আজঃ শনিবার ২৩ অক্টোবর ২০২১
শিরোনাম

‘বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিভিত্তিক প্রায়োগিক শিক্ষায় গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার’

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১২ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১২ অক্টোবর ২০২১ | ১৩২৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিভিত্তিক প্রায়োগিক শিক্ষায় সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম এমপি।

মঙ্গলবার (১২ অক্টোবর) পিরোজপুর সদর উপজেলা পরিষদের সভাকক্ষে বিশ্ব শিক্ষক দিবস ২০২১ উপলক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ কথা জানান।

এ সময় মন্ত্রী আরো বলেন, বর্তমান সরকার কারিগরী শিক্ষাকে প্রাধান্য দিচ্ছে। দক্ষ জনশক্তি তৈরির শিক্ষাকে প্রাধান্য দিচ্ছে। যাতে শিক্ষার্থীরা প্রশিক্ষণ নিয়ে দেশে ও দেশের বাইরে দক্ষ জনশক্তি হিসেবে নিজের মেধাকে কাজে লাগাতে পারে। বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করতে পারে। অতীতে গবেষণার সীমিত সুযোগ ছিল। শেখ হাসিনা সরকার প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণার জন্য আলাদা অর্থ বরাদ্দ দিচ্ছে। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে গবেষণাগার তৈরি করে দিচ্ছে, বিষয়ভিত্তিক বিশেষজ্ঞদের নিয়োগ দিচ্ছে। গতানুগতিক শিক্ষার বাইরে যে আধুনিক শিক্ষাকে কাজে লাগানো যায় সে শিক্ষার প্রসার করাই বর্তমান সরকারের লক্ষ্য। কারণ সার্টিফিকেটভিত্তিক শিক্ষা কোন কাজে আসে না

বাংলাদেশের ৫০ বছরের ইতিহাসে শেখ হাসিনার মতো শিক্ষাবান্ধব প্রধানমন্ত্রী আর আসেনি উল্লেখ করে এ সময় মন্ত্রী আরো যোগ করেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সময়ে শিক্ষা খাতে বাজেট অনেক বৃদ্ধি করা হয়েছে। তবে এ বাজেট আরো বাড়ানো দরকার। শিক্ষকদের আবাসন ব্যবস্থা দরকার, বেসরকারি শিক্ষকদের চাকরি শেষে জীবনযাপনের একটা নিশ্চয়তা থাকা দরকার। পাশাপাশি শিক্ষকদের মর্যাদার ধাপ আরো উপরে নেওয়া দরকার

পিরোজপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. বশির আহমেদ, পিরোজপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার খায়রুল হাসান, পিরোজপুর জেলা মুক্তিযুদ্ধ সংসদের সাবেক কমান্ডার গৌতম নারায়ণ রায় চৌধুরীসহ স্থানীয় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকবৃন্দ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

পরে জাতীয় মহিলা সংস্থা, পিরোজপুর জেলা শাখা আয়োজিত কৃতি ছাত্রীদের সনদপত্র বিতরণ ও সুধি সমাবেশে যোগ দেন মন্ত্রী।


আরও খবর



আজ থেকে ভারতে পর্যটন ভিসা চালু

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৫ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৫ অক্টোবর ২০২১ | ৫৩৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ কমে যাওয়ায় ধীরে ধীরে বিধিনিষেধ শিথিল করেছে ভারত। এরই ধারাবাহিকতায় দেড় বছরের বেশি সময় পর সব দেশের পর্যটকদের জন্য এবার পর্যটন ভিসা চালু করল দেশটির সরকার। সংবাদমাধ্যম বিবিসি এ খবর জানিয়েছে।

গত সপ্তাহে ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়, ১৫ অক্টোবর (শুক্রবার) থেকে দেশটি চার্টার্ড ফ্লাইটে আসা ভ্রমণকারীদের পর্যটন ভিসা দেবে। এ ছাড়া ১৫ নভেম্বর থেকে বাণিজ্যিক ফ্লাইটে আসা ভ্রমণকারীদের জন্য এই সুবিধা দেওয়া হবে।

