আজঃ বৃহস্পতিবার ২৪ জুন ২০২১
শিরোনাম
মহাকাশে ভেসে খাবার খাচ্ছেন চীনা নভোচারীরা কলম্বিয়াকে ২-১ গোলে হারাল ব্রাজিল স্পেনের কারাগারে ম্যাকাফি অ্যান্টিভাইরাস আবিষ্কারকের ‘আত্মহত্যা’ আগস্টে মুক্তি পাচ্ছে চলচ্চিত্র ‘চিরঞ্জীব মুজিব’ গত ২৪ ঘণ্টায় রাজশাহীতে আরও ১৮ জনের মৃত্যু ‘আ.লীগ হীরার টুকরা, যতবার কেটেছে নতুন করে জ্যোতি ছড়িয়েছে’ উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার নামে মিথ্যাচারের প্রতিবাদে মানববন্ধন স্বাক্ষর জালিয়াতি ও তথ্য গোপন করায় ছাত্র ইউনিয়নের দুই শীর্ষ নেতা বহিষ্কার ইতিহাসে আওয়ামী লীগ, বঙ্গবন্ধু, বাংলাদেশ ও শেখ হাসিনা সমার্থক হয়ে থাকবে: : মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী পরীমনির মামলায় সেই নাসির-অমি ৫ দিনের রিমান্ডে

বোমা বৃষ্টি আর লাশের ভিড়ে ফিলিস্তিনে ঈদ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৩ মে ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ মে ২০২১ | ১২৪জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতর উদযাপিত হচ্ছে। করোনার আবহে গতবারের মতো এবারও ঈদ ভিন্ন আমেজে উদযাপিত হচ্ছে বিভিন্ন দেশে। তবে ফিলিস্তিনিদের জন্য সেই ভিন্নতার সঙ্গে যোগ হয়েছে ধ্বংসযজ্ঞ, স্বজন হারানোর বেদনা, ঘর হারা হওয়ার আশঙ্কা। খবর আল জাজিরার।

গত কয়েকদিন ধরে বোমা হামলা চালাচ্ছে ইসরায়েল। বৃহস্পতিবার সকালে যখন ফিলিস্তিনিরা ঈদুল ফিতর উদযাপন করতে বিভোর তখনও তাদের মনে অজানা এক আতঙ্ক, আশঙ্কা করছে। কেননা ইসরায়েলি হামলা থেমে নেই। বুধবার গভীর রাতেও গাজায় ভারী বোমাবর্ষণ করে ইসরায়েলি বাহিনী।

আল জাজিরার সাফওয়াত আল-কাহলৌত বলেন, প্রায় পুরো গাজা জেগে আছে। বুধবার গভীর রাত পর্যন্ত চলে বোমাবর্ষণ। কিছুক্ষণ পর পর বিস্ফোরণের বিশাল শব্দ শুনতে পাওয়া যায়। এসময় ভবনগুলো কেঁপে ওঠে।

এদিকে গাজায় শতাধিক বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। হামলার ব্যাপকতা এতটাই ছিল যে, মাত্র এক মিনিটে ৩০টি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। এমতাবস্থায় যেকোনো সময় পূর্ণ মাত্রার যুদ্ধ শুরু হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে জাতিসংঘ। মঙ্গলবার ও বুধবার শতাধিক বিমান হামলা চালানো হয়। এসব হামলায় ৫ নারী ও ১৬ শিশুসহ নিহত হয়েছে ৬৫ জন ফিলিস্তিনি। আহত হয়েছে ৩৬৫ জন।


নিউজ ট্যাগ: ফিলিস্তিন

আরও খবর



বান্দরবানে ডায়রিয়ায় ৭ জনের মৃত্যু

প্রকাশিত:সোমবার ১৪ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ১৪ জুন ২০২১ | ৫৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বান্দরবানের আলীকদম উপজেলার করুকপাতা ইউনিয়নে তিনটি পাড়ায় ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল রবিবার ও আজ সোমবার এ দুদিনে এ মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। আজ ঘটনাস্থলে দুটি মেডিকেল টিম পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে।

মৃতরা হলেন মেনলিও ইয়ংচা পাড়ার বাসিন্দা রামধন ম্রো, খাইচাং ম্রো, থুংলাক ম্রো, সোনাদি পাড়ার জনরুন ত্রিপুরা এবং মাংলুম পাড়ার মাংধন ম্রো, রেংচং ম্রো, চিংরে ম্রো।

