আজঃ বৃহস্পতিবার ১৩ মে ২০২১
শিরোনাম

বিশ্বে করোনায় মৃত্যু ৩০ লাখ ৪২ হাজার ছাড়াল

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২০ এপ্রিল ২০21 | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২০ এপ্রিল ২০21 | ১০২জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত হয়েছেন বিশ্বের ১৪ কোটি ২৬ লাখ ৯০ হাজার ৬৭১ জন মানুষ। এর মধ্যে মারা গেছেন ৩০ লাখ ৪২ হাজার ৮৪৩ জন। আর স্বস্তির খবর এই যে, এ পর্যন্ত করোনাভাইরাস সংক্রমণ থেকে সুস্থ হয়েছেন ১২ কোটি ১১ লাখ ৯২ হাজার ৯২৬ জন।

মঙ্গলবার সকাল ৮টার দিকে করোনাভাইরাস সংক্রান্ত পরিসংখ্যান রাখা ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটার থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

করোনায় এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ ও মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে যুক্তরাষ্ট্রে। দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনায় সংক্রমিত হয়েছেন তিন কোটি ২৪ লাখ ৭৫ হাজার ৪৩ জন। মৃত্যু হয়েছে পাঁচ লাখ ৮১ হাজার ৫৪২ জনের। আর সুস্থ হয়েছেন ২ কোটি ৫০ লাখ ৪৩ হাজার ৪৬৩ জন।

আক্রান্তে দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা ভারতে এখন পর্যন্ত সংক্রমিত হয়েছেন ১ কোটি ৫৩ লাখ ১৪ হাজার ৭১৪ জন। এর মধ্যে মারা গেছেন এক লাখ ৮০ হাজার ৫৫০ জন। আর সুস্থ হয়েছেন এক কোটি ৩১ লাখ ৩ হাজার ২২০ জন।

আক্রান্তে তৃতীয় অবস্থানে থাকা লাতিন আমেরিকার দেশ ব্রাজিলে সংক্রমিত হয়েছেন এক কোটি ৩৯ লাখ ৭৭ হাজার ৭১৩ জন। এর মধ্যে মৃত্যু হয়েছে তিন লাখ ৭৫ হাজার ৪৯ জনের। তবে ১ কোটি ২৪ লাখ ৬০ হাজার ৭১২ জন সুস্থ হয়েছেন।

ফ্রান্সে করোনায় সংক্রমিত হয়েছেন ৫২ লাখ ৯৬ হাজার ২২২ জন। এর মধ্যে মারা গেছেন এক লাখ ১ হাজার ১৮০ জন।

এদিকে তালিকায় পঞ্চম স্থানে থাকা রাশিয়ায় এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৪৭ লাখ ১০ হাজার ৬৯০ জন। ভাইরাসটিতে মারা গেছেন এক লাখ ৫ হাজার ৯২৮ জন। এরই মধ্যে ৪৩ লাখ ৩৩ হাজার ৫৯৮ জন সুস্থ হয়েছেন।

প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের শেষ দিকে চীনের হুবেই প্রদেশের উহান থেকে করোনাভাইরাস বিশ্বের দুই শতাধিক দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে।


আরও খবর



মুভমেন্ট পাস পেতে ২০ কোটি ৪৫ লাখ হিট

প্রকাশিত:শনিবার ২৪ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ এপ্রিল ২০২১ | ৮০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
সোহেল রানা বলেন, এই ১০ দিনে মুভমেন্ট পাস দেয়া হয়েছে মোট ১৩ লাখ ৫৫ হাজার ৫৫৯ জনকে। আর মুভমেন্ট পাস ওয়েবসাইটে হিট হয়েছে ২০ কোটি ৪৫ লাখ ৩ হাজার ২৩৬টি

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে সর্বাত্মক লকডাউন চলছে দেশে। এই সময়ে জরুরী প্রয়োজনে বাইরে যাওয়ার জন্য বাংলাদেশ পুলিশ মুভমেন্ট পাসের ব্যবস্থা করে গত ১৩ এপ্রিল। শুক্রবার (২৩ এপ্রিল) রাত পর্যন্ত এই ১০ দিনে মুভমেন্ট পাস ওয়েবসাইটে মোট হিট হয়েছে ২০ কোটি ৪৫ লাখ ৩ হাজার ২৩৬টি। এর মধ্যে মুভমেন্ট পাস পেয়েছেন ১৩ লাখ ৫৫ হাজার ৫৫৯ জন।

শনিবার (২৪ এপ্রিল) সকালে বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করে পুলিশ সদর দফতরের সহকারী মহাপরিদর্শক (এআইজি-মিডিয়া) মো. সোহেল রানা বলেন, এই ১০ দিনে মুভমেন্ট পাস দেয়া হয়েছে মোট ১৩ লাখ ৫৫ হাজার ৫৫৯ জনকে। আর মুভমেন্ট পাস ওয়েবসাইটে হিট হয়েছে ২০ কোটি ৪৫ লাখ ৩ হাজার ২৩৬টি।

