আজঃ শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪
শিরোনাম

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় স্থানীয়দের সঙ্গে সংঘর্ষে মাদক কারবারি নিহত

প্রকাশিত:শনিবার ১৮ মার্চ ২০২৩ | হালনাগাদ:শনিবার ১৮ মার্চ ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
মোঃ রাসেল আহমেদ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া

Image

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় মাদক বিক্রীর বিরোধিতা করায় স্থানীয়দের সাথে মাদক কারবারীদের সংঘর্ষে পাঁচ মাদক মামলার আসামী আব্দুল হেকিম ওরফে টাক্কা (৩২) নিহত হয়েছে।

শুক্রবার রাতে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকায় নেয়ার পথে সে মারা যায়। সে আখাউড়া উপজেলার কল্যানপুর গ্রামের বাবুল মিয়ার ছেলে। এর আগে বিকেলে উপজেলার উত্তর ইউনিয়নের কল্যাণপুর গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় আহতরা হলেন, আব্দুর রহমানের ছেলে চুন্নু মিয়া (৩০), বাবুল মিয়ার স্ত্রী রুপসা বেগম (৪৫), মৃত কাজী সোনা মিয়ার ছেলে কাজী সিরাজ (৬২) ও তার ছেলে কাজী সালেক মিয়া (৩৭), ফয়জুল হক মিয়ার ছেলে মো. রনি মিয়া (৩২) ও সালেক মিয়া (৩৪), হান্নান মিয়ার ছেলে ফয়সাল মিয়া, আলিম মিয়ার ছেলে মো. সোহেল মিয়া। আহতরা সবাই একই গ্রামের বাসিন্দা।

স্থানীয়রা জানান, উপজেলার উত্তর ইউনিয়নের ভারত সীমান্তবর্তী গ্রাম কল্যাণপুর মাদকের আখড়া হিসেবে পরিচিত। মাদক ব্যবসায় বাধা দেয়া নিয়ে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

আখাউড়া উত্তর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ শাহজাহান জানান, আব্দুল হেকিম টাক্কা একজন চিহ্নিত মাদক কারবারি। তার বিরোধিতা করায় স্থানীয় এক শিক্ষানবিশ আইনজীবীর উপর ক্ষুব্ধ ছিল আব্দুল হেকিম ওরফে টাক্কা। এরই জের ধরে বিকেলে স্থানীয়দের সঙ্গে তার সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

আখাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আরশাদুল ইসলাম জানান, আব্দুল হেকিম টাক্কা একজন চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী। তার বিরুদ্ধে আখাউড়া থানায় পাঁচটি মাদক মামলা রয়েছে। এঘটনায় নিহতের মা বাদী হয়ে ১১ জনের বিরুদ্ধে আখাউড়া থানায় একটি অভিযোগ দিয়েছেন।


আরও খবর



এবার সোমালি জলদস্যুদের কবলে এমভি ব্যাসিলিস্ক

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৪ মে 20২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৪ মে 20২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

এবার লাইবেরিয়ার পতাকাবাহী এমভি ব্যাসিলিস্ক নামের একটি জাহাজ ছিনতাই করেছে সোমালি জলদস্যুরা। সোমালিয়ার রাজধানী মোগাদিসু থেকে প্রায় ৩৮০ নটিক্যাল মাইল পূর্ব দিকে সম্ভাব্য জলদস্যু আক্রমণের এই ঘটনাটি ঘটেছে। এমভি ব্যাসিলিস্ক তখন উত্তরমুখী হয়ে চলছিল। খবর ডেইলি সোমালিয়ার

ভারত মহাসাগর ও লোহিত সাগরে জলদস্যুতা নিয়ন্ত্রণে ইউরোপিয় ইউনিয়নের সংস্থা ইইউএনএভিএফওআর- অপারেশন আটলান্টা এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে যুক্তরাজ্যের মেরিটাইম ট্রেড অপারেশন (ইউকেএমটিও) তাদের টুইটার হ্যান্ডেলে এক সতর্কবার্তায় জানায়, সোমালিয়ার মার্কা এলাকা থেকে ৪২০ নাটিক্যাল মাইল দক্ষিণ-পূর্ব অংশে দুটি ছোট জলযানে করে আসা বহিরাগত লোকজন একটি জাহাজে উঠে পড়েছে। তবে কত জন ওই জাহাজে উঠেছে তা নিশ্চিত করতে পারেনি সংস্থাটি। তারা বিষয়টি তদন্ত করছে জানিয়ে ওই এলাকায় চলাচলকারী নৌযানকে সতর্কতা অবলম্বনের নির্দেশনাও দিয়েছে ইউকেএমটিও।

