আজঃ শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪
শিরোনাম

বৈদেশিক মুদ্রার সংকট কাটিয়ে উঠছে দেশ, ফিরে এসেছে ট্র্যাকে : অর্থমন্ত্রী

প্রকাশিত:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

দেশে বর্তমানে বৈদেশিক মুদ্রার সংকট থাকলেও তা কাটিয়ে উঠছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী। একই সঙ্গে বাংলাদেশ যে সম্ভাবনার দেশ, সেই ট্র্যাকেই ফিরে এসেছে। আজ সোমবার সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে আন্তর্জাতিক কৃষি উন্নয়ন তহবিলের (আইএফএডি) আবাসিক প্রতিনিধির আর্নদ হেমিলিয়ারসের সঙ্গে বৈঠকের শেষে সাংবাদিকদের অর্থমন্ত্রী এ কথা বলেন। 

অর্থমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে সংকট আছে, কিন্তু আমরা ওভারকাম করছি। আস্তে আস্তে আমরা উন্নতি করছি। একই সঙ্গে বাংলাদেশ এখন ঊর্ধ্বমুখী। বাংলাদেশ যে সম্ভাবনার দেশ, সেই ট্র্যাকেই ফিরে এসেছি। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ নাকি দেউলিয়া হয়ে গেল? না বাংলাদেশ কোথায় দেউলিয়া? এত বড় একটা দেশ দেউলিয়া হতে পারে না। আমাদের রিজার্ভ উন্নতি করছে।

দেশের সংকট কেটে যাচ্ছে কি নাজানতে চাইলে অর্থমন্ত্রী বলেন, হ্যাঁ, সংকট অনগোয়িং। সংকট আছে। কিন্তু আমরা ওভারকাম করছি। আস্তে আস্তে আমরা উন্নতি করছি। যদি ধারণা করেননতুন মন্ত্রিসভা হলো, কালই সব ঠিক হয়ে যাবে, এমনটা হবে না। কিন্তু অন দ্য ওয়ে, আস্তে আস্তে করতে হবে।

আরও পড়ুন>> বাড়তে পারে মন্ত্রিসভার পরিধি: ওবায়দুল কাদের

অর্থমন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক কৃষি উন্নয়ন তহবিলের (আইএফএডি) প্রজেক্ট চালু আছে। সেখানে তাঁরা নতুন নতুন আইডিয়া নিয়ে আসছেন। সেগুলো নিয়ে আলোচনা হয়েছে। সুনির্দিষ্ট কোনো বিষয়ে জোর দেওয়ার কথা বলা হয়েছে কি না এ প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, সেরকম কিছু না। তবে তারা আস্তে আস্তে উন্নয়ন করে। প্রতিবছরই উন্নয়নের বিষয়ে আলোচনা হয়। এ বছর উদ্ভাবনী বিষয়ে বাংলাদেশসহ অন্যান্য সবার সঙ্গে আলোচনা হয়েছে।

দেশের বিভিন্ন সমস্যার কথা তুলে ধরে অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী বলেন, মার্কেটিং একটা সমস্যা। কৃষকের কাছ থেকে পণ্য ঢাকায় আসতে আসতে মধ্যস্বত্বভোগীদের হাতে চলে যায়। এটা একটা বড় সমস্যা। আমরা চিন্তাভাবনা করছি কীভাবে এটাকে পরিবর্তন করা যায়।

অর্থমন্ত্রী বলেন, আইএফএডি এখানে সব সময় আমাদের সাহায্য করে। শুধু তাঁরা একা নয়, আমাদের অনেক পার্টনার আছে যেমন, জাপান, এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক। এ ছাড়া আমাদের আরও ডেভেলপমেন্ট পার্টনার আছে তারা বিভিন্ন আইডিয়া নিয়ে আসে। তারপর মিলেমিশে আমরা একটা রাস্তা বের করে যেতে শুরু করি।

আবুল হাসান মাহমুদ আলী বলেন, আমরা কোনো নির্দিষ্ট দেশের ওপর নির্ভরশীল না। কিন্তু আমরা সবার সঙ্গে পরামর্শ করে কাজ করি, আইডিয়া গ্রহণ করি, সেটাকে বড় করি। আর্থিকভাবে বিভিন্ন পার্টনার সহায়তা করে। এভাবেই চলে।

