আজঃ মঙ্গলবার ২০ এপ্রিল ২০21
শিরোনাম

বিএনপি-জামায়াতের মদদপুষ্ট স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতার পদ প্রত্যাহার চেয়ে আ.লীগ নেতার আবেদন

প্রকাশিত:শনিবার ০৩ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ০৩ এপ্রিল ২০২১ | ১১৭২জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
দলের বিদ্রোহী হিসাবে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করার অভিযোগে ওই দিপ্তীশ কুমার হালদারকে তখন দল থেকে বহিস্কার করা হয়। পরে স্বেচ্ছা সেবকলীগের কেন্দ্রীয় কমিটিতে

প্রধানমন্ত্রীর কাছে বিদ্রোহী প্রার্থীকে দলীয় পদ থেকে প্রত্যাহার চেয়ে আবেদন করেছেন পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলা চেয়ারম্যান মাস্টার অমূল্য রঞ্জন হালদার। এ সংক্রান্ত একটি আবেদন পৌঁছে এ প্রতিনিধির কাছে। ওই আবেদন থেকে জানা গেছে, জেলার নাজিরপুর উপজেলা চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী হিসাবে প্রতিদ্বদ্বীতা করা দিপ্তীশ কুমার হালদার স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় নতুন কমিটিতে সম্মানীত কার্য নির্বাহী সদস্য হিসাবে পদ পেয়েছে। ওই পদ থেকে তার (দিপ্তীষ কুমার হালদার) নাম প্রত্যাহার চেয়ে আবেদন করেছেন ওই উপজেলার আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন ও নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচিত চেয়ারম্যান।

দলের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে দেয়া ওই আবেদনের মাধ্যমে জানা গেছে, গত ২০১৯ সালের ৩১ মার্চ জেলার নাজিরপুর উপজেলা পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ওই নির্বাচনে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন ও নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচিত হন ওই উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক আহবায়ক ও উপজেলা চেয়ারম্যান মাস্টার অমূল্য রঞ্জন হালদার। আর ওই নির্বাচনে আ.লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী হিসাবে দোয়াত কলম প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেন স্বেচ্ছাসেবকলীগ কেন্দ্রী নেতা দিপ্তীশ কুমার হালদার। সেসময় দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করায় ওই দিপ্তীশ কুমার হালদারকে দল থেকে বহিস্কার করা হয়।

ওই আবেদনে আরো উল্লেখ করা হয় বিদ্রোহী প্রার্থী ও ওই কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা সে সময় বিএনপি-জামায়াতের মদদে দলের মধ্যে বিশৃংখলা সৃষ্টির জন্যে তাকে প্রার্থী করা হয়। সম্প্রতি দেয়া এ অভিযোগের একটি কপি দলের নেতৃবৃন্দের কাছে পাঠিয়েছেন।

এ ব্যাপারে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা দিপ্তীষ কুমার হালদার জানান, আমি নির্বাচন করেছি তাতো মিথ্যা নয়। তিনিতো অভিযোগ দিতেই পারেন। তবে এ বিষয়টি নিয়ে নিউজ করার কি আছে?

এ ব্যাপারে আ.লীগ সমর্থিত নাজিরপুর উপজেলা চেয়ারম্যান মাস্টার অমূল্য রঞ্জন হালদার জানান, দলের বিদ্রোহী হিসাবে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করার অভিযোগে ওই দিপ্তীশ কুমার হালদারকে তখন দল থেকে বহিস্কার করা হয়। পরে স্বেচ্ছা সেবকলীগের কেন্দ্রীয় কমিটিতে স্থান পাওয়ায় সংগঠনের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হয়েছে। তাই দলের সভাপতির কাছে তাকে সংগঠনের পদ থেকে প্রত্যাহার চেয়ে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে এ আবেদন করেছি।