স্বাস্থ্য বিভাগ ও স্থানীয়রা জানায়, জেলার আলীকদম উপজেলার করুকপাতা ইউনিয়নের দুর্গম যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন ম্রো জনগোষ্ঠী অধ্যুষিত ইয়ংচা পাড়া, মেনলিও পাড়া, সোনাদি পাড়া, মেনরুং পাড়া, কচ্ছপিয়া পাড়া, আলিশ্যাপা পড়া, রুইথং পাড়া, তংরিং পাড়া এবং মাংলুম পাড়াসহ পার্শ্ববর্তী ১০টি পাহাড়ি গ্রামে ডায়রিয়ার প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। বিশুদ্ধ খাবার পানির সংকট এবং প্রচণ্ড গরমে প্রায় এক সপ্তাহেরও অধিক সময় ধরে ছড়িয়েপড়া ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়েছে শিশু, কিশোর ও বয়স্ক দুশতাধিকের বেশি।

অসুস্থদের মধ্যে আলীকদম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে সাতজনকে। গতকাল রোববার এবং আজ সোমবার দুদিনে পাড়াগুলোতে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে সাতজনের মৃত্যু হয়েছে।

করুকপাতা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ক্রাতপু ম্রো বলেন, তিনটি পাড়ায় ডায়রিয়ায় এরই মধ্যে সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া ডায়রিয়া প্রাদুর্ভাব দেখা দেওয়া ইউনিয়নের ১০টি পাড়ায় আক্রান্ত হয়েছে দুশতাধিকেরও বেশি মানুষ।

ক্রাতপু ম্রো বলেন, ডায়রিয়া ছড়িয়ে পড়ার খবরে গতকাল রোববার এবং আজ ঘটনাস্থলে ছুটে গেছেন স্বাস্থ্য বিভাগের দুটি মেডিকেল টিম। এছাড়াও সেনাবাহিনীর দুটি মেডিকেল টিমও ঘটনাস্থলে গেছে বলে খবর পাওয়া গেছে। সেনাবাহিনীর সদস্যরা হেলিকপ্টারে মেডিকেল টিমের কাছে প্রয়োজনীয় জরুরি ওষুধ, পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট এবং খাবার স্যালাইন পাঠিয়েছি আক্রান্ত এলাকাগুলোতে।

পার্বত্য জেলা পরিষদ বান্দরবানের সদস্য ম্রো গবেষক সিইয়ং ম্রো জানান, ম্রো জনগোষ্ঠী অধ্যুষিত করুকপাতা ইউনিয়নে প্রচণ্ড গরম এবং বৃষ্টিতে ছড়া-খালের দূষিত হওয়া পানি ব্যবহারের ফলে ব্যাপকভাবে ডায়রিয়া ছড়িয়ে পড়েছে। ডায়রিয়ায় এরই মধ্যে সাতজনের মৃত্যুর খবর পেয়েছি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থলে স্বাস্থ্য বিভাগ এবং সেনাবাহিনীর একাধিক মেডিকেল টিম পৌঁছেছে।


আরও খবর



বিশ্ববাজারে বাড়তে পারে তেলের দাম

প্রকাশিত:বুধবার ২৩ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ২৩ জুন ২০২১ | ৪৩জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে বিশ্বের কয়েকটি বড় তেল কোম্পানির প্রধানরা। তারা বলেছেন, তেল খাতে প্রয়োজনীয় বিনিয়োগের অভাবে তেলের সরবরাহ কমে যেতে পারে এবং তার কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বাড়বে।

র‍য়্যাল ডাচ শেল এবং টোটাল এনার্জি হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় তেল কোম্পানি এবং তারা ভবিষ্যৎ বাণী করছে যে, অপরিশোধিত তেলের মূল্য ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। তবে অস্থিতিশীল বাজার পরবর্তীতে আবার নিচে নেমে আসতে পারে।

এক্সন মবিল কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড্যারেন উডস কাতার অর্থনৈতিক ফোরামের বৈঠকে বলেছেন, প্রয়োজনীয় বিনিয়োগের অভাবে তেলের সরবরাহ মারাত্মকভাবে কমে যেতে পারে এবং তাতেই বিশ্ববাজারে তেলের দাম বাড়বে এবং পরবর্তীতে আবার সেটি ঠিক হয়ে যেতে পারে। তবে এই সংক্ষিপ্ত সময়ে তেলের দাম সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে।

ট্রেডিং হাউস ট্রাফিগুরাড গ্রুপ বলছে, আগামী বছর নাগাদ তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি একশ ডলার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। ব্যাংক অব আমেরিকা কর্পোরেশনও চলতি সপ্তাহে পূর্বাভাস দিয়েছে যে, তেলের দাম ওই পর্যায়ে যেতে পারে। একই কথা বলেছে গোল্ডম্যান সাচ গ্রুপ।