জাহাজের গতিবিধি পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা মেরিন ট্রাফিকের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুসারে, এমভি ব্যাসিলিস্ক ৩ মে পশ্চিম আফ্রিকার মিন্ডেলো বন্দর থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের জেবল আলী বন্দরের দিকে যাত্রা করে। ২৯ মে জাহাজটির সেখানে পৌঁছানোর কথা ছিল।

শিপিং বিষয়ক সংবাদ মাধ্যম ট্রেড উইন্ডস এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়, জাহাজটির পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান মিনমেরিন এমপিপি শিপ ম্যানেজমেন্টের একজন মুখপাত্র এমভি ব্যাসিলিস্কের জলদস্যুদের কবলে পড়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ওই মুখপাত্র জানান, জাহাজের মাস্টারের সাথে তাদের কথা হয়েছে। এতে তাদের ধারণা হয়েছে জাহাজের নাবিকরা জলদস্যু আক্রমণের পর সিটাডলে আশ্রয় নিয়েছেন। জাহাজে মোট ১৭ জন নাবিক আছেন।

গত ১২ মার্চ মোজাম্বিক থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের পথে কয়লা নিয়ে যাওয়ার সময় সোমালিয়া উপকূল থেকে প্রায় ৬০০ নাটিক্যাল মাইল দূরে জলদস্যুদের কবলে পড়ে বাংলাদেশি পতাকাবাহী জাহাজ এমভি আবদুল্লাহ। প্রায় ৩৩ দিন পর এমভি আবদুল্লাহ জাহাজটি এর ২৩ নাবিকসহ মুক্তি পায়।


আরও খবর



নেপালকে কাঁদিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার ১ রানের জয়

প্রকাশিত:শনিবার ১৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৫ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
ক্রীড়া প্রতিবেদক

Image

বিশ্বকাপের ইতিহাসে অন্যতম বড় অঘটনের জন্ম দিতে শেষ ২ বলে ২ রান দরকার ছিল নেপালের। তবে এত কাছে গিয়েও ইতিহাসের পাতায় নাম লেখানো হলো না রোহিত পাউডেলের দলের। নেপালিদের হৃদয় ভেঙে ন্যুনতম ব্যবধানে জিতেছে দক্ষিণ আফ্রিকা।

সেন্ট ভিনসেন্টে শনিবার (১৫ জুন) নেপালের বিপক্ষে ১ রানে জিতেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। দক্ষিণ আফ্রিকার দেয়া ১১৬ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ওভার শেষে ১১৪ রানে থেমেছে নেপাল।

লক্ষ্যতাড়ায় শুরুটা ভালো করে নেপাল। পাওয়ারপ্লেতে ৩২ রান এলেও কোনো উইকেট হারায়নি দলটি। রানের গতি বজায় রেখে একটু একটু করে এগিয়ে যাওয়া নেপাল ক্রমাগত হতাশ করছিল দক্ষিণ আফ্রিকাকে।

অষ্টম ওভারে বোলিংয়ে এসে খেলার ধারায় পরিবর্তন আনেন তাব্রিয়াজ শামসি। ওই এক ওভারে কুশল ভুর্তেল এবং রোহিত পাউডেলকে সাজঘরে ফেরান এই স্পিনার। পরের দুই ওভারে নেপালকে মোটামুটি চাপেই রাখে দক্ষিণ আফ্রিকা।

চাপকে পাশ কাটিয়ে ভয়ডরহীন ব্যাটিং করেন অনিল শাহ। তরুণ এই ব্যাটারের চার-ছক্কায় রীতিমতো দিশেহারা হয়ে পড়ে দক্ষিণ আফ্রিকা। সেট হয়ে যাওয়া আসিফ শেখও ততক্ষণে ভালোই সঙ্গ দিচ্ছিলেন অনিলকে। ১১-১৩ ওভারের মধ্যে ৩৪ রান আসে নেপালের।