তিনি আরো জানান, নির্বাচনে দিপ্তীশ কুমার হালদারের নেতৃত্বে তখন আমার নির্বাচনী ক্যাম্পে হামলা, অগ্নিসংযোগ ও কর্মীদের মারধর করে আহত করে। সময় দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করায় ওই দিপ্তীশ কুমার হালদারকে দল থেকে বহিস্কার করা হয়। ওই আবেদনে আরো উল্লেখ করা হয় বিদ্রোহী প্রার্থী ও ওই কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা সে সময় বিএনপি-জামায়াতের মদদে দলের মধ্যে বিশৃংখলা সৃষ্টির জন্যে তাকে প্রার্থী করা হয়। সম্প্রতি দেয়া এ অভিযোগের একটি কপি দলের নেতৃবৃন্দের কাছে পাঠিয়েছেন।

এ ব্যাপারে স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা দিপ্তীশ কুমার হালদার জানান, আমি নির্বাচন করেছি তাতো মিথ্যা নয়। তিনিতো অভিযোগ দিতেই পারেন। তবে এ বিষয়টি নিয়ে নিউজ করার কি আছে?

এ ব্যাপারে আ.লীগ সমর্থিত নাজিরপুর উপজেলা চেয়ারম্যান মাস্টার অমূল্য রঞ্জন হালদার জানান, দলের বিদ্রোহী হিসাবে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করার অভিযোগে ওই দিপ্তীশ কুমার হালদারকে তখন দল থেকে বহিস্কার করা হয়। পরে স্বেচ্ছা সেবকলীগের কেন্দ্রীয় কমিটিতে স্থান পাওয়ায় সংগঠনের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হয়েছে। তাই দলের সভাপতির কাছে তাকে সংগঠনের পদ থেকে প্রত্যাহার চেয়ে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে এ আবেদন করেছি।

তিনি আরো জানান, নির্বাচনে দিপ্তীশ কুমার হালদারের নেতৃত্বে তখন আমার নির্বাচনী ক্যাম্পে হামলা, অগ্নি সংযোগ ও কর্মীদের মারধর করে আহত করে।


আরও খবর



তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে মামুনুলকে গ্রেফতার : ডিসি মতিঝিল

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৬ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৬ এপ্রিল ২০২১ | ১২৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
নামাজের পর মসজিদের বেদীর ওপরে অনেকে কথা বলছিল, সেখান থেকেই সংঘর্ষের শুরু। তবে সেখানে কোনো সিনিয়র নেতাকে দেখিনি। অনেকে ভেতরে ছিল, সিনিয়র নেতারা ভেতরে ছিল কি-না তা তদন্তে উঠে আসবে

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে বায়তুল মোকাররম মসজিদে তাণ্ডবের ঘটনায় হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় যুগ্ম-মহাসচিব মামুনুল হকসহ হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের ১৭ নেতার নামে মামলা হয়েছে। মামলার এজাহারে এক নম্বর ও হুকুমের আসামি করা হয়েছে মামুনুল হককে।

মঙ্গলবার (৬ এপ্রিল) সাংবাদিকদের সঙ্গে এ বিষয়ে কথা বলেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মতিঝিল বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) সৈয়দ নুরুল ইসলাম।

মামুনুল হককে গ্রেফতার করা হবে কি-না সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে ডিসি বলেন, আমরা তদন্ত করব। যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হবে তাদের বিরুদ্ধেই ব্যবস্থা নেয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, এজাহারে যাদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে তাদের অনেকের রাজনৈতিক পরিচয় রয়েছে। তবে আমরা কোনো পদ বিবেচনায় নেব না। আমরা অপরাধ বিবেচনায় নিয়ে অপরাধীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব। মামলাটি গতকাল রাতে হয়েছে। এখনও প্রি-ম্যাচুরড রয়েছে। আমরা আসামিদের প্রকৃত পরিচয়, তারা বর্তমানে কোথায় অবস্থান করছে, ২৬ তারিখ তারা কোথায় ছিল, বায়তুল মোকাররমে সরাসরি উপস্থিত ছিল কি-না, তারা নাশকতার নির্দেশ-উসকানি দিয়েছে কি-না, হামলার অর্থদাতা বা মাস্টারমাইন্ড কি-না তা শনাক্ত করে তাদের গ্রেফতারসহ যাবতীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