গত বছর করোনার সংক্রমণ আশঙ্কাজনক হারে বেড়ে যাওয়ায় ভারত সরকার দেশটির সীমানা বন্ধ করে দেয়। এ জন্য গত বছরের মার্চ থেকে বন্ধ ছিল পর্যটন ভিসা। যদিও গত কয়েক মাসে কূটনীতিক এবং বিদেশি ব্যবসায়িক কর্মকর্তাদের জন্য কিছু ভিসা পুনরায় চালু করে ভারত সরকার।

করোনা মহামারি আশঙ্কাজনক হারে বেড়ে যাওয়ার সময় ভারতে প্রতিদিন সর্বোচ্চ চার লাখের বেশি মানুষের করোনা শনাক্ত করা হয়েছিল। বর্তমানে প্রতিদিন শনাক্তের সংখ্যা ২০ হাজারের আশপাশে নেমে গেছে। এরই মধ্যে দেশটির মোট জনসংখ্যার ৭০ শতাংশ করোনার টিকার অন্তত একটি ডোজ পেয়েছে।


আরও খবর



ব্যাক পেইন থেকে মুক্তি দেবে যে ব্যায়াম

প্রকাশিত:বুধবার ১৩ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ১৩ অক্টোবর ২০২১ | ৪৩৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
বিভিন্ন কারণেই ব্যাক পেইন হতে পারে। মূলত মেরুদণ্ড বা স্পাইন-সম্পর্কিত ব্যথাকেই আমরা ব্যাক পেইন বলা বলে থাকি

কমবেশি সবার ব্যাক পেইন অর্থাৎ কোমরের বা মাজার ব্যথা হতে পারে। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বার্ধক্যে এই সমস্যা প্রবল আকার ধারণ করতে পারে।একটানা চেয়ারে বসে থাকলে বা দূরে কোথাও ঘুরতে গেলে, এটি হতে পারে। শুধু ওষুধ খেলেই যে এই সমস্যার সমাধান মেলে, তা নয়।

ব্যাক পেইন কেন হয়?

বিভিন্ন কারণেই ব্যাক পেইন হতে পারে। মূলত মেরুদণ্ড বা স্পাইন-সম্পর্কিত ব্যথাকেই আমরা ব্যাক পেইন বলা বলে থাকি। স্নায়ু, পেশি, হারজোড় ইত্যাদি কারণেই ব্যাক পেইন দেখা যায়। মেরুদণ্ডের পেশি, স্নায়ু, হাড়ের জোড়া যদি সঠিক অবস্থানে সঠিক কাজ না করতে পারে, তাহলে ব্যথা সৃষ্টি হয়।

ব্যাক পেইন থেকে মুক্তি পেতে প্রতিদিন সকালে মাত্র কয়েক মিনিট ব্যায়াম করলেই যথেষ্ঠ।

যেভাবে ব্যায়াম করবেন?

১. দরজার পাল্লায় দুই হাত রেখে দাঁড়ান। এপর সামনের দিকে এক পায়ের হাঁটু ভাঁজ করতে থাকুন যতক্ষণ না কাঁধের পেশিতে টান পড়ছে। ৩০ সেকেন্ড থাকুন। অন্য পায়ে রিপিট করুন। এভাবে ৩-৪ বার করুন।

২. দেয়ালে হাত রেখে দাঁড়ান। এক পা পিছিয়ে রাখুন। খেয়াল রাখবেন সামনের পায়ের হাঁটু ভাঙবে কিন্তু পেছনের পা সোজা থাকবে। ৩০ সেকেন্ড থাকুন। অন্য পায়ে করুন। প্রতি পা ৩ বার করে করবেন।

৩. প্রতিটি ব্যায়াম করার সময় ৫-৬ বার গভীর শ্বাস নিয়ে ধীরে ধীরে ছাড়ুন। লক্ষ্য রাখবেন যেন শরীরের কোথাও খুব চাপ না পড়ে। সব থেকে ভালো হয় সকালে ব্যায়াম করলে, তবে যদি করা সম্ভব না হয়, তাহলে দিনের যেকোনো সময় ব্যায়াম করে নিন।