এর আগে বুধবার (১৪ এপ্রিল) থেকে শুরু হয় এক সপ্তাহের জন্য কঠোর লকডাউন। লকডাউনের সময় বাসা বা বাড়ির বাইরে বের হতে হলে অনলাইন থেকে ব্যক্তিকে অবশ্যই মুভমেন্ট পাস বা চলাচলের জন্য অনুমতি সংগ্রহ করতে হবে বলে জানায় পুলিশ। মঙ্গলবার (১৩ এপ্রিল) জানানো হয় এ তথ্য।

গত বৃহস্পতিবার (২২ এপ্রিল) থেকে আরও এক সপ্তাহ লকডাউনের মেয়াদ বাড়িয়ে মঙ্গলবার (২০ এপ্রিল) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ প্রজ্ঞাপন জারি করে।

প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীন থেকে সংক্রমণ শুরু হওয়ার পর বিশ্বব্যাপী ছড়িয়েছে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস। গত বছরের ১১ মার্চ করোনাভাইরাস সংকটকে মহামারি ঘোষণা করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।


আরও খবর



করোনার এই সময় ইফতারের পর যে পাঁচ খাবার কখনোই খাবেন না

প্রকাশিত:শনিবার ১৭ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ১৭ এপ্রিল ২০২১ | ১০৭জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
দেশে করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের মধ্যে ইফতারে এমন কিছু খাবার রাখা উচিত, যে খাবারগুলো শরীরের ক্ষতি করবে না। শরীরের জন্য স্বাস্থ্যসম্মত ও পুষ্টিকর খাবার রাখা উচিত সেহরি ও ইফতারে। করোনার এই সময় ইফতারের

বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসের মধ্যেই আবারও চলে এসেছে আরও একটি আত্ম-শুদ্ধির মাস; মাহে রমজান মাস। পবিত্র এই মাসে বিশ্ব মুসলিমরা ধৈর্য, আত্ম-সংযম ও ইবাদতের মাধ্যমে নিজেকে সৃষ্টিকর্তার কাছে একটু বেশিই নিবেদন করে থাকে। এই মাসে সেহরি থেকে ইফতার পর্যন্ত না খেয়ে রোজা পালন করা হয়। সন্ধ্যায় সূর্যাস্তের সময় ইফতার করা হয়।

দেশে করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের মধ্যে ইফতারে এমন কিছু খাবার রাখা উচিত, যে খাবারগুলো শরীরের ক্ষতি করবে না। শরীরের জন্য স্বাস্থ্যসম্মত ও পুষ্টিকর খাবার রাখা উচিত সেহরি ও ইফতারে। করোনার এই সময় ইফতারের পর এমন খাবার খাওয়া যাবে না যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল করে দেয়। এবার তাহলে ইফতারের পর যে পাঁচ (০৫) খাবার কখনোই খাওয়া উচিত নয় তা তুলে ধরা হলো-

ধূমপান বা অ্যালকোহল : ধূমপান বা অ্যালকোহল শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা হ্রাস করে দেয়। তাই যাদের ধূমপান বা অ্যালকোহলের অভ্যাস রয়েছে তাদের করোনার এই সময় ইফতারের পর এসব থেকে বিরত থাকা উচিত হবে।

ফাস্টফুড : অধিকাংশ ফাস্টফুড তৈরির সময় চিনি বা চিনিজাতীয় জিনিস ব্যবহার করতে হয়। এছাড়া ফাস্টফুডে ফাইবার জাতীয় খাবার খুবই কম থাকে। এসব খাবার শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ধীরে ধীরে নষ্ট করে দেয়।

কফি : অনেক মানুষই রয়েছেন যারা কফি খেতে খুবই পছন্দ করেন। তারা হয়তো জানেন না যে, কফিতে থাকা ক্যাফিন শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা হ্রাস করে। তাই করোনার এই সময় কফি খাওয়ার ক্ষেত্রে নিজের উপর নিয়ন্ত্রণ রাখা প্রয়োজন। অল্প পরিমাণে কফি খাওয়া যেতে পারে। তবে এটাকে অভ্যাসে পরিণত করা যাবে না।

প্যাকেটজাত মাংস : এ জাতীয় মাংস অনাক্রম্যতা ব্যবস্থা নষ্ট করার জন্য সক্ষম। মাংস ছাড়াও অন্যান্য প্যাকেটজাত খাবার শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল করে তুলে। করোনার এই সময় প্রয়োজনে সবুজ শাক-সবজি ও বিভিন্ন রকমের ফলমূল হতে পারে প্যাকেটজাত খাবারের বিকল্প।