সেদিন সংঘর্ষের সময় ঘটনাস্থলে সরকার দলীয় লোকজনও ছিল। সরকারদলের একজনই এই মামলাটি করেছেন। এ বিষয়ে পুলিশের অবস্থান জানতে চাইলে ডিসি বলেন, যিনি মামলা করেছেন, তিনি একজন ব্যবসায়ী। তিনি টাইলসের আঘাতে আহত হয়েছেন। তার অন্য কোনো পরিচয় আছে কি-না তা আমরা খুঁজে বের করব।

মামলায় হেফাজতের নেতাদের নাম উল্লেখ করা হলেও তারা ঘটনাস্থলে ছিলেন কি-না? জানতে চাইলে পুলিশের এই কর্মকর্তা বলেন, নামাজের পর মসজিদের বেদীর ওপরে অনেকে কথা বলছিল, সেখান থেকেই সংঘর্ষের শুরু। তবে সেখানে কোনো সিনিয়র নেতাকে দেখিনি। অনেকে ভেতরে ছিল, সিনিয়র নেতারা ভেতরে ছিল কি-না তা তদন্তে উঠে আসবে।

এর আগে সোমবার (৫ এপ্রিল) রাত পৌনে ১০টায় আরিফ উজ জামান নামের ওয়ারীর এক ব্যক্তি হত্যা চেষ্টা ও বিস্ফোরক আইনসহ কয়েকটি ধারায় পল্টন থানায় মামলাটি করেন।

মামলার অন্য ১৬ আসামি হলেন- হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের যুগ্ম-মহাসচিব মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব, যুগ্ম-মহাসচিব মাওলানা লোকমান হাবিব, যুগ্ম-মহাসচিব নাসির উদ্দিন মনির, নায়েবে আমির মাওলানা বাহাউদ্দিন জাকারিয়া, মাওলানা নুরুল ইসলাম জেহাদী, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নায়েবে আমির মাজেদুর রহমান, মাওলানা হাবিবুর রহমান, মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ আইয়্যুবী ও সহকারী মহাসচিব মাওলানা জসিম উদ্দিন।

এছাড়াও রয়েছেন- সংগঠনটির টঙ্গীর সহ-সাংগঠনিক মাওলানা মাসুদুল করিম, অর্থ সম্পাদক মুফতি মনির হোসাইন কাশেমী, প্রচার সম্পাদক মাওলানা যাকারিয়া নোমান ফয়েজী, মাওলানা ফয়সাল আহমেদ, সহকারী দাওয়া সম্পাদক মাওলানা মুশতাকুন্নবী, ছাত্র ও যুব সম্পাদক মাওলানা হাফেজ মো. জোবায়ের ও দফতর সম্পাদক মাওলানা হাফেজ মো. তৈয়ব।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, ২৬ মার্চ বায়তুল মোকাররমে মামুনুল হকের নির্দেশে ১৭ হেফাজত নেতার নেতৃত্বে দেশি-বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্রসহ দা, ছোরা, কুড়াল, কিরিচ, হাতুড়ি, তলোয়ার, লাঠিসোটাসহ অতর্কিত হামলা চালানো হয়। এ হামলায় আরিফ-উজ-জামান গুরুতর আহত হন।


আরও খবর



করোনা: সুস্থ হয়েছে ১০ কোটি ৯৮ লাখ ৫৬ হাজার

প্রকাশিত:সোমবার ১২ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ১২ এপ্রিল ২০২১ | ৭৯জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত হয়ে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে। দেশটিতে ৫ লাখ ৭৫ হাজার ৮২৯ জন এখন পর্যন্ত মারা গেছেন। বিশ্বে সর্বোচ্চ আক্রান্তের সংখ্যাও এই দেশটিতে

