আজঃ শনিবার ০২ মার্চ 2০২4
শিরোনাম

বিটিএসে যোগ দিতে ১৮ ভরি স্বর্ণ নিয়ে ঘর ছাড়ল কিশোরী

প্রকাশিত:রবিবার ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি

Image

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার ১৮ ভরি স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে ঘর ছেড়েছে এক কিশোরী। কোরিয়ান মিউজিক ব্যান্ড বিটিএসের (BTS) টানে ঘর ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, কিশোরীর ঘরের দেয়ালজুড়ে লাগানো ছিল শুধু বিটিএসের নানা পোস্টার। সেই ব্যান্ডের সঙ্গে দেখা করার স্বপ্নপূরণে মাত্র ৫ হাজার টাকাসহ কিছু স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে ঘর ছাড়ে ১৬ বছরের কিশোরী।

শনিবার (১০ ফেব্রুয়ারি) ফতুল্লার মাসদাইর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। তাবাসসুম রহমান ফতুল্লার মাসদাইর সামসুল হকের বাড়ির ভাড়াটিয়া আব্দুল আউয়ালের মেয়ে।

সন্ধ্যায় ওই কিশোরীর বাবা থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে তার পরিবার জানান, তাবাসসুম প্রায় সময়েই বিটিএসের গান শুনতেন। তার আচারণে পরিবর্তন আসায় পরিবারের অন্যান্য সদস্য কিছু বললে তাদের সঙ্গে বিরূপ আচরণ করতো। গত ২১ জানুয়ারি ঘর থেকে সোনা, নগদ টাকাসহ মূল্যবান জিনিসপত্র নিয়ে বের হয়ে যান তিনি। পরে কিশোরী তার চাচাতো বোনকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে জানায়, সে এখন বিটিএসের গ্রুপের সঙ্গে অবস্থান করে নাচ-গান করছে এবং খুব শিগগিরই কোরিয়া চলে যাবেন।

এ বিষয়ে ফতুল্লা মডেল থানার এসআই কামাল হোসেন বলেন, লিখিত অভিযোগ হয়েছে শুনেছি। তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


আরও খবর



বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বার্থেই বক্তব্য প্রচার করা হয়েছে : কুবি উপাচার্য

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জেলা প্রতিনিধি

Image

নিজের বক্তব্য তিনটি দৈনিক পত্রিকায় প্রচারের অভিযোগ উঠেছে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এফ এম আবদুল মঈনের বিরুদ্ধে। তবে উপাচার্য বলছেন, এটা আমার নিজস্ব কোনো বক্তব্য না। আমাকে জড়িয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানহানী করে যে বিকৃত সংবাদ পরিবেশন হয়েছিল সে অবস্থান পরিষ্কার করতেই এই ব্যাখ্যা ছাপানো হয়েছিল।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গত বছরের ১৩ আগস্ট একটি জাতীয় দৈনিক এবং একটি স্থানীয় দৈনিকে একটি সংবাদের ব্যাখ্যা ছাপানো হয়। এরপর ১৪ আগস্ট আরেকটি জাতীয় দৈনিকে একই ব্যাখ্যা ছাপানো হয়। এই ব্যাখ্যা ছাপানোর ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ মোট দুই লাখ ১৩ হাজার ৮০ টাকা (ভ্যাট, ট্যাক্স সহ) খরচ করে।

এর আগে ২০২৩ সালের ৩১ জুলাই কয়েকটি দৈনিক ও অনলাইন মাধ্যমে দুর্নীতি হচ্ছে তাই বাংলাদেশে উন্নয়ন হচ্ছে : কুবি উপাচার্য শীর্ষক সংবাদ প্রকাশিত হয়। এরই প্রেক্ষিতে উপাচার্য তিনটি আঞ্চলিক ও জাতীয় দৈনিকে নিজের বক্তব্য ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হওয়ার বিপরীতে মন্তব্য প্রচার করেন তিনি।

এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মোহাম্মদ এমদাদুল হক বলেন, এ ব্যাপারে কোন নীতিমালা নেই। উপাচার্যের সাথে বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানও জড়িত। সেই জায়গা থেকে বহুল প্রচারিত দৈনিকগুলোতে সংবাদের বাখ্যা প্রচার করা হয়েছে।