৪২ বলে ৩৪ রান দরকার ছিল নেপালের, এমন সময় বোলিংয়ে আসেন এইডেন মার্করাম। প্রথম ওভারেই অনিল শাহকে সাজঘরের পথ ধরান তিনি। ১ ছক্কা ও ৩ চারে ২৪ বলে ২৭ রান করেছেন অনিল। এই উইকেটটাই মূলত ম্যাচের মোড় ঘুরিয়েছে। পরের ৩ ওভারে কেবল ১২ রান তুলতে পারে নেপাল।

চাপে পড়ে উইকেট হারানো শুরু করে নেপাল। অষ্টাদশ ওভারে দীপেন্দ্র সিং এইরের উইকেট নেন শামসি। একই ওভারে মাত্র ২ রান দিয়ে আসিফ শেখের গুরুত্বপূর্ণ উইকেটটাও নেন এই স্পিনার। ১ ছক্কা ও ৪ চারের ইনিংসে ৪২ বলে ৪৯ রান করেছেন আসিফ।

শেষ ২ ওভারে ১৬ রান দরকার ছিল নেপালের। ১৯ তম ওভারে প্রথম ৪ বল করে কোনো রান দেননি আনরিখ নর্টজে। ফিরিয়েছেন আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে দ্রুততম শতকের মালিক কুশল মাল্লাকেও। তবে শেষ ২ বলে একটি ছক্কাসহ ৮ রান নেন সোমপাল কামি। তাতে মোমেন্টাম সঙ্গে নিয়েই শেষ ওভারে যায় নেপাল।

শেষ ওভারে যখন ৮ রান দরকার, তখন প্রথম ২ বলে কোনো রান দেননি বার্টম্যান। তৃতীয় বলে সামনে এগিয়ে এসে জোরে ব্যাট চালান গুলশান ঝা। সাহসের পুরস্কারটাও পেয়েছেন এই ক্রিকেটার। এক ড্রপে বল পেরিয়ে যায় সীমানা। পরের বলেও ২ রান নেন গুলশান। কিন্তু শেষ ২ বলের একটিও ব্যাটেই লাগাতে পারেননি তিনি।

ব্যাটে না লাগলেও শেষ বলে দৌড়ে রান নেয়ার চেষ্টা করেছেন গুলশান এবং সোমপাল। ব্যাটিং প্রান্তে সোমপাল পৌঁছে গেলেও অন্যপ্রান্তে পৌঁছাতে পারেননি গুলশান। দুর্দান্ত থ্রোয়ে স্টাম্প ভাঙেন হেনরিখ ক্লাসেন। ১ রানের ন্যুনতম ব্যবধানে জিতেছে দক্ষিণ আফ্রিকা।

প্রথমার্ধের আক্রমণের ধার দ্বিতীয়ার্ধেও বজায় রাখে আর্জেন্টিনা। দাপুটে ফুটবল খেলতে থাকা বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা এই অর্ধে গুয়াতেমালাকে তেমন সুযোগই দেয়নি। আকস্মিকভাবে দুই একবার প্রতি-আক্রমণে যাওয়ার চেষ্টা করলেও আর্জেন্টিনার দুর্দান্ত প্রেসিংয়ের বিরুদ্ধে কাজে আসছিল না সেসব।

তবে দাপট দেখালেও গোলের দেখা মিলছিল না আর্জেন্টিনা। ৭৭ মিনিটে সেই ডেডলক ভাঙেন মার্টিনেজ। এই গোলেও অবদান ছিল মেসির। তার অ্যাসিস্ট থেকে পাওয়া বলই জালে জড়িয়েছেন মার্টিনেজ।

ম্যাচের ৭৭ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় এবং দলের চতুর্থ গোল করেন মেসি। দারুণ এক আক্রমণে ডি মারিয়ার কাছ থেকে বল পেয়ে ট্রেডমার্ক চিপে শটে বল জালে জড়ান মেসি। ৪-১ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে নেপাল। 


