আজঃ শনিবার ২৩ অক্টোবর ২০২১
শিরোনাম

বিমানযাত্রীর ব্যাগে মিলল ১৭ রাউন্ড গুলি

প্রকাশিত:রবিবার ০৩ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ০৩ অক্টোবর ২০২১ | ৬০০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

রাজশাহীর শাহ্‌ মখদুম বিমানবন্দরে এক যাত্রীকে তল্লাশি করে ১৭ রাউন্ড গুলিসহ তাকে আটক করেছে পুলিশ। গতকাল শনিবার (০২ অক্টোবর) বিকেল ৫টার দিকে বিমানে ওঠার আগেই তার কাছ থেকে এসব গুলি উদ্ধার করা হয়।

বিষয়টি সংবাদমাধ্যমে নিশ্চিত করেছেন শাহ্‌ মখদুম বিমানবন্দরে দায়িত্বরত পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) উৎপল সরকার। আটক ব্যক্তির নাম বারি শাহ চৌধুরী (৪৫)। তিনি নওগাঁ জেলার ধামরহাট এলাকার মৃত আব্দুল কুদ্দুস শাহ চৌধুরীর ছেলে।

উৎপল সরকার সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ধামরহাট এলাকার এক যাত্রী ঢাকা যাওয়ার উদ্দেশে রাজশাহী বিমানবন্দরে আসেন। এ সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাজশাহী বিমানবন্দর এপিপিএন চেকপোস্টে তাকে তল্লাশি করে ১৭ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়। পরে তাকে আটক করে থানা হেফাজতে নেওয়া হয়।

এসআই উৎপল আরও জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে এই যাত্রী উদ্ধারকৃত গুলি তার পিতা প্রয়াত কুদ্দুস শাহের লাইসেন্সকৃত পিস্তলের বলে দাবি করেন। তবে তিনি বিমানযাত্রার সময় গুলি বহনের তথ্য গোপন করেছেন।

রাজশাহী মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার গোলাম রুহুল কুদ্দুস শনিবার রাতে বলেন, গুলির মালিক দাবি করেছেন এগুলো লাইসেন্স করা পিস্তলের। তিনি ভুল করে গুলির ব্যাগটি নিয়ে চলে এসেছেন।

এ বিষয়ে বিমানবন্দর থানার ওসি মতিউর রহমান জানান, এয়ারপোর্ট কর্তৃপক্ষ তাকে থানায় হস্তান্তর করেছে। তার অস্ত্রের বৈধতা যাচাই করা হচ্ছে। তিনি ফিলিং স্টেশনের ব্যবসা করেন। সাপাহার থানায় খোঁজ নেওয়া হয়েছে। তার নামে পূর্বে কোনো মামলা নেই। বৈধ কাগজ থাকলে মুচলেকা দিয়ে তাকে ছেড়ে দেওয়া হবে।


আরও খবর



মুনিয়ার বাসায় শেষ গিয়েছিল নুসরাতের ৩ সহযোগী

প্রকাশিত:রবিবার ০৩ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ০৩ অক্টোবর ২০২১ | ৯৫০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
প্রশ্ন উঠেছে, নুসরাত কুমিল্লা থেকে মুনিয়ার ফ্ল্যাটে আসার পরপরই এই তিনজন কোথা থেকে মুনিয়ার ফ্ল্যাটে এলো

