আজঃ মঙ্গলবার ২০ এপ্রিল ২০21
শিরোনাম

বিয়ে গোপনে করা যায় না, অ্যানাউন্স করতে হয়: আজহারী

প্রকাশিত:রবিবার ০৪ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ০৪ এপ্রিল ২০২১ | ২০২জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
আজহারী বলছেন, বিয়ের ঘোষণায় ব্যান্ড পার্টি করতে বলেছেন বিশ্বনবী (সা.)। কারণ বিয়েতে একজন নারী-পুরুষের যে সম্পর্ক হয়, জেনা ও ব্যভিচারে একই সম্পর্ক হয়

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁর একটি রিসোর্টে শনিবার (৩ এপ্রিল) হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হককে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়। ঘটনার সময় তাকে এক নারীসহ আটক করা হয়েছে বলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে।

মামুনুল হক ওই নারীকে নিজের বিয়ে করা দ্বিতীয় স্ত্রী হিসেবে পরিচয় দিলেও বিষয়টির পক্ষে-বিপক্ষে বিপুল জনমত তৈরি হয়। বিয়ের ধরন সম্পর্কেও প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে। এরইমধ্যে পাওয়া গেলো মাওলানা মিজানুর রহমান আজহারীর বয়ান।  

সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া ওই ভিডিওতে আজহারী বলছেন,  বিয়ের ঘোষণায় ব্যান্ড পার্টি করতে বলেছেন বিশ্বনবী (সা.)। কারণ বিয়েতে একজন নারী-পুরুষের যে সম্পর্ক হয়, জেনা ও ব্যভিচারে একই সম্পর্ক হয়। পার্থক্য হচ্ছে এটার সামাজিক স্বীকৃতি আছে, জেনার স্বীকৃতি নেই। এজন্য বিয়ে গোপন করে করা যায় না। এটা অ্যানাউন্স করে করতে হয়। 

ইসলামের খলিফাদের জীবন প্রসঙ্গ টেনে এই ইসলামী বক্তা বলেন, ওমর ফারুক (র.) যখন মদিনার খলিফা বলতেন লুকিয়ে লুকিয়ে যদি কেউ বিয়ে করে তাদের প্রতিবেশীরা যদি তাদের দাম্পত্য জীবন সম্পর্কে না জানে তাহলে আমি তাদের দুজনকে জেনার শাস্তি দেবো।

পুরনো এক ওয়াজ মাহফিলের বয়ানের ওই ভিডিওতে আজহারী বলেন, লুকিয়ে বিয়ে করা যায় না, সবাইকে জানিয়ে-শুনিয়ে অ্যানাউন্স করে বিয়ে করতে হয়। এজন্য ইসলাম শুধু হারাম বলে জিকির করে নেই। যেখানেই হারাম তার বিপরীতে ইসলামে হালালের বিকল্প দিয়েছে। 

এদিকে রবিবার সকালে মামুনুল ওই নারীকে বিয়ের বিষয়টি অবতারণা করে বলেন, রাগের মাথায় সংসার ভেঙে গভীর সংকটে পড়ে যান তিনি। ওই পরিস্থিতিতে তার জীবিকা নির্বাহ করা কঠিন হয়ে পড়ে। 

স্বাভাবিকভাবেই তিনি আমার শরণাপন্ন হন। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে করণীয় বিষয়ে পরামর্শ নেন। আর সেই দুঃসময়ে সহযোগিতা করার মতো আমি ছাড়া আর কেউ ছিল না তার। ইসলামী দৃষ্টিকোণ এবং অভিভাবকত্বের জায়গা থেকে আমি তার অর্থনৈতিক দায়িত্ব গ্রহণ করি। জীবনের করণীয় বিষয়ে দিকনির্দেশনার জন্য নিয়মিতই আমার সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে হয় তাকে।

