল। মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত স্বাধীন দেশের নাগরিক হিসেবে বাংলাদেশের জনগণ যে কোনো মহলের এ ধরনের অবমাননাকর, অযাচিত ও বেআইনি হস্তক্ষেপ কোনোভাবেই মেনে নেবে না।

আমরা সংশ্লিষ্ট সবাইকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, স্বাধীন বিচার ব্যবস্থা এবং শ্রমিকদের অধিকারের বিষয়ে সম্মান প্রদর্শনের জন্য আহ্বান জানাচ্ছি।

বিবৃতি দানকারী ৫০ জন সম্পাদক:

১। ইকবাল সোবাহান চৌধুরী, সম্পাদক, ডেইলি অবজারভার

২। গোলাম রহমান, সম্পাদক, আজকের পত্রিকা

৩। তাসমিমা হোসেন, সম্পাদক, ইত্তেফাক

৪। আবুল কালাম আজাদ, প্রধান সম্পাদক, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা

৫। ইমদাদুল হক মিলন, প্রধান সম্পাদক, কালের কণ্ঠ

৬। আলমগীর হোসেন, সম্পাদক, সমকাল

৭। সাইফুল আলম, সম্পাদক, যুগান্তর

৮। নঈম নিজাম, সম্পাদক, বাংলাদেশ প্রতিদিন

৯। ফরিদ হোসেন, সম্পাদক, ইউএনবি

১০। শ্যামল দত্ত, সম্পাদক, ভোরের কাগজ

১১। নাঈমুল ইসলাম খান, ইমিরিটাস এডিটর

১২। আলতামাশ কবির, সম্পাদক, সংবাদ

১৩। আজিজুল ইসলাম ভূঁইয়া, সম্পাদক, পিপলস টাইম

১৪। রেজাউল করিম লোটাস, সম্পাদক, ডেইলি সান

১৫। শাহজাহান সরদার, সম্পাদক, বাংলাদেশ জার্নাল

১৬. নাসিমা খান মন্টি, সম্পাদক, আমাদের নতুন সময়

১৭। রফিকুল ইসলাম রতন, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক, বাংলাদেশ বুলেটিন

১৮। ফারুক আহমেদ তালুকদার, সম্পাদক, আজকালের খবর

১৯। সন্তোষ শর্মা, সম্পাদক, কালবেলা

২০। শরীফ শাহাবুদ্দিন, সম্পাদক, বাংলাদেশ পোস্ট

২১। শামীমা এ খান, সম্পাদক, জনকণ্ঠ

২২। কমলেশ রায়, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক, সময়ের আলো

২৩। মুস্তাফিজ শফি, সম্পাদক, প্রতিদিনের বাংলাদেশ

২৪। মোস্তফা মামুন, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক, দেশ রূপান্তর

২৫। বেলায়েত হোসেন, সম্পাদক, ভোরের ডাক

২৬। চৌধুরী জাফরউল্লাহ শারাফাত, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক, দৈনিক বাংলা

২৭। শামীম সিদ্দিকি, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক, আলোকিত বাংলাদেশ

২৮। আব্দুল মজিদ, সম্পাদক, সংবাদ সারাবেলা

২৯। রিমন মাহফুজ, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক, সংবাদ প্রতিদিন

