আজঃ শনিবার ২৩ অক্টোবর ২০২১
শিরোনাম

‘বিএনপি ইউপি নির্বাচনে লুকিয়ে অংশ নিচ্ছে’

প্রকাশিত:রবিবার ১০ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১০ অক্টোবর ২০২১ | ৪৫৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপি জানে নির্বাচন ছাড়া ক্ষমতার হাতবদলের অন্য কোনো বিকল্প নেই। তাই তারা মুখে যত কথাই বলুক, নির্বাচনে তারা আসবে। ইউপি নির্বাচনেও বিএনপি পরিচয় লুকিয়ে অংশ নিচ্ছে। এটা তাদের বর্ণচোরা রাজনীতি। আজ রোববার নিজের সরকারি বাসভবনে ব্রিফিংয়ে এসব মন্তব্য করেন তিনি।

গণতন্ত্রকে নিরুদ্দেশ করা হয়েছে- বিএনপি নেতাদের এমন অভিযোগের বিষয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, তাদের এ ধরনের অভিযোগ উদোরপিণ্ডি বুধোর ঘাড়ে চাপানোর মতো। বিএনপিই গণতন্ত্রের এগিয়ে যাওয়ার পথে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে। তারাই গণতন্ত্রের পথে না হেঁটে অগণতান্ত্রিক উপায়ে ক্ষমতায় যেতে পথ খুঁজছে।

তিনি বলেন, বিএনপি নেতারা প্রকাশ্যে যা বলে তা করে না। আর যা গোপনে করে, তা প্রকাশ্যে বলে না। তাইতো জনগণ বিএনপির দ্বিচারিতা বুঝতে পেরে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে।


আরও খবর



সপ্তমীর নবপত্রিকায় কার রূপ?

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১২ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১২ অক্টোবর ২০২১ | ৫০০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

শারদ সকালের সপ্তমী। স্কুলের পড়ায় মনে নেই।মুখস্ত হচ্ছে না নামতা। তবে মণ্ডপে দুর্গাঠাকুরের চারপাশে কে কে দাঁড়িয়ে আছে, সেটা আর কষ্ট করে মুখস্থ করতে হয়নি। এমনিতেই মুখস্থ হয়ে দাঁড়িয়ে গেছে মনের মধ্যে।

এদিকে মণ্ডপের ঢাকঢোলে, ভাণ্ড সানাইয়ে মুখর বাংলাভূমি। মুখর আমাদের চারপাশ। মুখর বাঙালির মন।

সাথে ধুপের গন্ধে শিশিরভেজা সকালটা হয়ে উঠছে স্নিগ্ধ আর মায়াময় উৎসবের। চণ্ডীপাঠ শুনতে শুনতে শৈশবে যে ছবিটা মনে দাঁড়িয়ে যায় সেই ছবিটি আর কোনোদিন বদলে যায়নি।

২.সিংহের পিঠে চড়ে দেবী মহিষের রূপধারণ করা এক অসুরের সঙ্গে যুদ্ধ করছেন।

এখন এই ছবিটি আরো স্পষ্ট। আকাশের তারার মধ্যে মহিষাসুর বধের দৃশ্য খুঁজে পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। দেখেছেন, রক্তবর্ণ বৃষের চোখ। মুখোমুখি এক বিশাল আকারের সিংহ আর এক নারীমূর্তি। যার হাতের কাছাকাছি নানা অস্ত্র।

বিজ্ঞান খুঁজে পেয়েছে, পুরাণের কথাগুলো নিছক গল্প নয়। সেই যুগের চিন্তাধারার সাথে যোগসূত্র খুঁজে পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। দেখেছেন, সিংহ আর মহিষদলের তারামণ্ডলী, যা দেখেই প্রাচীনকাল থেকে নানারূপে কল্পনা করা হয়েছে।

