আজঃ মঙ্গলবার ২৩ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম

বিশ্ব বাঘ দিবস আজ

প্রকাশিত:শনিবার ২৯ জুলাই ২০২৩ | হালনাগাদ:শনিবার ২৯ জুলাই ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

আজ ২৯ জুলাই বিশ্ব বাঘ দিবস। বাঘের আবাস রক্ষা ও সংরক্ষণের জন্য সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে প্রতি বছরের ২৯ জুলাই বিশ্ব বাঘ দিবস পালন করা হয়। বাংলাদেশে দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য বাঘ করি সংরক্ষণ, সমৃদ্ধ হবে সুন্দরবন

বিশ্ব বাঘ দিবস-২০২৩ উপলক্ষে আজ শনিবার বন ভবনের হৈমন্তি মিলনায়তনে আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। প্রধান বন সংরক্ষক মো. আমীর হোসাইন চৌধুরীর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী হাবিবুন নাহার এমপি।

বিশেষ অতিথি মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. ফারহিনা আহমেদ ও অতিরিক্ত সচিব ইকবাল আব্দুল্লাহ হারুন উপস্থিত থাকবেন। এছাড়া বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের শিক্ষক ও বিশেষজ্ঞরা উপস্থিত থাকবেন।

সেন্ট পিটার্সবার্গে ২০১০ সালে অনুষ্ঠিত বাঘ অভিবর্তনে এ দিবসটির সূচনা হয়। বিশ্বজুড়ে দিবসটি পালন করা হলেও বাঘ টিকে আছে বিশ্বে এমন ১৩টি দেশে বাঘের ঘনত্ব বেশি থাকায় এসব দেশে গুরুত্ব সহকারে দিবসটি পালন করা হয়।

২০১০ সালে সেন্ট পিটার্সবার্গে প্রথম বাঘ সম্মেলনে বাংলাদেশসহ ১৩টি দেশ নিজ নিজ দেশে বাঘের সংখ্যা ১২ বছরের মধ্যে দ্বিগুণ করার লক্ষ্য নিয়েছিল। এরমধ্যে নেপাল বাঘের সংখ্যা দ্বিগুণ করেছে। ভারত এবং ভুটানও দ্বিগুণের কাছাকাছি নিয়ে গেছে। কিন্তু বাংলাদেশে বাঘের সংখ্যা সামান্য বাড়লেও সে লক্ষ্য থেকে দূরে আছে।

বন বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, স্বাধীনতার পর ১৯৭৫ সালের জরিপে সুন্দরবনে ৩৫০টি বাঘ ছিল। ২০০৪ সালে জরিপে বাঘের সংখ্যা ছিল ৪৪০টি। ২০১৫ সালের জরিপে সুন্দরবনের বাংলাদেশ অংশে বাঘের সংখ্যা আশংকাজনক হারে কমে দাঁড়ায় ১০৬টিতে। হঠাৎ করে সুন্দরবনের বাঘের সংখ্যা কমে যাওয়ায় সারা বিশ্বে হইচই পড়ে যায়।

২০১৮ সালে সর্বশেষ জরিপে বাঘের সংখ্যা ১১৪টি। চার বছর পর চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে ক্যামেরা ট্র্যাকিং পদ্ধতিতে বাঘ গণনার কাজ শুরু হয়েছে। ২০২৪ সালের জুন মাসের দিকে বাঘ গণনার ফলাফল ঘোষণা করা হবে বলে জানা গেছে।

নিউজ ট্যাগ: বিশ্ব বাঘ দিবস

আরও খবর



আদানির প্রথম ইউনিট থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু

প্রকাশিত:সোমবার ০১ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ০১ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

ভারতের আদানি গ্রুপের কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রর একটি ইউনিট উৎপাদনে এসেছে৷ আজ সোমবার ভোরে একটি ইউনিট চালু হয়৷ এতে প্রথমে সকাল ১০টায় ৫১০, পরে ১১টা থেকে ৭০০ মেগাওয়াটের মতো বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হয় বলে জানা গেছে।

এর আগে গত শুক্রবার কেন্দ্রটি থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। ঝাড়খণ্ডে নির্মিত এই কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশে প্রায় দেড় হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানি করা হয়। কয়েক দিন থেকে কেন্দ্রটিতে আংশিক উৎপাদন হচ্ছিল।

বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) সূত্রে জানা গেছে, রক্ষণাবেক্ষণের জন্য ঈদের ছুটিতে কেন্দ্রের প্রথম ইউনিটটির উৎপাদন বন্ধ করা হয়। এটি ৫ জুলাই উৎপাদনে ফিরতে পারে।

কারিগরি ত্রুটির কারণে ২৫ জুন থেকে দ্বিতীয় ইউনিটের উৎপাদন অর্ধেকে নেমে এসেছিল। ধীরে ধীরে উৎপাদন বাড়ানোর প্রক্রিয়া চলছিল। কিন্তু শুক্রবার সকাল পৌনে ১০টায় উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়।

দেশের কয়েকটি বড় বিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন কমে যাওয়ায় এবং প্রচন্ড গ্যাস সংকটের কারণে গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন কমে যাওয়ায় দেশে প্রচন্ড লোডশেডিং চলছে। দেশীয় উৎপাদিত গ্যাসের সঙ্গে বিদেশ থেকে এলএনজি আমদানি করে গ্যাসের যোগান মেটানো হয়। তবে সামিট গ্রুপের ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল বিকল হয়ে প্রায় এলএনজি সরবরাহ অর্থেকে নেমে আসে। ফলে গ্যাস সংকট চলছে।


আরও খবর
মেট্রোরেল চলাচল পুরোপুরি বন্ধ

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




রণক্ষেত্র সায়েন্সল্যাব: দফায় দফায় চলছে সংঘর্ষ, ঘটনাস্থলে নেই পুলিশ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

কোটা বাতিলের এক দফা দাবিতে রাজধানীর সায়েন্সল্যাব মোড় অবরোধ করেছেন ছয় কলেজের উচ্চমাধ্যমিকের শিক্ষার্থীরা। তাদের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েছেন ঢাকা কলেজ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। এ মুহূর্তে উভয় পক্ষই মুখোমুখি অবস্থানে রয়েছেন। চলছে ইটপাটকেল নিক্ষেপ এবং ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া।

এক ঘণ্টা ধরে এমন পরিস্থিতি বিরাজ করলেও সেখানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কোনো সদস্যকে দেখা যায়নি। এরই মধ্যে তিনটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনাও ঘটেছে।

আহতদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। এখন পর্যন্ত ১৩ শিক্ষার্থীকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। আহতরা হলেন- সাব্বির, হাবিব, কামরুল হাসান, জাহিদ, ইয়াসমিন, হাসান, মিরাজ, আরিফ, লাভলু, এস এম ওসমান গনি, মিদুল, হৃদয় ও নাহিদ। 

ধানমন্ডির ল্যাবএইড হাসপাতাল থেকে শুরু করে সাইন্স ল্যাবরেটরি মোড় পর্যন্ত কোটাবিরোধী আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের সমর্থন জানিয়ে আইডিয়াল কলেজ, ঢাকা সিটি কলেজ, ঢাকা কলেজ ও মুন্সী আব্দুর রউফ কলেজের উচ্চমাধ্যমিক শ্রেণির শতাধিক শিক্ষার্থী রাস্তা অবরোধ করে অবস্থান নিয়েছেন। বিপরীত পাশে ঢাকা কলেজ ছাত্রলীগ, স্থানীয় ব্যবসায়ী, স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা অবস্থান নিয়েছেন। থেমে থেমে তাদের মধ্যে চলছে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া। ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনায় উভয় পক্ষেরই বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।

ঘটনাস্থলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের উপস্থিত না হওয়ার বিষয়ে জানতে নিউ মার্কেট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলামের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। কিন্তু তিনি ফোন ধরেননি।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) দুপুর ২টার দিকে এ সংঘর্ষের সূত্রপাত। শুরুতে বেশ কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে।

একই ইস্যুতে গতকাল সোমবার উত্তাল হয়ে ওঠে ঢাবিসহ দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়। দুপুরের দিকে ঢাবির রাজু ভাস্কর্যে এসে অবস্থান নেন কয়েকশ আন্দোলনকারী। এ সময় তারা প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য প্রত্যাহার চেয়ে নানা স্লোগান দেন। তবে, তাদের তুমি কে আমি কে, রাজাকার রাজাকার স্লোগান নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের আলাদা অনুষ্ঠানে তাদের স্লোগানের ভাষার তীব্র সমালোচনা করেন।