বিশ্বে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ও প্রাণহানির সংখ্যা কোনোভাবেই কমছে না। সবশেষ করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৩ কোটি ৬৬ লাখ ২৭ হাজার ৪০৫ জন। আর এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে বিশ্বে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৯ লাখ ৪৯ হাজার ১৪২ জনে। এর মধ্যে সুস্থ হয়েছে ১০ কোটি ৯৮ লাখ ৫৬ হাজার ৯১২ জন। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ও প্রাণহানির পরিসংখ্যান রাখা ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডওমিটার থেকে এই তথ্য জানা যায়।

ওয়ার্ল্ডওমিটারের সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত হয়ে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে। দেশটিতে ৫ লাখ ৭৫ হাজার ৮২৯ জন এখন পর্যন্ত মারা গেছেন। বিশ্বে সর্বোচ্চ আক্রান্তের সংখ্যাও এই দেশটিতে। এই পর্যন্ত ৩ কোটি ১৯ লাখ ১৮ হাজার ৫১৯ জন এখন পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের পর মৃত্যু বিবেচনায় করোনায় সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেশ হচ্ছে ব্রাজিল। লাতিন আমেরিকার দেশটিতে এখন পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছে ১ কোটি ৩৪ লাখ ৮২ হাজার ৫৪৩ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ৩ লাখ ৫৩ হাজার ২৯৩ জনের। তবে মৃত্যু বিবেচনায় মেক্সিকোর অবস্থান তৃতীয়।

আক্রান্তের দিক থেকে দ্বিতীয় স্থানে উঠে আসা ভারত মৃত্যু বিবেচনায় আছে চতুর্থ অবস্থানে। এ পর্যন্ত দেশটিতে আক্রান্তের সংখ্যা ১ কোটি ৩৫ লাখ ২৫ হাজার ৩৭৯ জন। আর মৃত্যু হয়েছে ১ লাখ ৭০ হাজার ২০৯ জনের।

দেশে করোনাভাইরাসের আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। এখন পর্যন্ত মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৯ হাজার ৭৩৯ জনে। এছাড়াও এখন পর্যন্ত দেশে মোট শনাক্তের সংখ্যা ৬ লাখ ৮৪ হাজার ৭৫৬ জন।

প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীন থেকে সংক্রমণ শুরু হওয়ার পর বিশ্বব্যাপী ছড়িয়েছে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস। গত বছরের ১১ মার্চ করোনাভাইরাস সংকটকে মহামারি ঘোষণা করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।


আরও খবর



মামুনুলকে ৭ দিনের রিমান্ড চেয়েছে ডিবি

প্রকাশিত:সোমবার ১৯ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ১৯ এপ্রিল ২০২১ | ৪৬জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
মোহাম্মদপুর থানায় গত বছর দায়ের করা একটি মামলায় তার সাতদিনের রিমান্ড চাওয়া হয়েছে। কিছুক্ষণের মধ্যেই ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দেবদাস চন্দ্র অধিকারীর আদালতে রিমান্ড শুনানি হবে

হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হককে আদালতে তোলা হয়েছে। সোমবার (১৯ এপ্রিল) সকাল সোয়া ১১টার দিকে মামুনুলকে নিয়ে পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) গাড়ি আদালত চত্বরে পৌঁছায়।

মোহাম্মদপুর থানায় গত বছর দায়ের করা একটি মামলায় তার সাতদিনের রিমান্ড চাওয়া হয়েছে। কিছুক্ষণের মধ্যেই ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দেবদাস চন্দ্র অধিকারীর আদালতে রিমান্ড শুনানি হবে। 

এদিকে, এজন্য জোরদার করা হয়েছে আদালত এলাকায় নিরাপত্তা। ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালত চত্বরে প্রবেশে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। আর সিএমএম আদালতের মূল ফটক পুলিশ ঘিরে রেখেছে। এ ভবনে কাউকে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। 