এ বিষয়ে কোষাধক্ষ্য অধ্যাপক ড. মো. আসাদুজ্জামান বলেন, উপাচার্য স্যার কোনো পাবলিক প্লেইসে তার বক্তব্য দেননি। বরং তিনি একটি বিভাগের অনুষ্ঠানে শুধু সেই বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে এই বক্তব্য দেন। ফলে তা বিকৃত করে উপস্থাপন বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম নষ্ট করারই প্রচেষ্টা।

তিনি আরও বলেন, এ ধরনের সংবাদ প্রচার করে উপাচার্য স্যারের বক্তব্য বিকৃত করে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়েরই সুনাম নষ্ট করা হয়েছে। এ প্রেক্ষিতেই বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে উপাচার্য স্যার তার বক্তব্য উপস্থাপন করে তার ও বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন। কিছু দুষ্কৃতিকারী যে মাধ্যমে জনসাধারণের কাছে বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম নষ্ট করেছেন, এখন আমাদেরও তো সে মাধ্যমেই আমাদের অবস্থান জানাতে হবে। সে দিক থেকে আমার মনে হয়না গণমাধ্যমে এভাবে বক্তব্য উপস্থাপন ভুল কিছু। এটা বিশ্ববিদ্যালয়েরই স্বার্থেই করা কাজ।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এফ এম আবদুল মঈন জানান, শিক্ষার্থীদের এক অনুষ্ঠানে ক্রিটিক্যাল থিংকিং বিষয়ে বোঝাতে গিয়ে আমি একটি বক্তব্য দিয়েছিলাম। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে আমি শিক্ষার্থীদের বলেছিলাম তারা যেন মুখস্ত বিদ্যার পরিবর্তে তাদের ক্রিটিকাল থিংকিং গড়ার প্রতি জোড় দেয়। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা আমার বক্তব্য অনুধাবন করলেও কতিপয় সাংবাদিক; যারা বিভিন্ন সময়ে আমাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক উন্নয়নের পথে বাঁধা দিয়েছে, তারা আমার বক্তব্যকে বিকৃত ও খণ্ডিতভাবে প্রচার করে। যা জনমনে বিভ্রান্তি ছড়ানোর পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেজ নষ্ট করেছে।

তিনি আরও বলেন, আমাকে এবং বিশ্ববিদ্যালয়কে জড়িয়ে এমন প্রচারণায় শিক্ষক-শিক্ষার্থীরাও প্রতিবাদ করেছেন। পরে আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে ওই সংবাদপত্রে প্রতিবাদলিপি দিয়েছিলাম। কিন্তু তারা আমাদের প্রতিবাদ প্রকাশ করেনি। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে দেয়া আমার বক্তব্যেকে বিকৃত, খণ্ডিত ও মিসলিডিং করে যে সংবাদ প্রচার করা হয়েছে, মানুষকে সে সম্পর্কে সঠিক বক্তব্য জানানোর জন্য আমাদের বিকল্প পথ অনুসরণ করতে হয়েছে। প্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষুণ্ণ হয় এমন কোন অপপ্রচার সম্পর্কে দেশের নাগরিকদের সঠিক তথ্য অবগত করার ক্ষেত্রে কোনও বাঁধা থাকার কথা নয়।


আরও খবর
জাবির ‘ডি’ ইউনিটের ফল প্রকাশ

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




চার সরকারি হাসপাতালে র‌্যাবের অভিযান, ৩৬ দালাল আটক

প্রকাশিত:বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের চারটি সরকারি হাসপাতালে র‍্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালিয়েছে। র‌্যাব-২-এর চারটি দল পৃথকভাবে এসব অভিযান পরিচালনা করে।

আজ বুধবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত অভিযান চালায় র‌্যাব। এ সময় রোগী ভাগিয়ে নেওয়ার অভিযোগে ৩৬ জন দালালকে আটক করেছেন র‍্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত।

