আজঃ শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪
শিরোনাম

বিচ্ছেদের গুঞ্জনে মুখ খুললেন সৃজিত

প্রকাশিত:সোমবার ২৯ মে ২০২৩ | হালনাগাদ:সোমবার ২৯ মে ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
বিনোদন ডেস্ক

Image

বিয়েবহির্ভূত সম্পর্কের কারণে নাকি বাংলাদেশি অভিনেত্রী রাফিয়াত রশিদ মিথিলাকে ডিভোর্স দিচ্ছেন টালিউডের পরিচালক সৃজিত মুখোপাধ্যায়। গত কয়েক দিন ধরেই দুই বাংলায় এমন গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে। শোনা যাচ্ছে, অন্য নারীর সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়েছেন পরিচালক। আর সেই কারণেই নাকি তার থেকে ডিভোর্স চাইছেন মিথিলা।

শুধু তা-ই নয়, কয়েক মাসের মধ্যে মেয়ে আয়রাকে নিয়ে ফের বাংলাদেশে ফিরে যাবেন মিথিলা। সেই সঙ্গে কলকাতাকে নাকি বিদায়ও জানাবেন।

আরও পড়ুন<< স্বর্ণপাম জিতলেন ফ্রান্সের নির্মাতা জাস্টিন ত্রিয়েত

ভারতের সংবাদমাধ্যম নিউজ১৮-এর খবরে বলা হয়েছে, সম্প্রতি দুই বাংলা জুড়েই গুঞ্জন ছড়িয়েছে বিচ্ছেদের পথে হাঁটছেন সৃজিত-মিথিলা দম্পতি। বিষয়টি নিয়ে জোর চর্চা চললেও মুখে কুলুপ এঁটেছিলেন সৃজিত। অবশেষে বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছেন তিনি।

সৃজিত বলেন, আমাদের নিয়ে যা যা রটছে, তার কোনো ভিত্তি নেই। মধ্যপ্রদেশে শ্যুটিংয়ে ব্যস্ত আমি। তাই এসব নিয়ে মাথাও ঘামাতে পারছি না।

অন্যদিকে, বাংলাদেশের এক সংবাদমাধ্যম মিথিলাকে বিচ্ছেদের গুঞ্জন নিয়ে প্রশ্ন করাতে তিনিও তার স্বামীর সুরেই সুর মিলিয়েছেন। এই অভিনেত্রী জানিয়েছেন, সৃজিত কাজের সূত্রে বাইরে থাকেন, তিনিও নতুন ছবি নিয়ে ব্যস্ত। তাই তাদের একসঙ্গে দেখা যায় না খুব বেশি। আর সেই ফাঁকে তাদের নিয়ে এসব রটে। তিনিও এই গুঞ্জনকে ভিত্তিহীন তকমা দিয়েছেন।

আরও পড়ুন<< একটা স্বার্থান্বেষী মহল আমার বিরুদ্ধে এমনটা করেন: শাকিব খান

এর আগে গত বছরের নভেম্বরে গুঞ্জন চাউর হয়েছিল বিচ্ছেদের পথে হাঁটছেন সৃজিত-মিথিলা। এ দুই তারকার সোশ্যাল মিডিয়ার পোস্টকে কেন্দ্র করে এর সূচনা হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে মিথিলা দাবি করেন, এটি মিথ্যা, অনৈতিক।


আরও খবর



লোকসভা নির্বাচন: এগিয়ে দেব, পিছিয়ে হিরণ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৪ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৪ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিনোদন ডেস্ক

Image

ভারতের দেড় মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা নির্বাচনি কার্যক্রম শেষে এবার চলছে লোকসভার ভোট গণনা। গণনার প্রথম তিন ঘণ্টায় এখনো এগিয়ে আছে বিজেপি নেতৃত্বাধীন দেশটির ক্ষমতাসীন এনডিএ জোট।

তবে পশ্চিমবঙ্গে এখন পর্যন্ত এগিয়ে আছে রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল। ওই রাজ্যের ৪২টি আসনে ৫০৭ জন প্রার্থী লড়াই করছেন। ৫৫টি কেন্দ্রে ভোটগণনা চলছে।

ভারতীয় গণমাধ্যম আনন্দবাজারের লাইভ আপডেটের (বাংলাদেশ সময় বেলা ১২টা ৩০ মিনিট) তথ্য অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গের ৩২টি আসনে এগিয়ে আছে তৃণমূল। ওই রাজ্যে ১০টি আসনে বিজেপি।

