আজঃ সোমবার ০৮ মার্চ ২০২১
শিরোনাম

বিয়ে ও তালাক নিবন্ধন ডিজিটাল করতে আইনি নোটিশ

প্রকাশিত:সোমবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | ১৪০জন দেখেছেন
Share
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

প্রতারণার হাত থেকে বাঁচাতে বিয়ে ও তালাক নিবন্ধন ডিজিটালাইজেশন করার নির্দেশনা চেয়ে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

আজ সোমবার ক্রিকেটার নাসির হোসেনের সদ্য বিবাহিত স্ত্রী তামিমা সুলতানা তাম্মির আগের স্বামী ভুক্তভোগী রাকিব হাসানসহ তিন ব্যক্তি একটি সংগঠনের পক্ষ থেকে এ লিগ্যাল নোটিশ পাঠান। নোটিশ পাঠানো অন্য দুজন হলেন সোহাগ হোসেন ও কামরুল হাসান। এইড ফর ম্যান ফাউন্ডেশন ও তিন ব্যক্তির পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইশরাত হাসান আজ এ নোটিশটি পাঠান।

নোটিশে উল্লেখ করা হয়, বিয়ে ও তালাক নিবন্ধনের আইনগত বিধান থাকলেও তা ডিজিটাল না করার ফলে অসংখ্য প্রতারণার ঘটনা ঘটেছে। এ ছাড়া, বিয়ে গোপন রেখে ডিভোর্স না দিয়ে বিয়ে করার ঘটনা অনেক ঘটতে দেখা যাচ্ছে। এর ফলে, সন্তানের পিতৃপরিচয় নিয়েও জটিলতা দেখা যাচ্ছে। বিয়ে সংক্রান্ত অপরাধ বেড়ে অসংখ্য মামলার জন্ম নিচ্ছে। তাই, বিয়ে ও ডিভোর্স রেজিস্ট্রেশন ডিজিটাল হওয়া একান্ত আবশ্যক। বিয়ে ও ডিভোর্স ডিজিটালাইজেশন করলে তার জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর দিয়ে সার্চ করলেই সব তথ্য বেরিয়ে আসবে। এতে প্রতারণার হাত থেকে অসংখ্য মানুষ রক্ষা পাবে।

নোটিশ পাওয়ার তিন দিনের মধ্যে বিয়ে ও ডিভোর্স রেজিস্ট্রেশন ডিজিটাল করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার অনুরোধ করা হয়েছে। অন্যথায় এ বিষয়ে প্রতিকার চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হবে বলেও নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।

বিয়ের পিঁড়িতে বসা ক্রিকেটার নাসির হোসেনের স্ত্রী তামিমা সুলতানা তাঁর আগের স্বামী রাকিব হাসানকে তালাক না দিয়েই আবার বিয়ে করেছেন বলে তিনি অভিযোগ করেছেন। এ ঘটনায় রাকিব রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানায় সাধারণ ডায়েরিও (জিডি) করেছেন। তামিমার সঙ্গে রাকিবের ১১ বছরের সংসার ছিল বলে উল্লেখ করা হয়েছে জিডিতে। দুজনের আট বছরের একটি মেয়েও রয়েছে। কিন্তু সব ফেলে নাসিরকে বিয়ে করায় থানায় অভিযোগ করেছেন রাকিব। এবার লিগ্যাল নোটিশ পাঠালেন ভুক্তভোগী রাকিব হাসান।

গত ১৪ ফেব্রুয়ারি বিশ্ব ভালোবাসা দিবসে রাজধানীর উত্তরার একটি রেস্তোরাঁয় নাসির ও তামিমার বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষ হয়। নাসিরের স্ত্রী পেশায় একজন কেবিন ক্রু। কাজ করেন বিদেশি একটি এয়ারলাইনসে।

Share

আরও খবর



সাতক্ষীরায় সিরিজ বোমা হামলা ১৪ জনের সাজা

প্রকাশিত:বুধবার ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | ৯১জন দেখেছেন
Share
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
জেলা জজ আদালত চত্বর, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালত চত্বর, বাস টার্মিনাল ও খুলনা মোড়সহ পাঁচটি স্থানে একযোগে এই বোমা হামলা ও নিষিদ্ধ লিফলেট ছড়ানোর ঘটনা ঘটে

