আজঃ শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪
শিরোনাম

বইমেলায় এবার ডা. সাবরিনাকে দুয়োধ্বনি

প্রকাশিত:রবিবার ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

কয়েক দিন আগে আলোচিত-সমালোচিত মুশতাক আহমেদ ও তার স্ত্রী তিশাকে দুয়োধ্বনি দিয়ে বইমেলা প্রাঙ্গণ থেকে বের হয়ে যেতে বাধ্য করেন মেলায় আসা শতাধিক দর্শনার্থী। এবার আরেক আলোচিত ডা. সাবরিনা হুসেন মিষ্টিকেও ভুয়া ভুয়া বলে দুয়োধ্বনি দিলেন দর্শনার্থীরা।

সামজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে দেখা যায় ডা. সাবরিনা বইয়ের স্টলে অনেকটাই মন খারাপ করে বসে আছেন। আর তার চারপাশে ক্রেতা-দর্শনার্থীরা ভুয়া ভুয়া বলে চিৎকার করছেন।

এ সময় দর্শকদের বলতে শোনা যায়, এই সেই সাবরিনা যে করোনার সময় জনগণকে ঠকিয়েছে। তার বই কেউ কিনছে না। দেখতে একটু সুন্দর তাই সবাই দেখতে ভিড় করছে।

তিন বছর বন্দিনী জীবনের কথা নিয়ে বই লিখেছেন আলোচিত-সমালোচিত এই ডাক্তার। এরই সুবাদে বইমেলায় দেখা যায় তাকে। করোনাকালে ডা. সাবরিনা নেতিবাচক কর্মকাণ্ডের জন্য টক অব দ্য কান্ট্রি ছিলেন।

গত শুক্রবার (০৯ ফেব্রুয়ারি) বইমেলার নবম দিনে তিশার ভালোবাসা বইয়ের লেখক মুশতাক আহমেদকে ও তার স্ত্রী তিশাকে ভুয়া ভুয়া ছি ছি দুয়োধ্বনি দিয়ে বইমেলা প্রাঙ্গণ থেকে বের হয়ে যেতে বাধ্য করেন মেলায় আসা শতাধিক দর্শনার্থী। এ সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা তাদেরকে নিরাপত্তা বেষ্টনী দিয়ে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটের গেট দিয়ে মেলা প্রাঙ্গণ থেকে বের হয়ে যেতে সাহায্য করেন।

প্রসঙ্গত, করোনাভাইরাসের নমুনা পরীক্ষা না করেই জাল রিপোর্ট দেওয়ার অভিযোগে করা মামলায় জেকেজি হেলথ কেয়ারের চেয়ারম্যান ডা. সাবরিনা চৌধুরীকে রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছিল। সেই মামলায় তিনি তিন বছর কারাগারে ছিলেন।


আরও খবর
শপথ নিলেন নতুন ৭ প্রতিমন্ত্রী

শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪




শনিবার ইন্টারনেট সেবায় বিঘ্ন ঘটার শঙ্কা

প্রকাশিত:বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ডেস্ক

Image

আগামী শনিবার (২ মার্চ) সকাল ৭টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত দেশের প্রথম সাবমেরিন (সি-মি-উই-৪) ক্যাবলের মেরামত কাজ চলবে। এই সময়ে গ্রাহকরা ধীরগতির ইন্টারনেট পেতে পারেন বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবলস পিএলসি। গ্রাহকের সাময়িক অসুবিধার জন্য আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশও করেছে সংস্থাটি। বুধবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, কক্সবাজারে স্থাপিত দেশের প্রথম সাবমেরিন ক্যাবল সিস্টেমের সিঙ্গাপুর প্রান্তে কনসোর্টিয়াম রক্ষণাবেক্ষণ কাজ চলবে। এজন্য আগামী ২ মার্চ সকাল ৭টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত প্রায় ১২ ঘণ্টা সি-মি-উই-৪ ক্যাবলের মাধ্যমে সংযুক্ত সার্কিটগুলো আংশিক বা পুরোপুরি বন্ধ থাকবে। তবে কুয়াকাটায় স্থাপিত দেশের দ্বিতীয় সাবমেরিন সি-মি-উই-৫ ক্যাবলের মাধ্যমে সংযুক্ত সার্কিটগুলো যথারীতি চালু থাকবে।

