আজঃ শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪
শিরোনাম
প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার হুমকি

বিএনপি নেতা চাঁদ গ্রেফতার

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৫ মে ২০২৩ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৫ মে ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

Image

প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার হুমকি দেওয়ায় অভিযোগে রাজশাহী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবু সাঈদ চাঁদকে (৬৬) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২৫ মে) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে নগরীর ভেড়িপাড়া মোড়ের চেকপোস্ট থেকে টহল পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে।

আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার হুমকি: কিশোরগঞ্জে চাঁদের বিরুদ্ধে মামলা

রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরএমপি) পুলিশ কমিশনার আনিসুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, বিএনপি নেতা চাঁদকে গ্রেফতার করা হয়েছে। দুপুর পৌনে ১২টায় সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত জানানো হবে।

এর আগে গত শুক্রবার (১৯ মে) রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার শিবপুর হাইস্কুল মাঠে বিএনপির বিক্ষোভ সমাবেশ হয়। ওই সমাবেশে রাজশাহী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবু সাঈদ চাঁদ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে কবরস্থানে পাঠানোর হুমকি দেন।

আরও পড়ুন: শেখ হাসিনাকে হত্যার হুমকির প্রতিবাদে ইবিতে মানববন্ধন

বিষয়টি ছড়িয়ে পড়লে আওয়ামী লীগ নেতাদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। এরপরই রোববার (২১ মে) রাতে রাজশাহীর পুঠিয়া থানায় সন্ত্রাস দমন আইনে বাদী হয়ে একটি মামলা করেন স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা আবুল কালাম আজাদ। যেখানে আসামি করা হয় বিএনপি নেতা আবু সাঈদ চাঁদকে।

আরও পড়ুন: ভোটের আগের দিন কাউন্সিলর প্রার্থীতা বাতিল

এরপর সোমবার (২২ মে) সন্ধ্যায় সন্ত্রাস দমন আইনে নগরীর কাশিয়াডাঙ্গা থানায় পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) আরমান হোসেন বাদী হয়ে আরও একটি মামলা করেন। যেখানে আবু সাঈদ চাঁদসহ ১২ জনকে আসামি করা হয়। এ মামলায় ৩ জন গ্রেফতার হন।

 আর মঙ্গলবার (২৩ মে) নাটোরে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও চাঁদের বিরুদ্ধে আরও একটি মামলা দায়ের করা হয়।সবশেষ বুধবার (২৪ মে) চাঁদসহ দলের পাঁচ নেতার বিরুদ্ধে রাজবাড়ীর আদালতে মানহানির মামলা দায়ের করেন জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শেখ সোহেল রানা টিপু।

 আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার হুমকির প্রতিবাদে চট্টগ্রাম আইন কর্মকর্তাদের প্রতিবাদ সমাবেশ

এর আগেও বিএনপি নেতা আবু সাঈদ চাঁদ প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কটূক্তি করেন। এ অভিযোগে গত বছরের ২৬ জুলাই তার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা হয়।


আরও খবর



ঘরে বাবার লাশ, এসএসসি পরীক্ষার হলে ম্যামেচিং

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি

Image

ঘরে বাবার লাশ। শোকে কাতর; কিন্তু ভেঙে পড়ল না। পরীক্ষা থেকে বিচ্যুত বা পিছপা না হয়ে মনকে শক্ত করে চোখে শোকের জলে চলমান এসএসসির মঙ্গলবারের পরীক্ষায় অংশ নিল রাঙামাটির কাপ্তাইয়ে ম্যামেচিং মারমা নামে এক পরীক্ষার্থী।

মঙ্গলবার সকালে বাবার নিষ্প্রাণ দেহে শেষ শ্রদ্ধা নিবেদন করে কাপ্তাই উপজেলা সদরের বড়ইছড়ি নুরুল হুদা কাদেরী উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে বৌদ্ধধর্ম পরীক্ষা দেয় ম্যামেচিং। সে ওই উপজেলার ওয়াগ্গা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে।

জানা যায়, কাপ্তাই উপজেলার ওয়াগ্গা ইউনিয়নের কুকিমারাপাড়া এলাকার ম্যামেচিংয়ের বাবা উবাচিং মারমা (৪৭) সোমবার বিকালে নিজ বাড়িতে মৃত্যুবরণ করেন। কৃষক উবাচিং দীর্ঘদিন ধরে কিডনি রোগে ভুগছিলেন।