ক্যান স্যুপ : আধুনিক এই সময়ে সিল করা স্যুপ বিক্রি করা হয়। সময়ের অভাবে অনেকে এসব খাবার খেয়ে থাকেন। এ জাতীয় খাবার শরীরকে পুষ্টিকর না করে বরং রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা দুর্বল করে দেয়। রমজানে সারাদিন না খেয়ে থাকার পর ইফতারে এসব খাবার খাওয়ার ফলে অনেক সময় পেটে সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই ক্যান স্যুপ বা এ জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলা উচিত।


আরও খবর



লকডাউনে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় সাড়ে ১০ কোটি টাকা বরাদ্দ

প্রকাশিত:বুধবার ২১ এপ্রিল 20২১ | হালনাগাদ:বুধবার ২১ এপ্রিল 20২১ | ১১৬জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবেলা ও সংক্রমণ রোধে চলমান 'কঠোর লকডাউনে' ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় জেলা প্রশাসকদের অনুকূলে সাড়ে ১০ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বুধবার (২১ এপ্রিল) গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব এম এম ইমরুল কায়েস।

তিনি বলেন, করোনাভাইরাসের কারণে চলমান লকডাউনে ক্ষতিগ্রস্ত দরিদ্র, দুস্থ, ভাসমান এবং অস্বচ্ছল মানুষকে সহায়তার লক্ষ্যে জেলা প্রশাসকগণের অনুকূলে ১০ কোটি ৫০ লাখ টাকা বরাদ্দ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বরাদ্দকৃত এই টাকা দিয়ে জেলা প্রশাসকগণ লকডাউনে ক্ষতিগ্রস্ত দরিদ্র, দুস্থ, ভাসমান এবং অস্বচ্ছল মানুষকে নানা সহায়তা দেবেন।

চলমান লকডাউনে যারা কর্মহীন হয়ে পড়েছেন তাদের সহায়তায় বেশ কিছু উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। নগদ অর্থ, খাবার, টিসিবির মাধ্যমে সাশ্রয়ে নিত্যপণ্য বিক্রি, কৃষকদের সহায়তার মতো বেশকিছু উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এর আগে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সড়ক পরিবহনমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের জানান, আসন্ন ঈদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঈদ উপহার হিসেবে ৩৬ লাখ ২৫ হাজার পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দেবেন। সহায়তার এ অর্থ গতবছরের মতো এ বছর উপকারভোগী প্রত্যেকে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে হাতে পাবেন।

উল্লেখ্য, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় সম্প্রতি দেশে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়। এরপর গত ১৪ এপ্রিল থেকে সারাদেশে সর্বাত্মক লকডাউন কার্যকর করা হয়। দুই সপ্তাহের এ লকডাউন শেষ হবে আগামী ২৮ এপ্রিল।


আরও খবর



আইন অনুযায়ী খালেদাকে বিদেশে চিকিৎসার অনুমতি দেওয়া হয়নি

প্রকাশিত:রবিবার ০৯ মে ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ০৯ মে ২০২১ | ৭১জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

উন্নত চিকিৎসার জন্য বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে বিদেশে যাত্রার অনুমতি দেয়নি সরকার।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল আজ রবিবার বলেন, আইন মন্ত্রণালয়ের মতামত অনুযায়ী তাদের (খালেদা জিয়ার পরিবারের) মতামত মঞ্জুর করতে পারছি না।

বিকেলে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের মন্ত্রী আরও বলেন, আইন অনুযায়ী যতটুকু করণীয় ততটুকু করেছি। কিন্তু আইনের বাইরে গিয়ে আমরা কিছু করতে পারি না।

একটি সূত্র জানিয়েছে, আইন মন্ত্রণালয় তাদের মতামতে বলেছে, সাজাপ্রাপ্ত কাউকে এ ধরনের সুযোগ দেওয়া যায় না। ফলে সাজাপ্রাপ্ত কেউ বিদেশে চিকিৎসার সুযোগ পাবেন না।

গত ১১ এপ্রিল খালেদা জিয়ার করোনা শনাক্ত হয়। এরপর থেকে গুলশানের বাসা ফিরোজায় তাঁর ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকীর নেতৃত্বে চিকিৎসা শুরু হয়। করোনায় আক্রান্তের ১৪ দিন অতিক্রান্ত হওয়ার পর দ্বিতীয়বার খালেদা জিয়ার করোনা টেস্ট করা হয়। কিন্তু আবারও ফলাফল পজিটিভ আসে। এরপর ২৭ এপ্রিল রাতে তাঁকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরদিন খালেদা জিয়ার চিকিৎসার জন্য ১০ সদস্যের মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়।