তবে ব্যথার অনেক দিন  থাকলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। 

নিউজ ট্যাগ: ব্যাক পেইন

আরও খবর
আজকের ভালো মন্দ

শুক্রবার ২২ অক্টোবর ২০২১

আজ আপনার জন্মদিন হলে

বুধবার ২০ অক্টোবর ২০21




হেঁটে হজ করা সেই ১১৫ বছরের মহিউদ্দীন আর নেই

প্রকাশিত:সোমবার ১১ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ১১ অক্টোবর ২০২১ | ৩৪০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

হেঁটে হজ পালনকারী দিনাজপুরের সেই ১১৫ বছরের হাজি মো.মহিউদ্দীন মারা গেছেন। রোববার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে সদর উপজেলার রামসাগর খসরুর মোড়ে মেয়ের বাড়িতে  শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, চার মেয়ে, দুই ছেলে, নাতি-নাতনিসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

সোমবার বাদ জোহর রামসাগর জাতীয় উদ্যানের বায়তুল আকসা জামে মসজিদের সামনে তার জানাজা হয়। এর পর রামসাগর দীঘিপাড়ায় পারিবারিক গোরস্তানে তাকে দাফন করা হবে।

দিনাজপুর সদর উপজেলার ৯ নম্বর আশস্করপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমান জিয়া হাজি মহিউদ্দীনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

হাজি মহিউদ্দীন দিনাজপুর সদর উপজেলার রামসাগর দীঘিপাড়া গ্রামের মৃত ইজার পণ্ডিত ও মমিরন নেছার ছেলে। তিনি জাতীয় উদ্যানের বায়তুল আকসা জামে মসজিদের সাবেক ইমাম।

১৯০৬ সালের ১০ আগস্ট জন্মগ্রহণ করেন মো. মহিউদ্দীন। ১৯৬৮ সালে হজ করার উদ্দেশ্যে পায়ে হেঁটে দিনাজপুর থেকে রওনা দেন তিনি। পায়ে হেঁটে হজ করতে যেতে-আসতে তার সময় লেগেছিল ১৮ মাস।

এ ১৮ মাসে তিনি পাড়ি দেন কয়েক হাজার কিলোমিটার পথ। এ সময়ে তিনি সফর করেন ৩০ দেশ। যে দেশগুলো তিনি সফর করেছেন মৃত্যুর আগ পর্যন্ত, মুখস্ত বলতে পারতেন সেসব দেশের নাম। ওই সময়ে হজে যেতে পাসপোর্ট ও ভিসা করতে তার খরচ হয় ১২০০ টাকা।

তিনি স্ত্রী, চার মেয়ে, দুই ছেলে, নাতি-নাতনিসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।


আরও খবর
মসজিদ থেকে জঙ্গি সন্দেহে আটক ৪৫

শুক্রবার ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১




মুনিয়ার বাসায় শেষ গিয়েছিল নুসরাতের ৩ সহযোগী

প্রকাশিত:রবিবার ০৩ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ০৩ অক্টোবর ২০২১ | ৯৫০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
প্রশ্ন উঠেছে, নুসরাত কুমিল্লা থেকে মুনিয়ার ফ্ল্যাটে আসার পরপরই এই তিনজন কোথা থেকে মুনিয়ার ফ্ল্যাটে এলো

মুনিয়ার মৃত্যু নিয়ে এখন তদন্ত করছে পিবিআই। এই তদন্ত করতে যেয়ে একের পর এক বেরিয়ে আসছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। হত্যা এবং ধর্ষণের মামলা তদন্ত করতে গিয়ে তদন্তকারী কর্মকর্তারা ইতিমধ্যে গুলশানের ওই ফ্ল্যাটের সিসিটিভি ফুটেজ জব্দ করেছে, রেজিস্টার বুক জব্দ করেছে এবং ওই সমস্ত সিসিটিভির ফুটেজ বিশ্লেষণ করে অনেক চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। উল্লেখ্য যে, মুনিয়ার মৃত্যুর ২ ঘণ্টা আগে ওই ফ্ল্যাটে তিনজন ব্যক্তি প্রবেশ করেছিল। সিসিটিভি ফুটেজে তাদের ছবি পাওয়া গেছে। কিন্তু তিনজন এক সময় প্রবেশ করেনি। তাদের প্রথমজন প্রবেশের ৪৫ মিনিট পর দ্বিতীয়জন এবং তার ১৫ মিনিট পর তৃতীয়জন প্রবেশ করেছেন। এর আগে নুসরাতের সাথে মুনিয়ার টেলিআলাপের রেকর্ড পর্যালোচনা করলে দেখা যায় সেখানে নুসরাত বলছে যে, ওদেরকে পাঠাচ্ছি, ওদেরকে বসার ব্যবস্থা কর আমি আসছি। এরা কারা? এই সিসিটিভি ফুটেজের সঙ্গে পরবর্তীতে নুসরাত যখন থানায় গেলেন সেই গুলশান থানার সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, যে তিনজন সেদিন মুনিয়ার মৃত্যুর আগে গুলশানের ফ্ল্যাটে গিয়েছিল সেই তিনজনই আবার নুসরাতের সঙ্গে গাড়িতে করে গুলশান থানায় যান এবং গুলশান থানায় যখন নুসরাত মুনিয়ার মৃত্যু নিয়ে মামলা দায়ের করেন সে সময় তাদেরকে নুসরাতের পাশে দেখা গেছে।