শরিয়তের দিক থেকে এই সম্পর্ক ঝুঁকিপূর্ণ বলে মনে করেন মামুনুল। তিনি বলেন, এমতাবস্থায় একজন বেগানা নারীর সঙ্গে এভাবে সম্পর্ক রাখাকে শরিয়তের দৃষ্টিকোণ থেকে আমার কাছে ঝুঁকিপূর্ণ মনে হয়। তখন আমি সিদ্ধান্ত নিই, যত দিন তার অভিভাবকত্বের প্রয়োজন হবে আমার, তাকে বেগানা হিসেবে রেখে অভিভাবকত্ব করবো না, বরং ইসলামী শরিয়তের আলোকে বৈধ একটা সম্পর্ক তৈরি করে নেবো। বিষয়টি নিয়ে ঘনিষ্ঠজনদের সঙ্গে কথা বলি এবং এ বিষয়ে তাদের জানিয়ে শরিয়তের বিধান অনুযায়ী বিয়ের কালেমা পড়ে বিয়ে করে নেই। 

মামুনুল বলেন, দুই বছর যাবত এভাবেই মানবিক ও ইসলামী দৃষ্টিভঙ্গির আলোকে আমি তার অভিভাবকত্ব করছি এবং একজন অসহায় নারীর দায়িত্ব গ্রহণ করে একটি পুণ্যের কাজ করেছি বলে বিশ্বাস করি। আমি যা বললাম, এটা আল্লাহর নামে হাজারবার শপথ করে বলতে পারবো। বিষয়টি বিশ্বাসযোগ্য করার জন্য কুল্লামার শপথও করতে পারি।


আরও খবর
শুরু হলো সিয়াম সাধনার মাস

বুধবার ১৪ এপ্রিল ২০২১

রোজা শুরু কবে জানা যাবে সন্ধ্যায়

মঙ্গলবার ১৩ এপ্রিল ২০২১




মোদিবিরোধী আন্দোলন : ৪০০-৫০০ জনকে আসামি করে মামলা

প্রকাশিত:শনিবার ২৭ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ২৭ মার্চ ২০২১ | ৮০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররম এলাকায় মোদিবিরোধী বিক্ষোভকে কেন্দ্র সৃষ্ট সংঘর্ষের ঘটনায় রাজধানীর পল্টন থানায় মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। এতে অজ্ঞাতনামা ৪০০ থেকে ৫০০ জনকে আসামি করা হয়েছে। আজ শনিবার (২৭ মার্চ) বিকেলে এ তথ্য জানা গেছে।

পুলিশ জানায়, গতকাল শুক্রবার (২৬ মার্চ) রাতে পল্টন থানায় মামলাটি দায়ের করা হয়। তবে এ পর্যন্ত এ ঘটনায় কাউকেই গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।

এ বিষয়ে পল্টন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু বকর সিদ্দিক বলেন, মামলাটিতে সরকারি কাজে বাধাদান, মোটরসাইকেল পোড়ানো ও পুলিশকে আহত করার অভিযোগ আনা হয়েছে। মামলা নম্বর-৫৭।

শুক্রবার মোদিবিরোধী বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে রাজধানীর বায়তুল মোকাররম এলাকায় সাধারণ মুসল্লি ও ক্ষমতাসীন দলের নেতা-কর্মীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। জুমার নামাজের মোনাজাত শেষে মুসল্লিদের একাংশ মোদিবিরোধী বিক্ষোভ শুরু করে।

স্লোগান দেয়ার খানিক পরই ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা মসজিদের উত্তর পাশের ফটকে মিছিলকারীদের ওপর লাঠিসোটা নিয়ে হামলা চালান। প্রায় ৫ মিনিট ধরে তারা মিছিলকারীদের মারধর করেন। এতে বিক্ষোভকারীরা পিছু হটে মসজিদের ভেতরে ঢুকে পড়েন। এর খানিক পরই বিক্ষোভকারীরা আবার সংগঠিত হয়ে ক্ষমতাসীন দলের নেতা-কর্মীদের ওপর পাল্টা হামলা চালান। এ সময় প্রায় ১০ মিনিট ধরে দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া চলতে থাকে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিতে পুলিশ মসজিদের দিকে কাঁদানে গ্যাসের শেল নিক্ষেপ করে। ফাঁকা গুলিও ছোড়া হয়।