এরপর ক্যাম্পাসে সক্রিয় হয় ছাত্রলীগ। দুপুর ২টার দিকে তারা বিজয় ৭১ হলসহ বিভিন্ন হলে আন্দোলনকারীদের বাধা দেন। এ খবরে আন্দোলনকারীরা ছুটে গেলে ছাত্রলীগের সঙ্গে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। উভয়পক্ষ ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে। এরপর থেকে গোটা ক্যাম্পাসে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

বিকেল ৪টার পর থেকে পরিস্থিতির অবনতি হতে থাকে। এ সময় ছাত্রলীগ আন্দোলনকারীদের ওপর লাঠি-সোটা নিয়ে আক্রমণ শুরু করে। বহু আন্দোলনকারীকে পিটিয়ে আহত করে তারা। তাদের অনেকের মাথা ফেটে যায়। আন্দোলনকারীরা কোথাও কোথাও প্রতিরোধের চেষ্টা করে। ফলে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে ব্যাপক সংঘর্ষ শুরু হয়।

বিকেল ৪টা থেকে সাড়ে ৫টা পর্যন্ত চলা সংঘর্ষে শতাধিক আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী আহত হন। তাদের অধিকাংশই ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি হন। এ ছাড়া আশপাশের অন্যান্য হাসপাতালেও চিকিৎসা নেন কেউ কেউ।

বিকেল ৫টার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদুল্লাহ হলের সামনে কোটাবিরোধী আন্দোলনকারীদের সঙ্গে ফের সংঘর্ষে জড়ায় ছাত্রলীগ। সেখানে দফায় দফায় সংঘর্ষ চলতে থাকে। একপর্যায়ে পুলিশ উপস্থিত হয়ে ব্যারিকেড দিয়ে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের থামিয়ে দেন যেন তারা সামনে যেতে না পারে। ঢাবির শহীদুল্লাহ হলের শিক্ষক ও প্রভোস্ট হলের শিক্ষার্থীদের নিয়ন্ত্রণ আনার চেষ্টা করেন। অন্যদিকে, রাস্তা থেকে আন্দোলনকারীদের সরিয়ে দিতে সন্ধ্যা ৬টা ৫০ মিনিটের দিকে ঢাবির দোয়েল চত্বর এলাকা থেকে সাঁজোয়া যান নিয়ে অভিযান শুরু করে পুলিশ। রাত পৌনে ১০টার দিকে ক্যাম্পাস ছাড়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

রাতেও বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে হামলার অভিযোগ ওঠে। রাতে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে এক দফা দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা করেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। একপর্যায়ে সেখানে শিক্ষার্থীদের লক্ষ্য করে গুলি ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে পুলিশ। এ দিন রাতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের মাদার বখশ হলে রড, স্ট্যাম্প ও লাঠিসোঁটা নিয়ে প্রবেশ করে বিভিন্ন রুমে তল্লাশি চালায় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। এতে পুরো ক্যাম্পাসে আতঙ্কের ছড়িয়ে পড়ে।

মঙ্গলবার সকাল থেকে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে কোটাবিরোধী শিক্ষার্থীরা রাজপথে নেমে আসেন। এ দিনও বিভিন্ন স্থান থেকে সংঘর্ষের খবর পাওয়া যায়। 


আরও খবর



কোটাবিরোধীদের কঠোর হুঁশিয়ারি দিলেন ডিএমপি কমিশনার

প্রকাশিত:সোমবার ১৫ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৫ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

কোটা সংস্কার আন্দোলন ইস্যুতে আদালতের আদেশ না মেনে আইনশৃঙ্খলা ভঙ্গ করলে শক্ত হাতে দমনের কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান।

আজ সোমবার বেলা সাড়ে ১১টায় রাজধানীর হোসাইনী দালান ইমামবাড়ায় পবিত্র আশুরা উদযাপন ও তাজিয়া মিছিল উপলক্ষে ডিএমপির গৃহীত নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ হুঁশিয়ারি দেন।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, চলমান কোটা আন্দোলনের বিষয়টি আদালতের বিষয়। আদালত যে আদেশ দিবে সেটিকে শ্রদ্ধা ও মানা নাগরিকের দায়িত্ব। আমরা আদালতের নিয়ম মানতে বাধ্য। পুলিশ যেসকল নিরাপত্তা পরিকল্পনা প্রণয়ন করবে সেটি আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখেই করবে। যদি কেউ আইনশৃঙ্খলা ভেঙে কোনো ধরনের অপতৎপরতা চালায়, সে যেই হোক না কেনো শক্ত হাতে মোকাবেলা করা হবে।