সোহরাওয়ার্দী হাসপাতাল থেকে রোগী ভাগিয়ে নেওয়ার সময় ১৭ জন, জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল থেকে ১২, আগারগাঁওয়ের শিশু হাসপাতাল থেকে ৪ ও পঙ্গু হাসপাতাল থেকে ৩ জনকে আটক করা হয়।

র‍্যাব-২-এর উপ-অধিনায়ক মেজর নাজমুল্লাহিল ওয়াদুদ গণমাধ্যমকে বলেন, দালালেরা সরকারি হাসপাতাল থেকে তাদের কমিশনভিত্তিক ক্লিনিক ও বেসরকারি হাসপাতালে রোগী ভাগিয়ে নিচ্ছেনএমন তথ্যের ভিত্তিতে র‍্যাব-২-এর ভ্রাম্যমাণ আদালত সেখানে অভিযান চালান।


আরও খবর



সরকারি হাসপাতালে ওষুধ পান না ৬৯ শতাংশ রোগী

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
স্বাস্থ্য ডেস্ক

Image

সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা ৬৯ দশমিক ৩৪ শতাংশ রোগীকে বাইরে থেকে ওষুধ কিনতে হয়। জন্মের পরপরই মায়ের দুধ থেকে বঞ্চিত হয় দেশের ১৩ দশমিক ৭ শতাংশ শিশু। ৫০টির বেশি নীতিমালা, আইন থাকার পরেও এখনো নিশ্চিত হয়নি দেশের মানুষের জন্য নিরাপদ খাদ্য। এমন সব তথ্য উঠে এসেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিভিন্ন গবেষণায়।

আজ সোমবার রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এসব গবেষণা প্রবন্ধ উপস্থাপন করা হয়। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্ল্যানিং মনিটরিং অ্যান্ড রিসার্চ (পিএমআর) আয়োজিত গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠানে তিনটি সেশনে প্রকাশ করা হয় বিষয়ভিত্তিক ১৪টি গবেষণা প্রতিবেদন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রশ্নপত্রের ভিত্তিতে এই গবেষণাগুলো করা হয়।

অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী অধিবেশনে সভাপতির বক্তব্য দেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এ বি এম খুরশীদ আলম। স্বাগত বক্তব্য দেন পিএমআরের লাইন ডিরেক্টর অধ্যাপক ডা. মাজহারুল ইসলাম।

এ সময় আরও বক্তব্য দেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আহমেদুল কবির এবং জাতীয় প্রতিষেধক ও সামাজিক চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানের (নিপসম) পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা।

দেশের হাসপাতালগুলোয় সংক্রমণ রোধ ও নিয়ন্ত্রণের (আইপিসি) অবস্থাবিষয়ক এক গবেষণায় বলা হয়, বেশির ভাগ হাসপাতালে আইপিসি কমিটি আছে। কিন্তু অধিকাংশ কমিটি কার্যকর নয়। অধিকাংশ হাসপাতালেই নেই আইপিসির জন্য নির্দিষ্ট জনবল। সরকারি ৬০ শতাংশ হাসপাতালে আইপিসি ব্যবস্থাপনা নেই। আর বেসরকারি হাসপাতালের ৫০ শতাংশে এই ব্যবস্থাপনা নেই। ফলে হাসপাতাল থেকে যেসব রোগের সংক্রমণ হয়, সেটি বাড়বে। এই সংক্রমণ মারাত্মক ও অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী হয়।

এই গবেষণায় দেখা গেছে, অ্যান্টিবায়োটিক কীভাবে ব্যবহার করা হবে, এর একটি গাইডলাইন থাকলেও হাসপাতালগুলোয় তা মানা হয় না। এক-চতুর্থাংশ হাসপাতালে হ্যান্ড হাইজেনিং স্টেশন অর্থাৎ যেখানে হাত ধোয়ার জন্য কার্যকরী ব্যবস্থা নেই। প্রতি বেডে একজন রোগী থাকার কথা থাকলেও হাসপাতালগুলোয় বেডের চেয়ে বহুগুণ বেশি রোগী থাকছে। উন্নত দেশে আইপিসি হার ৩ থেকে ৫ শতাংশ হলেও এশিয়ার দেশগুলোয় এই হার ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ।