খ্রিস্টপূর্বাব্দ তিনশ সময় নাগাদ সুমেরু অঞ্চলের সিলমোহর ও একটি পাত্রের গায়ে যে ছবিটি বেশি দেখা যায়, সেটা একটি সিংহের হাতে একটি মহিষের মৃত্যু। সন্ধ্যার আকাশে শেষবারের মতো তাকালে দেখা যায়, সিংহ তারামণ্ডলী। মনে হবে এই সিংহটিই বৃষটিকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিচ্ছে। মোট কথা, তারামণ্ডলীর সঙ্গে মিলিয়ে দেখলে দেখা যাবে, সিংহের ওপর বসে দুর্গা মহিষাসুর বধের ছবিটি।

তারামণ্ডলী থেকে এই এক অসম্ভব রূপকল্পনা!

বাঙালির দশভূজার সঙ্গে মিল পেয়েছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। কন্যা, সিংহ, বৃষসহ নক্ষত্রমণ্ডলীর মধ্যেই দেবী দুর্গা মহিষাসুরমর্দিনী রূপের প্রতিচ্ছবি। কৃষিভিত্তিক জীবনের গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তগুলো চিহ্নিত করাই ছিল পুরাণের প্রথম প্রেরণা।

৩. প্রাণে আনন্দ জেগে ওঠা সকালে পুরোহিত মহাশয় চলেছেন নদীর ঘাটে। কাঁধে নবপত্রিকা। নদী বা জলাশয়ে দেবীর প্রতীকরূপে নবপত্রিকাকে স্নান করাবেন।

এই নবপত্রিকা নামটা শুনেলেই মনে মায়া জেগে ওঠে। দুর্গাপূজা মহারম্ভের দিন, মানে সপ্তমীতে প্রকৃতির বৃক্ষ-লতার সাথে দেবী দুর্গা একাত্ম হবেন আজ। সেজন্যই নবপত্রিকা দিয়ে মহারম্ভ, যা ভেজিটেশন ডিইটি হিসেবে দেবীর প্রায়রিটি হয়ে দাঁড়ায়।

সপ্তমী হলো দুর্গাদেবীর সঙ্গে শস্যদেবীকে মিলিয়ে নেবার সচেতন প্রচেষ্টা।

তাই, নদী বা জলাশয়ে নবপত্রিকাকে স্নানের ভেতর দিয়ে দেবীকে জাগ্রত করা হয়। যার ভেতর দিয়ে অবশেষ রচনা হয়ে যায় ষষ্ঠী আর বোধনের।

৪. নবপত্র বা নবপত্রিকা মানে নয়টি গাছের পাতা।

তবে পূজার নবপত্রিকা নয়টি পাতা নয়, নয়টি উদ্ভিদ। নয়টি উদ্ভিদ দেবীর নয়টি বিশেষ রূপের প্রতীক। আবার নবপত্রিকা নয়জন প্রভাবশালী দেব-দেবীকেও চিহ্নিত করে, বোঝায়। 

কলা, কচু, মানকচু, হলুদ, জয়ন্তী, বেল, ডালিম, অশোক ও ধান। এই নয়টির মধ্যে প্রধান উদ্ভিদ কলাগাছ, যা ফার্টিলিটি আর ভেজিটেশনের প্রতীক। দেবীর সঙ্গে একাত্মতায় কলা গাছ বাঙালি মায়ের কোটি কোটি সন্তানের মা-প্রতীক হয়ে যান।

অন্য আটটি উদ্ভিদের সঙ্গে কচু। এটা মুখী কচু। ফলন হয় ভাদ্রের শেষে আশ্বিনের শুরুতে। দরিদ্র মানুষের খাবারের ব্যবস্থা হয়ে যায় কচুতে। আরেকটি মানকচু। বর্ষার পরে শরতের রোদে এটাও সুস্বাদু। ফলের মধ্যে আছে বেল আর দাড়িম্ব।

বেলগাছ ও বেলপাতা শিব ও পার্বতীর প্রিয়তম। স্বয়ং ব্রহ্মা দেবীর বোধন করেছিলেন বেলতলায়।