চলতি বছর বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাসের মহামারী এবং টিকাদান কর্মসূচির কারণে তেলের দাম শতকরা ৪৪ ভাগ বেড়েছে। মঙ্গলবার নিউইয়র্কে স্থানীয় সময় ২টা ৫৫ মিনিটে বেঞ্চমার্ক বেন্ট ক্রুড প্রতি ব্যারেল তেল বিক্রি করেছে ৭৪.৯০ ডলারে।

করোনাভাইরাসের মহামারীর কারণে গত বছর আন্তর্জাতিক তেলের বাজার ইতিহাসের সবচেয়ে অস্থিতিশীলতার মধ্যদিয়ে পার করেছে। তবে ইউরোপ-আমেরিকাসহ পশ্চিমা দেশগুলোতে আবার কর্ম তৎপরতা বাড়ছে এবং অর্থনীতি সচল হচ্ছে। ফলে তেলের ব্যবহার বাড়ছে তবে সেই পরিমাণে সরবরাহ না দিতে পারলে তেলের দাম অনিবার্যভাবেই বাড়বে।



আরও খবর



মালির রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রী সেনাবাহিনীর হাতে আটক

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৫ মে ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৫ মে ২০২১ | ১১৯জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

মালির রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রীকে আটক করেছে দেশটির সামরিক বাহিনী। বেশ কয়েকটি কূটনৈতিক এবং সরকারি সূত্রের বরাতে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, সোমবার (২৪ মে) অন্তর্বর্তী সরকারের মন্ত্রিসভায় রদবদল করার পর এই আটক অভিযান চালানো হয়।

রয়টার্স জানায়, মালির রাষ্ট্রপতি বাহ এনদাও, প্রধানমন্ত্রী মোখতার উয়ানে এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী সোলাইমান ডোকুরেকে রাজধানী বামাকোর বাইরে কাটি সামরিক ঘাঁটিতে নেওয়া হয়েছে।

মালির প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রী এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রীকে আটকের এই ঘটনা নতুন করে দেশটির রাজনৈতিক পরিবেশ অনিশ্চিত করে তুলল। গত বছরের আগস্ট মাসে সামরিক অভ্যুত্থান হয় এবং অভ্যুত্থানের মাধ্যমে প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম বুবাকারকে ক্ষমতাচ্যুত করা হয় ।

এনদাও এবং উয়ানে ১৮ মাস মেয়াদি অন্তর্বর্তী সরকারের কাজকর্ম দেখাশুনা করছিলেন এবং তারা দেশে আবার বেসামরিক শাসন ফিরিয়ে আনার প্রচেষ্টা চালাচ্ছিলেন। কিন্তু অন্তর্বর্তী সরকারের মন্ত্রিসভা থেকে দুই সেনা সদস্যকে সরিয়ে দেওয়ার পর প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রীকে আটক করা হয়।


আরও খবর



শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়ে নতুন করে যা বললেন মন্ত্রী

প্রকাশিত:শনিবার ২৯ মে ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ২৯ মে ২০২১ | ১১৬জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতি যদি নিয়ন্ত্রণে থাকে তাহলে নির্ধারিত তারিখে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া হবে। তবে পরিস্থিতি অনুকূলে না থাকলে মানুষের স্বাস্থ্যকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া হবে না বলে জানিয়ে দিলেন শিক্ষামন্ত্রী ডা: দীপু মনি।

শনিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে জাতীয় প্রত্যাশা সংগঠনের আয়োজনে মরহুম আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আব্দুল মতিন খসরুর স্মরণসভায় শিক্ষামন্ত্রী এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি আরো বলেন, কোনো আন্দোলনের মুখেই জনগণের জীবন নিয়ে অবহেলা করবে না সরকার।

ডা: দীপু মনি বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার ব্যাপারে সরকারের সব প্রস্তুতি নেয়া আছে। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে যথাসময়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া হবে।

এর আগে বৃহস্পতিবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ থেকে জারি করা এক নির্দেশনায় বলা হয়েছিল, করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকলে আগামী ১৩ জুন মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা এবং শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনায় প্রয়োজনীয় প্রস্তুতিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের নির্দেশনায় বলা হয়, করোনা সংক্রমণ থেকে শিক্ষার্থীদের সুরক্ষার লক্ষ্যে আগের ধারাবাহিকতায় আগামী ১২ জুন পর্যন্ত সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। এ সময়ে নিজেদের এবং অন্যদের করোনা সংক্রমণ থেকে সুরক্ষার লক্ষ্যে শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ বাসস্থানে অবস্থান করবে। বাসায় থেকে তারা টেলিভিশন ও অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রমের সাথে সংযুক্ত থাকবে।

নির্দেশনায় আরো বলা হয়, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকাকালীন শিক্ষার্থীদের বাসায় অবস্থানের বিষয়টি অভিভাবকরা নিশ্চিত করবেন এবং স্থানীয় প্রশাসন তা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করবে।