৩০। মফিজুর রহমান খান বাবু, সম্পাদক, বাংলাদেশের আলো

৩১। আরিফুর রহমান দোলন, সম্পাদক, ঢাকা টাইমস

৩২। নুর হাকিম, সম্পাদক, সকালের সময়

৩৩। মো: জসিম, সম্পাদক, আমার বার্তা

৩৪। আখলাকুল আম্বিয়া, সম্পাদক, স্বাধীন বাংলা

৩৫। এস এম নূরে আলম সিদ্দিকী, সম্পাদক, আজকের দর্পণ

৩৬। ফরিদ বাঙ্গালী, সম্পাদক, লাখো কণ্ঠ

৩৭। ড. আসাদুজ্জামান, সম্পাদক, বাংলাদেশ সমাচার

৩৮। কিশোর আদিত্য, সম্পাদক, প্রথম কথা

৩৯। দীপক আচার্য্য, সম্পাদক, দ্যা সাউথ এশিয়ান টাইমস

৪০। আবু সাঈদ, সম্পাদক, আজকের সংবাদ

৪১। আতিকুর রহমান চৌধুরী, সম্পাদক, দর্পণ প্রতিদিন

৪২। রফিকুল ইসলাম, সম্পাদক, আলোর বার্তা

৪৩। মো: সেলিম, সম্পাদক, ডেইলি ইভিনিং নিউজ

৪৪। মোস্তফা হোসেন চৌধুরী, সম্পাদক, অগ্রসর

৪৫। নাজমুল হক সরকার, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক, বর্তমান

৪৬। শাহাদাত হোসেন শাহীন, সম্পাদক, গণমুক্তি

৪৭। মো. সাইদুল ইসলাম, সম্পাদক, প্রতিদিনের সংবাদ

৪৮। নাজমুল আলম তৌফিক, সম্পাদক, ডেইলি সিটিজেন টাইমস

৪৯। হেমায়েত হোসেন, সম্পাদক, কান্ট্রি টুডে সহ ৫০ জন।


আরও খবর



প্রথমবার মিস ইউনিভার্স ফিলিপাইনের মুকুট জিতলেন কৃষ্ণাঙ্গ নারী

প্রকাশিত:শনিবার ২৫ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৫ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিনোদন ডেস্ক

Image

প্রথম কোনও কৃষ্ণাঙ্গ নারী হিসেবে মিস ইউনিভার্স ফিলিপাইনের মুকুট জিতলেন চেলসি মানালো। ২৪ বছর বয়সী চেলসির মা ফিলিপিনো ও বাবা আফ্রিকান-আমেরিকান। গত সপ্তাহে মুকুট জয়ের মাধ্যমে ফিলিপাইনের সোশ্যাল মিডিয়ায় আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছেন এ তরুণী। ব্যবহারকারীরা বলছেন, ঐতিহ্যগত শুভ্র বর্শকে সৌন্দর্যের মাপকাঠি ধরা হয়ে থাকে, সেই ধারণাকে ভেঙে দিতে সাহায্য করেছেন চেলসি।

ম্যানিলা থেকে উত্তরের প্রদেশ বুলাকানের প্রতিনিধি হিসেবে প্রতিযোগিতায় যোগ দেন চেলসি মানালো। তাকে মোট ৫২ জনের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে হয়েছে।

প্রতিযোগিতার শীর্ষ পাঁচ ইভেন্টে চেলসি মানালোকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, নিজের সৌন্দর্য ও আত্মবিশ্বাসকে কীভাবে তিনি অন্যদের ক্ষমতায়নে ব্যবহার করবেন?

উত্তরে জানান, একজন কৃষ্ণ বর্ণের নারী হিসেবে সবসময় চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছেন। তাকে বলা হতো, সৌন্দর্যের একটা আদর্শ ধরন আছে, তিনি তেমন নয়। কিন্তু চেলসি মানালোকে তার মা সব সময়ে নিজের প্রতি বিশ্বাস রাখতে শিখিয়েছিলেন। এসব ঘটনা যেভাবে মোকাবেলা করেছেন, সেভাবে অন্য নারীদের প্রভাবিত করতে চান তিনি।

এশিয়ার অন্যান্য দেশের মতো ফিলিপাইনেও মডেল ও অভিনেতা হিসেবে উজ্জ্বল বর্ণধারীদের প্রাধান্য রয়েছে। এসব দেশে ত্বক ফর্সাকারী পণ্যগুলো ভীষণ জনপ্রিয়।

চেলসি মানালো ১৪ বছর বয়স থেকে বিজ্ঞাপন জগতে কাজ করছেন। কাজ করতে গিয়ে পদে পদে বাধা শিকার হয়েছেন বলেও জানান তিনি।