মুনিয়ার মৃত্যু নিয়ে এখন তদন্ত করছে পিবিআই। এই তদন্ত করতে যেয়ে একের পর এক বেরিয়ে আসছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। হত্যা এবং ধর্ষণের মামলা তদন্ত করতে গিয়ে তদন্তকারী কর্মকর্তারা ইতিমধ্যে গুলশানের ওই ফ্ল্যাটের সিসিটিভি ফুটেজ জব্দ করেছে, রেজিস্টার বুক জব্দ করেছে এবং ওই সমস্ত সিসিটিভির ফুটেজ বিশ্লেষণ করে অনেক চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। উল্লেখ্য যে, মুনিয়ার মৃত্যুর ২ ঘণ্টা আগে ওই ফ্ল্যাটে তিনজন ব্যক্তি প্রবেশ করেছিল। সিসিটিভি ফুটেজে তাদের ছবি পাওয়া গেছে। কিন্তু তিনজন এক সময় প্রবেশ করেনি। তাদের প্রথমজন প্রবেশের ৪৫ মিনিট পর দ্বিতীয়জন এবং তার ১৫ মিনিট পর তৃতীয়জন প্রবেশ করেছেন। এর আগে নুসরাতের সাথে মুনিয়ার টেলিআলাপের রেকর্ড পর্যালোচনা করলে দেখা যায় সেখানে নুসরাত বলছে যে, ওদেরকে পাঠাচ্ছি, ওদেরকে বসার ব্যবস্থা কর আমি আসছি। এরা কারা? এই সিসিটিভি ফুটেজের সঙ্গে পরবর্তীতে নুসরাত যখন থানায় গেলেন সেই গুলশান থানার সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, যে তিনজন সেদিন মুনিয়ার মৃত্যুর আগে গুলশানের ফ্ল্যাটে গিয়েছিল সেই তিনজনই আবার নুসরাতের সঙ্গে গাড়িতে করে গুলশান থানায় যান এবং গুলশান থানায় যখন নুসরাত মুনিয়ার মৃত্যু নিয়ে মামলা দায়ের করেন সে সময় তাদেরকে নুসরাতের পাশে দেখা গেছে।

প্রশ্ন উঠেছে, নুসরাত কুমিল্লা থেকে মুনিয়ার ফ্ল্যাটে আসার পরপরই এই তিনজন কোথা থেকে মুনিয়ার ফ্ল্যাটে এলো। আরও তদন্তে দেখা গেছে যে, নুসরাতের কাছে মুনিয়ার ফ্লাটের একটি চাবির ডুপ্লিকেট চাবি থাকত এবং এই চাবিটি তিনি এই তিনজন সহযোগীকে দিয়েছিলেন বলেও প্রাথমিক তদন্তে পাওয়া গেছে। আবার যখন নুসরাত আদালতে নারাজি দরখাস্ত করেন তখনও ওই তিনজন ব্যক্তিকে নুসরাতের সঙ্গে দেখা যায়, তারা কোর্টে ঘোরাঘুরি করছেন। এরও পরে যখন নুসরাত ৮ নম্বর নারী শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন তখনও এই তিনজনকে পাওয়া গেছে।

অনুসন্ধানে দেখা গেছে যে, এই তিনজন নুসরাতের একান্ত ব্যক্তিগত সহযোগী এবং বিশ্বস্ত ব্যক্তি। এরা কুমিল্লাতেও নুসরাতের জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তিতে কাজ করেন। নুসরাতের পারিবারিক ঝামেলার জন্য তাকে কিছু সন্ত্রাসী গোষ্ঠী পালতে হতো বলে স্থানীয় এলাকাবাসী জানিয়েছেন। বিশেষ করে তার ভাইয়ের সঙ্গে জমিজমা নিয়ে বিরোধ সহিংসতা পর্যায়ে পৌঁছে যায় এবং এ নিয়ে মামলা মোকদ্দমা আছে। এ কারণেই নুসরাত স্থানীয় সন্ত্রাসী গ্রুপদের সঙ্গে উঠাবসা শুরু করেন এবং তাদেরকে নিয়মিত মাসোয়ারা দিতেন। একই সময়ে মুনিয়া যেন অবাধ্য না হয়ে যায় এবং তার নাগালের বাইরে না চলে যায় এজন্য মুনিয়াকে নজরদারির মধ্যে রাখার জন্য এরকম কয়েকজনকে ব্যবহার করা হতো। এরা প্রত্যেকেই পেশাদার সন্ত্রাসী এবং এদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। পুলিশ এখন এই তিনজনকে খুঁজছে। এই তিনজনকে অন্তত সাতটি জায়গায় নুসরাতের সঙ্গে দেখা গেছে এবং এই ভিডিওগুলো একটার পর একটা মিলিয়ে মুনিয়ার মৃত্যুর সঙ্গে এদের কোনো যোগসূত্র আছে কিনা সেটা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কারণ মুনিয়া যদি যদি সত্যি সত্যি হত্যাকাণ্ডের শিকার হন তাহলে সেই হত্যাকাণ্ডের সময় ওই ফ্ল্যাটে কাউকে থাকতে হবে।