এর আগে বুধবার ভার্চুয়াল এক সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি জানান, আগামী ১৩ জুন থেকে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া‌ হবে। তবে বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দেয়ার বিষয়টি নির্ভর করছে শিক্ষক-শিক্ষার্থী সবাইকে করোনার টিকার আওতায় আনার ওপর।

তিনি বলেন, ১২ জুন পর্যন্ত স্কুল-কলেজ বন্ধ থাকছে, ১৩ জুন থেকে সেগুলো খুলে দেয়া হচ্ছে।

এর আগে তিনি বলেন, যদি ১৩ জুন স্কুল-কলেজগুলো খুলে দিতে পারি সেক্ষেত্রে ২০২১ সালের এসএসসি-এইচএসসি ব্যাচকে অগ্রাধিকার দেয়া হবে। তারা হয়তো সপ্তাহের ছয় দিন ক্লাসে আসবে। যারা ২০২২ সালের এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষার্থী তাদের ছুটির দিন ছাড়া বাকি দিনগুলোতে ক্লাসে নিয়ে আসা হবে। অন্যদের বিষয়ে সপ্তাহে হয়তো এক দিন ক্লাসে আনা হবে।


আরও খবর



সাতক্ষীরায় হু হু করে বাড়ছে করোনা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০১ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০১ জুন ২০২১ | ১৫০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

সীমান্ত জেলা সাতক্ষীরায় করোনা রোগীর সংখ্যা উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। মে'র প্রথম সপ্তাহে ১২ শতাংশ রোগীর দেহে করোনা জীবাণু পাওয়া গেলেও মাস শেষে বেড়ে ৪৯ শতাংশে দাঁড়ায়। বাজার-ঘাট ও বিপণিবিতানে স্বাস্থ্যবিধি মানা হচ্ছে না। ঈদের আগে বিভিন্ন জেলায় ঘরেফেরা মানুষ ও ভারত ফেরতরা সাতক্ষীরায় আসার পরই সংক্রমণ বাড়ছে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

সীমান্ত জেলা সাতক্ষীরায় প্রায় ২৫ লাখ লোকের বাস। এ জেলার সঙ্গে ভারতের রয়েছে ১৩৭ কিলোমিটার সীমান্ত।

পরিসংখ্যান বলছে, ভারত প্রত্যাগত পাসপোর্ট যাত্রী সাতক্ষীরায় আসার পর করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছে। ভারত থেকে আগত ৩৩৭ জনের মধ্যে ১৭ জনের করোনা পজিটিভ পাওয়া যায়। তাছাড়া সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দরে স্বাস্থ্যবিধির নিয়ম না মেনেই অবাধে ঢুকছে ভারতীয় পণ্যবাহী ট্রাক। আবার বাজার ও মার্কেটগুলোতে মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্যবিধি। আক্রান্তের সংখ্যা এতই বৃদ্ধি পেয়েছে যে, করোনা ডেডিকেটেড সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সংস্থান না হওয়ায় সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালেও ২৩ জন করোনা উপসর্গের রোগীকে ভর্তি করা হয়েছে।

সাতক্ষীরার সিভিল সার্জন ডা. হোসাইন সাফায়েত বলেন, ঈদের আগে ঢাকাসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে বাড়ি এসেছে, তারা ইচ্ছামতো ঘুরেছে, এসব কারণে সংক্রমণ বৃদ্ধি পেয়েছে।

তবে জেলা প্রশাসক এস এম মোস্তফা কামালের দাবি, ভারত থেকে অবৈধভাবে বাংলাদেশে আসা বাংলাদেশিদের কারণে সংক্রমণ বৃদ্ধি পেয়েছে।

তিনি বলেন, ভারত থেকে কতজন অবৈধভাবে সাতক্ষীরায় এসেছে, এমন সব তথ্য-উপাত্ত পর্যালোচনা করা হবে। আগামী ৩ জুলাই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এদিকে সীমান্তে টহল বাড়িয়ে দেওয়ার কথা জানিয়ে সাতক্ষীরা বিজিব ৩৩ ব্যাটালিয়ন উপ-অধিনায়ক রেজা আহমেদ বলেন, একইসঙ্গে যারা মাদক ও গরু ব্যবসার সঙ্গে জড়িত তাদের বাড়ি ও গতিবিধি নজরদারিতে রাখা হয়েছে।

জেলায় এখন পর্যন্ত এক হাজার ৫৮৫ জনের দেহে করোনা জীবাণু পাওয়া গেছে। যার মধ্যে ৪৭ জন মারা যান। এছাড়া করোনা উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন ২০৯ জন।


নিউজ ট্যাগ: সাতক্ষীরা

আরও খবর