নিরাপদ খাদ্য ও জনস্বাস্থ্যবিষয়ক গবেষণায় দেখা গেছে, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে দেশে আইন, নীতিমালা ও বিধিমালা রয়েছে ১৫২টির মতো। আইনের অভাব না থাকলেও সেগুলোর বাস্তবায়ন খুব একটা নেই। যে কারণে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা যাচ্ছে না।

তথ্যের ঘাটতি-সম্পর্কিত এক গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০৩০ সালের মধ্যে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে স্বাস্থ্য খাতের যে ৪০টি সূচক রয়েছে, এসব ক্ষেত্রে সরকার কাজ করলেও পরিপূর্ণ তথ্য নেই। এ ৪০টি সূচকের মধ্যে চারটির কোনো সঠিক তথ্যই নেই। অন্যদিকে, ১০ সূচকের আংশিক তথ্য রয়েছে। আর বাকি ২৬টি সূচকের যাচাই করার মতো তথ্য আছে, তবে তা পরিপূর্ণ নয়। যে চারটি সূচকের কোনো তথ্য নেই, তা হলো জন্মহার, অনিরাপদ পানি ও অনিরাপদ স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্যবিধির অভাবে মৃত্যুহার, স্বাস্থ্য সুযোগ-সুবিধার অনুপাত (যেখানে সাশ্রয়ী মূল্যের প্রাসঙ্গিক প্রয়োজনীয় ওষুধের সুবিধা রয়েছে) এবং নির্বাচিত অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল প্রতিরোধী ব্যাকটেরিয়ার কারণে রক্তপ্রবাহের সংক্রমণের তথ্য।

জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠানের পরিচালক অধ্যাপক ডা. শাহ গোলাম নবীর নেতৃত্বে পরিচালিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, জন্মের পরপরই মায়ের দুধ থেকে বঞ্চিত হয় দেশের ১৩ দশমিক ৭ শতাংশ শিশু। জন্মের প্রথম ছয় মাস (এক্সক্লুসিভ ব্রেস্ট ফিডিং) মায়ের দুধ থেকে বঞ্চিত হয় ৬ শতাংশ শিশু। জন্মের প্রথম দুই বছর মায়ের দুধ পায় না ৭ দশমিক ৭ শতাংশ শিশু। এ ছাড়া ছয় মাস বয়সের পরেও মায়ের দুধের পাশাপাশি ৮ দশমিক ২ শতাংশ শিশু বাড়তি খাবার পায় না।

স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ, মিটফোর্ড হাসপাতালের পরিচালক ব্রি. জে. কাজী মো. রাশিদ উন নবীসহ ১৩ জন চিকিৎসক একটি গবেষণা পরিচালনা করেন। সেখানে দেশের সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাব্যবস্থা সম্পর্কে নেওয়া রোগীদের সুস্পষ্ট মতামত উঠে এসেছে।

গবেষণায় দেখা গেছে, সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা ৬৯ দশমিক ৩৪ শতাংশ রোগীকে ওষুধ কিনে খেতে হয়। যদিও তাদের হাসপাতাল থেকে বিনা মূল্যে ওষুধ পাওয়ার কথা ছিল। এ ছাড়া ১৮ শতাংশ রোগীকে সরকারি হাসপাতালের সেবা পাওয়ার জন্য টাকা দিতে হয়। হাসপাতালে ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নিয়ে অসন্তুষ্ট ৭৮ দশমিক ৪৩ শতাংশ রোগী।


আরও খবর



আজ প্রোপজ ডে : কীভাবে জানাবেন ভালোবাসার কথা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জীবন ধারা ডেস্ক

Image

ভালোবাসার সপ্তাহের দ্বিতীয় দিন অর্থাৎ ফেব্রুয়ারির ৮ তারিখ পালন করা হয় প্রোপজ ডে। এই প্রোপজ মানে হলো আপনি যে তাকে ভালোবাসেন, সেকথা আনুষ্ঠানিকভাবে তাকে জানানো। এতদিন হয়তো আকারে-ইঙ্গিতে বোঝানোর চেষ্টা করেছেন, সে বুঝেছে কি না তাও আপনি জানেন না। এবার সরাসরি বলেই দেবেন। সে হ্যাঁ বলতে পারে আবার না-ও বলতে পারে।