প্রশ্ন উঠেছে, নুসরাত কুমিল্লা থেকে মুনিয়ার ফ্ল্যাটে আসার পরপরই এই তিনজন কোথা থেকে মুনিয়ার ফ্ল্যাটে এলো। আরও তদন্তে দেখা গেছে যে, নুসরাতের কাছে মুনিয়ার ফ্লাটের একটি চাবির ডুপ্লিকেট চাবি থাকত এবং এই চাবিটি তিনি এই তিনজন সহযোগীকে দিয়েছিলেন বলেও প্রাথমিক তদন্তে পাওয়া গেছে। আবার যখন নুসরাত আদালতে নারাজি দরখাস্ত করেন তখনও ওই তিনজন ব্যক্তিকে নুসরাতের সঙ্গে দেখা যায়, তারা কোর্টে ঘোরাঘুরি করছেন। এরও পরে যখন নুসরাত ৮ নম্বর নারী শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন তখনও এই তিনজনকে পাওয়া গেছে।

অনুসন্ধানে দেখা গেছে যে, এই তিনজন নুসরাতের একান্ত ব্যক্তিগত সহযোগী এবং বিশ্বস্ত ব্যক্তি। এরা কুমিল্লাতেও নুসরাতের জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তিতে কাজ করেন। নুসরাতের পারিবারিক ঝামেলার জন্য তাকে কিছু সন্ত্রাসী গোষ্ঠী পালতে হতো বলে স্থানীয় এলাকাবাসী জানিয়েছেন। বিশেষ করে তার ভাইয়ের সঙ্গে জমিজমা নিয়ে বিরোধ সহিংসতা পর্যায়ে পৌঁছে যায় এবং এ নিয়ে মামলা মোকদ্দমা আছে। এ কারণেই নুসরাত স্থানীয় সন্ত্রাসী গ্রুপদের সঙ্গে উঠাবসা শুরু করেন এবং তাদেরকে নিয়মিত মাসোয়ারা দিতেন। একই সময়ে মুনিয়া যেন অবাধ্য না হয়ে যায় এবং তার নাগালের বাইরে না চলে যায় এজন্য মুনিয়াকে নজরদারির মধ্যে রাখার জন্য এরকম কয়েকজনকে ব্যবহার করা হতো। এরা প্রত্যেকেই পেশাদার সন্ত্রাসী এবং এদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। পুলিশ এখন এই তিনজনকে খুঁজছে। এই তিনজনকে অন্তত সাতটি জায়গায় নুসরাতের সঙ্গে দেখা গেছে এবং এই ভিডিওগুলো একটার পর একটা মিলিয়ে মুনিয়ার মৃত্যুর সঙ্গে এদের কোনো যোগসূত্র আছে কিনা সেটা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কারণ মুনিয়া যদি যদি সত্যি সত্যি হত্যাকাণ্ডের শিকার হন তাহলে সেই হত্যাকাণ্ডের সময় ওই ফ্ল্যাটে কাউকে থাকতে হবে।

