আজঃ শনিবার ২২ জুন ২০২৪
শিরোনাম

বন্ধ হয়ে যাচ্ছে লাখ লাখ জি-মেইল অ্যাকাউন্ট

প্রকাশিত:শনিবার ১১ নভেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:শনিবার ১১ নভেম্বর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ডেস্ক

Image

ডিসেম্বরেই বন্ধ হয়ে যাচ্ছে লাখ লাখ জি-মেইল অ্যাকাউন্ট। এরই মধ্যে সেই ওয়ার্নিং মেসেজ পাঠাতে শুরু করেছে সংস্থা। বিশ্বজুড়ে বিপুল স্টোরে জি-মেইল অ্যাকাউন্ট ডিলিট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে টেক জায়েন্ট।

যারা ২ বছরের বেশি সময় ধরে জি-মেইল অ্যাকাউন্ট লগইন করেননি তারা বিপদে পড়তে পারেন। কারণ গুগল সিদ্ধান্ত নিয়েছে যেসব জি-মেইল অ্যাকাউন্টে ২ বছরের বেশি সময় ধরে লগইন করা হয়নি, সেইসব অ্যাকাউন্ট সরিয়ে দেবে তারা। ইনঅ্যাকটিভ অ্যাকাউন্টের ক্ষেত্রে এই নতুন আপডেট নিজেদের পলিসিতে যুক্ত করেছে গুগল কর্তৃপক্ষ।

জি-মেইল অ্যাকাউন্ট বন্ধ হলে বিভিন্ন সমস্যায় পড়তে পারেন। জি-মেইলের সঙ্গে লিঙ্ক থাকে গুগল ডকস, ড্রাইভ, মিট, ক্যালেন্ডার এবং গুগল ফটোস। তাই অ্যাকাউন্ট যদি সম্পূর্ণ ভাবে বন্ধ হয়ে যায় তাহলে এই সব পরিষেবা পাওয়া যাবে না। পাশাপাশি যোগাযোগের জন্য জি-মেইলও ব্যবহার করতে পারবেন না।

বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিষেবা থেকে বঞ্চিত হয়ে যেতে পারেন আপনি। তাই ইউজারদের সাবধান করার জন্য তাদের এলার্ট পাঠানো শুরু করেছে গুগল। জেনে নিন যেভাবে আপনার জি-মেইল অ্যাকাউন্টটি সুরক্ষিত রাখবেন-

এরই মধ্যে আপনার কাছে গুগলের অ্যালার্ট মেইল এসে থাকলে সেখানে ক্লিক করে পুনরায় অ্যাক্টিভ করে নিতে পারেন। এছাড়াও জি-মেইল অ্যাকাউন্ট নিয়মিত ব্যবহার করেও সেটি অ্যাক্টিভ রাখতে পারেন।

নিউজ ট্যাগ: জি-মেইল

আরও খবর



ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন শনিবার, পাবে ২ কোটি ২২ লাখ শিশু

প্রকাশিত:শুক্রবার ৩১ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ৩১ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

জাতীয় ভিটামিন প্লাস ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হবে আগামী শনিবার (১ জুন)। দিনব্যাপী এই কর্মসূচিতে ভিটামিন এ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে ৬-৫৯ মাস বয়সী প্রায় দুই কোটি ২২ লক্ষ শিশুকে।

ক্যাপসুল খাওয়ার সময় শিশুদের ভরাপেটে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে আসতে হবে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। তবে ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত ও দুর্গম এলাকায় আরও চার দিন অতিরিক্ত সময় দেওয়া হয়েছে বলেও অধিদপ্তর নিশ্চিত করেছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ৬-১১ মাস বয়সী প্রায় ২৭ লাখ শিশুকে নীল রঙের এবং ১২-৫৯ মাস বয়সী প্রায় এক কোটি ৯৫ লাখ শিশুকে লাল রঙের ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। প্রায় এক লাখ ২০ হাজার কেন্দ্রে দুই লাখ ৪০ হাজার স্বেচ্ছাসেবী ও ৪০ হাজার স্বাস্থ্যকর্মীর এই ক্যাপসুল খাওয়ানোর কথা ছিল। তবে ঘূর্ণিঝড় রেমালের আঘাতে উপকূলে বেশ ক্ষয়ক্ষতি হওয়ায় এক হাজার ২২৪টি কেন্দ্র বন্ধ থাকবে। এসব কেন্দ্রে পরবর্তী সময়ে এক কর্মসূচি পালন করা হবে।

এসব প্রসঙ্গে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম বলেন, আমরা বছরে দুইবার ভিটামিন এ ক্যাম্পেইন করে থাকি। প্রতিবছরই আমরা দুরকমের ক্যাপসুল খাইয়ে থাকি। ৬-১১ মাস বয়সী শিশুদের নীল রঙের এবং ১২-৫৯ বয়সী শিশুদের লাল রঙের ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। তবে শিশুদের এটি খালি পেটে খাওয়ানো যাবে না। ক্যাপসুলটি কেটে চিপে শিশুর মুখে দিতে হবে। তবে শিশু বেশি কান্নাকাটি করলে কিংবা তার শ্বাসকষ্ট হলে খাওয়ানো যাবে না।

তিনি বলেন, ইতোমধ্যে উপকূলীয় জেলাগুলোতে ঘূর্ণিঝড় রেমালের আঘাতের কারণে অনেক কাজ ব্যাহত হয়েছে। সে সমস্ত জায়গায় স্থানীয় ব্যবস্থাপনায় তারা পারলে সারা দেশের সঙ্গে করবেন। তবে সম্ভব না হলে অথবা যখন পারবেন তখন করবেন তারা। এ ছাড়া সিলেটের বেশ কিছু জায়গাও বন্যা কবলিত। এ কারণে সিলেট ও সুনামগঞ্জের বেশ কিছু এলাকা হয়ত এখনই এই কর্মসূচির আওতায় নাও আসতে পারে। এর বাইরে সারা দেশে সব জায়গায় এটা চলবে।

ভিটামিন এ ক্যাপসুলের উপকারিতা জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ভিটামিন এ খাওয়ালে শিশুর পুষ্টি বৃদ্ধি ও স্বাভাবিক বৃদ্ধি বাড়ে। এ ছাড়া, রাতকানা রোগ, কো-মরবিডিটি এবং মৃত্যুহার হ্রাস করা যায়। পাশাপাশি হাম, ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়ার মতো রোগ কমাতেও সাহায্য করে ভিটামিন এ।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, ভিটামিন মূলত দুই ধরনের। একটি ওয়াটার সলিউবল, অপরটি ফ্যাট সলিউবল। যেগুলো পানিতে দ্রবীভূত হয় সেগুলো ওয়াটার সলিউবল, যেমন ভিটামিন সি। আর ফ্যাট সলিউবল হচ্ছে যেগুলো চর্বিতে জমা হয়। ভিটামিন এ ফ্যাট সলিউবল। এটা অনেকদিন পর্যন্ত শিশুর শরীরে জমা হয়ে থাকবে এবং কার্যকর থাকবে।


আরও খবর



ঢাকার যেসব ওয়ার্ড ডেঙ্গুর ‘উচ্চ ঝুঁকিতে’

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৮ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৮ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

রাজধানীতে মৌসুম শুরুর আগেই বাড়ছে ডেঙ্গুর প্রভাব। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক জরিপে দেখা যায়, রাজধানীর দুই সিটির ১৮টি ওয়ার্ডে ডেঙ্গুর জীবাণুবাহী এডিস মশার লার্ভার ঘনত্বের পরিমাণ নির্দিষ্ট মানদণ্ডের চেয়েও বেশি।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগনিয়ন্ত্রণ শাখার আওতাধীন জাতীয় ম্যালেরিয়া নির্মূল ও এডিসবাহিত রোগনিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির অধীনে গত ১৭ থেকে ২৭ এপ্রিল পর্যন্ত চালানো প্রাক-বর্ষা জরিপে এ তথ্য উঠে এসেছে।

মঙ্গলবার (২৮ মে) সকালে রাজধানীর স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে আয়োজন করা হয় এ জরিপের ফল প্রকাশ অনুষ্ঠান। মৌসুম পূর্ব এডিস সার্ভে-২০২৪ এর ফলাফল অবহিতকরণ সভা শীর্ষক এ অনুষ্ঠানে জরিপের তথ্য উপস্থাপন করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এতে সভাপতিত্ব করেন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম।

জরিপের ফলে বলা হয়, ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশনের ৯৯টি ওয়ার্ডের মধ্যে ১৮টিতে ব্রুটো ইনডেক্স ২০-এর বেশি। এর অর্থ হচ্ছে, এসব এলাকার ১০০টির মধ্যে ২০টির বেশি পাত্রে এডিস মশা বা তার লার্ভা পাওয়া গেছে। এই এলাকাগুলো তাই ডেঙ্গুর উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে।

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে ঝুঁকিতে থাকা ওয়ার্ডগুলো হলো ১২, ১৩, ২০, ৩৬, ৩১, ৩২, ১৭, ৩৩নং ওয়ার্ড। আর ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ঝুঁকিপূর্ণ ওয়ার্ডগুলো হলো ৪, ১৩, ৫২, ৫৪, ১৬, ৩, ৫, ১৫, ১৭, ২৩নং ওয়ার্ড।

এডিস মশার লার্ভার ঘনত্ব পরিমাপের সূচক ব্রুটো ইনডেক্স নামে পরিচিত। স্বীকৃত এই মানদণ্ডে লার্ভার ঘনত্ব ২০ শতাংশের বেশি হলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে বলে মনে করা হয়।


আরও খবর



প্রত্যয় স্কিম বাতিলের দাবিতে ইবি কর্মকর্তাদের মানববন্ধন

প্রকাশিত:সোমবার ০৩ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ০৩ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

Image

অর্থ মন্ত্রণালয়ের জারিকৃত সর্বজনীন পেনশনের 'প্রত্যয় স্কিমে'র প্রজ্ঞাপন প্রত্যাহার এবং প্রজ্ঞাপন থেকে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মরত সকল শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের আওয়াতামুক্ত রাখার দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) কর্মকর্তারা।

সোমবার (৩ জন) বেলা ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলিত বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ভবনের সামনে বটতলায় প্রায় অর্ধশত কর্মকর্তার উপস্থিতিতে বাংলাদেশ আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় অফিসার্স ফেডারেশনের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করে এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়।

এসময় উপস্থিত কর্মকর্তারা বলন, প্রত্যয় স্কিম অনুযায়ী একজন কর্মকর্তা মারা গেলে তার নমিনি ৭৫ বছর পর্যন্ত ভাতা পাবে, যা বর্তমানে চালু থাকবে না। একজন সচিব ঠিকই অবসরের পর ভাতা পাবে কিন্তু আমাদের ক্ষেত্রে এই সুবিধা থাকবে না। এমনই বিভিন্ন অসঙ্গতিপূর্ণ বৈষম্যমূলক এই সিস্টেম বাতিল করে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়কে প্রত্যয় স্কিমের আওতামুক্ত রাখতে হবে।

বক্তারা আরও বলেন, এটি একটি ষড়যন্ত্র। প্রধানমন্ত্রী যখন সর্বজনীন পেনশন ঘোষণা করেন তখন এই প্রত্যয় স্কিম অন্তর্ভুক্ত ছিলো না। ২০১৫ সালে ৮ম জাতীয় বেতন স্কেলে শিক্ষকদের অবনমন করা হয়েছিল। সেই ষড়যন্ত্রের ফলেই এটি হয়েছে। আমরা আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় অফিসার্স ফেডারেশনের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করছি এবং অনতিবিলম্বে এ বৈষম্যমূলক স্কিমের আওতা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা এবং কর্মচারীদের মুক্ত রাখতে আহবান জানাচ্ছি।

উল্লেখ্য, গত ১৩ই মার্চ ২০২৪ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয় কর্তৃক জারিকৃত প্রজ্ঞাপনে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকসহ কর্মকর্তা, কর্মচারীদের বর্তমান পেনশন ব্যবস্থা থেকে বের করে সর্বজনীন পেনশন স্কিম এর অন্তর্ভুক্ত করা হয়। ২০২৪ সালের পহেলা জুলাই থেকে এসব প্রতিষ্ঠানে যারা যোগদান করবেন তাদের বাধ্যতামূলকভাবে সার্বজনীন পেনশনের সর্বশেষ স্কিমের আওতাভুক্ত করতে হবে। ফলে আগামী ১ জুলাই এবং তৎপরবর্তীতে নিয়োগপ্রাপ্ত সকলেই আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।


আরও খবর



কুমিল্লায় ট্রাক-কাভার্ডভ্যান সংঘর্ষে নিহত ২

প্রকাশিত:শনিবার ১৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৫ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
রবিউল বাশার খান, কুমিল্লা

Image

ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লায় ট্রাক ও কাভার্ডভ্যানের সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই দুজন নিহত হয়েছেন। আজ শনিবার সকাল সাড়ে ৮টায় সদর দক্ষিণ উপজেলার সুয়াগাজী এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুমিল্লা ময়নামতি হাইওয়ে থানায় ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইকবাল বাহার। নিহতদের পরিচয় এখনও জানা যায়নি।

পুলিশ জানায়, সকাল সাড়ে ৮টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার সুয়াগাজী এলাকায় চট্টগ্রামমুখী লিচুবাহী একটি ট্রাক বেপরোয়া গতিতে এসে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সামনের একটি কাভার্ডভ্যানকে পেছন থেকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে কাভার্ডভ্যান ও লিচুবাহী ট্রাকটি মহাসড়কের পাশে খাদে পড়ে যায়।

ওসি ইকবাল বাহার বলেন, সড়ক দুর্ঘটনায় ট্রাকে থাকা দুজন ঘটনাস্থলেই মারা যান। তাদের পরিচয় এখনও শনাক্ত করা যায়নি। তবে ধারণা করা হচ্ছে, নিহত দুজন ট্রাকচালক ও চালকের সহযোগী হতে পারে। নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নেয়া হয়েছে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হবে বলে জানান তিনি।


আরও খবর



চট্টগ্রাম জেলায় ভিটামিন ‘এ’খাবে ৮ লাখ ৩২ হাজার শিশু

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৮ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৮ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

Image

সারাদেশের ন্যায় আগামী ১ জুন শনিবার চট্টগ্রাম জেলায় অনুষ্টিত হবে দিনব্যাপী জাতীয় ভিটামিন প্লাস ক্যাম্পেইন-২০২৪। অনুষ্ঠিতব্য ক্যাম্পেইনে  ৬-১১ মাস বয়সী ও ১২-৫৯ মাস বয়সী ৮ লাখ ৩২ হাজার ১৭৯ জন শিশুকে একটি করে নীল ও লাল রঙের ভিটামিন ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

ঐ দিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত জেলার স্থায়ী, ভ্রাম্যমান ও অস্থায়ী কেন্দ্রে ৬-১১ মাস বয়সী শিশুকে একটি করে নীল রঙের ভিটামিন ক্যাপসুল (১ লক্ষ আই.ইউ) ও ১২-৫৯ মাস বয়সী শিশুকে একটি করে লাল রঙের ভিটামিন ক্যাপসুল (২ লক্ষ আই.ইউ) খাওয়ানো হবে।

জাতীয় ভিটামিন প্লাস ক্যাম্পেইন চলাকালীন সময়ে জেলার ১৫ উপজেলায় ২শ ইউনিয়নের ৬শ ওয়ার্ড, ১৬টি স্থায়ী কেন্দ্র, ১৫টি ভ্রাম্যমান কেন্দ্র ও ৪ হাজার ৮শ অস্থায়ী কেন্দ্রে মোট ৮ লাখ ২০ হাজার ৪৮০ জন শিশুকে  ভিটামিন   ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। তন্মধ্যে জেলায় ৬-১১ মাস বয়সী ৯৪ হাজার ৪৭৭ জন শিশুকে একটি নীল রঙের ভিটামিন ক্যাপসুল (১ লক্ষ আই.ইউ) ও ১২-৫৯ মাস বয়সী ৭ লাখ ৩৭ হাজার ৭০২ জন শিশুকে একটি লাল রঙের ভিটামিন ক্যাপসুল (২ লক্ষ আই.ইউ) খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এ উপলক্ষে মঙ্গলবার সকালে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় আয়োজিত জেলা পর্যায়ের এডভোকেসী ও পরিকল্পনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ ইলিয়াছ চৌধুরী এসব কথা বলেন।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রনালয়ের অধীন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্টান ও জাতীয় পুষ্টি সেবার বাস্তবায়নে জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় এডভোকেসী সভার আয়োজন করেন।

চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ ইলিয়াছ চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও সিভিল সার্জন কার্যালয়ের এমওসিএস ডা. মোহাম্মদ নওশাদ খানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) এস.এম শফিউল্লাহ।

রিসোর্স পারসন হিসেবে বক্তব্য রাখেন পরিবার পরিকল্পনা চট্টগ্রাম জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ আবুল কালাম, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের শিশু স্বাস্থ্য বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. জেবিন চৌধুরী, জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মোঃ ফরিদুল আলম, মহিলা বিষয়ক উপ-পরিচালক মাধবী বড়ুয়া, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা উত্তম খীসা, ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ ওয়াজেদ চৌধুরী অভি, সিভিল সার্জন কার্যালয়ের এমওডিসি ডা. মোঃ নুরুল হায়দার, ইউনিসেফর নিউট্রিশন অফিসার ডা. উবা সুই ও ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশর এরিয়া প্রোগ্রাম ম্যানেজার জনি রোজারিও।

 সভায় চট্টগ্রাম জেলার ১৫ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃ পঃ কর্মকর্তা, সিভিল সার্জন কার্যালয়ের কর্মকর্তাবৃন্দ ও সরকারী বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) এস.এম শফিউল্লাহ বলেন, ভিটামিন ক্যাপসুল শিশুর অপুষ্টি, অন্ধত্ব প্রতিরোধ, দেহের স্বাভাবিক বৃদ্ধি নিশ্চিত, হাম ও ডায়রিয়াজনিত মৃত্যুর হার হ্রাসসহ সকল ধরণের মৃত্যুর হার হ্রাস করে। পরিবারের রান্নায় ভিটাামিন সমৃদ্ধ ভোজ্য তেল ব্যবহার শিশুর জন্য যথেষ্ট উপকারী। মা ও শিশুর পুষ্টির জন্য গর্র্ভবতী ও প্রসূতি মায়েদের স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি করে  ভিটামিন সমৃদ্ধ প্রাণিজ ও উদ্ভিজ্জ খাবার খেতে দিতে হবে। শিশুর জন্মের সাথে সাথে মায়ের বুকের শাল দুধ খাওয়াতে হবে এবং ৬ মাস পর্যন্ত বুকের দুধ ছাড়া অন্য কিছু দেয়া যাবে না। শিশুর বয়স ৬ মাস পূর্ণ হলে দুই বছর পর্যন্ত মায়ের দুধের পাশাপাশি পরিমাণমত ঘরে তৈরি পুষ্টি সমৃদ্ধ সুষম খাবার খাওয়াতে হবে। কোন শিশু ভিটামিন ক্যাপসুল খাওয়ানো থেকে যাতে বাদ না যায় সে দিকে সবাইকে অবশ্যই নজর রাখতে হবে।  

 সিভিল সার্জন বলেন, গত ১২ ডিসেম্বর ২০২৩ ইং তারিখে জেলা পর্যায়ে অনুষ্ঠিত ভিটামিন প্লাস ক্যাম্পেইনে ৬-১১ মাস বয়সী মোট ৯৪ হাজার ১৯৫ জন শিশুকে নীল রঙের ভিটামিন ক্যাপসুল (১ লক্ষ আই.ইউ) খাওয়ানো হয়েছিল, চাহিদা ছিল ৯৬ হাজার ৭৯০ জন, যার অর্জিত হার ৯৭ শতাংশ এবং ১২-৫৯ মাস বয়সী ৭ লাখ ২১ হাজার ৫১৫ জন শিশুকে একটি করে লাল রঙের ভিটামিন ক্যাপসুল (২ লক্ষ আই.ইউ) খাওয়ানো হয়েছিল, চাহিদা ছিল ৭ লাখ ৩০ হাজার ৮৩৫ জন, যার অর্জিত হার ৯৮ শতাংশ।

জেলার বাইরে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের ৪১টি ওয়ার্ডে প্রায় সাড়ে ৫ লাখ শিশুকে ভিটামিন ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নিধারণ করা হয়েছে। জেলা পর্যায়ে অনুষ্ঠিতব্য এ ক্যাম্পেইন সফল করতে সার্বিক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়। আগামী ১ জুন শনিবার সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত উপজেলাগুলোতে ৫৪ জন স্বাস্থ্য পরিদর্শক, ২০০ জন সহকারী স্বাস্থ্য পরিদর্শক, ৫৪০ জন স্বাস্থ্য সহকারী, ৭৪৮ জন পঃ পঃ সহকারী, ১৯৬ জন পঃ পঃ পরিদর্শক, ৯ হাজার ৬৬০ জন স্বেচ্ছাসেবক, ১৫ জন স্যানিটারী ইন্সপেক্টর, ৫১১ জন সিএইচসিপি ও ৮৫ জন স্যাকমো জাতীয় ভিটামিন প্লাস ক্যাম্পেইনে নিয়োজিত থাকবে। ভিটামিন প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে কন্ট্রোল রুম খোলা হবে।

তিনি বলেন, এ কর্মসুচী সফল করতে সকল ধরণের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। ৬-৫৯ মাস বয়সী সকল শিশু যাতে ঐদিন ভিটামিন ক্যাসসুল পায় সে লক্ষ্যে সর্বত্র মাইকিং করে জনগণকে জানান দেয়া হবে। ভ্রমণে থাকাকালীন সময়েও রেল স্টেশন, বাস টার্মিনাল, ফেরী ঘাট ও লঞ্চ ঘাটে অবস্থিত টিকা কেন্দ্রসহ যে কোন টিকাদান কেন্দ্র থেকে শিশুকে ভিটামিন ক্যাপসুল খাওয়াতে পারবে। জাতীয় ভিটামিন প্লাস ক্যাম্পেইনের প্রচার-প্রচারণা অব্যাহত রাখতে সরকারী প্রতিষ্টান, জনপ্রতিনিধি, আনসার-ভিডিপি ও এনজিও সংস্থাগুলো কাজ করবে। সরকারী কর্মকর্তা, মাঠকর্মী ও স্বেচ্ছাসেবক বাহিনী শিশুদেরকে ভিটামিন ক্যাপসুল খাওয়ানোর কাজে নিয়োজিত থাকবে। সকলের আন্তরিক সহযোগিতা পেলে এ কর্মসূচী সফল হবে।


আরও খবর