সিএমএম কোর্ট হাজতের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপপরিদর্শক (এসআই) শহিদুল ইসলাম জানান, যে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে আমরা তৎপর আছি।

এর আগে মোহাম্মদপুর থানা সূত্র জানায়, মামুনুলের সাতদিনের রিমান্ড চাওয়া হবে।

মোহাম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল লতিফ জানান, ২০২০ সালে মোহাম্মদপুর থানায় দায়েরকৃত একটি হামলা ও নাশকতার মামলায় মামুনুলকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ওই মামলায় অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তার সাতদিনের রিমান্ড আবেদন করে আদালতে পাঠানো হচ্ছে। সোমবার সকাল ১১টার দিকে ডিবি কার্যালয় থেকে পুলিশ তাকে নিয়ে আদালতে দিকে রওনা হয়।

রবিবার (১৮ এপ্রিল) দুপুরে রাজধানীর মোহাম্মদপুরের জামিয়া রাহমানিয়া মাদ্রাসা থেকে মামুনুলকে গ্রেফতার করে পুলিশ।


আরও খবর



করোনায় যে কারণে দেহব্যবসায় ঝুঁকছেন শিক্ষার্থীরা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৩ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৩ এপ্রিল ২০২১ | ১৭৬জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
তাদের কাছে করোনাকালে বিশ্ববিদ্যালয় এবং কলেজপড়ুয়া বহু যুবতী সাহায্য চেয়ে হেল্পলাইন্সে যোগাযোগ করছেন। যোগাযোগকারীরা সম্ভ্রম নিয়ে ব্যবসা করতে চান। সেই অর্থ দিয়ে ওই

মহামারি করোনায় নাস্তানাবুদ গোটা বিশ্ব। প্রাণঘাতী এই ভাইরাস জীবন তো কাড়ছেই, কাড়ছে জীবীকাও। উন্নত বিশ্বের অর্থনীতিতেও ধস নামিয়েছে এই ভাইরাস। আমেরিকা-ইউরোপের দেশগুলোতে বড় বড় শহরগুলোর পাব, হোটেল-রেস্টুরেন্ট বন্ধ হয়ে গেছে। বহির্বিশ্ব থেকে ওসব দেশে যাওয়া তরুণ শিক্ষার্থীরা এসব রেস্তোরাঁয় কাজ করত। সেই উপার্জন পড়ালেখা আর জীবীকা নির্বাহের কাজে আসত। এসব বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বাধ্য হয়ে এসব শিক্ষার্থীদের অনেকে সম্ভ্রম বিক্রির পথ বেছে নিচ্ছেন।

সম্প্রতি এহেন কঠিন অবস্থার মুখোমুখি হওয়া শিক্ষার্থীকে সহায়তার আহ্বান জানিয়েছে বারাঙ্গনাদের ইউনিয়ন ইংলিশ কালেকটিভ অব প্রস্টিটিউটস (ইসিপি)। সংগঠনটি জানায়, তাদের কাছে করোনাকালে বিশ্ববিদ্যালয় এবং কলেজপড়ুয়া বহু যুবতী সাহায্য চেয়ে হেল্পলাইন্সে যোগাযোগ করছেন। যোগাযোগকারীরা সম্ভ্রম নিয়ে ব্যবসা করতে চান। সেই অর্থ দিয়ে ওই শিক্ষার্থীরা তাদের ফি পরিশোধ করতে চান। ইসিপি বলেছে, এ বছর দেহদানের মাধ্যমে অর্থ উপার্জনকারী এমন শিক্ষার্থীর সংখ্যা এরইমধ্যে এক-তৃতীয়াংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