সাতক্ষীরার পাঁচটি স্থানে বোমা হামলার ঘটনায় পুলিশের দায়েরকৃত ছয়টি মামলার মধ্যে পাঁচটি মামলায় ১৪ আসামিকে সর্বোচ্চ ১৩ বছর ও সর্বনিম্ন ৩ বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এসব মামলায় মোট ১৬ আসামির মধ্যে একজন মারা গেছেন এবং একজনকে খালাস দেয়া হয়েছে। এদের মধ্যে ৮ আসামিকে ১৩ বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে বাকি ১০ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। অপর একটি মামলায় ১৯ আসামির সবাইকে খালাস দেয়া হয়েছে।

বুধবার (১০ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সাতক্ষীরার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক শরিফুল ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন।

সাতক্ষীরা আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট আব্দুল লতিফ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- মনিরুজ্জামান, নুর আলী, গিয়াস উদ্দিন মুন্না, ইসমাইল ওরফে হাবিবুর রহমান, বেল্লাল হোসেন ওরফে আব্দুল্লাহ, মোন্তাজ ওরফে মমতাজ, মাহবুবুর রহমান, রাকিব হাসান, নাইম, ফকর উদ্দিন, আসাদুজ্জামান, মনোয়ার হোসেন, আসাদুর ও আনিসুর রহমান খোকন। খালাস পেয়েছেন- আবুল খায়ের। এছাড়া মৃত্যুবরণ করেছেন নাসির উদ্দিন দফাদার।

উল্লেখ্য, ২০০৫ সালে সাতক্ষীরার পাঁচটি স্থানে সিরিজ বোমার প্রতিটি মামলায় ১৯ আসামির বিরুদ্ধে চার্জশিট দেয়া হয়। এরমধ্যে গ্রেফতারকৃতরা কারাগারে, অন্যান্যরা জামিনে এবং পলাতক রয়েছেন।

২০০৫ সালের ১৭ আগস্ট শহরের শহীদ রাজ্জাক পার্ক, জেলা জজ আদালত চত্বর, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালত চত্বর, বাস টার্মিনাল ও খুলনা মোড়সহ পাঁচটি স্থানে একযোগে এই বোমা হামলা ও নিষিদ্ধ লিফলেট ছড়ানোর ঘটনা ঘটে। ২০০৭ সালে সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম মোহাম্মদের দায়েরকৃত মামলায় আগের মামলার আসামিসহ আরো চার জনের নামে চার্জশিট দাখিল করা হয়। গ্রেফতারদের মধ্যে নাসিরুদ্দিন দফাদার নামে একজন ২০১৮ সালের ২৬ ডিসেম্বর মস্তিষ্কের রক্ষক্ষরণজনিত কারণে সাতক্ষীরা কারাগারে মারা যান। আসামিরা দেশের বিভিন্ন কারাগারে অবস্থান করায় মামলার রায় হতে দীর্ঘ সাড়ে ১৫ বছর লেগে যায়। তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী, সাতক্ষীরার রসুলপুরে জেএমবির ঘাঁটি চিহ্নিত করা হয়।

এই সূত্র ধরে ভারতীয় নাগরিক গিয়াসউদ্দিনসহ মোট ১৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের ঢাকায় জেআইসিতে (জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেল) এ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাঠানো হয়। সেখানে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়া ছাড়াও জেএমবির বহু গোপন তথ্য জানান তারা। পরে তাদের ফিরিয়ে আনা হয় সাতক্ষীরায়।

নিউজ ট্যাগ: সাতক্ষীরা
Share

আরও খবর



হারিছ-আনিসকে ক্ষমা নিয়মের বাইরে নয় : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | ৮৭জন দেখেছেন
Share
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদের দুই ভাই হারিছ আহমেদ ও আনিস আহমেদকে যাবজ্জীবন সাজা থেকে অব্যাহতি দেয়ার ক্ষেত্রে কোনো আইনের লঙ্ঘন হয়নি বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল।

বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর মগবাজারে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নতুন ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।

সেখানে সাংবাদিকদের প্রশ্ন ছিল, ৪০১ ধারায় আসামি হারিছ ও আনিসের সাজা মওকুফ করার বিষয়ে সঠিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছে কি না? স্পর্শকাতর বিষয়টি এতদিন কেন গোপন রাখা হলো?

জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ৪০১ ধারার সকল নিয়ম মেনেই দুই আসামিকে সাজা থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। আসামিদের পরিবারের পক্ষ থেকে যথাযথ আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সরকার এ সিদ্ধান্ত নেয়। তবে আসামিদের পক্ষ থেকে কে এই আবেদন করেছে সে বিষয়ে কিছু বলেননি মন্ত্রী।

হারিসের নাম পুলিশের ওয়েবসাইটে ওয়ান্টেড হিসেবে এখনো কেন রয়েছে সে বিষয়ে জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, কমিউনিকেশন গ্যাপের কারণে পুলিশের ওয়েবসাইটে ওয়ান্টেড হিসেবে হারিছের নাম ও ছবি তালিকাভুক্ত রয়েছে।

পলাতক এই দুই আসামির মুক্তির বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কোন গোপনীয়তা ছিল না বলেও জানান আসাদুজ্জামান খান কামাল।

Share

আরও খবর



ফেসবুকে শুক্রাণুদাতা খুঁজে নিয়ে মা হচ্ছেন ব্রিটিশ নারীরা!

প্রকাশিত:সোমবার ০১ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ০১ মার্চ ২০২১ | ৭৭জন দেখেছেন
Share
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
এসব কিছুর পর ক্লো যেখানে থাকতেন, তার কয়েক মাইল দূরে একটি কারপার্কে লোকটির সঙ্গে দেখা করার পরিকল্পনা করা হলো। পরিকল্পনা মতো শুক্রাণুদাতার সঙ্গে ক্লো এবং তার স্বামীও মোট ৬ বার

ব্রিটেনে যেসব দম্পতির সন্তান হচ্ছে না, তাদের অনেকেই নানা কারণে জাতীয় স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থায় উপযুক্ত চিকিৎসা পান না। ফলে তাদের অনেকেই গর্ভধারণের জন্য ফেসবুকের বিভিন্ন গ্রুপ থেকে স্পার্ম ডোনার বা শুক্রাণুদাতা খুঁজে নিচ্ছেন।

বছর খানেক ধরে সন্তান নেবার চেষ্টা করে যাচ্ছিলেন ক্লো এবং তার সঙ্গী। কিন্তু কিছুতেই তার গর্ভসঞ্চার হচ্ছিল না। পারিবারিক ডাক্তার তাদের জাতীয় স্বাস্থ্য সেবা বা এনএইচএসের স্থানীয় ফার্টিলিটি ক্লিনিকে যাওয়ার পরামর্শ দেন। সেখানে বিভিন্ন পরীক্ষার পর দেখা যায়, ক্লোর সঙ্গীর শুক্রাণুর কিছু সমস্যা রয়েছে এবং তাই গর্ভধারণ করতে হলে তাকে একজন দাতার শুক্রাণু নিতে হবে। ক্লিনিক থেকে তাদের শুক্রাণুদাতার তালিকা দেয়া হয়। সেই তালিকায় মাত্র একজন উপযুক্ত দাতার সন্ধান পেলেন তারা।

তার শুক্রাণু ব্যবহার করে ২০১৭ সালের অক্টোবরে ক্লোর প্রথম আইভিএফ বা কৃত্রিম গর্ভসঞ্চারের চেষ্টা করা হলো। কিন্তু তাতে কোনও কাজ হলো না। তখন ক্লিনিক থেকে ক্লোকে বলা হলো, তারা আইসিএসআই নামে আরেকটি পদ্ধতি চেষ্টা করে দেখতে পারেন- যাতে সরাসরি ডিম্বাণুর ভেতরে শুক্রাণু প্রবেশ করিয়ে দেয়া হয়।

কিন্তু এ পদ্ধতিটি আরও ব্যয়বহুল এবং এর খরচ তাদেরকেই বহন করতে হবে। ক্লো বলছিলেন, আমাদের পক্ষে তখন হাজার হাজার পাউণ্ড খরচ করা সম্ভব ছিল না। ততদিনে ক্লো আর তার সঙ্গী বিয়ে করেছেন। তার স্বামীই একদিন বললেন, অনলাইনে একজন শুক্রাণু দাতার খোঁজ করলে কেমন হয়? ক্লো তাই করলেন। তবে তার বন্ধুরা ও পরিবার যাতে ব্যাপারটা জানতে না পারে- সে জন্য তিনি একটা ভুয়া নাম নিয়ে ফেসবুকে কিছু গ্রুপে যোগদান করলেন এবং কয়েকদিনের মধ্যে একজন সম্ভাব্য শুক্রাণু দাতা পেয়েও গেলেন।

সেই শুক্রাণু দাতা লোকটি তার মেডিকেল ও পারিবারিক ইতিহাস জানালেন। তার কোনও যৌনরোগের সংক্রমণ হয়েছিল কিনা- তা চেক করার দলিলপত্রও দিলেন। এসব কিছুর পর ক্লো যেখানে থাকতেন, তার কয়েক মাইল দূরে একটি কারপার্কে লোকটির সঙ্গে দেখা করার পরিকল্পনা করা হলো। পরিকল্পনা মতো শুক্রাণুদাতার সঙ্গে ক্লো এবং তার স্বামীও মোট ৬ বার দেখা করেছিলেন। ক্লো এতে একবার গর্ভবতী হয়েছিলেন ঠিকই, কিন্তু তার মিসক্যারেজ বা গর্ভপাত হয়ে যায়। প্রতিবার তারা সেই দাতা লোকটিকে তার শুক্রাণুর জন্য ৫০ পাউণ্ড এবং যাতায়াতের জন্য ১০ পাউণ্ড দিয়েছিলেন।

এর মধ্যে শুরু হলো করোনাভাইরাস মহামারি। লকডাউনের কারণে কোথাও যাতায়াত করার ওপর বিধিনিষেধ থাকায় ক্লো এবং তার স্বামী ভিন্ন উপায় বের করলেন। তারা ফেসবুক থেকেই অন্য একজন শুক্রাণুদাতা খুঁজে বের করলেন। এই লোকটি এলেন ক্লোর বাড়িতে। এবার ক্লো সাফল্য পান। তিনি এখন সন্তানসম্ভবা। তিনি বলেন, আমরা ভীষণ আনন্দিত। অনেক দিন চেষ্টার পর এখন আমাদের একটি সন্তান হতে যাচ্ছে, পরিবার হতে যাচ্ছে- যা আমরা দুজনে অনেকদিন ধরে চেয়ে আসছি।

ক্লো এবং তার স্বামী যে সন্তানের জন্য একজন শুক্রাণুদাতা ব্যবহার করেছেন, তা তারা তাদের পরিবার বা বন্ধুদের বলেননি। একটা কারণ হচ্ছে- ক্লোর স্বামী যে সন্তান উৎপাদনে অক্ষম তা তারা কাউকে জানতে দিতে চান না। আরেকটা কারণ হলো- কিছু লোক আছে যারা ভাববে যে এটা একটা গুরুতর অন্যায় কাজ করেছেন তারা। ক্লো বলছেন, সৌজন্যবোধ থেকেই তিনি তার গর্ভবতী হবার কথা শুক্রাণুদাতাকে জানিয়েছেন। তবে তিনি বলছেন, এ শিশুর ওপর দাতার কোন অধিকার থাকবে না এবং সন্তানের জন্ম সনদেও থাকবে ক্লোর স্বামীর নাম।

Share

আরও খবর
পায়ের মালিক কে ?