শুক্রবারের ওই সংঘর্ষে অর্ধশতাধিক মানুষ আহত হন। আহতদের অনেকেই ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। একই ইস্যুতে এদিন চট্টগ্রামের হাটহাজারি, ব্রাহ্মণবাড়িয়াসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সংঘর্ষের খবর পাওয়া যায়। এরমধ্যে হাটহাজারীতে হেফাজতের ৪ কর্মী নিহত হয়েছে বলে দাবি করেছে সংগঠনটি। অন্যদিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলস্টেশন এলাকায় ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগের সময় ১ তরুণ নিহত হয়।

একই বিষয়কে কেন্দ্র করে ঢাকায় বায়তুল মোকাররম, পল্টন, চট্টগ্রামের হাটহাজারীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে উত্তেজনা বিরাজ করছে। গুলিতে একাধিক হেফাজতকর্মী নিহত হওয়ার প্রতিবাদে আগামীকাল রবিবার (২৮ মার্চ) হরতালের ঘোষণা দিয়েছে হেফাজতে ইসলাম। অন্যদিকে হরতাল উপেক্ষা করে সারা দেশে বাস চালানোর পাল্টা ঘোষণা দিয়েছে পরিবহন মালিকদের সংগঠন।


আরও খবর



‘মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাত সংশ্লিষ্ট শিল্প বিকাশে সকল সহযোগিতা করবে সরকার’

প্রকাশিত:রবিবার ২১ মার্চ 20২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ মার্চ 20২১ | ৫০৯জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম এমপি বলেছেন, দেশে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাত সংশ্লিষ্ট শিল্প স্থাপন ও বিকাশে সকল সহযোগিতা করবে সরকার। এজন্য দেশীয় শিল্পোদ্যোক্তাদের এগিয়ে আসতে হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশীয় শিল্প বিকাশে অত্যন্ত আগ্রহী। এ শিল্প বিকাশে যেখানেই সমস্যা হবে সেটা আমরা সমাধান করবো। যৌক্তিক ক্ষেত্রে কর রেয়াতের বিষয়টিও আমরা বিবেচনা করবো। মাছ ও পোল্ট্রি খাদ্য তৈরীর শিল্প দেশে বিকশিত হলে উৎপাদন খরচ আমরা কমাতে পারবো এবং কম মূল্যে মাছ, মাংস, দুধ, ডিম ভোক্তোদের নিকট পৌঁছে দিতে পারবো। একইসাথে এসকল পণ্য বিদেশে রপ্তানি করতে পারবো।

রবিবার (২১ মার্চ) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে পোল্ট্রি মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড ২০১৯ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

বাংলাদেশ পোল্ট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ সেন্ট্রাল কাউন্সিলের সভাপতি মসিউর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব রওনক মাহমুদ। অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডাঃ আবদুল জব্বার শিকদার, বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. মোঃ আবদুল জলিল।

এসময় মন্ত্রী আরো বলেন, রাষ্ট্রের পৃষ্ঠপোষকতা না থাকলে, ভালো ব্যবস্থাপনা না থাকলে পোল্ট্রি খাতের আজকের যে বৈপ্লবিক পরিবর্তন, সেটি সম্ভব হতো না। করোনা সংকটে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের সমস্যা মোকাবেলার জন্য কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। ভ্রাম্যমান বিক্রয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে, যাতে মানুষ আমিষ ও পুষ্টির যোগান পেতে পারে এবং খামারি ও উৎপাদকগণ যাতে ক্ষতির সম্মুখীন না হয়। এর নেপথ্যে উৎসাহ, অনুপ্রেরণা ও নির্দেশনা ছিলো প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার। এভাবে রাষ্ট্র এগিয়ে চলেছে।

