আজঃ শনিবার ০২ মার্চ 2০২4
শিরোনাম

বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে স্কুলছাত্রীর অনশন

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
Image

তালতলী(বরগুনা)প্রতিনিধি:

বরগুনার তালতলীতে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে অনশন করেছেন নবম শ্রেণীর এক স্কুলছাত্রী। এ অবস্থায় পালিয়ে গেছেন প্রেমিক। বৃহস্পতিবার (৮ ফেব্রুয়ারী) রাত থেকে উপজেলার নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের তাঁতিপাড়া এলাকার প্রেমিক সোলায়মানের বাড়িতে অনশনে বসেন ওই স্কুলছাত্রী।

প্রেমিক সোলায়মান তাঁতিপাড়া এলাকার হাবিব মুন্সীর ছেলে ও তালতলী সরকারী কলেজর একাদশ শ্রেণীর শিক্ষার্থী। ভুক্তভোগী ওই স্কুলছাত্রী একই এলাকার বাসিন্দা।

বিয়ের দাবিতে অনশনে থাকা স্কুলছাত্রী বলেন, ৬ মাস ধরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে। গতকাল রাতে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ঘর থেকে বের করে এনে শারীরিক সম্পর্ক করে এখন বিয়ে করতে অস্বীকার করে। তার পরিবারও এই সম্পর্ক মানতে নারাজ। এই পরিস্থিতিতে বাধ্য হয়ে গতকাল রাত থেকে অনশনে বসেছি। আমাকে বিয়ে না করলে এই বাড়িতেই অবস্থান করবো।

অনশনে থাকা স্কুলছাত্রীর বাবা বলেন, আমার মেয়ের ইজ্জত নষ্ট করছে আমি এর সঠিক বিচার চাই।

এ বিষয়ে প্রেমিক সোলায়মানের পরিবারের কাছে জানতে চাইলে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলতে রাজি হননি।

তালতলী থানার পুলিশ পরিদর্শক তদন্ত (ওসি) রনজিৎ কুমার সরকার বলেন, লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আরও খবর



এবার প্রেমের টানে নারায়ণগঞ্জে ছুটে এলেন দক্ষিণ আফ্রিকার তরুণী

প্রকাশিত:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জেলা প্রতিনিধি

Image

প্রেমের কোনো দেশ-কাল-পাত্র নেই। প্রেমের কারণে সাত সমুদ্র তের নদী পার হয়ে যুগে যুগে অনেকেই ছুটে এসেছে তার প্রিয় মানুষটির কাছে। প্রেমের টানে সমাজ-সংসারের সব প্রতিবন্ধকতাকে অতিক্রম করে প্রেমিক-প্রেমিকার মিলনের গল্প নতুন নয়। এবার এমনই এক ঘটনা ঘটেছে নারায়ণগঞ্জে। কোনো বাঁধাই আটকাতে পারেনি তাদের। প্রেমের টানে সুদূর দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে বাংলাদেশে ছুটে এসেছেন ফ্রান্সিসকো নামে এক তরুণী।

ফ্রান্সিসকো দক্ষিণ আফ্রিকার বাসিন্দা। বিয়ে করেছেন নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার ত্রিবেণী এলাকার বিল্লাল হোসেন সাজ্জাদকে। বর্তমানে তারা এখানেই সংসার শুরু করেছেন।

সুদূর দক্ষিণ আফ্রিকায় ৮ বছর পূর্বে কাজের জন্য যান বিল্লাল হোসেন। সম্প্রতি দেশে ফিরেছেন তিনি। তাকে চমকে দিতে কিছুদিন পরেই বাংলাদেশে এসেছেন ফ্রান্সিসকো। পরে মুসলিম ধর্ম গ্রহণ করলে নাম রাখা হয় মনি হোসাইন। বিল্লাল হোসেন পরিবারের সম্মতিতে গত ১৯ ফেব্রুয়ারি ফ্রান্সিসকোকে বিয়ে করেন।

বিল্লাল হোসেন বলেন, আমার সঙ্গে কখনো ঝগড়া হয়নি। আমাকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, আমি বাংলাদেশে এসে পরলে সেও বাংলাদেশে চলে আসবে। সম্প্রতি আমি চলে আসলে ফ্রান্সিসকো চলে আসে।

এখন বিল্লাল হোসেন সাজ্জাদ তার বিদেশী বউকে নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। পরিচিত করে দিচ্ছেন বাংলাদেশের গ্রাম, সংস্কৃতি আর পরিবেশের সঙ্গে। তার পরিবারের পাশাপাশি প্রতিবেশীরাও ফ্রান্সিসকোকে সাদরে গ্রহণ করে নিয়েছেন।

বিল্লাল সম্পর্কে তার স্ত্রী ফ্রান্সিসকো বলেন, সে খুবই ভালো ছেলে। তার পরিবারও খুব মিশুক। বাংলাদেশের আথিতেয়তায় আমি মুগ্ধ।


আরও খবর



নির্বাচনে অংশ না নেয়া ছিল বিএনপির সুইসাইডাল ডিসিশন: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশিত:শনিবার ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
রাহুল সরকার, চট্টগ্রাম ব্যুরো

Image

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, আসলে বিএনপির এখন কোনো রাজনীতি নেই। নির্বাচনে অংশ না নিয়ে তারা যে প্রচণ্ড ভুল করেছে, এটি যে তাদের সুসাইডাল ডিসিশন ছিল, এজন্য তাদের নেতারা এখন কর্মীদের কাছে প্রশ্নবিদ্ধ। তাদের কর্মীরা এখন প্রচণ্ডভাবে হতাশ, সেই হতাশা কাটানোর জন্য নানা ধরনের বক্তব্য দিয়ে তারা যে এখনো টিকে আছে সেটিই প্রমাণ করার চেষ্টা করছে এবং নানা ধরনের কর্মসূচির পরিকল্পনা তারা করছে।

তিনি বলেন, আসলে বিএনপির দুই তিনজন নেতা টেলিভিশনে কথা বলেন, সেখানেই শুধু তারা আছেন, অন্য কোথাও বিএনপির অবস্থান নাই। আর এ সমস্ত কথা বলে জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করেন। কারাগারে মানুষের স্বাভাবিক মৃত্যু অনেকেরই হয়। কারাগারে থাকা আমাদের দলেরও অনেকেরই মৃত্যু হয়েছে ইতিপূর্বে। এই সমস্ত কথা বলে বিভ্রান্তি ছড়ানোর কোন সুযোগ নাই।

শনিবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় চট্টগ্রামের ফৌজদারহাট-বন্দর সড়ক সংলগ্ন ডিসি পার্কে জেলা প্রশাসন আয়োজিত মাল্টি কালচারাল ফেস্টিভ্যাল উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পূর্বে বিএনপি নেতা রুহুল কবির রিজভী কারাগারে থাকা বিএনপি নেতাদের মৃত্যুর ঘটনা পরিকল্পিত বলে দাবি করেছেন সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্র মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

মিয়ানমারের আভ্যন্তরীণ সংঘাতের যে প্রভাব বাংলাদেশে পড়ছে, সরকারের নতজানু পররাষ্ট্র নীতির কারণে সেটি মোকাবেলা করতে পারছে না বলে বিএনপি নেতা রুহুল কবির রিজভীর বক্তব্যের বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, মিয়ানমারের অভ্যন্তরে নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা আমরা রাখি না। যেটি ঘটছে সেটি মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ গণ্ডগোল। সেখানে মিয়ানমারের সরকারি বাহিনীর সাথে আরাকান বাহিনীসহ অন্যান্যদের সংঘাত চলছে এবং সে সংঘাতের কারণে মাঝেমধ্যে দুই একটি গোলা আমাদের দেশে এসে পড়েছে এবং দুজন মানুষেরও মৃত্যু হয়েছে, এটা সঠিক। সম্প্রতি মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে ডেকে কড়া প্রতিবাদ জানানো হয়েছে।

তিনি বলেন, মিয়ানমার থেকে তাদের সীমান্ত বাহিনী ও সেনাবাহিনীসহ তাদের পরিবারের বেশ কিছু সদস্য আমাদের দেশে পালিয়ে এসেছে। তাদেরকে ফেরত নিয়ে যাবার জন্য মিয়ানমার ইতিমধ্যে সম্মতি প্রকাশ করেছে। আমরা তাদের সাথে আলাপ-আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছি। মিয়ানমারের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে আমাদের রাষ্ট্রদূতের বৈঠক হয়েছে। কোন্ প্রক্রিয়ায় তাদেরকে ফেরত নিয়ে যাবে সেটি চূড়ান্ত করার বিষয়, এখানে পররাষ্ট্র নীতির কোনো বিষয় নাই।

শুধু আমাদের দেশে মিয়ানমারের সীমান্ত বাহিনী ও সেনাবাহিনীর সদস্যদের অনুপ্রবেশ ঘটেছে তা নয়, ভারতেও ডুকেছে কয়েকশত লোক। তাদেরকেও তারা ফেরত নিয়ে গেছে।

আরাকান আর্মি মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত হয়ে বাংলাদেশে অবস্থান নেয়া নাগরিকদের ফিরিয়ে নেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন, এ ব্যাপারে সরকারের পক্ষ থেকে কোন ধরনের সহযোগিতা দেয়া হবে কিনা সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নে পররাষ্ট্র মন্ত্রী ড. হাছান বলেন, আপনারা জানেন, ইতিমধ্যে আমি ভারতসহ বিভিন্ন দেশ সফর করেছি। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রীর সাথে আলোচনা করেছি। ন্যাম সামিটে  মিয়ানমারের পররাষ্ট্র মন্ত্রীর সাথে দেখা হয়েছে, সেখানে আমি তাকে বলেছি যে অন্তত প্রত্যাবাসনটা শুরু করার জন্য। তার কথাবার্তায় আমার যেটি মনে হয়েছে, মিয়ানমার প্রত্যাবাসন শুরুর ব্যাপারে একমত। কিন্তু তাদের এখনকার অভ্যন্তরীণ যে সংকটগুলো চলছে, সেই কারণে এই মুহূর্তে তারা পারছে না।

তিনি বলেন, মিয়ানমারের বাস্তুচ্যুত যে সমস্ত মানুষ আমাদের দেশে আছে, তাদেরকে স্বসম্মানে নাগরিক অধিকার দিয়ে ফেরত পাঠানোই একমাত্র সমাধান। সেই সমাধানের লক্ষ্যেই কাজ করছি।

এরপর জেলা প্রশাসন আয়োজিত মাল্টি কালচারাল ফেস্টিভ্যাল উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার চট্টগ্রামের উন্নয়নের জন্য গত ১৫ বছরে বহু প্রকল্প গ্রহণ করেছে। ভারতীয় উপমহাদেশে নদীর তলদেশ দিয়ে প্রথম টানেল হয়েছে চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর তলদেশ দিয়ে। এখানে বে-টার্মিনাল নির্মিত হতে যাচ্ছে। সেটি নির্মিত হলে এটি আরেকটি চট্টগ্রাম বন্দর হবে। এখন চট্টগ্রাম বন্দরের সব মিলিয়ে দৈর্ঘ্য হচ্ছে ৬ কিলোমিটার। আর বে-টার্মিনাল হবে ১০ কিলোমিটার। বে-টার্মিনালের ড্রাফট হবে ১২ মিটার। সেটির কার্যক্রম শিগগির শুরু হবে। আগামী তিন বছরের মধ্যে প্রথম পর্যায়ের কাজ শেষ হবে। এরপর এখানে যে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বাড়বে সেটি অভাবনীয়।

তিনি বলেন, আমি গতকাল ভারত সফর করে এসেছি। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রী ও বাণিজ্য মন্ত্রীর সাথেও আমার এই নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তাদের উত্তর-পূর্ব প্রদেশগুলো যাতে আমাদের চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে তাদের মাল আনা-নেয়া করতে পারে, সেটির জন্য তারা উদগ্রীব হয়ে বসে আছে। একইভাবে আমরাও উদগ্রীব হয়ে বসে আছি। আশা করি সেটিও খুব দ্রুত শুরু হবে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রী বলেন, ফৌজদার হাট থেকে চট্টগ্রাম বন্দর লিঙ্ক রোড ফোরলেন করা হবে। কারণ যানবাহন বেড়ে যাচ্ছে। এই রাস্তার সাথে বঙ্গবন্ধু শিল্পনগরের সংযোগ ঘটানো হবে। যখন টানেলের পূর্ণ ব্যবহার হবে, তখন অনেক বেশি যানবাহন থাকবে। যখন বে-টার্মিলন নির্মিত হবে তখন আরো বাড়বে।

চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক আবুল বাশার মো: ফখরুজ্জামানের সভাপতিত্বে মাল্টি কালচারাল ফেস্টিভ্যাল উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন ফিলিপাইনের রাষ্ট্রদূত লিও টিটল আউসান জুনিয়র, এফবিসিসিআইর সভাপতি মাহবুবুল আলম ও ভারতীয় সহকারী হাই কমিশনার ড. রাজীব রঞ্জন। স্বাগত বক্তব্য দেন সীতাকুণ্ড উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কে এম রফিকুল ইসলাম। 


আরও খবর



চার মাসে পশ্চিম তীরে গ্রেপ্তার প্রায় ৭ হাজার ফিলিস্তিনি

প্রকাশিত:বুধবার ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

ফিলিস্তিনের অধিকৃত পশ্চিম তীরে গত চার মাসে প্রায় ৭ হাজার ফিলিস্তিনিকে গ্রেপ্তার করেছে ইসরায়েল। মঙ্গলবার (৬ ফেব্রুয়ারি) ফিলিস্তিনি প্রিজনার্স ক্লাবের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে আলজাজিরা।

ফিলিস্তিনি প্রিজনার্স ক্লাব জানিয়েছে, গত মাসে ৩০ নারী ও ৭৩ শিশুসহ অধিকৃত পশ্চিম তীরে এক হাজার ২৩৬ ফিলিস্তিনিকে গ্রেপ্তার করেছে ইসরায়েলি বাহিনী। এ নিয়ে গত ৭ অক্টোবর থেকে অধিকৃত এই অঞ্চলে বন্দির সংখ্যা ৬ হাজার ৮৭০ জনে দাঁড়িয়েছে।

গাজা যুদ্ধ শুরুর বেশ আগে থেকেই অধিকৃত পশ্চিম তীরে উত্তেজনা বিরাজ করছিল। গত অক্টোবরে গাজায় ইসরায়েলি বাহিনী হামলা শুরু করলে এই উত্তেজনা আরও বেড়ে যায়। প্রায় প্রতি দিনই সেখানে ইসরায়েলি বাহিনী ও অবৈধ বসতি স্থাপনকারীদের সঙ্গে ফিলিস্তিনিদের সহিংসতার ঘটনা ঘটছে। 

আরও পড়ুন>> মিয়ানমারের সংঘাত: সীমান্তে এক দিনে ৫ বাংলাদেশি গুলিবিদ্ধ

জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী, ৭ অক্টোবরের পর গত প্রায় চার মাসে পশ্চিম তীরে ৩৭০ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এসব হত্যাকাণ্ডের জন্য ইসরায়েলের নিরাপত্তা বাহিনী এবং অবৈধ বসতি স্থাপনকারীদের দায়ী করা হয়।

১৯৬৭ সালের আরব-ইসরায়েল যুদ্ধের পর থেকে পশ্চিম তীর দখল করে রেখেছে ইসরায়েল। গাজা ছাড়াও এই পশ্চিম তীর নিয়ে স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গড়ার স্বপ্ন দেখেন ফিলিস্তিনিরা।

গাজা ও পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর নীতি নিয়ে পশ্চিমা মিত্রদের মধ্যে অসন্তোষ বাড়ছে। গত বৃহস্পিতিবার পশ্চিম তীরে সহিংসতায় জড়িত চার ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীর ওপর প্রথমবারের মতো নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এ ছাড়া উগ্র ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের বিষয়টি বিবেচনা করে দেখছে কানাডা।


আরও খবর



স্কুলশিক্ষার্থীরা পাবে ৫ হাজার টাকা সহায়তা, অনলাইনে আবেদন

প্রকাশিত:রবিবার ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণিতে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীরা সহায়তা বাবদ পাঁচ হাজার টাকা করে পাবে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট। অসচ্ছল শিক্ষার্থীরা এ টাকা পেতে ২৯ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাত পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন করতে পারবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ থেকে প্রকাশিত প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টের এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব কথা বলা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট থেকে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর ও মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীন বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ২০২৪ সালে মাধ্যমিক ও সমমান পর্যায়ে (ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণি) ভর্তিকৃত ও অধ্যয়নরত অসচ্ছল ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের ভর্তি নিশ্চিত করতে ভর্তিসহায়তা দেওয়া হবে। ভর্তিসহায়তা পেতে শিক্ষার্থীকে নির্ধারিত ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে অনলাইনে অবেদন করতে হবে।