এদিকে, পশ্চিম মেদিনীপুরে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই চলছে দুই কেন্দ্রেই। একদিকে ঘাটালে তৃণমূলের প্রার্থী দেব ও বিজেপি প্রার্থী হিরণ। অন্যদিকে, মেদিনীপুর লোকসভা কেন্দ্রে টানটান প্রতিযোগিতা চলছে জুন মালিয়া এবং অগ্নিমিত্রা পালের। স্থানীয় সময় দুপুর ১২টার দিকে ঘাটালে দেবের প্রাপ্ত ভোট ১ লাখ ৪২ হাজার ৪২৫। হিরণ পেয়েছেন ১ লাখ ২১ হাজার ৫৩৩ ভোট। প্রায় ২১ হাজার ভোটে এগিয়ে দেব। মেদিনীপুরে অগ্নিমিত্রা ১৫৭৩ ভোটের ব্যবধানে পিছনে ফেলে দিয়েছেন জুনকে। ঝাড়গ্রামেও ২১ হাজারের বেশি ভোটে এগিয়ে তৃণমূল।

গত ১৯ এপ্রিল শুরু হয়েছিল ভোট পর্ব। শেষ হয় ১ জুন। আজ একযোগে গোটা ভারতের ৫৪৩ আসনে ফল ঘোষণা করা হবে।

নিউজ ট্যাগ: লোকসভা নির্বাচন

আরও খবর



অন্তঃসত্ত্বা নারীকে হত্যার অভিযোগ স্বামীর বিরুদ্ধে

প্রকাশিত:শুক্রবার ৩১ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ৩১ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
রেদওয়ানুল হক মিলন, ঠাকুরগাঁও

Image

ঠাকুরগাঁওয়ে চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা এক নারীকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্বামীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনার পর বাড়ি ছেড়ে পালিয়েছে পাষণ্ড স্বামীসহ অন্যান্যরা। আর রহস্য উদঘাটনে ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ।

জানা যায়, বছর খানেক আগে বিশ বছর বয়সী শাহানাজ বেগমের বিয়ে হয় ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার রহিমানপুর ইউনিয়নের উত্তরপাড়া গ্রামের ফারুক হোসেনের ছেলে বিশাল রহমানের সাথে। বিয়ের পর থেকেই কর্মহীন স্বামী মাঝে মাঝেই যৌতুকের জন্য শারিরিক নির্যাতন চালাতো ওই গৃহবধুকে। একই বাড়িতে শশুর শাশুরি ও দেবর বসবাস করলেও শাহানাজের পক্ষে ছিলনা কেউ। সে কারনে পাসন্ড স্বামীর অত্যাচারের মাত্রা প্রতিনিয়ত বাড়ে।

স্বজন ও স্থানীয় এলাকাবাসির অভিযোগ সবশেষ গতকাল (৩০ মে) বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে আবারো শারিরিক নির্যাতন করা হয় চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা নারী শাহানাজকে। এক পর্যায়ে গলাটিপে হত্যা করে পাষণ্ড স্বামী। মৃত্যু নিশ্চিতের পর বাড়ি থেকে পালিয়ে যায় সবাই।

পরে আজ শুক্রবার (৩১ মে) সকালে এলাকাবাসি বাড়ির ভেতর নিহতের লাশ পরে থাকতে দেখে পেয়ে পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য সদর হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করে। এসময় এমন হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবি করেন নিহতের স্বজন ও স্থানীয়রা।

এ বিষয়ে রহিমানপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল হান্নান হান্নু জানান, ছেলেটা মাদকাসক্ত ছিল। প্রতিবেশীরা মাঝে মাঝে অভিযোগ করতো। তার স্ত্রীকে পেটানোর বিষয়টিও জানিয়েছে। পুলিশ তদন্ত করে ব্যবস্থা নিবে।

আর সদর সার্কেলের দায়িত্বরত অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিথুন সরকার জানান, ময়না তদন্তের জন্য লাশ মর্গে পাঠানো হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কয়েকটি সংস্থা নিয়ে তদন্ত করছেন। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

নিহতের নারীর বাবার বাসা ঠাকুরগাঁও জেলার বারিয়াডাঙ্গী উপজেলা পলাশবাড়ি ইউনিয়নের দোলুয়া গ্রামের শাহাজান আলীর মেয়ে।

নিউজ ট্যাগ: ঠাকুরগাঁও

আরও খবর



কোরবানির আগে টুংটাং শব্দে মুখরিত কামারশালা

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
দিনাজপুর প্রতিনিধি

Image

লোহা পেটানোর টুংটাং শব্দে মুখর এখন উপজেলার কামার পাড়াগুলো। কোরবানিকে কেন্দ্র করে ভোর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত লোহা পিটিয়ে কামাররা তৈরি করছেন দা, বঁটি, ছুরি ও চাপাতি। এসব জিনিস দুই ধরনের লোহার উপকরণ দিয়ে তৈরি করা হয়। একটি স্প্রিং লোহা (পাকা লোহা) এবং আরেকটি কাঁচা লোহা। লোহা ও কয়লার দাম গত বছরের চেয়ে এবার বেড়েছে। তাই গত বছরের চেয়ে এসব জিনিসের দামও বেশি।