স্থানীয় গ্রামপ্রধান (কারবারি) চিংসুই মং মারমা জানান, ম্যামেচিংয়ের বাবার একটি কিডনি অনেক আগে থেকে বিকল ছিল। এ অবস্থায় সোমবার মৃত্যুবরণ করেন তিনি। মঙ্গলবার দুপুরে তার শেষকৃত্য সম্পন্ন করা হয়েছে। তার আগে সকালে বাবার লাশ ঘরে রেখে চোখে শোকের জল নিয়েও যথারীতি কেন্দ্রে গিয়ে পরীক্ষা দিতে যায় মেয়ে ম্যামেচিং। আমরা আশীর্বাদ করি যাতে সে ভালো ফল পায়।

বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে ওয়াগ্গা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুবিমল তঞ্চঙ্গ্যা জানান, ম্যামেচিং তার বিদ্যালয় হতে চলমান এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে। সে ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের পরীক্ষার্থী। তার বাবার মৃত্যুতেও সে মনোবল নিয়ে মঙ্গলবারের বৌদ্ধধর্ম বিষয়ে পরীক্ষা দিয়েছে।

নিউজ ট্যাগ: রাঙামাটি

আরও খবর
৯ ছাত্রীর চুল কাটার ঘটনায় শিক্ষিকা বরখাস্ত

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




চড়ুই পাখির কিচিরমিচির শব্দে ঘুম ভাঙে যে শহরের

প্রকাশিত:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ | অনলাইন সংস্করণ
রেদওয়ানুল হক, ঠাকুরগাঁও

Image

বসন্তের ছোয়া লেগেছে প্রকৃতিতে। শীতের হাত থেকে মুক্ত আকাশে পাখা মেলেছে পাখির দল। উড়ন্ত পাখিরা নির্ভয়ে এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ঘুরে ফিরছে গাছের ডালে।

পাখ-পাখালির কথা উঠলেই চোখে ভেসে ওঠে সবুজে ঘেরা গ্রাম। শ্যামল-ছায়া আর সুনিবিড় সেই গ্রামজুড়ে থাকে পাখির কিচিরমিচির। তবে ইট-পাথরের শহরে কোলাহলের মাঝেও পাখিরা যে গলা ছেড়ে গাইতে পারে- তা চোখে না দেখলে বিশ্বাসই হবে না।

ঠাকুরগাঁও শহরের ব্যস্ততম এলাকা বাসস্ট্যান্ড তেমনই ব্যতিক্রমী একটি জায়গা। যেখানে পাখিরা খুঁজে পেয়েছে তাদের নিরাপদ আবাস। তাইতো ছোট দুই-তিনটি গাছেই প্রতিদিন বিকেল হলেই জড়ো হয় হাজার হাজার চড়ুই। সেই সঙ্গে সন্ধ্যা নামতেই কিচিরমিচির ছন্দে তাল মিলিয়ে মেতে ওঠে তারা। আবার ভোরের আলো ফুটতেই উড়াল দেয় অজানায়।

পশ্চিমে সূর্য ঢলে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে ঝাঁকে ঝাঁকে চড়ুইপাখি আসে এই শহরের প্রাণকেন্দ্রে। আবার পূর্ব আকাশে ভোর হলেই বেরিয়ে পড়ে খাবারের সন্ধানে। এ যেন রোজকার রুটিন তাদের। শহরের যান্ত্রিকতা কিংবা কর্মব্যস্ত মানুষের ঘরে ফেরার শোরগোল ছাপিয়ে এই কলতান যেনো রঙ ছড়ায় পথের গল্পে, যা শুনে মুহূর্তের জন্য হলেও থমকে দাঁড়ায় পথিক। তাদের এমন ইতিউতি উড়াউড়ি আর খুঁনসুটি নাগরিক মন খুঁজে পায় গ্রামীন পরশ। হয়ে ওঠে ভীষণ রকম নস্টালজিক। যদিও গ্রামগঞ্জে দিনকে দিন হারিয়ে যাচ্ছে চড়ুই।

ঠাকুরগাঁও বাসস্ট্যান্ড মোড় এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, গোধূলি নামতেই ঝাঁকে ঝাঁকে ছুটে আসে গাছের দিকে পাখির দল। এরা গাছের এক ডাল থেকে আরেক ডালে ছোটাছুটি শুরু করে। কিচিরমিচির ডাকে মাতিয়ে তোলে পুরো শহর। সন্ধ্যা হলেই সেখানে কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে যান পথচারীরা। যারা নতুন আসেন তারা দীর্ঘ সময় ধরে পাখির উড়াউড়ি দেখেন, মোবাইলে ভিডিও ধারণ করেন, তোলেন ছবিও।