এর আগে গত বুধবার হাইকোর্ট চার সপ্তাহের জন্য কোটার স্থিতাবস্থা জারি করেন। এরপর থেকে এ আন্দোলনের তীব্রতা আরও বেড়ে যায়।

পুলিশের একাধিক সূত্র বলছে, কোটা আন্দোলনকারীরা আদালতের নির্দেশ অমান্য ও সড়ক অবরোধ করে প্রচলিত আইনে অপরাধ করছেন। তারা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গেও অশোভন আচরণ করছেন। পুলিশ বাহিনী এ আন্দোলনের শুরু থেকেই ছাত্রদের নিরাপত্তাসহ আন্দোলনে যেন কোনও দুষ্কৃতকারী প্রবেশ করতে পারে, সেদিকেও সতর্ক রয়েছে।


আরও খবর
মেট্রোরেল চলাচল পুরোপুরি বন্ধ

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




অপকর্মে জড়িয়ে পড়ায় পুত্রবধূকেই দুষলেন প্রিয়নাথের মা

প্রকাশিত:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
রেদওয়ানুল হক মিলন, ঠাকুরগাঁও

Image

সরকারি নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসে জড়িত থাকার অভিযোগে পিএসসির দুজন উপ-পরিচালক, একজন সহকারী পরিচালকসহ ১৭ জন গ্রেপ্তার হয়েছেন। তাদের অন্যতম প্রিয়নাথ রায়। প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িত প্রিয়নাথের দিনাজপুর ও ঢাকায় বাড়ি-গাড়িসহ অঢেল সম্পত্তি রয়েছে বলে জানা গেছে। তবে তাঁর নিজ এলাকা ঠাকুরগাঁওয়ে সম্পদের কোন খোঁজ পাওয়া যায়নি। তবে একটি জরাজীর্ণ বাড়িতেই তাঁর বৃদ্ধা মা বসবাস করছেন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, জেলা সদরের মোহাম্মদপুর গ্রামের রাইতু রায় ও রাজবালা দম্পতির সন্তান প্রিয়নাথ রায়। চার ভাইয়ের মধ্যে সবার বড়। অভাবের সংসারে বেড়ে ওঠা প্রিয়নাথ এসএসসি পরীক্ষার সময় বাবাকে হারান। এইচএসসির পরে বন বিভাগে চাকরি নেন। ডিগ্রি পাস করে সেনাবাহিনীর অডিটর পদে যোগ দেন। একটা সময় জড়িয়ে পড়েন চাকরি প্রশ্নফাঁস চক্রের সাথে।

চাকরি দেয়ার নাম করে অনেকের কাছ থেকে টাকা নিয়েছিলেন তিনি। জড়িয়েছেন মামলাতেও। এরপর আর বাড়িমুখি হননি প্রিয়নাথ।

এলাকাবাসীরা জানায়, প্রিয়নাথ বিভিন্ন সময় চাকুরী পাইয়ে দিতে টাকার লেনদেন করতেন। চাকরি দেয়ার শর্তে একেকজনের সঙ্গে চুক্তি করতেন ১৮ থেকে ২০ লাখ টাকায়। এসব করতে গিয়ে অনেকের কাছে টাকা নিয়ে চাকুরী দিতে পরেনি। এনিয়ে তাঁর নামে মামলাও হয়েছে। তখন থেকে সে আর ঠাকুরগাঁওয়ে আসেনি। নেয়নি মায়ের খোঁজ খবর। এলাকার সবাই প্রিয়নাথকে ছিচড়ে চিটার, বাটপার হিসেই জানে। তবে সে যে এতবড় কাণ্ডের সাথে জড়াতে পারে তা কেউ ভাবতে পারিনি।

আর অপকর্মে জড়িয়ে পড়ায় প্রিয়নাথের মা রাজবালা দায়ী করলেন খোদ পুত্রবধূকে। দোষী হলেও ছেলের মুক্তি চান তিনি ৷ তিনি বলেন, ৫ বছর থেকে আমি ছেলের মুখ দেখিনি। জানিনা ছেলে কি করে কোথায় থাকে। এতকিছু শোনার পরে এখন ভয় হয়। ছেলের মুখ আর দেখতে পারবো কি না। মৃত্যুর আগে একটাবার ছেলেকে দেখতে চাই।