শ্বাসকষ্টজনিত কারণে গত সোমবার খালেদা জিয়াকে হাসপাতালের করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) স্থানান্তর করা হয়। এখনো তিনি সেখানেই আছেন। এর মধ্যেই পরিবারের পক্ষ থেকে খালেদা জিয়াকে বিদেশে নেওয়ার জন্য আবেদন করা হয়। এটি আইন মন্ত্রণালয় হয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে যায়।

 


আরও খবর



গণপরিবহন চালুসহ তিন দফা দাবি শ্রমিক ফেডারেশনের

প্রকাশিত:শুক্রবার ৩০ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ৩০ এপ্রিল ২০২১ | ১০৬জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

লকডাউনে সব কিছু চালু থাকলেও বন্ধ রয়েছে গণপরিবহন। এতে এখাতে কর্মরত ৫০ ভাগ শ্রমিক কর্মহীন হয়ে পড়েছেন। এ অবস্থায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে অর্ধেক আসন ফাঁকা রেখে গণপরিবহন চালুর দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন। দাবি বাস্তবায়নে আগামী ২ মে সারাদেশে বিক্ষোভ মিছিল এবং ৪ মে সারাদেশে জেলা প্রশাসকের কার্যলয়ের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

শুক্রবার (৩০ এপ্রিল) সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির পক্ষ থেকে এ দাবি জানানো হয়েছে।

লিখিত বক্তব্যে ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক ওসমান আলী বলেন, বাংলদেশের প্রায় ৭৫ ভাগ যাত্রি ও ৬৫ ভাগ পণ্য সড়ক পথে সড়ক পরিবহন হয়ে থাকে। প্রতিদিন কয়েক কোটি যাত্রি ও পণ্য পরিবহনের কাজে ৫০ লাখ  শ্রমিক দিনরাত কাজ করে থাকে। পরিবহন শ্রমিকরা গণমানুষের সংস্পর্শে থাকায় তারা যেমন সবচেয়ে ঝুঁকিতে থাকে তেমনি যাত্রীরাও ঝুঁকিতে থাকেন। সেই বিবেচনায় গণপরিবহন বন্ধ রাখা যুক্তি সঙ্গত। তবে এর সঙ্গে সঙ্গে পরিবহন শ্রমিকদের জীবিকার নিশ্চয়তা বিধানের কথাও ভাবা দরকার। জীবন বাঁচানোর প্রয়োজনে জীবিকারও প্রয়োজন রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আমরা লকডাউন বিরোধিতা করছি না। কথা ছিল লকডাউনের সময় মানুষের চলাচল, শ্রম ঘন শিল্প, হাট-বাজার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, কোট-কাচারি সব বন্ধ থাকবে। সেই হিসেবে গণপরিবহণ বন্ধ থাকলে পরিবহন শ্রমিকের কোনও আপত্তি ছিল না। কিন্তু দেখা যাচ্ছে সবকিছু স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলার শর্তে লকডাউন শিথিল করায় গার্মেন্টস, শপিংমল, কাঁচা বাজার, অফিস আদালত চলছে।

ওসমান আলী বলেন, বর্তমান লকডাউনের গণপরিবহন বন্ধ ঘোষণা করায় ৫০ লাখ শ্রমিক কর্মহীন হয়ে পড়েছেন। ফলে শ্রমিকরা পরিবার-পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে। আমরা উপায়হীন হয়ে পরিবহন সেক্টরের জন্য সরকারের থোক বরাদ্দের দাবি জানাচ্ছি।

এ অবস্থায় তিন দফা দাবি তুলে ধরেন তিনি। দাবিগুলো হচ্ছে-

১. স্বাস্থ্যবিধি মেনে মোট আসনের অর্ধেক যাত্রী নিয়ে গণপরিবহন ও পণ্য পরিবহন চলাচলের ব্যবস্থা করতে হবে।

২. সড়ক পরিবহন শ্রমিকদের আর্থিক অনুদান ও খাদ্য সহায়তা প্রদান করতে হবে।

৩. সারাদেশে বাস ও ট্রাক টার্মিনালগুলোতে পরিবহন শ্রমিকদের জন্য ১০ টাকায় ওএমএসএর চাল বিক্রির ব্যবস্থা করতে হবে।

এসব দাবি বাস্তবায়নে আগামী ২ মে (রবিবার) সারাদেশে বিক্ষোভ মিছিল এবং ৪ মে মঙ্গলবার সারাদেশে জেলা প্রশাসকের কার্যলয়ের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করার ঘোষণাও দেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন, সহ সভাপতি সাদিকুর রহমান হিরু। শ্রমিক নেতা শহিদুল্লাহ ছদু, মফিজুল হক, হুমায়ুন কবির খান, আব্বাস উদ্দিন বেপু প্রমুখ।



আরও খবর