এবারের মিস ইউনিভার্সে শতাধিক দেশের প্রতিনিধিরা অংশ নেবেন। তবে সম্প্রতি কিছু অভিযোগের কারণে প্যারেন্ট কোম্পানি মিস ইউনিভার্স অরগানাইজেশন যুক্তরাষ্ট্রে আওতায় এসেছে। চলতি মাসেই অব্যবস্থাপনা, নেতিবাচক কাজের পরিবেশ ও মানসিক স্বাস্থ্যে ক্ষতির অভিযোগ তুলে খেতাব ফিরিয়ে দেন সর্বশেষ আসরের মিস ইউএসএ ও মিস টিন ইউএসএ।


আরও খবর



ঘূর্ণিঝড় রেমাল: বৃষ্টিতে বন্ধ মেট্রোরেল, যাত্রীদের ভোগান্তি

প্রকাশিত:সোমবার ২৭ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৭ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাবে রাজধানীতে বন্ধ আছে মেট্রোরেল চলাচল। আজ সোমবার (২৭ মে) সকালে মেট্রোরেলের বিভিন্ন স্টেশনে ঢোকার গেট বন্ধ রাখা হয়। এদিকে অনেক যাত্রীরা যাতায়াতের জন্য এসে গেট বন্ধ দেখে ফিরে গেছেন।

গতকাল সন্ধ্যায় ঘূর্ণিঝড় রেমাল খুলনা-বরিশাল বিভাগের উপকূলে সর্বোচ্চ ১০২ কিলোমিটার গতি নিয়ে আঘাত হানে। সারারাত ঝড়ের তাণ্ডব চলেছে। এর প্রভাবে ঢাকাসহ সারাদেশে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির কথা জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। ভোর থেকেই ঢাকাতে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি শুরু হয়।

এর আগে মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছিল, এমন দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়াতে মেট্রোরেল চলাচল বন্ধ রাখা হবে। বৈদ্যুতিক সংযোগ, সিগনালিংসহ নানা সমস্যা হতে পারে। যদিও আজকে বন্ধের বিষয়ে আগে থেকে কিছু জানানো হয়নি। বন্ধ থাকার বিষয়ে মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষের কারও বক্তব্য জানা যায়নি।

এর আগে গত শনিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে মেট্রোরেল চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রীরা। পরে সোয়া এক ঘণ্টা পর চলাচল শুরু হয়।


আরও খবর



এমপি আনারের আসন শূন্য ঘোষণা নিয়ে জটিলতা

প্রকাশিত:রবিবার ২৬ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৬ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

চিকিৎসার জন্য ভারতের পশ্চিমবঙ্গে গিয়ে খুন হয়েছেন সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজিম আনার। ২২ মে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান। তবে এখন পর্যন্ত এমপি আনারের লাশ পাওয়া যায়নি। মরদেহ পাওয়া না গেলে সংসদে তার আসন শূন্য ঘোষণা নিয়ে জটিলতা দেখা দিতে পারে।

এদিকে নির্বাচন কমিশনেরও ৯০ দিনের মধ্যে উপনির্বাচন অনুষ্ঠানের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। তার স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ ও ব্যাংক হিসাব পরিচালনার জন্যও মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া জরুরি।

১২ মে চিকিৎসার জন্য ব্যক্তিগত সফরে ভারতে যান ঝিনাইদহ-৪ আসনের টানা তিনবারের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনার। ১৭ মে থেকে পরিবারের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। পরদিন তাঁর নিখোঁজের বিষয়ে উত্তর কলকাতার বরানগর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন সেখানকার বন্ধু গোপাল বিশ্বাস। এরপর সংসদ সদস্যের মেয়ে মুমতারিন ফেরদৌস ডরিন ঢাকায় গোয়েন্দা সংস্থা ডিবির কাছে বাবার নিখোঁজের অভিযোগ দেন।

গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, ১৩ মে রাতে খুন করা হয় আনোয়ারুলকে। কলকাতা পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধারে চেষ্টা চালাচ্ছে। এর মধ্যে ১২ দিন পেরিয়ে গেলেও মৃতদেহ পাওয়া যায়নি।

দেশের আর কোনো সংসদ সদস্যের ক্ষেত্রে এমন ঘটনা আর ঘটেনি। এ ক্ষেত্রে মরদেহ পাওয়া না গেলেও কীভাবে তার সংসদীয় আসন শূন্য ঘোষণা করা হবে, তা নিয়ে কিছুটা জটিলতা রয়েছে।

