আজঃ মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম

বরগুনায় সাঈদীর মৃত্যুতে শোক: তিন ছাত্রলীগ নেতা বহিষ্কার

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২২ আগস্ট ২০২৩ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২২ আগস্ট ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
অলিউল্লাহ্ ইমরান, বরগুনা

Image

বরগুনায় ছাত্রলীগের ৩ নেতাকে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে এবং সংগঠনের পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকায় তাদের সামরিক বহিষ্কার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২২ আগস্ট) মুঠোফোনে বিজ্ঞপ্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ছাত্রলীগের সভাপতি রেজাউল কবির রেজা।

গতকাল সোমবার (২১ আগস্ট) রাতে ছাত্রলীগের এক জরুরি সভায় জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রেজাউল কবির রেজা ও সাধারণ সম্পাদক তৌফিকুর রহমান ইমরানের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে তাদের বহিষ্কার করা হয়েছে।

বহিষ্কৃতরা হলেন- বরগুনা সদর উপজেলার ১ নম্বর বদরখালী ছাত্রলীগের সভাপতি রাসেল ফরাজী, ৯ নম্বর এম. বালিয়াতলী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের এইচ. এম আল মামুন ও পাথরঘাটা উপজেলার কাকচিড়া থানা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুল্লাহ আল রাহাত।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সাংগঠনিক নীতি-আদর্শ ও শৃঙ্খলা পরিপন্থী কার্যকলাপে জড়িত থাকায় তাদের সংগঠন থেকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। একইসঙ্গে তাদের স্থায়ী বহিষ্কার করার জন্য কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগকে সুপারিশ করা হয়েছে।

তবে সুনির্দিষ্ট কি কারণে তাদের বহিষ্কার করা হয়েছে তা ওই বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়নি।

জানা গেছে, আমৃত্যু কারাদণ্ড পাওয়া জামায়াত নেতা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে ছাত্রলীগের এসব নেতা তাদের ফেসবুকে লেখেন, ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। কেউ কেউ সাঈদীর ছবি ও ভিডিও শেয়ার করেন। এরপরই তাদের প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বহিষ্কারের বিষয়টি জানানো হয়।

এ বিষয়ে বরগুনা জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রেজাউল কবির রেজা বলেন, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে এবং সংগঠনের পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকায় তাদের সামরিক বহিষ্কার করা হয়েছে।

নিউজ ট্যাগ: বরগুনা

আরও খবর



ভারত বাংলাদেশের রাজনৈতিক বন্ধু, চীন উন্নয়নের: কাদের

প্রকাশিত:শনিবার ০৬ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ০৬ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক ভালো বলেই অনেক সুবিধা নিতে পেরেছি মন্তব্য করে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ভারত বাংলাদেশের রাজনৈতিক বন্ধু আর চীন উন্নয়নের বন্ধু। এ দেশের বহু উন্নয়নে চীনের অবদান আছে।

শনিবার (৬ জুলাই) রাজধানীর বেইলি রোডে শেখ হাসিনা পার্বত্য চট্টগ্রাম ঐতিহ্য ও গবেষণা কেন্দ্রে সাত দিনব্যাপী পাহাড়ি ফলমেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।

ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ভারতের সঙ্গে ২১ বছর বৈরি সম্পর্ক রেখে কি অর্জন করেছে ৭৫ পরবর্তী রাজনৈতিক দল? শেখ হাসিনা এবং নরেন্দ্র মোদির সম্পর্ক ভালো ছিল বলেই আমরা বাংলাদেশের সমান আরেকটি সমুদ্র পেয়েছি। সম্পর্ক ভালো ছিল বলেই সিটমহল সমস্যার সমাধান করেছি। সম্পর্ক ভালো থাকলে আলাপ-আলোচনা করে সমস্যার সমাধান করা যায়। গঙ্গাচুক্তিসহ বহুবিধ সুবিধা ভারত থেকে নিতে পেরেছেন শেখ হাসিনা। যারা বড় বড় কথা বলেন তারা গঙ্গার কথা ভুলে গিয়েছিলেন। খালি হাতে আগেও ফিরি নাই, এখনো ফিরি নাই।

চীনের সঙ্গে আমাদের পার্টনারশিপ রয়েছে জানিয়ে আওয়ামী লীগ সম্পাদক বলেন, ভারত আমাদের রাজনৈতিক বন্ধু, চীন আমাদের উন্নয়নের বন্ধু। এ দেশে বহু উন্নয়নে চীনের অবদান আছে। সাহায্য পেলে আমরা সাহায্য কেনো নেব না? আমার দেশের উন্নয়নের জন্য যেখানে সাহায্য দরকার আমরা সেখান থেকে সাহায্য নেব। মেট্রোরেল, পদ্মা সেতু, এক্সপ্রেসওয়ে এসব নিয়ে অনেকের জ্বলে, যাদের জ্বলে তাদের মন্তব্যের কোনো জবাব আমরা দেব না।