এখন সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনায় দেখা যায় যে, তিনজন ব্যক্তি সেদিন ওই ফ্ল্যাটে গিয়েছিলেন। সেই তিনজনই আবার নুসরাতের সঙ্গে সার্বক্ষণিক ভাবে ছায়ার মত ঘোরাফেরা করছে। এরকম একটি পরিস্থিতিতে এই মামলার তদন্তে একটি নাটকীয় মোড় নিয়েছে। বিভিন্ন মহল মনে করছেন যে, নুসরাতের বিশ্বস্ত সহযোগী এই তিনজনকে গ্রেপ্তার করতে পারলেই এই মামলার রহস্যজট অনেকখানি উপড়ে যাবে। তবে তদন্তে এটি এখন পর্যন্ত নিশ্চিত হয়েছে যে, মুনিয়ার মৃত্যুর দিন যাদেরকে আসামি হিসেবে অভিযুক্ত করা হয়েছে তাদের কেউই মুনিয়ার ফ্লাটে যায়নি। সিসিটিভি ফুটেজের তাদের ফ্ল্যাটে যাওয়ার কোনো প্রমাণ মেলেনি। বরং যে তিনজন রহস্যজনক ভাবে ভুল ঠিকানায় ফ্ল্যাটে গিয়েছিল সেই তিনজনকে নিয়েই এখন তদন্ত ক্রমশ ঘনীভূত হচ্ছে বলে বিভিন্ন সূত্র নিশ্চিত করেছে।


আরও খবর



ডেঙ্গু আক্রান্ত আরও ২২৪ জন হাসপাতালে ভর্তি

প্রকাশিত:শনিবার ০৯ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ০৯ অক্টোবর ২০২১ | ৪১৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায়  দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে আরও ২২৪ জন নতুন রোগী ভর্তি হয়েছেন। শনিবার (৯ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গু বিষয়ক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়। নতুন ভর্তিদের মধ্যে ঢাকাতে ১৫৬ জন এবং ঢাকার বাইরে ভর্তি হয়েছেন ৫৯ জন।

বর্তমানে দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে সর্বমোট ৯৭৩ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি রয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকার ৪৬টি সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে ৭৯০ জন এবং অন্যান্য বিভাগে বর্তমানে সর্বমোট ১৮৩ জন রোগী ভর্তি রয়েছেন।

এ বছরের শুরু থেকে আজ পর্যন্ত বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা সর্বমোট ১৯ হাজার ৯১৮ জন। একই সময়ে তাদের মধ্যে থেকে হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১৮ হাজার ৮৭২ জন রোগী। এ পর্যন্ত ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হয়ে ৭৩ জনের মৃত্যুর হয়েছে।


আরও খবর
২৪ ঘণ্টায় করোনায় ৪ জনের মৃত‌্যু

শুক্রবার ২২ অক্টোবর ২০২১

ডেঙ্গু: আরও ১২৩ জন হাসপাতালে

শুক্রবার ২২ অক্টোবর ২০২১




ঘূর্ণিঝড় গুলাব’র তাণ্ডবে নিহত ২

প্রকাশিত:সোমবার ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৫১০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
ঘূর্ণিঝড় গুলাব অন্ধ্রপ্রদেশ থেকে ক্রমশ পশ্চিম দিকে সরতে শুরু করেছে। আপাতত উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশের উপকূল অঞ্চলে অবস্থান করছে গুলাবের কেন্দ্র