যদি হ্যাঁ বলে, তাহলে শুরু হবে নতুন এক পথচলার, লেখা হবে অনেক গল্প। আর যদি না বলে? তাহলে আপনাকে একাই বয়ে নিতে হবে সেই প্রত্যাখ্যানের কষ্ট। আমরা আর সেদিকে যাচ্ছি না, এর বদলে বরং কীভাবে প্রপোজ করতে পারেন তা নিয়ে কথা বলি। কারণ সবকিছুর আগে তাকে জানাতে তো হবে। ভালোবাসলে জানিয়ে দেবেন। এতে আর সারাজীবন আফসোস বয়ে বেড়াতে হবে না।

উপহার দিন : যাকে ভালোলাগে, তার সঙ্গে আগে থেকে একটু হলেও তো পরিচয় আছে, তাই না? সেই সূত্র ধরে তাকে কিছু না কিছু উপহার দিন। হতে পারে তার পছন্দের কিছু। কোনো বই অথবা ফুল। হতে পারে ভিন্ন কিছু। সেই উপহারের সঙ্গে লিখে দিতে পারেন ছোট্ট একটি চিরকুট এমনভাবে লিখবেন যেন সে পড়লেই বুঝতে পারে আপনি কী বলতে চাইছেন। এতে আপনাকে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়তে হবে না, আবার কৌশলে তাকে প্রপোজও করা হয়ে যাবে। আবার সে যদি সম্মত থাকে তাহলে ভালোবাসার পথে এগিয়ে যেতে সুবিধা হবে।

চিঠি দিন : চিঠির সেই আবেদন এখন আর নেই হয়তো। এখন তো ইমেইলের যুগ। কিন্তু তাতে কী! আপনি নাহয় একটু পুরনো দিনেই ফিরে গেলেন। চিঠি ছাড়া আর কীভাবে মনের পুরোটা ভাষা লিখে ফেলা যায়! সবকিছু লিখে ফেলুন যা আপনি তাকে বলতে চান। লেখা হয়ে গেলে সেই চিঠি তার কাছে পৌঁছে দিন। সবচেয়ে ভালো হয় বিশ্বস্ত কারও মাধ্যমে তার হাতে পৌঁছাতে পারলে। এরপর আপনার অপেক্ষার পালা। চিঠির উত্তর সে পাঠাবে নিশ্চয়ই!

মেসেজ পাঠান : আধুনিক যুগের সবকিছু যে খারাপ সেকথা কে বলেছে! সময়ের দাবি বলেও একটা কথা আছে। এই যে হুটহাট মেসেজ পাঠানো যাচ্ছে, এতে হয়তো চিঠির মতো আবেদন উপস্থিত থাকে না, তাই বলে এটি যে কোনো কাজের নয়, তা তো নয়। বরং অনেকক্ষেত্রে এটি সময় বাঁচিয়ে দেয়। আপনি যদি দেরি করতে না চান বা আপনার যদি অপেক্ষা করতে কষ্ট হয় তাহলে মনের কথাগুলো লিখে মেসেজ পাঠিয়ে দিন। সে দেখতে পেয়েছে কি না তা দ্রুতই জানতে পারবেন। এরপর দেখুন সে কী উত্তর দেয়।

সরাসরি বলে দিন : যদিও এই কাজে সাহসের দরকার আছে। আপনি যতই সাহসী হোন না কেন, মনের মানুষটিকে সরাসরি ভালোবাসার কথা জানাতে গেলে হয়তো সামনে দাঁড়িয়ে কথাই বলতে পারবেন না। ভালোবাসার শক্তি এতই বেশি যে এটি মানুষকে নিশ্চুপ করিয়েও দিতে পারে! তাই আগে থেকে প্রস্তুতি নিন। সম্ভব হলে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে প্রাকটিস করুন। তাকে কী বলবেন তা গুছিয়ে নিন। হাতে একগুচ্ছ ফুল রাখুন। তার পছন্দের কোনো স্থানে দেখা করতে পারেন। আর সেখানেই তার হাতে ফুল দিয়ে জানিয়ে দিন মনের কথা।

নিউজ ট্যাগ: প্রোপজ ডে

আরও খবর
২৯ ফেব্রুয়ারি: ইতিহাসের এই দিনে

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




উইন্ডোজ ১০ বন্ধ করে দিচ্ছে মাইক্রোসফট!