এ বিষয়ে সংসদ সচিবালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব কে এম আবদুস সালাম গণমাধ্যমকে বলেন, একটা বিশ্বাসযোগ্য সূত্র থেকে মৃত্যুর তথ্যটা পেতে হবে। অনেক সময় মারা গেলে তাঁর দাফন হয়, জানাজা হয়; কিন্তু এ ক্ষেত্রে তো সেটা এখনো হয়নি।

বিষয়টি আজ রোববার স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর কাছে উপস্থাপন করা হতে পারে বলে জানিয়েছেন তিনি।

সংসদ সদস্য মারা গেলে কিংবা অনুমতি ছাড়া ৯০ কার্যদিবস সংসদের বৈঠকে অনুপস্থিত থাকলে পদ শূন্য ঘোষণা করে সংসদ সচিবালয়। এ-সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশনকে জানায় সংসদ। নির্বাচন কমিশন ৯০ দিনের মধ্যে উপনির্বাচনের আয়োজন করে। সাধারণত কোনো সংসদ সদস্যের মৃত্যুর এক সপ্তাহের মধ্যেই আসন শূন্য ঘোষণা করা হয়। সংসদ সদস্য মারা গেলে স্পিকার শোক প্রস্তাব গ্রহণ করেন। সংসদের অধিবেশন চলাকালে কেউ মারা গেলে ওই দিনের জন্য অধিবেশন মুলতবি করার রেওয়াজ আছে।

তবে কোনো সংসদ সদস্য মারা গেলে বা খুন হওয়ার পর মরদেহ না পেলে কীভাবে সংসদীয় আসন শূন্য ঘোষণা করা হবে, তা সংবিধান বা সংসদের কার্যপ্রণালি বিধিতে উল্লেখ নেই। এ বিষয়ে সংবিধান বিশেষজ্ঞ ড. শাহদীন মালিক বলেন, উনি যে খুন হয়েছেন, সেটা সংসদ সচিবালয়ের ব্যাপার না। তার নিহত হওয়ার ব্যাপারটা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে লিখিতভাবে সংসদ সচিবালয়কে নিশ্চিত করতে হবে। তারপর সংসদ সচিবালয় আসন শূন্য ঘোষণা করবে।


আরও খবর



সাবেক ভ্যাট কমিশনার ওয়াহিদা রহমানের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সাবেক কমিশনার ওয়াহিদা রহমানের বিদেশ যাত্রায় নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন আদালত।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ আসামছ জগলুল হোসেন এই আদেশ দেন।

ওই কমিশনারকে বিদেশ ভ্রমণে ৬০ দিনের নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। তার বিরুদ্ধে চারটি মোবাইল কোম্পানিকে (ফোন, রবি, বাংলালিংক ও এয়ারটেল লিমিটেড) ১৫২ কোটি টাকা সুদ ছাড়ের অভিযোগ রয়েছে। শুনানিতে অংশ নেন দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর মাহমুদ হোসেন জাহাঙ্গীর।

কাস্টমস কমিশনার ওয়াহিদা রহমান চৌধুরী এনবিআরের বৃহৎ করদাতা ইউনিটের কমিশনার হিসেবে অবসরে যান। বর্তমানে তিনি পিআরএলে রয়েছেন।