বারাঙ্গনাদের অধিকারবিষয়ক ওই গ্রুপটি আরও জানায়, লকডাউন দেওয়ার ফলে অসংখ্য শিক্ষার্থী আর্থিক সংকটে পড়েছেন। ফলে দেহব্যবসার মাধ্যমে উপার্জনকারী তরুণী শিক্ষার্থীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। অনেক শিক্ষার্থী নিজের নগ্ন ছবি বিভিন্ন সাইটে বিক্রি করছে। প্রতিদিন এভাবে অর্থ উপার্জন এবং এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে পরামর্শ চেয়ে প্রতিদিন আটজন যুবতী শিক্ষার্থী ওই ইসিপির কাছে ফোন করছেন। কেননা কোনো বার, দোকানপাট খোলা নেই। আগে সেখানে কাজ করে উপার্জন করতে পারতেন তারা। আবার কিছু কিছু ইউনিভার্সিটি এ খবর জানতে পেরে নিজেদের শিক্ষার্থীদের সুরক্ষিত রাখতে কিভাবে নিরাপদে দেহ বিক্রি করতে হয় তার নির্দেশনাও দিয়েছে।

ইসিপির মুখপাত্র লরা ওয়াটসন বলেছেন, টিউশন ফি পরিশোধ করতে পতিতাবৃত্তিতে যুবতী শিক্ষার্থীদের যুক্ত হওয়ার ঘটনা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। কমপক্ষে ৩০ হাজার পাউন্ড ঋণের বোঝা মাথায় নিয়ে এ পেশায় আসতে বাধ্য হয়েছেন তারা।

উল্লেখ্য, ১৯৭৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় ইসিপি। তখন থেকেই তারা যৌনকর্মীদের প্রতি বৈষম্যের প্রতিবাদে, তাদের অধিকার আদায় ও নিরাপত্তা প্রদানে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে সংগঠনটি।


আরও খবর
এক কেজি সবজির দাম এক লাখ টাকা

শনিবার ০৩ এপ্রিল ২০২১




সড়কের ওপর দেয়াল তুলে অবরোধ করছে হেফাজত

প্রকাশিত:শনিবার ২৭ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ২৭ মার্চ ২০২১ | ১০৬জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

চট্টগ্রামের হাটহাজারী-খাগড়াছড়ি মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। হেফাজতপন্থী মাদ্রাসাছাত্ররা এখনো সড়কে অবস্থান করছে। সড়কের ওপর বাশের ব্যারিকেড দিয়ে যান চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে তারা। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছে সাধারণ মানুষ। হাটহাজারী, রামগড়সহ এই পথ দিয়ে চলাচল করা মানুষকে চরম বিপাকে পড়তে হয়েছে। বিকল্প পথ দিয়ে সবাইকে যাতায়াত করতে হচ্ছে। শুক্রবার আড়াইটা থেকে চলাচলের গুরুত্বপূর্ণ এ পথটি বন্ধ রয়েছে। শনিবার (২৭ মার্চ) সকাল থেকে পুনরায় মাদ্রাসাছাত্ররা সড়কটি অবরোধ করে রাখে।

এ ছাড়া হাটহাজারী এলাকার প্রধান সড়কের সকল দোকানপাট বন্ধ রয়েছে। সাধারণ মানুষের মধ্যে একধরনের আতঙ্ক বিরাজ করছে। পুরো এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

ঘটনার পর গতকাল শুক্রবার থেকে হেফাজতের নেতাদের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক করেন ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম এমপি। বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে বলা হলে ও শনিবার সকাল থেকে বিক্ষোভকারী ছাত্ররা রাস্তায় আবার বিক্ষোভ করতে দেখা গেছে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের রাস্তার বিভিন্ন স্থানে টহল দিতে দেখা যায়। মাদ্রাসা থেকে মাইকে ঘোষণা দিয়ে ছাত্রদের মাদ্রাসায় ফেরার আহ্বান জানান। সকাল থেকে পৌর সদরের বিভিন্ন ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান, দোকান, শপিং সেন্টার বন্ধ রয়েছে।

এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। অতিরিক্ত র‍্যাব, পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এ ছাড়া বিজিবি মোতায়েন রয়েছে। 

নিউজ ট্যাগ: হেফাজতে ইসলাম

আরও খবর