এর আগে, সকালে এডিবি ও ফ্রান্সের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক করেছেন সেখানে কী আলোচনা হয়েছেতা জানতে চাইলে অর্থমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ তো এখন ভালো করছে। তবে আমরা সমস্যা থেকে একেবারে বের হয়ে গেছি তা কিন্তু নয়।

এডিবি নতুন কোনো প্রতিশ্রুতি দিয়েছে কি নাএমন প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, নিশ্চয়ই করেছে। তারা বাংলাদেশকে সাহায্য করছে। এটা চলমান থাকবে। একটা কথা অনেকেই বলে, বাংলাদেশ কি দেউলিয়া হয়ে গেল? না, বাংলাদেশ কোথায় দেউলিয়া? এত বড় একটা দেশে দেউলিয়া হতে পারে না। আমাদের রিজার্ভ উন্নতি করছে।


আরও খবর
শপথ নিলেন নতুন ৭ প্রতিমন্ত্রী

শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪




‘আমিন আমিন’ কলরবে মুখরিত তুরাগ তীর

প্রকাশিত:রবিবার ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

আখেরি মোনাজাতের মধ্যদিয়ে টঙ্গীর তুরাগ তীরে বিশ্ব ইজতেমার প্রথম আসর শেষ হয়েছে। আখেরি মোনাজাতে দেশ ও জাতির মঙ্গল কামনাসহ ইহকালের শান্তি, পরকালের মাগফেরাত এবং বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর সুখ ও সমৃদ্ধি কামনা করা হয়। এ সময় লাখো ধর্মপ্রাণ মুসল্লির আমিন আমিন ধ্বনিতে মুখরিত হয়ে ওঠে টঙ্গীর তুরাগ তীর।

এর আগে সকাল ৯টা ১ মিনিটে আখেরি মোনাজাত শুরু হয়। মোনাজাত পরিচালনা করেছেন তাবলিগ জামাত বাংলাদেশের শীর্ষ মুরব্বি, কাকরাইল জামে মসজিদের পেশ ইমাম ও খতিব মাওলানা জুবায়ের আহমেদ।

রবিবার (০৪ ফেব্রুয়ারি) ফজরের নামাজের পর থেকেই শুরু হয় হেদায়েতি বয়ান। হেদায়েতি বয়ান করেন পাকিস্তানের মাওলানা জিয়াউল হক সাহেব। এরপর কিছু সময়, নসিহতমূলক কথা বলেন ভারতের মাওলানা ইব্রাহিম দেওলা সাহেব।

এদিকে ইজতেমার আখেরি মোনাজাত ঘিরে ফজরের পর থেকে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের কুড়িল বিশ্বরোড থেকে ইজতেমামুখী যান চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়। একইভাবে গাজীপুরের ভোগড়া বাইপাস থেকে যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়।

আখেরি মোনাজাতে অংশ নিতে গতকাল রাত থেকেই দেশের বিভিন্ন জেলার মুসল্লি ইজতেমা ময়দানে এসেছেন। এতে টঙ্গী ইজতেমা ময়দানের আশপাশের এলাকা, ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক, কামারপাড়া সড়ক, আহ্ছানিয়া মিশন ক্যানসার হাসপাতাল এলাকাসহ আশপাশের এলাকায় অবস্থান নেন মুসল্লিরা।


আরও খবর
শপথ নিলেন নতুন ৭ প্রতিমন্ত্রী

শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪




ঢাবি ছাত্রলীগের ২৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা

প্রকাশিত:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) শাখা ছাত্রলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। এ কমিটিতে ২৫১ জন স্থান পেয়েছেন। আজ সোমবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে একযোগে নিজেদের ফেসবুক টাইমলাইনে কমিটি প্রকাশ করেন ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন, সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান, ঢাবি ছাত্রলীগের সভাপতি মাজহারুল কবির শয়ন ও সাধারণ সম্পাদক তানভীর হাসান সৈকত।