গত মঙ্গলবার (১১জুন) সংস্থাটির সমন্বিত জেলা কার্যালয়, ঢাকা-১ এ দুদকের সহকারী পরিচালক মো. শাহআলম শেখ বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, চারটি প্রতিষ্ঠানের স্থান ও স্থাপনা ভাড়ার ওপর আইনানুগভাবেই ভ্যাট প্রযোজ্য হওয়ায় তা মেনে নিয়ে প্রতিষ্ঠানগুলো বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির মাধ্যমে যথাসময়ে ১৮৯ কোটি ৭৪ লাখ ১৫ হাজার টাকা পরিশোধ করার কথা বলে। কিন্তু প্রতিষ্ঠানগুলো নির্ধারিত কর মেয়াদে তা পরিশোধ না করায় মূসক আইন অনুযায়ী প্রযোজ্য হারে প্রদেয় সুদের পরিমাণ হয় ১৫২ কোটি ৮৯ হাজার ৩৯০ টাকা। মূল্য সংযোজন কর আইন ১৯৯১ এর ধারা ৩৭(৩) অনুসারে সুদ আদায়ের জন্য কমিশনার ওয়াহিদা রহমান চৌধুরী অতি দ্রুত সুদের হিসাব করার নির্দেশ প্রদান করেন। সুদ হিসাবে সরকারের পাওনা অর্থের মধ্যে গ্রামীণ ফোন লিমিটেডের কাছে ৫৮ কোটি ৬৪ লাখ ৮৮ হাজার ৬৯৭ টাকা, বাংলালিংক ডিজিটাল কমিউনিকেশনের কাছে ৫৭ কোটি ৮৮ লাখ ৫৩ হাজার ৫১ টাকা, রবি আজিয়াটার কাছে ১৪ কোটি ৯৪ লাখ ১৬ হাজার ৬৬৬ টাকা এবং এয়ারটেল বাংলাদেশের কাছে ২০ কোটি ৫৩ লাখ ৩০ হাজার ৯৫২ টাকা রয়েছে। পরবর্তীকালে ক্ষমতার অপব্যবহার করে ৩ থেকে ৫ মাস পর ভিন্ন আদেশে ওই সুদ মওকুফ করে দেন ওয়াহিদা রহমান।

এনবিআর সদস্য হোসেন আহমদের নেতৃত্বে গঠিত তিন সদস্যের তদন্ত টিমের প্রতিবেদনেও এর সত্যতা পাওয়া যায়। তার বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ২১৮/৪০৯ ধারা ও ১৯৪৭ সনের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় মামলাটি করা হয়।ওই কমিশনারকে বিদেশ ভ্রমণে ৬০ দিনের নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। তার বিরুদ্ধে চারটি মোবাইল কোম্পানিকে ১৫২ কোটি টাকা সুদ ছাড়ের অভিযোগ রয়েছে। শুনানিতে অংশ নেন দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর মাহমুদ হোসেন জাহাঙ্গীর।


আরও খবর



মমতাই থাকছেন পশ্চিমবঙ্গে, বিজয় উৎসব শুরু

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৪ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৪ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

ভারতের ১৮তম লোকসভা নির্বাচনের ভোট গণনা চলছে। সাত ধাপে টানা দেড় মাস ভোটগ্রহণ শেষে মঙ্গলবার (৪ জুন) সকাল সাড়ে ৮টা থেকে শুরু হয় ভোট গণনা পর্ব। এতে ভারতের জাতীয় নির্বাচন কমিশনের দেওয়া তথ্য অনুসারে এখন পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গে ৪২ আসনের মধ্যে ৩৩ আসনে এগিয়ে আছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল তৃণমূল কংগ্রেস।

অন্যদিকে পশ্চিমবঙ্গে মোদির বিজেপি ৪২ আসনের মধ্যে ৯টিতে এগিয়ে রয়েছে, যা তাদের গতবারের পাওয়া ১৮ আসনের অর্ধেক।

যদিও এখন পর্যন্ত কোনো ফল ঘোষণা করা হয়নি। তবে এক-তৃতীয়াংশ গণনা শেষ হওয়ার পর তৃণমূল কংগ্রেসের সমর্থকরা ইতোমধ্যেই কলকাতার বিভিন্ন স্থানে বিজয় উৎসব শুরু করেছেন। তারা রাস্তায় না বেরোলেও রাজ্যের জেলাগুলোয় তৃণমূলের রং সবুজ আবির পরস্পরকে মাখিয়ে এবং স্লোগান দিয়ে তাদের উচ্ছ্বাস প্রকাশ করছেন।

প্রসঙ্গত, গত ১৯ এপ্রিল শুরু হয় এবারের লোকসভা নির্বাচন। সাত ধাপে ভোট শেষ হয় গত ১ জুন।


আরও খবর