সেই প্রথা এখনো চলমান। যোগিনীতন্ত্রের কাহিনীতে বলা হয়েছে, নারায়ণের অনেক স্ত্রীর মধ্যে থেকে প্রিয়তমা হওয়ার ইচ্ছায় বেলতলায় শিবের আরাধনা করে শিবের সন্তুষ্টিতে নারায়ণের বক্ষলগ্না হয়েছিলেন লক্ষ্মী। তাই, শিবের অধিষ্ঠান ক্ষেত্র এই বেলতলা। বেলের তিনপত্রের মধ্যে উপপত স্বয়ং শিবরূপে বন্দিত। সেজন্যই শিব বেলপাতার পূজায় খুশি হন। বেলতলা শিবের প্রিয় হওয়ার কারণে শিবজায়া শিবানীরও খুব প্রিয় এই স্থান। তাই, বেলতলায় দেবীদুর্গার বোধন।

আরো একটি কারণ মনে করিয়ে দেব।

বৈদিক যুগে কাঠে কাঠ ঘষে আগুন জ্বালানো হতো, বলা হতো অরণী। শমী ও অশত্থ বৃক্ষের কাঠ ব্যবহার হতো অরণী রূপে। বাংলাভূমিতে শমীকাঠ ছিল অত্যন্ত বিরল। এই কাঠের অভাব পূরণ করে বেল। মানে বেলকাঠে আগুনের অবস্থান। দেবী দুর্গা যেহেতু স্বয়ং অগ্নিস্বরূপা সেজন্য দুর্গা আরাধনায় বেলবৃক্ষের অতি কদর।

পরের ফলটির নাম দাড়িম্ব, মানে ডালিম। আশ্বিন থেকে অগ্রহায়ণ পর্যন্ত ফলন হয়। ফলটি শক্তি ও রক্তবর্ধক। একটা গাছে বহু জন্মায়।

পুষ্পবৃক্ষের মধ্যে আছে জয়ন্তী এবং অশোক। দুটি বৃক্ষই মহৌষধ হিসেবে পরিচিত প্রচীন আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে। জয়ন্তী বৃক্ষের নামটিই তো দেবীর নামে রাখা। দেববৃক্ষ। জয়ন্তীর বীজ বহু ওষুধের উপাদান। শক্তি ও উত্তেজনা বাড়ানোর পাশাপাশি নারীদের রোগ সারাতে জয়ন্তীর বহুগুণের কথা আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে ধরা আছে।

জয়ন্তীর ফলন হয় আশ্বিনের শেষে।

এবার হলুদের কথা। হরিদ্রা বা হলুদ। কাঁচা বা পাকা হলুদ খুবই দরকারি ভেষজ। সে কারণেই নবপত্রিকার অন্যতম উপকরণ হলুদ। আর, ধান হলো লক্ষ্মীর প্রতীক।

জগতের সকল ওষধি ও উদ্ভিদের মাধ্যমে সকল জীবকে আহার্য ও নিরাময় দান করেন।

নবপত্রিকা তারই প্রতীক বা প্রতিনিধি।

এই অতি দরকারি নয়টি ভেষজ এবং বৃক্ষ ভগবতী দুর্গার নয়টি রূপ। ফল-ফুল অধিষ্ঠাত্রী দুর্গাকে প্রণাম জানানো হয়, নবপত্রিকা বাসিন্যৈ নবদুর্গায়ৈ নমঃ

নবপত্রিকা অনেকের মতে কুলবৃক্ষ নামেও পরিচিত। শক্তানন্দ তরঙ্গিনী গ্রন্থ থেকে জানতে পারি, যোগিনীরা সব সময় এই কুলবৃক্ষে বাস করেন। তন্ত্রশাস্ত্রে তাই একে কল্পবৃক্ষ বলা হয়।