বিজ্ঞপ্তিতে দুঃখ প্রকাশ করে বলা হয়, রক্ষণাবেক্ষণ কাজ চলাকালে বিএসসিপিএলসির ইন্টারনেট গ্রাহকরা সাময়িকভাবে ধীরগতির ইন্টারনেটের সম্মুখীন হতে পারেন বা ইন্টারনেট সেবা বিঘ্নিত হতে পারে।


আরও খবর



বৈদেশিক মুদ্রার সংকট কাটিয়ে উঠছে দেশ, ফিরে এসেছে ট্র্যাকে : অর্থমন্ত্রী

প্রকাশিত:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

দেশে বর্তমানে বৈদেশিক মুদ্রার সংকট থাকলেও তা কাটিয়ে উঠছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী। একই সঙ্গে বাংলাদেশ যে সম্ভাবনার দেশ, সেই ট্র্যাকেই ফিরে এসেছে। আজ সোমবার সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে আন্তর্জাতিক কৃষি উন্নয়ন তহবিলের (আইএফএডি) আবাসিক প্রতিনিধির আর্নদ হেমিলিয়ারসের সঙ্গে বৈঠকের শেষে সাংবাদিকদের অর্থমন্ত্রী এ কথা বলেন। 

অর্থমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে সংকট আছে, কিন্তু আমরা ওভারকাম করছি। আস্তে আস্তে আমরা উন্নতি করছি। একই সঙ্গে বাংলাদেশ এখন ঊর্ধ্বমুখী। বাংলাদেশ যে সম্ভাবনার দেশ, সেই ট্র্যাকেই ফিরে এসেছি। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ নাকি দেউলিয়া হয়ে গেল? না বাংলাদেশ কোথায় দেউলিয়া? এত বড় একটা দেশ দেউলিয়া হতে পারে না। আমাদের রিজার্ভ উন্নতি করছে।

দেশের সংকট কেটে যাচ্ছে কি নাজানতে চাইলে অর্থমন্ত্রী বলেন, হ্যাঁ, সংকট অনগোয়িং। সংকট আছে। কিন্তু আমরা ওভারকাম করছি। আস্তে আস্তে আমরা উন্নতি করছি। যদি ধারণা করেননতুন মন্ত্রিসভা হলো, কালই সব ঠিক হয়ে যাবে, এমনটা হবে না। কিন্তু অন দ্য ওয়ে, আস্তে আস্তে করতে হবে।

আরও পড়ুন>> বাড়তে পারে মন্ত্রিসভার পরিধি: ওবায়দুল কাদের

অর্থমন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক কৃষি উন্নয়ন তহবিলের (আইএফএডি) প্রজেক্ট চালু আছে। সেখানে তাঁরা নতুন নতুন আইডিয়া নিয়ে আসছেন। সেগুলো নিয়ে আলোচনা হয়েছে। সুনির্দিষ্ট কোনো বিষয়ে জোর দেওয়ার কথা বলা হয়েছে কি না এ প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, সেরকম কিছু না। তবে তারা আস্তে আস্তে উন্নয়ন করে। প্রতিবছরই উন্নয়নের বিষয়ে আলোচনা হয়। এ বছর উদ্ভাবনী বিষয়ে বাংলাদেশসহ অন্যান্য সবার সঙ্গে আলোচনা হয়েছে।

দেশের বিভিন্ন সমস্যার কথা তুলে ধরে অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী বলেন, মার্কেটিং একটা সমস্যা। কৃষকের কাছ থেকে পণ্য ঢাকায় আসতে আসতে মধ্যস্বত্বভোগীদের হাতে চলে যায়। এটা একটা বড় সমস্যা। আমরা চিন্তাভাবনা করছি কীভাবে এটাকে পরিবর্তন করা যায়।

অর্থমন্ত্রী বলেন, আইএফএডি এখানে সব সময় আমাদের সাহায্য করে। শুধু তাঁরা একা নয়, আমাদের অনেক পার্টনার আছে যেমন, জাপান, এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক। এ ছাড়া আমাদের আরও ডেভেলপমেন্ট পার্টনার আছে তারা বিভিন্ন আইডিয়া নিয়ে আসে। তারপর মিলেমিশে আমরা একটা রাস্তা বের করে যেতে শুরু করি।

আবুল হাসান মাহমুদ আলী বলেন, আমরা কোনো নির্দিষ্ট দেশের ওপর নির্ভরশীল না। কিন্তু আমরা সবার সঙ্গে পরামর্শ করে কাজ করি, আইডিয়া গ্রহণ করি, সেটাকে বড় করি। আর্থিকভাবে বিভিন্ন পার্টনার সহায়তা করে। এভাবেই চলে।