আরও খবর



২০০৯ সালের পর সর্বোচ্চ আসনে এগিয়ে কংগ্রেস

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৪ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৪ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

এবারের লোকসভা নির্বাচনে ভারতীয় কংগ্রেস ১০০টি আসন জিততে চলেছে। ২০০৯ সালের পরে এবারই দলটি এত বেশি আসনে এগিয়ে রয়েছে। তাই বিষয়টিকে কংগ্রেসের উত্থান হিসেবে দাবি করছেন অনেকে।

আবার কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন ইন্ডিয়া জোট এগিয়ে রয়েছে ২৩০টি আসনে। জয় নিশ্চিত হয়েছে আরও একটি আসনে। এর মধ্যে কংগ্রেস এগিয়ে ৯৯ আসনে, জয়ী হওয়া আসনটিও তাদের। এছাড়া, সমাজবাদী পার্টি ৩৫, তৃণমূল কংগ্রেস ২৯, ডিএমকে ২২, আম আদমি পার্টি তিনটি আসনে এগিয়ে রয়েছে।

অন্যদিকে, বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোট এগিয়ে রয়েছে ২৯০টি আসনে। এগুলো মধ্যে মোদীর দল এককভাবে ২৩৮টি আসনে এগিয়ে রয়েছে। ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে ৫২টি ও ২০১৪ সালে মাত্র ৪৪টি আসনে জয়লাভ করেছিল কংগ্রেস উপমহাদেশের প্রাচীন দলটি। অথচ ২০০৯ সালে দলটি ইউনাইটেড প্রগ্রেসিভ অ্যালায়েন্সের নেতৃত্বে ২০৬টি আসনে জিতেছিল।

২০১৪ সালে যা ঘটেছিল: ২০১৪ সালে রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে কংগ্রেস নরেন্দ্র মোদীর বিজেপির মুখোমুখি হয়েছিল। ওই নির্বাচনে বিশাল পরাজয়ের মুখে পড়ে দলটি। সেবার তারা ১৬২টি আসন হারায় ও প্রায় ৯ দশমিক ৩ শতাংশ ভোট হারায়। সেই সময় মোদির হাত ধরে হিন্দুত্ববাদের উত্থান ঘটে।

গুজরাট, রাজস্থান বিহার, ঝাড়খণ্ড ও মধ্যপ্রদেশে ব্যাপক ব্যবধানে জয়লাভ করে বিজেপি। ১০ বছর আগে ওই ভোটে দেশের ৫৪৩টি আসনের মধ্যে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোট ৩৩৬টিতে জয় পায়। আর এককভাবে বিজেপি পেয়েছিল ২৮২টি আসন।

এনডিএ জোট উত্তর প্রদেশে ৭৩টি, মহারাষ্ট্রে ৪১টি, বিহারে ৩১টি ও মধ্যপ্রদেশে ২৭টি আসন পায়। তাছাড়া গুজরাটের ২৬টি, রাজস্থানের ২৫টি, দিল্লির সাতটি, হিমাচল প্রদেশের চারটি ও উত্তরাখন্ডের পাঁচটি আসনে জেতে। সেই সঙ্গে ঝাড়খণ্ডের ১৪টির মধ্যে ১২টি, ছত্তিশগড়ের ১১টির মধ্যে ১০টি ও হরিয়ানার ১০টি আসনের মধ্যে সাতটিতে জয় লাভ করেছিল। সেবার কংগ্রেস উত্তর প্রদেশের মাত্র দুটি আসন আমেঠি ও রায়বরেলিতে জিতেছিল।

২০১৯ সালে কংগ্রেসের অবস্থা: ২০১৯ সালের নির্বাচনে বিজেপি এককভাবে আরও বেশি আসনে জয় পায়। সেবার মোদীর দল এককভাবে ৩০৩টি ও জোটবদ্ধভাবে ৩৫৩টি আসনে জয় লাভ করে। ওই বছর দলটি উত্তর প্রদেশে ৭৪টি, বিহারে ৩৯টি ও মধ্যপ্রদেশে ২৮টি আসন পেয়েছিল। সেই সঙ্গে গুজরাট, রাজস্থান, হরিয়ানা, উত্তরাখণ্ড, হিমাচল প্রদেশ ও দিল্লিতেও জয়লাভ করে। এসব রাজ্য থেকে বিজেপি ৭৭টি আসন পায়। অন্যদিকে, ছত্তিশগড়ের ৯টি ও ঝাড়খণ্ডের ১১টিসহ এই অঞ্চল থেকে ২৩৮টি আসনে জয়লাভ করে বিজেপি।