গত ১৬ বছরে বাংলাদেশ বদলে গেছে। সেই বদলের সঙ্গে তাল মিলিয়ে পার্বত্য অঞ্চলও বদলেছে জানিয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, সড়ক যোগাযোগে এখন পার্বত্য তিন জেলা অনেক উন্নত, একসাথে ৪২টি ব্রিজ উদ্বোধন হয়েছে খাগড়াছড়িতে। এখন সীমান্ত সড়ক তৈরি হচ্ছে। শেখ হাসিনা থাকলে সব সমস্যার সমাধান হবে।

ওবায়দুর কাদের আরও বলেন, বিদেশি বহু ফলের চেয়ে অনেক উন্নত মানের ফল উৎপাদিত হয় পার্বত্য তিন জেলায়। এক সময় আনারসই প্রধান ফল ছিল। কিন্তু এখন বহু ধরনের ফল উৎপাদিত হয়। এক সময় যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত না থাকার কারণে ফল পচে যেত। আজকে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের কারণে আপনাদের পাহাড়ের সুমিষ্ট ফল ঢাকায় চলে আসে। সিঙ্গাপুরের চেয়ে উন্নতমানের ফল আমাদের পাহাড়ি অঞ্চলে উৎপাদিত হয়।


আরও খবর



দেশে ফিরেছেন প্রায় ৫২ হাজার হাজি, মৃত্যু বেড়ে ৬০

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৫ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৫ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

চলতি বছর পবিত্র হজ পালন শেষে এখন পর্যন্ত ৫১ হাজার ৯৮১ হাজি দেশে ফিরেছেন। মারা গেছেন ৬০ জন। শুক্রবার (৫ জুলাই) হজ পোর্টালের সবশেষ বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়।

সৌদি থেকে ১২৭টি ফ্লাইটে এসব হাজি বাংলাদেশে এসেছেন। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ৫৩টি ফ্লাইটে ২১ হাজার ১৬১ জন, সৌদি এয়ারলাইনসের ৪৮টি ফ্লাইটে ১৮ হাজার ৪৮২ এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইনস ২৬টি ফ্লাইটে ৯ হাজার ৭১৫ হাজি দেশে ফিরেছেন।

চলতি বছর হজ পালন করতে গিয়ে এখন পর্যন্ত ৬০ জন বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে পুরুষ ৪৭ এবং মহিলা ১৩ জন।

হজ শেষে গত ২০ জুন থেকে দেশে ফেরার ফ্লাইট শুরু হয়। ওইদিন বাংলাদেশ বিমানের প্রথম ফিরতি ফ্লাইট ৪১৭ হাজি নিয়ে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। আগামী ২২ জুলাই পর্যন্ত হাজিদের ফিরতি ফ্লাইট অব্যাহত থাকবে।

এবার বাংলাদেশ থেকে মোট ৮৫ হাজার ২২৫ জন (ব্যবস্থাপনা সদস্যসহ) হজযাত্রী সৌদি আরবে গেছেন। হজে গিয়ে এখন পর্যন্ত ৪৭ জন বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। এরমধ্যে পুুরুষ ৩৬ এবং মহিলা ১১ জন।

এদিকে, আগামী বছর (২০২৫) বাংলাদেশের জন্য এক লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জনের কোটা দিয়েছে সৌদি আরব।

বিষয়টি নিশ্চিত করে হজ এজেন্সিস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (হাব) সভাপতি এম শাহাদাত হোসাইন তসলিম জানান, নির্ধারিত সংখ্যার মধ্যে কতজন সরকারি ব্যবস্থাপনায় আর কতজন বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজে যাবেন তা বাংলাদেশ সরকার পরে নির্ধারণ করে দেবে।


আরও খবর
দেশে ফিরলেন ৫৯ হাজার ৩৩০ হাজি

মঙ্গলবার ০৯ জুলাই ২০২৪




হজ শেষে দেশে ফিরেছেন ২৭ হাজার হাজি

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৮ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

সৌদি আরবে পবিত্র হজ পালন শেষে ২৬ হাজার ৯০৯ হাজি দেশে ফিরেছেন। তারা ৬১টি ফ্লাইটে দেশে এসেছেন। হজ করতে গিয়ে সৌদিতে এখন পর্যন্ত ৫৩ জন বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। 