এখন সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনায় দেখা যায় যে, তিনজন ব্যক্তি সেদিন ওই ফ্ল্যাটে গিয়েছিলেন। সেই তিনজনই আবার নুসরাতের সঙ্গে সার্বক্ষণিক ভাবে ছায়ার মত ঘোরাফেরা করছে। এরকম একটি পরিস্থিতিতে এই মামলার তদন্তে একটি নাটকীয় মোড় নিয়েছে। বিভিন্ন মহল মনে করছেন যে, নুসরাতের বিশ্বস্ত সহযোগী এই তিনজনকে গ্রেপ্তার করতে পারলেই এই মামলার রহস্যজট অনেকখানি উপড়ে যাবে। তবে তদন্তে এটি এখন পর্যন্ত নিশ্চিত হয়েছে যে, মুনিয়ার মৃত্যুর দিন যাদেরকে আসামি হিসেবে অভিযুক্ত করা হয়েছে তাদের কেউই মুনিয়ার ফ্লাটে যায়নি। সিসিটিভি ফুটেজের তাদের ফ্ল্যাটে যাওয়ার কোনো প্রমাণ মেলেনি। বরং যে তিনজন রহস্যজনক ভাবে ভুল ঠিকানায় ফ্ল্যাটে গিয়েছিল সেই তিনজনকে নিয়েই এখন তদন্ত ক্রমশ ঘনীভূত হচ্ছে বলে বিভিন্ন সূত্র নিশ্চিত করেছে।


আরও খবর



হাঙ্গার প্রজেক্টের উদ্যোগে জাতীয় কন্যাশিশু দিবস পালিত

প্রকাশিত:বুধবার ০৬ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ০৬ অক্টোবর ২০২১ | ৫৯০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

আমরা কন্যাশিশু-প্রযুক্তিতে সমৃদ্ধ হবো, ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়বো এই প্রতিপদ্যের আলোকে প্রতিবছরের মতো এবারও দি হাঙ্গার প্রজেক্ট-বাংলাদেশ ও জাতীয় কন্যাশিশু অ্যাডভোকেসি ফোরামের যৌথ উদ্যোগে মঙ্গলবার (৫ অক্টোবর) নানান র্কমসূচীর মধ্য দিয়ে পালন করা হয় জাতীয় কন্যাশিশু দিবস-২০২১।

এই বছর জাতীয় কন্যাশিশু দিবস পালন করা উপলক্ষে খাউলিয়া ইউনিয়নের মাধ্যমিক স্তরের কয়েকটি প্রতিষ্ঠানকে তাদের প্রতিষ্ঠান থেকে ছাত্রীদের মধ্য থেকে আমরা কন্যাশিশু-প্রযুক্তিতে সমৃদ্ধ হবো, ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়বো এই প্রতিপাদ্যের আলোকে দেয়ালিকা পত্রিকার প্রর্দশন ও প্রতিযোগিতার আহবান করা হয়।

স্ব স্ব প্রতিষ্ঠান তারা তাদের দেয়ালিকা উপস্থাপন ও প্রদর্শন করেন খাউলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের হল রুমে। উপস্থিত বিচারক মন্ডলীর বিবেচনায় তিনটি প্রতিষ্ঠানকে সার্বিক বিবেচনায় সন্ন্যাসী মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়, এস,পি, রশিদিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও সন্ন্যাসী বরিশাল লতিফিয়া দাখিল মাদ্রাসাকে প্রথম, দ্বিতীয়ও তৃতীয় স্থান র্নিধারণ করা হয়।

উপস্থিত বিজয়ীদের পুরস্কার প্রদান করা হয়। আজকের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সন্ন্যাসী মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের  সহকারী শিক্ষক কপতী সেন, এস,পি, রশিদিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নন্দ দুলাল ও সন্ন্যাসী বরিশাল লতিফিয়া দাখিল মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক বেল্লাল হোসাইন।

সার্বিক সহযোগিতা করেন খাউলিয়া ইউনিয়নের সুজন সদস্য রনজিতা সেন ও ইয়ূথ সদস্য আসলাম হোসেন সুমন। উক্ত অনুষ্ঠানের সার্বিক সঞ্চালকের দ্বায়িত্ব পালন করেন দি হাঙ্গার প্রজেক্ট-বাংলাদেশ এর ইউনিয়ন সমন্বয়কারী মোঃ মেহেদী হাসান।


আরও খবর
আজ আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবস

সোমবার ১১ অক্টোবর ২০২১