৫. সকাল থেকে মণ্ডপে মণ্ডপে পূজারীদের ভক্তিপূর্ণ চলাচল।

ওদিকে পুরোহিত মহাশয়ের পেছনে হাঁটছেন বাদক দল। ঢাকের শব্দে মিশে যাচ্ছে একদল নারীর শঙ্খ আর উলুধ্বনি। প্রথমে নদীতে শাস্ত্রবিধির স্নান। এরপর চারা কলাগাছের সাথে আটটি সমূল সপত্র উদ্ভিদ একজোড়া বেলসহ শ্বেত অপরাজিতার লতা বেঁধে দেবেন পুরোহিত মহাশয়। এরপর জড়ানো হবে লালপাড়ের সাদা শাড়ি। এমনভাবে জড়ানো হবে, যেন চারা কলাগাছটা ঘোমটা দেওয়া বৌয়ের রূপ ধারণ করে। মানে, নবপত্রিকার হয়ে যাবে কলাবৌ।

৬. নবপত্রিকা স্নানের পর মহাস্নান।

মহাস্নান মহাষ্টমী ও মহানবমীর দিনও মূল অনুষ্ঠান শুরুর আগে অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিমার সামনে একটি আয়না রেখে সেই আয়নায় প্রতিফলিত প্রতিমার প্রতিবিম্বে স্নান করানো হয়।

মহাস্নানে শুদ্ধজল, নদীর জল, শঙ্খজল, গঙ্গাজল, উষ্ণ জল, সুগন্ধি জল, পঞ্চগব্য, কুশ ঘাসে ফোটানো জল, ফুল দিয়ে ফোটানো জল, ফলের জল, মধু-দুধ-নারকেলের জল, আখের রস, তিলের তেল, বিষ্ণু তেল, শিশিরের জল, রাজদ্বারের মাটি, চৌমাথার মাটি, বৃষশৃঙ্গমৃত্তিকা, গজদন্তমৃত্তিকা, বেশ্যাদ্বারমৃত্তিকা, নদীর দুই তীরের মাটি, গঙ্গামাটি, সব তীর্থের মাটি, সাগরের জল, ঔষধি মেশানো জল, বৃষ্টিজল, সরস্বতী নদীর জল, পদ্মের রেণু মেশানো জল ও ঝরনার জলে দুর্গাকে স্নান করানো হয়। এই মহাস্নানের মধ্য দিয়ে সব ধরনের সম্পদের সুরক্ষার জন্য প্রার্থনা চলে।

প্রার্থনা প্রকাশ পায় সর্বভূতে দেবীরই অধিষ্ঠান। আর, মহাস্নানে সমাজের সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণে বিশ্বসংহতি ও অসাম্প্রদায়িকতার সমন্বয়বার্তায় ফুটে ওঠে সমাজের কল্যাণ।

৭ . নদীর ঘাট থেকে চলে এসেছেন পুরোহিত মহাশয়। এরইমধ্যে পৌঁছে গেছেন মণ্ডপে।

কলাবৌয়ের কপালে তেল-সিঁদুর দিয়ে প্রকট করা হয়েছ এয়োতির চিহ্ন। এবার নবপত্রিকাকে দেবীর ডান দিকে আর গণেশ ঠাকুরের বাম পাশে বসিয়ে দেন কাঠের আসনে।

তখনই গজ-নিমিলিত চোখে গণেশ ঠাকুর ভাবলেন, মায়াবতী মা নিশ্চয়ই আমার জন্যে বৌ খুঁজে এনেছেন। গণেশ ঠাকুরের এই ধারণা স্পষ্ট হয় কলাবৌকে তাঁর বাম দিকে রাখার কারণে। বাম দিকেই স্ত্রীর অবস্থান, বামাবতী