রবিবার ২৪ জানুয়ারী ২০২১




২৮ ফেব্রুয়ারি পঞ্চম ধাপের পৌরসভা নির্বাচন

প্রকাশিত:বুধবার ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | ৯৮জন দেখেছেন
Share
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

আসছে ২৮ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় পঞ্চম ধাপের পৌরসভা নির্বাচনে ৩৪ জন বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেটকে নিয়োগ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

ইসির আইন শাখার উপ-সচিব আফরোজা শিউলী স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

প্রজ্ঞাপন বলা হয়েছে- বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেটরা মামলা আমলে নিয়ে সংক্ষিপ্ত বিচারকাজ সম্পন্ন করে নির্বাচন কমিশনকে অবহিত করবেন। এক্ষেত্রে নির্বাচনী এলাকায় ভোটগ্রহণের আগের দুদিন, ভোটগ্রহণের দিন ও ভোটগ্রহণের পরের দুদিন দায়িত্বে নিয়োজিত থাকবেন।

নিউজ ট্যাগ: পৌরসভা নির্বাচন
Share

আরও খবর



ইতালির নতুন প্রধানমন্ত্রী মারিও দ্রাঘি

প্রকাশিত:শনিবার ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | ৯৪জন দেখেছেন
Share
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

মারিও দ্রাঘিকে পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছে ইতালি। অনেক নাটকীয়তার অবসান টেনে অবশেষে ইতালির পরবর্তী প্রধানমন্ত্রীর নাম ঘোষণা করা হয়েছে। ইউরোপিয়ান সেন্ট্রাল ব্যাংকের সাবেক প্রধান ছিলেন তিনি।

বার্তা সংস্থা সিএনএন এর ইতালির প্রেসিডেন্ট সার্জিও মাত্তারেলার সঙ্গে মন্ত্রীসভার এক বৈঠকের পর মারিও দ্রাঘিকে দেশটির পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ঘোষণা করা হয়। ইতালির প্রায় সব রাজনৈতিক দলই তাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে সমর্থন জানিয়েছে।

গত ১৩ জানুয়ারি সাবেক প্রধানমন্ত্রী মাত্তিও রেনজি তার ইটালিয়া ভিভা পার্টিকে দল থেকে প্রত্যাহারের পর থেকেই ক্ষমতাসীন জোট ভেঙে পড়ে। এরপরই রাজনৈতিক সংকটে পড়ে ইতালি। দফায় দফায় আলোচনা হলেও সমাধানে পৌঁছাতে পারেনি দেশটির মন্ত্রীসভার সদস্যরা।

গত সপ্তাহে বিবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাতকারে সাবেক প্রধানমন্ত্রী মাত্তিও রেনজি বলেন, মারিও দ্রাঘি এমন একজন ইতালীয় নাগরিক যিনি ইউরোপকে বাঁচিয়েছেন। আমি মনে করি এখন তিনি এমন একজন ইউরোপীয় যিনি ইতালিকে বাঁচাতে পারবেন।

এর আগে গত বছরের ডিসেম্বরে পদত্যাগ করেন ইতালির প্রধানমন্ত্রী মাত্তিও রেনজি। সংবিধান সংস্কারের পরিকল্পনা করেছিলেন রেনজি। ওই পরিকল্পনার ওপর গণভোটে শোচনীয় পরাজয় দেখে আকস্মিক পদত্যাগ করেন তিনি। মাত্র আড়াই বছর ক্ষমতায় থাকার পর দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নেন রেনজি।

গতবছর করোনার কারণে ইতালিতে ভয়াবহ বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। চীনে করোনার প্রাদুর্ভাবের পর পরই ইতালিতে করোনা সংক্রমণ ধরা পড়ে। তারপর থেকেই ইতালি যেন এক মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয়েছিল।দেশটিতে এখন পর্যন্ত ৯৩ হাজারের বেশি মানুষ করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের উচ্চ পর্যায় এবং ব্যাংক অব ইতালির গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব পালন করা দ্রাঘির হাতে দেশের অর্থনীতি পুনরুদ্ধার হবে বলেই আশা করা হচ্ছে।

Share

আরও খবর