সেবারের নির্বাচনে কংগ্রেস রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে নির্বাচনে অংশ নেয়। রাহুল গান্ধী আমেঠি আসনে বিজেপির স্মৃতি ইরানির কাছে বাজাভাবে পরাজিত হন। ওই পরাজয়ের পরেই কংগ্রেস সভাপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেন রাহুল।


আরও খবর



এবার বেনজীরের কোম্পানি-ফ্ল্যাট ক্রোকের নির্দেশ

প্রকাশিত:রবিবার ২৬ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৬ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আদালত প্রতিবেদক

Image

সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ, তার স্ত্রী জিশান মির্জা, বড় মেয়ে ফারহিন রিস্তা বিনতে বেনজীর এবং ছোট মেয়ে তাহসিন রাইসা বিনতে বেনজীরের নামে বিভিন্ন সম্পত্তির দলিল, ঢাকায় ফ্ল্যাট ও কোম্পানির আংশিক শেয়ার জব্দের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

রোববার দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মোহাম্মদ জগলুল হোসেন এ আদেশ দেন।

দুদকের আইনজীবী মাহমুদ হোসেন জাহাঙ্গীর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, বেনজীর ও তার পরিবারের সম্পত্তির দলিল ১১৪, ঢাকায় ফ্ল্যাট চারটি, চারটি শতভাগ মালিকানা কোম্পানি, ১৫ টি  আংশিক মালিকানা কোম্পানি ও চারটি বিও একাউন্ট দুদকের পক্ষে তদন্তকারী কর্মকর্তা আবেদন করেন। আদালত তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনটি মঞ্জুর করেন।

এর আগে, ২৩ মে সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ, তার স্ত্রী জিশান মির্জা, বড় মেয়ে ফারহিন রিস্তা বিনতে বেনজীর এবং ছোট মেয়ে তাহসিন রাইসা বিনতে বেনজীরের ৩৩টি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ও ৮৩ দলিলের সম্পত্তি ক্রোকের নির্দেশ দেন আদালত।


আরও খবর



পানির নিচে ঢাকার সড়ক অলি-গলি, তীব্র ভোগান্তি পথে পথে

প্রকাশিত:সোমবার ২৭ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৭ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

Image

মাঝ জ্যৈষ্ঠে দিনব্যাপী এমন বৃষ্টি প্রত্যাশা করেনি রাজধানীবাসী। যদিও ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাবে রাজধানীতেও বৃষ্টি হবে বলে আগেই জানিয়েছিল আবহাওয়া অফিস। সে অনুযায়ী ভোররাত থেকে বিরতিহীনভাবে বৃষ্টি ঝরছে রাজধানীতে। টানা বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে বিভিন্ন এলাকায়। ডুবে গেছে বহু সড়ক ও অলি-গলি। সেইসঙ্গে তৈরি হয়েছে গণপরিবহন সংকট।

রাজধানীর বাড্ডা, গ্রিনরোড, নিউমার্কেট, ধানমন্ডি ২৭, মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ, কাজীপাড়া, শেওড়াপাড়া, মিরপুর ১০, ১৩ ও ১৪ নম্বর, মালিবাগ, শান্তিনগর, সায়েদাবাদ, শনির আখড়া, পুরান ঢাকা, বংশাল, নাজিমুদ্দিন রোড, হাতিরঝিলের কিছু অংশ, আগারগাঁও থেকে জাহাঙ্গীর গেট যেতে নতুন রাস্তা, খামারবাড়ি থেকে ফার্মগেট, ফার্মগেট-তেজগাঁও ট্রাক স্ট্যান্ড সংলগ্ন এলাকা, মোহাম্মদপুরের কিছু অংশ, মেরুল বাড্ডা, ডিআইটি প্রজেক্ট এলাকা, মোহাম্মদপুর, ইসিবি, গুলশান লেকপাড় এলাকার সংযোগ সড়ক এবং এসব সড়কের আশপাশের অলি-গলিতে পানি জমে জলাবদ্ধতা তৈরি হয়েছে।