আবেগপ্রবণ বাঙালির কাছে তাই নবপত্রিকার চারাকলাগাছটি হয়ে যায় গণেশ ঠাকুরের বৌ।

তাই হয়তো নাতি-পুতির মুখ দেখার আশায় শঙ্কর-মহাদেব স্ত্রী দুর্গাকে একসময় বলেই ফেললেন, ও গণেশের মা, কলাবৌকে দাগা দিও না। ওর একটি মোচা ফললে পরে, অনেক হবে ছানাপোনা


আরও খবর
আজ শুভ প্রবারণা পূর্ণিমা

বুধবার ২০ অক্টোবর ২০21

আজ শ্রী শ্রী লক্ষ্মীপূজা

বুধবার ২০ অক্টোবর ২০21




শিশু নুসরাত ধর্ষণ-হত্যায় আসামির ফাঁসির আদেশ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১২ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১২ অক্টোবর ২০২১ | ১৯৩৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
রায়ের পর আদালতপাড়ায় অপেক্ষমান মামলার বাদী নুসরাতের মা রেহানা বেগম ও চাচা আকবর হোসেন রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন। তারা রায় দ্রুত কার্যকরের দাবি জানিয়েছেন

লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জের চাঞ্চল্যকর শিশু নুশরাত জাহান নিশু ধর্ষণ ও হত্যা মামলার প্রধান আসামি শাহ আলম রুবেলের ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (১২ অক্টোবর) দুপুরে লক্ষ্মীপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মুহাম্মদ সিরোজুদ্দৌলাহ কুতুবী এ রায় দেন।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) আবুল বাশার রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, আসামির রুবেল রায়ের সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন। এ সময় আদালত তার এক লাখ টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে আরো চার বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন। অভিযুক্ত অপর আসামি বোরহানের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাকে খালাস দেওয়া হয়।

এদিকে, রায়ের পর আদালতপাড়ায় অপেক্ষমান মামলার বাদী নুসরাতের মা রেহানা বেগম ও চাচা আকবর হোসেন রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন। তারা রায় দ্রুত কার্যকরের দাবি জানিয়েছেন।

আদালত ও এজাহার সূত্র জানায়, ২০১৮ সালের ২৩ মার্চ দুপুরে নুশরাত জাহান নিখোঁজ হন। পরদিন তার মামা জিয়া উদ্দিন রামগঞ্জ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। তিনদিন পর ২৬ মার্চ সকালে উপজেলার কাঞ্চনপুর ইউনিয়নের ব্রহ্মপাড়ায় খালে বস্তাবন্দি শিশুর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। রাতেই নিহতের মা রেহানা বেগম বাদী হয়ে অজ্ঞাতদের আসামি করে রামগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

নিহত নুশরাত উপজেলার নোয়াগাঁও ইউনিয়নের প্রবাসী এরশাদ হোসেনের মেয়ে ও পশ্চিম নোয়াগাঁও গ্রামের ফয়েজে রাসুল নুরানী মাদরাসার তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল। নুশরাতকে হত্যার আগে ধর্ষণ করা হয়েছে বলে আলামত পেয়েছেন ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক।

এদিকে মামলার তদন্তে মাধ্যমে ধর্ষণের পর নুসরাতকে হত্যার ঘটনায় ২০১৮ সালের ১ এপ্রিল প্রধান আসামি রুবেল ও তার সহযোগী বোরহানকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তখন পুলিশের কাছে রুবেলের জবানবন্দিতে জানা যায়, ২৩ মার্চ দুপুরে আইসক্রিম খাওয়া ও টিভি দেখার কথা বলে রুবেল তার বাসায় নুসরাতকে ডেকে নেয়। এ সময় তাকে (নুসরাত) জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। একপর্যায়ে তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। পরে মরদেহ ছট দিয়ে বেঁধে রুবেল তার ঘরের স্টিলের আলমিরার ওপর লুকিয়ে রাখেন। দুদিন পর সেখান থেকে মরদেহ বস্তাবন্দি করে রাতের অন্ধকারে সিএনজি চালিত অটোরিকশাযোগে বাড়ি থেকে তিন কিলোমিটার দূরে নিয়ে ব্রিজের নিচে ফেলে দেন। নুসরাত সম্পর্কে তার ভাতিজি ছিল। পরে তদন্তে ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ড প্রমাণিত হয়। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অপরাধে পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। দীর্ঘ শুনানি শেষে ও ১৩ জন স্বাক্ষীর স্বাক্ষ্য গ্রহণের পর আদালত এ রায় দেন।