কমিটিতে সহ-সভাপতি হয়েছেন ৬১ জন, ১১ জন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, ১১ জন সাংগঠনিক সম্পাদক হয়েছেন। এ ছাড়া দপ্তর সম্পাদক, প্রচার সম্পাদক, অর্থ সম্পাদক, শিক্ষা ও পাঠচক্র সম্পাদক, ক্রীড়া সম্পাদক, আন্তর্জাতিক সম্পাদক, এসডিজিবিষয়ক সম্পাদকসহ ৩৬টি সম্পাদক, উপ-সম্পাদক এবং সদস্য পদে বাকিদের পদায়ন করা হয়েছে।

কমিটিতে ১ নম্বর সহ-সভাপতি হয়েছেন মেহেদী হাসান নিবিড়, ১ নস্বর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাহিদ ভুঞা, আর ১ নম্বর সাংগঠনিক সম্পাদক হয়েছেন রায়হান সরকার।

গত ২০২২ সালের ২০ ডিসেম্বর ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয়, ঢাবি ও দুই মহানগরের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের আংশিক কমিটি ঘোষণা করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। ঢাবি ছাত্রলীগের নির্ধারিত ১ বছর মেয়াদ শেষ হওয়ার পর কমিটি পূর্ণাঙ্গ করা হলো।


আরও খবর



পাকিস্তানে থানায় সন্ত্রাসী হামলায় ১০ পুলিশ সদস্য নিহত

প্রকাশিত:সোমবার ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়ার ডেরা ইসমাইল খান জেলার একটি থানায় গভীর রাতে সন্ত্রাসী হামলায় কমপক্ষে ১০ পুলিশ সদস্য নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত আরও ৬ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।

সোমবার (৫ ফেব্রুয়ারি) জিও নিউজের বরাত দিয়ে এ খবর জানা গছে।

পুলিশের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সোমবার ভোর ৩টার দিকে সন্ত্রাসীরা ভারী অস্ত্র নিয়ে তহসিল দারাবনে থানা লক্ষ্য করে হামলা চালায়। এতে ১৬ পুলিশ সদস্য হতাহত হয়েছেন। আহত ৬ জনকে ডিএইচকিউ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

আইন প্রয়োগকারী সংস্থা জানিয়েছে, সন্ত্রাসীরা চারদিক থেকে গ্রেনেড ও ভারী গুলি নিয়ে থানায় হামলা চালায়। পুলিশও পাল্টা জবাব দেয় কিন্তু সন্ত্রাসীরা রাতের অন্ধকারে পালিয়ে যায়।

পুলিশ আরও জানিয়েছে, তারা এলাকাটি ঘিরে রেখেছে এবং পালিয়ে যাওয়া জঙ্গিদের খুঁজে বের করার জন্য একটি তল্লাশি অভিযান শুরু করেছে। অভিযানে আরও বাহিনী যোগ দিবে।

পুলিশ লাইনে নিহত পুলিশ সদস্যদের জানাজা অনুষ্ঠিত হবে বলে জানা গেছে।


আরও খবর



বাড়ছে দ্বাদশ জাতীয় সংসদের মন্ত্রিসভার কলেবর

প্রকাশিত:রবিবার ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

Image

দ্বাদশ জাতীয় সংসদের নতুন সদস্যদের শপথ গ্রহণ শেষ হয়েছে। শেষ হয়েছে নতুন মন্ত্রিসভা গঠনও। সংসদের প্রথম অধিবেশন এখন চলছে। বাকি আছে সংরক্ষিত নারী ৫০ আসনের নির্বাচন। চলতি সপ্তাহে হতে পারে তফসিল। এরপর দলীয়ভাবে চূড়ান্ত হবে, কারা হচ্ছেন সংরক্ষিত এমপি। তবে, নতুন করে গুঞ্জন শুরু হয়েছে, বাড়ছে মন্ত্রিসভার কলেবর।

দ্বিতীয় দফায় কারা মন্ত্রিসভায় স্থান পাচ্ছেন, নতুন নাকি পুরাতন সদস্যরা সব মহলে চলছে এমন আলোচনা। তাদের সঙ্গে সুর মিলিয়েছেন ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ নেতারাও। তাদের মন্তব্য, শিগগিরই বাড়তে পারে মন্ত্রিসভার আকার।