ঠাকুরগাঁও সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ বি এম ফিরোজ ওয়াহিদ মুঠোফোনে বলেন, চাকরি দেয়ার নাম করে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে বিভিন্ন জেলায় প্রিয়নাথের নামে একাধিক মামলা রয়েছে। কিন্তু কয়েক বছর ধরে সে বাড়িতে আসেনা।


আরও খবর



রাজধানীতে নববধূকে দলবদ্ধ ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ৭

প্রকাশিত:রবিবার ৩০ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ৩০ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

স্বামীর সঙ্গে ঘুরতে এসে অপহরণ ও পরবর্তীতে দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন এক নববধূ। শনিবার (২৯ জুন) এ ঘটনার মূল হোতাসহ ৭ আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে খিলক্ষেত থানা পুলিশ।

পুলিশ জানায়, নববধূকে জোরপূর্বক ধরে নিয়ে বনরূপা এলাকার ঝোপঝাড়ের মধ্যে নিয়ে মারধর করে এবং ৩ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। একপর্যায়ে তারা ভিকটিমের স্বামীকে ছেড়ে দেয় মুক্তিপণের টাকা আনার জন্য। ভিকটিমের স্বামী ওই স্থান ত্যাগ করে ৯৯৯ এ কল দিয়ে পুলিশের সহায়তা চায়। এর মধ্যে আসামিরা ভিকটিমকে বিভিন্নভাবে মারধর করে ও শারীরিক নির্যাতন করে। ভিকটিম তাদেরকে কাঁদতে কাঁদতে না মারার জন্য বারবার অনুরোধ করে। আসামিরা ভিকটিমের আর্তনাদ কর্ণপাত না করে ভিকটিমের ওপর অমানুষিক অত্যাচার চালিয়ে যেতে থাকে। একপর্যায়ে আসামিরা ভিকটিমকে ধর্ষণ করে। পরে ঘটনাস্থলে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে আসামিরা পালিয়ে যায়।

এসি ক্যান্টনমেন্ট জোন শেখ মুত্তাজুল ইসলামের নেতৃত্বে খিলক্ষেত থানার কয়েকটি টিম এ অভিযান পরিচালনা করেন।

শেখ মুত্তাজুল ইসলাম বলেন, ওই নববধূ শুক্রবার সন্ধ্যায় তার স্বামীর সঙ্গে ঘুরতে বের হন। তারা খিলক্ষেত থানা এলাকার ঢাকাময়মনসিংহ মহাসড়কের বনরূপা এলাকায় গেলে সেখানে আবুল কাশেম ওরফে সুমন নামের এক ব্যক্তির নেতৃত্বে সাতজনের দল তাদের অপহরণ করে। ভুক্তভোগী নববধূ ও তার স্বামীকে বনরূপা এলাকার ঝোপঝাড়ের ভেতরে নিয়ে যান দুর্বৃত্তরা। পরে স্বামীর কাছে মুক্তিপণ দাবি করেন তারা। মুক্তিপণের টাকা আনার জন্য ছেড়ে দিলে তিনি বেরিয়ে এসে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন দেন। পুলিশ খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে বনরূপা এলাকায় যায়। পুলিশ সদস্যদের উপস্থিতি টের পেয়ে দুর্বৃত্তরা ঝোপঝাড়ের ভেতরে বারবার তাদের অবস্থান পরিবর্তন করতে থাকেন। ভোর ৪টার দিকে পুলিশ সেখান থেকে ভুক্তভোগী নববধূকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যান।

ভুক্তভোগীর সঙ্গে কথা বলে পুলিশ জানতে পারে তিনি ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। পুলিশ কর্মকর্তা মুত্তাজুল ইসলাম বলেন, ওই নারী পুলিশকে জানিয়েছেন, চারজন দুর্বৃত্ত তাকে ধর্ষণ করেন।

পুলিশের গুলশান বিভাগের ডিসি রিফাত রহমান শামীম বলেন, শুক্রবার রাতে ঘটনাটি জানানোর পরপরই অভিযান শুরু হয়। গ্রেপ্তাররা দলবদ্ধ ধর্ষণের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। জড়িত একজন ওই নববধূর পূর্ব পরিচিত।

নিউজ ট্যাগ: দলবদ্ধ ধর্ষণ

আরও খবর