স্থানীয় ব্যবসায়ীরা বলছেন, কয়েক বছর ধরেই শহরের ব্যস্ততম বাসস্ট্যান্ড চত্বরকে ঘিরে বিদ্যুতের তারে ও গাছের ডালে চড়ুই পাখির এমন বাড়ি দেখা যাচ্ছে। বিকেল হলেই এরা দলে দলে আসতে থাকে। শুরু হয় কিচিরমিচির, ওড়াউড়ি। রাত বাড়লে বিদ্যুতের খুঁটিকে ঘিরে ঘন হয়ে আসে। একসময় চুপ হয়ে যায়। হঠাৎ করে পাখি বলে মনেও হবে না। মনে হতে পারে, গোলাকার কোনো কিছু তারে তারে ঝুলে আছে। শীত, ঝড়-বৃষ্টি সব সময়ই এরা কমবেশি আছে। কোনো কারণে মানুষ বিরক্ত করলে মাঝেমাঝে তারা একটু-আধটু এদিক-ওদিক স্থান বদল করে। কিছুদিন পর আবার পুরোনো স্থানে ফিরে আসে।

ওয়াজেদ নামে এক শিক্ষার্থী বলেন, প্রতিদিন পড়ন্ত বিকেলে পাখিরা এখানে এসে আশ্রয় নেয়। সন্ধ্যায় পুরো এলাকা পাখির কলকাকলিতে মুখর হয়ে ওঠে। নির্বিঘ্নে রাত কাটায় আর ভোর হলেই উড়ে যায় এরা। দিনের শেষে আবার নীড়ে ফেরে।

পরিবেশ কর্মী এস.এম. মনিরুজ্জামান বলেন, আগে বাসা-বাড়িতে প্রচুর চড়ুই পাখি দেখা যেত। এখন পাকা ঘর হওয়ায় আর তেমন দেখা যায় না। শহরের বাসস্ট্যান্ড মৌড়ে অনেকগুলো চড়ুই পাখি। এরা বিদ্যুতের খুঁটি ও তারে রাত কাটায়। যান্ত্রিক শহরে একসঙ্গে এত পাখির চঞ্চলতা ভালোই লাগে।

ঠাকুরগাঁও প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মোঃ আবুল কালাম আজাদ বলেন, গাছপালা, পশুপাখি প্রকৃতির ভারসাম্য ও বৈচিত্র্য সৃষ্টি করে। চড়ুই পাখিরা দলবদ্ধভাবে বসবাস করতে ভালোবাসে। তাই এরা একসঙ্গে থাকে। শহরের বাসস্ট্যান্ড মোড়ে একটি গাছে হাজারো চড়ুই পাখি বসবাস করছে, এটি দারুণ ভালো লাগার বিষয়। এদেরকে আমাদের সংরক্ষণ করতে হবে।

নিউজ ট্যাগ: ঠাকুরগাঁও

আরও খবর
৯ ছাত্রীর চুল কাটার ঘটনায় শিক্ষিকা বরখাস্ত

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




উদ্বোধনী জুটিতে জাপানের বিশ্বরেকর্ড

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
ক্রীড়া প্রতিবেদক

Image

ইস্ট এশিয়া কাপে চীনের বিপক্ষে উদ্বোধনী জুটিতে ২৫৮ রান সংগ্রহ করেছেন জাপানের দুই ওপেনার লাচলান ইমামোতো লাকে ও কেন্দেল কাদোওয়াকি ফ্লেমিং। যা টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ওপেনিং জুটিতে সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড। শুধু তাই নয় যেকোনো জুটিতেই সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড এটি।

বৃহস্পতিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) মংককের মিশন রোড গ্রাউন্ডে শুরুতে ব্যাটিং করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে কোনো উইকেট না হারিয়ে ২৫৮ রান তুলে জাপান। উদ্বোধনী জুটিতে রেকর্ড গড়ার পথে সেঞ্চুরির দেখা পেয়েছেন দুই ওপেনারই। লাকে ৬৮ বলে ১৩৪ ও ফ্লেমিং ৫৩ বলে ১০৯ রানে অপরাজিত থাকেন।

এর আগে উদ্বোধনী জুটিতে সর্বোচ্চ রানের এই রেকর্ড ছিল আফগানিস্তানের হজরতউল্লাহ জাজাই ও উসমান গনির দখলে। তারাও উদ্বোধনী জুটিতেই বিশ্বরেকর্ড গড়েছিলেন। ২০১৯ সালে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে উদ্বোধনী জুটিতে ২৩৬ রান তুলেছিলেন জাজাই ও গনি।

নিউজ ট্যাগ: