আজঃ বৃহস্পতিবার ০৯ ডিসেম্বর ২০২১
শিরোনাম

বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে কটূক্তি, মেয়র আব্বাসের বিরুদ্ধে ৩ মামলা

প্রকাশিত:বুধবার ২৪ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ২৪ নভেম্বর ২০২১ | ৪৪০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
রাজপাড়া থানার ওসি মাজাহারুল ইসলাম বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে কটূক্তিসহ বঙ্গবন্ধু মুর‌্যাল নির্মাণ প্রতিহতের ঘোষণার অভিযোগের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের একটি এজাহার পেয়েছি

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে কটূক্তি এবং বঙ্গবন্ধু মুর‌্যাল নির্মাণ প্রতিহতের ঘোষণার অভিযোগে রাজশাহীর কাটাখালি পৌরসভার মেয়র আব্বাস আলীর বিরুদ্ধে থানায় তিনটি এজাহার দায়ের করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৪ নভেম্বর) রাজশাহী মহানগরের রাজপাড়া, বোয়ালিয়া ও চন্দ্রিমা থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে এ তিনটি এজাহার দায়ের করা হয়। পুলিশ এজাহারগুলো গ্রহণ করে মামলা রেকর্ডের প্রক্রিয়া শুরু করেছেন বলে পুলিশ জানিয়েছে।

বোয়ালিয়া থানায় দায়ের করা অভিযোগে বাদী হয়েছেন, রাজশাহী নগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি ও রাজশাহী সিটি করপোরেশনের ১৩ নম্বর কাউন্সিলর আব্দুল মোমিন।

এছাড়াও চন্দ্রিমা থানায় দায়ের করা এজাহারের বাদী নগর যুবলীগের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক ও ১৯ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর তহিদুল হক সুমান এবং রাজপাড়া থানায় ১৪ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও ১৪ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর আনোয়ার হোসেন বাদী হয়ে এজাহার দায়ের করেন।

রাজপাড়া থানার ওসি মাজাহারুল ইসলাম বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে কটূক্তিসহ বঙ্গবন্ধু মুর‌্যাল নির্মাণ প্রতিহতের ঘোষণার অভিযোগের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের একটি এজাহার পেয়েছি। সেটি মামলা হিসেবে রেকর্ডের প্রক্রিয়া চলছে। রাজশাহী সিটি করপোরেশনের ১৪ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর আনোয়ার হোসেন বাদী হয়ে এজাহারটি দায়ের করেন বলে জানান ওসি মাজহারুল।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে কটূক্তি এবং বঙ্গবন্ধুর মুর‌্যাল নির্মাণ প্রতিহতের ঘোষণা দিয়ে বক্তব্য দেন নৌকা প্রতীকে দুইবারের নির্বাচিত মেয়র আব্বাস আলী। এ নিয়ে তার ফাঁস হওয়া অডিও ঘুরছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। সোমবার রাত থেকে অডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পাড়ে।

ইসলামের দৃষ্টিতে পাপ সে জন্য রাজশাহী সিটি গেটে বঙ্গবন্ধুর মুর‌্যাল না বসানোর নির্দেশ দেন এই মেয়র; যা জীবন দিয়ে হলেও প্রতিহত করার ঘোষণাও দেন তিনি। তার এমন বক্তব্যে রাজশাহীজুড়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে। যদিও পুরো ঘটনাটি অস্বীকার করেছেন মেয়র আব্বাস।


আরও খবর
আবরার হত্যায় ২০ আসামির মৃত্যুদণ্ড

বুধবার ০৮ ডিসেম্বর ২০২১




সারা দেশে চলছে বিএনপির গণঅনশন কর্মসূচি

প্রকাশিত:শনিবার ২০ নভেম্বর ২০21 | হালনাগাদ:শনিবার ২০ নভেম্বর ২০21 | ১৪৪০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি ও তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে যাওয়ার অনুমতি দেওয়ার দাবিতে গণঅনশন কর্মসূচি পালন করছেন নেতা-কর্মীরা। পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী আজ শনিবার সকাল ৯টার দিকে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নিচতলায় দিনব্যাপী এই কর্মসূচি শুরু হয়।

এদিন সকাল ৮টা থেকে বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা দলীয় কার্যালয়ের সামনে উপস্থিত হতে শুরু করেন। সকাল ৯টায় দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বক্তব্যের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে গণঅনশন কর্মসূচি শুরু হয়।

ফখরুল বলেন, 'অত্যন্ত গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় এভারকেয়ার হাসপাতালে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে খালেদা জিয়া লড়াই করছেন। কিন্তু এই ফ্যাসিবাদী সরকার এখন পর্যন্ত তাকে চিকিৎসার সুযোগ প্রদান করছে না।'

বিএনপির ডাকা গণঅনশন কর্মসূচি আজ বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলবে।

বক্তব্যে ফখরুল নেতা-কর্মীদের শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচি পালনের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, 'আমরা আজ এই গণঅনশন কর্মসূচি অত্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে পালন করবো।'

এ সময় তিনি খালেদা জিয়াকে বিদেশে চিকিৎসার সুযোগ দেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান। একই দাবি জানান দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

আরও উপস্থিত আছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আব্দুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের আহ্বায়ক আমানউল্লাহ আমান ও আবদুস সালামসহ অনেকে।

কেন্দ্রীয় কর্মসূচির পাশাপাশি সারা দেশে বিএনপি নেতা-কর্মীরা আজ দিনব্যাপী গণঅনশন কর্মসূচি পালন করছেন।

গত ১৩ নভেম্বর ফলোআপের জন্য এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি হন খালেদা জিয়া। এর আগে, গত ৭ নভেম্বর সন্ধ্যায় ২৬ দিন পর বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া হাসপাতাল থেকে গুলশানের বাসা ফিরোজায় ফেরেন।

জাতীয় সংসদে একটি আইন প্রণয়নের আলোচনায় গত ১৬ নভেম্বর বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা একই দাবি জানান। জবাবে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া আবার জেলে গিয়ে চিকিৎসার জন্য বিদেশ যাওয়ার আবেদন করলে তা বিবেচনা করা হবে।

তিনি বলেন, 'খালেদা জিয়া এখন যে অবস্থায় আছেন তাতে আবেদন নতুন করে বিবেচনার কোনো সুযোগ নেই। এই আবেদনটি ইতোমধ্যে নিষ্পত্তি হয়ে গেছে। নিষ্পত্তিকৃত দরখাস্তের ওপর আর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া যাবে না। আইন সবার জন্য সমান। কিন্তু তারপরও খালেদা জিয়া সাজাপ্রাপ্ত কয়েদিদের চেয়ে বেশি সুবিধা ভোগ করছেন। এটি পাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মানবিকতার কারণে। বিএনপি বঙ্গবন্ধুর খুনিদের পুনর্বাসন ও পুরস্কৃত করেছিল। ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা করে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যা করতে চেয়েছিল। ওই মামলার প্রধান আসামি তারেক জিয়া। তারপরও খালেদা জিয়ার প্রতি দয়া করা হচ্ছে, সুচিকিৎসা করা হচ্ছে।'

দণ্ডবিধির ৪০১ ধারা মতে এই সুযোগ দেওয়ার এখতিয়ার সরকারের রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।


আরও খবর



রক্তক্ষরণ বেশি দিন চললে খালেদা জিয়া বাঁচবেন না: ফখরুল

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৩ ডিসেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৩ ডিসেম্বর ২০২১ | ৪৬৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বেগম খালেদা জিয়ার রক্তক্ষরণ হচ্ছে। এই রক্তক্ষরণ যদি বেশি দিন চলে তাহলে তিনি বাঁচবেন না।

শুক্রবার (৩ ডিসেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এক মানববন্ধনে তিনি এ কথা বলেন। খালেদা জিয়ার মুক্তি এবং উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশ প্রেরণের দাবিতে জাতীয়তাবাদী কৃষক দল এ মানববন্ধনের আয়োজন করে।

মির্জা ফখরুল বলেন, খালেদা জিয়াকে মিথ্যা মামলায় সাজা দিয়ে তিলে তিলে অত্যন্ত সচেতনভাবে তাকে হত্যা করা হচ্ছে। তার যে রোগ হয়েছে, লিভার সিরোসিস- এই রোগ মারাত্মক রোগ। এই রোগের চিকিৎসা আমাদের দেশে সেভাবে নেই। একমাত্র আমেরিকা, ইংল্যান্ড এবং জার্মানিতেই এই রোগের চিকিৎসা ভালো হয়।

তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার মতো নেত্রীকে যদি সরকার বিদেশে না পাঠান এবং গণতন্ত্রকে যদি আমরা রক্ষা করতে না পারি তাহলে এদেশের অস্তিত্ব ধ্বংস ও বিলুপ্ত হয়ে যাবে। আজকে এসব করে লাভ হবে না। জনগণ জেগে উঠতে শুরু করেছে। এই জেগে উঠবে টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া পর্যন্ত। পদ্মা, মেঘনা এবং যমুনার অববাহিকায় উত্তাল তরঙ্গ সৃষ্টি হবে এবং আপনাদের গদি ভেঙে খানখান হয়ে যাবে।

কৃষক দলের সভাপতি কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিনের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বাবুলের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, যুবদলের সভাপতি সাইফুল ইসলাম নীরব, সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বক্তব্য রাখেন।


আরও খবর



বিজয়ের মাসেই ফাইভ-জি

প্রকাশিত:বুধবার ০১ ডিসেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ০১ ডিসেম্বর ২০২১ | ২৫৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বিজয়ের মাসে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা ফাইভ-জি যুগে প্রবেশ করবে। আগামী ১২ ডিসেম্বর প্রধানমন্ত্রীর আইসিটি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় দেশে ৫জি প্রযুক্তির সেবা পরীক্ষামূলকভাবে শুভ উদ্বোধন করবেন।

বুধবার আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপকমিটি আয়োজিত ফাইভজি: দ্য ফ্রন্টিয়ার টেকনোলজি শীর্ষক সেমিনারে নিজ বাসভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এ কথা জানান।

তিনি বলেন, সরকারি মোবাইল অপারেটর টেলিটকের মাধ্যমে প্রাথমিক পর্যায়ে অভিজ্ঞতা অর্জনের জন্য পরীক্ষামূলকভাবে ৫জি চালুর কার্যক্রম শুরু হতে যাচ্ছে। আগামী ১২ ডিসেম্বর সজীব ওয়াজেদ জয় দেশে ৫ জি প্রযুক্তির সেবা পরীক্ষামূলকভাবে শুভ উদ্বোধন করবেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, প্রথমে ঢাকা শহরের গুরুত্বপূর্ণ কিছু সরকারি কার্যালয় ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানসমূহে সীমিত পরিসরে ৫জি সেবা চালু হবে। ২০২৩ সালের মধ্যে পর্যায়ক্রমে এই সেবা দেশের অন্যান্য বিভাগীয় শহর ও শিল্প প্রতিষ্ঠান-নির্ভর এলাকাসমূহে বিস্তারের পরিকল্পনা রয়েছে।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ৫জি প্রযুক্তি সেবা কেবল গ্রাহকের মোবাইল ব্রডব্যান্ড ও ভয়েস কলের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়।

এ প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে শিল্প প্রতিষ্ঠান, সরকার ও এন্টারপ্রাইজ এবং ইউটিলিটি সার্ভিস প্রোভাইডাররা আইওটি, হিউম্যান টু মেশিন, মেশিন টু মেশিন ডিভাইস ব্যবহার করে ক্রিটিক্যাল মিশন সার্ভিস, স্মার্ট গ্রিড, স্মার্ট সিটি, স্মার্ট ফ্যাক্টরি সুবিধা গ্রহণ করতে পারবে। মুজিব বর্ষে এটি একটি বিশাল উদ্যোগ। ৫জি প্রযুক্তির মাধ্যমে মোবাইল গ্রাহকরা অধিকতর উন্নত গুণগত মানের ভয়েস কল ও ৪জি হতে ২০ গুন দ্রুত মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহারে সক্ষম হবে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ৫জির মাধ্যমে চালক বিহীন গাড়ি চলবে রাস্তায়। ফাইভ জি চালু হলে কল ড্রপের সংখ্যা কমে যাবে বলে আমরা আশা করছি। মানুষ ও ডিভাইসের মধ্যে তৈরি হবে জিরো ডিসটেন্স কানেক্টিভিটি। বিগডাটা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উন্নয়নে ৫জি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। ৫জি চালু হলে আমূল পরিবর্তন আসবে চিকিৎসা ও শিক্ষা খাতে। ভার্চুয়াল রিয়েলিটি কিংবা অগমেন্টেড রিয়েলিটির এক্সপেরিয়েন্স নেয়া ৫জির কল্যাণে আরো সহজ হয়ে যাবে।