রাস্তাঘাটে পানি জমায় সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত নানা বিড়ম্বনায় পড়েছেন কাজে বের হওয়া সাধারণ মানুষ। অনেক এলাকায় জলাবদ্ধতার কারণে ভ্যান দিয়ে সড়ক পারাপার হতে দেখা গেছে নগরবাসীকে।

একদিকে টানা বৃষ্টি, অন্যদিকে জলাবদ্ধতা- দুইয়ের যোগফল হিসেবে রাজধানীর সব সড়কেই কমে গেছে গণপরিবহন। এই সুযোগে বাড়তি ভাড়া আদায় করছেন ঢাকার রিকশা ও সিএনজিচালকরা।

গুলশানের একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের চাকরিজীবী মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, আমার বাসা মোহাম্মদপুরে। সকালে অফিসে আসার সময় ভোগান্তিতে পড়েছিলাম। বৃষ্টির কারণে অনেক রাস্তায় জলাবদ্ধতা তৈরি হয়েছে। সড়কে বাস কম। অতিরিক্ত ভাড়া নিচ্ছে রিকশাচালকরা। প্রথমে বাসা থেকে বের হয়ে ডাবল ভাড়ায় রিকশায় চড়ে মোড়ে এসেছি। পরে বাস না পেয়ে সিএনজিতে চড়ে বেশ কয়েকটি ডুবো রাস্তা পেরিয়ে গুলশানের অফিসে এসেছি। সিএনজি ভাড়া হওয়ার কথা সর্বোচ্চ ২৫০ থেকে ২৮০ টাকা। সেই ভাড়া আমার কাছ থেকে নিয়েছে ৪০০ টাকা।

বৃষ্টিতে ভোগান্তিতে পড়েছেন প্রয়োজনে কাজে বের হওয়া এমন বহু মানুষ। মূল সড়ক ছাড়া অলিগলিতেও জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হওয়ায় চলাফেরা করা কষ্টকর হয়ে পড়েছে। গণপরিবহনে উঠতে পোহাতে হচ্ছে তীব্র ভোগান্তি।

রাজধানীর ধানমন্ডি ২৭ থেকে কারওয়ান বাজার, এরপর হাতিরঝিল হয়ে বাড্ডা এলাকায় আসা সুজন আহমেদ নামে একজন বলেন, যে রাস্তা দিয়ে সিএনজিতে চড়ে এসেছি তার বেশিরভাগ সড়কেই জলাবদ্ধতা দেখেছি। পথে পথে মানুষের ভোগান্তি। পানির কারণে যানবাহন যাওয়ার পর ঢেউ আছড়ে পড়ছে ফুটপাতে। বাস না পেয়ে দ্বিগুণ ভাড়ায় সিএনজি করে আসলাম।

এদিকে কোথাও জলাবদ্ধতা হলে, পানি জমে থাকলে হটলাইনে যোগাযোগ করার (১৬১০৬) আহ্বান জানিয়েছে ঢাকা ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন। তারা জানিয়েছে, জলাবদ্ধতা যেন সৃষ্টি না হয় সেজন্য কাজ করছে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) কুইক রেসপন্স টিম।

সোমবার (২৭ মে) সকাল থেকে ডিএনসিসির আওতাধীন বিভিন্ন এলাকায় এই টিম কাজ করছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মুখপাত্র মকবুল হোসাইন।

তিনি জানান, ডিএনসিসির ১০টি কুইক রেসপন্স টিম এবং পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা জলাবদ্ধতা নিরসনে কাজ করছে। কোথাও পানি জমে থাকলে ডিএনসিসির হটলাইন ১৬১০৬ নম্বরে ফোন করুন, দ্রুত সময়ের মধ্যে কুইক রেসপন্স টিম পৌঁছে যাবে।

নিউজ ট্যাগ: ঘূর্ণিঝড় রেমাল

আরও খবর