এর আগে, সকালে এডিবি ও ফ্রান্সের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক করেছেন সেখানে কী আলোচনা হয়েছেতা জানতে চাইলে অর্থমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ তো এখন ভালো করছে। তবে আমরা সমস্যা থেকে একেবারে বের হয়ে গেছি তা কিন্তু নয়।

এডিবি নতুন কোনো প্রতিশ্রুতি দিয়েছে কি নাএমন প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, নিশ্চয়ই করেছে। তারা বাংলাদেশকে সাহায্য করছে। এটা চলমান থাকবে। একটা কথা অনেকেই বলে, বাংলাদেশ কি দেউলিয়া হয়ে গেল? না, বাংলাদেশ কোথায় দেউলিয়া? এত বড় একটা দেশে দেউলিয়া হতে পারে না। আমাদের রিজার্ভ উন্নতি করছে।


আরও খবর
শপথ নিলেন নতুন ৭ প্রতিমন্ত্রী

শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪




মিয়ানমার বিজিপির আরও ১১ সদস্য বাংলাদেশে

প্রকাশিত:সোমবার ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
মোহাম্মদ ফারুক, কক্সবাজার

Image

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার তুমব্রু সীমান্তের ওপারে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে দেশটির সীমান্তরক্ষী বাহিনী বর্ডার গার্ড পুলিশের (বিজিপি) সঙ্গে বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীর সংঘাতের জেরে বিজিপির আরও ১১ সদস্য বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। এ নিয়ে বিজিপির মোট ১০৬ জন সদস্য বাংলাদেশে আশ্রয়

সোমবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-এর সদর দপ্তরের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শরিফুল ইসলাম এ তথ্য জানান।

বিজ্ঞপ্তিতে তিনি বলেন, রবিবার দিনভর বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার তুমব্রু সীমান্তের ওপারে মিয়ানমার অভ্যন্তরে আরাকান আর্মি ও মিয়ানমার বর্ডার গার্ড পুলিশের ( বিজিপি ) মধ্যে গোলাগুলি অব্যাহত ছিল। এতে সংঘর্ষের জেরে রবিবার সকাল থেকে সোমবার সন্ধ্যা পর্যন্ত বিজিপির ১০৬ জন সদস্য অস্ত্রসহ তুমব্রু সীমান্ত দিয়ে পালিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। পরে তারা বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-এর কাছে আশ্রয় চাইলে হেফাজতে নেওয়া হয় তাদের।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, বিজিবি তাদের (বিজিপি) নিরস্ত্রীকরণ করে নিরাপদ আশ্রয় দিয়েছে। বিজিপির আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থাও নেওয়া হয়েছে।

এর আগে সকালে বিজিপির ৯৫ জন সদস্য পালিয়ে এসে আশ্রয় নেয়।


আরও খবর



রোজার আগে চিনির দাম বেড়েছে কেজিতে ২০ টাকা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

কেজিতে ২০ টাকা বাড়িয়ে সরকারি মিলের চিনির সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ১৬০ টাকা নির্ধারণ করেছে চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশন (বিএসএফআইসি)।

আজ বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় সংস্থাটি।

এতে বলা হয়, আন্তর্জাতিক ও দেশীয় চিনির বাজার মূল্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বিএসএফআইসি কর্তৃক উৎপাদিত চিনির বিক্রয়মূল্য পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। বাজারে রোজা উপলক্ষে চিনির বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারের সহযোগিতা প্রয়োজন।

এখন থেকে করপোরেশনের ৫০ কেজি বস্তাজাত চিনির মিলগেটে বিক্রয়মূল্য ১৫০ টাকা (এক কেজি) ও ডিলার পর্যায়ে বিক্রয়মূল্য ১৫৭ টাকা (এক কেজি) নির্ধারণ করা হয়েছে।

এ ছাড়া করপোরেশনের ১ কেজি প্যাকেটজাত চিনির মিলগেট বা করপোরেট সুপারশপ বিক্রয়মূল্য ১৫৫ টাকা ও বিভিন্ন সুপারশপ, চিনি শিল্প ভবনের বেজমেন্টে ও বাজারে সর্বোচ্চ খুচরা বিক্রয়মূল্য ১৬০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। বাজারে সরকারি চিনির নামে মোড়কজাত করে চড়া দামে বিক্রি করছে কিছু প্রতিষ্ঠান। সবশেষ কেজিপ্রতি ১৪০ টাকা চিনির মূল্য নির্ধারণ করে সংস্থাটি।