ভারতের উড়িষ্যা ও অন্ধ্রপ্রদেশের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় গুলাব। ঘূর্ণিঝড়ের তাণ্ডবে অন্ধ্রপ্রদেশের শ্রীকাকুলামে জেলেদের একটি নৌকাডুবে অন্তত দুই জেলে নিহত হয়েছেন। নিখোঁজ রয়েছেন চারজন।

দেশটির আবহাওয়া বিভাগ (আইএমডি) এক টুইট বার্তায় জানিয়েছে, রোববার রাতে ঘূর্ণিঝড় গুলাবের অগ্রভাগ অন্ধ্রপ্রদেশের উপকূলীয় এলাকার স্থলভাগে পৌঁছেছে। রাত সাড়ে ১০টার দিকে অন্ধ্রপ্রদেশের উত্তর উপকূল এবং তৎসংলগ্ন দক্ষিণ উপকূলীয় উড়িষ্যায় ঘণ্টায় ৬৫ থেকে ৭৫ কিলোমিটার গতিতে আছড়ে পড়ছে ঘূর্ণিঝড়টি।

আগামী তিন থেকে চার ঘণ্টার মধ্যে ঘূর্ণিঝড়টি অন্ধ্রপ্রদেশের কলিঙ্গপত্তনম ও উড়িষ্যার গোপালপুর অতিক্রম করতে পারে। এর প্রভাবে আগামী দুইদিন অর্থাৎ সোম ও মঙ্গলবার তেলেঙ্গানায় ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে।

জানা যায়, ঘূর্ণিঝড় গুলাব অন্ধ্রপ্রদেশ থেকে ক্রমশ পশ্চিম দিকে সরতে শুরু করেছে। আপাতত উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশের উপকূল অঞ্চলে অবস্থান করছে গুলাবের কেন্দ্র। সেখানে বাতাসের সর্বোচ্চ গতিবেগ ৮৫ কিলোমিটার।

উড়িষ্যার গাঞ্জাম জেলার বিশেষ ত্রাণ কমিশনার পি কে জিনা জানান, ঘূর্ণিঝড়ের তাণ্ডবে প্রাণহানি এড়াতে উড়িষ্যা উপকূল থেকে অন্তত ১৬ হাজার মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

এদিকে কলিঙ্গপত্তনমের জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, মোট ৬১টি ত্রাণ শিবির তৈরি করা হয়েছে। সেখানে আশ্রয় নিয়েছেন ১ হাজার ১০০ জন।

নিউজ ট্যাগ: ঘূর্ণিঝড় গুলাব

আরও খবর



ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মেয়র আতিকুলের বিরুদ্ধে মামলা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৯ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৯ অক্টোবর ২০২১ | ২৯০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র মো. আতিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৯ অক্টোবর) ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক আস সামছ জগলুল হোসেনের আদালতে এ মামলা করা হয়। মামলাটি করেন রাজধানীর ভাষানটেক পুনর্বাসন প্রকল্পের রূপকার মো. আব্দুর রহিম।

এরপর আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করেন। মামলার বিষয়ে আদেশ পরে দেবেন বলে জানান আদালত। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মামলার বাদীর আইনজীবী ফারুক আহম্মেদ।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, আসামিরা একে অপরের সহযোগিতায় বাদী ও তার প্রতিষ্ঠানের সম্পত্তি জোর করে দখল করেন। মেয়র আতিকুল ইসলামের হুকুম ও অন্য আসামিদের সহযোগিতায় বিভিন্ন মিডিয়া এবং ডিজিটাল ডিভাইসে ইচ্ছাকৃতভাবে বাদী ও তার পরিবার নিয়ে আক্রমণাত্মক, মিথ্যা, ভীতিপ্রদর্শন এবং মানহানিকর তথ্য প্রকাশ করে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ২৫/২৯ ধারায় অপরাধ করেছেন।