নিউজ ট্যাগ: লক্ষ্মীপুর

আরও খবর



কুমিল্লার ঘটনা উদ্দেশ্যমূলক: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৪ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৪ অক্টোবর ২০২১ | ৪৯৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

কুমিল্লায় হামলার ঘটনায় সন্দেহভাজন কয়েকজনকে গ্রেফতার করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

তিনি বলেছেন, আমরা কয়েকজনকে চিহ্নিত করেছি, আমাদের গোয়েন্দা সংস্থা তাদের শনাক্ত করে শিগগির গ্রেফতার করতে সক্ষম হবে বলে মনে করছি।

বৃহস্পতিবার (১৪ অক্টোবর) সচিবালয়ে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে জরুরি বৈঠকের পর সাংবাদিকদের এ কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘ আলাপ-আলোচনার পর এ সভা মনে করছে, তদন্ত হওয়ার আগে আমরা মনে করছি, আমরা সিদ্ধান্তে আসিনি। আমরা শতভাগ নিশ্চিত নই। আমরা মনে করছি, এটা উদ্দেশ্যমূলকভাবে কোনো স্বার্থান্বেষী মহল, কোনো ষড়যন্ত্রকারী, চক্রান্তকারীর কর্ম। আমরা তদন্ত শেষে আপনাদের সব ঘটনা জানাতে পারবো।

আসাদুজ্জামান খান কামাল আরও বলেন, ইতোমধ্যে আমাদের গোয়েন্দা সংস্থা, নিরাপত্তা বাহিনী, যেখানে যে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছেন, তাদের নিয়ন্ত্রণ করার জন্য ব্যবস্থা নিয়েছেন। কুমিল্লার এ দুঃখজনক ঘটনায় যারা জড়িত, তাদের অবশ্যই খুঁজে বের করবো।

 

 


আরও খবর



পুজোর সাজে এ বার অন্য রূপে সন্দীপ্তা

প্রকাশিত:বুধবার ০৬ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ০৬ অক্টোবর ২০২১ | ৫০০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

দুর্গা পুজো মানেই বাঙালির সাজের উৎসব। নতুন পোশাকের মধ্যে মেয়েদের প্রিয় লাল-পাড় সাদা শাড়ি। সেই তালিকায় রয়েছেন অভিনেত্রী সন্দীপ্তা সেনও।

কিন্তু লাল-পাড় সাদা শাড়িরও সময়ের সঙ্গে রূপ বদলায়। তাই সনাতনী গরদের শাড়ির বাইরে মেয়েরা এখন পছন্দ করেন অন্য ধরনের শাড়ি। সন্দীপ্তাও সেই রীতি মেনে এ বারের পুজোয় বেছে নিয়েছেন সাদা লেসের পাড় দেওয়া লাল অর্গ্যানজা শাড়ি।

শাড়ির মতোই নজরকাড়া সঙ্গে ব্লাউজটাও। দুর্গাপুজোর মণ্ডপ ধরা পড়েছে ব্লাউজের কারুকাজে। একচালা প্রতিমার শোলার সাজের ছোঁয়া রয়েছে সন্দীপ্তার শাড়ি ও ব্লাউজে।

লাল রং দারুণ প্রিয় সন্দীপ্তার। তাই পুজো-পার্বণের দিনে লাল রঙের পোশাকের প্রতিই ঝোঁক বেশি তাঁর।