বাংলাদেশ উন্নয়নের অপ্রতিরোধ্য গতি নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে উল্লেখ করে এসময় প্রধান অতিথি আরো যোগ করেন, আলোকবর্তিকা হাতে নিয়ে অন্ধকার থেকে গোটা জাতিকে এমন জায়গায় নিয়ে এসেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দেশের মানুষের জীবনমান এমন জায়গায় পৌঁছেছে যে, কেউ অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থানের অভাবে থাকতে হচ্ছে না। অর্থনৈতিক সূচকে পাকিস্তান, নেপাল এমনকি কোন কোন ক্ষেত্রে ভারতের চেয়ে আমরা এগিয়ে যাচ্ছি। এটা ভালো ব্যবস্থাপনার কারণে সম্ভব হয়েছে। একজন ভালো ক্যাপ্টেনের কারণে হয়েছে। রাষ্ট্রকে তিনি পরিচালনা করেন। তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রাষ্ট্রের ব্যবস্থাপনা সুন্দর থাকলে সবকিছু সামনের দিকে এগিয়ে যায়।

মন্ত্রী আরো বলেন, জনগণের পুষ্টি চাহিদা মেটাতে পোল্ট্রি এমন একটি খাত যেখান থেকে আমরা মাংস ও ডিম পাচ্ছি। এ খাত থেকে খাবারের একটা বড় অংশের যোগান আসছে। পুষ্টি ও আমিষের চাহিদা মেটাচ্ছে এ খাত। দেশের উন্নয়নে অন্যতম বড় খাত হবে পোল্ট্রি খাত-এ প্রত্যাশা করি।

মৎস্য ও পোল্ট্রি খাদ্যে পাটের ব্যাগ ব্যবহার এবং একাধিকবার মান নিয়ন্ত্রণ পরীক্ষাজনিত সমস্যা অচিরেই সমাধান করা হবে বলেও এসময় আশ্বস্ত করেন মন্ত্রী।

সাংবাদিকতা একটি মহান পেশা উল্লেখ করে এসময় মন্ত্রী আরো বলেন, গণমাধ্যমকে রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ বলা হয়। রাষ্ট্র ব্যবস্থা পরিচালনার ক্ষেত্রে গণমাধ্যম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। গণমাধ্যমের সাথে আমার আত্মিক সম্পর্ক রয়েছে। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে যে সাংবাদিকরা কাজ করেন তাদের সকলকে অ্যাওয়ার্ড দিতে না পারলেও তাদেরকে মনেপ্রাণে আমি ভালোবাসি, শ্রদ্ধা করি। তবে অপসাংবাদিকতার বিষয়েও আমাদের সতর্ক থাকতে হবে।

অনুষ্ঠানে সংবাদপত্র ক্যাটাগরিতে ৪জন, টেলিভিশন ও রেডিও ক্যাটাগরিতে ৪জন, বার্তা সংস্থা/অনলাইন ক্যাটাগরিতে ১ জন ও পোল্ট্রি/কৃষি বিষয়ক ম্যাগাজিন/অনলাইন ক্যাটাগরিতে ১ জন এবং প্রমিজিং পোল্ট্রি রিপোর্টার্স ক্যাটাগরিতে ১০ জন সাংবাদিককে অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়েছে।


আরও খবর
সব সবজির দাম ঊর্ধ্বমুখী

শুক্রবার ১৬ এপ্রিল ২০২১




ঝুঁকিপূর্ণ জীবন নিয়ে কেন্দুয়া ব্রীজ পার হচ্ছে হাজার হাজার মানুষ

প্রকাশিত:বুধবার ০৭ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ০৭ এপ্রিল ২০২১ | ৭৭জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

শ্রীপুর ( গাজীপুর ) থেকে সোহেল রানা:

একসময়ে ব্যবসা বাণিজ্যের অন্যতম প্রাণকেন্দ্র ছিলো গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার বরমী বাজার । এ  বাজারে দিন ছাড়াও রাতের বেলায় ব্যবসায়ীক কাজে জমায়েত হয় হাজারো মানুষ। হাজারো মানুষের চলাচলের জন্য অর্ধ শতাব্দী আগে নির্মিত হয়েছিল এ ব্রীজ। এটি বরমী বাজারের নলজোড়া খালের উপর নির্মিত কেন্দুয়া ব্রিজ। বর্তমানে এর বিভিন্ন অংশ ভেঙ্গে পড়ায় ঝুঁকিতে পড়েছে ব্রীজ দিয়ে চলাচলকারী হাজারো জনতা। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এই ব্রিজটির উপর দিয়ে প্রতিদিন কয়েকশ ভারি যানবাহন এবং হাজার হাজার মানুষ চলাচল করে। যে কোন মুহূর্তে ঘটতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা। বড় কোন দূর্ঘটনা ঘটার আগেই  সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি প্রত্যাশি বরমী বাজারের ভুক্তভোগী সকল জনগণ।

বিগত দিনে বরমী ইউনিয়ন তথা বাজারের রাস্তাঘাটের উন্নয়ন হলেও ঝুকিপূর্ণ এ ব্রীজটির কোন সংস্কার বা উন্নয়ন কোনটাই এখনো চোখে পড়েনি। যার কারণে এ ব্রীজটির সুফল থেকে বঞ্চিত হচ্ছে বরমীবাসী ও আশপাশের বিস্তীর্ণ এলাকার সাধারণ মানুষ।এমনিতেই  ব্রীজটির অবস্থা ভঙ্গুর প্রকৃতির, তার উপর এর ব্রীজটি দিয়ে প্রতিনিয়ত বালুবোঝাই ওভারলোড যানবাহন চলাচল করায় তা ঝুঁকির সর্বোচ্চ মাত্রা অতিক্রম করছে। আবার ব্রীজটির প্রশস্ততা এতোই সরু যে ব্রীজের ওপর একটি গাড়ি ওঠে গেলে সেখান দিয়ে একজন মানুষের হাঁটারও জায়গা থাকে না। ফলে এ ব্রীজটি এখন গণমানুষের মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে। অনাকাঙ্ক্ষিত বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার আগেই ব্রীজটি সংস্কার করা কিংবা তা ভেঙ্গে পুনঃনির্মাণ করা একান্ত অপরিহার্য হয়ে পড়েছে। এছাড়াও বরমী বাজারের ব্যবসা-বাণিজ্যের গতিশীলতা আনয়নে ব্রীজটি সংস্কার কিংবা পুনঃনির্মান করা এখন সময়ের সবচেয়ে বড় চাহিদায় পরিণত হয়েছে বলে জানান ভুক্তভোগীরা ।

এই বরমী বাজারে রয়েছে কয়েক হাজার ছোট, মাঝারী, বড় ধরনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। কিন্তু ঝুকিপূর্ণ এই ব্রীজের কারণে এবং দ্বিতীয় বিকল্প  কোন রাস্তা না থাকায় বাজারের জৌলুস অনেকটা কমে যাচ্ছে। প্রায় ১০ বছর হয়ছে ব্রিজটি ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ার পরও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তা মেরামতের কোন উদ্যোগ গ্রহণ না করায় পথচারীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে বলে জানান পথচারীরা ।

স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, ১৯৮০ সালের দিকে এই ব্রিজটি নির্মাণ করা হয়েছিল। বরমী বাজারের নলজোড়া খালের উপর ব্রিজটির বেহাল দশা।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ব্রিজটির রেলিং ভেঙ্গে যাওয়াসহ উপরের সিমেন্টের তৈরি পাটাতন ধ্বসে যাওয়ায় এ ব্রিজটি এখনো মরণ ফাঁদ। ঝুঁকি নিয়েই পার হতে হয় হাজারো মানুষের।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, ব্রিজটি মেরামতের জন্য সংশ্লিষ্ট দফতরের কোনো মাথা ব্যথাই নেই। মাঝে মধ্যে শুনি টেন্ডার হয়েছে, তবে মেরামত কবে হবে জানা নেই। বরমী ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের মেম্বার পদ-প্রার্থী নিজাম মোড়ল জানান, দীর্ঘ সাত বছর যাবৎ এ ব্রিজটি ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে । আশা করা যাচ্ছে খুব দ্রুত  কতৃপক্ষ মেরামতের ব্যবস্থা গ্রহণ করবে ।