ক্রেতাদের চাহিদা অনুযায়ী দা, বঁটি, ছুরি ও চাপাতি তৈরিতে দম ফেলার ফুরসত নেই কামারদের। দেশীয় জাতের লোহার এসব জিনিসপত্র তৈরিতে এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন দিনাজপুরের খানসামা উপজেলার স্থানীয় কামারেরা।

কোরবানি ঈদে গরু, ছাগল, মহিষ কোরবানির পশু হিসেবে জবাই করা হয়। ঈদের দিন সকাল থেকে কোরবানির পশু জবাই চলে। এসব পশুর গোশত কাটতে দা-বঁটি, ছুরি, ধামা, চাপাতি ইত্যাদি ধাতব হাতিয়ার অপরিহার্য। কোরবানির পশু কাটা-কাটিতে চাই এসব ধারালো অস্ত্র।

শুক্রবার (১৪ জুন) সরেজমিনে দেখা যায়, খানসামা বাজার, উপজেলার পাকেরহাট বাজার, কাচিনীয়া বাজার, বোটের হাট, চৌরঙ্গী বাজারসহ বিভিন্ন গ্রামের হাট বাজারে।

এবার প্রতিটি ধারালো দা বিক্রয় হচ্ছে ৩০০-৫০০ টাকা, কোরবানির ছুরি ৫০০ থেকে ৮০০ টাকা, পশুর হাড় কাটার জন্য চাপাতি ৬০০ থেকে ১০০০ টাকা, চামড়া ছাড়ানোর চাকু ২০০ থেকে ২৫০ টাকা, নারিকেল কোরানি ২০০ থেকে ৩০০ টাকা, মাংস কাটার বটি ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা। তাছাড়া অন্যান্য কৃষি উপকরণ ধানকাটার কাঁচি, লাঙ্গলের ফলাসহ অন্যান্য তৈজসপত্রও ভালো দামে বিক্রয় হয়ে থাকে।

উপজেলার কয়েকজন কর্মকার জানান, বছরের অন্য সময়ের চেয়ে কোরবানির ঈদে তাদের আয় রোজগার অনেক বেশি হয়। এমনিতে সারা বছর কাজ অনেক কম থাকে। এর মধ্যে কয়দিন পর পর লোহার দাম বেড়ে যায়। এতেই তারা বেকায়দায় পড়েন। ভালো চালান থাকলে আগে থেকে লোহা কিনে রাখতে পারলে ভালো লাভ পাওয়া যেত বলেও জানান তারা।

তাছাড়া পশু জবাই থেকে শুরু করে মাংস তৈরির কাজে প্রয়োজনীয় ওইসব হাতিয়ারের চাহিদাও রয়েছে ব্যাপক। তাই ঈদের পূর্বেই কোরবানির পশু জবাই কাজের হাতিয়ার সংগ্রহে কামারদের দ্বারে দ্বারে ঘুরেন স্থানীয় কসাই, কৃষকসহ বিভিন্ন পেশাজীবী মানুষ।

উপজেলার হোসেনপুর কামারপাড়ার কর্মকার মানিক বলেন, এখন কিছু আয় হলেও সারাবছর আমাদের টুকটাক করে চলতে হয়। আমি আগে ডাঙ্গারহাটে তৈরি করতাম এবং সেখানেই বিক্রি করতাম হাট ভেঙে যাওয়ায় এখন বাড়িতে তৈরি করে বিক্রি করি।

উপজেলার পাকেরহাট এলাকার কামার দয়াল চন্দ্র রায় বলেন, পরিবারের ঐতিহ্য ধরে রাখতে এই পেশায় আছি। সবকিছুর দাম বেড়ে গেছে তাই আগের মতো আর লাভ নেই। পরিবার নিয়ে কোনোরকম দিন পার করছি।

স্থানীয় ক্রেতারা জানান, আর মাত্র কয়েকদিন পরেই ঈদ। গরু ও ছাগল জবাই দিতে এবং মাংস কাটতে দা, বঁটি, চাকু ও ছুরির প্রয়োজন। এজন্য বাজারে দা, বঁটি ও ছুরি কিনতে এসেছি। তবে গত বছরে এসব জিনিসের দাম খানিকটা বেশি।

চাপাতি কিনতে আসা আব্দুর সুবাহান বলেন, আগের চাপাতিটা আর চলে না। তাই দাম দর করে একটি চাপাতি নিয়েছি ৪০০ টাকায়। মাংস ও হাড় কাটার জন্য এটা কিনেছি।