শুক্রবার (২৮ জুন) ধর্ম মন্ত্রণালয়ের হজবিষয়ক প্রতিদিনের বুলেটিন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা যায়, এ বছর হজ পালন করতে গিয়ে যে ৫৩ জন মারা গেছেন, তাদের মধ্যে ৪০ জন পুরুষ ও ১৩ জন নারী। এর মধ্যে মক্কায় ৪২ জন, মদিনায় চারজন, মিনায় ছয়জন এবং জেদ্দায় একজন মারা গেছেন। সর্বশেষ গত বৃহস্পতিবারও (২৭ জুন) মো. হারুনুর রশীদ নামে একজন মারা যান। তিনি নরসিংদীর মনোহরদী উপজেলার বাসিন্দা। 

এ বছর হজ করতে বাংলাদেশ থেকে ২১৮ ফ্লাইটে ৮৫ হাজার ২৫৭ জন সৌদি আরব গেছেন। প্রথম হজ ফ্লাইট ছিল ৯ মে এবং সর্বশেষ ফ্লাইট ছিল ১২ জুন।

গত ১৫ জুলাই পবিত্র হজের প্রধান কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। হজ শেষে ২০ জুন থেকে দেশে ফেরার ফ্লাইট শুরু হয়। ফেরার ফ্লাইট চলবে আগামী ২২ জুলাই পর্যন্ত।


আরও খবর



চাঁপাইনবাবগঞ্জে বজ্রপাতে নারীসহ ৩ জনের মৃত্যু

প্রকাশিত:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি

Image

চাঁপাইনবাবগঞ্জের সদর ও নাচোলে বজ্রপাতে এক নারীসহ তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে দুজন কৃষক ও একজন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী নারী। বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) বিকেলের দিকে নাচোলের নেজামপুর ও গোবরাতলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নাচোল থানার ওসি তারেকুর রহমান সরকার ও সদর মডেল থানার ওসি মেহেদী হাসান এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

নিহতরা হলেন- সদর উপজেলার গোবরাতলা ইউনিয়নের পরশ রায়ের স্ত্রী কমলা রায় (৩১), গোমস্তাপুর বাঙ্গাবাড়ী ইউনিয়নের মন্তাজ আলীর ছেলে উজ্জ্বল (৪৫), নাচোল সদর ইউনিয়নের আব্দুল আখেরের ছেলে উসমান গনি (৩০)।

সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী হাসান জানান, বিকেলে বৃষ্টির মধ্যে বাড়ির বাইরে দাঁড়িয়ে ছিলেন কমলা। এ সময় বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই মারা যান তিনি।

স্থানীয়রা জানায়, নাচোল উপজেলার নেজামপুর ইউনিয়নের কামার জগদইল দিঘিপাড়া গ্রামের পাশে কৃষিজমিতে ছয়জন কৃষক কাজ করছিলেন। বিকেল ৫টার দিকে বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই মারা যান কৃষক মোহাম্মদ উজ্জ্বল। ওই মাঠে কাজ করা অপর পাঁচ কৃষক সুস্থ আছেন। এদিকে ঝলঝলিয়া গ্রামের পাশে কৃষিজমিতে কাজ করার সময় বজ্রপাতে মৃত্যু হয় ওসমান আলীর।

নাচোল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তারেকুর রহমান সরকার জানান, জমিতে কাজ করার সময় বজ্রপাতে পৃথক দুটি স্থানে দুই কৃষকের মৃত্যুর খবর পেয়েছি। দুজনের মরদেহ স্থানীয়রা তাদের বাড়িতে নিয়ে গেছেন।


আরও খবর



প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর ছিল ফলপ্রসূ ও আন্তরিকতাপূর্ণ: কাদের

প্রকাশিত:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফর অত্যন্ত চমৎকার, ফলপ্রসূ ও আন্তরিকতাপূর্ণ ছিল বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

সোমবার (২৪ জুন) আওয়ামী লীগের দফতর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়ার পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি একথা বলেন। বিবৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নিয়মমাফিক অপপ্রচার ও মিথ্যাচারের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান তিনি।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, সফল রাষ্ট্রনায়ক বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা সর্বদা দেশ ও জনগণের মর্যাদা ও স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে সরকার পরিচালনা করেন। রাষ্ট্র পরিচালনায় অভ্যন্তরীণ ও পররাষ্ট্র যে কোনো নীতিতে তার প্রধান বিবেচ্য দেশের জনগণের স্বার্থ ও নিরাপত্তা।

ওবায়দুল কাদের বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক ভারত সফরও এর ব্যতিক্রম নয়। প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর ছিল অত্যন্ত চমৎকার, ফলপ্রসূ ও আন্তরিকতাপূর্ণ। এই সফরে দুই দেশের সম্পর্কের অগ্রগতি ও অর্জনগুলো স্পষ্টভাবে উঠে এসেছে। যেখানে ১০টি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে এবং ১৩টি সুনির্দিষ্ট ঘোষণা এসেছে।