গত ১১ জানুয়ারি টানা চতুর্থবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রীসহ মোট ৩৭ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীও শপথ নিয়েছেন। এর মধ্যে ২৫ জন মন্ত্রী ও ১১ জন প্রতিমন্ত্রী। আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ নেতারা মনে করছেন, চলতি মাসের (ফেব্রুয়ারি) শেষের দিকে বাড়তে পারে মন্ত্রিসভার আকার। আসন্ন সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনের পর মন্ত্রিসভার সদস্য বাড়ানো হতে পারে। এমনকি সংরক্ষিত নারী আসন থেকে টেকনোক্র্যাট কোটায় (সংসদ সদস্য নন এমন) মন্ত্রীও হতে পারেন এমন গুঞ্জনও চলছে। তবে, এটা নিশ্চিত যে দ্বিতীয় দফায় কারা মন্ত্রিসভায় স্থান পাবেন, সেটা দলের হাইকমান্ড ছাড়া কেউ-ই জানেন না।

মন্ত্রিসভার কলেবর বড় হচ্ছে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, এটা একটু বাড়তে পারে। কারণ, এখানে রিজার্ভ সিটগুলো, নারীদের জন্য সংরক্ষিত যেসব আসন, সেসব আসনের নির্বাচন শেষ হলে সেখান থেকেও যুক্ত হতে পারেন। প্রধানমন্ত্রী ইচ্ছা করলে তিনি যুক্ত করতে পারেন।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকার টিকিট পেয়েও ভোটের মাঠে নেমে হেরেছেন তিন মন্ত্রী। তারা হলেন- বিমান প্রতিমন্ত্রী মাহবুব আলী, ত্রাণ ও দুর্যোগ প্রতিমন্ত্রী এনামুর রহমান এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্য। মাহবুব আলী ও এনামুর রহমান দুবারের সংসদ সদস্য ছিলেন। স্বপন ভট্টাচার্য তিনবার জাতীয় সংসদে প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন। নির্বাচনের মাঠে তারা এবার পরাজিত হয়েছেন।

এ ছাড়া, এবার নতুন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর তালিকা থেকে বাদ পড়েছেন আগের মন্ত্রিসভার ১৪ মন্ত্রী, নয়জন প্রতিমন্ত্রী ও দুজন উপমন্ত্রী। আলোচিত মন্ত্রীদের মধ্যে বাদ পড়েছেন- কৃষিমন্ত্রী মো. আব্দুর রাজ্জাক, অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন, পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী, স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক, বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি, সমাজকল্যাণমন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমেদ, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন, পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং, ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী, রেলমন্ত্রী মো. নূরুল ইসলাম সুজন এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী ইমরান আহমদ।

প্রতিমন্ত্রীদের মধ্যে বাদ পড়েছেন- শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. জাহিদ আহসান রাসেল, সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী মো. আশরাফ আলী খান খসরু, শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম, স্থানীয় সরকার, গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ এবং মহিলা ও শিশুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী বেগম ফজিলাতুন নেছা। এ ছাড়া, গতবারের তিন উপমন্ত্রীর মধ্যে দুজনই এবার বাদ পড়েছেন। তারা হলেন- পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক উপমন্ত্রী বেগম হাবিবুন নাহার এবং পানি সম্পদ উপমন্ত্রী এ কে এম এনামুল হক শামীম। টেকনোক্র্যাট পদ থেকে পদত্যাগ করা ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার এবং পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী শামসুল আলমও এবারের মন্ত্রিসভায় স্থান পাননি।

আওয়ামী লীগ ও সরকারের একাধিক সূত্র জানায়, বর্তমান মন্ত্রিসভার বেশিরভাগ সদস্য নতুন মন্ত্রিসভায় স্থান পেয়েছেন। বিভিন্ন কারণে বাদ পড়েছেন অনেক পুরাতন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী। মন্ত্রিসভার কলেবর বাড়লে স্থান পেতে পারেন আওয়ামী লীগের ত্যাগী, অভিজ্ঞ ও তৃণমূলের জনপ্রিয় সংসদ সদস্যরা। সরকারের কাজের পরিধি বেড়ে যাওয়ায় মন্ত্রিসভার আকার বড় করার চিন্তাভাবনা চলছে। এক্ষেত্রে তরুণদের প্রাধান্য দেওয়া হতে পারে।

আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ এক নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনের পর চলতি মাসের শেষের দিকে মন্ত্রিসভার আকার বাড়তে পারে। দ্বিতীয় দফায় সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের মধ্যে থেকেও একজন মন্ত্রিসভায় সদস্য হতে পারেন। ১৪ দলীয় জোটেরও কেউ এখানে স্থান পেতে পারেন।

গত সংসদে মন্ত্রিপরিষদের সদস্য ছিলেন ৪৭ জন। তাদের মধ্যে প্রথমে শপথ নেন ২৫ মন্ত্রী এবং ১৯ প্রতিমন্ত্রী এবং তিনজন উপমন্ত্রী। দ্বিতীয় দফায় মন্ত্রিপরিষদের সদস্য সংখ্যা বাড়ানো হয়।


আরও খবর
শপথ নিলেন নতুন ৭ প্রতিমন্ত্রী

শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪




দেশের প্রতিটি সংগ্রামে বঙ্গবন্ধুর অবদান রয়েছে: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষা করতে গিয়ে বাঙালিরা রক্ত দিয়েছে, রক্তের অক্ষরে ভাষার অধিকারের কথা লিখে গিয়েছে। পাকিস্তানি শাসকরা যখন আমাদের মায়ের ভাষার অধিকার কেড়ে নিতে চেয়েছিল, সংখ্যাগরিষ্ঠতায় আমরাই ছিলাম বেশি। আর যে ভাষাটা আমাদের ওপর চাপিয়ে দিতে চেয়েছিল, উর্দু, সেটা কারও মাতৃভাষা নয়, পুরো পাকিস্তানের ৭ ভাগ লোকও এটা ব্যবহার করত কি না, সেটাই প্রশ্ন। অথচ আমরা বাঙালিরা ছিলাম প্রায় ৫৫ ভাগ। আমাদের ভাষা কেড়ে নিয়ে দ্বিজাতীয় একটা ভাষা যখন চাপিয়ে দিতে চায়, তখন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ছাত্র। তিনি উদ্যোগ নিয়েছিলেন, তমদ্দুন মজলিশসহ আরও কয়েকটি সংগঠন নিয়ে বাংলা ভাষাকে রক্ষার জন্য সংগ্রাম পরিষদ গড়ে তোলেন এবং আন্দোলন শুরু করেন। সেই আন্দোলনের পথ ধরেই আমরা আমাদের স্বাধিকার আদায় করেছি স্বাধীনতা পেয়েছি।

মঙ্গলবার (২০ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে অমর একুশে পদক বিতরণী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

শেখ হাসিনা বলেন, সবচেয়ে দুঃখের কথা হলো ভাষা আন্দোলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের যে অবদান, সেই আন্দোলনের যে ইতিহাস, সেখান থেকেও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর নামটা মুছে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছিল। 

আরও পড়ুন>> একুশে পদক তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

ভাষা আন্দোলনে জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমানের অবদানের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সংগ্রাম পরিষদ গঠন করে সারা বাংলাদেশ সফর করে মানুষকে যখন সংগঠিত করছিলেন তখনই তাকে গ্রেফতার করা হয়। এ দেশের প্রতিটি সংগ্রামে বঙ্গবন্ধুর অবদান রয়ে গেছে।

শেখ হাসিনা বলেন, জাতির পিতা বলে গেছেন, ১৯৫২ সালের আন্দোলন কেবল ভাষা আন্দোলনের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না, এ আন্দোলন ছিল সামাজিক সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক অধিকার আদায়ের আন্দোলন। কাজেই জাতির পিতা কিন্তু বলে গেলেন আমাদের সামাজিক সাংস্কৃতিক রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন হচ্ছে ৫২র মাতৃভাষা রক্ষার আন্দোলন।


আরও খবর
শপথ নিলেন নতুন ৭ প্রতিমন্ত্রী

শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