নিউজ ট্যাগ: ফাইভ-জি

আরও খবর



বিজেপি ছাড়লেন শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১১ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১১ নভেম্বর ২০২১ | ৫৯০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বিজেপি ছাড়লেন শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়। টুইট করে নিজেই ঘোষণা করলেন এ কথা। চলতি বছরের নির্বাচনে বেহালা পশ্চিম কেন্দ্র থেকে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে গেরুয়া শিবিরের প্রার্থী ছিলেন তিনি। ভোটে পরাজিত হন। তার পর থেকেই বাড়তে থাকে বিজেপি-র সঙ্গে দূরত্ব। অবশেষে দল ছেড়ে দিলেন অভিনেত্রী।

দল ছাড়ার কথা ঘোষণা করে শ্রাবন্তী টুইটে লেখেন, বাংলার উন্নয়নের জন্য বিজেপি আন্তরিক নয়। বাংলার জন্য কাজ করার মনোভাবের অভাব রয়েছে তাদের।

প্রসঙ্গত, গত সোমবার মুখ্যমন্ত্রীর বিজয় সমাবেশে রূপাঞ্জনা মিত্রের মতোই আমন্ত্রিত ছিলেন শ্রাবন্তী। কিন্তু তিনি সেখানে উপস্থিত হননি। তখন তাঁর অনুপস্থিতি নিয়ে জল্পনা ছড়িয়েছিল যে, তিনি বিজেপি ছাড়ার কথা ঘোষণা না করে মুখ্যমন্ত্রীর অনুষ্ঠানে আসতে চান না। যদিও এ বিষয়ে শ্রাবন্তী নিজে কোনও মন্তব্য করেননি।

একুশের নীলবাড়ির লড়াইয়ের ঠিক আগে, ১ মার্চ, বিজেপি-তে যোগ দেন শ্রাবন্তী। বেহালা পশ্চিম কেন্দ্রে তাঁকে প্রার্থী করে বিজেপি। কিন্তু তৃণমূলের পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের কাছে হেরে যান তিনি। এখানেই শেষ নয়। হারের পর অসম্মান জোটে তাঁর। কখনও বিরোধী দল, কখনও বা নিজের দলের কর্মীরা তাঁকে ঘিরে নানা মন্তব্য করেন বলে অভিযোগ।

ভোটের ফল প্রকাশ পাওয়ার দুদিন পরে বিজেপি-র প্রবীণ নেতা তথাগত রায় তোপ দাগেন। শ্রাবন্তী, তনুশ্রী চক্রবর্তী এবং পায়েল সরকারকে কেন টিকিট দেওয়া হয়েছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। কিন্তু সেই প্রশ্নের মধ্যে অপমান করার চেষ্টাও চোখে পড়ে অনেকের। দোলের দিন একটি অনুষ্ঠানে গিয়ে তৃণমূল নেতা মদন মিত্রের সঙ্গে ছবি তোলা নিয়েও কটূক্তিও করেন তথাগত। টুইটারে তিনি লিখেছিলেন, নগরীর নটীরা নির্বাচনের টাকা নিয়ে কেলি করে বেড়িয়েছেন আর মদন মিত্রর সঙ্গে নৌকাবিলাসে গিয়ে সেলফি তুলেছেন (এবং হেরে ভূত হয়েছেন) তাঁদেরকে টিকিট দিয়েছিল কে?

পাল্টা প্রমাণ চেয়েছিলেন শ্রাবন্তী। আনন্দবাজার অনলাইনের মাধ্যমে তাঁর প্রশ্ন ছিল, উনি বলেছেন, আমরা ভোটের টাকায় ঘুরে বেড়িয়েছি। কেলি করেছি। এই মন্তব্যের কোনও প্রমাণ কি ওঁর কাছে আছে?

ভোটের পর বিজেপি নেতৃত্বের সঙ্গে তাঁর দূরত্ব ক্রমেই বাড়তে থাকে। দলীয় কোনও কর্মসূচিতেও তাঁকে ইদানীং দেখা যেত না। অতঃপর, বৃহস্পতিবার দল ছাড়ার কথা ঘোষণা করলেন শ্রাবন্তী।

বৃহস্পতিবার সকালে ঘোষণা করে তাঁর বিজেপি ছাড়ার পর আরও একটি জল্পনা তৈরি হয়েছে। সেই জল্পনাটি হল, পদ্ম ছেড়ে শ্রাবন্তীর নয়া গন্তব্য কি জোড়াফুল? দল ছাড়ার কথা ঘোষণা করে যে টুইট তিনি করেছেন, তাতে বিজেপি-কে বাংলার উন্নয়নের প্রশ্নে দোষ দেওয়ার পর সেই জল্পনা আরও বেড়ে গেল।


আরও খবর
সায়ন্তিকার গাড়িতে ট্রাকের ধাক্কা

বৃহস্পতিবার ০৯ ডিসেম্বর ২০২১




৩ দিনের রিমান্ডে কাটাখালী পৌর মেয়র

প্রকাশিত:সোমবার ০৬ ডিসেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ০৬ ডিসেম্বর ২০২১ | ২৯৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
ম্যুরাল নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে গত ২৪ নভেম্বর পৌর আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক পদ থেকে মেয়র আব্বাসকে অপসারণের করে পবা উপজেলা আওয়ামী লীগ

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে দায়ের করা মামলায় রাজশাহীর কাটাখালী পৌরসভার মেয়র আব্বাস আলীর বিরুদ্ধে তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। সোমবার (৬ ডিসেম্বর) দুপুরের দিকে রাজশাহী মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২ তার রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

নগরীর বোয়ালিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নিবারণ চন্দ্র বর্মন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য মেয়র আব্বাস আলীর বিরুদ্ধে ১০ দিনের রিমান্ড চাওয়া হয়েছিল। শুনানি শেষে আদালত তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সন্ধ্যায় আব্বাস আলীকে বোয়ালিয়া মডেল থানায় নেওয়া হবে।

গত ২২ নভেম্বর রাতে মেয়র আব্বাস আলীর ১ মিনিট ৫১ সেকেন্ডের একটি অডিও ক্লিপ নেট দুনিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে। এতে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল বানালে পাপ হবে’— এমন কথা বলতে শোনা যায় তাকে। ওই ঘটনায় গত ২৩ নভেম্বর রাতে মেয়রের বিরুদ্ধে আরএমপির তিন থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে তিনটি অভিযোগ দায়ের হয়।

এর মধ্যে নগরীর বোয়ালিয়া মডেল থানায় দায়ের করা নগর স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি ও রাজশাহী সিটি করপোরেশনের ১৩নং কাউন্সিলর আব্দুল মোমিনের অভিযোগটি মামলা হিসেবে রেকর্ড হয়।

আত্মগোপনে থাকা অবস্থায় গত ১ ডিসেম্বর ভোরে রাজধানী ঢাকার ঈশা খাঁ হোটেল থেকে তাকে আটক করে র‌্যাব। ২ ডিসেম্বর নগরীর বোয়ালিয়া মডেল থানা পুলিশ তাকে আদালতে তোলেন। ওই দিনই জিজ্ঞাসাবাদের জন্য মেয়র আব্বাসের বিরুদ্ধে ১০ দিনের রিমান্ড চায় পুলিশ। কিন্তু রিমান্ড শুনানি না করে আদালত ওই দিন তাকে জেলহাজতে পাঠিয়ে দেন।

ম্যুরাল নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে গত ২৪ নভেম্বর পৌর আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক পদ থেকে মেয়র আব্বাসকে অপসারণের করে পবা উপজেলা আওয়ামী লীগ। এর দুদিন পর ২৬ নভেম্বর তাকে জেলা আওয়ামী লীগের নির্বাহী সদস্য পদ থেকেও অব্যাহতি দেয় রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগ।

মেয়র আব্বাস আলী কাটাখালী পৌর আওয়ামী লীগের আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ২০১৫ সালে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন নিয়ে প্রথমবার মেয়র নির্বাচিত হন। ২০২০ সালের ডিসেম্বরেও তিনি নৌকা প্রতীক নিয়ে দ্বিতীয় মেয়াদে মেয়র নির্বাচিত হন। বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের জেরে গত ২৫ নভেম্বর রাতে পৌরসভার ১২ কাউন্সিলর তার বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনেন। গ্রেফতার হওয়ায় মেয়র পদও হারাতে পারেন মেয়র আব্বাস।

নিউজ ট্যাগ: মেয়র আব্বাস আলী

আরও খবর