আরও খবর



আজ আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবস

প্রকাশিত:সোমবার ১১ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ১১ অক্টোবর ২০২১ | ৫৩৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
কন্যাশিশুকে সুনাগরিক করে গড়ে তুলতে হবে। তাহলে তারা দেশ ও সমাজের জন্য কাজ করতে পারবে। কন্যাশিশুদের শিক্ষার পাশাপাশি ক্ষমতায়নের বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে

আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবস আজ ১১ অক্টোবর সোমবার। পৃথিবীজুড়ে লিঙ্গবৈষম্য দূর করতে ২০১২ সালের ১১ অক্টোবর থেকে জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রগুলো প্রতিবছর এ দিবসটি পালন করে থাকে। সরকারের পাশাপাশি বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা দিবসটি উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

নারীদের শিক্ষার অধিকার, আইনি সহায়তা ও ন্যায় অধিকার, চিকিত্সা সুবিধা, বৈষম্য থেকে সুরক্ষা, নারীর বিরুদ্ধে হিংসা ও বাল্যবিয়ে বন্ধে কার্যকর ভূমিকা পালনের উদ্দেশ্যে এ দিবসের যাত্রা শুরু। প্রথম আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবসের প্রতিপাদ্য ছিল বাল্যবিবাহ বন্ধ করা। এবারের প্রতিপাদ্য ডিজিটাল প্রজন্ম আমাদের প্রজন্ম

সমাজ কল্যাণ ও উন্নয়ন সংস্থার (স্কাস) চেয়ারম্যান জেসমিন প্রেমা বলেন, বেশির ভাগ পরিবারে কন্যাশিশুরা খাওয়াদাওয়া, পোশাক-পরিচ্ছদ এমনকি সামাজিক মর্যাদার ক্ষেত্রেও অবহেলা ও বঞ্চনার শিকার হতে দেখা যায়। দেশে শিশু সুরক্ষার জন্য শিশু অধিকার আইন ও নীতিমালা থাকা সত্ত্বেও অঞ্চলভেদে বৈষম্য রয়েছে। করোনা মহামারিসহ প্রাকৃতিক দুর্যোগের প্রভাবে কন্যাশিশুদের বাল্যবিয়েসহ নানামুখী সংকট বেড়েছে।

এ বিষয়ে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি মেহের আফরোজ চুমকি  বলেন, কন্যাশিশুকে সুনাগরিক করে গড়ে তুলতে হবে। তাহলে তারা দেশ ও সমাজের জন্য কাজ করতে পারবে। কন্যাশিশুদের শিক্ষার পাশাপাশি ক্ষমতায়নের বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। বাল্যবিয়ে বন্ধ করতে হবে। সরকার এ বিষয়ে কাজ শুরু করেছে। কিন্তু সরকারের এককভাবে এই কাজটি করা অসম্ভব। এ বিষয়ে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

প্রসঙ্গত, আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবস প্ল্যান ইন্টারন্যাশনালের কারণ আমি একজন মেয়ে নামক আন্দোলনের ফসল। এ আন্দোলনের মূল কর্মসূচি হলো বিশ্বজুড়ে কন্যাশিশুর পরিপুষ্টি সম্পর্কে জনসচেতনতা সৃষ্টি করা। এ সংস্থার কানাডার কর্মচারীরা এ আন্দোলনকে বিশ্বদরবারে প্রতিষ্ঠিত করতে কানাডা সরকারের সহায়তা নেয়। কানাডাই প্রথম জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবস পালনের প্রস্তাব দেয়।

পরে ২০১১ সালের ১৯ ডিসেম্বর তারিখে জাতিসংঘের সাধারণ সভায় এ প্রস্তাব গৃহীত হয়। এরপর ২০১২ সালের ১১ অক্টোবর প্রথম আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবস পালন করা হয়। বাংলাদেশ সরকার এই দিবসটি পালনের পাশাপাশি একই লক্ষ্য নিয়ে ৩০ সেপ্টেম্বর জাতীয় কন্যাশিশু দিবস পালন করে থাকে।


আরও খবর