তবে লাল পাড় সাদা মানেই শাড়ি নয়। আধুনিক নারীর কাছে এই পোশাকই ফিরে এসেছে নানা রূপে। পশ্চিমি পোশাকেও কী করে সনাতনী সাজের ছোঁয়া রাখা যায়,তা দেখিয়ে দিলেন সন্দীপ্তা।

ব্যস্ত মেয়েদের হয়তো শাড়ি পরার সময় সব সময় থাকে না। তাই লাল-সাদা রঙের প্যান্টস্যুট হতে পারে দারুণ বিকল্প। সঙ্গে সাজও হবে ছিমছাম।

তবে পুজোর দিনে পশ্চিমি পোশাক পরলেও উৎসবের ছোঁয়া তো রাখতেই হবে সাজে। তাই ভারী কুন্দনের গয়না পরেছেন সন্দীপ্তা।

সঙ্গে মেকআপ এবং কেশসজ্জাও চাই মানানসই। হাল্কা মেকআপ এবং টানটান করে চুল আঁচড়ে একটি পনিটেল বেঁধে নেওয়ায় দারুণ ঝকঝকে দেখতে লাগছে সন্দীপ্তাকে।

নিউজ ট্যাগ: সন্দীপ্তা

আরও খবর



পালানোর সময় ৩৫ রোহিঙ্গা আটক

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৪৯৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ভাসানচর থেকে পালানোর সময় ৩৫ রোহিঙ্গাকে আটক করে আবারও নিজ নিজ আবাসস্থলে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। গতকাল রাতে আটকের পর তাঁদের ফেরত পাঠানো হয়।

জানা যায়, নোয়াখালীর হাতিয়ার ভাসানচর আশ্রয়ণ প্রকল্প থেকে পালানোর সময় ৩৫ রোহিঙ্গা নারী-পুরুষকে আটক করেছে কোস্টগার্ড ও এপিবিএন সদস্যরা। তাঁরা সবাই ভাসানচরের রোহিঙ্গাদের বসবাসের জন্য নির্মিত আশ্রয়ণের ৫০ নম্বর ক্লাস্টারে বসবাস করেন। তাঁদের আটক করে ভাসানচরে শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কার্যালয়ে নিয়ে আসা হয়। পরে ভাসানচরে আইনশৃঙ্খলার দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তারা তাঁদের নিজ নিজ ক্লাস্টারে ফেরত পাঠান।

এ বিষয়ে ভাসানচরে শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কার্যালয়ের কর্মকর্তা ইমতিয়াজ বলেন, আটক রোহিঙ্গাদের মধ্যে অধিকাংশ শিশু রয়েছে। তাঁরা রাতে একটি ট্রলারে করে চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাওয়ার কথা ছিল। এ জন্য আগেই তাঁরা ভাসানচরের দক্ষিণপাশে কেউড়া বাগানে অপেক্ষা করছিল। পরে তাঁদের সতর্ক করে নিজ নিজ আবাসস্থলে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

ভাসানচর থানার ওসি রফিকুল ইসলাম বলেন, গত রোববার দিবাগত রাতের কোন একসময় ভাসানচর আশ্রয়ণ প্রকল্পের ক্লাস্টার থেকে পালানোর উদ্দেশ্যে বের হয়ে যায় ৩৫ রোহিঙ্গা নারী, পুরুষ ও শিশু।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে গতকাল বিকেলে ভাসানচর থেকে ৫ কিলোমিটার পূর্ব দক্ষিণ জঙ্গলে অভিযান চালায় এপিবিএন ও কোস্টগার্ডের সদস্যরা। এ সময় ওই জঙ্গল থেকে ৩৫ রোহিঙ্গাকে আটক করা হয়। পরবর্তীতে ভাসানচর থানা-পুলিশের মাধ্যমে আটককৃতদের শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কার্যালয়ে হস্তান্তর করা হয়। 

নিউজ ট্যাগ: রোহিঙ্গা আটক

আরও খবর