এতে বলা হয়েছে, সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ১৩ থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীর সন্তান আর্থিক অনুদান পাওয়ার জন্য বিবেচিত হবেন। অন্যান্য ক্ষেত্রে মাবাবা বা অভিভাবকের বার্ষিক আয় দুই লাখ টাকার কম হতে হবে।

এতে আরও বলা হয়েছে, শিক্ষার্থীদের ছবি, স্বাক্ষর, জন্মনিবন্ধন সনদ, অভিভাবকের জাতীয় পরিচয়পত্র, নির্ধারিত ফরমে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানের সুপারিশ প্রয়োজন হবে ভর্তি-সহায়তা পেতে। আর সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীদের সন্তানদের ক্ষেত্রে মা-বাবা বা অভিভাবকদের কর্মরত প্রতিষ্ঠান প্রধানের প্রত্যয়ন বা সুপারিশ প্রয়োজন হবে।

শিক্ষার্থীদের জন্য ভর্তি সহায়তা নির্দেশিকা অনুসারে শিক্ষার্থীরা ভর্তিতে আর্থিক সহায়তা পাবেন। প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি নিশ্চিতকরণে ভর্তি সহায়তা দিয়ে থাকে। বর্তমানে মাধ্যমিক পর্যায়ে ৫, উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে ৮ এবং স্নাতক ও সমমান পর্যায়ে ১০ হাজার টাকা হারে ভর্তি সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।


আরও খবর
জাবির ‘ডি’ ইউনিটের ফল প্রকাশ

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




ইমরানের নির্দেশে বিরোধী দলেই যাচ্ছে পিটিআই

প্রকাশিত:শনিবার ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

পাকিস্তানে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার ৯ দিন পার হয়ে গেলেও সরকার গঠন নিয়ে রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা এখনও অব্যাহত রয়েছে। এরই মধ্যে দেশটির সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের নির্দেশে তার দল বিরোধী দলে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

পাকিস্তানি গণমাধ্যম জিও টিভি শুক্রবার এ তথ্য জানিয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, শুক্রবার পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) ঘোষণা করেছে যে তারা দলের প্রতিষ্ঠাতা ইমরান খানের নির্দেশে কেন্দ্র ও পাঞ্জাবে বিরোধী দল গঠন করবে।

পিটিআই দেশে সম্প্রীতি ও পুনর্মিলনের পরিবেশ চায় এমনটাই জানিয়েছে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানায় দলটি।

শুক্রবার পিটিআই নেতা ব্যারিস্টার সাইফ ইসলামাবাদে কওমি ওয়াতান পার্টির (কিউডব্লিউপি) সাথে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের সাথে কথা বলার সময় বলেন, পিটিআই জাতীয় পরিষদ এবং পাঞ্জাব বিধানসভায় বিরোধী বেঞ্চে বসার সিদ্ধান্ত নিয়েছে

তিনি সাংবাদিকদের বলেন, অনেক রাজনীতিবিদ অভিযোগের মুখোমুখি হন যে তাদের ক্ষমতার লালসা আছে কিন্তু আমরা কেন্দ্র এবং পাঞ্জাবে বিরোধী দলে বসার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। যদিও আমরা যে ভোট পেয়েছি সে অনুযায়ী আসন পেলে আমরা সরকার গঠন করতাম

এ সময় তিনি ভোটে কারচুপি হয়েছে অভিযোগ করে ফলাফলগুলি ফর্ম-৪৭-এ পরিবর্তন করা হয়েছিল বলে জানান।

তিনি আরও বলেন, কিছু লোক উল্লাস করবে যে তারা সরকার গঠন করতে পেরেছে, তবে এই উদযাপনটি স্বল্পস্থায়ী হবে

পাকিস্তানের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় নির্বাচনের আয়োজন হয়েছিল গত ৮ ফেব্রুয়ারি। তবে নির্বাচনের ফলাফল রাজনৈতিক নেতাদের প্রত্যাশা অনুযায়ী হয়নি। কারণ তাঁদের কেউই সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি।


আরও খবর