খানসামা বাজারে কোরবানির যন্ত্রপাতি কিনতে আসা আ. সালাম বলেন, বছরের অন্য সময়ের তুলনায় এই সময়ে অনেক ভিড় থাকে। বাজারে অনেক দোকান থাকায় এখানে অনেক সাশ্রয়ী মূল্যে কাজ করা যায়। তবে লোহার দাম বাড়ায় এসব যন্ত্রপাতির দামও বেড়েছে।

নিউজ ট্যাগ: কামারশালা

আরও খবর



দেশে ১৯৭৪ সালের মতো পরিস্থিতি সৃষ্টির ষড়যন্ত্র চলছে: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:শনিবার ১৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৫ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

দেশে আবারও ১৯৭৪ সালের মতো পরিস্থিতি সৃষ্টির ষড়যন্ত্র চলছে বলে দাবি করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। শনিবার (১৫ জুন) সকালে গণভবনে কৃষক লীগের উদ্যোগে তিন মাসব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে এমন দাবি করেন তিনি।

নিজ দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশে আবারও ১৯৭৪ সালের মতো পরিস্থিতি আবারও সৃষ্টির ষড়যন্ত্র চলছে। এই ষড়যন্ত্রকে রুখে দিতে আপনাদের সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।

গণতন্ত্র ও ভোটাধিকারের প্রশ্নে বিএনপির আন্দোলনের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, বিএনপির মুখে গণতন্ত্র ও ভোটাধিকারের কথা শুনলে হাসি পায়। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানই প্রথম মানুষের ভোটাধিকার হরণ করেন।

শেখ হাসিনা বলেন, ভোট চুরি করে কেউ ক্ষমতায় থাকতে পারে না। ১৯৯৬ সালে খালেদা জিয়ার পদত্যাগ সেটাই প্রমাণ করে।

তিনি বলেন, বিএনপি শুধু ক্ষমতায় থাকাকালে নয়, বিরোধী দলে থাকাকালেও আন্দোলনের নামে গাছ কেটেছে। আওয়ামী লীগই দেশে প্রথম বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করে।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তিন ফসলি জমি নষ্ট করে কোনো শিল্পায়ন করা যাবে না বলে নির্দেশ দিয়ে সবাইকে বৃক্ষরোপণ অভিযানে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানান।


আরও খবর
সাত নদীর পানি বিপদসীমার ওপরে

বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24




মুক্তিযোদ্ধা কোটা নিয়ে হাইকোর্টের রায় চেম্বারে বহাল

প্রকাশিত:রবিবার ০৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ০৯ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আদালত প্রতিবেদক

Image

প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিল করে জারি করা পরিপত্র অবৈধ মর্মে হাইকোর্টের দেওয়া রায় বহাল রেখেছেন চেম্বার জজ আদালত। তবে এ বিষয়ে আপিল বিভাগের নিয়মিত ও পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে শুনানির জন্য আগামী ৪ জুলাই পরবর্তী দিন ঠিক করেছেন আদালত।

রোববার (৯ জুন) চেম্বার বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম হাইকোর্টের রায় স্থগিত না করে পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে শুনানির দিন ধার্য করেন।

এর ফলে মুক্তিযোদ্ধা কোটা পুনর্বহালের আদেশটি আপাতত বহাল রইলো বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।

এর আগে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটা পদ্ধতি বাতিলের সিদ্ধান্ত অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের রায় স্থগিত চেয়ে আবেদন করেছে রাষ্ট্রপক্ষ। রোববার (৯ জুন) আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় এ আবেদন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মুহাম্মদ সাইফুল আলম।

গেল ৫ জুন প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটা পদ্ধতি বাতিলের সিদ্ধান্ত অবৈধ ঘোষণা করেন হাইকোর্ট। এ বিষয়ে জারি করা রুল যথাযথ ঘোষণা করে বিচারপতি কে এম কামরুল কাদের ও বিচারপতি খিজির হায়াতের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের ৪ অক্টোবর প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির সরকারি চাকরিতে পদে সরাসরি নিয়োগে বিদ্যমান কোটা পদ্ধতি তুলে দিয়ে মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে পরিপত্র জারি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। কোটা বাতিলে মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্তের একদিন পর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এ পরিপত্র জারি করে।

সেখানে বলা হয়েছিল, ৯ম গ্রেড (পূর্বতন ১ম শ্রেণি) এবং ১০ম-১৩তম গ্রেড (পূর্বতন ২য় শ্রেণি) পদে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে মেধাতালিকার ভিত্তিতে নিয়োগ দিতে হবে। ওই পদসমূহে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে বিদ্যমান কোটা পদ্ধতি বাতিল করা হলো।


আরও খবর