প্রকাশিত:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ডেস্ক

Image

উইন্ডোজ ১০ সংক্রান্ত সব ধরনের সেবা বন্ধ করে দিচ্ছে মাইক্রোসফট। ইতোমধ্যে তারিখও ঘোষণা করে দেওয়া হয়েছে। ২০২৫ সালের ১০ অক্টোবর। এর বদলে আসবে নিউ জেনারেশন উইন্ডোজ। তাহলে ক্রোম আর ব্যবহার করা যাবে না? আপাতত যাবে।

গুগলের পেরেন্ট কোম্পানি অ্যালফাবেট জানিয়েছে, ক্রোমের অটো আপডেটিং ভার্সন ইনস্টল করতে পারবেন ইউজাররা। কোম্পানি জানিয়েছে, ক্রোম ওএস ফ্লেক্স-এ নিয়মিত সিকিউরিটি আপডেট, ডেটা এনক্রিপশনের মতো ফিচার থাকবে। ফলে আপাতত ইউজাররা উইন্ডোজ ১০ সিস্টেম ব্যবহার চালিয়ে যেতে পারবেন।

কিন্তু ২০২৫ সালের ১৪ অক্টোবর থেকে আর উইন্ডোজের এই ভার্সনটি সাপোর্ট করবে না মাইক্রোসফট। সিকিউরিটি আপডেট, বাগ ফিক্স বা অন্যান্য প্রযুক্তিগত সহায়তা প্রদানও বন্ধ করে দেওয়া হবে। ইউজারদের তাই উইন্ডোজ ১১ অপারেটিং সিস্টেম বা অন্য বিকল্প ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছে মাইক্রোসফট।

অবশ্য নির্ধারিত সময়ের পরেও ইউজার চাইলে উইন্ডোজ ১০ ব্যবহার করতে পারবেন। তবে কোনও সিকিউরিটি আপডেট মিলবে না। ফলে সিস্টেমের নিরাপত্তা প্রশ্নের মুখে পড়তে পারে।

ক্যানালিসিস রিসার্চের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উইন্ডোজ ১০-এর সমাপ্তিতে প্রায় ২৪০ মিলিয়ন কম্পিউটার ল্যান্ডফিলে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে। কারণ সিকিউরিটি আপডেট ছাড়া ডিভাইসের চাহিদা কম হতে পারে। তবে ওএস সাপোর্ট শেষ হওয়ার পরেও কয়েক বছর উইন্ডোজ ১০ সম্বলিত কম্পিউটার ব্যবহার করা যাবে।

অন্যান্য অপারেটিং সিস্টেমের তুলনায় ক্রোম ওএস-এর জনপ্রিয়তা অনেক কম। চলতি বছরের জানুয়ারিতে গবেষণা সংস্থা স্টেটকাউন্টারের রিপোর্ট অনুযায়ী, সারা বিশ্বের ডেস্কটপ ওএস বাজারের ১.৮ শতাংশ শেয়ার রয়েছে এদের দখলে। উইন্ডোজের প্রায় ৭৩ শতাংশ শেয়ারের তুলনায় অনেক পিছিয়ে এটি। ব্যক্তিগত হোক বা ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে উইন্ডোজের তুলনায় ক্রোম ওএস-এর ব্যবহার কম। লিগ্যাসি উইন্ডোজ এবং প্রোডাক্টিভিটি অ্যাপ্লিকেশন এর প্রধান কারণ। যদিও গুগল বলেছে, ক্রোম ওএস লিগ্যাসি উইন্ডোজ এবং প্রোডাক্টিভিটি অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহারের অনুমতি দেবে, যা ডেটা সেন্টার অ্যাপগুলো ডিভাইসে চালাতে সাহায্য করবে।


আরও খবর