আরও খবর
এক মাসে রিজার্ভ বাড়ল ৬৩ কোটি ডলার

শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪




বিদ্যুতের দাম বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন, কোন গ্রাহকের কত বাড়ল

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

সরকারের নির্বাহী আদেশে এক বছরের মাথায় গ্রাহক পর্যায়ে আবারও বাড়ল বিদ্যুতের দাম। গ্রাহক পর্যায়ে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম গড়ে সাড়ে ৮ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। নতুন দর অনুসারে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম গড়ে বেড়েছে ৭০ পয়সা।

চলতি ফেব্রুয়ারি মাসের বিল থেকেই নতুন এ দাম কার্যকর করা হবে। নির্বাহী আদেশে বিদ্যুতের নতুন দাম নির্ধারণ করে বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) প্রজ্ঞাপন জারি করেছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়।

দাম বৃদ্ধির ফলে ইউনিটপ্রতি খুচরা বিদ্যুতের দাম গড়ে ৮ টাকা ২৫ পয়সা থেকে বেড়ে ৮ টাকা ৯৫ পয়সায় দাঁড়িয়েছে। আর পাইকারি পর্যায়ে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়েছে গড়ে ৫ শতাংশ। এতে পাইকারি বিদ্যুতের দাম প্রতি ইউনিট ৬ টাকা ৭০ পয়সা থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭ টাকা ৪ পয়সায়।

বাসাবাড়িতে সবচেয়ে কম বিদ্যুৎ ব্যবহারকারীদের জন্য বেড়েছে ইউনিটপ্রতি ২৮ পয়সা। আর সবচেয়ে বেশি বিদ্যুৎ ব্যবহারকারীদের জন্য বেড়েছে ১ টাকা ৩৫ পয়সা। সেচে ব্যবহৃত বিদ্যুতের দাম বেড়েছে ৪৩ পয়সা। নতুন দর অনুযায়ী সেচে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম ৪ টাকা ৮২ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৫ টাকা ২৫ পয়সা করা হয়েছে।

নিম্ন চাপে (২৩০/৪০০ ভোল্ট) বাণিজ্যিক ও অফিসে গড় দাম ১১ টাকা ৯৩ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ১৩ টাকা ১ পয়সা করা হয়েছে। মধ্যম চাপের (১১ কিলো ভোল্ট) ক্ষেত্রে এটি করা হয়েছে গড়ে ১১ টাকা ৬৩ পয়সা। উচ্চ চাপে (৩৩ কিলো ভোল্ট) শিল্পের ক্ষেত্রে প্রতি ইউনিট গড়ে ৯ টাকা ৯০ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ১০ টাকা ৭৫ পয়সা করা হয়েছে। আর অতি উচ্চ চাপে (১৩২ ও ২৩০ কিলো ভোল্ট) ৯ টাকা ৬৮ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ১০ টাকা ৬৬ পয়সা করা হয়েছে। ভারী শিল্পকারখানা মূলত এ শ্রেণির গ্রাহক।

এ ছাড়া হাসপাতাল, শিক্ষা, ধর্মীয় ও দাতব্য প্রতিষ্ঠানে ইউনিটপ্রতি বিদ্যুতের দাম ৬ টাকা ৯৭ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৭ টাকা ৫৫ পয়সা করা হয়েছে।

আগে গণশুনানির মাধ্যমে বিদ্যুতের দাম নির্ধারণ করত এ খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। ২০২২ সালের ডিসেম্বরে আইন সংশোধন করে বিইআরসির পাশাপাশি দাম বাড়ানোর ক্ষমতা হাতে নেয় বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়। এরপর থেকে নির্বাহী আদেশে দাম বাড়াচ্ছে বিদ্যুৎ বিভাগ।

বিদ্যুৎ খাতে ভর্তুকির চাপ সামলাতে বিদ্যুতের দাম সমন্বয় করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগ। এ নিয়ে গত দেড় দশকে পাইকারি পর্যায়ে ১২ বার ও খুচরা পর্যায়ে ১৪ বার বাড়ানো হলো বিদ্যুতের দাম। সবশেষ গত বছরের জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত তিন দফায় প্রতি মাসে গড়ে ৫ শতাংশ করে গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়। এ ছাড়া গত বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে গড়ে ৮ শতাংশ বাড়ানো হয় পাইকারি পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম।


আরও খবর
শপথ নিলেন নতুন ৭ প্রতিমন্ত্রী

শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