তিনি বলেন, বিএনপি ও মির্জা ফখরুলরা কখনো বর্তমান সরকারের কোনো প্রকার সফলতা দেখে না। ভারত বাংলাদেশের বৃহৎ প্রতিবেশী রাষ্ট্র। বাংলাদেশের স্বার্থে ভারতের সঙ্গে কৌশলগতভাবে সম্পর্ককে জোরদার করতে হবে। জননেত্রী শেখ হাসিনা এই সফরে তারই প্রতিফলন ঘটিয়েছেন। বিএনপির শাসনামলে ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে এক ধরনের অনাস্থা ও অবিশ্বাসের সৃষ্টি হয়েছিল। শেখ হাসিনা এই আস্থা পুনরায় ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছেন। যার ফলে বাংলাদেশি রোগীদের জন্য ভারতের ই-মেডিকেল ভিসা চালুর সিদ্ধান্তে দুই দেশ ঐক্যমত হয়েছে। এতে বাংলাদেশের জনগণের ভোগান্তি কমবে।

তিনি আরও বলেন, নতুন নতুন রুটে বাস-ট্রেন চালু এবং নতুন উপ-হাইকমিশন খোলার ঘোষণা দুই দেশের মানুষের সম্পর্ককে আরও জোরদার করবে। তিস্তায় পানি বণ্টন ছিল এই সফরের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তিস্তার পানি বণ্টন নিয়ে ভারতের কেন্দ্র সরকার ও রাজ্য সরকারের মধ্যে মতদ্বৈততা রয়েছে। এই সমস্যা থাকার পরও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সুস্পষ্টভাবে তিস্তার পানি সংরক্ষণ প্রকল্প বিষয়ে কারিগরি সহায়তা দল পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছেন।

সেতুমন্ত্রী বলেন, বিএনপি নেতৃবৃন্দের মুখে দেশের স্বার্থ নিয়ে কথা বড্ড বেমানান। তাদের নেত্রী খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে ভারত সফরে গিয়ে গঙ্গার পানি চুক্তির বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করতে ভুলে গিয়েছিল। অথচ জননেত্রী শেখ হাসিনা সরকার পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করেই ৩০ বছর মেয়াদি গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তি সম্পন্ন করেন। এবারের সফরে এই চুক্তি নবায়নের বিষয়টিও উঠে এসেছে। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সামরিক স্বৈরাচার জিয়াউর রহমানের আমলে ভারত দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ দখল করে নিয়েছিল। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুদক্ষ নেতৃত্বে দুই দেশের সীমানা জটিলতা নিরসনে সীমান্ত ও ছিটমহল বিনিময় চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে।

তিনি বলেন, পাশাপাশি ভারত ও মিয়ানমারের সঙ্গে আন্তর্জাতিক পরিসরে আইনি লড়াইয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশের সমুদ্রসীমার অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে। অন্যদিকে বিএনপির সময় ভারতীয় বিচ্ছিন্নতাবাদীদের সহায়তা দিতে দশ ট্রাক অস্ত্র চোরাচালনের ঘটনা ঘটেছিল এবং ভারতীয় সন্ত্রাসীগোষ্ঠীকে বাংলাদেশের মাটি ব্যবহার করার সুযোগ দেওয়ায় দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্কে অনাস্থা দেখা দিয়েছিল। বিএনপি ক্ষমতায় থাকার সময় ভারত থেকে বাংলাদেশে পুশব্যাকের মতো ঘটনা ঘটেছিল। বিএনপি তো সেই দল যারা ভারতের নির্বাচনে বিজেপির জয়লাভের পর ভারতীয় দূতাবাসের দরজা খোলার আগেই অভিনন্দন জানাতে মিষ্টি ও ফুল নিয়ে হাজির হয়েছিল। পরিতাপের বিষয় যে, তারাই আজ বাংলাদেশে ভারতবর্জন ও ভারতবিদ্বেষী রাজনৈতিক তৎপরতা চালাচ্ছে। এটা তাদের চিরাচরিত দ্বিচারিতা ছাড়া আর কিছু নয়।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পরে তার সুযোগ্য কন্যা শেখ হাসিনাই একমাত্র সরকার প্রধান যিনি যে কোনো দেশের সঙ্গে কূটনৈতিক দরকষাকষি করে বাংলাদেশের জনগণের মর্যাদাপূর্ণ স্বার্থ সুরক্ষিত করেছেন।

বিবৃতিতে ওবায়দুল কাদের ভারতসহ অন্যান্য রাষ্ট্রের সাথে বিরাজমান অমীমাংসিত দ্বিপাক্ষিক বিষয়গুলোর শান্তিপূর্ণ উপায়ে সমাধান হবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন।


আরও খবর