বরমী বাজার বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম সরকার বলেন, এই ব্রিজটির  টেন্ডার হয়েছে আশা করি খুব শীঘ্রই কাজ শুরু হবে। 

বরমী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও স্থানীয় ওয়ার্ড মেম্বার হারুন খন্দকার জানান, ব্রীজটির জন্য টেন্ডার হয়েছে খুব শীঘ্রই ব্রীজটি আরো প্রসস্থ করে কাজ শুরু হবে। বরমী ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তোফাজ্জল বলেন, একাধিকবার এ ব্রিজ নিয়ে সাবেক চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আ.লীগের সভাপতির সাথে কথা বলেও কোনো কাজ হয়নি ।

শ্রীপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এ্যাডভোকেট শামসুল আলম প্রধান বলেন, বরমী বাজারের এই ব্রিজটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এবং অতি দ্রুত ব্রিজটি সংস্কার করা হবে বলে জানান তিনি।


আরও খবর



হরতালে স্বাভাবিক রয়েছে যান চলাচল

প্রকাশিত:রবিবার ২৮ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৮ মার্চ ২০২১ | ৯৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের ডাকা সকাল-সন্ধ্যা হরতালে স্বাভাবিক রয়েছে যান চলাচল। রোববার (২৮ মার্চ) রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে মাস-মিনিবাস চলছে। হরতালের কোনো প্রভাব নেই ঢাকার রাজপথে।

হরতালকে কেন্দ্র করে এখন পর্যন্ত কোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। তবে হরতালের সমর্থনে দু-একটি জায়গায় ঝটিকা মিছিল করেছে হেফাজতের নেতাকর্মীরা।

এদিকে হেফাজতে ইসলামের ডাকা সকাল সন্ধ্যা হরতালে যে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা মোকাবিলায় তৎপর রয়েছেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। সকাল থেকেই রাজধানীর পল্টন, বায়তুল মোকাররম, দৈনিক বাংলার মোড় ও মতিঝিল এলাকাসহ গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় সতর্ক অবস্থানে রয়েছে পুলিশ।

নিউজ ট্যাগ: হরতাল

আরও খবর



মিয়ানমারে জান্তা সরকারের হাতে নিহত ৭০১

প্রকাশিত:সোমবার ১২ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ১২ এপ্রিল ২০২১ | ৫৩জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

মিয়ানমারে চলমান বিক্ষোভ ও আন্দোলন দমনে জান্তা সরকারের হাতে এ পর্যন্ত নিহত হয়েছে ৭০১ জন। রাজনৈতিক বন্দিদের সহযোগিতা বিষয়ক সংস্থার (এএপিপি) জরিপে এমনটাই উঠে এসেছে। নিহতদের মধ্যে আন্দোলনকারী, রাজনৈতিক বন্দি, নারী ও শিশু রয়েছে। খবর আনাদোলু এজেন্সির।

জরিপে আরো প্রকাশ করা হয়েছে এ পর্যন্ত জান্তা সরকারের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছে ৩ হাজার ১২ জন। পাশাপাশি নতুন করে ৬৫৬ জন আন্দোলনকারীর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

সবশেষ গেল শুক্রবার জান্তা সরকারের সেনাবাহিনীর গুলিতে বাগোতে ৮২ জন নিহত হয়েছে।

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ মিয়ানমারে ফেব্রুয়ারির ১ তারিখ থেকে অস্থিরতা বিরাজ করছে। সেদিন দেশটির সেনাবাহিনী নবনির্বাচিত ন্যাশনাল ডেমোক্র্যাটিক পার্টির (এনএলডি) নেত্রী অং সাং সূ চিসহ অন্যান্য নেতাদের গ্রেফতার করে সামরিক শাসন জারি করে। সেই থেকে এই সেনা শাসনের বিরুদ্ধে নানামুখী নিষেধাজ্ঞা সত্বেও দেশটির বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ বিক্ষোভ করছে।


আরও খবর